News24x7

  • শিবিরের সেই সাহসী সিয়ামের ওপর হা’মলা, মধ্যরাতে জানালেন ডাকসু ভিপি

    শিবিরের সেই সাহসী সিয়ামের ওপর হা’মলা, মধ্যরাতে জানালেন ডাকসু ভিপি

    ‘জুলাইযোদ্ধা’ ফেনীর সেই সাহসী সিয়ামের ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।

    শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১১টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ এনে করা সাদিক কায়েমের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—
    জুলাইযোদ্ধা ছাত্রশিবিরের ফেনী শাখার সিয়াম একাই সেদিন সন্ত্রাসী আওয়ামী, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন। অথচ আজ তার ওপর হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের একজন নারী শিক্ষার্থীর পরিবারের ওপর হামলা ও তাদের বাড়ি ছাড়া করছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা কেবল পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য।

    দেশের বিভিন্ন জায়গায় জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর অব্যাহত হামলা, আক্রমণ শুরু করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির সন্ত্রাসীরা যে নৃশংস হামলা পরিচালনার মাধ্যমে তাদের বিজয় উৎসব উদযাপন করছে! দেশবাসীকে সাথে নিয়ে এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • কারা কত আসন পাবে, উঠে এল জরিপে

    কারা কত আসন পাবে, উঠে এল জরিপে

    রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কারা সরকার গঠন করবে এ নিয়ে বিগত কয়েক দিনে বেশ কয়েকটি জরিপের ফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় প্রত্যেকটি জরিপেই জয়ের পথে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার প্রকাশিত হয়েছে জেনারেশন জেডের স্বতন্ত্র অনলাইন জরিপ।

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা এবং প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের উদ্দেশে পরিচালিত স্বতন্ত্র অনলাইন জরিপ ‘জেন-জেড ব্যালট’ এর ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

    ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী এই জরিপে মোট ৪৬ হাজার ৬২৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় ভোটগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

    জরিপের ফলাফলে জানা গেছে, ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৯০টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। জরিপের ফলে জানা গেছে, ৫১টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া ৬টি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৫টি আসনে খেলাফতে মজলিশ। তিনটি করে আসন পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

  • এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • যে শর্তে বিএনপিতে ফিরতে চান রুমিন ফারহানা

    যে শর্তে বিএনপিতে ফিরতে চান রুমিন ফারহানা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। নির্বাচনের পরদিন হাঁস কোলে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এ নেত্রী। এতে দলে ফেরা নিয়ে এক প্রশ্নে বিভিন্ন শর্তের কথা বলেন তিনি।

    বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ছিলেন রুমিন ফারহানা। একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি। তবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন রুমিন। এ কারণে ৩০শে ডিসেম্বর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তার নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর দায়ে সরাইল উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ১০ নেতাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

    রুমিন ফারহানা জানান, তাকে দলে ফেরাতে হলে তার যে সব নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদেরও বিএনপিতে ফেরাতে হবে।

    ভোটের মার্কা হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার অনেক হাঁস ছিল, মোরগ ছিল, কবুতর ছিল। আম্মুর বড় চাকরির সুবাদে আমরা বড় বড় বাসায় থাকতাম। এরপর তো আমরা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে চলে গেলাম। তখন এই হাঁস পালা হলো না কিন্তু এখানে (ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে) আমার হাঁস-মুরগি অনেককিছু আছে। তাদের সঙ্গে আমার অবসর সময় কাটে। হাঁসের সঙ্গে তার এই স্মৃতি-অভ্যাসের কারণেই তিনি হাঁসকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছেন বলে জানান।

    রুমিন ফারহানা বলেন, আমার জার্নিটা কঠিন ছিল। কিন্তু আমার চেয়েও কঠিন জার্নি ছিল আমার নেতাকর্মীদের। আমি যদি আজকে না জিততাম, আমায় হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে যেতে হতো। আমি আমার পেশায় ফিরে যেতাম। আমার এতগুলো কর্মী, সবাই বহিষ্কার হয়ে গেছে। ১৭টা বছর তারা এত কষ্ট করেছে, এত শ্রম দিয়েছে, তারা ঘরে ঘুমাতে পারে নাই। তারা কেউ কষ্ট রাখে নাই মনে; সবাই খুশি। এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করবো আমি?

    তিনি অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর বিভিন্ন জায়গায় ভোট ছাপানোর চেষ্টা হয়েছে, ফলাফল আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

    রুমিন ফারহানা বলেন, জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে আমি নিজে গিয়েও খেজুর গাছের কর্মীদের সঙ্গে মারামারি করেছি। মারামারি করে আমি কেন্দ্রে ঢুকেছি। আবার ভোট গুনিয়েছি। কিছু ফলস ভোট পেয়েছি। এগুলো সবই চ্যালেঞ্জ।

    প্রসঙ্গত, বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। হাঁস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট।

  • সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য: বিএনপি-জামায়াত কে কত আসন পেল

    সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য: বিএনপি-জামায়াত কে কত আসন পেল

    দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা পর্ব। এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ভোট গণনা শেষে আসতে শুরু করেছে ফল। বেসরকারিভাবে অধিকাংশ আসনের ফলাফলও ঘোষণা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৫টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন কোনো আসনের পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করতে পারেনি। তবে সারা দেশের প্রতিটি আসন থেকে যুগান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো সর্বশেষ সংবাদ এবং দলীয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিএনপির বিজয় নিশ্চিত হয়েছে ২০৪টি আসনে। এছাড়া জয়ের পথে এগিয়ে আছে আরও কয়েকটি আসনে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৯টি, বরিশাল বিভাগে ১৭টি, ময়মনসিংহে ১৮টি, সিলেটে ১৭টি, রংপুরে ১৪টি, রাজশাহীতে ২৮টি এবং খুলনা বিভাগে ১১টি।

    অপর দিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট জয়লাভ করেছে ৭২টি আসনে। জয়ের পথে এগিয়ে আছে আরও কয়েকটি আসনে। তবে এসব ফলাফলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    বিএনপি: ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আগমগীর, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমদ, ঢাকা-৬ ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাবিবুর রশীদ হাবিব, দিনাজপুর-১ মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৬ ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন মিলন, পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির, সিলেট-১ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদী লুনা, সিলেট-৩ এমএ মালিক, সিলেট-৪ আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট-৬ এমরান আহমেদ চৌধুরী, ঝালকাঠি-১ রফিকুল ইসলাম জামাল, ঝালকাঠি-২ ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩ আইনুল হক, সিরাজগঞ্জ-৫ মো. আমিরুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ-৬ এমএ মুহিত, মানিকগঞ্জ-১ এসএম জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা, খাগড়াছড়ি ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাজবাড়ী-২ হারুন অর রশীদ, নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ মো. আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোনা-৪ মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, হবিগঞ্জ-১ ড. রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন, হবিগঞ্জ-৩ জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ সৈয়দ মো. ফয়সাল, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ, মাগুরা-১ মো. মনোয়ার হোসেন, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, ঝিনাইদহ-১ মো. আসাদুজ্জামান, সুনামগঞ্জ-১ কামরুজ্জামান কামরুল, জামালপুর-১ এম রশিদুল জামান মিল্লাদ, জামালপুর-৪ মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন, পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, বরিশাল-২ সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল-৫ মজিবর রহমান সরোয়ার, জয়পুরহাট-২ মো. আবদুল বারি, খুলনা-১ আমির এজাজ খান, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৫ মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬ মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের, কুমিল্লা-৯ মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ মোবাশ্বর আলম ভূঁইয়া, নোয়াখালী-১ এমএ মাহবুব উদ্দিন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ মো. বরকতউল্লা বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, ফেনী-১ রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ জয়নাল আবদিন, ফেনী-৩ আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কক্সবাজার-২ আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এমএ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-১ শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, লক্ষ্মীপুর-৪ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহীম, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নুরুল ইসলাম নয়ন, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কিশোরগঞ্জ-১ মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ মো. জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৬ শরীফুল আলম, ময়মনসিংহ-৩ ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আবু ওয়াহাব আকন্দ, ময়মনসিংহ-৫ জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৭ ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, ময়মনসিংহ-৮ প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাছেদ বাবু, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, ময়মনসিংহ-১১ ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, চট্টগ্রাম-১ মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ মো. এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৪ জসিম উদ্দিন আহমেদ, বরিশাল-১ জহিরুদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ সরফুদ্দিন সরদার সান্টু, বরিশাল-৩ অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরিশাল-৪ রাজীব আহসান, বরিশাল-৫ মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান, বরগুনা-২ নুরুল ইসলাম মনি, পিরোজপুর-২ সুমন মঞ্জুর, পিরোজপুর-৩ আসনে রুহুল আমিন দুলাল, ঝালকাঠী-১ ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, ঝালকাঠি-২ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ নজরুল ইসলাম মন্ডল, রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চাঁদ, দিনাজপুর-১ মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো. সাদিক রিয়াজ পিনাক, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৬ আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, জামালপুর -১ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ এ,ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর- ৩ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

    বিএনপির মিত্র: ভোলা-১ আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপি), পটুয়াখালী-৩ নুরুল হক নুর (গণঅধিকার), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি)।

    স্বতন্ত্র: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ-১ সালমান ওমর রুবেল, এ জেড এম রেজওয়ানুল হক।

    জামায়াত: জামায়াতের ইসলামীর ফেসবুক পেজে ৬৬ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এরা হলেন- ১. মো. আনোয়ারুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম-১), ২. মো. মাহবুবুল আলম (কুড়িগ্রাম-৩), ৩. মো. মোস্তাফিজুর রহমান (কুড়িগ্রাম-৪), ৪. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (কুমিল্লা-১১),৫. মো. আব্দুল গফুর (কুষ্টিয়া-২), ৬. মো. আমির হামজা (কুষ্টিয়া-৩), ৭. মো. আফজাল হোসেন (কুষ্টিয়া-৪), ৮. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (খুলনা-২), ৯. মো. আবুল কালাম আজাদ (খুলনা-৬), ১০. মো. মাজেদুর রহমান (গাইবান্ধা-১), ১১. মো. আব্দুল করিম (গাইবান্ধা-২), ১২. আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (গাইবান্ধা-৩), ১৩. মো. আব্দুর রহিম সরকার (গাইবান্ধা-৪), ১৪. মো. আব্দুল ওয়ারেছ (গাইবান্ধা-৫), ১৫. সালাহ উদ্দিন (গাজীপুর-৪), ১৬. শাহজাহান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), ১৭. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-১৬), ১৮. মো. কেরামত আলী (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), ১৯. মিজানুর রহমান (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), ২০. মো. নূরুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), ২১. মো. মাসুদ পারভেজ (চুয়াডাঙ্গা-১), ২২. মো. রুহুল আমিন (চুয়াডাঙ্গা-২), ২৩. মো. ফজলুর রহমান সাঈদ (জয়পুরহাট-১), ২৪. মো. মতিয়ার রহমান (ঝিনাইদহ-৩), ২৫. মো. আবু তালিব (ঝিনাইদহ-৪), ২৬. সৈয়দ জয়নুল আবেদীন (ঢাকা-৪), ২৭. মোহাম্মদ কামাল হোসেন (ঢাকা-৫), ২৮. মো. এনায়াত উল্লা (ঢাকা-৭), ২৯. মো. সাইফুল আলম (ঢাকা-১২), ৩০. মীর আহমাদ বিন কাসেম (ঢাকা-১৪), ৩১. মো. শফিকুর রহমান (ঢাকা-১৫), ৩২. মো. আব্দুল বাতেন (ঢাকা-১৬), ৩৩. মো. এনামুল হক (নওগাঁ-২), ৩৪. মো. আব্দুস সাত্তার (নীলফামারী-১), ৩৫. আলফারুক আব্দুল লতীফ (নীলফামারী-২), ৩৬. ওবায়দুল্লাহ সালাফী (নীলফামারী-৩), ৩৭. আব্দুল মুনতাকিম (নীলফামারী-৪), ৩৮. মো. শফিকুল ইসলাম (পটুয়াখালী-২), ৩৯. মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (পাবনা-১), ৪০. মুহাম্মাদ আলী আছগার (পাবনা-৩), ৪১. মো. আবু তালেব মন্ডল (পাবনা-৪), ৪২. মাসুদ সাঈদী (পিরোজপুর-১), ৪৩. মো. মশিউর রহমান খান (বাগেরহাট-১), ৪৪. শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) (বাগেরহাট-২), ৪৫. মো. আব্দুল আলীম (বাগেরহাট-৪), ৪৬. মো. কামরুল হাসান (ময়মনসিংহ-৬), ৪৭. মো. তাজউদ্দীন খান (মেহেরপুর-১), ৪৮. মো. নাজমুল হুদা (মেহেরপুর-২), ৪৯. মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান. (যশোর-১), ৫০. মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (যশোর-২), ৫১. মো. গোলাম রছুল (যশোর-৪), ৫২. গাজী এনামুল হক (যশোর-৫), ৫৩. মো. মোক্তার আলী (যশোর-৬), ৫৪. মো. রায়হান সিরাজী (রংপুর-১), ৫৫. এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২), ৫৬. মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) (রংপুর-৩), ৫৭. মো. গোলাম রব্বানী (রংপুর-৫), ৫৮. মো. নুরুল আমীন (রংপুর-৬), ৫৯. মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১), ৬০. মো. আব্দুল বারী সরদার (রাজশাহী-৪), ৬১. মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজু (লালমনিরহাট-১), ৬২. মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (শেরপুর-১), ৬৩. মো. ইজ্জত উল্লাহ (সাতক্ষীরা-১), ৬৪. মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক (সাতক্ষীরা-২), ৬৫. হাফেজ মুহা. রবিউল বাশার (সাতক্ষীরা-৩), ৬৬. মো. রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪)।

    জামায়াত জোট: কুমিল্লা-৪ হাসনাত আব্দুল্লাহ (এনসিপি), নোয়াখালী-৬ আব্দুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি), রংপুর ৪ আখতার হোসেন (এনসিপি), কুড়িগ্রাম-২ আতিকুর রহমান মোজাহিদ, নারায়ণগঞ্জ-৪ আবদুল্লাহ আল-আমিন ও ময়মনসিংহ-২ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদুল্লা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানান, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী পাঁচটি আসনে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীরা জয় নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া আরও আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।

    ইসলামী আন্দোলন: বরগুনা-১ মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালিউল্লাহ।

    এদিকে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়াই বৃহস্পতিবার শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯ আসনের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘেœ ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। একই সঙ্গে হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়েও তাদের রায় জানাতে পেরেছেন। সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে নানা ধরনের শঙ্কা ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থাকলেও সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি), প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর অদম্য কঠোর অবস্থানের কারণে বড় ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটেনি। ইসির আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ২৯টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১৩৫ জন আহত হয়েছে।

  • দুই ভাই একসঙ্গে সংসদে যাচ্ছেন

    দুই ভাই একসঙ্গে সংসদে যাচ্ছেন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপি মনোনীত দুই ভাই জয়ী হয়েছেন। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু ১ লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট। এ আসনে ১৩৯টি কেন্দ্র থেকে ৬৪.৫৬ শতাংশ ভোট পড়েছে, বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৫৫৫টি ভোট।

    টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে তার ছোট ভাই এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন। তিনি ১ লাখ ৩১ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আহসান হাবিব মাসুদ ৮০ হাজার ৮২৩ ভোট পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরহাদ ইকবাল পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪০৮ ভোট। ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৮৮ হাজার ৮০ ভোট পড়েছে, যার মধ্যে বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৪০১ ভোট, মোট কাস্টিং ৬৩.২৫ শতাংশ।

    আব্দুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং আগের নির্বাচনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টাঙ্গাইল-২ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে শিক্ষা উপমন্ত্রী ও ২০০৩–২০০৬ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি কারাভোগ করেছেন। তার ছোট ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবার প্রথমবার টাঙ্গাইল-৫ থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • ব্রেকিং নিউজ: রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা!

    ব্রেকিং নিউজ: রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।সূত্রটি বলছে, সর্বপ্রথম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়ে তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনিই এবার রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হতে পারেন। খুব শিগগিরই এমন ঘোষণা আসবে।

    বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। লেখাপড়া শেষ করে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেন। পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ২০১১ সালের মার্চে মৃত্যুবরণ করলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুলকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেন। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন।ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেসরকারিভাবে ৭২ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়েছে

  • ২৯৭ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ, শপথ কবে?

    ২৯৭ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ, শপথ কবে?

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এই গেজেট প্রকাশ করে ইসি।

    এর আগে, শুক্রবার দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় গণভোটের ২৯৭ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৯৭ আসনের গেজেট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আইনি জটিলতা ও প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে কিছু আসনে ফলাফল স্থগিত রাখা হয়। প্রাপ্ত ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে ইসি।

    ইসি সচিব জানান, বেসরকারি ফলাফল যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম ও পরিচয় সম্বলিত অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশ। গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    ইসির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংসদ নির্বাচনে ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৭৭টি আসন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৭টি আসন এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল বাকি আসনগুলো লাভ করেছে।

    গেজেট দেখতে এখানে ক্লিক করুন।