News24x7

  • রোজা রেখে সহবাস করা যাবে?

    রোজা রেখে সহবাস করা যাবে?

    সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান শুরু হয়েছে। এটি আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসে দিনের বেলা সব ধরনের পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। এমনকি স্ত্রী সহবাসও নিষেধ করা হয়েছে।

    কিন্তু অনেকে প্রশ্ন করেন যে, রমজানে রাতের বেলা স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক করা জায়েজ আছে কি না? কেউ রমজানে স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করলে কি রোজার অসুবিধা হবে?

    এ বিষয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেছেন, ‘সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের জন্য পরিচ্ছদ।

    আল্লাহ জেনেছেন যে, তোমরা নিজদের সঙ্গে খিয়ানত করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের তাওবা কবুল করেছেন এবং তোমাদের ক্ষমা করেছেন। অতএব, এখন তোমরা তাদের সাথে মিলিত হও এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা অনুসন্ধান করো।’

    আল্লাহ তায়ালা উক্ত আয়াতে রমজান মাসে ইফতারির পর থেকে শুরু করে সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস হালাল করেছেন। তবে রমজানে সহবাসের ক্ষেত্রে অবশ্যই সাবধান হতে হবে।

    কেননা, রমজান মাসে দিনের বেলা রোজা অবস্থায় যদি কেউ সহবাসে লিপ্ত হয় তাহলে তার ওপর নিম্নে উল্লিখিত বিষয়গুলো বর্তাবে। সেগুলো হলো-

    এক. সে গুনাহগার হবে

    দুই. তার সেদিনের রোজা নষ্ট হয়ে যাবে

    তিন. সেদিনের বাকি অংশ পানাহার ও যৌনমিলন থেকে বিরত থাকতে হবে

    চার. সেদিনের রোজার কাজা করা ওয়াজিব হবে।

    স্ত্রী সহবাসের দোয়া

    কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের ইচ্ছে করলে, নিম্নোক্ত দোয়া পড়া জন্য সুন্নত।

    দোয়াটির বাংলা উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়ত্বানা, ওয়া জান্নিবিশ শায়ত্বানা মা রাজাক্বতানা।

    অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তোমার নামে আরম্ভ করছি। তুমি আমাদের নিকট হতে শয়তানকে দূরে রাখ। আমাদের যে সন্তান দান করবে (এ মিলনের ফলে)- তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখো।’

    ফরজ গোসলের আগে সাহরি খাওয়া যাবে কি?

    কোনো ব্যাক্তির ওপর যদি গোসল ফরজ হয়, আর সে গোসল করা ছাড়া সাহরি খায়; তাহলে তার রোজার কোনো সমস্যা হবে না। আল্লাহর রাসুল (সা.) জুনুবি (গোসল ফরজ) অবস্থায় সাহরি গ্রহণ করেছেন বলে একাধিক হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এছাড়া এটাও প্রমাণিত যে, সাহরি খাওয়ার আগে তিনি অজু করে নিতেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে— গোসল ফরজ অবস্থায় সেহরি খেলে ফজর নামাজের আগে অবশ্যই গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে নিতে হবে।

    উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদিসে রয়েছে যে, ‘রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ছাড়াই অপবিত্র অবস্থায় (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক অবস্থায়) রাসুল (সা.)-এর ফজর হয়ে যেত। অতঃপর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮২৯; মুসলিম, হাদিস : ১১০৯)

    রাসুল (সা.)-এর অন্য একজন স্ত্রী ও উম্মুল মুমিনিন উম্মে সালামা (রা.) বর্ণনা করেন যে, ‘সহবাসের ফলে নাপাকি অবস্থায় রাসুল (সা.) ফজর করে ফেলতেন। অতঃপর গোসল করে রোজা রাখতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯২৬)

    অতএব, কোনো ব্যক্তি এমন করে থাকলে— তার রোজা হয়ে যাবে, তবে ফজরের নামাজের আগে অবশ্যই তাকে গোসল করে নিতে হবে। নতুবা ফজরের নামাজ কাজা হবে, যেটি কোনোভাবেই জায়েজ নেই।

    আর রোজা রাখা অবস্থায় ফরজ গোসল করার নিয়ম অন্য সময়ের নিয়মের মতোই। তবে রোজা অবস্থায় গোসল করার সময় গড়গড় করে কুলি করা যাবে না। বরং এমনিতেই তিন বার কুলি করবে। এছাড়া নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছাবে না। কারণ, গড়গড় করে কুলি করলে ও নাকের নরম জায়গায় পানি দিলে— কণ্ঠনালিতে পানি চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, আর এতে রোজা ভেঙে যাবে। তাই রোজার মাসে অজু-গোসলের সময় এই দুইটি কাজ করবে না।

  • জানেন এবার হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম যত হলো?

    জানেন এবার হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম যত হলো?

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা এবং সাময়িক সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার প্রভাবে বৈশ্বিক তেলের বাজারে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ফিউচার ২৪ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭০.৫৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২৮ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৫.৪৭ ডলারে লেনদেন হয়।

    পরে ডব্লিউটিআইয়ের দাম আরও বেড়ে ১.১৬ ডলার বা ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৬.৩৫ ডলারে দাঁড়ায়।

    বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ প্রভাবিত হতে পারে, যা বাজারে অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

    নিসান সিকিউরিটিজের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, উত্তেজনা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ সশস্ত্র সংঘাতের সম্ভাবনা কম। তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অপরিশোধিত তেলের দামে তীব্র বৃদ্ধি চান না। সামরিক পদক্ষেপ হলেও তা সীমিত ও স্বল্পমেয়াদি হতে পারে।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটি মঙ্গলবার সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে কয়েক ঘণ্টার জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছিল। জলপথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • জামানত ছাড়াই ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন, কিস্তি মাত্র ২,০৭৬ টাকা!

    জামানত ছাড়াই ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন, কিস্তি মাত্র ২,০৭৬ টাকা!

    বাংলাদেশ সরকারের নেয়া গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো—বেকারদের জন্য সহজ শর্তে জামানতবিহীন লোন প্রদান। এই প্রকল্পটি দেশের বেকার সমস্যা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    বাংলাদেশ কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে এই লোন প্রদান করা হচ্ছে। এই লোন পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বিদেশি নাগরিকরা এই সুবিধার আওতায় পড়েন না।

    কে কে এই লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন?
    বয়স হতে হবে কমপক্ষে ১৮ বছর
    হতে হবে বেকার বা অর্ধবেকার (অর্থাৎ, চাকরি করেন না, তবে টুকটাক আয় করেন এমন)
    আপনি বা আপনার জামিনদারকে লোন গ্রহণকারী শাখার এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
    লোনের পরিমাণ, মেয়াদ ও সুদের হার
    সর্বোচ্চ লোন পরিমাণ: ২ লক্ষ টাকা
    মাসিক কিস্তি (উদাহরণ): ২,০৭৬ টাকা (২ লক্ষ টাকা, ১০ বছরের মেয়াদ ধরে)
    সুদের হার: সাধারণত সিঙ্গেল ডিজিট, অর্থাৎ ৯% এর কম (লোনের পরিমাণ ও মেয়াদের ওপর নির্ভরশীল)
    কোন ব্যবসার জন্য লোন নেবেন?
    যেহেতু এটি একটি উদ্যোক্তা লোন, তাই আপনাকে অবশ্যই কোনো ব্যবসার উদ্দেশ্যে লোনটি নিতে হবে। ব্যাংকের ওয়েবসাইটে অনুমোদিত ব্যবসার তালিকা রয়েছে, যেমন:

    কৃষি
    হস্তশিল্প
    ক্ষুদ্র ব্যবসা
    অনলাইন ভিত্তিক উদ্যোগ ইত্যাদি
    শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে?
    এই লোন পেতে উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা আবশ্যক নয়। আপনি যদি সাধারণভাবে ডকুমেন্ট পড়ে বুঝে সিগনেচার করতে পারেন, তাহলেই যথেষ্ট।

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
    জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
    ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
    ঠিকানা প্রমাণ (ভোটার আইডির ঠিকানা যথেষ্ট)
    ব্যবসার সংক্ষিপ্ত পরিকল্পনা
    জামিনদারের তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়)
    আবেদনের পদ্ধতি
    ১. নিকটস্থ বাংলাদেশ কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করুন
    ২. আবেদন ফর্ম পূরণ করুন
    ৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে জমা দিন
    ৪. যাচাই-বাছাই শেষে লোন অনুমোদন হলে টাকা ট্রান্সফার করা হবে

    কে কে এই লোন পাবেন না?
    বিদেশি নাগরিকরা
    লোন ডিফল্টাররা (যারা পূর্বে অন্য ব্যাংকে লোন নিয়ে ফেরত দেননি)
    বিশেষ পরামর্শ
    নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করুন, ভবিষ্যতে আরও বড় লোন পেতে সুবিধা হবে
    ডিফল্ট বা দেরি করলে জরিমানাসহ লোন বাতিল হতে পারে
    হয়রানির শিকার হলে ৯৯৯-এ ফোন করে অভিযোগ করতে পারেন
    এই লোন প্রকল্পের মাধ্যমে হাজারো বেকার তরুণ-তরুণী আত্মকর্মসংস্থানে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারছেন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক।

  • ফের সংশোধন: সাপ্তাহিক ছাড়াও বছরে ছুটি দাঁড়ালো যতদিনে

    ফের সংশোধন: সাপ্তাহিক ছাড়াও বছরে ছুটি দাঁড়ালো যতদিনে

    চলতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার ও শনিবার) বাদ দিয়ে বছরে মোট ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৭ দিন।

    সবচেয়ে দীর্ঘ ছুটি রাখা হয়েছে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে। এই ছুটি আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৬ দিন চলবে।

    বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সংশোধিত ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রেবেকা সুলতানার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, শিক্ষাবর্ষ ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন ও পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ করতে বছরের শুরুতেই এই ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    শিক্ষাপঞ্জি ও পরীক্ষার সময়সূচি

    প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন: ৫ মে-১৭ মে

    দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন: ১৭ আগস্ট-৩০ আগস্ট

    তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন: ১ ডিসেম্বর-১০ ডিসেম্বর

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা: ২০-২৩ ডিসেম্বর

    শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর

    দীর্ঘকালীন ছুটি

    পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস: ১৯ ফেব্রুয়ারি-২৬ মার্চ (২৬ দিন)

    পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ: ২৪ মে-৪ জুন (১০ দিন)

    দুর্গাপূজা: ১৮ অক্টোবর-২২ অক্টোবর (৫ দিন)

    যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন ও শীতকালীন অবকাশ: ২০-২৯ ডিসেম্বর (৮ দিন)

    অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ছুটি

    মাঘী পূর্ণিমা (১ ফেব্রুয়ারি), শবে বরাত (৪ ফেব্রুয়ারি), শিবরাত্রি ব্রত (১৫ ফেব্রুয়ারি), ইস্টার সানডে (৫ এপ্রিল), বৈসাবি উৎসব (১২ এপ্রিল), চৈত্র সংক্রান্তি (১৩ এপ্রিল), বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল), আষাঢ়ী পূর্ণিমা (২৯ জুলাই), জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস (৫ আগস্ট), আখেরি চাহার সোম্বা (১২ আগস্ট), ঈদে মিলাদুন্নবী (২৬ আগস্ট), ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম (২৪ সেপ্টেম্বর), শ্যামাপূজা (২৫ অক্টোবর) এবং বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর)।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন বা সংবর্ধনার জন্য বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না। সংবর্ধিত ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানোও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে ভর্তি কার্যক্রম বা অন্যান্য পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটির দিনেও বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে।

    এছাড়া ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর ও বাংলা নববর্ষ এই জাতীয় দিবসগুলো সব বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ফির বোঝা কমাতে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই নীতিমালায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় ‘পুনঃভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে অবশ্যই ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত টিউশন ফির বাইরে নতুন কোনো অজুহাতে বা খাত তৈরি করে বাড়তি অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি, দান বা অনুদান সরাসরি ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হলেও তা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং হিসাব খাতের কোনো পরিবর্তন বা নতুন খাত সংযোজন করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও আর্থিক অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী সদস্য শপথ নিয়েছেন। বিএনপির সংসদীয় দল দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। বিকালেই নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করবেন তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবন সংসদ সদস্যের শপথের আনুষ্ঠানিকতার পর বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

    এদিকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সিলেটের সাবেক মেয়র আরিফুল হক, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, জহির উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এহসানুল হক মিলন, শরীফুল আলম, মীর শাহে আলম। তারা ইতোমধ্যে ফোন পেয়েছেন।

    এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন, টেকনোক্র্যাট কোটায় আরও ফোন পেয়েছেন হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

    তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জাকারিয়া তাহের (সুমন), এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ফরহাদ হোসেন আজাদ।

    বিএনপির জোট থেকে জোনায়েদ সাকী ও নুরুল হক নুর মন্ত্রিপরিষদে স্থান পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    আরও অনেকেই ডাক পেয়েছেন। তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিপরিষদ ৫০ সদস্যের হতে পারে।

    সংসদীয় দলের সভায় বিএনপির এমপিরা কেউ ডিউটি ফ্রি গাড়ি নেবেন না, সরকারিভাবে কোনো প্লট নেবেন না এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • হঠাৎ ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য বড় দুঃ’সংবাদ!

    হঠাৎ ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য বড় দুঃ’সংবাদ!

    জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্বব্যাপী বাড়ছে বায়ুদূষণ। প্রতিদিনই একটু একটু করে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে মেগাসিটিগুলো। আর এ তালিকায় সামনের দিকের এক নাম ঢাকা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বায়ুমান উদ্বেগ ছড়াচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরেই। মাঝে একটু নিয়ন্ত্রণে এলেও শহরটিতে আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে বায়ুদূষণ।

    এই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ‘বিপর্যয়কর’ অবস্থায় চলে গেছে ঢাকার বাতাস। এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহরটির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর দেখা গেছে ৩২২।

    একই সময়ে ঢাকা থেকে বায়ুদূষণে ওপরে ছিল শুধুমাত্র পাকিস্তানের লাহোর। বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে অবস্থান করা শহরটির স্কোর ৪০৪।

    এদিকে, তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের কলকাতার একিউআই স্কোর ২১২। তালিকার চতুর্থ স্থানে আছে ভারতেরই আরেক শহর দিল্লি; বায়ুমান স্কোর ২০৮। এছাড়া, ১৬৯ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কাতারের দোহার। স্কোরের বিচারে এই তিন শহরের বায়ুমান খুব অস্বাস্থ্যকর।

    একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

    আর একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে সেটাকে মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

    ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

    ঢাকার বর্তমান একিউআই স্কোর ৩২২ হওয়ায় নগরবাসীর জন্য তা চরম অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ভোরে যারা প্রাতঃভ্রমণে বের হন অথবা কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য রাস্তায় নামেন, তাঁদের শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে বিষাক্ত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা ফুসফুসে প্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

    পরিবেশবিদরা বলছেন, শুষ্ক মৌসুমে নির্মাণকাজের ধুলোবালি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া এবং চারপাশের ইটভাটার দূষণ ঢাকার বাতাসকে এমন বিষাক্ত করে তুলছে। বর্তমানের এই ‘বিপর্যয়কর’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়ির বাইরে মাস্ক ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। শহরের বায়ুমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে সামনের দিনগুলোতে দূষণের এই রেকর্ড আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • শো’ক সংবাদ: মা’রা গেলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী!

    শো’ক সংবাদ: মা’রা গেলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী!

    না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন কন্নড় টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির পরিচিত মুখ অভিনেত্রী রশ্মি লীলা। ফুসফুসজনিত জটিলতায় বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তার। জানা গেছে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৭ বছর। এ তথ্য জানিয়েছেন অভিনেত্রীর স্বামী সারক্কি মঞ্জু।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিনেত্রীর স্বামী সারক্কি লিখেছেন, রশ্মি শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে। জীবনের প্রতি তার ভালোবাসা এবং আমাদের প্রতি অগাধ টান ছিল তার। কিন্তু ঈশ্বরের ইচ্ছার কাছে পরাজিত আমরা।

    গত সাত বছর ধরে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগছিলেন অভিনেত্রী রশ্মি। ধীরে ধীরে সেটি জটিল আকার ধারণ করে। একসময় পালমোনারি ফাইব্রোসিসে রূপ নেয়। এটি এমনই গুরুতর রোগ, যা ফুসফুসের টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং শ্বাসপ্রশ্বাসকে কষ্টকর করে তোলে।

    চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে―এ অবস্থায় ফুসফুস ধীরে ধীরে শক্ত হয় এবং শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। গত এক বছর ধরে প্রতিদিন অক্সিজেন সিলিন্ডারের সাহায্যে বেঁচে ছিলেন রশ্মি।

    চিকিৎসা খরচ ক্রমশ বেড়ে যাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়েছিল তার পরিবার। এ অবস্থায় কন্নড় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীরা এগিয়ে আসেন। অনেকেই আর্থিক সহায়তা করেছেন। প্রায় ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। এতে পরিবার নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। অস্ত্রোপচারের পর জটিলতা দেখা দেয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন।

  • ৩ সিটি দিয়ে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

    ৩ সিটি দিয়ে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

    মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করতে চাইছে ইসি। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই তিন সিটি নির্বাচন শেষে পর্যায়ক্রমে বাকি ৯ সিটি করপোরেশন এবং পাশাপাশি জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর মেয়র, চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদের পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০ পৌরসভা, ৪৯৭ উপজেলা পরিষদ এবং ৬৪টি জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে।

    বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তবে আদালতের আদেশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহাদাত হোসেন।

    ইসি সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আলোচনা উঠেছিল। সে সময় তিন বড় সিটি করপোরেশন ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে চিঠি দেওয়া হয় ইসিকে।

    পরে অবশ্য বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আপত্তির কারণে সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে সম্মতি দেয়নি সরকার।

    আইন অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২০ সালের ২ জুন। সেই হিসাবে গত বছরের ১ জুন এই সিটির পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয়েছিল ২০২০ সালের ৩ জুন। এই সিটির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ২ জুন।

    এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। আইন অনুযায়ী, এই সিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি। এই তিন সিটিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি সবচেয়ে জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছে ইসি।

    এ কারণে প্রথম দফায় সিটিগুলোতেই নির্বাচন আয়োজন করতে চাইছে তারা।

    ইসি সূত্র জানায়, চিঠি পাওয়ার পর কমিশন দ্রুত ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, প্রার্থী যাচাই-বাছাই এবং নির্বাচনি কর্মকর্তা নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। চট্টগ্রাম সিটির জন্য সময় খুবই সীমিত থাকায় সেখানে আলাদা জরুরি পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে।

    ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের মূল দায়িত্বই হচ্ছে নির্বাচন আয়োজন। সবসময়ই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় তাদের। সরকারের নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো আয়োজনের পথে এগোবেন তারা।

    এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ঈদের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করা হবে।

  • সংসদে গেলেও যা করতে পারবেন না টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা

    সংসদে গেলেও যা করতে পারবেন না টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা

    ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে দুজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী এবং একজন টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন। তারা নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন বরং পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষজ্ঞ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

    সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন খলিলুর রহমান। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে। আর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে আমিনুল হককে।

    সংবিধান অনুযায়ী টেকনোক্র্যাট বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হননি, কিন্তু সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য এবং বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রিসভায় নিয়োগ পান।

    বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। তবে শর্ত হলো—মোট মন্ত্রীর কমপক্ষে নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে হতে হবে এবং সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নেওয়া যাবে। এই অংশটিই টেকনোক্র্যাট কোটার ভিত্তি।

    সংসদে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়েছে সংবিধানের ৭৩ক অনুচ্ছেদে। এতে বলা আছে, কোনো মন্ত্রী সংসদ সদস্য না হলেও সংসদে বক্তব্য দিতে এবং কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন। তবে তিনি ভোট দিতে পারবেন না।

    এছাড়া টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের জন্য আরও একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে—তারা কেবল নিজ নিজ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিষয়ে বক্তব্য রাখতে পারবেন। অন্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তাদের নেই।

    ফলে মন্ত্রিসভার সদস্য হলেও সংসদীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং সব বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা।