News24x7

  • দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি

    দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনে বিএনপি আত্মবিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

    মাহদী আমিন বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার দুটি নির্বাচনী আসন-বগুড়া-৬ এবং ঢাকা-১৭-তে ইতোমধ্যে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।’

    তিনি বলেন, ‘বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিভিন্ন ধরনের কারচুপি, জালিয়াতি, কেন্দ্র দখলসহ নানা অপরাধে সম্পৃক্ত ছিল। তারপরও জনগণের আন্তরিক ভালোবাসা ও সমর্থনে আমরা দেখেছি ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুলসংখ্যক আসনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।

    অনেকেই এরই মাঝে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত বিএনপি ইনশাল্লাহ জনসমর্থন নিয়ে, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ভোটের হিসাব ও আসনভিত্তিক বিস্তারিত তথ্যের ভিত্তিতে, এই বিজয় নিয়ে আমরা আত্নবিশ্বাসী।’

    মাহদী আমিন বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন, নির্বাচনের দিনও (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় অনেক ধরনের কারচুপি, জালিয়াতি এবং সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষভাবে, নির্দিষ্ট কিছু আসনে নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীকে বিজয়ী করে আনার জন্য ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। এটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। যদি উদাহরণ দেই, শুধুমাত্র ঢাকা শহরে ঢাকা-৮, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৬-সহ বেশ কিছু আসনে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিলম্ব করা হয়েছে এবং হচ্ছে।’

    বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র বলেন, ‘বিএনপির কিংবা ধানের শীষের বিপুল ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য যে বিজয়, সেই বিজয়ের ব্যবধানটাকে কমিয়ে আনার জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল অপপ্রচার এবং নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন করেছে। ফলে নির্দিষ্ট কিছু আসনে এই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়তো পরাজয়ের ব্যবধানটা কমিয়ে আনছে এবং দেশব্যাপী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কিছুটা ব্যাহত করেছে।’

    গণতন্ত্রকামি মানুষ যে উৎসাহ উদ্দীপনার মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, বিজয়ী করেছেন, এজন্য তাদের আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানান বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র।

    সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জোবায়ের বাবু, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • হেরে গেলেন জামায়াতের একমাত্র হিন্দু প্রার্থী

    হেরে গেলেন জামায়াতের একমাত্র হিন্দু প্রার্থী

    খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী আমীর এজাজ খান। তিনি নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দীর চেয়ে ৫০ হাজার ৪৩৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।

    ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৫৮ হাজার ভোট।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই ফলাফল পাওয়া যায়। এর আগে এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এবারের নির্বাচনে সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ভোটাররা উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের রায় প্রদান করেন।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই রেকর্ডসংখ্যক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল এই নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ২ হাজার ২৯ জন; যার মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৪ জন। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৮০ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ১১৯টি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

  • পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপির কাছে হেরে গেলেন সারজিস

    পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপির কাছে হেরে গেলেন সারজিস

    দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এখন চলছে ভোট গণনা পর্ব।

    বিজ্ঞাপন
    এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ভোট গণনা শেষে আসতে শুরু করেছে ফল। বেসরকারিভাবে বেশ কিছু আসনের ফলাফলও ঘোষণা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার পাওয়া গেছে পঞ্চগড়-১ আসনে আসনের ফল। আসনটিতে জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা সারজিস আলমকে ঘিরে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

    চট্টগ্রাম-১৫ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সেই শাহজাহান চৌধুরী
    কিন্তু, এনসিপির এ নেতাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।

    প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে নওশাদ জমির পেয়েছেন ২২ হাজার ১৩৪ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন সারজিস আলম পেয়েছেন ২০ হাজার ১৯৯ ভোট।

  • তিন আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত করল নির্বাচন কমিশন

    তিন আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত করল নির্বাচন কমিশন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিনটি আসনের ফল ঘোষণা করবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মূলত এসব আসনে জয়ী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মামলাগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এগুলোর ফলাফল ঘোষণা স্থগিত থাকবে। 

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত জারি করা পৃথক তিনটি চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আসনগুলো হলো শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪। 

    এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি আইনি লড়াই শেষে চট্টগ্রাম ও শেরপুরে বিএনপির তিন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ খুলে দেয় আদালত। তবে ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে শর্ত আরোপ করে সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ পৃথক আদেশে এ নির্দেশনা দেন। 

    বিএনপির ওই তিন প্রার্থী হলেন, চট্টগ্রাম-২ আসনের সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরী এবং শেরপুর-২ আসনের ফাহিম চৌধুরী। 

    সরোয়ার আলমগীর ও আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ এবং ফাহিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ আনেন তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। ঋণ খেলাপির অভিযোগে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করেছিল ইসি। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ স্থগিত করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেন।

    আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উল্লিখিত তিন আসনের ফল ঘোষণা থেকে বিরত থাকবে নির্বাচন কমিশন। 

  • এখন পর্যন্ত কয়টি আসন পেল শাপলা কলি জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ

    এখন পর্যন্ত কয়টি আসন পেল শাপলা কলি জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগণনা চলাকালীন প্রাথমিক ফলাফল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    তিনি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ৫টি আসনে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীরা জয় নিশ্চিত করেছেন।

    বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান আসিফ মাহমুদ।

    আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, ইতোমধ্যে ৫টি আসনে শাপলা কলির বিজয় নিশ্চিত হয়েছে। অনেকগুলো আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।

    উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী এই নির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক দল এবং তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে শাপলা কলি ভোটারদের মধ্যে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সারা দেশের ভোটকেন্দ্রগুলোতে এখন চলছে চূড়ান্ত ফলাফল গণনার কাজ। রাত বাড়ার সাথে সাথে অন্যান্য আসনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • জামায়াত প্রার্থীর কাছে হেরে গেলেন বিএনপির হারুন, ভোটের ব্যবধান কত

    জামায়াত প্রার্থীর কাছে হেরে গেলেন বিএনপির হারুন, ভোটের ব্যবধান কত

    বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ হারুনকে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে।

    তথ্যমতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নুরুল ইসলাম বুলবুল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকে হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট। পরাজিত ও বিজয়ী প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৬২ হাজার ৬১৬।

    একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির মো. হারুনুর রশীদ, জামায়াতের নূরুল ইসলাম বুলবুল, জেএসডির ফজলুর ইসলাম খাঁন সুমন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মনিরুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম।

    এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৮ জন এবং নারী ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৩১ জন। এখানে ১৭২টি কেন্দ্রের ৯২৮টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

  • সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য: বিএনপি-জামায়াত কে কত আসন পেল

    সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য: বিএনপি-জামায়াত কে কত আসন পেল

    দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা পর্ব। এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ভোট গণনা শেষে আসতে শুরু করেছে ফল। বেসরকারিভাবে অধিকাংশ আসনের ফলাফলও ঘোষণা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৫টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন কোনো আসনের পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করতে পারেনি। তবে সারা দেশের প্রতিটি আসন থেকে যুগান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো সর্বশেষ সংবাদ এবং দলীয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিএনপির বিজয় নিশ্চিত হয়েছে ২০৪টি আসনে। এছাড়া জয়ের পথে এগিয়ে আছে আরও কয়েকটি আসনে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৯টি, বরিশাল বিভাগে ১৭টি, ময়মনসিংহে ১৮টি, সিলেটে ১৭টি, রংপুরে ১৪টি, রাজশাহীতে ২৮টি এবং খুলনা বিভাগে ১১টি।

    অপর দিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট জয়লাভ করেছে ৭২টি আসনে। জয়ের পথে এগিয়ে আছে আরও কয়েকটি আসনে। তবে এসব ফলাফলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    বিএনপি: ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আগমগীর, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমদ, ঢাকা-৬ ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাবিবুর রশীদ হাবিব, দিনাজপুর-১ মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৬ ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন মিলন, পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির, সিলেট-১ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদী লুনা, সিলেট-৩ এমএ মালিক, সিলেট-৪ আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট-৬ এমরান আহমেদ চৌধুরী, ঝালকাঠি-১ রফিকুল ইসলাম জামাল, ঝালকাঠি-২ ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩ আইনুল হক, সিরাজগঞ্জ-৫ মো. আমিরুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ-৬ এমএ মুহিত, মানিকগঞ্জ-১ এসএম জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা, খাগড়াছড়ি ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাজবাড়ী-২ হারুন অর রশীদ, নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ মো. আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোনা-৪ মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, হবিগঞ্জ-১ ড. রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন, হবিগঞ্জ-৩ জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ সৈয়দ মো. ফয়সাল, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ, মাগুরা-১ মো. মনোয়ার হোসেন, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, ঝিনাইদহ-১ মো. আসাদুজ্জামান, সুনামগঞ্জ-১ কামরুজ্জামান কামরুল, জামালপুর-১ এম রশিদুল জামান মিল্লাদ, জামালপুর-৪ মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন, পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, বরিশাল-২ সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল-৫ মজিবর রহমান সরোয়ার, জয়পুরহাট-২ মো. আবদুল বারি, খুলনা-১ আমির এজাজ খান, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৫ মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬ মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের, কুমিল্লা-৯ মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ মোবাশ্বর আলম ভূঁইয়া, নোয়াখালী-১ এমএ মাহবুব উদ্দিন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ মো. বরকতউল্লা বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, ফেনী-১ রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ জয়নাল আবদিন, ফেনী-৩ আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কক্সবাজার-২ আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এমএ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-১ শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, লক্ষ্মীপুর-৪ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহীম, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নুরুল ইসলাম নয়ন, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কিশোরগঞ্জ-১ মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ মো. জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৬ শরীফুল আলম, ময়মনসিংহ-৩ ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আবু ওয়াহাব আকন্দ, ময়মনসিংহ-৫ জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৭ ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, ময়মনসিংহ-৮ প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাছেদ বাবু, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, ময়মনসিংহ-১১ ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, চট্টগ্রাম-১ মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ মো. এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৪ জসিম উদ্দিন আহমেদ, বরিশাল-১ জহিরুদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ সরফুদ্দিন সরদার সান্টু, বরিশাল-৩ অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরিশাল-৪ রাজীব আহসান, বরিশাল-৫ মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান, বরগুনা-২ নুরুল ইসলাম মনি, পিরোজপুর-২ সুমন মঞ্জুর, পিরোজপুর-৩ আসনে রুহুল আমিন দুলাল, ঝালকাঠী-১ ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, ঝালকাঠি-২ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ নজরুল ইসলাম মন্ডল, রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চাঁদ, দিনাজপুর-১ মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো. সাদিক রিয়াজ পিনাক, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৬ আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, জামালপুর -১ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ এ,ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর- ৩ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

    বিএনপির মিত্র: ভোলা-১ আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপি), পটুয়াখালী-৩ নুরুল হক নুর (গণঅধিকার), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি)।

    স্বতন্ত্র: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ-১ সালমান ওমর রুবেল, এ জেড এম রেজওয়ানুল হক।

    জামায়াত: জামায়াতের ইসলামীর ফেসবুক পেজে ৬৬ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এরা হলেন- ১. মো. আনোয়ারুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম-১), ২. মো. মাহবুবুল আলম (কুড়িগ্রাম-৩), ৩. মো. মোস্তাফিজুর রহমান (কুড়িগ্রাম-৪), ৪. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (কুমিল্লা-১১),৫. মো. আব্দুল গফুর (কুষ্টিয়া-২), ৬. মো. আমির হামজা (কুষ্টিয়া-৩), ৭. মো. আফজাল হোসেন (কুষ্টিয়া-৪), ৮. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (খুলনা-২), ৯. মো. আবুল কালাম আজাদ (খুলনা-৬), ১০. মো. মাজেদুর রহমান (গাইবান্ধা-১), ১১. মো. আব্দুল করিম (গাইবান্ধা-২), ১২. আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (গাইবান্ধা-৩), ১৩. মো. আব্দুর রহিম সরকার (গাইবান্ধা-৪), ১৪. মো. আব্দুল ওয়ারেছ (গাইবান্ধা-৫), ১৫. সালাহ উদ্দিন (গাজীপুর-৪), ১৬. শাহজাহান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), ১৭. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-১৬), ১৮. মো. কেরামত আলী (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), ১৯. মিজানুর রহমান (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), ২০. মো. নূরুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), ২১. মো. মাসুদ পারভেজ (চুয়াডাঙ্গা-১), ২২. মো. রুহুল আমিন (চুয়াডাঙ্গা-২), ২৩. মো. ফজলুর রহমান সাঈদ (জয়পুরহাট-১), ২৪. মো. মতিয়ার রহমান (ঝিনাইদহ-৩), ২৫. মো. আবু তালিব (ঝিনাইদহ-৪), ২৬. সৈয়দ জয়নুল আবেদীন (ঢাকা-৪), ২৭. মোহাম্মদ কামাল হোসেন (ঢাকা-৫), ২৮. মো. এনায়াত উল্লা (ঢাকা-৭), ২৯. মো. সাইফুল আলম (ঢাকা-১২), ৩০. মীর আহমাদ বিন কাসেম (ঢাকা-১৪), ৩১. মো. শফিকুর রহমান (ঢাকা-১৫), ৩২. মো. আব্দুল বাতেন (ঢাকা-১৬), ৩৩. মো. এনামুল হক (নওগাঁ-২), ৩৪. মো. আব্দুস সাত্তার (নীলফামারী-১), ৩৫. আলফারুক আব্দুল লতীফ (নীলফামারী-২), ৩৬. ওবায়দুল্লাহ সালাফী (নীলফামারী-৩), ৩৭. আব্দুল মুনতাকিম (নীলফামারী-৪), ৩৮. মো. শফিকুল ইসলাম (পটুয়াখালী-২), ৩৯. মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (পাবনা-১), ৪০. মুহাম্মাদ আলী আছগার (পাবনা-৩), ৪১. মো. আবু তালেব মন্ডল (পাবনা-৪), ৪২. মাসুদ সাঈদী (পিরোজপুর-১), ৪৩. মো. মশিউর রহমান খান (বাগেরহাট-১), ৪৪. শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) (বাগেরহাট-২), ৪৫. মো. আব্দুল আলীম (বাগেরহাট-৪), ৪৬. মো. কামরুল হাসান (ময়মনসিংহ-৬), ৪৭. মো. তাজউদ্দীন খান (মেহেরপুর-১), ৪৮. মো. নাজমুল হুদা (মেহেরপুর-২), ৪৯. মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান. (যশোর-১), ৫০. মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (যশোর-২), ৫১. মো. গোলাম রছুল (যশোর-৪), ৫২. গাজী এনামুল হক (যশোর-৫), ৫৩. মো. মোক্তার আলী (যশোর-৬), ৫৪. মো. রায়হান সিরাজী (রংপুর-১), ৫৫. এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২), ৫৬. মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) (রংপুর-৩), ৫৭. মো. গোলাম রব্বানী (রংপুর-৫), ৫৮. মো. নুরুল আমীন (রংপুর-৬), ৫৯. মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১), ৬০. মো. আব্দুল বারী সরদার (রাজশাহী-৪), ৬১. মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজু (লালমনিরহাট-১), ৬২. মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (শেরপুর-১), ৬৩. মো. ইজ্জত উল্লাহ (সাতক্ষীরা-১), ৬৪. মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক (সাতক্ষীরা-২), ৬৫. হাফেজ মুহা. রবিউল বাশার (সাতক্ষীরা-৩), ৬৬. মো. রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪)।

    জামায়াত জোট: কুমিল্লা-৪ হাসনাত আব্দুল্লাহ (এনসিপি), নোয়াখালী-৬ আব্দুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি), রংপুর ৪ আখতার হোসেন (এনসিপি), কুড়িগ্রাম-২ আতিকুর রহমান মোজাহিদ, নারায়ণগঞ্জ-৪ আবদুল্লাহ আল-আমিন ও ময়মনসিংহ-২ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদুল্লা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানান, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী পাঁচটি আসনে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীরা জয় নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া আরও আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।

    ইসলামী আন্দোলন: বরগুনা-১ মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালিউল্লাহ।

    এদিকে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়াই বৃহস্পতিবার শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯ আসনের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘেœ ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। একই সঙ্গে হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়েও তাদের রায় জানাতে পেরেছেন। সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে নানা ধরনের শঙ্কা ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থাকলেও সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি), প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর অদম্য কঠোর অবস্থানের কারণে বড় ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটেনি। ইসির আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ২৯টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১৩৫ জন আহত হয়েছে।

  • প্রথম জয় পেল বিএনপি

    প্রথম জয় পেল বিএনপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মতিউর রহমান।

    রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া বেসরকারি ফলে মো. আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট।

    দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটের অধিকার ফিরে পেয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশের কেন্দ্রগুলোতে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়। এখন চলছে ভোট গণনার কাজ।

    ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘দুপুর ২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ৪৭.৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুপুরে ভোটের হার কিছুটা কম ছিল।’

    এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩ জন।

  • বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে ভারত

    বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে ভারত

    বাংলাদেশে চলমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের গতিপ্রকৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয় নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এ কথা জানান।

    ফলাফল দেখে ভারত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে উল্লেখ করে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, নির্বাচনের ফলাফল না আসা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করা উচিত। আমরা ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করব এবং দেখব ভোটাররা কেমন ম্যান্ডেট দেন। এরপরই আমরা বাকি বিষয়গুলো নিয়ে ভাবব।

    বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশটিতে একটি ‘অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য’ নির্বাচনের পক্ষে নয়াদিল্লি সবসময়ই সোচ্চার ছিল।

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক সমীকরণ হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে শেখ হাসিনার পতনের পর এটিই বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন। বর্তমানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে দীর্ঘ দেড় দশক পর মাঠে ফেরা বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

    বিএনপি ও জামায়াতের অবস্থান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি প্রধান তারেক রহমান বিজয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলে জোরালো প্রচার চালানো জামায়াতে ইসলামী বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়বিচার ভিত্তিক সমাজ গঠনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

    নির্বাচনী চিত্র বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বর্তমানে দেশজুড়ে গণনা চলছে। বড় কোনো সহিংসতা ছাড়াই ভোট শেষ হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে উভয় পক্ষের নেতারাই পাল্টাপাল্টি কিছু হুমকির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়েছে , নির্বাচনের পর বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক শক্তিই ক্ষমতায় আসুক না কেন, গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে তারা ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

    সূত্র- হিন্দুস্থান টাইমস

  • আব্বাসের আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, এগিয়ে যিনি

    আব্বাসের আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, এগিয়ে যিনি

    ঢাকা-৮ আসনের (মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর) ভোটের ৩টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। ধানের শীষের মনোনীত বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ১২৪২ ভোট। শাপলা কপি প্রতীকের জাতীয় নাগরিক পার্টির- এনসিপি প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ১২৪৯ ভোট।

    অন্য কেন্দ্রগুলোর ফলাফল আসার সঙ্গে সঙ্গে সামগ্রিক চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।