News24x7

  • গোয়েন্দা জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ২০০ আসনে জয়ের পথে বিএনপি

    গোয়েন্দা জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ২০০ আসনে জয়ের পথে বিএনপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও সরকারের একাধিক নিরাপত্তা ইউনিটের পরিচালিত জরিপে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার তথ্য উঠে এসেছে। যদিও নিরাপত্তাজনিত কারণে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেনি, তবে সংশ্লিষ্ট মহলের বিভিন্ন বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন থেকে নির্বাচনের একটি সম্ভাব্য চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

    সারাদেশের সামগ্রিক চিত্র একাধিক স্বতন্ত্র অনলাইন জরিপ এবং অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা মূল্যায়নে দেখা গেছে, বিএনপি ২০০টির কাছাকাছি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে রয়েছে। এই লড়াইয়ে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছে জামায়াতে ইসলামী। অনেক স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বড় ধরনের চমক দেখাতে পারেন বলে আভাস দেওয়া হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের জেলাভিত্তিক সম্ভাব্য ফলাফল গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে দলগুলোর অবস্থান নিম্নরূপ:

    পঞ্চগড়: পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ এগিয়ে থাকলেও জামায়াতের সফিউল আলমের সঙ্গে তাঁর তীব্র লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিরঙ্কুশ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন। তবে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী আব্দুল হাকিম শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতের ত্রিমুখী লড়াইয়ের শেষে বিএনপি প্রার্থীর জয়ের পাল্লা ভারী।

    দিনাজপুর: জেলার ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই বিএনপির আধিপত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দিনাজপুর-৪ আসনে জামায়াতের এবং দিনাজপুর-৫ আসনে বিএনপির একজন বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

    নীলফামারী ও লালমনিরহাট: এই জেলাগুলোতে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লালমনিরহাটের তিনটি আসনের মধ্যে দুটিতে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে।

    রংপুর: জাতীয় পার্টির এই দুর্গেও এবার পরিবর্তনের হাওয়া। রংপুরের ৬টি আসনের মধ্যে ৩টিতে বিএনপি এবং ২টিতে জামায়াত এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও সতর্কবার্তা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মূলত নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই জরিপগুলো পরিচালনা করেছে। প্রতিবেদনে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়া আসনগুলোতে উত্তেজনা বাড়তে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা প্রবল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যু

    ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যু

    খুলনা সদরের আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাই লেনে তার বাড়ি।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকাল আটটায় আলিয়া মাদ্রাস একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের অদূরে সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

    খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, ‘সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খান এবং মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।’

    তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাঁধা দেই। তখন তাঁদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন। কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদ্রাসার সিসি ক্যামেরা আছে চেক করলে সব ধরা পড়বে।’

    কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।

    কেন্দ্রের দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানা এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং দুই পক্ষকে সরিয়ে দেই। তখন একজনকে অটোরিকশায় করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

    খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।

    খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদ্রাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্ৰেপ্তারের দাবি জানাই।’

    খুলনা-২ আসনে জামায়তের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।’

    খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, ‘আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন‌ মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দেইনি।’

  • ভোট দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে যা বললেন তারেক রহমান

    ভোট দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে যা বললেন তারেক রহমান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি গণতন্ত্রকামী নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সবাই যেন ভোট দেন। যাকে উপযুক্ত মনে করেন, তাকেই ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। নিজের পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিয়ে রাষ্ট্রীয় অধিকার ও মালিকানা নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করেন।

    পোস্টে তারেক রহমান বলেন, ভোটাররা যেন কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে ভোট দেন এবং নির্বাচিত প্রার্থীদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।

    ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী প্রার্থীরা যাতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, সে বিষয়টি দেখভালের প্রতিশ্রুতিও দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

  • এই ৭ ভুল করছেন? বাতিল হতে পারে আপনার ভোট

    এই ৭ ভুল করছেন? বাতিল হতে পারে আপনার ভোট

    নির্বাচনের দিনটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব এবং গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলনের দিন। ভোর থেকেই মানুষ ভোটকেন্দ্রে ছুটে যান নিজের প্রতিনিধি বেছে নিতে। কিন্তু অনেক সময় না জানার কারণে বা সামান্য অসাবধানতায় একটি মূল্যবান ভোটই বাতিল হয়ে যেতে পারে। একটি ভুল সিল, ব্যালট ভাঁজে অসতর্কতা কিংবা ব্যালটে অপ্রয়োজনীয় কোনো চিহ্ন—এমন ছোট ছোট ভুলই ভোট গণনার সময় আপনার ভোটকে অকার্যকর করে দিতে পারে।

    তাই ভোট দিতে যাওয়ার আগে কিছু সাধারণ নিয়ম জেনে রাখা জরুরি। এতে যেমন নিজের ভোট সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তেমনি অজান্তেই ভোট বাতিল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন ভুলগুলো করলে আপনার ভোট বাতিল হতে পারে—

    ১. সিল

    ব্যালট পেপারের একপাশে থাকবে প্রার্থীর নাম এবং অন্য পাশে থাকবে প্রতীক বা মার্কা। সিল দিতে হবে নির্ধারিত স্থানের মধ্যে প্রতীকের উপর। সিল যদি নির্ধারিত স্থানের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভোট গণনার সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এর ফলে আপনার ভোটটি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

    এই ৭ ভুল করছেন? বাতিল হতে পারে আপনার ভোট
    গণভোটের ব্যালট ফেলবেন কোন বাক্সে, জানেন কি?
    ২. একাধিক সিল

    কখনো বিভ্রান্তি বা ভুলবশত একাধিক প্রার্থীর মার্কায় সিল দিয়ে ফেললে সেই ব্যালট গ্রহণযোগ্য থাকে না। তাই গোপন কক্ষে যাওয়ার আগেই ঠিক করে নিন কাকে ভোট দেবেন।

    ৩. ব্যালট ভাঁজ

    সিল দেওয়ার পরে ব্যালট পেপার ভাঁজ করতে হয় নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে। সাধারণভাবে প্রথমে কাগজটি লম্বালম্বি ভাঁজ দিতে হয়, তারপর ওপর দিকে ভাঁজ করতে হয়। তা না করলে সিলের কালি পাশের মার্কায় লেগে যেতে পারে। তখন একাধিক প্রতীকের ওপর দাগ দেখা গেলে ভোটটি বাতিল হতে পারে।

    ৪. ভোটারকে চেনার উপায় ব্যালটে থাকা

    ব্যালট পেপারে কলম বা পেনসিল দিয়ে কোনো চিহ্ন, টিক বা স্বাক্ষর দিলে সেটি বাতিল বলে গণ্য হয়। কেবল নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত সিল ব্যবহার করে নির্ধারিত স্থানের মধ্যে সিল দিলেই ভোটটি বৈধ থাকবে।

    ৫. ব্যালট পেপারের ক্ষতি

    ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট পেপার ছিঁড়ে গেলে সেই ভোট বাতিল হয়ে যায়। তাই ব্যালট নেওয়া থেকে বাক্সে ফেলা পর্যন্ত কাগজটি সতর্কভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন।

    ৬. ব্যালটে লেখালেখি

    অনেকে ক্ষোভ, প্রতিবাদ বা মজা করে ব্যালটে কিছু লিখে ফেলেন—কোনো দাবি, স্লোগান বা মন্তব্য। এমন কিছু লিখলে ব্যালটটি আর গ্রহণযোগ্য থাকে না।

    ৭. ব্যক্তির পরিচিতি প্রকাশ

    ব্যালটে এমন কোনো চিহ্ন, সংকেত বা লেখা দেওয়া যাবে না, যা দেখে ভোটারকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এমন কিছু থাকলে ভোট বাতিল বলে বিবেচিত হয়।

    গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও। সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে চাইলে ভোট দেওয়ার নিয়মগুলো জানা এবং মেনে চলা জরুরি। সচেতন ভোটারই পারে তার ভোটের মূল্য নিশ্চিত করতে এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে।

    সূত্র : নির্বাচন কমিশন

  • যে কারণে গণভোটে ‘হ্যা’ এর পক্ষে আহমাদুল্লাহ

    যে কারণে গণভোটে ‘হ্যা’ এর পক্ষে আহমাদুল্লাহ

    ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে গণভোটে ‘হ্যা’ এর পক্ষে বলে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা বলেছেন তিনি।

    ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা ‘হ্যা’ এর পক্ষে, এমন মন্তব্য করে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘একইসাথে সেই সংস্কার সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে কার্যকর করতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে কোন প্রকার ব্যত্যয় যেন না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হবে। হ্যাঁ-ভোট মানে শুধু পরিবর্তন নয়, হোক মূল্যবোধ অক্ষুন্ন রেখে পরিবর্তনের অঙ্গীকার।’

  • শেষ মুহূর্তের যে ৩ ফ্যাক্টর বদলে দিতে পারে ভোটের ফল

    শেষ মুহূর্তের যে ৩ ফ্যাক্টর বদলে দিতে পারে ভোটের ফল

    আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই প্রথম দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এবারের নির্বাচন কেবল ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, বরং সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে একটি গণভোটও (রেফারেন্ডাম) বটে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুরুতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি-কে এককভাবে এগিয়ে রাখা হলেও, শেষ মুহূর্তে শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামী চমক দেখাতে পারে। ইন্ডিয়া টুডে-র এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে এমন তিনটি বিশেষ ফ্যাক্টরের কথা উঠে এসেছে, যা নির্বাচনের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।

    ১. দোদুল্যমান বা অনিশ্চিত ভোটারদের ভূমিকা:

    বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে একটি বিশাল অংশের ভোটার এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তারা কাকে ভোট দেবেন। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৮.৫ শতাংশ ভোটার এখনও অনিশ্চিত। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় তাদের প্রথাগত ৩০-৪০ শতাংশ সমর্থক এখন কাকে বেছে নেবেন, সেটিই বড় প্রশ্ন। বিএনপি এবং জামায়াত—উভয় দলই এই বিশাল ভোটব্যাংক ও তরুণ ভোটারদের নিজেদের দিকে টানতে মরিয়া। এই ‘ফেন্স সিটার’ বা দোদুল্যমান ভোটাররা যেদিকে ঝুঁকবেন, জয় সেদিকেই যাবে।

    ২. ভোটার উপস্থিতির হার (টার্নআউট):

    নির্বাচন কমিশনের মক ভোটিংয়ে দেখা গেছে, সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট হওয়ায় ভোট দিতে স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ গুণ বেশি সময় লাগছে। ভোটার উপস্থিতি কম হলে সেটি জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর রিপোর্ট বলছে, যদি ভোটার উপস্থিতি ৬৫-৬৮ শতাংশ হয়, তবে বিএনপি জোটের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু উপস্থিতি কমে ৫৩-৫৮ শতাংশে নামলে ক্যাডার-ভিত্তিক দল হিসেবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে যেতে পারে।

    ৩. নারী ও বয়স্ক ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে অনীহা:

    ধীরগতির ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং সংঘাতের আশঙ্কায় নারী ও প্রবীণ ভোটাররা কেন্দ্রবিমুখ হতে পারেন। নারী ভোটারদের মধ্যে ভোটের উৎসাহ গত কয়েক মাসে কমেছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে। যদি সহিংসতার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ ঘরে থাকে, তবে ক্যাডার-ভিত্তিক সুশৃঙ্খল দল হিসেবে জামায়াত তাদের নিশ্চিত ভোটগুলো সংগ্রহ করে নির্বাচনী ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে পারে।

    উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি:

    আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচনে দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখনও ৪২ শতাংশ লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি, যা সহিংসতার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবুও রাজধানী ঢাকা এখন প্রায় ফাঁকা; ঈদের মতো মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ভোট দেওয়ার জন্য।

    শেষ পর্যন্ত কি বিএনপি তাদের রাজপথের লড়াইয়ের ফসল ঘরে তুলতে পারবে, নাকি সুসংগঠিত জামায়াত ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দেবে—তার উত্তর মিলবে আগামীকালের ব্যালট যুদ্ধে।

  • কারা কত আসন পাবে, উঠে এল জরিপে

    কারা কত আসন পাবে, উঠে এল জরিপে

    রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কারা সরকার গঠন করবে এ নিয়ে বিগত কয়েক দিনে বেশ কয়েকটি জরিপের ফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় প্রত্যেকটি জরিপেই জয়ের পথে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার প্রকাশিত হয়েছে জেনারেশন জেডের স্বতন্ত্র অনলাইন জরিপ।

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা এবং প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের উদ্দেশে পরিচালিত স্বতন্ত্র অনলাইন জরিপ ‘জেন-জেড ব্যালট’ এর ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

    ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী এই জরিপে মোট ৪৬ হাজার ৬২৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় ভোটগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

    জরিপের ফলাফলে জানা গেছে, ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৯০টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। জরিপের ফলে জানা গেছে, ৫১টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া ৬টি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৫টি আসনে খেলাফতে মজলিশ। তিনটি করে আসন পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জরুরি বার্তা!

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জরুরি বার্তা!

    আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক বাণীতে তিনি এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ড. ইউনূস বলেন, দীর্ঘ সময় ভোটাধিকার বঞ্চিত জাতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে, এই নির্বাচন তারই প্রাতিষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো নিয়ে মতামত দেবেন এবং সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য ও দায়বদ্ধ জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।

    নতুন ভোটার ও তরুণদের অংশগ্রহণ এবারের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক তরুণ নাগরিক প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টা এই নির্বাচনকে প্রতিটি ভোটারের জন্য আনন্দময়, শঙ্কামুক্ত ও উৎসবমুখর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এটি দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে।

    প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীসহ সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা প্রভাব ছাড়াই ভোটাররা যেন ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণই একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ নিশ্চিত করবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন হবে এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।

  • জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের জরুরি বার্তা!

    জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের জরুরি বার্তা!

    আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে দেশবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বুধবার সন্ধ্যায় দেওয়া এই ভাষণে তিনি নির্বাচনের শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

    শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা ভাষণের শুরুতেই সিইসি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের বিনিময়েই আজ দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

    ভোটদান নাগরিক দায়িত্ব নির্বাচনকে ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করে সিইসি বলেন, ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, এটি একটি বড় নাগরিক দায়িত্ব। তিনি ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়া পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতা রাখার আহ্বান জানান।

    শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন সিইসি। যেকোনো অনভিপ্রেত ঘটনা মোকাবিলায় তিনি সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি প্রত্যাশা করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের সাক্ষী হবে।

    নির্বাচন ও গণভোটের গুরুত্ব সিইসি তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, এই নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করবে। তিনি ব্যক্তিগত কষ্ট উপেক্ষা করে জাতীয় এই মহতী কাজকে সার্থক করে তুলতে নির্বাচনের সাথে যুক্ত সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

  • নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে বিএনপির ৪ নেতা বহিষ্কার

    নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে বিএনপির ৪ নেতা বহিষ্কার

    দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাত পোহালেই ভোট। ঠিক এমন সময় পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা বিএনপির চার নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার ও সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

    বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জসিম আহমেদ তুহিন, সাধারণ সম্পাদক মো. আতাহার শিকদার এবং কেশবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শহীদ মুন্সী ও সিনিয়র সহসভাপতি মো. আফজাল হোসেন সিকদার।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. শহিদুল আলম তালুকদারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তারা জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জনসমর্থন চেয়ে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন।

    পাশাপাশি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগও আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে। দলীয় নীতিমালা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার ও সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ বলেন- দলীয় শৃঙ্খলাভঙের কারণে দল থেকে প্রথম অব্যাহতি পরে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং বহিষ্কার করা হয়েছে।