News24x7

  • তেলের দাম লিটারে কমল প্রায় ১৫ টাকা

    তেলের দাম লিটারে কমল প্রায় ১৫ টাকা

    বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৪ টাকা ৯০ পয়সা কমিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রাত ১২টা থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য গ্রাহকের কাছে প্রতি লিটার ফার্নেস তেল ৭১ টাকা ১০ পয়সা দরে বিক্রি করবে। এর আগে এই তেলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৮৬ টাকা।

    রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর ঘোষণা করা হয়।

    ফার্নেস অয়েল (এইচএফও)-এর মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের লক্ষ্যে বিপিসি চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি কমিশনে প্রস্তাব জমা দেয়। এ প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মেঘনা পেট্রোলিয়াম, স্টান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল, যমুনা অয়েল কোম্পানি এবং পদ্মা অয়েল কোম্পানি ফার্নেস তেলের বিপণন চার্জ ও সমন্বিত পরিবহন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব কমিশনে জমা দেয়। এসব প্রস্তাবের ওপর গত ২৯ জানুয়ারি কমিশন গণশুনানি আয়োজন করে।

    বিইআরসি জানায়, বিস্তারিত পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে বিপিসির ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য হার, ফার্নেস অয়েল বিপণনে তেল বিপণন কম্পানিগুলোর চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন চার্জ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিইআরসি আরো জানায়, ফার্নেস অয়েল বিপণনে পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা অয়েল এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েলের বিপণন চার্জ প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ৭১ টাকা এবং সমন্বিত পরিবহন চার্জ প্রতি লিটার ১ দশমিক ২০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • নতুন গভর্নর কে এই মোস্তাকুর রহমান?

    নতুন গভর্নর কে এই মোস্তাকুর রহমান?

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মো. মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    জানা গেছে, মোস্তাকুর রহমান তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কর্পোরেট অর্থায়ন, শিল্প ব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন বিষয়ে বিশেষ দক্ষ। বর্তমানে হেরা সোয়েটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত এই ব্যক্তিত্ব ব্যাংকিং খাত এবং রপ্তানি অর্থনীতি সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

    নতুন গভর্নর বিজিএমইএ’র বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ছিলেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের বোর্ড সদস্য। এছাড়া তিনি ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই), রিহ্যাব, এবং আটাব-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য। এছাড়া তিনি ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) একজন ফেলো মেম্বার।

    মোস্তাকুর রহমানের আর্থিক ব্যবস্থার সুশাসন, ব্যাংকিং ও শিল্প অর্থায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ঝুঁকি তদারকিতে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। রপ্তানি ও মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থাপনায় তিনি অভিজ্ঞ। এছাড়া করপোরেট এবং রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

    মোস্তাকুর রহমান ১৯৬৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (অনার্স) এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও ১৯৯২ সালে তিনি আইসিএমএবি থেকে পেশাদার ডিগ্রি অর্জন করেন।

  • যে ৬ শ্রেণির মানুষ ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না

    যে ৬ শ্রেণির মানুষ ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না

    সরকার আগামী ১০ মার্চ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে। বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নেওয়া এ উদ্যোগের প্রথম ধাপে দেশের ১৪টি উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে কার্ড বিতরণ করা হবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

    তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই সুবিধা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে না। নির্ধারিত নীতিমালায় ছয় ধরনের পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক ও পেশাগত মানদণ্ড বিবেচনায় এনে সুবিধাভোগী বাছাই করা হবে।

    নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব পরিবারে কেউ সরকারি পেনশন পান, যাদের বাসায় এসি ব্যবহার করা হয়, ব্যক্তিগত গাড়ি বা বিলাসবহুল সম্পদ রয়েছে, পরিবারের সদস্য সরকারি চাকরিতে কর্মরত, বাণিজ্যিক লাইসেন্স রয়েছে বা বড় পরিসরে ব্যবসা পরিচালনা করেন—তারা এই কর্মসূচির সুবিধা পাবেন না।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ শিরোনামে নীতিমালাটি প্রণয়ন করেছে। এর মূল দর্শন নির্ধারণ করা হয়েছে, ব্যক্তি নয় বরং পরিবারকে উন্নয়নের কেন্দ্রীয় একক হিসেবে বিবেচনা করা। খুব শিগগিরই এটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হবে বলে জানা গেছে। নির্ধারিত তারিখে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

  • ফরজ গোসল না করে সেহরি খেলে রোজা হবে কি?

    ফরজ গোসল না করে সেহরি খেলে রোজা হবে কি?

    সেহরি খেয়ে রোজা রাখা সুন্নত। হাদিসের ভাষায়, সেহরিতে রয়েছে অসংখ্য বরকত ও কল্যাণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত রয়েছে।’ (সহিহ মুসলিম)

    রমজান মাসে অনেকেরই এমন পরিস্থিতি হয়—সহবাস বা স্বপ্নদোষের কারণে গোসল ফরজ হয়েছে, কিন্তু সেহরির সময় খুব কম, বা ঘুম থেকে দেরিতে ওঠার কারণে তখনই গোসল করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন আসে: গোসল না করে সেহরি খেলে কি রোজা হবে?

    গোসল ফরজ হওয়ার কারণ

    সুনির্দিষ্ট চার কারণের যে কোনে একটি সংঘটিত হলেই গোসল ফরজ হয়। তাহলো-

    ১. জানাবাত থেকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা হওয়ার গোসল। এটি নারী-পুরুষের যৌন মিলন, স্বপ্নদোষ বা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাত হলে। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন-

    وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ

    ‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৬)

    ২. মাসিক বন্ধ হওয়ার পর নারীদের পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করা ফরজ।

    ৩. সন্তান প্রসবের পর নেফাসের রক্ত বন্ধ হলে পবিত্র হওয়ার জন্য নারীদের গোসল করা ফরজ।

    ৪. আর জীবতদের জন্য মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া ফরজ।

    রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র জীবন থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রমজান মাসে সহবাসের ফলে ফরজ গোসল অবস্থায় রাসুল (সা.) সুবহে সাদিক অতিবাহিত করতেন। এরপর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। (সহিহ বুখারি: ১৮২৯)

    উম্মুল মুমিনিন হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে যে গোসল ফরজ অবস্থায় আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং রোজা পালন করতেন। (সহিহ বুখারি: ১৯২৬)

    সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। এক্ষেত্রে তীব্র লজ্জা কিংবা গোসলের পরিবেশ নাই মনে করা শরিয়তসম্মত ওজর নয়। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/১৫১)

    عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” مَنْ فَاتَتْهُ الصَّلَاةُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ
    .أَهْلَهُ وَمَالَهُ

    হজরত নওফেল বিন মুআবিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ বলেছেন, যার নামাজ কাজা হয়ে গেল, যেন তার পরিবার ও সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল।

    (মুসনাদে আহমাদ : ২৩৬৪২)

  • মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    মি’লনের পর যা করলে পু’নরায় মি’লন করার শ’ক্তি পাবেন, অনেকেই জানেন না

    স”হবা”সের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহবাসে কিছু শক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়।

    অন্যথায় স”হবা”স করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়।

    পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়। অত্যধিক মৈ”থুনের জন্য হজমশক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়।

    প্রত্যেক মানুষের কিছু গোপন ইচ্ছা, চাওয়া – পাওয়া থাকে। তবে এগুলো অনেকে প্রকাশ করে আবার অনেকেই প্রকাশ করে না। বিশেষ করে মেয়েরা । কিছু কিছু জিনিস আছে, যেগুলো একজন নারী সবার অগোচরে চাহিদা করেন কিন্তু মুখে সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলেন।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক নারীদের এমন ১০টি গোপন আকাঙ্ক্ষা কথা যা মনে মনে খুব চান কিন্তু কাউকে তা জানতে দেন না:

    ১) প্রত্যেক মেয়েই চায় তার স্বামী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হোক। লক্ষ্য করলে দেখবেন অনেকে প্রেম করে কিন্তু বিয়ে করার কথা বললে প্রেমিকাকে বলে আগে একটা ভালো চাকরি কর তরাপর। অধিকাংশ নরীদের চাওয়া এটাই।

    ২) ছেলেদের থেকে মেয়েরা সব সময় একটা সাজালো গোছালো সংসার চায়। যা সম্ভব শুধু ছোট পরিবারে, বড় পরিবারে ও সম্ভব তবে কষ্টকর। এ কারণে অধিকাংশ মেয়েরা চায় একক পরিবার , যৌথ পরিবার আদৌ বর্তমান মেয়েরা পছন্দ করে না।

    ৩) বাহ্যিকভাবে একটা মেয়েকে ভালো ভাবে চেনা যায় না।প্রত্যেক নারী নিজেকে তার বন্ধুদের মাঝে আকর্ষণীয় এবং যৌবনময়ী হয়ে উঠতে চায় কিন্তু এই বিষযটা সে প্রকাশ করে না। মনে মনে রাখে।

    ৪) প্রত্যেক নারী চায় সে ফর্সা হতে। সে ফর্সা থাকুক আর না থাকুক ফর্সা হওয়ার চেষ্টা সে করবেই। ৫) মেয়েরা কখনই তার স্বামীর মুখে অন্য নারীর গুনকীর্তন শুনতে পছন্দ করে না।সে চাইবে তার স্বামী যেন একমাত্র তাকেই চাক।

    ৬) মেয়েরা মুখে মুখে বলতে পারে সে নিজের দেহের ওজন নিয়ে সে কখনোই চিন্তা করে না কিন্তু অাসলে সে চায় নিজেকে চান স্লিম ও যৌবনময়ী শরীরের অধিকারী করতে।

    ৭) মেয়েদের ভিতর অনেক ঈর্ষা। একজন মেয়ে অন্য একজন মেয়ের সাফল্য কখনোই দেখতে পারে না। ৮) সকল নারী চায় তার প্রিয় মানুষটি তার কথা সবসময় মেনে চলুক, তার কথা সবসময় পালন করুক, সে মনে করে তার অনেক দ্বায়িত্ব।

    ৯) একজন ছেলে তার বয়স এবং চেহারা নিয়ে ততোটা না ভাবলেও একজন নারী চায় তার চেহারায় যেন বয়সের কালো ছাপ না পড়ে।

    ১০) একটি মেয়ে তার বুকের স্তন অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। নারীরা স্ত’নের ব্যাপরে খুবই সজাগ, খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। কারণ পুরুষকে আকর্ষণ করার মেইন অঙ্গ এটা। এজন্য নারী চায় স্ত’ন থাকুক

  • হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ফির বোঝা কমাতে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই নীতিমালায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় ‘পুনঃভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে অবশ্যই ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত টিউশন ফির বাইরে নতুন কোনো অজুহাতে বা খাত তৈরি করে বাড়তি অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি, দান বা অনুদান সরাসরি ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হলেও তা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং হিসাব খাতের কোনো পরিবর্তন বা নতুন খাত সংযোজন করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও আর্থিক অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার; যা জানা গেল

    পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার; যা জানা গেল

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করে নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছে ‘সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’। রোববার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর এই স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের নেতারা।

    স্মারকলিপিতে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল চালুর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে ১:৪ অনুপাতে মোট ১২টি গ্রেড গঠন এবং সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা করার অনুরোধ জানানো হয়।

    ঐক্য পরিষদের দাবি ও প্রেক্ষাপট:

    সংগঠনের নেতারা বলেন, গত ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে জীবন যাপন করা বর্তমান বেতন কাঠামোতে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের বেতন শুরু হয় ৮২৫০ টাকা থেকে, যা দিয়ে মানবিক ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

    বিগত সরকারের সমালোচনা ও নতুন প্রত্যাশা:

    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সালের ৮ম পে-স্কেলের বৈষম্য নিরসনে বিগত সরকারের কাছে বারবার আবেদন করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। এমনকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পে-কমিশন গঠন করে রিপোর্ট পেলেও তা বাস্তবায়ন করেনি। কর্মচারীদের অভিযোগ, বিগত সংস্কার কমিটিগুলোতে শুধু প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু সাধারণ কর্মচারীদের বৈষম্য থেকেই গেছে।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান:

    বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে যথাসময়ে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি ছিল। সেই প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দুঃখ-দুর্দশা বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের আগেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট জারি করে কর্মচারীদের মুখে হাসি ফুটাবেন।

    নেতারা আরও বলেন, ১৯৯১ ও ২০০৫ সালেও বিএনপি সরকার কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করে দুটি পে-স্কেল দিয়েছিল। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের কাছেও তাদের একই ধরনের ইতিবাচক প্রত্যাশা রয়েছে।

  • ৫ লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন ক্যানসারে ভুগছেন

    ৫ লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন ক্যানসারে ভুগছেন

    কিডনি ক্যানসারকে চিকিৎসকরা নীরব ঘাতক বলে অভিহিত করেন। কারণ, অনেক সময় শরীরে রোগটি বাসা বাঁধলেও শুরুতে কোনো বিশেষ উপসর্গ দেখা দেয় না। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ আছে যা খেয়াল করলে রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত শনাক্ত হলে এই ক্যানসার থেকে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

    ১. প্রস্রাবে রক্ত আসা:

    কিডনি ক্যানসারের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানে হেমেচুরিয়া বলা হয়। এ সময় প্রস্রাবের রঙ লাল, গোলাপি বা বাদামি হতে পারে। অনেকে ব্যথাহীন বলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না, কিন্তু এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত।

    ২. পিঠের নিচের দিকে স্থায়ী ব্যথা:

    সাধারণ পিঠব্যথার চেয়ে এটি কিছুটা আলাদা। কোনো চোট বা আঘাত ছাড়াই যদি পিঠের নিচের দিকে বা এক পাশে স্থায়ী ব্যথা অনুভূত হয় এবং সময় বাড়ার সাথে সাথে ব্যথার তীব্রতা বাড়তে থাকে, তবে তা কিডনিতে টিউমারের সংকেত হতে পারে।

    ৩. অকারণে ওজন কমে যাওয়া:

    খাদ্যাভ্যাস বা ব্যায়ামের কোনো পরিবর্তন ছাড়াই যদি শরীর থেকে দ্রুত ওজন কমতে থাকে, তবে সতর্ক হওয়া জরুরি। ক্যানসারের প্রভাবে শরীরের স্বাভাবিক বিপাক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যার ফলে ক্ষুধা কমে যায় এবং শরীর দ্রুত ওজন হারায়।

    ৪. শরীরে চাকা বা ফোলাভাব:

    কিডনির পাশে বা পাঁজরের নিচে যদি কোনো চাকা বা ফোলাভাব অনুভব করেন, তবে সেটি অবহেলা করবেন না। স্পর্শ করলে অনেক সময় শক্ত চাকা অনুভব করা যায়। যদিও সব চাকা ক্যানসার নয়, তবে এটি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

    ৫. অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা:

    কিডনি ক্যানসার শরীরের লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে বাধা দেয়, যার ফলে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও যদি দীর্ঘ সময় ধরে ক্লান্তি বা অবসাদ কাটতে না চায়, তবে তা ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনি ক্যানসারের চিকিৎসা প্রাথমিক পর্যায়ে শুরু করলে সাফল্যের হার অনেক বেশি। তাই উপরের লক্ষণগুলোর কোনো একটি দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • এলপি গ্যাসের দাম কমল

    এলপি গ্যাসের দাম কমল

    ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার দাম কমানোর নতুন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

    এখন থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।