News24x7

  • নতুন জরিপে উঠে এলো বিএনপি-জামায়াত কত শতাংশ ভোট পেতে পারে

    নতুন জরিপে উঠে এলো বিএনপি-জামায়াত কত শতাংশ ভোট পেতে পারে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। জাগরণ ফাউন্ডেশন ও প্রজেকশন বিডির সহযোগিতায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে সারা দেশের ৩০০ আসনের ভোটারদের ওপর ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (আইআইএলডি) এ জরিপ চালিয়েছে।

    এতে মোট ৬৩ হাজার ৬১৫ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে এবং ৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ ভোটার জামায়াত জোটকে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    প্রচার শুরুর পর থেকে ১৬ দিনে পরিচালিত এ জরিপের ফলে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পল্টনের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে জরিপের ফল তুলে ধরা হয়।

    ‌‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬: প্রাক-নির্বাচনি জনমত জরিপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জরিপের ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন।

    তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এটি ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসির (আইআইএলডি) চূড়ান্ত নির্বাচনি জরিপ। এর আগে প্রথম দফায় গত ১২ জানুয়ারি তারা জরিপের ফল প্রকাশ করেছিল।

    আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন বলেন, জরিপে ৩০০ আসনের প্রতিটি থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি আসন থেকে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। সারা দেশ থেকে মোট ৬৩ হাজার ৬১৫ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং নারী ভোটার ৪২ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    তিনি জানান, বয়স, শিক্ষা, ধর্ম ও বিভাগীয় পর্যায়ে পৃথক জরিপ করা হয়েছে। স্যাম্পলের জন্য ইউনিয়ন নির্বাচন করতে লটারির মাধ্যমে ভোটার খুঁজে জরিপে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে।

    জরিপের তথ্য বলছে, নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত জোটকে ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে চান। জামায়াতের সমর্থিত জোট ৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টিতে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৩ দশমিক ৮০ মানুষ ভোট দিতে চান। আর ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ ভোট দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি।

    আগে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকায় বিএনপিকে ভোট দিতে চান ভোটাররা এবং জামায়াত তুলনামূলকভাবে সৎ ও কম দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় ভোটাররা ভোট দিতে চান।

    দেশের শহরাঞ্চলের মানুষদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ বিএনপি সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান এবং জামায়াতকে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে চান। শহরের ৬ শতাংশ মানুষ ভোট দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    গ্রামাঞ্চলের মানুষদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ বিএনপি সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান এবং জামায়াত সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান ৪৫ শতাংশ মানুষ। এখানেও ৬ শতাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত জানাননি।

    আসন বিবেচনায় জামায়াত সমর্থিত জোটে ১০৫টি এবং বিএনপির সমর্থিত জোটের ১০১টি নিশ্চিতভাবে জয়ী হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে উঠে এসেছে জরিপে। ৭৫টি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লাইয়ের আভাস দেওয়া হয়েছে। আর ১৯টি আসনে স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল থেকে বিজয়ী হতে পারে।

    জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার নির্বাচনে ৯২ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন না। এছাড়া ২ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ তাদের সিদ্ধান্ত জানাননি।

    নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের কাছে ভোটাররা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব চায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনতে ৬৭ শতাংশ ভোটার মতামত দিয়েছেন। এর বাইরে আইনের সুশাসন ফেরানো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান, চাকরির নিশ্চয়তা ও সংস্কারসহ বেশ কিছু বিষয়ে ভোটাররা অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

    ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনায় নেওয়ার প্রতি জোর দিয়েছেন বেশিরভাগ ভোটার। যোগ্যতা বিবেচনায় দেবেন বলেন জানিয়েছেন ৭১ শতাংশ ভোটার। আর দলের সিদ্ধান্তে মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পক্ষে ৪৭ শতাংশ ভোটার।

    এছাড়া দলের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় ভোট দিতে চান ৩৬ শতাংশ মানুষ। এছাড়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও জুলাই চেতনাসহ বেশকিছু বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোট দিতে চান ভোটাররা।

  • প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছে জেন-জি’রা, ভোটকেন্দ্রে সেলফি তোলা যাবে কি!

    প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছে জেন-জি’রা, ভোটকেন্দ্রে সেলফি তোলা যাবে কি!

    দীর্ঘ ১৭ বছর পর উৎসমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় দেশের মানুষ। সেই সঙ্গে অনেকেই পরিকল্পনা করছে নিজের ভোট প্রদানের ছবিটা স্মৃতি করে রেখে দেওয়ার। কিন্তু এ বিষয়ে বেশকিছু নির্দেশনা ঠিক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    এবার ভোটকেন্দ্রের চারশো গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নেওয়ার ওপর নির্বাচন কমিশন প্রথমে নিষেধাজ্ঞা দিলেও তীব্র সমালোচনার মুখে তা প্রত্যাহার করে নেয়।

    পরে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের দিন ভোটার, প্রার্থী, এজেন্ট এবং সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে পারবে এবং ছবিও তোলা যাবে। কিন্তু কোনোভাবেই গোপন কক্ষের ভেতরে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা বা ছবি তোলা যাবে না বলে জানিয়েছে ইসি।

    ভোট (3)

    অর্থাৎ ভোটাররা বুথের যে গোপন কক্ষে ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন সেখানে মোবাইল নিয়ে যাওয়া ও ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

    তবে সাধারণ ভোটারদের ভোট কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়নি। ফলে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে ছবি বা সেলফি তোলার সুযোগ নেই।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। আর হিজড়া ১২২০ জন।

    ভোট (2)ভোট প্রদান

    নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন। এর পাশাপাশি প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবেন।

  • বী র্য-পাত বন্ধ রেখে রাতভর স হ-বাস করতে যা করবেন

    বী র্য-পাত বন্ধ রেখে রাতভর স হ-বাস করতে যা করবেন

    বী র্য-পাত বন্ধ রেখে রাতভর স হ-বাস করতে যা করবেন

    স্বামী স্ত্রী পবিত্র মিলনের মাধ্যমে সুখ লাভ করে। ইসলামে স্বামী স্ত্রীর মিলনকে বেহেশতের সুখের সাথে তুলনা করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে ও প্রামণিত যে অধিক সময় যাবত্‍ যৌন মিলন অত্যন্ত সুখের। তবে এই আনন্দ তখনই মাটি হয়ে যায় যখন দ্রুত বীর্যপাতন হয়ে যায়। অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে।

    মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়। যেকোন পুরুষ বয়সের সাথে সাথে সহবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে।
    এখানে বলে রাখতে চাই ২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে সহবাস করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫-এর পর বয়স যত বাড়বে সহবাসে পুরুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানও বাড়তে থাকে।
    তাছাড়া এক নারী কিংবা এক পুরুষের সাথে বার বার সহবাস করলে যৌন মিলনে অধিক সময় দেয়া যায় এবং সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত সহবাসে একে অপরের শরীর এবং ভাল লাগা কিংবা মন্দ লাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

    পদ্ধতি ১: চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা: অধিক সময় ধরে যৌ-ন মিলন করার এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়? যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বী-র্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লি-ঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

    পদ্ধতি ২: সংকোচন (টেনসিং): অধিক সময় ধরে যৌ ন মিলন করার এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বী র্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌ ন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌ ন কর্ম শুরু করুন।সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌ ন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

    পদ্ধতি ৩: বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত্‍। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বী র্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যত্‍ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বী র্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌ ন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।
    পরিশিষ্ট: উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া। স্ত্রীরও উচিত স্বামীর প্রতি যত্নশীল হওয়া।

  • যে ৪ ধরনের যৌ’ন মিলন সম্পুর্ন নিষিদ্ধ: ইসলামের কড়া নির্দেশ

    যে ৪ ধরনের যৌ’ন মিলন সম্পুর্ন নিষিদ্ধ: ইসলামের কড়া নির্দেশ

    যে ৪ ধরনের যৌ’ন মিলন নিষিদ্ধ: ইসলামের কড়া নির্দেশ

    সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।
    আয়াতের অর্থ হলোঃ “যখন স্বামী -স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।”

    আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয় না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক।

    বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন।

    বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন।

    স্বামী-স্ত্রী সহবাসে উভয়ের বীর্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মিলিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী নীচে এবং স্বামী উপরে থাকবে। তাতে বীর্য জরায়ুতে ঠিক মত প্রবেশ করতে সুবিধা হয়। তা না হলে বীর্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বীর্য বাহিরে পড়লে গর্ভ সঞ্চার হয় না। সহবাসের পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বামী স্ত্রীর দুই জনের যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়। তারপর স্বামী স্ত্রী দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। তারপর দুই জনে ফরজ গোসল করে ফযরের নামাজ আদায় করে নিবেন।

  • নির্বাচনের আগ মুহূর্তে যে বার্তা দিল জাতিসংঘ

    নির্বাচনের আগ মুহূর্তে যে বার্তা দিল জাতিসংঘ

    আগামীকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকারকে বিশেষ বার্তা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত জাতিসংঘ কার্যালয়।

    জাতিসংঘ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বার্তায় নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে। বার্তায় বলা হয়েছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ সবার মৌলিক অধিকার এবং এর মধ্যে বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী ও ভিন্ন লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষদের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।

    জাতিসংঘের বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, নারী প্রার্থী ও ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, হয়রানি ও অনলাইন নির্যাতন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সাইবার বুলিং, ডিপফেক, পরিকল্পিত হয়রানি এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্টের অপব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। সংস্থাটি জানিয়েছে, নারীদের অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করছে।

    বার্তায় রাজনৈতিক নেতা, দল ও সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতি কোনো প্রকার হয়রানি, সহিংসতা বা ভয়ভীতি না দেখানো হয়। এটি নারী প্রার্থী ও ভোটারদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।

    জাতিসংঘ আশা প্রকাশ করেছে, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত রাখবে। সংস্থা সব অংশীদারের সঙ্গে কাজ করে নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • নির্বাচনের আগ মুহূর্তে যে বার্তা দিল জাতিসংঘ

    নির্বাচনের আগ মুহূর্তে যে বার্তা দিল জাতিসংঘ

    আগামীকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকারকে বিশেষ বার্তা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত জাতিসংঘ কার্যালয়।

    জাতিসংঘ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বার্তায় নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে। বার্তায় বলা হয়েছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ সবার মৌলিক অধিকার এবং এর মধ্যে বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী ও ভিন্ন লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষদের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।

    জাতিসংঘের বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, নারী প্রার্থী ও ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, হয়রানি ও অনলাইন নির্যাতন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সাইবার বুলিং, ডিপফেক, পরিকল্পিত হয়রানি এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্টের অপব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। সংস্থাটি জানিয়েছে, নারীদের অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করছে।

    বার্তায় রাজনৈতিক নেতা, দল ও সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতি কোনো প্রকার হয়রানি, সহিংসতা বা ভয়ভীতি না দেখানো হয়। এটি নারী প্রার্থী ও ভোটারদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।

    জাতিসংঘ আশা প্রকাশ করেছে, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত রাখবে। সংস্থা সব অংশীদারের সঙ্গে কাজ করে নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিহত

    সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিহত

    শেরপুরে মিনি ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কের চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের শিমুলতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তির নাম রোকনুজ্জান রুকন (৩১)। তিনি শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজি বিভাগের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। তার বাড়ি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলায়।

    দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে উদ্ধার করে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোকনুজ্জান রুকনকে মৃত ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ভোটার স্লিপের সঙ্গে টাকা বিলির সময় বিএনপি নেতাসহ আটক ২

    শেরপুর সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শেরপুর-১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক বলেন, মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তিনি কোন কেন্দ্রে দায়িত্বে ছিলেন, সেই তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হচ্ছে। তার কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের জন্য অন্য একজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়া হবে। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মকর্তা রয়েছেন।

    এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সো‌হেল রানা ব‌লেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা নিহত হ‌য়ে‌ছেন। এছাড়া আহত ৪ জনকে শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • যে কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    যে কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে রাজধানীর গুলশানে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে তিনি তার ভোট প্রদান করবেন।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টার ভোটদানকে কেন্দ্র করে গুলশান এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • নির্বাচন নিয়ে যা জানালেন র‌্যা্বের মহাপরিচালক

    নির্বাচন নিয়ে যা জানালেন র‌্যা্বের মহাপরিচালক

    র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান জানিয়েছেন, নির্বাচনে কোনো জঙ্গি হামলার শঙ্কা দেখছে না র‌্যাব, তবুও সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শেরে বাংলানগরে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্বাচন উপলক্ষে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা জানান।

    তিনি বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে। ঝুঁকি তাদেরই আছে, যারা নির্বাচনকে ব্যহত করবে, জাল ভোট দেয়ার চেষ্টা করবে এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।

    বড় ধরনের কোনো গোলযোগ ছাড়াই সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে জানিয়ে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, নির্বাচনের ফলাফল না মেনে বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • ইতিহাসের মোড়ে—আলেম সমাজের কণ্ঠ একসুর

    ইতিহাসের মোড়ে—আলেম সমাজের কণ্ঠ একসুর

    দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এবং ইসলামী মূল্যবোধের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুমিনুল ইসলামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    জামায়াতে ইসলামীর বিষয়ে আলেমদের পর্যবেক্ষণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে জামায়াত-শিবির অনলাইন ও অফলাইনে দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় শীর্ষ আলেমদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য ও বিষোদগার করে আসছে। এছাড়া জামায়াত সাধারণ মানুষের কাছে নিজেদের ইসলামী শক্তি হিসেবে পরিচয় দিলেও আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক মহলে নিজেদের ‘সেক্যুলার’ হিসেবে উপস্থাপন করছে—এমন দ্বিমুখী আচরণের কারণে আলেমরা জামায়াত জোটের পরিবর্তে বিএনপিকে বেছে নিয়েছেন।

    আস্থা ধানের শীষে আলেমরা মনে করেন, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে এবং সুস্থ রাজনৈতিক ধারা বজায় রাখতে বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। তাঁরা দেশবাসীকে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।

    সমর্থন জানিয়েছেন যে সকল শীর্ষ আলেম ও দরবার: বিএনপি ও ধানের শীষের পক্ষে যে সকল শীর্ষ আলেম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব সংহতি প্রকাশ করেছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

    আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী (হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির)
    আল্লামা শায়েখ মাহমুদুল হাসান (বেফাক ও হাইয়্যার চেয়ারম্যান)
    মাওলানা সাজিদুর রহমান (হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব)
    মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক (বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি)
    মুফতি এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী (জৈনপুরের পীর)
    শায়েখ আব্দুল মতিন ও মুফতি জাফর আহমদ (ঢালকানগর পীর সাহেব)
    মুফতি মনসুরুল হক এবং মাওলানা শওকত হোসেন সরকার

    এছাড়া ফুলতলী দরবার, ছারছিনা দরবার, মাইজভাণ্ডার দরবার এবং ইসলামী ঐক্যজোট ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের উভয় অংশও এই সমর্থনে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।