News24x7

  • নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে আশার আলো দেখালেন অর্থ উপদেষ্টা

    নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে আশার আলো দেখালেন অর্থ উপদেষ্টা

    দীর্ঘ এক দশক পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে গঠিত পে কমিশন সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা শেষে গত ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন জমার পর সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে সেই আশা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়।

    অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়ে দেয়, নির্বাচন শেষে নির্বাচিত সরকারই নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে। ফলে আপাতত নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

    এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান স্পষ্টভাবে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার পে-স্কেল সংক্রান্ত কোনো গেজেট প্রকাশ করবে না। একইসঙ্গে তারা এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বা বাস্তবায়নেও যাবে না।

    তিনি আরও জানান, এই সরকারের মেয়াদে পে-স্কেল নিয়ে কোনো ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ কিংবা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে না।

    অন্যদিকে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সবশেষ সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে জানান, পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করে দিয়ে যাবে বর্তমান সরকার।

    তিনি বলেন, জাতীয় বেতন কমিশন মূল বেতন দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর যে সুপারিশ করেছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক। কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করে যাবে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ রাখা হবে।

    পরবর্তী সরকার এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে কি না—এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অর্থ বরাদ্দ দিয়ে এবং সুপারিশ করে যাওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।

    বর্তমান সরকার কেন এখনই পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ করছে না—এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গেজেট প্রকাশ করা সহজ বিষয় নয়। এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় কোন খাতে কত টাকা দেওয়া হবে। সে কারণেই সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে ভোটের আগেই নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলনে নেমেছেন। টানা তিন দিন কর্মবিরতির পর বৃহস্পতিবারও কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। এতে সরকারি দপ্তরগুলোতে কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।

    এছাড়া আগামীকাল মহাসমাবেশ ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে পদযাত্রার কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করলেও নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।

  • কবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার, জানালেন প্রেস সচিব

    কবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে অন্তর্বর্তী সরকার, জানালেন প্রেস সচিব

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সর্বোচ্চ তিন দিন সময় লাগতে পারে এবং আগামী ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রুততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    তিনি বলেন, সর্বোচ্চ দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে তিন দিনের মধ্যেও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। অর্থাৎ ১৫, ১৬ অথবা ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।

    একই সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের বিষয়ে ছড়ানো গুঞ্জন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই। সরকার শুরু থেকেই নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরে যাবে।

  • এলপিজির দাম কমছে

    এলপিজির দাম কমছে

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, খুচরা বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আরও কমতে যাচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

    প্রেস সচিব জানান, এলপি গ্যাসের স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ে আরোপিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ২ শতাংশ আগাম কর অব্যাহতি প্রদানপূর্বক এলপি গ্যাসের আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এলপি গ্যাসের ওপর করভার কিছুটা হলেও কমবে। এতে লোকাল মার্কেটে (খুচরা বাজারে) এলপি গ্যাসের দাম আরও কমবে।

  • ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে ফের নতুন সিদ্ধান্ত

    ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে ফের নতুন সিদ্ধান্ত

    জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা চাইলে পরবর্তীতে যেকোনো একদিন শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।’

    পোস্টটিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিজিএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

  • যে ১০ পেশার মানুষ সবচেয়ে বেশি প/র”কীয়া করে

    যে ১০ পেশার মানুষ সবচেয়ে বেশি প/র”কীয়া করে

    যে ১০ পেশার মানুষ সবচেয়ে বেশি প/র”কীয়া করে

    পরকীয়া সম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে কখনো কখনো হতে পারে মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনে। দাম্পত্য জীবনে অশান্তি, মনোমালিন্য, মতের অমিল ইত্যাদি কারণে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেকেই।
    বিবাহিত হোক কিংবা অবিবাহিত, বয়সভেদে এক সম্পর্কে থেকে অন্য সম্পর্কে জড়ান অনেকেই। সম্প্রতি শুধু বিবাহিতদের জন্য তৈরি করা একটি বিদেশি ডেটিং সাইটের সমীক্ষা অনুযায়ী, শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে খুশি নন, এমন বিবাহিতরাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরকীয়ায় জড়ান।
    আরও পড়ুন:সূর্য উঠলেই পাহাড়ের ফাটলে রঙের ফোয়ারা!
    সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৭০ শতাংশ বিবাহিতরা যারা পরকীয়ায় জড়িয়েছেন তারা কারণ হিসাবে যৌ নতাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।
    সমীক্ষা অনুযায়ী, ২৬ শতাংশ কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। আর ১৫ শতাংশ ওপেন রিলেশনশিপের কথা স্বীকার করেছেন, অর্থাৎ সঙ্গীকে জানিয়েই তারা অন্য সম্পর্কে আছেন।
    অস্ট্রেলিয়াবাসীদের মধ্যে করা এই সমীক্ষায় আরও জানা গেছে, পরকীয়ায় জড়িতদের মধ্যে ৩৯ শতাংশই জানিয়েছেন তারা বিবাহিত সম্পর্কে বেশ খুশিই আছেন।
    পরকীয়া করছেন এমন মানুষদের মধ্যে ৩৩ শতাংশই অন্য সঙ্গীর সঙ্গে থাকার সময় স্ত্রী বা স্বামীকে অজুহাত দেন যে তারা অফিসের কাজে ব্যস্ত। ২৮ শতাংশ বলেন, তারা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আছেন।
    ২৩ শতাংশ অফিসের কোনো অজুহাত দেন। এছাড়া কেউ বলেন তারা অফিসের ট্রিপে আছেন, আবার কেউ কেউ নিজের সঙ্গে অর্থাৎ পার্সোনাল টাইম পাসের বাহানা দেন সঙ্গীকে।
    প্রায় ১০ শতাংশ পুরুষ জিমে যাচ্ছে, রানিংয়ে যাচ্ছে বা কেনাকাটা করছে বলে সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করে অন্যজনের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত হন ও সময় কাটান।
    কোন পেশার লোকজন বেশি পরকীয়ায় জড়িয়েছেন, সেই নিয়েও সমীক্ষা চালানো হয়েছে। ডেটিং সাইটের সেই সমীক্ষা অনুযায়ী, নারীদের মধ্যে শিক্ষিকা, নার্স, ম্যানেজাররা বেশি পরকীয়ায় জড়ান।
    পুরুষদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজাররা বেশি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এই ফলাফলগুলো ‘অ্যাশলে ম্যাডিসনের’ একটি পূর্ববর্তী জরিপের ফলাফল।
    সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • আসছে টানা ৫ দিনের ছুটি! জানুন কারা পাচ্ছেন,কারা পাচ্ছেন না

    আসছে টানা ৫ দিনের ছুটি! জানুন কারা পাচ্ছেন,কারা পাচ্ছেন না

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন দেশের সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে ছুটি কার্যকর থাকবে।

    এ ছাড়া শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকবে।

    এ বিষয়ে গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    কোলোরেক্টাল ক্যান্সার এখন বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা এক জনস্বাস্থ্য সংকট। শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এ রোগের আক্রান্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সমস্যাটি আরও জটিল হয় কারণ শুরুর পর্যায়ে এই ক্যান্সার সাধারণত নিঃশব্দে থাকে, কিংবা এমন কিছু হজমজনিত পরিবর্তন দেখা দেয় যা সহজেই অন্য সাধারণ অসুস্থতার সঙ্গে মিলে যায়। জেএএমএ নেটওয়ার্ক–এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, কিছু উপসর্গ বিশেষভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    নিচে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত তুলে ধরা হলো, যেগুলো মলের মাধ্যমেই শরীর আগে থেকেই জানান দেয়।

    কেন আগেভাগে শনাক্ত করা এত গুরুত্বপূর্ণ?

    আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্যে দেখা যায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যদি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ধরা পড়ে, তাহলে ৫ বছরের সার্ভাইভাল রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। কিন্তু রোগ ছড়িয়ে পড়লে এ হার কমে দাঁড়ায় আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রায় ৭৩ শতাংশ এবং দূরবর্তী অঙ্গ আক্রান্ত হলে মাত্র ১৩ শতাংশে নেমে আসে।

    অর্থাৎ সময়ের আগেই শনাক্ত করতে পারলেই চিকিৎসা সফলতার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়ে এবং সম্পূর্ণ সেরে ওঠার সুযোগও তৈরি হয়।

    মলে দেখা দিলে যেগুলো হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের প্রাথমিক সংকেত
    ১. পেন্সিলের মতো সরু বা ফিতা-আকৃতির মল

    হঠাৎ এবং স্থায়ীভাবে মল সরু, ফিতার মতো বা পেন্সিলের মতো পাতলা হয়ে গেলে তা সতর্কতার কারণ। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানায়, কয়েক দিনের বেশি এমন পরিবর্তন থাকলে তা অন্ত্রের ভেতরে টিউমারের কারণে পথ সংকুচিত হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। মেও ক্লিনিকের তথ্যমতে, কোলন বা রেকটামের ভেতর দেয়ালে টিউমার বড় হতে থাকলে মলের স্বাভাবিক পথ সঙ্কুচিত হয়, ফলে মল স্বাভাবিক আকৃতি হারায়।

    ২. মলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা

    অন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই অল্প পরিমাণ শ্লেষ্মা উৎপন্ন করে যা কোলনের ভেতরকার অংশ লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে। কিন্তু মলে চোখে পড়ার মতো পরিমাণে শ্লেষ্মা দেখা গেলে তা অন্ত্রের সমস্যার সংকেত হতে পারে। এনসিবিআই এর মেডিকেল নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত বা অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরণ হতে থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

    ৩. মলে রক্ত

    উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় তারের মতো রক্ত উভয়ই কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যতম প্রাথমিক উপসর্গ। গবেষণা বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে রেকটাল ব্লিডিং দেখা যায়।

    হেমোরয়েড, অ্যানাল ফিশার বা হজমজনিত সংক্রমণের কারণেও রক্ত দেখা দিতে পারে, তবে রক্তপাত যদি বারবার ঘটে বা অন্য সতর্ক লক্ষণও দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ৪. দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

    বারবার ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বা কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পরিবর্তন কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের শুরুতে দেখা দিতে পারে। মোফিট ক্যান্সার সেন্টারের তথ্যমতে, বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের এ ধরনের স্থায়ী মলত্যাগের পরিবর্তনকে আরও গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।

    যদিও খাদ্যাভ্যাস, সংক্রমণ বা আইবিএস অনেক বেশি সাধারণ কারণ, তবুও উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোলোনোস্কোপির মতো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

    তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি

    দ্য লানসেট অনকোলজি–তে প্রকাশিত বড় ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ৫০টি দেশের মধ্যে অন্তত ২৭টি দেশে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের হার বাড়ছে। জীবনযাপনও এই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। এমডিপিআই এর গবেষণায় বলা হয়েছে, অল্প বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং স্থূলতা প্রধান ঝুঁকির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়া এবং মেটাবলিক রোগ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা, আগেভাগে স্ক্রিনিং এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

    মলে ছোট ছোট পরিবর্তনও অনেক সময় বড় রোগের বার্তা দেয়। অবহেলা না করে সতর্ক থাকা, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

  • পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    নবম জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়নকে কেন্দ্র করে পূর্ণ কমিশনের সভা শেষ হয়েছে। সভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবরের কথা জানিয়েছেন কমিশনের কর্মকর্তারা। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ সভা শেষ হয়।

    সভা সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলে পেনশনভোগীদের পেনশনের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্তরের পেনশনভোগীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হারে পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    সূত্র অনুযায়ী, যারা বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের পেনশন শতভাগ বা দ্বিগুণ বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। মাসিক ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির হার ৭৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। আর যারা মাসে ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান, তাদের পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে।

    এছাড়া প্রবীণ পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতা ১০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ৫৫ বছরের কম বয়সী পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা ৫ হাজার টাকা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। পে-কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষে পেনশন ও বেতন কাঠামোর নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, এ সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি পেনশনভোগীদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ অনেকটাই লাঘব হবে।

  • রইল না বিএনপির কোনো প্রার্থীই!

    রইল না বিএনপির কোনো প্রার্থীই!

    শেরপুর-২ বিএনপি দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও অপর এক বিএনপি নেতার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় হতাশায় দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।

    ঋণখেলাপি থাকায় বাতিল করা হয় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলালের মনোনয়ন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী না থাকায় ভোটে লড়াই হবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মধ্যে।

    তবে এ দুই দল নির্বাচনি জোট করায় আসন সমঝোতা হলে কোনো একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে । তবে সবকিছুর জন্য আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সেদিন আপিল আদালতে বিএনপি প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে । বিএনপির প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেলে ভোটের লড়াই বেশ জমে উঠবে।

    জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আশা-নিরাশার দোলাচলে অনেকটা দ্বিধাগ্রস্ত শেরপুর-২ (নকলা ও নালিতাবাড়ী) আসনের বিএনপি নেতাকর্মীরা। গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়ন যাচাইবাছাইকালে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করায় দলের নেতাকর্মীরা এখন হতাশ হয়ে পড়েছেন। একই আসন থেকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইলিয়াস খান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও দলীয় মনোনয়ন সংযুক্ত না থাকায় তার মনোনয়নপত্রও বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। মনোনয়নপত্রে প্রার্থী ইলিয়াস খান স্বাক্ষর নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। ফলে শেষ পর্যন্ত ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা আপিলে বহাল থাকবেন, নাকি ইলিয়াস খান দলীয় মনোনয়ন নিয়ে আপিলে শেষ ভরসা হবেন- এমন সমীকরণে ভোটের মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে ১০ দলীয় জোটের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়ার মধ্যে ভোটে লড়াই হবে না, সমঝোতা হবে।

    নির্বাচনি হাওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে শুধু বিএনপিতেই প্রার্থীর দেখা মেলে আটজন। এরমধ্যে পাঁচজন প্রার্থী ও তাদের নেতাকর্মীরা মাঠে ছিল সরব। তবে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন মিলে সর্বমোট ১২টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়। অবশ্য শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করেন পাঁচজন। এরা হলেনÑবিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ভিপি, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলাল এবং দলীয় মনোনয়ন না পেলেও বিএনপি প্রার্থী দাবিদার ইলিয়াস খান। গত ৩ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাইকালে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় প্রথমে স্থগিত এবং পরবর্তীতে বাতিল করা হয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন। দলীয় মনোনয়ন সংযুক্তি না থাকায় বাতিল করা হয় বিএনপি নেতা হিসেবে দাখিলকারী ইলিয়াস খানের মনোনয়ন। ঋণখেলাপী থাকায় বাতিল করা হয় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলালের মনোনয়ন। ফলে মাঠে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ।

    তবে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র বলছে, ইলিয়াস খান তার দাখিলকৃত মনোনয়ন ফরমে নিজে স্বাক্ষর করেছেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    যদিও দলীয় মনোনয়ন না থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। তবে পরবর্তীতে কেউ অভিযোগ দিলে এবং প্রার্থিতা বহাল থাকলে বিষয়টি যাচাই যোগ্য হবে।

    এমতাবস্থায় বিএনপির শেষ ভরসা কে হবেন, এ নিয়ে নেতাকর্মী, সমর্থক, এমনকি ভোটারদের মাঝে আশা-নিরাশার দোলাচল এবং হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

    এসব বিষয়ে মতামত নিতে ফাহিম চৌধুরী ও ইলিয়াস খানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল করে বারবার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদনের রিসিভ কপি দিয়ে আপিলে টিকলে ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকবে। একইভাবে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করে আপিলে টিকলে ইলিয়াস খানের প্রার্থিতাও ফিরে পাবেন। কাজেই এখনো বিএনপিতে প্রার্থিতার আশার আলো রয়েছে। যদিও বিষয়টি সম্পূর্ণ আপিল বিভাগের আওতাধীন।

    এদিকে জোটের পক্ষ থেকে আব্দুল্লাহ আল কায়েশ প্রার্থী হিসেবে টিকে থাকতে চেষ্টার পাশাপাশি, স্বপ্ন বুনছেন এমপি হওয়ার। অন্যদিকে জোটের পক্ষে গোলাম কিবরিয়া চূড়ান্ত হবেন এবং বিজয়ী হবেনÑএমন আলোচনাও জোরালো সমর্থকদের মাঝে। যদিও আপীল শেষে ৯ জানুয়ারি ভাগ্য নির্ধারণ হবে শেরপুর-২। ফাহিম চৌধুরী ও তার নেতাকর্মীরা মনে করেন, গত ২৬ ডিসেম্বর পাঠানো অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন এরই মধ্যে গৃহীত হবে এবং আপিলে তার প্রার্থিতা বহাল থাকবে। তবে বিএনপির আরেক অংশ মনে করছেন, ফাহিম চৌধুরী এত অল্প সময়ে নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদনের গৃহীত কপি সংগ্রহে ব্যর্থ হবেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে রাখতে বিএনপি ইলিয়াস খানকে দলীয় মনোনয়ন দেবে এবং আপিলে তিনিই হবেন শেষ ভরসা।