News24x7

  • যেভাবে প্রথম শিকার ধরেন কুখ্যাত এপস্টেইন ও তার প্রেমিকা

    যেভাবে প্রথম শিকার ধরেন কুখ্যাত এপস্টেইন ও তার প্রেমিকা

    মার্কিন বিচার বিভাগ ‘এপস্টাইন ফাইলস’ নামে পরিচিত বিপুলসংখ্যক নথি প্রকাশ করেছে। এসব ফাইল জেফরি এপস্টেইনের যৌন নির্যাতন ও শিশু পাচারের অভিযোগের তদন্তের সঙ্গে যুক্ত। ফাইলগুলোতে তার প্রেমিকা গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের ভূমিকাও বিশেষভাবে উঠে এসেছে। তরুণী ও কিশোরী মেয়েদের এপস্টেইনের যৌন নির্যাতনের জালে তিনিই টেনে আনতেন।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, নথিগুলোর মধ্যে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য, ইমেইল, ডায়েরি এন্ট্রি, এফবিআই রিপোর্ট ও আদালতের কপি রয়েছে। এগুলোতে দেখা যায় কীভাবে গিলেইন ও এপস্টেইন মিলে একটি সুসংগঠিত গ্রুমিং প্রক্রিয়া পরিচালনা করতেন।

    ধারণা করা হয়, গিলেইন ও এপস্টেইন তাদের প্রথম শিকারটি করেছিলেন ১৯৯৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। সে সময় মিশিগানের ইন্টারলোচেন স্কুল অব দ্য আর্টস-এর একটি গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে এই জঘন্য চক্রের শুরু হয়। ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরী, যাকে আদালতের নথিতে ‘জেন ডো’ বলা হয়েছে, সেখানে গানের প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ—থিয়েটার, নাচ, সৃজনশীল লেখালেখি ইত্যাদি শেখানো হত। জেন ডো ফ্লোরিডার পাম বিচ থেকে প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত ওই ক্যাম্পে অংশ নিয়েছিলেন।

    জানা গেছে, মিশিগানের ওই গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে একদিন ক্লাসের ফাঁকে একটি পার্ক বেঞ্চে একা একা বসেছিলেন জেন ডো। এ সময়ই তার সামনে এসে দাঁড়ান এপস্টেইন ও গিলেইন। জেন ডো-র কাছে এপস্টেইন নিজেকে একজন শিল্প অনুরাগী ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচয় দেন এবং জানান, তিনি প্রতিভাবান তরুণ শিল্পীদের বৃত্তি প্রদান করেন।

    জেন ডোর বাবা এক বছর আগেই মারা গিয়েছিলেন। তার পরিবার তখন আর্থিক সংকটে ছিল। এপস্টেইন ও গিলেইন তার পরিবার, আর্থিক অবস্থা ও বাসস্থান নিয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসা করেন। যাওয়ার সময় এপস্টেইন তার মায়ের ফোন নম্বর চান। কয়েক মাস পরই তিনি ফোন করে তাঁদের (জেন ডো ও তার মা) চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

    এটাই ছিল বছরের পর বছর ধরে চলা দুঃস্বপ্নের শুরু। ২০২০ সালের একটি ক্ষতিপূরণ মামলায় এই ঘটনাটি বর্ণনা করা হয়েছে। নিজের পাম বিচের বিশাল বাড়িতে (যা পরে ভেঙে ফেলা হয়) বসে জেন ডো-র মাকে এপস্টাইন বলেন, তিনি মানুষকে সহযোগিতা করতে পছন্দ করেন। জেন ডোর মা খুশি হন এবং এপস্টেইনকে ‘গডফাদার’ বলে সম্বোধন শুরু করেন।

    ১৪ বছর বয়সি জেন ডো এরপর থেকে নিয়মিতই এপস্টেইনের বাড়িতে যেতেন। সেখানে সুইমিংপুলে সময় কাটানো, সিনেমা দেখা, শপিং—এসব করে বেশ আনন্দই পাচ্ছিলেন তিনি। মাকে দেওয়ার জন্য এপস্টাইন তাঁকে নগদ অর্থও দিতেন। ভয়েস শেখার খরচও দিতেন।

    সেই সময়টিতে এপস্টেইনের বাড়ির সুইমিংপুল এরিয়ায় প্রায়ই নগ্ন অবস্থায় শুয়ে থাকতেন গিলেইন। জেন ডো-র কাছে বিষয়টি একটু অদ্ভুত লাগত। তবে গিলেইন বিষয়টিকে ‘এটা বড়দের কাজ’ বলে হালকা করে দিতেন। জেন ডো-র সঙ্গে তিনি বড় বোনের মতো আচরণ করতেন। কয়েক মাস পর পুল এরিয়ায় একা থাকা অবস্থায় জেন ডো-কে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জিজ্ঞেস করেন এপস্টেইন। জেন ডো জানান, অভিনেত্রী ও মডেল হতে চান। এপস্টেইন এ সময় জেন ডোকে বলেন, তিনি ফ্যাশন ও প্রসাধনী ব্র্যান্ড ‘ভিক্টোরিয়াস সিক্রেট’-এর মালিকের বন্ধু। অভিনেত্রী ও মডেল হতে চাইলে ছবি তুলতে হবে এবং অন্তর্বাসে স্বচ্ছন্দ হতে হবে।

    এরপর থেকেই শুরু হয় যৌন নির্যাতনের পর্বটি। বছরের পর বছর ধরে এই নির্যাতন চলতে থাকে। ফাইলগুলোতে দেখা যায়, এপস্টেইন ও গিলেইনের নেটওয়ার্কে থাকা কিশোরী মেয়েরাই একে অপরকে নিয়ে আসত। ২০০৭ সালে এক সাক্ষ্যে ১৬ বছরের এক মেয়ে জানান, তার স্কুলের সহপাঠীই তাকে এপস্টেইনের জন্য কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিল। সেখানে ম্যাসাজ দেওয়া, কাপড় খোলা, স্পর্শ—এসবের বিনিময়ে টাকা পাওয়া যেত। নতুন কাউকে এনে দিলে প্রতিজনের জন্য ২০০ ডলার করে দেওয়া হতো মেয়েদের।

    নিয়ম ছিল—যত বেশি কাপড় খোলা, যত বেশি স্পর্শ করতে দেওয়া, তত বেশি টাকা। ২০০৪ ও ২০০৫ সালে এপস্টেইনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া মেয়েদের বয়স ছিল ১৪ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। সেই সময়টিতে একজনের বয়স ২৩ বছর ছিল বলে, তাকে ‘বুড়ো’ আখ্যা দিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এপস্টাইন বলতেন, ‘যত ছোট, তত ভালো।’

    ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন চুপ ছিলেন ভয়ে। জেন ডো প্রায় দুই দশক পর নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া গল্পটি প্রথমবারের মতো কাউকে বলেছিলেন। এপস্টেইন ও গিলেইনকে মেয়েরা ‘পরিবার’-এর মতো মনে করতেন। কারণ এই দুজন তাদের প্রতি ভালোবাসা দেখাতেন, কৃতজ্ঞতা অনুভব করাতেন। তবে ২০২০ সালে এক ভুক্তভোগী এক ইমেইলে গিলেইনকে ‘সাইকোপ্যাথ’ আখ্যা দিয়েছিলেন। এপস্টেইনের জন্য মেয়েদের সংগ্রহ করার কাজটি মূলত তিনিই করতেন। পরে মেয়েদের গ্রুমিংয়েও বড় ভূমিকা রাখতেন।

    ২০২৩ সালে আরেকজন এফবিআইকে লেখেন, তিনি সাক্ষ্য দিতে ভয় পান। নিজের নামটি জড়াতে চাননি। অনেকেরই আর্ট ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং ট্রমার কারণে অনেকের জীবনও ধ্বংস হয়ে গেছে।

    চক্রটির শুরুর দিকে ১৯৯৬ সালেই মারিয়া ফার্মার নামে একজন এফবিআইকে অভিযোগ করেছিলেন। দাবি করেছিলেন, এপস্টেইন তার ১২ ও ১৬ বছরের বোনদের ছবি চুরি করে বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া তিনি সুইমিংপুলে মেয়েদের ছবি তুলতে বলেন, পুলিশের কাছে গেলে বাড়ি পুড়িয়ে দেবেন বলে হুমকি দেন।

    বিচার চলাকালে ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট কারাগারে থাকা অবস্থায় রহস্যজনকভাবে আত্মহত্যা করেন জেফরি এপস্টেইন। আর গিলেইন ম্যাক্সওয়েল ২০২১ সালে শিশু যৌন পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন।

    উল্লেখ্য, এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের অধীনে চলতি সপ্তাহেই প্রায় ৩৫ লাখ পৃষ্ঠা, ২ হাজার ভিডিও ও ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। এসব নথিতে এপস্টেইনের কাছে আসা-যাওয়া করা বিশ্বের নামি-দামি অনেক ব্যক্তির পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তীব্র বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।

  • নির্বাচন উপলক্ষে আরও বাড়লো সাধারণ ছুটি

    নির্বাচন উপলক্ষে আরও বাড়লো সাধারণ ছুটি

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণ ছুটির পরিধি আরও বেড়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এই উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার-শনিবার) হওয়ার কারণে কেবল এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের বিশ্রামের সুযোগ মিলছে।

    এছাড়া, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দিন এবং তার আগের দিন অর্থাৎ ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর পরবর্তী দুই দিন ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় এখানে আবারও টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ছুটি এবং ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সরকারি ছুটি থাকবে, যা পূর্বেই ঘোষণা করা হয়েছিল।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির দিনে। এ ছাড়া ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন, হিন্দুদের জন্য ৯ দিন, খ্রিস্টানদের জন্য ৮ দিন, বৌদ্ধদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন বিশেষ ছুটি থাকবে।

    ফেব্রুয়ারি মাসে এই ছুটির সুবিধায় সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় বিশ্রামের সুযোগ পাবেন।

  • এপস্টেইন ফাইলে হাসিনা ও মোদির নাম! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

    এপস্টেইন ফাইলে হাসিনা ও মোদির নাম! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

    যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে প্রকাশিত নতুন ৩০ লাখের বেশি নথিতে উঠে এসেছে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম। এসব নথিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামের পাশাপাশি বাংলাদেশের পলাতক ও দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংশ্লিষ্টতার কথাও সামনে এসেছে।

    নথিতে সরাসরি শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ না থাকলেও ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে তার পরিচয় দেওয়া হয়েছে। এতে জানা যায়, এপস্টেইনের টিমের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ ছিল।

    প্রকাশিত একটি ইমেইলে দেখা যায়, এপস্টেইনের সঙ্গে প্রায় ২০ বছর ধরে কাজ করা তার নারী সহকারী লেসলি গ্রোফ জানান, কোনো একটি অজানা বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের টিমের সমঝোতা হয়েছে। তবে ওই বিষয়টি কী ছিল, তা ইমেইলে উল্লেখ করা হয়নি।

    ইমেইলটি পাঠানো হয় ২০১৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে। এর বিষয়বস্তু ছিল ‘জেফরি এপস্টেইন’।

    এ ছাড়া নথিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামও উঠে এসেছে। এপস্টেইনের একটি ইমেইলে দাবি করা হয়, মোদি তার পরামর্শ নিতেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে সন্তুষ্ট করতে ইসরায়েলে গিয়ে নাচ-গান করেন। এপস্টেইনের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে ইতিবাচক ফলও পাওয়া যায়।

    ২০১৭ সালে নরেন্দ্র মোদি সত্যিই ইসরায়েল সফর করেন, যা ছিল কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর। এর কয়েক সপ্তাহ আগে তিনি ওয়াশিংটনে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    নথিতে ভারতীয় শিল্পপতি অনিল আম্বানির নামও উল্লেখ রয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়, মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে আম্বানি এপস্টেইনের সহায়তা চেয়েছিলেন।

    জেফরি এপস্টেইন ছিলেন নিউইয়র্কভিত্তিক একজন ধনী আর্থিক বিনিয়োগকারী। তার বিরুদ্ধে নাবালিকাদের যৌন নির্যাতন, মানব পাচার ও যৌন নিপীড়নের একাধিক অভিযোগ ছিল।

    ২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর দায়ে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। তবে বিতর্কিত এক চুক্তির মাধ্যমে মাত্র ১৩ মাসের স্বল্প সাজা ভোগ করে মুক্তি পান। পরে জানা যায়, ওই চুক্তির ফলে তিনি আরও গুরুতর অভিযোগ থেকে রেহাই পান।

    ২০১৯ সালে নিউইয়র্কে আবারও তার বিরুদ্ধে নাবালিকাদের যৌন পাচারের অভিযোগে বড় মামলা হয়। এফবিআই ও ফেডারেল কৌঁসুলিরা জানান, বহু বছর ধরে তিনি ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোরীদের বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করতেন।

    তদন্তে আরও উঠে আসে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে তিনি দীর্ঘদিন নিজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আড়াল করে রেখেছিলেন।

    ২০১৯ সালের আগস্টে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে এপস্টেইনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মেডিকেল রিপোর্টে এটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও, নিরাপত্তা ত্রুটি, ক্যামেরা বিকল এবং দায়িত্বে অবহেলার মতো নানা কারণে তার মৃত্যু নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

    এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঘিষলেইন ম্যাক্সওয়েলকে ২০২০ সালে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের বছর তাকে নাবালিকাদের যৌন পাচারসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বর্তমানে তিনি ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

  • শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ!

    শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ!

    ভালোবাসেন। এক কথায়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই মধুর। যদিও সেখানে ঝগড়া, মান-অভিমান, খুনসুটি থাকে। তবে এই সবকিছুই তাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করে তোলে। আর নারী-পুরুষের এই মধুর সম্পর্ক আরো বাড়িয়ে তোলে যৌনমিলন।

    নারী-পুরুষের এই জৈবিক চাহিদা চিরন্তন। এ নিয়ে নানা গবেষণা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। নারী-পুরুষের এই যৌন মিলন নিয়ে নানা বাগাড়ম্বরও রয়েছে সমাজে, রয়েছে নানা কুসংস্কারও। মিলনে পারদর্শীতা নিয়ে অনেক পুরুষের মধ্যে একটা দাম্ভিকতা কাজ করলেও অনেকের মধ্যে এ নিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্ধও কাজ করে।

    তবে নারী-পুরুষের যৌনমিলনের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, মিলনের স্থায়িত্বটা নিজের(পুরুষের) ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত নির্ভর করে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতার উপর।

    গবেষণায় দেখা গেছে যে, যৌনমিলনের সময় ৪৫ শতাংশ পুরুষই স্ত্রীকে পুরোপুরি যৌনসুখ দিতে পারছে না। এই শ্রেণির পুরুষরা যৌন মিলনে ১০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে না। এর ফলে অনেক দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। সুখের সন্ধানে নারীরা অনেক সময় পরপুরুষের দিকে আসক্ত হয়ে পড়ে। খবরটি বিস্ময়কর হলেও সত্য।

    সম্প্রতি বিখ্যাত লেখক হ্যারি রিস্ক “দ্য নিউ ন্যাকেড; দ্য আল্টিমেট সেক্স এডুকেশন ফর গ্রোন-আপস” শিরোনামে একটি বই বের করেছেন। তিনি তার বইয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন।

    তিনি বলেছেন, নারী-পুরুষ গড়ে ১৫.৩ মিনিট সময় ধরে যৌনমিলন করেন এবং এটাই স্বাভাবিক। তবে এর সময়সীমা ১০ মিনিটের কম হলে সেটি কোনোভাবেই আদর্শিক সময় বলা চলে না।

  • কনডম ব্যবহারেই হতে পারে বিপদ! বিশেষজ্ঞরা জানালেন ভয়ঙ্কর তথ্য

    কনডম ব্যবহারেই হতে পারে বিপদ! বিশেষজ্ঞরা জানালেন ভয়ঙ্কর তথ্য

    নিরাপদ যৌনমিলনের প্রতি আগ্রহ কি কমে যাচ্ছে? কনডমের ব্যবহার কমে যাবার ইঙ্গিত সাম্প্রতিক কিছু জরিপে পাবার পর বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে ভাবতে শুরু করেছেন।

    এর কারণ জানতে অনেকের সাথে কথা বলেছেন বিবিসি’র সংবাদদাতারা।

    প্রথমে শোনা যাক হেইলি নামের একজনের কথা (আসল নাম নয়)। কলেজ ছুটির পর এক বিকেলে তার দেখা হয় এ্যারনের সাথে (এটিও আসল নাম নয়) – যাকে তিনি হাইস্কুলে পড়ার সময় অল্পস্বল্প চিনতেন।

    বহুদিন পর দেখা, তার ওপর ছুটির আগের সন্ধ্যেবেলা তাই শুরু হয়ে গেল গল্প, সাথে পান। জানা গেল, এ্যারন মাঝখানে বেশ কয়েকবছর সেনাবাহিনীতে কাটিয়ে ফিরেছেন।

    রাত বাড়তে থাকলো, তাদের কথাবার্তাও একটু অন্যরকম হতে শুরু করলো। তারা একসাথে বাড়ি ফিরলেন।

    “এ্যারন যেহেতু অচেনা কেউ ছিল না – তাই একটা অপরিণত অল্পবয়েসী মেয়ের মতোই আমি ভাবলাম, কনডম ব্যবহারের কোন প্রয়োজন নেই” – বলছিলেন হেইলি। তাই হলো, এবং কয়েকদিনে মধ্যেই তিনি শরীরে ক্ল্যামাইডিয়া সংক্রমণের লক্ষণ দেখতে পেলেন।

    তার নিজের ওপরই রাগ হতে থাকলো, যে কেন তিনি এ কাজ করলেন। তার রাগ আরো বেড়ে গেল, যখন তিনি আরেক বন্ধুর কাছ থেকে জানতে পারলেন যে এ্যারনের নিজেরও জানা ছিল – তিনি ছোঁয়াচে রোগ বহন করছেন। কিন্তু তার পরও সে অরক্ষিত যৌন সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে একের পর এক মেয়েকে সংক্রমিত করে চলেছিল।

    হেইলি নিজে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেতেন, তা ছাড়াও তার মাথায় এটা ঘুরছিল যে ‘কনডম ব্যবহারের কথা না তুললে তার পুরুষ সঙ্গী খুশি হবেন’। কিন্তু যখন তিনি বুঝলেন যে – তার দেহে যে সংক্রমণ হয়েছে তা না সারলে তিনি সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারাতে পারেন – তখন তাকে নতুন করে ভাবতে হলো।

  • কানে চুল গজানো কীসের ইঙ্গিত? জানলে চমকে যাবেন

    কানে চুল গজানো কীসের ইঙ্গিত? জানলে চমকে যাবেন

    ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা।

    সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি।

    সংস্থাটির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির মূল্য আগের ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা করা হয়েছে।

    এর আগে গত ৪ জানুয়ারি সর্বশেষ এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়। তখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    একইসঙ্গে অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে মূসকসহ ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে জানুয়ারিতে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে মূসকসহ ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

  • বিএনপির আরও ২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

    বিএনপির আরও ২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

    বিএনপির আরও দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (১৮ জানুয়ারি) আপিল শুনানির শেষ দিনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    বাতিল হওয়া দুই প্রার্থীর মধ্যে দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে কুমিল্লা-১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। অপরদিকে ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে কমিশন।

    ইসি সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নুরুল আমীন বিএনপি প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছিলেন। ঋণখেলাপি হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াত প্রার্থীর করা আপিল মঞ্জুর করে ইসি, ফলে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হয়।

    অন্যদিকে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনে বিএনপি প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া তার নির্বাচনী হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

    এর আগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ঋণখেলাপির অভিযোগে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতাও বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন।

    উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে রোববার সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানির শেষ দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন মোট ৬৫টি আপিল আবেদনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

  • জানা গেল পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল কার্যকরের তারিখ

    জানা গেল পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল কার্যকরের তারিখ

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে কার্যকর হতে পারে। আর পূর্ণাঙ্গভাবে এই বেতন স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় ও বেতন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ জানুয়ারি নতুন বেতন কাঠামো সংক্রান্ত প্রতিবেদন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে জমা দেবে বেতন কমিশন। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

    এর আগে গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের উদ্দেশ্যে একটি বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। ২১ সদস্যের এই কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশমালা জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন বেতন কাঠামো আংশিকভাবে বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে সরকারের অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে।

    সুপারিশকৃত কাঠামোতে নিচের দিকের গ্রেডগুলোর বেতন ও ভাতা তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থাকলেও সেটি দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

    অন্যদিকে সর্বোচ্চ ধাপে বর্তমানে বেতন ৭৮ হাজার টাকা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার সুপারিশ করেছে বেতন কমিশন।

  • দল থেকে নিজেরাই পদত্যাগ করলেন ৪ বিএনপি নেতা

    দল থেকে নিজেরাই পদত্যাগ করলেন ৪ বিএনপি নেতা

    নেতাকর্মীদের অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দল থেকে বহিষ্কারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির চার নেতা পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্যসচিবও।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা।

    পদত্যাগকারীরা সবাই জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্যসচিব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সমর্থক বলে জানা গেছে।

    পদত্যাগকারী নেতারা হলেন- মুন্সীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম স্বপন, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন সরকা, আতাউর হোসেন বাবুল ও কাজী আবু সুফিয়ান বিপ্লব। তারা চারজনই মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

    সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে জেলার একের পর এক নেতাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার করা হচ্ছে। এসব বহিষ্কার আদেশ দলীয় গঠনতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলার শিকার হয়েও যারা দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তাদেরই শীর্ষ পর্যায়ে বহিষ্কার করা হচ্ছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদেই তারা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    তবে সংবাদ সম্মেলনে তারা উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ডাক দিলে তারা পুনরায় দলে ফিরতে প্রস্তুত।

    এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুলতান আহমদ বলেন, পদত্যাগকারীরা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছিলেন। দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়ার পর আগেভাগেই তারা পদত্যাগ করে দল থেকে বিদায় নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

  • সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৭ জরুরি নির্দেশনা

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৭ জরুরি নির্দেশনা

    আসন্ন গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণা থেকে বিরত রাখতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে—এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন জানায়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ দণ্ডনীয় অপরাধ।

    এ কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গণভোটসংক্রান্ত যেকোনো প্রচারণা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

    ইসির এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসিয়ালি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। শুক্রবার গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা বিষয়ে ইসির নির্দেশনা সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যে বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে সবাই জেনেছেন। এখন তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা শতভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।”

    এদিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক জানিয়েছেন, নির্বাচনের কমিশনের বিধি ছিল না বলেই সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। কিন্তু ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেওয়ার ব্যাপারে কোন প্রচারণা চালানো হবে না। নির্বাচন কমিশন বিধিনিষেধ দেওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা অংশ নেবে না।