News24x7

  • পারমাণবিক বাংকারে স্বর্ণের পাহাড়, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন মোড়

    পারমাণবিক বাংকারে স্বর্ণের পাহাড়, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন মোড়

    সুইজারল্যান্ডের আল্পস পর্বতমালার গভীরে অবস্থিত শীতল যুদ্ধের সময়কার একটি পরিত্যক্ত পারমাণবিক বাংকার এখন বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    এই উচ্চ-নিরাপত্তাসম্পন্ন ভল্টে প্রতি সপ্তাহে গড়ে এক থেকে দুই টন স্বর্ণ জমা করছে বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান ‘টেদার হোল্ডিংস’। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় রিজার্ভের বাইরে টেদারের কাছেই রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম স্বর্ণমজুত, যা বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের বাজারে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত এক বছরে টেদার প্রায় ৭০ টনের বেশি স্বর্ণ কিনেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কাছে মোট ১৪০ টন স্বর্ণ মজুত রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বিশাল মজুতের পরিমাণ অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভকেও ছাড়িয়ে গেছে।

    গত বছর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি রেকর্ড ৫,২০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পেছনে টেদারের মতো প্রতিষ্ঠানের বিশাল বিনিয়োগকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

    টেদারের প্রধান নির্বাহী পাওলো আরদোইনো এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তারা তাদের বিশাল লভ্যাংশ ধারাবাহিকভাবে স্বর্ণ কেনায় বিনিয়োগ করছেন এবং অচিরেই তারা বিশ্বের অন্যতম বড় ‘স্বর্ণের কেন্দ্রীয় ব্যাংক’-এ পরিণত হতে যাচ্ছেন।

    তিনি আরও ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মার্কিন ডলারের বিকল্প হিসেবে বিশ্বের অনেক শক্তিশালী দেশ অচিরেই স্বর্ণ-নির্ভর মুদ্রা ব্যবস্থা চালুর দিকে ঝুঁকবে। ডিজিটাল মুদ্রার পাশাপাশি ভৌত সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের ওপর টেদারের এই অগাধ আস্থা মূলত সরকারি ঋণের ওপর ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাসেরই প্রতিফলন।

    পেশাদারিত্ব এবং গোপনীয়তা রক্ষায় টেদার এতটাই কঠোর যে, তারা বিশ্ববিখ্যাত ব্যাংক এইচএসবিসির জ্যেষ্ঠ স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিয়েছে। বর্তমানে তাদের এই বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার সুইজারল্যান্ডের একটি সুরক্ষিত আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে স্টিলের পুরু দরজার আড়ালে সংরক্ষিত রয়েছে, যাকে আরদোইনো রসিকতা করে ‘জেমস বন্ডের আস্তানা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে টেদারের এই ‘গোল্ডেন ফোর্ট্রেস’ বা স্বর্ণের দুর্গ বিশ্ব অর্থনীতির প্রচলিত মেরুকরণকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

    সূত্র: দ্য টাইমস্ অব ইন্ডিয়া।

  • ব্রেকিং: রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    ব্রেকিং: রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • নির্বাচন উপলক্ষে আরও বাড়লো সাধারণ ছুটি

    নির্বাচন উপলক্ষে আরও বাড়লো সাধারণ ছুটি

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণ ছুটির পরিধি আরও বেড়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এই উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার-শনিবার) হওয়ার কারণে কেবল এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের বিশ্রামের সুযোগ মিলছে।

    এছাড়া, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দিন এবং তার আগের দিন অর্থাৎ ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর পরবর্তী দুই দিন ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় এখানে আবারও টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ছুটি এবং ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সরকারি ছুটি থাকবে, যা পূর্বেই ঘোষণা করা হয়েছিল।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির দিনে। এ ছাড়া ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন, হিন্দুদের জন্য ৯ দিন, খ্রিস্টানদের জন্য ৮ দিন, বৌদ্ধদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন বিশেষ ছুটি থাকবে।

    ফেব্রুয়ারি মাসে এই ছুটির সুবিধায় সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় বিশ্রামের সুযোগ পাবেন।

  • দ্রুত ছড়াচ্ছে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী, বিজ্ঞানীদের সতর্কতা

    দ্রুত ছড়াচ্ছে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী, বিজ্ঞানীদের সতর্কতা

    দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এক পরজীবীর সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, ‘স্নেইল’ বা শামুকের মাধ্যমে ছড়ানো এই পরজীবীর সংক্রমণে হতে পারে ‘স্নেইল ফিভার’ নামের এক রোগ। এই সংক্রমণ এত দ্রুত ছড়াচ্ছে যে, ভবিষ্যতে এটি নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই রোগের প্রভাবে মানুষের যৌনাঙ্গে ক্ষত, বন্ধ্যত্ব এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, বছরে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ স্নেইল ফিভারের চিকিৎসা নেন, যাদের বেশির ভাগই আফ্রিকা মহাদেশের বাসিন্দা। তবে সম্প্রতি বিশ্বের ৭৮টি দেশে এই রোগের সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে চীন, ভেনেজুয়েলা ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশও রয়েছে।

    সংক্রমণের প্রক্রিয়া ও প্রভাব এই পরজীবীটি ত্বকের ভেতর দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে এবং রক্তে লুকিয়ে থাকে। এরপর নীরবেই ডিম পাড়ে এবং সেই ডিম মানুষের লিভার, ফুসফুস ও যৌনাঙ্গে জমা হয়। দীর্ঘ সময় শরীরে উপস্থিত থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তা ধরা পড়ে না। উদ্বেগের বিষয় হলো, এই পরজীবীর নতুন ধরনগুলো ক্রমেই আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই রোগটিকে ‘বৈশ্বিক উদ্বেগের কারণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

    স্নেইল ফিভার যেভাবে ছড়ায় এই পরজীবীর বাহক মূলত একটি বিশেষ ধরনের শামুক। এই শামুক যে পানিতে থাকে, সেখানে পরজীবীর লার্ভা ছড়িয়ে পড়ে। কোনো সুস্থ মানুষ এই পানির সংস্পর্শে এলে লার্ভাগুলো ত্বকের ভেতর দিয়ে শরীরে ঢুকে পড়ে। পরে এগুলো রক্তনালিতে পূর্ণবয়স্ক কৃমিতে পরিণত হয় এবং বংশবিস্তার শুরু করে। ডিমের কিছু অংশ শরীর থেকে বেরিয়ে গেলেও অনেক ডিম ভেতরে আটকে যায়, যা সুস্থ টিস্যু ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    কিছু ডিম তলপেট ও যৌনাঙ্গের আশপাশে আটকে যায়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ইউরোজেনিটাল স্কিস্টোসোমিয়াসিস’ বলা হয়। এতে পেটব্যথা থেকে শুরু করে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে, এমনকি রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।

    চিকিৎসায় নতুন চ্যালেঞ্জ স্নেইল ফিভার সাধারণত অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধে সেরে যায়। তবে গবেষকরা বলছেন, পরজীবীর নতুন কিছু ধরন প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে ধরা নাও পড়তে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের শরীরের পরজীবী আর প্রাণীর শরীরের পরজীবী মিলে এক ধরনের ‘হাইব্রিড’ তৈরি করছে। এগুলো মানুষ ও প্রাণী উভয়কেই সমানভাবে আক্রান্ত করতে পারে।

    সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক সময় স্বাস্থ্যকর্মীরা এর উপসর্গগুলোকে সাধারণ যৌনবাহিত রোগ ভেবে ভুল করেন। যথাযথ চিকিৎসা না হলে যৌনাঙ্গে ক্ষত, বন্ধ্যত্ব এবং নারীদের ক্ষেত্রে সন্তান ধারণের ক্ষমতা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। জলবায়ু পরিবর্তন, অধিক ভ্রমণ এবং অভিবাসনের কারণে এই রোগ এখন দক্ষিণ ইউরোপের কিছু এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্কিস্টোসোমিয়াসিস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান ডা. আমাদু গারবা জিরমে বলেন, “এটি এখন বৈশ্বিক উদ্বেগ। যেসব দেশে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ নেই, সেখানেও প্রাণীদের শরীরে পরজীবীটি রয়ে গেছে। এটি ভবিষ্যতে মানুষের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে।” পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বর্তমানে তাদের কৌশল পরিবর্তনের কাজ করছে।

  • আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম, লিটারে কত?

    আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম, লিটারে কত?

    বিশ্ববাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় দেশে সব ধরণের জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা করে কমানো হয়েছে।

    শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। পুনর্নির্ধারিত এই নতুন মূল্য রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।

    জ্বালানি বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ভোক্তা পর্যায়ে সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেলের বর্তমান বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে ২ টাকা কমিয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    একইভাবে অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা করা হয়েছে।

    সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহন খাতসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ডিজেলের দাম কমায় কৃষিপণ্যের পরিবহন খরচ ও সেচ কাজে কৃষকদের ব্যয় কিছুটা হ্রাস পাবে। প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ী এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় পদ্ধতি চালুর ফলে ভোক্তারা সরাসরি সুফল ভোগ করতে পারছেন।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়, বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা পর্যবেক্ষণ করে প্রতি মাসেই এই ধরণের সমন্বয় প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। রোববারের প্রথম প্রহর থেকেই দেশের সকল ফিলিং স্টেশনে নতুন মূল্যে তেল বিক্রি শুরু হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই মূল্য কার্যকর করার বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

  • এবার দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ! যা বললো মহাসচিব

    এবার দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ! যা বললো মহাসচিব

    জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্ব সংস্থাটির চরম আর্থিক সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছেন যে, সদস্য দেশগুলো বকেয়া চাঁদা পরিশোধ না করলে আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই জাতিসংঘের তহবিল পুরোপুরি শূন্য হয়ে যেতে পারে। ১৯৩টি সদস্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সংস্থাটি এক ভয়াবহ আর্থিক ধসের মুখে পড়বে।

    বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী গুতেরেস তার চিঠিতে জানিয়েছেন যে, নির্ধারিত চাঁদা আদায় না হওয়ায় নিয়মিত বাজেট বাস্তবায়ন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অতীতেও বিভিন্ন সময় আর্থিক সংকট দেখা দিলেও এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন, কারণ এবার বড় অংকের অর্থ না দেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবেই জানানো হয়েছে। তিনি কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ না করলেও এই সংকট মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন বন্ধ করার সিদ্ধান্তের ফলে তৈরি হয়েছে।

    জাতিসংঘের বৃহত্তম দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি একাধিক সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং শান্তিরক্ষা তহবিলসহ নিয়মিত বাজেটে অর্থায়ন কমিয়ে দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন মনে করে যে সংস্থাটি মার্কিন করদাতাদের অর্থের অপচয় করছে এবং তাদের অগ্রাধিকারগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। গত জানুয়ারি মাসেই যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের ৩১টি সংস্থাসহ মোট ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। এছাড়া মানবিক কর্মসূচিতেও তাদের অনুদান ১৭ বিলিয়ন ডলার থেকে কমিয়ে মাত্র ২ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে।

    মহাসচিব স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী চাঁদা দেওয়া প্রতিটি সদস্য দেশের আইনি বাধ্যবাধকতা। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বকেয়া অর্থের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে যা মোট প্রাপ্যের ৭৭ শতাংশ। বিদ্যমান নিয়মের অসামঞ্জস্যতা তুলে ধরে গুতেরেস বলেন যে অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিধানটি এখন একটি দুধারি তলোয়ারে পরিণত হয়েছে, কারণ বাস্তবে যে অর্থ পাওয়াই যায়নি সেটিও ফেরত দিতে বলা হচ্ছে।

    আর্থিক ধস ঠেকাতে গুতেরেস সব সদস্য রাষ্ট্রকে দ্রুত পূর্ণ অর্থ পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন অথবা আর্থিক নিয়মকাঠামোতে মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা বৈশ্বিক এজেন্ডার পরিবর্তে মার্কিন স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। গাজা পুনর্গঠনসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে জাতিসংঘের বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির আলোচনাও আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

  • যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

    ২. হাঁটুন
    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

    ৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
    ৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

    ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

    জিরা-পানির কী গুণ

    ৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

    বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

    ৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

    আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
    ৭. সকালে লেবু-পানি খান

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

    সূত্র: দ্য হেলদি ডটকম

  • নতুন ‘আশার আলো’ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য

    নতুন ‘আশার আলো’ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য

    নতুন পে কমিশনের সুপারিশে বেতন বাড়ার আশায় দিন গুনছেন দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি চাকরিজীবী। দীর্ঘদিনের ঊর্ধ্বমূল্যের বাজারে নাভিশ্বাস ওঠা কর্মচারীদের জন্য এই ঘোষণা ‘আশার আলো’ হয়ে এলেও, এর বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী বাজার পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

    পে কমিশনের মূল সুপারিশগুলো:

    সুপারিশ অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে:

    * সর্বনিম্ন ধাপ: বর্তমান বেতন প্রায় আড়াই গুণ বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    * সর্বোচ্চ ধাপ: বর্তমান ৭৮ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।

    * অন্যান্য সুবিধা: বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি পেনশন ও বৈশাখি ভাতার পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।

    কর্মচারীদের প্রত্যাশা ও শঙ্কা:

    অবসরপ্রান্তিক কর্মচারী জমির উদ্দিন শেখের মতো অনেকেই এই খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। সন্তানদের পড়াশোনা আর সংসারের খরচ মেলাতে যারা হিমশিম খাচ্ছেন, তাদের জন্য এটি বড় অবলম্বন। তবে সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, বেতন বাড়ার সাথে সাথে যদি বাড়িভাড়া ও নিত্যপণ্যের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ে, তবে এই বাড়তি আয়ের সুফল ভোগ করা সম্ভব হবে না।

    সাধারণ মানুষ ও বেসরকারি খাতের উদ্বেগ:

    সরকারি বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় ভুগছেন বেসরকারি খাতের কর্মী ও সাধারণ মানুষ। দেশের ৮০ শতাংশ কর্মসংস্থান বেসরকারি খাতে হওয়ায়, সেখানে কোনো বেতন কাঠামো নিশ্চিত না করে কেবল সরকারি খাতে বেতন বাড়ানো জীবনযাত্রার ব্যয়কে আরও কঠিন করে তুলবে বলে তাদের ধারণা। তাদের দাবি, বেসরকারি খাতের জন্যও একটি ন্যূনতম মজুরি নীতিমালা থাকা জরুরি।

    অর্থনীতিবিদদের বিশ্লেষণ:

    অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বিআইডিএসের সাবেক মহাপরিচালক মোস্তফা কে মুজেরি মনে করেন, রাজস্ব আদায় কম এবং বিনিয়োগে স্থবিরতা থাকায় এই বিশাল ব্যয়ের চাপ সরাসরি বাজারের ওপর পড়তে পারে। বাজার ব্যবস্থাপনায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এই বেতন বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়াবে।

    উল্লেখ্য, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সরকার ইতোমধ্যে ২২ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ রেখেছে। তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন কবে থেকে শুরু হবে, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সবাই।

  • চাকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা

    চাকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তারিখ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

    পূর্বনির্ধারিত ১২ অক্টোবরের পরিবর্তে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১৫ অক্টোবর। নির্বাচন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের পরীক্ষা ১২ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকাল চারটায় নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাকসু নির্বাচন কমিশনার ও সদস্য সচিব ড. আরিফুল হক সিদ্দিকী।

    এছাড়াও, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়ও বৃদ্ধি করে আগামীকাল পর্যন্ত করা হয়েছে। যা আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশন।

  • বিএনপির এক আসনে প্রার্থী বদল, চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

    বিএনপির এক আসনে প্রার্থী বদল, চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

    চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে দলীয় প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এই আসনে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে বাদ দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকারকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোলাম আকবর খোন্দকারের ছেলে তারেক আকবর খোন্দকার। তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে আজই রাউজান আসনের জন্য গোলাম আকবর খোন্দকারকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেন গোলাম আকবর খোন্দকার।
    এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর একই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চট্টগ্রাম-৬ আসনে প্রাথমিকভাবে দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্তে সেই মনোনয়ন পরিবর্তন করা হলো।