News24x7

  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বার্তা

    নির্বাচন নিয়ে নতুন বার্তা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার পর সংগঠনটি তাদের ফেসবুক পোস্টে এ সতর্কবার্তা দেয়।

    পোস্টে ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, “নির্বাচন ১২ তারিখেই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন হতেই হবে। কোনোভাবেই এটি বানচাল করতে দেওয়া হবে না।”

    উল্লেখ্য, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে যমুনার উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হলে পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের সংঘর্ষ হয়।

    এ ঘটনায় সংগঠনের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

  • এবার যে বার্তা দিলেন, প্রধান উপদেষ্টার- ইঙ্গিত স্পষ্ট

    এবার যে বার্তা দিলেন, প্রধান উপদেষ্টার- ইঙ্গিত স্পষ্ট

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রচারণায় প্রার্থীদের সহিষ্ণুতার প্রশংসার পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্ব নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে। কেউ কারও বিরুদ্ধে কটূকথা বলছে না। প্রস্তুতি পর্ব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভোট যেন সুষ্ঠু হয়, সেটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এবারের নির্বাচন সেফ হবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নারীরা ভোট দেবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি: চ্যানেল 24

    প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে। কেউ কারও বিরুদ্ধে কটূকথা বলছে না। প্রস্তুতি পর্ব ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভোট যেন সুষ্ঠু হয়, সেটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এবারের নির্বাচন সেফ হবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নারীরা ভোট দেবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

    শফিকুল আলম জানান, সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিতে ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পাশাপাশি ৪৩ হাজার কেন্দ্র গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকবে। এছাড়া নির্বাচনে নিরাপত্তায় প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। এরমধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ৮৫ জন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্য এবং ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন (১,২১০ প্লাটুন) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য দায়িত্বে থাকবে।

    তিনি জানান, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠ পর্যায়ে আনসার বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়া নির্বাচনের আগের দিন (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।

    ভোট উৎসবমুখর হবে প্রত্যাশা করে প্রেস সচিব বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোটের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে তৎপর অন্তর্বর্তী সরকার। আশা করছি, এবার নিরাপদে নারীসহ পুরো পরিবার ভোট দিতে পারবে। আর নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের মাঠের যেকোনো খবর দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে যাবে।

  • টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    চলতি মাসের ফেব্রুয়ারিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

    এই ছুটির পেছনে রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সরকারি ছুটি ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি। এর পরবর্তী দু’দিন, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি, যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় স্বাভাবিক ছুটি। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

    এটি চলতি বছরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম বড় ছুটি এবং ছুটির তালিকায় পঞ্চম ছুটিও বটে। এছাড়া ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সরকারি ছুটি ঘোষিত রয়েছে। তার আগের দিন ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে।

  • ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা চাইলে পরবর্তীতে যেকোনো একদিন শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে একদিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।’

    পোস্টটিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিজিএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

  • আরও দুঃসময় আসতে পারে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ! যে ইঙ্গিত দিলেন—

    আরও দুঃসময় আসতে পারে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ! যে ইঙ্গিত দিলেন—

    ‘বাংলাদেশি নাগরিকদের যে ভিসা দেওয়া হচ্ছে না, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে এই দায় স্বীকার করতে আমি রাজি না। এটা দেশের দায়, পুরো সিস্টেমের দায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও না, ব্যক্তিগতভাবে আমারও না।’

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এমন মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    তিনি বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে প্রচুর সুযোগ আছে। আমরা তা নিজেদের দোষে ব্যবহার করতে পারছি না। ভিসা দেয় না, এর জন্য সম্পূর্ণভাবে আমরা দায়ী। প্রধান উপদেষ্টা নিজেই বলেছেন, জালিয়াতিতে আমরা একেবারে সেরা। আপনি যখন জালিয়াতি করবেন, তখন আপনার কাগজ কেন বিশ্বাস করবে?’

    তিনি বলেন, ‘ভিসা বলুন, অ্যাডমিশন বলুন, সবকিছু কাগজের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। কাগজ দেখে বিশ্বাস করানোর দায়িত্ব আমাদের। যদি দেখা যায়, কোনো মহিলা কোনো দেশে মেইডের চাকরি করতে গেছেন, কিন্তু তার ভিসা হলো ফ্রন্ট অফিসার ম্যানেজার হিসেবে। চিন্তা করুন যে আমরা কী পরিমাণ ধাপ্পাবাজি করেছি।’

    ‘আমরা যতক্ষণ ঘর না গোছাব, এই সমস্যার সমাধান হবে না। আরও দুঃসময় আসতে পারে,’ বলেন তিনি।

    শেষ সময়েও অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যেসব চুক্তি সই করছে, সেগুলো পরবর্তী সরকারের জন্য বোঝা হয়ে যাবে কি না?

    সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি উল্টোটা মনে করি। আমি মনে করি আমরা অনেক ইস্যু এগিয়ে দিচ্ছি, যাতে পরবর্তী সরকারের জন্য কাজ করা সহজ হয়।’

  • ছাত্রদলে যোগ দিলেন আরেক ভিপি

    এবার বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (গকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগদান করেছেন।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন।

    এর আগে সকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ভিপি আবদুর রশিদ জিতুসহ কয়েকজন নির্বাচিত প্রতিনিধি বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে জিতু বিএনপিতে এবং বাকিরা ছাত্রদলে যোগ দিয়েছেন।

    দীর্ঘ ৭ বছর পর গত সেপ্টেম্বরে সাভারের বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে রায়হান খান এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে সামিউল হাসান শোভন বিজয়ী হয়েছিলেন।

  • বিএনপিতে যোগ দিলেন জাকসু ভিপি জিতু

    বিএনপিতে যোগ দিলেন জাকসু ভিপি জিতু

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) ভিপি আবদুর রশিদ জিতু বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ছাত্রদলের সভাপতি-সেক্রেটারি ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর উপস্থিতিতে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।

    এ সময় জিতু বলেন, একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমি আজ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাকসু ভিপি জিতুসহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হল সংসদের নির্বাচিত অনেক প্রতিনিধি আজ বিএনপি ও ছাত্রদলে যোগ দিয়েছে। আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাই।

    উল্লেখ্য, জাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন প্যানেলের আবদুর রশিদ জিতু সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হয়েছেন। জাকসুর ২৫ পদের মধ্যে ২০ পদেই শিবির-সমর্থিত প্যানেলের সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে শীর্ষ পদে (ভিপি) জয়লাভ করে আলোচনায় আসেন আবদুর রশিদ জিতু। আব্দুর রশিদ জিতু বিশ্ববিদ্যালয়ের গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক এবং তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

  • হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, জানুন আপনার ভাগ্যে যা আছে

    হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, জানুন আপনার ভাগ্যে যা আছে

    হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, জানুন আপনার ভাগ্যে যা আছে

    আপনার হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, তবে সেটি হতে পারে আপনার ব্যতিক্রমী ভাগ্যের ইঙ্গিত। হাতের রেখা নাকি একজন মানুষের জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলে। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাসীদের মতে, হাতের তালুর মধ্যে ‘M’ আকৃতির রেখা থাকা মানেই আপনি একজন বিশেষ ব্যক্তি।

    কী বোঝায় ‘M’ আকৃতির রেখা?
    হাতের রেখাগুলোর মধ্যে হৃদয় রেখা, আয়ু রেখা, এবং ভাগ্য রেখা মিলে যদি ‘M’ আকার তৈরি করে, তাহলে এটি ইঙ্গিত করে যে:

    পুরুষদের জন্য: অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিশীল, উদ্যোগী এবং অনুভূতিপ্রবণ। চাকরির তুলনায় ব্যবসায় বেশি সফল হন।
    নারীদের জন্য: পুরুষদের তুলনায় ক্ষমতাশালী। নেতৃত্বগুণ ও নিজস্ব ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকেন।
    দুজনেরই ক্ষেত্রে: যে কোনো পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানোর অসাধারণ দক্ষতা থাকে। সফলতার জন্য নিজেদের বদলাতে পারেন।

    সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘M’-এর প্রভাব
    যদি কোনো দম্পতির দুজনের হাতেই ‘M’ থাকে, তবে সেটি রাজযোটক বলে ধরা হয়। যদিও সাফল্যের ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে থাকতে পারেন। এ ধরনের মানুষ প্রতারণা করেন না এবং তাদের ওপর ভরসা করা যায় চোখ বন্ধ করে।

    জ্যোতিষীদের অভিমত
    জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ‘M’ রেখা থাকা মানুষদের জীবনে অসাধারণ সফলতা আসে। তাদের উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষমতা ও অনুভূতিশীল মনোভাব তাদের সবার থেকে আলাদা করে তোলে।

    তাই, যদি আপনার হাতেও থাকে এই ‘M’, তাহলে নিজের ওপর আস্থা রাখুন। সফলতা আপনার দোরগোড়ায় আসবেই!

  • পে স্কেল নিয়ে অবিশ্বাস্য ঘোষণা দিলেন অর্থ উপদেষ্টা

    পে স্কেল নিয়ে অবিশ্বাস্য ঘোষণা দিলেন অর্থ উপদেষ্টা

    পরবর্তী সরকার চাইলেও পে-স্কেলের সিদ্ধান্ত বদলাতে পারবে না: অর্থ উপদেষ্টা

    নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো দাবির মুখে বড় আশ্বাস দিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে তিনি জানান, পে-স্কেল বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগলেও বর্তমান সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, পরবর্তী নির্বাচিত সরকার তা পরিবর্তন করতে পারবে না।

    অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা

    ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের নড়বড়ে অর্থনীতি গত দেড় বছরে একটি স্থিতিশীল অবস্থানে এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক অর্থনৈতিক পরিবেশ রেখে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

    নির্বাচন ও বরাদ্দ প্রসঙ্গে

    নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা জানান, এবার নির্বাচনে বরাদ্দের পরিমাণ অন্যবারের চেয়ে বেশি লাগছে। সরকার গণভোটের জন্য আলাদা বাজেট রেখেছে, তবে এটি কোনো ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের জন্য নয়। মূলত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কারণেই এই বাড়তি বরাদ্দের প্রয়োজন হচ্ছে।

    চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়ন প্রকল্প

    তিনি আরও জানান, আগের সরকারের নেওয়া অনেক অপ্রয়োজনীয় ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৈরি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সাময়িকভাবে কর্মসংস্থান কিছুটা কমেছে, যা বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে টেকসই উন্নয়নের স্বার্থেই এসব অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ছাঁটাই করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনকারীরা বর্তমানে টানা তিন দিনের কর্মসূচি পালন করছেন, যার প্রেক্ষিতে অর্থ উপদেষ্টার এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • জানা গেল পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল কার্যকরের তারিখ

    জানা গেল পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল কার্যকরের তারিখ

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে কার্যকর হতে পারে। আর পূর্ণাঙ্গভাবে এই বেতন স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় ও বেতন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ জানুয়ারি নতুন বেতন কাঠামো সংক্রান্ত প্রতিবেদন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে জমা দেবে বেতন কমিশন। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

    এর আগে গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের উদ্দেশ্যে একটি বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। ২১ সদস্যের এই কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশমালা জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন বেতন কাঠামো আংশিকভাবে বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে।
    কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে সরকারের অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে।

    সুপারিশকৃত কাঠামোতে নিচের দিকের গ্রেডগুলোর বেতন ও ভাতা তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থাকলেও সেটি দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

    অন্যদিকে সর্বোচ্চ ধাপে বর্তমানে বেতন ৭৮ হাজার টাকা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার সুপারিশ করেছে বেতন কমিশন।