News24x7

  • জানা গেল খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার কারণ

    জানা গেল খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার কারণ

    সদ্য বিদায় নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনের সময় আলোচিত ড. খলিলুর রহমান বিএনপি সরকারে গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তার এই নিয়োগে অনেকের মতো দলটির নেতাকর্মীরাও অবাক হয়েছেন কিছুটা। বিএনপি সরকারের এই নিয়োগের কড়া সমালোচনা করছে বিরোধী দল।

    বিএনপি নেতাদের কেউ কেউ বলছেন, খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার বিষয়টি তাদের জন্য বিব্রতকর হয়েছে।

    নানা আলোচনা চলছে ব্যবসায়ী-অর্থনীতিবিদসহ বিভিন্ন মহলে। কারণ, অন্তবর্তী সরকারের আঠারো মাসে অনেক সময়ই খলিলুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। বিএনপির নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে খলিলুর রহমানকে মন্ত্রী করার পক্ষে বা বিপক্ষে, কোনো দিকেই কথা বলতে রাজি হননি।

    তবে দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা অনানুষ্ঠানিক আলাপে বলেছেন, কূটনীতিতে খলিলুর রহমানের পেশাদারিত্ব আছে। বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র-চীন এবং প্রতিবেশী ভারতের যে অবস্থান, সেখানে বাংলাদেশের ভারসাম্য রক্ষা করে চলার ক্ষেত্রে পেশাদার ও দক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়োজন। তাকে সরকারে নেওয়ার ক্ষেত্রে সেটি বিবেচনায় এসেছে বলে তারা মনে করেন।

    বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন খলিলুর রহমানের ঘনিষ্ঠ একাধিক সাবেক কূটনীতিক। তারা মনে করেন, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আইনশৃঙ্খলাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। সে সময় বিএনপিও নির্বাচনের দিনক্ষণ চেয়ে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছিল। ফলে এক ধরনের অস্থিরতা চলছিল।

    সেই পটভূমিতে গত বছরের জুন মাসে ওই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডন গিয়ে সে সময় সেখানে নির্বাসনে থাকা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যে বৈঠক থেকে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের ঘোষণা এসেছিল।

    তখন অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে খলিলুর রহমানও লন্ডন গিয়েছিলেন এবং বিএনপি নেতার সঙ্গে বৈঠকে খলিলুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

    সাবেক ওই কূটনীতিকেরা বলছেন, সেই লন্ডন বৈঠকের সময়ই খলিলুর রহমান বিএনপির সঙ্গে তার পুরোনো সম্পর্ক ঝালাই করে আসেন। তখন থেকে তারেক রহমানের সঙ্গে খলিলুর রহমানের কথাবার্তা বা যোগাযোগ ছিল বলে তাদের ধারণা।

    তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০১ সালে নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান তার একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন খলিলুর রহমানকে। সে সময়ই বিএনপির নেতৃত্বের সঙ্গে খলিলুর রহমানের একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

    খলিলুর রহমানের ঘনিষ্ঠ আরেকটি সূত্র বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারে থেকেই খলিলুর রহমান শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিএনপির পক্ষে ভূমিকা রেখেছেন, তিনি এমন একটি ধারণা দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে তৈরি করতে পেরেছিলেন।

    তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

  • শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর

    শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর

    সরকারি কর্মচারীদের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরও শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পান। তবে সেটি শতভাগে উন্নীত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। সাংবাদিকরা জানতে চান, সরকারি চাকরিজীবীরা যেখানে মূল বেতনের সমপরিমাণ উৎসব ভাতা পান, সেখানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কেন একই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। জবাবে মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষকদের উৎসব ভাতার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদেই তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন জমা দিয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব আকারে উপস্থাপন করা হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা ঘুষ-সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে দেখা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    এ ছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত চালুর কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিগগিরই বদলি কার্যক্রম কার্যকর করা সম্ভব হবে।

    যদি সিস্টেমে কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।’
    বেতন বিলম্ব নিয়ে তিনি আরো জানান, ‘যদি কোনো মাসে বেতন প্রদানে দেরি হয়, বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং তা দ্রুত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ কারণে বিলম্ব হলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।’

  • এবার ঈদের ছুটি বাড়তে পারে যতো দিন

    এবার ঈদের ছুটি বাড়তে পারে যতো দিন

    সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, ঈদে যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঈদের ছুটি তিন দিনের বেশি বাড়ানো হতে পারে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, “ছুটি ছোট হয়ে গেলে চাপ নেওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে গত বছরের ছুটির প্রক্রিয়া অনুসরণ করব আমরা। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে সেটা ঠিক করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আশা করছি আপনাদের নিরাপদে বাড়ি পাঠাতে আমরা সক্ষম হব। তবে ছুটির ব্যাপারটা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।”

  • ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন হাই কমিশনার!

    ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন হাই কমিশনার!

    বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা সেবা দ্রুতই পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। বুধবার বিকেলে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানান যে ভিসা প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে নিতে বর্তমানে জোরদার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    অনিরুদ্ধ দাস স্পষ্ট করেন যে বর্তমানে কেবল মেডিক্যাল ও ডাবল এন্ট্রি ভিসা চালু থাকলেও পর্যটনসহ অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসাগুলো সাময়িকভাবে সীমিত রয়েছে। তবে জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং দুই দেশের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে খুব শীঘ্রই সব ধরনের ভিসা ক্যাটাগরি পুনরায় সচল করা হবে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভিসা নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কাটাতে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন যে ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দুই দেশের সাধারণ মানুষই এই দীর্ঘমেয়াদী ও ইতিবাচক সম্পর্কের মূল কারিগর। আমাদের অভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যই দুই দেশের মানুষকে আগামীতে আরও শক্তিশালী বন্ধনে আবদ্ধ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • ফ্যামিলি কার্ডে মিলবে নগদ টাকা! পাবেন যারা

    ফ্যামিলি কার্ডে মিলবে নগদ টাকা! পাবেন যারা

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে ৫ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই যুগান্তকারী পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।

    বৈঠক শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান যে এই কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি সুফলভোগীদের হাতে নগদ টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে হতদরিদ্র এবং নারীদের এই কার্ড প্রাপ্তিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু নিশ্চিত করেছেন যে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছানুযায়ী অন্তত পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ঈদের আগেই এই কার্যক্রমের শুভ সূচনা হবে। পর্যায়ক্রমে হতদরিদ্র থেকে শুরু করে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এই কার্ডের আওতায় আসবে। এ সময় কৃষিমিন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে নগদ টাকা দেওয়া হবে।

    একই সভায় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন দেশের সাম্প্রতিক ‘মব কালচার’ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়ে বলেন যে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে চাকরিচ্যুত করতে হলে অবশ্যই প্রচলিত বিধি অনুসরণ করতে হবে। বেআইনিভাবে বা জোরপূর্বক কাউকে কর্মস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া বরদাশত করা হবে না। বাসস-এ ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি ন্যায়বিচার ও নিয়মতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • রমজানে অ্যাসিডিটি সমস্যা দূর করতে যা খাবেন

    রমজানে অ্যাসিডিটি সমস্যা দূর করতে যা খাবেন

    রোজায় অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন। বিশেষ করে যারা খাবারের বিষয়ে খুব একটা সচেতন নন, তাদের মধ্যেই এ সমস্যার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার পর হঠাৎ ভারী ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি, জ্বালাপোড়া ও গ্যাসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তাই রোজায় অ্যাসিডিটিসহ আরও অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে দূরে থাকতে চাইলে আপনাকে সবার আগে ইফতার ও সাহরির খাবারের দিকে মনোযোগী হতে হবে।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, রমজানে অ্যাসিডিটি সমস্যা দূর করতে যা খাবেন—

    দুধ: দুধ হচ্ছে শক্তিশালী উপাদান। আর রোজায় অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে দ্রুত দূর করতে পারে দুধ। সে জন্য এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ একটি কার্যকরী প্রতিকার হতে পারে। আর দুধে রয়েছে পেটের অ্যাসিডকে নিউট্রাল করার ক্ষমতা। এটিই এর কার্যকারিতার মূল চাবিকাঠি। কারণ দুধ ক্যালসিয়াম কার্বনেট, একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড এবং অতিরিক্ত পেটের অ্যাসিডের উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে।

    ঠান্ডা দুধ পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড কার্যকরভাবে শোষণ করে এবং জ্বালাপোড়া আস্তরণের ওপর প্রশান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে, যা অ্যাসিডিটির বদলে প্রশান্তি এনে দেয়। তবে আপনার যদি ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স থাকে তাহলে দুধ না খাওয়াই ভালো।

    কল : প্রাকৃতিকভাবে ক্ষারীয় ও পাকস্থলীর অ্যাসিডকে নিউট্রাল করতে সাহায্য করতে পারে কলা। কারণ এতে পটাসিয়াম ও প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড রয়েছে, যা পেটের আস্তরণকে আবৃত করতে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটির জ্বালাপোড়া কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে কলা শ্লেষ্মা উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে এবং পেটের আস্তরণকে অ্যাসিডের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

    এ ছাড়া তীব্র গ্যাস ও অ্যাসিডিটির জন্য ঘরোয়া প্রতিকার হিসাবে কলা রাখুন। প্রতিদিন সেহরি কিংবা ইফতারে একটি পাকা কলা খাওয়ার চেষ্টা করুন। এটি আপনি শুধু এমনিতেই খেতে পারেন, আবার কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। রমজানে আপনার খাদ্যতালিকায় এ সহজ সংযোজনটি প্রাকৃতিকভাবে পাকস্থলীর অ্যাসিডের মাত্রা ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং স্বাস্থ্যকর হজম বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

    ডাবের পানি: রোজায় যদি আপনি অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে ডাবের পানি পান করুন। আর ইফতারে বাইরে থেকে কেনা ইন্সট্যান্ট শরবতের বদলে বেছে নিন প্রাকৃতিক এ পানীয়টি। কারণ অ্যাসিডিটি নিরাময়ে ডাবের পানি বিশেষভাবে কার্যকরী। ডাবের পানি খেলে পেটে জমে থাকা গ্যাসের সমস্যা দূর হয় সহজেই। এই পানি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। সেই সঙ্গে ডাবের পানিতে থাকে উপকারী মিনারেলসও।

    প্রতিদিন ইফতারে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত জুস বা কেমিকেলযুক্ত শরবতের বদলে খেতে পারেন ডাবের পানি। এতে রমজানে আপনাকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতেও কাজ করবে ডাবের পানি। সেই সঙ্গে দূর হবে অ্যাসিডিটির মতো সমস্যাও।

  • রোজা রেখে সহবাস করা যাবে?

    রোজা রেখে সহবাস করা যাবে?

    সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান শুরু হয়েছে। এটি আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসে দিনের বেলা সব ধরনের পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। এমনকি স্ত্রী সহবাসও নিষেধ করা হয়েছে।

    কিন্তু অনেকে প্রশ্ন করেন যে, রমজানে রাতের বেলা স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক করা জায়েজ আছে কি না? কেউ রমজানে স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করলে কি রোজার অসুবিধা হবে?

    এ বিষয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেছেন, ‘সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের জন্য পরিচ্ছদ।

    আল্লাহ জেনেছেন যে, তোমরা নিজদের সঙ্গে খিয়ানত করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের তাওবা কবুল করেছেন এবং তোমাদের ক্ষমা করেছেন। অতএব, এখন তোমরা তাদের সাথে মিলিত হও এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা অনুসন্ধান করো।’

    আল্লাহ তায়ালা উক্ত আয়াতে রমজান মাসে ইফতারির পর থেকে শুরু করে সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস হালাল করেছেন। তবে রমজানে সহবাসের ক্ষেত্রে অবশ্যই সাবধান হতে হবে।

    কেননা, রমজান মাসে দিনের বেলা রোজা অবস্থায় যদি কেউ সহবাসে লিপ্ত হয় তাহলে তার ওপর নিম্নে উল্লিখিত বিষয়গুলো বর্তাবে। সেগুলো হলো-

    এক. সে গুনাহগার হবে

    দুই. তার সেদিনের রোজা নষ্ট হয়ে যাবে

    তিন. সেদিনের বাকি অংশ পানাহার ও যৌনমিলন থেকে বিরত থাকতে হবে

    চার. সেদিনের রোজার কাজা করা ওয়াজিব হবে।

    স্ত্রী সহবাসের দোয়া

    কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের ইচ্ছে করলে, নিম্নোক্ত দোয়া পড়া জন্য সুন্নত।

    দোয়াটির বাংলা উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়ত্বানা, ওয়া জান্নিবিশ শায়ত্বানা মা রাজাক্বতানা।

    অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তোমার নামে আরম্ভ করছি। তুমি আমাদের নিকট হতে শয়তানকে দূরে রাখ। আমাদের যে সন্তান দান করবে (এ মিলনের ফলে)- তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখো।’

    ফরজ গোসলের আগে সাহরি খাওয়া যাবে কি?

    কোনো ব্যাক্তির ওপর যদি গোসল ফরজ হয়, আর সে গোসল করা ছাড়া সাহরি খায়; তাহলে তার রোজার কোনো সমস্যা হবে না। আল্লাহর রাসুল (সা.) জুনুবি (গোসল ফরজ) অবস্থায় সাহরি গ্রহণ করেছেন বলে একাধিক হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এছাড়া এটাও প্রমাণিত যে, সাহরি খাওয়ার আগে তিনি অজু করে নিতেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে— গোসল ফরজ অবস্থায় সেহরি খেলে ফজর নামাজের আগে অবশ্যই গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে নিতে হবে।

    উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদিসে রয়েছে যে, ‘রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ছাড়াই অপবিত্র অবস্থায় (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক অবস্থায়) রাসুল (সা.)-এর ফজর হয়ে যেত। অতঃপর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮২৯; মুসলিম, হাদিস : ১১০৯)

    রাসুল (সা.)-এর অন্য একজন স্ত্রী ও উম্মুল মুমিনিন উম্মে সালামা (রা.) বর্ণনা করেন যে, ‘সহবাসের ফলে নাপাকি অবস্থায় রাসুল (সা.) ফজর করে ফেলতেন। অতঃপর গোসল করে রোজা রাখতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯২৬)

    অতএব, কোনো ব্যক্তি এমন করে থাকলে— তার রোজা হয়ে যাবে, তবে ফজরের নামাজের আগে অবশ্যই তাকে গোসল করে নিতে হবে। নতুবা ফজরের নামাজ কাজা হবে, যেটি কোনোভাবেই জায়েজ নেই।

    আর রোজা রাখা অবস্থায় ফরজ গোসল করার নিয়ম অন্য সময়ের নিয়মের মতোই। তবে রোজা অবস্থায় গোসল করার সময় গড়গড় করে কুলি করা যাবে না। বরং এমনিতেই তিন বার কুলি করবে। এছাড়া নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছাবে না। কারণ, গড়গড় করে কুলি করলে ও নাকের নরম জায়গায় পানি দিলে— কণ্ঠনালিতে পানি চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, আর এতে রোজা ভেঙে যাবে। তাই রোজার মাসে অজু-গোসলের সময় এই দুইটি কাজ করবে না।

  • ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনায় জামানত ছাড়াই ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ঋণ দেবে ব্যাংক। এই ঋণের সুদহার পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা সার্কুলারে পরিবেশবান্ধব খাতে বিদ্যমান ৪০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ফ্ল্যাট কেনায় ঋণের বিষয়টি নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনার ঋণে ১৮ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পাবেন। অর্থাৎ কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে দেড় বছর পর থেকে। ব্যক্তির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ইউনিট সমন্বিত বহুতল বিশিষ্ট পরিবেশবান্ধব আবাসন নির্মাণেও ঋণ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আবাসন কোম্পানি ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। কোম্পানির জন্যও সুদহার, ঋণের মেয়াদ ও গ্রেসপিরিয়ড হবে অভিন্ন।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়, পরিবেশবান্ধব খাতে চুক্তিবদ্ধ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এতদিন চার শতাংশ সুদে তহবিল পেত। এখন পাবে তিন শতাংশ সুদে। ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ সুদে ঋণ দেবে।

    এক্ষেত্রে পাঁচ বছরের কম মেয়াদি ঋণে সর্বোচ্চ সুদ হার হবে পাঁচ শতাংশ, পাঁচ থেকে আট বছরের কম মেয়াদে সাড়ে পাঁচ শতাংশ এবং আট বছরের বেশি মেয়াদে ছয় শতাংশ।

    এছাড়া পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় বনায়ন (সামাজিক, সমন্বিত বা কৃষি), ছাদের কৃষি বা উল্লম্ব চাষ বা বাগান, বায়োফ্লক মাছ চাষ, জৈব চাষ, খাঁচায় মাছ চাষ, কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদনেও ঋণ দেবে ব্যাংকগুলো।

  • সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন যত টাকা বেতন বাড়লো সরকারি চাকরিজীবীদের

    সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন যত টাকা বেতন বাড়লো সরকারি চাকরিজীবীদের

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবারই প্রথম গ্রেড অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে। পিছনের গ্রেডের কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি হারে এ ভাতা পাবেন, আর সামনের গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন কম হারে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী:
    – ১ থেকে ৩য় গ্রেড: মূল বেতনের ১০%।
    – ৪ থেকে ১০ম গ্রেড: মূল বেতনের ২০%।
    – ১১ থেকে ২০ম গ্রেড: মূল বেতনের ২৫%।

    – সর্বনিম্ন বেতন বৃদ্ধি ৪,০০০ টাকা।
    – সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধি ৭,৮০০ টাকা।
    কোনো চাকরিজীবী ৪,০০০ টাকার কম মহার্ঘ ভাতা পাবেন না।

    মহার্ঘ ভাতা কার্যকর হওয়ার পর, আগের সরকারের দেওয়া ৫% বিশেষ প্রণোদনা সুবিধা আর বহাল থাকবে না।

    পেনশনভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এই মহার্ঘ ভাতা পাবেন। ইনক্রিমেন্টের সময় এটি মূল বেতনের সঙ্গে যোগ হবে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্ধিত ভাতার অর্থায়নের জন্য উন্নয়ন বাজেট কমানো হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই এ ভাতা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান নিশ্চিত করেছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট হারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    ২০১৫ সালের পে-স্কেলের পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

    মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণে গঠিত কমিটি জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর আওতায় মহার্ঘ ভাতার প্রযোজ্যতা ও প্রাপ্যতার বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ করেছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্ধিত ভাতার অর্থায়নের জন্য উন্নয়ন বাজেট কমানো হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই এ ভাতা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান নিশ্চিত করেছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট হারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    ২০১৫ সালের পে-স্কেলের পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

    মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণে গঠিত কমিটি জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর আওতায় মহার্ঘ ভাতার প্রযোজ্যতা ও প্রাপ্যতার বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ করেছে।

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    রমজান মাসজুড়ে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনার অনুলিপি পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিঠি জারি করা হতে পারে।

    রমজানে স্কুল বন্ধ রাখা হবে, নাকি এ নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে—তা নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা নির্দেশনার বিষয়ে অবগত থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আগামী সোমবার বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানানো হবে।

    রোববার দুপুরে বিচারপতি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

    রিট আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নোটিশ পাঠানো হয়।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রথা চালু রয়েছে, যা আইন, নীতি ও রীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছু করা যায় না এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদে ‘আইন’ বলতে প্রথা ও রীতিকেও বোঝানো হয়েছে। সে বিবেচনায় রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলা হয়।

    নোটিশে আরও বলা হয়, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে অংশ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হতে পারে, ফলে ধর্মীয় অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি রমজানে বিদ্যালয় খোলা থাকলে শহরাঞ্চলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    নোটিশের জবাব না পাওয়ায় পরবর্তীতে রিট দায়ের করা হয়।