Category: সারাদেশ

  • সিগারেটের বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না

    সিগারেটের বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না

    আমরা অনেকসময় কিছু শব্দ ইংরেজিতে বলেই অভ্যস্ত। এমনকি তার বাংলা অর্থ কি তা ওয়েনকের অজানা। এমনই কিছু শব্দের বাংলা অর্থ জানা আছে কিনা তা সরকারি চাকরির ইন্টারভিউতে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়। এই ধরনের প্রশ্ন প্রার্থীদের বিভ্রান্ত করে। এই প্রশ্নগুলি কখনও কখনও সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত হয়, তাই অনেক সময় প্রার্থীদের মনের উপস্থিত বুদ্ধির পরীক্ষা সংক্রান্ত করা হয়। জেনে নেওয়া যাক এমনই সব প্রশ্নের উত্তর।

    প্রশ্ন- কোন দেশে মাত্র ৪০ মিনিট রাত থাকে?
    উত্তর- নরওয়ে।

    প্রশ্ন- সিগারেটকে বাংলায় কী বলে?
    উত্তর- সিগারেটকে বাংলায় বলা হয় “ধূমপান দণ্ড”।

    প্রশ্ন- একজন মানুষ আট দিন না ঘুমিয়ে কীভাবে বাঁচবে?
    উত্তর- কারণ, সে দিনে নয় রাতে ঘুমায়।

    প্রশ্ন- আইনজীবীরা কেন শুধু কালো কোট পরেন?
    উত্তর- কালো কোটে শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাসী দেখায়।

    প্রশ্ন- বিশ্বের কোন দেশের রাষ্ট্রপতির মেয়াদ এক বছর?
    উত্তর- সুইজারল্যান্ড।

    প্রশ্ন- মানুষের চোখের ওজন কত গ্রাম?
    উত্তর- মানুষের চোখের ওজন মাত্র ৮ গ্রাম

  • তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন মোড়

    তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন মোড়

    তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক নাটকে নতুন মোড় নিয়েছে অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়–এর সরকার গঠন প্রসঙ্গ। সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজনীয় সমর্থন দেখাতে না পারায় তাকে এখনই সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন না রাজ্যপাল আরএন আর্লেকার। ফলে শনিবার শপথ নেওয়ার সম্ভাবনাও আপাতত বাতিল হয়েছে।

    রাজ্যপালের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থন। তবে বিজয়ের দল টিভিকে বর্তমানে ১১৬ জন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে পেরেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দুই কম।

    সূত্র বলছে, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে), এএমএমকে এবং আইইউএমএলের এক বিধায়কের সমর্থন পাওয়ার জন্য জোর আলোচনা চালিয়েও শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে পারেননি বিজয়। বিশেষ করে ভিসিকে ও আইইউএমএলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সমর্থনের চিঠি দিতে না পারায় জটিলতা আরও বেড়েছে।

    পরে আইইউএমএল এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেয়, তারা টিভিকে নেতৃত্বাধীন জোটের অংশ নয়। অন্যদিকে টিটিভি দিনাকরণের এএমএমকেও রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা এআইএডিএমকের পক্ষেই সমর্থন দেবে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যপাল আর্লেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের দাবি জানান বিজয়। তিনি দাবি করেন, তার পক্ষে ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। তবে রাজ্যপাল স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রয়োজনীয় সমর্থনের লিখিত প্রমাণ ছাড়া সরকার গঠনের আমন্ত্রণ দেওয়া সম্ভব নয়।

    নির্বাচনে বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (টিভিকে) ১০৮টি আসনে জয় পেয়ে তামিল রাজনীতিতে বড় চমক সৃষ্টি করে। ডিএমকে ও এআইএডিএমকের দীর্ঘ ৬২ বছরের আধিপত্য ভেঙে প্রথম নির্বাচনে এমন ফল করলেও সরকার গঠনের সমীকরণ এখনো অনিশ্চিত।

    এদিকে কংগ্রেস দল ডিএমকের সঙ্গে জোট ভেঙে বিজয়ের শিবিরে যোগ দিয়ে পাঁচটি আসন এনে দেয়। তবে শর্ত ছিল, বিজেপির মতো ‘সাম্প্রদায়িক দল’-এর সঙ্গে কোনো জোট করা যাবে না।

    রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি।

    বিজেপি অবশ্য পুরো পরিস্থিতিতে নিজেদের কোনো ভূমিকা নেই বলে দাবি করেছে। দলটির রাজ্য মুখপাত্র নারায়ণ থিরুপাথি বলেছেন, “এটি একটি বিভক্ত জনাদেশ। বিজয় যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে সাংবিধানিকভাবেই রাজ্যপাল তাকে সরকার গঠনের সুযোগ দেবেন।”

  • মন্ত্রিসভায় আসছে ৫ নতুন মুখ, আলোচনায় রয়েছেন যারা

    মন্ত্রিসভায় আসছে ৫ নতুন মুখ, আলোচনায় রয়েছেন যারা

    প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে খুব শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হতে যাচ্ছে পাঁচটি নতুন মুখ। নতুনদের মধ্যে একজন টেকনোক্র্যাটও থাকছেন বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্তও আসতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সংশ্লিষ্ট একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপ কমাতে সরকার এ উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে সময় নির্ধারণ করা হয়নি, তবে একাধিক সূত্র বলছে, চলতি মাসের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ সম্প্রসারণ এবং মন্ত্রীদের দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

    নতুন মুখ হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য বি এম মোশাররফ হোসেন এবং টেকনোক্র্যাট কোটায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহিদুর রহমান।

    এছাড়া কৃষি ও প্রাণিসম্পদ, বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র, জনপ্রশাসন এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে বর্তমানে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে সরকার পরিচালিত হচ্ছে।

  • মাঝরাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, মিলল যে ভয়াবহ কুপ্রস্তাব

    মাঝরাতে ছদ্মবেশে নারী পুলিশ কমিশনার, মিলল যে ভয়াবহ কুপ্রস্তাব

    নারীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বাস্তবে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা সরেজমিনে দেখতে মাঝরাতে সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে রাস্তায় নামেন ভারতের হায়দরাবাদ-এর মালকাজগিরি পুলিশ কমিশনার ভি সুমতি। তবে মাত্র তিন ঘণ্টার সেই অভিযানে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো পুলিশি নিরাপত্তা বা পরিচয় ছাড়াই রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত একটি বাসস্ট্যান্ডে একা অবস্থান করেন এই নারী আইপিএস কর্মকর্তা।

    তার উদ্দেশ্য ছিল, গভীর রাতে একজন সাধারণ নারী হিসেবে শহরের রাস্তায় কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, তা নিজ চোখে পর্যবেক্ষণ করা।

    অভিযান চলাকালে প্রায় ৪০ জন পুরুষ তার কাছে এগিয়ে আসেন। তাদের মধ্যে কেউ ছিলেন তরুণ, কেউ ছাত্র, আবার কেউ চাকরিজীবী। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন ছিলেন মদ্যপ ও গাঁজাসেবনকারীও। কেউ সাধারণভাবে কথা বলার চেষ্টা করেছেন, আবার কেউ সরাসরি কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। তবে কেউই বুঝতে পারেননি যে তারা একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন।

    পুলিশ সূত্র জানায়, শুধুমাত্র অভিযোগ বা প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর না করে বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার লক্ষ্যেই এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে অভিযানে জড়িত কয়েকজনকে শনাক্তও করা হয়।

    তবে তাৎক্ষণিকভাবে মামলা না করে তাদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডেকে পাঠানো হয় এবং জনসমক্ষে নারীদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

    এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, নারী নিরাপত্তা নিয়ে বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে পুলিশের এমন পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

    তবে ভি সুমতির জন্য এমন অভিযান নতুন নয়। কর্মজীবনের শুরুতে ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ হিসেবে কাজিপেট রেলস্টেশন এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে নারীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যাচাইয়ে একই ধরনের অভিযান চালিয়েছিলেন তিনি।

    তেলেঙ্গানা ক্যাডারের এই আইপিএস কর্মকর্তা এর আগে স্টেট ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মালকাজগিরির পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি বেশ কয়েকজন শীর্ষ মাওবাদীর আত্মসমর্পণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। গত ১ মে তিনি মালকাজগিরির পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

  • ৩ ধরনের মেয়েরা নিজের স্বা’মীতে কোনদিন স’ন্তুষ্ট হয়না

    ৩ ধরনের মেয়েরা নিজের স্বা’মীতে কোনদিন স’ন্তুষ্ট হয়না

    বিয়ে মানে এক নতুন জীবনে পদার্পণ, দুজনে হাতে হাত রেখে সকল বাঁধা কাটিতে সারা জীবন একসাথে থাকার প্রস্তুতি, আর ছেড়ে না যাবার অঙ্গিকার। বিয়ে মানে শুধুমাত্র দুটি মনের মিলন নয়, মিলন দুটি পরিবারেরও, একসাথে হাত ধরে জীবনের সিমান্ত পর্যন্ত পৌঁছানর। আর এই বিয়ে সংসার তখনই সুখের হয় যখন দুটি মন ও শরীর মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়।

    কিন্তু এইগুলির মিল না হলে সংসারে দেখা যায় অশান্তি। পরকীয়া, মিথ্যাচার, জটিলতা গ্রাস করতে থাকে। তাই আজ জেনে নিন কোন তিন অক্ষর নামের মহিলারা কখনও নিজের স্বামী ও সংসার নিয়ে সুখী হন না।

    S বা ‘স/শ নামের মহিলা ঃ- এই নামের মহিলারা নিস্টাবান হয়ে থাকেন। কিন্তু স্বামীর প্রতি বেশি পরিমান পসিসিভনেস কাজ করায় তা বিপত্তি ডেকে আনে। তবে এরা যত্নশীল হয়ে থাকেন। এদের অতিরিক্ত

    সন্দেহ সংসারে ঝামেলার সৃষ্টি করে। A বা ‘অ/আ নামের মহিলা ঃ- এই নামের মহিলারা ভালোবাসার কাঙ্গাল হয়ে থাকেন। সংসার ঠিকমত চালালেও এই একটা কারণে সংসারের শান্তি বিনষ্ট হয়। তারা নিজের স্বামীতে সন্তস্ট হন না। তাদের ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা প্রবল হওয়ায় স্বামীর কাছে

    কিছু না পেলে রেগে যান। তারা চান স্বামী যেকোনো কাজ করার পূর্বে স্ত্রীর পরামর্শ নেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেন, তা না করলে তারা

    অসন্তস্ট হন। যার ফলে সংসারে অশান্তি নেমে আসে।

    K বা ‘ক নামের মহিলা ঃ- এই নামের মহিলারা দৃঢ় সংবেদনশীল সম্পন্ন মানুষ হয়েথাকেন। নিজের সংসারের দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করে থাকেন এনারা। সাংসারিক সকল সমস্যার এনারা নিজেরাই সব কিছু রক্ষা করেন।

    কিন্তু কিছু কথা গোপন করার কটুতা এনাদের মধ্যে থাকে। তারা চান তাদের স্বামী যেন তাদের কথা মতন চলে। তা না করলে তারা অসন্তুষ্ট হন। ফলে সংসারে নানান রকম কলহ ও অসান্তির সৃষ্টি হয়।

  • তদন্তে বেরিয়ে এলো একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুর রহস্য

    তদন্তে বেরিয়ে এলো একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুর রহস্য

    ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের চারজন সেই পরিবারটি তরমুজ খাওয়ার ফলে সৃষ্ট খাদ্য বিষক্রিয়ায় নয়, বরং ‌‘বিষক্রিয়ায়’ মারা গেছেন। ফরেনসিক পরীক্ষায় নিহতদের দেহে এবং তাদের খাওয়া ফলের নমুনায় ইঁদুর মারার জন্য ব্যবহৃত একটি বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    ময়নাতদন্তে নিহতদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সবুজ আভা প্রকাশ পাওয়ার কয়েকদিন পর চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা বড় ধরনের মোড় নেয়; যা বিষক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে চিকিৎসকরা পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের নিজ বাড়িতে আত্মীয়দের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন ৪৫ বছর বয়সি আবদুল্লাহ দোকাদিয়া ও তার ৩৫ বছর বয়সি স্ত্রী নাসরিন। সেখানে তাদের দুই মেয়ে—১৩ বছরের জয়নাব ও ১৬ বছরের আয়েশাও ছিল। আত্মীয়দের খাবারের জন্য খাসি পোলাও রান্না করা হয়েছিল।

    তারা চলে যাওয়ার পর রাত ১টার দিকে ওই পরিবারটি তরমুজ খায়। এরপর ভোর ৫টার দিকে পরিবারের সবার তীব্র বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সবাই মারা যান।

    ফরেনসিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, চিকিৎসকরা তাদের শরীরে জিঙ্ক ফসফাইটের আলামত পেয়েছেন, যা ইঁদুর মারার জন্য বিষাক্ত রাসায়নিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসকরা মৃতদের শরীরে এই বিষাক্ত রাসায়নিকের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন।

    পরিবারটির খাওয়া তরমুজের নমুনায়ও ‘জিঙ্ক ফসফাইট’ পাওয়া গেছে। এই রাসায়নিক কি দুর্ঘটনাবশত তরমুজে মিশেছে, নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে ঢোকানো হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

    প্রাথমিক ফরেনসিক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, মৃত ব্যক্তিদের মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড এবং অন্ত্রসহ বেশ কিছু অঙ্গ সবুজ হয়ে গেছে; যা বিষক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া আবদুল্লাহ দোকাদিয়ার শরীরে ‘মরফিন’র উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মরফিন এক ধরনের শক্তিশালী ব্যথানাশক; যা সাধারণত কঠোর চিকিৎসাগত নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এই মরফিন তার শরীরে কীভাবে এলো, আগে থেকে কোনও চিকিৎসা চলছিল নাকি কোনো সন্দেহজনক বিষয় রয়েছে সেটিও খতিয়ে দেখছেন তারা।

    এই ঘটনায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। ওই রাতে নৈশভোজে আসা অতিথিদের জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়েছে। তবে অতিথিরা সবাই সুস্থ আছেন। পুলিশ বলছে, দোকাদিয়ার বাসায় আসা অতিথিরা কেবল পোলাও খেয়েছিলেন। তারা তরমুজ খাননি।

    সূত্র: এনডিটিভি।

  • ব্যাংকে টাকা রেখে মাসিক মুনাফা গ্রহণ করে সংসার চালানো কি জায়েজ?

    ব্যাংকে টাকা রেখে মাসিক মুনাফা গ্রহণ করে সংসার চালানো কি জায়েজ?

    ব্যাংকে টাকা রেখে মাসিক মুনাফা গ্রহণ করা কি সুদের অন্তর্ভুক্ত? ইসলামি ব্যাংক বা সাধারণ ব্যাংকের ডিপিএস ও এফডিআর-এর লভ্যাংশ ভোগ করার শরয়ি সমাধান ও ফতোয়া জানুন।

    প্রশ্ন: ১. বর্তমানে বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংক নামে যেসব ব্যাংক পরিচালিত এই ব্যাংকগুলোতে যে কোনো মেয়াদী ডিপিএস রাখা, তার লভ্যাংশ গ্রহণ করা শরীয়তের দৃষ্টিতে হালাল বা জায়েজ কি না?

    উত্তর: আমাদের দেশে বর্তমানে শরীয়া মোতাবেক পরিচালিত হওয়ার দাবিদার ইসলামি ব্যাংকগুলো তাদের বিনিয়োগে যথাযথভাবে শরীয়তের নীতিমালা অনুসারণ করে না।

    তাই শরীয়তের এ সংক্রান্ত নীতিমালা যথাযথভাবে পালনের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত এসব ব্যাংকে ডিপিএস, এফডিআর বা অন্য কোনো সেভিং একাউন্টে টাকা রেখে অতিরিক্ত গ্রহণ করা যাবে না।

    ২. এফডিআর ও ডিপিএস এ নির্দিষ্ট অংকের টাকা যে কোনো মেয়াদী জমা রেখে প্রচলিত ব্যাংক বা ইসলামী ব্যাংক কর্তৃক যে মুনাফা বা লভ্যাংশ দেয় তা নেওয়া যাবে কি না? শরীয়তের দৃষ্টিতে দলীলসহ সমাধান দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।

    উত্তর: প্রচলিত ব্যাংকগুলোতে ফিক্সড ডিপোজিট কিংবা অন্যান্য সেভিংস অ্যাকাউন্ট খোলা এবং এর থেকে মুনাফার নামে প্রাপ্ত অর্থ ভোগ করা জায়েজ নয়।

    কারণ, এসব মুনাফা সরাসরি সুদ। যা কুরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলীল দ্বারা হারাম। এদেশের মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসগুলোর (যেমন, বিকাশ)-ও একই হুকুম।

    আর আমাদের দেশে বর্তমানে প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকগুলো কাগজে-কলমে ইসলামি হওয়ার দাবি করলেও প্রকৃত পক্ষে শরীয়া নীতিমালা অনুসরণ করে পরিচালিত হয় না। তাদের বিনিয়োগ কার্যক্রমগুলোর অধিকাংশই যথাযথভাবে শরীয়তসম্মত পন্থায় সম্পাদিত হয় না।

    এমনকি অর্থ জমাকারীদের সাথে তাদের লেনদেনও পুরোপুরি বৈধ পন্থায় হয় না। ফিকহুল মুআমালাত ও প্রচলিত ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর সঠিক ধারণা রাখেন– এমন কারো কাছেই বিষয়গুলো অস্পষ্ট নয়।

    আর তাদের কারবারগুলো শরীয়াসম্মত না হওয়ার বড় আরেকটি প্রমাণ তো ভুয়া ও বে-আইনি লেনদেন করে অনেকগুলো ইসলামি ব্যাংকের দেওলিয়ার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া।

    অতএব ইসলামিক ডিপিএস-এ টাকা জমা রাখা এবং এর থেকে মুনাফার নামে দেওয়া টাকা ভোগ করা জায়েয হবে না। এ থেকে বিরত থাকা জরুরি।

    হালাল-হারাম বেছে চলতে চায় এমন মানুষের জন্য এধরনের টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকাই বাঞ্ছনীয়। মুনাফার নামে দেওয়া এ ধরনের টাকা সদকা করে দেওয়াই নিরাপদ।

    শর্ত পূরণের আগে মানত আদায় করা যাবে?
    ওষুধ কোম্পানি থেকে ডাক্তারদের উপহার নেওয়া কি জায়েজ?
    রাস্তা নির্মাণের জন্য মসজিদ ভাঙা যাবে?
    সুদি ব্যাংক (Conventional Bank) ও মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের বিধান

    ব্যাংকে টাকা রাখার ক্ষেত্রে চারটি প্রধান পদ্ধতি প্রচলিত: কারেন্ট অ্যাকাউন্ট (চলতি হিসাব), সেভিংস অ্যাকাউন্ট (সঞ্চয়ী হিসাব), ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট (মেয়াদি হিসাব/এফডিআর) এবং লকার পরিষেবা। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলোর বিধান ও ব্যবহার পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন।

    ১. সেভিংস, এফডিআর ও ডিপিএস: শরিয়তের দৃষ্টিতে ঋণ/করজ ব্যাংকিং পরিভাষায় প্রথম তিন অ্যাকাউন্টের টাকা ‘আমানত’ হিসেবে গণ্য হলেও, শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে তা আমানত নয়, বরং ‘ঋণ’ বা ‘করজ’। এর প্রধান কারণ:দায় গ্রহণে বাধ্যবাধকতা: ঋণের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, ব্যাংক (গ্রহীতা) সর্বদা টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকে। এই বৈশিষ্ট্য ব্যাংকিং আমানতে পাওয়া যায়।হুবহু সংরক্ষণ নয়: শরিয়তের শর্তানুযায়ী আমানত হুবহু সংরক্ষিত থাকার কথা। কিন্তু ব্যাংক আমানত হুবহু সংরক্ষণ না করে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে থাকে।

    ২. সুদি ব্যাংকে সেভিংস ও এফডিআর অ্যাকাউন্টের বিধান: সুদি ব্যাংকের সেভিংস কিংবা ফিক্সড ডিপোজিট অ্যাকাউন্টে টাকা রাখার কোনো অবকাশই নেই।

    সুদের চুক্তি: এসব অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা সরাসরি সুদি চুক্তির অন্তর্ভুক্ত, যা কুরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলীল দ্বারা অকাট্য হারাম।

    ৩. কারেন্ট অ্যাকাউন্ট (চলতি হিসাব) ও লকার পরিষেবার বিধান

    কারেন্ট অ্যাকাউন্ট: প্রয়োজন সাপেক্ষে টাকা রাখা জায়েজ। কারণ, এই হিসাবে কোনো মুনাফা বা সুদ দেওয়া হয় না; বরং উল্টো সার্ভিস চার্জ কাটা হয়। জান ও মালের নিরাপত্তার প্রয়োজনে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ইসলামিক কারেন্ট অ্যাকাউন্ট: অধিক উত্তম ও অগ্রগণ্য। যদি ইসলামী ব্যাংকের কারেন্ট অ্যাকাউন্টে রাখার দ্বারা আপনার প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হয়, তবে সুদি ব্যাংকে রাখার সুযোগ নেই। (সতর্কতা: যেসব কারেন্ট অ্যাকাউন্টেও মুনাফা দেওয়া হয়, সেসব জায়েজ নয়)।

    লকার পরিষেবা: আমানত হিসেবে গণ্য। লকার (লোহার বক্স ভাড়া নিয়ে মূল্যবান সামগ্রী রাখা) ক্ষেত্রে জমানো সামগ্রী শরিয়তের দৃষ্টিতে আমানত হিসেবে বিবেচিত হবে।

    ভুলবশত সুদি অ্যাকাউন্টে টাকা রাখলে করণীয়

    যদি কেউ বিধান না জানার কারণে সুদি বা প্রচলিত ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা রেখে থাকেন, তাহলে তার করণীয়:

    অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা: দ্রুত অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে মূল টাকাটা তুলে ফেলুন। মূল টাকা নিজ কাজে ব্যবহার করা যাবে।

    সুদের টাকার ব্যবহার: মুনাফা বা সুদ হিসেবে যে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা সওয়াবের নিয়ত ছাড়া তুলে নিতে হবে।

    সদকা ও ব্যয়: এই সুদের টাকা অসহায়-দরিদ্রদেরকে দান করে দিতে হবে অথবা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার অবকাশ রয়েছে।

    অবৈধ ব্যবহার নিষিদ্ধ: এই টাকা দ্বারা অন্য ব্যাংক বা অ্যাকাউন্টের সুদ পরিশোধ করা বৈধ হবে না।

    সূত্র: বাদায়েউস সানায়ে ৪/৪২৬; আলমাআয়ীরুশ র্শইয়্যাহ, পৃ. ১৫৬, ২১০-২১৬, ২৪২-২৫৫; মাজাল্লাতু মাজমাইল ফিকহিল ইসলামী, সংখ্যা ৫, ২/১৫৩৯, ১৫৯৯; সংখ্যা ১২, ১/৬৯৭

    উত্তর প্রদানে: ফতওয়া বিভাগ, গবেষণামূলক উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা ও দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া ঢাকা।

    ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সুদ নিয়ে FAQ

    ব্যাংকের সুদ/মুনাফা দিয়ে কী করা উচিত?
    উত্তর: সদকা করে দেওয়াই উত্তম
    সুদের টাকা দিয়ে কি মসজিদ বা মাদ্রাসায় দান করা যাবে?
    উত্তর: নাহ। সুদের টাকা মসজিদ বা মাদ্রাসায় দান করা যাবে না।

  • বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ

    বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ

    নিজের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী। সমালোচনার মুখে প্রথম পোস্ট মুছে ফেলার পর নতুন এক পোস্টে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। মারকাযু শাহাবুদ্দিন আল ইসলামি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম রফিকুল ইসলাম মাদানী গত ৬ মে সকাল ১০টা ১ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে একটি পোস্ট করেন। পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনি ওই পোস্টটি নিজের আইডি থেকে সরিয়ে নেন। এরপর ৭ মে সকাল ৮টা ৫ মিনিটে ‘কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব!’ শিরোনামে নতুন একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তিনি। পোস্টে তিনি লেখেন,

    কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব!

    ১) কিছু লোক বলার চেষ্টা করছে, আমি নাকি আমার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই মেয়ের সাথে প্রেম করে চাপে পড়ে বিয়ে করেছি। আবার অনেক নির্লজ্জরা ত বলছে টিক টকে নাকি পরিচয়, মাআযাল্লাহ! আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনোদিন দেখিনি, এমনকি তার সাথে একবারের জন্য কথাও হয়নি,আর টিকটকে জীবনে কোনদিন আমার আইডি ছিল না,সেটা এত বুঝিও না!

    ২) সবচেয়ে বেশি আপত্তি তোলা হচ্ছে—কেন স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময় বিয়েটা করতে হলো?

    আমার মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।দেখুন আমি বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী—ছেলে বা মেয়ে—তাদের ফরম পূরণ করতে হয়। আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে। উভয়পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়। আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব, আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী। আমার জন্য উপযুক্ত মেয়ে পাওয়ার সময়টা আমার স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময়ের সাথে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত ছিলাম, সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়েছে।
    তবে এরপর আমার কার্যক্রম কী ছিল?

    আমি সারাক্ষণ স্ত্রীর পাশে হাসপাতালে থেকেছি। ময়মনসিংহের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন—৪ দিন ছিলাম রাত-দিন আমার ঘুম ছিল না, ঠিকমতো খাওয়াও হয়নি। যেদিন আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে, সেদিন অপারেশনের পর সারারাত তার বিছানার পাশে বসে থেকেছি। রাত ৩টার দিকে নার্সরাই আমার জন্য মায়া করে বলেছে, “হুজুর, আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, আপনি বসে না থেকে এবার একটু ঘুমান।” আর এগুলো শুধু প্রেগন্যান্সির সময়ের বিষয় না। আড়াই বছরের সংসারে আমার স্ত্রী যদি ন্যূনতম একবারও আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকে—পৃথিবীর কেউ যদি সেটা প্রমাণ করতে পারে, আমি যে কোনো শা*স্তি মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত।

    আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিষয়টি শুনে কষ্ট পেয়েছে, কান্না করেছে, হতাশ হয়েছে, আমার ওপর রাগও করেছে। কিন্তু যারা আমার মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাদের বলছি—তাদের কাছেই যান, তারা কোনোভাবেই বলতে পারবে না যে আমি জীবনে একদিনও আমার স্ত্রীর যত্ন নিইনি। আমার বাড়িতে কিংবা আশেপাশে এসে জিজ্ঞেস করুন—আমি আমার স্ত্রীর কতটুকু যত্ন করি। অনেকে আমাদের দেখে বলে, আমরা নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দাম্পত্য জীবন পার করছি। বিষয়টি আমার ও শ্বশুরবাড়ি—উভয় জায়গাতেই পরিচিত। তার সার্বক্ষণিক দেখভালের জন্য কাজের লোক রাখা, প্রেগন্যান্সির সময় রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজের হাতে তার পা টিপে দেওয়া, যখন যা চেয়েছে তা এনে দেওয়া—আহ! আফসোস, আজ আমাকে সেগুলোও প্রকাশ্যে বলতে হচ্ছে! এত কিছু বলার পরও, আমার এই হালাল ও বৈধ সিদ্ধান্তের কারণে আজ নিজের ভেতরেও একধরনের অপরাধবোধ জন্মেছে। তবে সেটার জন্য আমি একজন মানুষের কাছেই দায়ী—তিনি আমার প্রথম স্ত্রী। তার কাছে আমি কীভাবে আগের মতো হতে পারি, সেটাই আমার ইনসাফের মাধ্যমে প্রমাণ হবে, ইনশাআল্লাহ।

    ৩) মামুনুর রশীদ কাসেমীর এখানে কেন?

    দেখুন, আইএমভি কী করছে? তারা শুধু এমন দুই পক্ষকে মিলিয়ে দিচ্ছে, যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়েতে আগ্রহী। তারা তো কাউকে জোর করে বিয়ে দিচ্ছে না।
    বরং আইএমভি অনেক বিধবা, অসহায় কিংবা আশ্রয়হীন মেয়েদের জন্য আশ্রয়ের একটি ব্যবস্থা তৈরি করছে—সেখানে গেলে বুঝতে পারবেন।
    আর মামুনুর রশীদ কাসেমী চারটি বিয়ে করেছেন—আপনি তার স্ত্রীদের সাথে কথা বলে দেখুন। তারা যদি সন্তুষ্ট ও সুখী থাকেন, তাহলে আপনার সমস্যা কোথায়?
    তার নামে যে স্ত্রী মা*ম*লা দিয়ে তাকে জে*লে ভরেছিল সে এখন কোথায়.?সেও ত মামুনুর রশীদ কাসেমীর বিল্ডিংয়ে খবর নেন!
    নাকি সমস্যা হলো—আপনি ঘরে একজন স্ত্রী রেখে বাইরে আরও কয়েকজনের সাথে ডেটিং করবেন, কিন্তু সবাই কেন সেটা করবে না?
    আর যদি বলেন, একাদিক বিয়ের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা কি জায়েজ.?—তাহলে বলব, এটা আমি বা আপনি সিদ্ধান্ত দেওয়ার বিষয় না। দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুহাক্কিক আলেমগণ এ বিষয়ে কথা বলবেন।

    শেষ কথা, সমালোচনাকারীদের বড় একটি অংশ মূলত আল্লাহর কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একাধিক বিয়ের বিধানকেই অপছন্দ করে। তারা সমাজে জিনার মাধ্যমে যৌন চাহিদা পূরণকে সহজ মনে করে, তাই সমালোচনা করে। তবে কিছু মানুষের বাস্তবসম্মত সমালোচনা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য।
    বিঃদ্রঃ এ দেশের অনেক আলেমবিদ্বেষী মানুষ এ*প*স্টি*ন ফাইলস বা বড়লোক বড় নেতাদের স্ত্রী রেখে ৫টা ৭টা রক্ষিতা নিয়েও এত কথা বলেনি, যতটা আমার একাধিক বিয়ে নিয়ে বলছে। তাদের কাছে মনে হয়, এ*প*স্টি*ন ফাইলসের সেই ছোট ছোট শিশুদের ধ*র্ষ*ণ ও হ*ত্যা*র ঘটনা বা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!

    সূত্র : ইত্তেফাক

  • ফের সারাদেশে টানা ৫ দিন ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস

    আগামী পাঁচ দিন দেশের সব বিভাগেই ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিনে জানানো হয়, শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

    রোববার (১০ মে) একই সময় পর্যন্ত রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

    সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় চাঁদপুর ও যশোরে দেশের সর্বোচ্চ ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের নিকলিতে দেশের সর্বোচ্চ ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

  • ব্রেকিং নিউজঃ শনিবারের ছুটি বাতিল

    ব্রেকিং নিউজঃ শনিবারের ছুটি বাতিল

    এবারের ঈদুল আজহার ছুটি ৭ দিন নির্ধারণ করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে এ ঘোষণা আসে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে ছুটি থাকবে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (২৩ মে) অফিস করতে হবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ বা ২৮ মে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। আগামী ২৮ মে ঈদুল আজহা ধরে ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার।

    ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৮ মে ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি। ঈদুল আজহার আগে ২৬ ও ২৭ মে দুদিন এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত তিনদিনসহ মোট পাঁচদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি।