News24x7

  • দেশের একটি আসনে নির্বাচন স্থগিত করেছে ইসি

    দেশের একটি আসনে নির্বাচন স্থগিত করেছে ইসি

    জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ আসনে দলটির প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার সকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ গণমাধ্যমকে এতথ্য জনিয়েছেন।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার বিষয়ে বাংলাদেশের আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।

    এর আগে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নুরুজ্জামান বাদল ইন্তেকাল করেন। এক ফেসবুক পোস্টে নিশ্চিত করেছে জামায়াতে ইসলামী।

    ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

  • যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

    ২. হাঁটুন
    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

    ৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
    ৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

    ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

    জিরা-পানির কী গুণ

    ৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

    বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

    ৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

    আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
    ৭. সকালে লেবু-পানি খান

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

  • নির্বাচন স্থগিত, জানা গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    নির্বাচন স্থগিত, জানা গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু, শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত

    শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে আসনটিতে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে ইসি।

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোট গ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।

    আইন অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে। প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন এবং পরবর্তী সময়ে কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করবে।

    তবে আইনে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রমও রয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তি বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার আগেই মারা যান অথবা ওই আসনে একই দলের বিকল্প কোনো বৈধ প্রার্থী বিদ্যমান থাকে, তবে নির্বাচন স্থগিত করার প্রয়োজন পড়ে না।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে নুরুজ্জামান বাদল মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারিও ছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

  • ২বছর স*হ*বাস করার পর জানতে পারলেন প্রেমিক তারই ভাই

    ২বছর স*হ*বাস করার পর জানতে পারলেন প্রেমিক তারই ভাই

    ২বছরের সম্পর্ক তরুণ-তরুণীর। ভবিষ্যতে একসঙ্গে থাকার পরিকল্পনাও করে ফেলেছেন তাঁরা। তাই প্রেমিকের পরিবারের সঙ্গে পরিচয়পর্ব সারতে গিয়েছিলেন তরুণী। নৈশভোজের পর পরিবারের ফোটো অ্যালবাম নিয়ে বসেন তরুণের মা। তখনই মাথায় বাজ পড়ে তরুণীর। প্রেমিকের মা যাঁকে তাঁর সন্তানের পিতা হিসাবে পরিচয় দিচ্ছেন, সে আসলে তরুণীরই পিতা।

    দু’বছর সম্পর্কে থাকার পর এই সত্য জানতে পেরে চমকে ওঠেন তরুণী। কী করবেন তা বুঝতে না পেরে সমাজমাধ্যমের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি।সম্প্রতি রেডিটে পোস্ট করে তরুণী লেখেন, ‘‘দু’বছর সম্পর্কে থাকার পর আমি জানতে পারি যে আমার প্রেমিক আসলে আমার সৎভাই।’’ তিনি জানান, প্রেমিকের সঙ্গে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন তরুণী। প্রেমিকের মায়ের সঙ্গে ভালই ভাব হয়ে যায় তাঁর।

    নৈশভোজ সারার পর প্রেমিকের মা তাঁদের একটি পুরনো ফোটো অ্যালবাম নিয়ে বসেন। একটি ছবি দেখিয়ে প্রেমিকার মা জানান যে, তিনিই তরুণের পিতা। ছবিটি দেখে চমকে ওঠেন তরুণী।তরুণীর দাবি, ওই ছবিতে যাঁকে দেখানো হয়েছে তিনি আসলে ওই তরুণীর পিতা। অর্থাৎ, তাঁর প্রেমিকই তাঁর সৎভাই। দু’বছর সম্পর্কে থাকার পর এই সত্য উদ্‌ঘাটিত হওয়ার ফলে হতাশ হয়ে পড়েন তিনি। কী করবেন তা বুঝতে না পেরে নেটব্যবহারকারীদের কাছে পরামর্শ চান তিনি। নেটাগরিকদের একাংশ মন্তব্য করেছেন, ‘‘তুমি তোমার প্রেমিকের সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করে দেখতে পারো।’’ আবার কয়েক জন নেটাগরিক বলেছেন, ‘‘তুমি বোলো না কিছু। না হলে সব আরও জটিল হয়ে যাবে।’’

  • কুখ্যাত এপস্টেইন ফাইলে খুনি হাসিনার নাম, গোপন সমঝোতার চাঞ্চল্যকর তথ্য

    কুখ্যাত এপস্টেইন ফাইলে খুনি হাসিনার নাম, গোপন সমঝোতার চাঞ্চল্যকর তথ্য

    আমেরিকার কুখ্যাত যৌন অপরাধী ও মানবপাচারকারী জেফরি এপস্টাইনের সম্প্রতি প্রকাশিত ‘গোপন ফাইল’ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে। মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক অবমুক্ত করা প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠার এই নথিতে নাম এসেছে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। নথিতে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সাথে এপস্টাইন চক্রের এক রহস্যময় ‘গোপন সমঝোতা’ ও ধোঁয়াশাপূর্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    কি আছে সেই গোপন ফাইলে?

    প্রকাশিত নথির তথ্যমতে, ২০১৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর খুনি হাসিনা যখন ঢাকা-লন্ডন-নিউ ইয়র্ক সফরে ছিলেন, ঠিক সেই সময়েই এপস্টাইন নেটওয়ার্কের সাথে তার এক বিশেষ যোগাযোগের সূত্রপাত হয়। এপস্টাইনের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সহকারী লেসলি গ্রফকে পাঠানো একটি ইমেইলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নরওয়ের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বোর্জ ব্রেন্ডের নেতৃত্বাধীন একটি দলের মাধ্যমে একটি ‘অপ্রকাশিত বিষয়ে’ সমঝোতায় পৌঁছেছেন।

    রেকর্ডে ‘bilat’ (দ্বিপাক্ষিক) শব্দের ব্যবহার ইঙ্গিত দেয় যে, পর্দার অন্তরালে অত্যন্ত গোপনীয় কোনো বৈঠক বা চুক্তি সম্পন্ন হয়েছিল। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, সেই সময়ে সরকারি সফরে থাকা হাসিনার পক্ষ থেকে নরওয়ের সাথে এমন কোনো চুক্তির কথা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি টাইম ল্যাপস নিউজ পোর্টালসহ কোনো দাপ্তরিক নথিতেও এর হদিস মেলেনি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, একজন আন্তর্জাতিক অপরাধী ও মানবপাচারকারীর সহকারীর কাছে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর গোপন সমঝোতার খবর কেন এবং কীভাবে পৌঁছালো?

    এপস্টাইনের রাডারে বাংলাদেশ

    নথিগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এপস্টাইন ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশকে তাদের স্বার্থসিদ্ধির চারণভূমি বানাতে চেয়েছিল। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন ও জনস্বাস্থ্য খাতের আড়ালে বড় ধরনের বিনিয়োগের নামে অর্থ পাচার বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা নিয়ে খতিয়ে দেখার অবকাশ রয়েছে।

    এপস্টাইনের ফাইলে আইসিডিডিআর,বি-কে ‘বিনিয়োগের উত্তম জায়গা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ২০১৪ সালের একটি মেইলে প্রোবায়োটিক প্রকল্পে ১০ বছরের জন্য ৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দেখা যায়, যেখানে ৩ শতাংশ নিশ্চিত মুনাফার কথা উল্লেখ ছিল। স্বয়ং এপস্টাইন একটি আইমেসেজ সংলাপে স্বীকার করেছেন যে, তিনি বাংলাদেশে কলেরা সংক্রান্ত একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘চরম বিশৃঙ্খলা’ ও আর্থিক ক্ষতির মধ্য দিয়ে ব্যর্থ হয়।

    এপস্টাইনের নথিতে বাংলাদেশের নামকরা এনজিও ‘ব্র্যাক’ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ‘ওয়েস্ট কনসার্ন’-এর নামও পাওয়া গেছে। কার্বন ক্রেডিট ট্রেডিং এবং জলবায়ু অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহের নামে এপস্টাইন চক্র বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়েছিল।

    বাংলাদেশি কর্মীর সংশ্লিষ্টতা

    এপস্টাইনের ম্যাসাজ পার্লার ও বাসভবনে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ দেওয়ার তথ্যও এসেছে নথিতে। মামলার অন্যতম সাক্ষী আলফ্রেডো রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এপস্টাইনের ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় ‘বাংলাদেশি দম্পতি’ নিয়োজিত ছিলেন। যদিও তাদের প্রকৃত পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে, তবে এই অন্ধকার সাম্রাজ্যে বাংলাদেশি যোগসূত্র থাকার বিষয়টি এখন স্পষ্ট।

    ড. ইউনূস ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

    নথিতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামও এসেছে, তবে তা নেতিবাচক কোনো প্রসঙ্গে নয়। বরং বিখ্যাত কার্টুন সিরিজ ‘দ্য সিম্পসনস’-এ তার উপস্থিতি এবং কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিং-এর সাথে পরিচয়ের বিষয়টি সেখানে উঠে এসেছে। এছাড়া রাজনৈতিক অনুদান তালিকায় ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর নাম থাকলেও তার সাথে এপস্টাইনের সরাসরি কোনো সম্পর্কের প্রমাণ মেলেনি।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শেখ হাসিনার শাসনামলে বিদেশি লবিস্ট নিয়োগ এবং অন্ধকার জগতের প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যের যে অভিযোগ দীর্ঘদিনের, এপস্টাইন ফাইল তার একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। খুনি হাসিনার এই তথাকথিত ‘গোপন সমঝোতা’র স্বরূপ উন্মোচন এখন সময়ের দাবি।

  • এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • এবার যে নতুন দুঃসংবাদ সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের জন্য

    এবার যে নতুন দুঃসংবাদ সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের জন্য

    গাজীপুরের বহুল আলোচিত পাতারটেক জঙ্গি নাটক ঘটনায় প্রথমবারের মতো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। সম্প্রতি সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

    মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তৎকালীন প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম।

    প্রসিকিউশন জানায়, দীর্ঘ তদন্তের পর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। এ নিয়ে শুনানির পর পরবর্তী দিন ধার্য করবেন ট্রাইব্যুনাল। এ সময় অভিযুক্ত অন্য কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অপারেশন বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলেও প্রসিকিউসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

    প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল পরিকল্পিতভাবে একটি ভুয়া ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাতজনকে হত্যা করে। পরে তারা ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে প্রচার করে। নিহতদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তদন্তে উঠে আসে যে তারা বিচারবহির্ভূতভাবে নিহত হন এবং পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

  • ডিএমপির জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি!

    ডিএমপির জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি!

    জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সচিবালয় ও প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’সহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই বিশেষ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

    ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিএমপি অধ্যাদেশের ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এই আদেশ জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

    নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এলাকাগুলো হলো:

    বাংলাদেশ সচিবালয় ও এর সংলগ্ন এলাকা।
    প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল।
    হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং থেকে মিন্টো রোড ক্রসিং পর্যন্ত এলাকা।
    কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং ও অফিসার্স ক্লাব ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী এলাকা।

    এই নির্দিষ্ট এলাকাগুলোতে যেকোনো ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট, গণজমায়েত ও শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। মূলত বিভিন্ন সংগঠনের সচিবালয় ঘেরাও ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ডিএমপি এই নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলতে নগরবাসীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।

  • সুখবর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য

    সুখবর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য

    অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে বেশি মুনাফার সুবিধা দিচ্ছে পেনশনার সঞ্চয়পত্র। নতুন নির্ধারিত হারে পাঁচ বছর মেয়াদি এই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ, যা বর্তমানে চালু থাকা সঞ্চয়পত্রগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

    জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতর ২০০৪ সালে পেনশনার সঞ্চয়পত্র চালু করে। অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত সঞ্চয়পত্র হিসেবে বিবেচিত।

    যত টাকায় কেনা যায় পেনশনার সঞ্চয়পত্র
    সবচেয়ে বেশি মুনাফার এই সঞ্চয়পত্র ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকা ও ১০ লাখ টাকায় কেনা যায়। এ ক্ষেত্রে পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ ৫ বছর।

    যেভাবে মিলবে
    জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো ছাড়াও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোসহ ডাকঘর থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্র কেনার পাশাপাশি নগদায়ন করা যায়।

    ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে সরকার সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়েছে। তবে আগের মতো সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের দুটি ধাপ রাখা হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচের বিনিয়োগকারী। আর দ্বিতীয় ধাপটি হলো ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওপরের বিনিয়োগকারী।

    ৫ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ থাকলে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।

    আর দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে মুনাফা পাবেন প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ হারে।

    উৎসে কর
    সবচেয়ে বেশি মুনাফার এই সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার ওপর কোনো উৎসে কর কর্তন করা হয় না। তবে এর বেশি বিনিয়োগে মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন করা হয়।

    পেনশনার সঞ্চয়পত্র অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী-স্ত্রী, সন্তান কিনতে পারবেন।

    তবে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রাপ্ত আনুতোষিক (Gratuity) এবং চূড়ান্ত ভবিষ্য তহবিল (Final Provident Fund) মিলিয়ে একক নামে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবেন।

    অন্যান্য সুবিধা
    পেনশনার সঞ্চয়পত্রে প্রতি মাসে মুনাফা পরিশোধের পাশাপাশি নমিনি নিয়োগ করা যায়। এছাড়াও সবচেয়ে বেশি মুনাফার এই সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার মৃত্যুর পর নমিনি সঙ্গে সঙ্গে অথবা মেয়াদ উত্তীর্ণের পর সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।

  • নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান

    নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান

    সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীসহ সবাই আগ্রহী। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তিন বাহিনীর প্রধানদের গাজীপুর জেলা পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    সেনাপ্রধান বলেন, সুন্দর নির্বাচন করার জন্য আমরা সক্ষম। নির্বাচন নিয়ে সবাই আগ্রহী। নির্বাচন নিয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ সবাই আগ্রহী। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মাধ্যমে কিছু মানি ট্রানজেকশন হতে পারে। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু ক্রিমিনাল (অপরাধী) থাকতে পারে। সবাই এ ধরনের অপকর্ম করবে না।

    জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, নির্বাচনের দিন যারা র‍্যাগিং এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেবে তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী অ্যাকশন নেবে। অপরাধ করলে যতটুকু আইনে রয়েছে ততটুকু শাস্তি পাবে।

    সভায় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, দিনে-রাতে বিভিন্ন সময় অপারেশনের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের আটক করা হচ্ছে। সবসময় যেন তারা ভয় ও আশঙ্কার মধ্যে থাকে সেই পরিবেশ অব্যাহত রাখতে হবে। আমাদের সবার উদ্দেশ্য একটাই—সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন।

    বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে আমাদের। সে উদ্দেশে সাধারণ ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে হবে। যারা মাঠে মোতায়েন থাকবেন তাদের সবার দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে, কাউকে বসে থাকা যাবে না।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিদর্শনকালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা, ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    এসময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।

    আইএসপিআর আরও জানায়, তিন বাহিনীর প্রধান পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

    এছাড়াও পরিদর্শনকালে তিন বাহিনীর প্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’র আওতায় মোতায়েনরত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

    গাজীপুর জেলা পরিদর্শনকালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।