News24x7

  • নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটিতে এসেছে সংশোধনী, জারি হয়েছে নতুন প্রজ্ঞাপন

    নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটিতে এসেছে সংশোধনী, জারি হয়েছে নতুন প্রজ্ঞাপন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত ছুটির বিষয়ে সংশোধনী এনেছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়েছে।
    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব এ বি এম আবু বাকার ছিদ্দিক। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সারাদেশে সরকারি ছুটি থাকবে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য চলতি মাসের ১০ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত বিশেষ ছুটিও বহাল থাকবে। তবে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের এই বিশেষ ছুটি ভোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ১০ ফেব্রুয়ারির পর সুবিধাজনক যেকোনো একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে ‘কর্মদিবস’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, সেটি যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে অন্য কোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে এক দিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি সমন্বয় করতে পারবে। বিজিএমইএর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। রমজানে অফিস সময়সূচি নির্ধারণ এদিকে পবিত্র রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে পৃথক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, রমজান মাসে অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নির্ধারিত থাকবে। এ সময়ের মধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন যা বললেন ডা. শফিকুর রহমান

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন যা বললেন ডা. শফিকুর রহমান

    ‎বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আপনারা ধৈর্য ধরুন। ইন্নাল্লাহা মা’আসসোবিরীন—নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। যিনি সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি—এমন মানুষই আগামীর রাষ্ট্রপতি হবেন।”

    ‎শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অপেক্ষা করছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ‎ডা. শফিকুর রহমান এদিন কাফরুল থানা এলাকার উত্তর ইব্রাহিমপুর, ব্যাটেলিয়ন বউ বাজার সংলগ্ন বাইতুস সালাত জামে মসজিদে (বর্ণমালা ওয়ার্ড) মাগরিবের নামাজ আদায় শেষে গণসংযোগ শুরু করেন। পরে তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং নানা সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে মতামত শোনেন। এলাকাবাসীর বিভিন্ন সমস্যা, যেমন নাগরিক সেবা, দ্রব্যমূল্য, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা।

    ‎রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে করা প্রশ্নটি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যেও আলোচনা দেখা যায়। অনেকেই জানতে চান, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কারা দায়িত্ব পাবেন। এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণা না করে মূলত নীতিগত অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসার জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে সততা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠা। এমন মানুষই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং দেশের মর্যাদা রক্ষা করতে সক্ষম হয়।

    ‎এ সময় তিনি কোরআনের একটি আয়াত উল্লেখ করে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য মানুষের ধৈর্য ও সংগ্রাম প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, “দেশের মানুষ ন্যায়বিচার চায়, শান্তি চায়, সুশাসন চায়। আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে কেউ রাজনৈতিক কারণে নির্যাতিত হবে না, কেউ অন্যায়ের শিকার হবে না।”

    ‎শেষ পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ। তিনি দাবি করেন, দেশকে সঠিক পথে নিতে হলে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে সৎ ও যোগ্য লোকদের দায়িত্ব দিতে হবে। তার ভাষায়, “দেশ পরিচালনা কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, এটা আমানত। এই আমানত যাদের হাতে যাবে, তাদের অবশ্যই সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হবে।”

    ‎গণ সংযোগে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর নায়বে আমীর ও ঢাকা-১৫ আসনের আসন পরিচালক আব্দুর রহমান মুসা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লস্কর মুহাম্মদ তসলিম, ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, কাফরুল দক্ষিন থানা আমীর, আনওয়ারুল করীম, সেক্রেটারী আবু নাহিদ সহ হাজারো নেতা কর্মী ও গণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

  • শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা!

    শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা!

    ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দেওয়া একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনী জনসভায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোকাম্মেল হক চৌধুরী এ মন্তব্য করেন।

    রংপুর-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আনিছুল ইসলাম মণ্ডলের নির্বাচনী সভায় তিনি এ বক্তব্য দেন। সভায় বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তব্যে মোকাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পাশে রয়েছে এবং তারা জেল-জুলুমকে ভয় পায় না। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর কোনো নির্যাতন হতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং শেখ হাসিনাকে সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

    মোকাম্মেল হক চৌধুরীর বাড়ি বদরগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে। তিনি রংপুর আদালতের একজন আইনজীবী। তাঁর চাচাতো ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং তাঁর চাচা সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হক চৌধুরী।

    এ বিষয়ে বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. কামরুজ্জামান কবির বলেন, জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে কাজ করছে। তিনি জানান, উপজেলা জাতীয় পার্টি তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে।

    এদিকে জাতীয় পার্টির বদরগঞ্জ উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাকুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শেখ হাসিনাকে নিয়ে মোকাম্মেল হক চৌধুরীর বক্তব্যটি ভুলবশত দেওয়া হয়েছে এবং এটি তাঁর ব্যক্তিগত মতামত।

    এ বিষয়ে মোকাম্মেল হক চৌধুরীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে রংপুর-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনিছুল ইসলাম মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি ছিল একটি ‘স্লিপ অব টাং’। আবেগের বশে তিনি এমন কথা বলে ফেলেছেন এবং পরে নিজেই স্বীকার করেছেন যে এটি একটি ভুল ছিল।

  • বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল অন্তর্বর্তী সরকার

    বেতন কমিশন নিয়ে কমিটি গঠন করল অন্তর্বর্তী সরকার

    জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশের জন্য জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর প্রতিবেদনের জন্য সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ সচিকে ও সদস্য করা হয়েছে- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, আইন ও বিচার বিভাগগের সচিব, হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, সেগুনবাগিচা, ঢাকা- এর হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ) কে।

    এ কমিটি জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫; বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি, ২০২৫-এর দাখিলকৃত প্রতিবেদনের বেতন সম্পর্কিত বিষয়াদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রম সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

  • ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, প্রজ্ঞাপন জারি

    ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, প্রজ্ঞাপন জারি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবারের (১০ ফেব্রুয়ারি) ছুটির বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য চলতি মাসে ১০ তারিখের বিশেষ ছুটি বহাল থাকবে। তবে, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের বিশেষ ছুটি ভোগের ক্ষেত্রে স্ব স্ব নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ চলতি মাসে ১০ তারিখের পর সুবিধাজনক যেকোনো একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে‌ ‌‘কর্মদিবস’ ঘোষণা করতে পারবে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যেসব কারখানা কার্যকর করবে, তারা প্রয়োজনে পরবর্তীতে যেকোনো দিনে শ্রমিকদের দিয়ে এক দিন কাজ করিয়ে সেই ছুটি পুষিয়ে নিতে পারবে।

    বিজিএমইএর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে ওই পোস্টে জানানো হয়।

  • নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটিতে সংশোধনী, নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটিতে সংশোধনী, নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যেখানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশের সরকারি ছুটি এবং রমজান মাসে অফিসের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সরকারি ছুটি থাকবে। এছাড়া শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি কার্যকর থাকবে। তবে, সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে এই ছুটির বদলে মাসের অন্য কোনো সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে ‘কর্মদিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা সম্ভব।

    উল্লেখ্য, এর আগে শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারি ছুটির পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে। যেসব কারখানা প্রয়োজন মনে করবে, তারা পরে কোনো এক দিনে শ্রমিকদের দিয়ে সেই ছুটি পূরণ করতে পারবে।

    একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দেশের সরকারি, আধাসরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য রমজান মাসের অফিস সময়সূচিও ঘোষণা করেছে। প্রজ্ঞাপনের আওতায় অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত চলবে। এছাড়া দুপুর ১:১৫ থেকে ২:০০ পর্যন্ত জোহরের নামাজের জন্য বিরতি থাকবে।

  • রমজানে অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

    রমজানে অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

    রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ১৮ অথবা ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানের গণনা শুরু হবে। রমজান মাসকে সামনে রেখে অন্যান্য বছরের মতো এবারও সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পবিত্র রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস চলবে রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত যোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।

    শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে বহাল থাকবে।

    তবে ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক বিভাগ, রেলওয়ে, হাসপাতাল, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং জরুরি সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলো জনস্বার্থ বিবেচনায় তাদের নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী অফিস সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে।

    এদিকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও এর আওতাধীন সব কোর্টের অফিস সময়সূচি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করবে।

  • নির্বাচনের পরপরই দেশ ছাড়তে পারেন আইজিপি

    নির্বাচনের পরপরই দেশ ছাড়তে পারেন আইজিপি

    পুলিশ প্রধান (আইজিপি) বাহারুল আলম কূটনৈতিক মর্যাদার (লাল) পাসপোর্ট বদল করে সাধারণ পাসপোর্ট নিতে চান। সম্প্রতি তিনি সরকারি পাসপোর্ট সমর্পণের ইচ্ছা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেন।

    তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে খোদ আইজিপির পাসপোর্ট সমর্পণের এ খবরে প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। চুক্তির মেয়াদ ৮ মাস বাকি থাকতে কেন তিনি এখনই সাধারণ পাসপোর্ট নিতে চান তা নিয়ে সচিবালয়সহ পুলিশ সদর দপ্তরেও নানা আলোচনা ডালপালা মেলছে।

    এদিকে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও দুটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন প্রাপ্তির বিধিনিষেধ ছাড়াই খুব সহজে সরকার সংশ্লিষ্টরা যাতে লাল পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্ট নিতে পারেন সেজন্য সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পূর্বের এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সংশোধন করে স্পষ্টীকরণের নামে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সেখানে এ সরকারের আমলে ইতোঃপূর্বে জারি করা বিধিনিষেধ সাবেক সরকারের কূটনৈতিক পাসপোর্টের জন্য বহাল রেখে বর্তমান সরকারের জন্য শিথিল করা হয়েছে।

    সূত্র জানায়, বাহারুল আলম নিজেই তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য পত্র দেন। এ বিষয়ে অনাপত্তি (এনওসি) চেয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর চিঠি দিয়েছেন।

    এতে বলা হয়-‘আমি বাহারুল আলম ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ বাংলাদেশ, আমার ব্যবহৃত কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণপূর্বক সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। বর্ণিত কূটনৈতিক পাসপোর্টের পরিবর্তে সাধারণ পাসপোর্ট প্রাপ্তির জন্য অনাপত্তি সনদ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো।’

    রক্তাক্ত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া বিশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীকে নেতৃত্ব দিতে সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি বাহারুল আলমকে অবসর থেকে চাকরিতে ফিরিয়ে আনা হয়। ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তাকে পুলিশ প্রধান হিসাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার।

    চলতি বছর ২০ নভেম্বর পর্যন্ত তার চাকরির মেয়াদ রয়েছে। এর আগে ৭ আগস্ট অতিরিক্ত আইজিপি মইনুল ইসলাম ৩০তম আইজিপি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি পোল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চুক্তির বর্ধিত মেয়াদ পরবর্তী নির্বাচিত সরকার বাতিল না করলে বাহারুল আলমের আরও ৮ মাস স্বপদে বহাল থাকার কথা। অথচ মেয়াদপূর্তির অনেক আগে পুলিশ প্রধানের সরকারি পাসপোর্ট সমর্পণের খবরে স্বাভাবিকভাবে নানা ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তা যুগান্তরের কাছে এমন আশঙ্কা করেন, নির্বাচনের পরপরই তিনিও দেশ ছাড়তে পারেন। কেননা, নির্বাচনের আগেই তাকে সরিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক দল থেকে জোর দাবি তোলা হয়। তবে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের আনুকূল্যে নির্বাচন পর্যন্ত তার চুক্তির মেয়াদ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়। ফলে সৃষ্ট এই প্রেক্ষাপটে আইজিপির পাসপোর্ট সমপর্ণের একটি বিশেষ যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যায়।

    এদিকে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে বৃহস্পতিবার আইজিপির হোয়াটসঅ্যাপে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন পাঠানো হলে তিনি পালটা প্রশ্ন করে লেখেন ‘কি প্রশ্ন উঠেছে।’ এরপর প্রতিবেদক জানতে চান, ‘অনেকে বলছেন আপনি হয়তো নির্বাচনের পর তড়িঘড়ি করে দেশ ছাড়তে পারেন। এ কারণে সাধারণ পাসপোর্ট নিয়ে রাখছেন।’ তবে পরে তিনি আর কোনো প্রত্যুত্তর দেননি।

  • শরীরে কৃমি বাসা বেঁধেছে কি না বুঝবেন যে ৫ লক্ষণে

    শরীরে কৃমি বাসা বেঁধেছে কি না বুঝবেন যে ৫ লক্ষণে

    প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু—উভয়ের শরীরেই কৃমির সংক্রমণ হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটায় থ্রেডওয়ার্ম, রাউন্ডওয়ার্ম, হুইপওয়ার্ম, টেপওয়ার্ম ও হুকওয়ার্ম। পিনওয়ার্ম ও থ্রেডওয়ার্মের মতো কিছু কৃমির ডিম এতটাই সূক্ষ্ম যে খালি চোখে দেখা যায় না এবং বাতাসের মাধ্যমেও সংক্রমণ ঘটতে পারে।

    শরীরে কৃমি ঢোকে যেভাবে

    দূষিত খাবার ও পানি, অপরিষ্কার হাত, মাটি কিংবা সংক্রমিত মল-মূত্রের মাধ্যমে কৃমির ডিম বা লার্ভা শরীরে প্রবেশ করে। অনেক সময় খোলা পায়ে হাঁটা বা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বেশি সময় কাটালেও ত্বকের মাধ্যমে কৃমি ঢুকতে পারে।

    এ ছাড়া খাওয়ার আগে হাত না ধোওয়া, অপরিশোধিত দুধ পান করা, সবজি ভালোভাবে না ধুয়ে রান্না করা, অপরিষ্কার সুইমিং পুলে গোসল করা কিংবা পোষ্য প্রাণীর সংস্পর্শেও কৃমির সংক্রমণ হতে পারে।

    কৃমি শরীরের যে ক্ষতি করে

    অন্ত্রে প্রবেশ করে কৃমি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণ করে নেয়। ফলে রক্তাল্পতা, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, হজমের সমস্যা, পেটব্যথা, বমিভাব ও চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা না নিলে কৃমির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে মারাত্মক জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে।

    গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু কৃমি যকৃত ও ফুসফুসে সিস্ট বা গুটি তৈরি করতে পারে। ফুসফুসে পৌঁছালে নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা এবং মস্তিষ্কে পৌঁছালে গুরুতর স্নায়বিক সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হয়।

    যে ৫ লক্ষণে বুঝবেন শরীরে কৃমি আছে

    ১. ক্ষুধা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া: কৃমি শরীরের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করে। ফলে কারও ক্ষুধা কমে যায়, আবার কারও অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষিত হয়ে যাওয়ায় শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

    ২. ওজন কমে যাওয়া ও সার্বক্ষণিক ক্লান্তি: ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই যদি ধীরে ধীরে ওজন কমতে থাকে এবং সব সময় ক্লান্ত লাগে, তবে তা অন্ত্রের কৃমির লক্ষণ হতে পারে।

    ৩. মলের সঙ্গে কৃমি দেখা যাওয়া: মলত্যাগের সময় ছোট সাদা কৃমি দেখা যাওয়া অন্ত্রের কৃমির একটি স্পষ্ট লক্ষণ। অনেক সময় কৃমি খুব ছোট হওয়ায় চোখে নাও পড়তে পারে। তবে মলে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

    ৪. ঘন ঘন পেটব্যথা: কোনো কারণ ছাড়াই বারবার পেটে মোচড় বা খিঁচুনির মতো ব্যথা হলে সতর্ক হতে হবে। খাওয়ার পর বা খালি পেটে ব্যথা বাড়লে তা কৃমির সংক্রমণের ইঙ্গিত হতে পারে।

    ৫. ত্বকের সমস্যা ও পায়ুপথে চুলকানি: কৃমি থেকে নির্গত বিষাক্ত উপাদান রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি বা অ্যালার্জি দেখা দেয়। বিশেষ করে পায়ুপথের আশপাশে চুলকানি হওয়া অন্ত্রের কৃমির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

  • নারীদের স্ত’নে ব্যথা কেন হয়, হলে কী করবেন জেনে নিন

    নারীদের স্ত’নে ব্যথা কেন হয়, হলে কী করবেন জেনে নিন

    স্তনে ব্যথা অনুভব করলে অধিকাংশ নারী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ভাবেন, স্তন ক্যানসার না তো আবার! কিন্তু স্তনে ব্যথা অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। নানা কারণে স্তনে ব্যথা হতে পারে।

    কেন ব্যথা হয়-

    মাসিক চলাকালে বা আগে–পরে নারীদের স্তনে ব্যথা স্বাভাবিক। হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এ ব্যথা হয়। পিরিয়ড শেষ হলে ব্যথা থাকে না।

    গর্ভধারণের সময় নারীরা স্তনে ব্যথা অনুভব করতে পারেন। সাধারণত গর্ভধারণের তৃতীয় মাসে ব্যথা শুরু হয়। কারণ, তখন স্তনের আকার বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় স্তনের ওপর নীল শিরা দেখা যায়। এর কারণ তখন অনেক বেশি পরিমাণে রক্তপ্রবাহ হয় এবং হরমোনের অনেক পরিবর্তন ঘটে।

    নারীদের স্তনে প্রদাহজনিত সমস্যার ফলে স্তনে ব্যথা হতে পারে। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাসের আক্রমণে এটি হয়ে থাকে। এ ব্যথায় জ্বর আসতে পারে। এ সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    অনেক সময় স্তনে একধরনের সিস্ট হয়, যার ভেতর তরলজাতীয় পদার্থ থাকে। এর নাম ব্রিজ সিস্ট। স্তনের গ্রন্থি বৃদ্ধি পেলে অনেক সময় এই সিস্ট দেখা যায়। এর কারণে ব্যথা হয়। সিস্ট অনুভব করতে পারলে যত দ্রুত সম্ভব স্তনবিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

    সন্তান জন্মদানের পর সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও স্তনে ব্যথা হতে পারে। এ সময় পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আগে ও পরে স্তন পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো। কারণ, এতে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।

    স্তনে ঘা বা ইনফেকশন থেকে স্তনে ব্যথা হতে পারে। স্তনের নিপলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে। এতে প্রচণ্ড ব্যথা ও ফোড়ার মতো হয়।

    স্তন ক্যানসার দীর্ঘদিন পার হলে স্তনসহ বুকের পাঁজর ও পেশিতে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত শুরুর দিকে কোনো ব্যথা থাকে না।

    প্রতিকার ও করণীয়-

    স্তনের মাপ অনুযায়ী ব্রা পরুন। ছোট মাপের আঁটসাঁট ব্রা এড়িয়ে চলুন।

    কম চর্বিযুক্ত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করবেন।

    দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ই১ (থায়ামিন) ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান।

    খুব ব্যথা হলে পিরিয়ডের আগে–পরে ব্যথা কমানোর ওষুধ খাওয়া যায়।

    চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ড্যানাজোলের প্রয়োগ করা যায়।

    ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা ও লবণ কম খাওয়া উচিত।

    এরপরও স্তনে মৃদু ব্যথার সঙ্গে চাকা অনুভব করা, নিঃসরণ বা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম, রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগ, আহ্ছানিয়া মিশন ক্যানসার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা