News24x7

  • বিএনপির এক আসনে প্রার্থী বদল, চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

    বিএনপির এক আসনে প্রার্থী বদল, চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

    চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে দলীয় প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এই আসনে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে বাদ দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকারকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোলাম আকবর খোন্দকারের ছেলে তারেক আকবর খোন্দকার। তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে আজই রাউজান আসনের জন্য গোলাম আকবর খোন্দকারকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেন গোলাম আকবর খোন্দকার।
    এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর একই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চট্টগ্রাম-৬ আসনে প্রাথমিকভাবে দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্তে সেই মনোনয়ন পরিবর্তন করা হলো।

  • বাংলাদেশিদের ভিসা দেয়ার বিষয়ে যা জানাল ভারত

    বাংলাদেশিদের ভিসা দেয়ার বিষয়ে যা জানাল ভারত

    বাংলাদেশের নাগরিকদের এখন ‘উল্লেখযোগ্য পরিমাণ’ ভারতীয় ভিসা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি।

    আজ বৃহস্পতিবার নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা তো ভিসা দিচ্ছি (বাংলাদেশে)। নানা কারণে ভিসা দেওয়া হচ্ছে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে।’

    গত বছরের জুলাই-অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে ভারতের স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

    ভারতের ভিসা পাওয়া যাচ্ছিল না বলে অনেক বাংলাদেশি নাগরিককেই চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।
    নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি আরো বলেন, ‘যেসব কারণে ভিসা দেওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে মেডিক্যাল ইস্যু বা ইমার্জেন্সি আছে, ছাত্রছাত্রীদের ভিসা আছে ইত্যাদি ইত্যাদি।’

    তবে ভারত সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশিদের ঠিক কত সংখ্যক ভিসা দিয়েছে, সেই নির্দিষ্ট সংখ্যাটা তিনি বলতে পারেননি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা আমাকে জেনে বলতে হবে।

    বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে গতকাল (বুধবার) যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে আর একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি অবশ্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি–বরং উত্তর পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন।

    গোপালগঞ্জের ঘটনাকে ভারত কিভাবে দেখছেন, তার জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলে যেকোনো ডেভেলপমেন্টের দিকেই আমরা সতর্ক নজর রাখি, সেটা আমলে নিই এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের যা করণীয় সেটাও করা হয়।’

  • এবার আরেক বিএনপি প্রার্থীর কপাল পুড়ল

    এবার আরেক বিএনপি প্রার্থীর কপাল পুড়ল

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পর এবার বিএনপির আরেক প্রার্থীর কপাল পুড়েছে। কুমিল্লা-১০ আসনে (লালমাই-নাঙ্গলকোট) প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির মনোনীত মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়ার রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তিনি এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। অভিযোগকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী। ইসির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী।

    গত ২০ জানুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বাতিল করায় হাইকোর্টে রিট করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া।

    আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছিলেন বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (মুক্তিজোট) প্রার্থী কাজি নুরে আলম সিদ্দিকি। এরপর গত ১৮ জানুয়ারি বিকালে নির্বাচন কমিশন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল করে।

    এর আগে গতকাল (২১ জানুয়ারি) কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর রিট খারিজ করেন হাইকোর্ট।

    গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রাথমিক বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলেও ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

    হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ ছিল, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এনসিপি প্রার্থীর আবেদন মঞ্জুর করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করে। ইসির এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। আবেদনে তিনি ইসির ওই সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন, কিন্তু উচ্চ আদালত তার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।

  • লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিন

    লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিন

    লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিনজিজ্ঞাসা–১১০২: ইসলামে লজ্জাস্থানের চুল কাটার নিয়ম কী কী?–শরিফ। জবাব: এক. অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটাকে মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস রাযি. বলেন, وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮) দুই. নাভীর নীচের অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা হলো :

    পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায় নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয় সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১) তিন. পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব। (কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫) চার. ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না। فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭) والله اعلم بالصواب উত্তর দিয়েছেন শায়েখ উমায়ের

  • হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত বিষয়ে যা জানাল জাতিসংঘ

    হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত বিষয়ে যা জানাল জাতিসংঘ

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

    ২. হাঁটুন
    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

    ৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
    ৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

    ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

    জিরা-পানির কী গুণ

    ৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

    বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

    ৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

    আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
    ৭. সকালে লেবু-পানি খান

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

    সূত্র: দ্য হেলদি ডটকম

  • যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

    ২. হাঁটুন
    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

    ৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
    ৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

    ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

    জিরা-পানির কী গুণ

    ৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

    বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

    ৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

    আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
    ৭. সকালে লেবু-পানি খান

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

    সূত্র: দ্য হেলদি ডটকম

  • ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই শরীর যে সংকেত দেয়

    ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই শরীর যে সংকেত দেয়

    বুক জ্বালা বা হেয়ার্টবার্নকে আমরা প্রায়ই সাধারণ হজমের সমস্যা মনে করি। তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন—এই উপসর্গকে অবহেলা করা বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে চলা বুক জ্বালা হতে পারে একটি মারাত্মক ও দুর্লভ ক্যানসারের পূর্বাভাস, যার নাম ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসার।

    এই ক্যানসার শরীরে বাসা বাঁধার এক বছর আগেই কিছু পূর্ব লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যা শরীরের আচরণ বা পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিন্তু আমরা অনেকেই এসব সংকেতকে গুরুত্ব দিই না।

    যে লক্ষণগুলো আগেভাগেই দেখা দেয়:

    * শরীরের যেকোনো জায়গায় চাকা বা গাঁট অনুভব হওয়া

    * অস্বাভাবিক রক্তপাত

    * দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙা

    * ওজন হঠাৎ কমে যাওয়া

    * অতিরিক্ত ক্লান্তি

    * ত্বকে অস্বাভাবিক পরিবর্তন

    * হজমে সমস্যা বা বুক জ্বালা

    উপরের লক্ষণগুলোর কোনোটি যদি দীর্ঘ সময় থাকে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসার কী?

    এটি খাদ্যনালীর দেয়ালের কোষে তৈরি হওয়া এক ধরনের ক্যানসার। এটি বিশ্বজুড়ে দশম সর্বাধিক দেখা ক্যানসার হলেও এর প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে, ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে এবং চিকিৎসাও জটিল হয়ে ওঠে।

    এই ক্যানসারের দুইটি সাধারণ ধরন রয়েছে:

    * স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা: খাদ্যনালীর সমতল কোষে তৈরি হয়

    * অ্যাডেনোকার্সিনোমা: মিউকাস নিঃসরণকারী কোষে তৈরি হয়

    যেসব উপসর্গ দেখলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে:

    * বুকের মাঝখানে বা পিঠে ব্যথা অনুভব হওয়া

    * গলা ব্যথা বা খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া

    * হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, যদিও খাওয়ার অভ্যাস বদলায়নি

    * রক্ত বমি হওয়া বা কাশির সঙ্গে রক্ত আসা

    * নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদি হেয়ার্টবার্ন

    * কণ্ঠস্বর ভারী বা ভেঙে যাওয়া

    জিইআরডি এবং ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস

    যখন পাকস্থলীর অ্যাসিড বারবার খাদ্যনালীতে উঠে আসে, তখন সেটাকে বলা হয় জিইআরডি বা গ্যাস্ট্রোইসোফ্যাজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ। দীর্ঘমেয়াদি জিইআরডি থাকলে ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস নামে একটি অবস্থা তৈরি হতে পারে, যেখানে খাদ্যনালীর কোষের গঠন পরিবর্তিত হয়ে তা ক্যানসারে রূপ নিতে পারে।

    ঝুঁকিতে কারা?

    বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত এমন কয়েকটি গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে:

    * ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ

    * যারা ধূমপান বা নিয়মিত অ্যালকোহল সেবন করেন

    * যারা অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় ভোগেন

    * যাদের পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস রয়েছে

    ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় যেসব কারণ:

    * ধূমপান এবং অ্যালকোহল গ্রহণ

    * অতিরিক্ত ওজন

    * দীর্ঘমেয়াদি অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস

    * কিছু বিরল রোগ যেমন আকালেশিয়া ও টাইলোসিস

    * এইচপিভি ভাইরাস সংক্রমণ

    * পারিবারিকভাবে ক্যানসারের ইতিহাস থাকা

    * কিছু রাসায়নিক পদার্থের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ

    সতর্কতা এবং সচেতনতা

    পেটের জ্বালা বা হেয়ার্টবার্নের মতো সাধারণ মনে হওয়া উপসর্গকেও অবহেলা করা উচিত নয়। শরীরের দেওয়া সংকেতগুলো গুরুত্ব সহকারে বুঝে নেওয়া এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করাই পারে জীবন রক্ষা করতে।

    সচেতন থাকুন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন এবং সুস্থ থাকুন।

  • সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কার্যকর হলো নতুন জরুরি নির্দেশনা। নির্বাচনকালীন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের সব সরকারি অফিসের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বিশেষ লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি সব চিঠিপত্রের ডান পাশে নির্ধারিত বিশেষ লোগো সংযুক্ত রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি দপ্তরের পত্রালাপেই এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।
    জানা গেছে, গত ৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।
    শুধু দাপ্তরিক চিঠিপত্রেই নয়, নির্বাচনী পরিবেশ ও গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন স্থানে লোগো সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে দেওয়া এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করতেই সরকারের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই জরুরি নির্দেশনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

  • কিছুই হজম হয় না? আইবিএস এর সমস্যায় ভুগছেন না তো!

    কিছুই হজম হয় না? আইবিএস এর সমস্যায় ভুগছেন না তো!

    খাবার খেলে অনেকে সহজে হজম করতে পারেন না। ঠিকমতো খাবার হজম না হওয়া সমস্যাকে সাধারণ গ্যাস, অ্যাসিডিটি ভেবে গুরুত্ব দেন না। তবে এর পেছনে অন্য কারণ থাকতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এটি সাধারণ গ্যাসের সমস্যা নাও হতে পারে। এমন সমস্যা আইবিএস (IBS) এর ইঙ্গিত দেয়।

    আইবিএস কী?
    স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, IBS (Irritable Bowel Syndrome) একটি ‘chronic functional gastrointestinal disorder’। এই সমস্যায় অন্ত্রের গঠন স্বাভাবিক থাকলেও ভেতরে কিছু সমস্যা দেখা যায়। যার কারণে দেখা দেয় পেট ব্যথা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো উপসর্গ।

    চিকিৎসকদের মতে আইবিএস প্রাণঘাতী নয় এবং এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় না। কিন্তু দীর্ঘদিন এ সমস্যা চলতে থাকলে তা রোগীর দৈনন্দিন জীবনকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। মানসিক চাপ বা উদ্বেগ থেকে আইবিএস হতে পারে।

    ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস (NIDDK) অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ১০–১৫ শতাংশ মানুষ আইবিএস এর উপসর্গে ভুগছেন। অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় না হলে সমস্যা দীর্ঘদিন চলতে থাকে।

    কী কী খেলে আইবিএস নিয়ন্ত্রণে থাকবে?
    আইবিএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্লুটেন যুক্ত খাবার ( আটা, ময়দা যুক্ত), দুধের খাবার বাদ দিতে হবে। দই খেতে পারেন। গ্রিক ইয়োগার্ট খাওয়া ভালো। খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে প্রোবায়োটিক যুক্ত খাবার, ভিটামিন ও মিনারেল যুক্ত খাবার। নন সুইট ফ্রুট যেমন পেয়ারা, আপেল, কলা লেবু খেতে পারেন। ড্রাই ফ্রুট (কাজু, চিনাবাদাম,খেজুর) না খাওয়াই ভালো।

    আইবিএসের সমস্যা থাকলে তেল যুক্ত খাবার খাওয়া কমাতে হবে। উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার খেতে হবে। সিম্পল কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে। সব ধরনের শাক পাতা খেতে পারেন। ওটস খাওয়া যেতে পারে।

    পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। তিন মাস বা ৬ মাস এইভাবে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন করলে অনেকের ক্ষেত্রে আইবিএস পুরোপুরি ঠিক হয়ে যায়।

  • রইল না বিএনপির কোনো প্রার্থীই!

    রইল না বিএনপির কোনো প্রার্থীই!

    শেরপুর-২ বিএনপি দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও অপর এক বিএনপি নেতার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় হতাশায় দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।

    ঋণখেলাপি থাকায় বাতিল করা হয় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলালের মনোনয়ন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী না থাকায় ভোটে লড়াই হবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মধ্যে।

    তবে এ দুই দল নির্বাচনি জোট করায় আসন সমঝোতা হলে কোনো একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে । তবে সবকিছুর জন্য আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সেদিন আপিল আদালতে বিএনপি প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে । বিএনপির প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেলে ভোটের লড়াই বেশ জমে উঠবে।

    জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আশা-নিরাশার দোলাচলে অনেকটা দ্বিধাগ্রস্ত শেরপুর-২ (নকলা ও নালিতাবাড়ী) আসনের বিএনপি নেতাকর্মীরা। গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়ন যাচাইবাছাইকালে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করায় দলের নেতাকর্মীরা এখন হতাশ হয়ে পড়েছেন। একই আসন থেকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইলিয়াস খান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও দলীয় মনোনয়ন সংযুক্ত না থাকায় তার মনোনয়নপত্রও বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। মনোনয়নপত্রে প্রার্থী ইলিয়াস খান স্বাক্ষর নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। ফলে শেষ পর্যন্ত ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা আপিলে বহাল থাকবেন, নাকি ইলিয়াস খান দলীয় মনোনয়ন নিয়ে আপিলে শেষ ভরসা হবেন- এমন সমীকরণে ভোটের মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে ১০ দলীয় জোটের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়ার মধ্যে ভোটে লড়াই হবে না, সমঝোতা হবে।

    নির্বাচনি হাওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে শুধু বিএনপিতেই প্রার্থীর দেখা মেলে আটজন। এরমধ্যে পাঁচজন প্রার্থী ও তাদের নেতাকর্মীরা মাঠে ছিল সরব। তবে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন মিলে সর্বমোট ১২টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়। অবশ্য শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করেন পাঁচজন। এরা হলেনÑবিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ভিপি, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলাল এবং দলীয় মনোনয়ন না পেলেও বিএনপি প্রার্থী দাবিদার ইলিয়াস খান। গত ৩ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাইকালে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় প্রথমে স্থগিত এবং পরবর্তীতে বাতিল করা হয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন। দলীয় মনোনয়ন সংযুক্তি না থাকায় বাতিল করা হয় বিএনপি নেতা হিসেবে দাখিলকারী ইলিয়াস খানের মনোনয়ন। ঋণখেলাপী থাকায় বাতিল করা হয় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলালের মনোনয়ন। ফলে মাঠে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ।

    তবে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র বলছে, ইলিয়াস খান তার দাখিলকৃত মনোনয়ন ফরমে নিজে স্বাক্ষর করেছেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    যদিও দলীয় মনোনয়ন না থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। তবে পরবর্তীতে কেউ অভিযোগ দিলে এবং প্রার্থিতা বহাল থাকলে বিষয়টি যাচাই যোগ্য হবে।

    এমতাবস্থায় বিএনপির শেষ ভরসা কে হবেন, এ নিয়ে নেতাকর্মী, সমর্থক, এমনকি ভোটারদের মাঝে আশা-নিরাশার দোলাচল এবং হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

    এসব বিষয়ে মতামত নিতে ফাহিম চৌধুরী ও ইলিয়াস খানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল করে বারবার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদনের রিসিভ কপি দিয়ে আপিলে টিকলে ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকবে। একইভাবে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করে আপিলে টিকলে ইলিয়াস খানের প্রার্থিতাও ফিরে পাবেন। কাজেই এখনো বিএনপিতে প্রার্থিতার আশার আলো রয়েছে। যদিও বিষয়টি সম্পূর্ণ আপিল বিভাগের আওতাধীন।

    এদিকে জোটের পক্ষ থেকে আব্দুল্লাহ আল কায়েশ প্রার্থী হিসেবে টিকে থাকতে চেষ্টার পাশাপাশি, স্বপ্ন বুনছেন এমপি হওয়ার। অন্যদিকে জোটের পক্ষে গোলাম কিবরিয়া চূড়ান্ত হবেন এবং বিজয়ী হবেনÑএমন আলোচনাও জোরালো সমর্থকদের মাঝে। যদিও আপীল শেষে ৯ জানুয়ারি ভাগ্য নির্ধারণ হবে শেরপুর-২। ফাহিম চৌধুরী ও তার নেতাকর্মীরা মনে করেন, গত ২৬ ডিসেম্বর পাঠানো অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন এরই মধ্যে গৃহীত হবে এবং আপিলে তার প্রার্থিতা বহাল থাকবে। তবে বিএনপির আরেক অংশ মনে করছেন, ফাহিম চৌধুরী এত অল্প সময়ে নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদনের গৃহীত কপি সংগ্রহে ব্যর্থ হবেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে রাখতে বিএনপি ইলিয়াস খানকে দলীয় মনোনয়ন দেবে এবং আপিলে তিনিই হবেন শেষ ভরসা।