News24x7

  • জানেন এবার হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম যত হলো?

    জানেন এবার হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম যত হলো?

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা এবং সাময়িক সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার প্রভাবে বৈশ্বিক তেলের বাজারে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ফিউচার ২৪ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭০.৫৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২৮ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৫.৪৭ ডলারে লেনদেন হয়।

    পরে ডব্লিউটিআইয়ের দাম আরও বেড়ে ১.১৬ ডলার বা ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৬.৩৫ ডলারে দাঁড়ায়।

    বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ প্রভাবিত হতে পারে, যা বাজারে অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

    নিসান সিকিউরিটিজের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, উত্তেজনা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ সশস্ত্র সংঘাতের সম্ভাবনা কম। তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অপরিশোধিত তেলের দামে তীব্র বৃদ্ধি চান না। সামরিক পদক্ষেপ হলেও তা সীমিত ও স্বল্পমেয়াদি হতে পারে।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটি মঙ্গলবার সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে কয়েক ঘণ্টার জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছিল। জলপথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনায় জামানত ছাড়াই ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ঋণ দেবে ব্যাংক। এই ঋণের সুদহার পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা সার্কুলারে পরিবেশবান্ধব খাতে বিদ্যমান ৪০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ফ্ল্যাট কেনায় ঋণের বিষয়টি নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনার ঋণে ১৮ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পাবেন। অর্থাৎ কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে দেড় বছর পর থেকে। ব্যক্তির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ইউনিট সমন্বিত বহুতল বিশিষ্ট পরিবেশবান্ধব আবাসন নির্মাণেও ঋণ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আবাসন কোম্পানি ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। কোম্পানির জন্যও সুদহার, ঋণের মেয়াদ ও গ্রেসপিরিয়ড হবে অভিন্ন।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়, পরিবেশবান্ধব খাতে চুক্তিবদ্ধ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এতদিন চার শতাংশ সুদে তহবিল পেত। এখন পাবে তিন শতাংশ সুদে। ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ সুদে ঋণ দেবে।

    এক্ষেত্রে পাঁচ বছরের কম মেয়াদি ঋণে সর্বোচ্চ সুদ হার হবে পাঁচ শতাংশ, পাঁচ থেকে আট বছরের কম মেয়াদে সাড়ে পাঁচ শতাংশ এবং আট বছরের বেশি মেয়াদে ছয় শতাংশ।

    এছাড়া পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় বনায়ন (সামাজিক, সমন্বিত বা কৃষি), ছাদের কৃষি বা উল্লম্ব চাষ বা বাগান, বায়োফ্লক মাছ চাষ, জৈব চাষ, খাঁচায় মাছ চাষ, কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদনেও ঋণ দেবে ব্যাংকগুলো।

  • বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে ব্লাড ক্যা’ন্সার! অবহেলা নয়, ল’ক্ষ’ণ চিনে রাখুন এখনই

    বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে ব্লাড ক্যা’ন্সার! অবহেলা নয়, ল’ক্ষ’ণ চিনে রাখুন এখনই

    বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে দিন দিন বাড়ছে ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকেমিয়ার প্রাদুর্ভাব। আগে মূলত বয়স্কদের মধ্যে এ রোগ দেখা যেত, কিন্তু এখন ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ ও জিনগত কারণ এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে।

    ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ

    ব্লাড ক্যান্সারের শুরুতে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়, যা অনেকেই সাধারণ অসুস্থতা ভেবে অবহেলা করেন। কিন্তু এগুলো হতে পারে বড় বিপদের ইঙ্গিত—

    দীর্ঘদিন জ্বর থাকা বা বারবার জ্বর আসা

    অল্পতেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব

    অকারণে ওজন কমে যাওয়া

    হাড় ও জয়েন্টে স্থায়ী ব্যথা

    শরীরে সহজে রক্তক্ষরণ বা কালশিটে দাগ

    ঘন ঘন ইনফেকশন হওয়া

    গলা বা বগলে গাঁট ফোলা

    ক্ষুধা হ্রাস ও রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া

    কেন তরুণরা ঝুঁকিতে?

    চিকিৎসকদের মতে, আধুনিক জীবনযাত্রায় তরুণরা অনেক সময় রাত জাগা, ফাস্টফুড খাওয়া, ধূমপান ও মাদকাসক্তির মতো ক্ষতিকর অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং শরীরে ক্যান্সারের কোষ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

    দেরিতে শনাক্ত হলে ভয়াবহ পরিণতি

    বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ব্লাড ক্যান্সার দ্রুত শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দেরিতে শনাক্ত হলে চিকিৎসা কঠিন হয়ে যায় এবং মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের মাধ্যমে অনেক রোগী সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

    বিশেষজ্ঞদের করণীয় পরামর্শ

    কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান।

    নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করান, বিশেষ করে পরিবারে যদি ক্যান্সারের ইতিহাস থাকে।

    ধূমপান ও মাদক থেকে দূরে থাকুন।

    সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

    মনে রাখবেন—প্রাথমিক পর্যায়ে সতর্কতা ও সচেতনতা জীবন বাঁচাতে পারে। তাই লক্ষণ অবহেলা নয়, চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।

  • জামানত ছাড়াই ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন, কিস্তি মাত্র ২,০৭৬ টাকা!

    জামানত ছাড়াই ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন, কিস্তি মাত্র ২,০৭৬ টাকা!

    বাংলাদেশ সরকারের নেয়া গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো—বেকারদের জন্য সহজ শর্তে জামানতবিহীন লোন প্রদান। এই প্রকল্পটি দেশের বেকার সমস্যা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    বাংলাদেশ কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে এই লোন প্রদান করা হচ্ছে। এই লোন পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বিদেশি নাগরিকরা এই সুবিধার আওতায় পড়েন না।

    কে কে এই লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন?
    বয়স হতে হবে কমপক্ষে ১৮ বছর
    হতে হবে বেকার বা অর্ধবেকার (অর্থাৎ, চাকরি করেন না, তবে টুকটাক আয় করেন এমন)
    আপনি বা আপনার জামিনদারকে লোন গ্রহণকারী শাখার এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
    লোনের পরিমাণ, মেয়াদ ও সুদের হার
    সর্বোচ্চ লোন পরিমাণ: ২ লক্ষ টাকা
    মাসিক কিস্তি (উদাহরণ): ২,০৭৬ টাকা (২ লক্ষ টাকা, ১০ বছরের মেয়াদ ধরে)
    সুদের হার: সাধারণত সিঙ্গেল ডিজিট, অর্থাৎ ৯% এর কম (লোনের পরিমাণ ও মেয়াদের ওপর নির্ভরশীল)
    কোন ব্যবসার জন্য লোন নেবেন?
    যেহেতু এটি একটি উদ্যোক্তা লোন, তাই আপনাকে অবশ্যই কোনো ব্যবসার উদ্দেশ্যে লোনটি নিতে হবে। ব্যাংকের ওয়েবসাইটে অনুমোদিত ব্যবসার তালিকা রয়েছে, যেমন:

    কৃষি
    হস্তশিল্প
    ক্ষুদ্র ব্যবসা
    অনলাইন ভিত্তিক উদ্যোগ ইত্যাদি
    শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে?
    এই লোন পেতে উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা আবশ্যক নয়। আপনি যদি সাধারণভাবে ডকুমেন্ট পড়ে বুঝে সিগনেচার করতে পারেন, তাহলেই যথেষ্ট।

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
    জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
    ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
    ঠিকানা প্রমাণ (ভোটার আইডির ঠিকানা যথেষ্ট)
    ব্যবসার সংক্ষিপ্ত পরিকল্পনা
    জামিনদারের তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়)
    আবেদনের পদ্ধতি
    ১. নিকটস্থ বাংলাদেশ কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করুন
    ২. আবেদন ফর্ম পূরণ করুন
    ৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে জমা দিন
    ৪. যাচাই-বাছাই শেষে লোন অনুমোদন হলে টাকা ট্রান্সফার করা হবে

    কে কে এই লোন পাবেন না?
    বিদেশি নাগরিকরা
    লোন ডিফল্টাররা (যারা পূর্বে অন্য ব্যাংকে লোন নিয়ে ফেরত দেননি)
    বিশেষ পরামর্শ
    নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করুন, ভবিষ্যতে আরও বড় লোন পেতে সুবিধা হবে
    ডিফল্ট বা দেরি করলে জরিমানাসহ লোন বাতিল হতে পারে
    হয়রানির শিকার হলে ৯৯৯-এ ফোন করে অভিযোগ করতে পারেন
    এই লোন প্রকল্পের মাধ্যমে হাজারো বেকার তরুণ-তরুণী আত্মকর্মসংস্থানে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারছেন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক।

  • স্থানীয় নির্বাচন কখন হবে জানালেন মির্জা ফখরুল

    স্থানীয় নির্বাচন কখন হবে জানালেন মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো এবং ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে।

    শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঠাকুরগাঁও হাফেজিয়া মাদরাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। এসময় জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজের নির্বাচনী এলাকায় মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আপনাদের সমর্থনের কারণে আমি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।”

    জানা গেছে, সরকার গঠনের পর তিনদিনের সরকারি সফরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় তিনি এসেছেন। এরপর বিকেলে ইএসডিও আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নেবেন। শনিবার সকালে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং বিকেলে জেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন। পরের দিন সকালে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির নতুন তালিকা প্রকাশ

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির নতুন তালিকা প্রকাশ

    সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা আবারও সংশোধন করা হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    তালিকা দেখুন এখানে…

  • রাষ্ট্রপতিকে যা বলেছিলেন তিন বাহিনী প্রধান

    রাষ্ট্রপতিকে যা বলেছিলেন তিন বাহিনী প্রধান

    রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, গত দেড় বছরে অনেক প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তবে এই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে বিভিন্ন মহল থেকে আশ্বাস ও অভয়বাণী পেয়েছি। বিশেষ করে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়েছি।

    গত শুক্রবার একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

    তিন বাহিনীপ্রধানদের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি জানান, নানা সংকটের মধ্যে তার পক্ষে একা মনোবল অটুট রাখা কঠিন হতো, যদি না বিভিন্ন মহল থেকে আশ্বাস ও অভয়বাণী পেতেন। বিশেষ করে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে তিনি সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়েছেন।

    তিনি জানান, বাহিনীপ্রধানরা তাকে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান; রাষ্ট্রপতির পরাজয় মানে পুরো সশস্ত্র বাহিনীরই পরাজয়, যা তারা যে কোনো মূল্যে রোধ করবেন।

    বিভিন্ন সময় সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা বঙ্গভবনে এসে তাকে মনোবল জুগিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন সাহাবুদ্দিন।

    এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতর থেকেই একবার তাকে অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি শুনেছেন; সে সময় তিন বাহিনীর প্রধান তার পক্ষে অবস্থান নেন। তারা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, কোনো অসাংবিধানিক পদক্ষেপ তারা মেনে নেবেন না।

    এদিকে, বৃহত্তর রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকেও তাকে স্পষ্ট সমর্থনের বার্তা দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

    এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি জানান, বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতারা তাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, তারা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান এবং কোনো অসাংবিধানিক উপায়ে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের পক্ষে নন।

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিশেষ পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ওই সরকারের দেড় বছরের শাসনামলে রাষ্ট্রপতিকে অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে অপসারণের একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

    সূত্র : কালের কণ্ঠ

  • বাসা না ছাড়লে সাবেক উপদেষ্টাদের প্রতি যে নির্দেশনা সরকারের

    বাসা না ছাড়লে সাবেক উপদেষ্টাদের প্রতি যে নির্দেশনা সরকারের

    সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সরকারি বাসভবনে দীর্ঘদিন থাকতে দিতে চায় না গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। চলতি মাসের মধ্যেই তাদের সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি কারও বিশেষ অসুবিধা হয়, তাহলে সর্বোচ্চ তাকে এক থেকে দুই মাস সময় দেওয়া হবে। তবে কেউ নির্ধারিত সময়ের পর সরকারি বাসায় অবস্থান করলে সরকার নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করতে হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

    আবাসন পরিদপ্তর সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ মাসের ভাড়া নেওয়া হবে না। তবে ফেব্রুয়ারির পর সরকারি বাসায় থাকতে চাইছেন—এমন কোনো আবেদন সাবেক উপদেষ্টা বা অন্যদের পক্ষ থেকে পাওয়া যায়নি।

    একই সঙ্গে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে ঢাকার গুলশানে নিজের বাসভবনে উঠবেন বলে জানা গেছে।

    আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের যেমন নীতিমালা রয়েছে, উপদেষ্টাদের ক্ষেত্রে সে রকম নীতিমালা নেই। তারা কোনো পেনশন সুবিধাও পান না। সে কারণে বিষয়টি আগেই সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সবাই চলতি মাসের মধ্যেই বাসা ছেড়ে দেবেন। বিশেষ প্রয়োজন হলে এক মাস সময় নেওয়া যেতে পারে, তবে সে ক্ষেত্রে ভাড়া দিতে হবে। যেহেতু ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হয়েছে। এই মাসের ভাড়া তাদের কাছ থেকে নেওয়া হবে না।

    বাসা না ছাড়লে সাবেক উপদেষ্টাদের প্রতি যে নির্দেশনা সরকারের
    হাসপাতালের বেডে তেলাপোকার উৎপাত, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রোগী
    জানা গেছে, বর্তমান সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের জন্য মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডে ২৪টি বাংলো বাড়ি ও ১২টি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। এর বাইরে বিরোধীদলীয় নেতার জন্য আরেকটি বাসভবন রয়েছে। এগুলো দ্রুত মেরামত করে এক মাসের মধ্যেই তাদের বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে সেসব স্থাপনায় অবস্থান করা সাবেক সরকারের কর্তাব্যক্তিদের গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের কেউ চলতি মাসের বাইরে থাকতে চাওয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করেননি।

    আবাসন পরিদপ্তরের লক্ষ্য, মার্চের মধ্যেই নতুন বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করা।

    আবাসন পরিদপ্তর আশা করছে, চলতি মাসে বাসাগুলো খালি হলে সেগুলো মেরামত করে পর্যায়ক্রমে নতুন মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। মার্চের মধ্যেই এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তবে আবাসন পরিদপ্তর চেষ্টা করছে একই সঙ্গে সবাইকে বাসা বরাদ্দের।

    ইতোমধ্যে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার ২১ জন বাসার জন্য আবেদন করেছেন। কোন বাংলো বা অ্যাপার্টমেন্ট কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। পরে আবেদনগুলো নবনিযুক্ত গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের দপ্তরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। আবেদনকারীরা কোন বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে আগ্রহী, সেটি তাদের সরেজমিনে পরিদর্শন করে মন্ত্রীর দপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে। আবেদনকারীদের কয়েকজন পরিদর্শন করেছেন।

    এদিকে বর্তমান সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন ৪৯ জন। এ ছাড়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা-বিশেষ সহকারী আছেন আরও ১০ জন। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন একজন। মন্ত্রী মর্যাদায় বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপও রয়েছেন। পাশাপাশি মন্ত্রী মর্যাদায় সরকারদলীয় চিফ হুইপ ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় হুইপও থাকবেন একাধিক। কিন্তু বরাদ্দ দেওয়ার মতো মোট বাড়ি-অ্যাপার্টমেন্ট আছে ৩৭টি। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জন্য আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে দেওয়া হবে।

    জানা গেছে, এ তালিকায় খোদ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুরও রয়েছেন।

    এ অবস্থায় সবার আবাসনের ব্যবস্থা আবাসন পরিদপ্তর করতে পারবে কিনা– সে প্রসঙ্গে পরিদপ্তরের পরিচালক বলেন, সবাই তো আর সরকারি বাসা বরাদ্দ চাইবেন না। কাজেই সেটা সমস্যা হবে না।

    স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (নগর উন্নয়ন অনুবিভাগ) আকনুর রহমান এ বিষয়ে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আইনে এ ধরনের কিছু আছে কিনা, সেটি পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। তার আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

    সূত্র: সমকাল

  • বঙ্গভবন ঘেরাও, সেই রাতে রাষ্ট্রপতিকে ফোনে যা বলেছিলেন নাহিদ

    বঙ্গভবন ঘেরাও, সেই রাতে রাষ্ট্রপতিকে ফোনে যা বলেছিলেন নাহিদ

    ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবরের সেই উত্তপ্ত রাত ছিল রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের জীবনের অন্যতম এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা। বঙ্গভবন ঘেরাও এবং তার পদত্যাগের দাবিতে যখন চারদিকে চরম উত্তেজনা, ঠিক সেই মুহূর্তে তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের একটি ফোন কল পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। সম্প্রতি বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সেই রাতের স্মৃতিচারণা করেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবরের সেই রাত ছিল তার জীবনের অন্যতম বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা।

    তিনি বুঝতে পারছিলেন না কারা এর সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন পর্যায় থেকে নানা গুঞ্জন আসতে থাকে।

    রাষ্ট্রপতি জানান, একপর্যায়ে রাত ১২টার দিকে নাহিদ ইসলাম তাকে ফোন করল যে, ‘এরকম একটা খবর পাওয়া গেছে, ওরা আমাদের লোক না। আমি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। এগুলো সব আমরা ডিসপার্স করার চেষ্টা করছি।’

    বঙ্গভবন ঘেরাও, সেই রাতে রাষ্ট্রপতিকে ফোনে যা বলেছিলেন নাহিদ
    ‘হাসনাত কই, লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে’
    রাষ্ট্রপতির ভাষায়, কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায় কিছু স্থানীয় ব্যক্তি এসে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশকে নিয়ে চলে যায়। তবে সবাই সরে যায়নি। একটি অংশ থেকে যায় এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত ২টা পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

    সেদিন রাত ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ও বঙ্গভবনের ভেতরে থাকা অন্যরা জেগেই ছিলেন। বাইরে তখনও ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় বৈঠক চলছিল। রাজু ভাস্কর্য এলাকা থেকে শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দল বেঁধে ‘রাষ্ট্রপতির অপসারণ চাই’ স্লোগান ওঠে।

    এ ঘটনার প্রেক্ষাপট টানতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ২২ অক্টোবর হঠাৎ করেই বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়। অমুকের দল, তমুকের দল, ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই ঐক্য-নানা নামে রাতারাতি গজিয়ে ওঠা প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে একই ধরনের লোকজন রাস্তায় নামে।

    তার প্রশ্ন, এত বড় কর্মসূচির অর্থের জোগান তারা কোথা থেকে পেল?

    ঘেরাওয়ের পরপরই সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশন থেকে সদস্যরা এসে বঙ্গভবনের চারপাশে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে। এরমধ্যেই একটি ঘটনা রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে। একটি মেয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপর উঠে লাফ দেয়। রাষ্ট্রপতির মতে, পুরো ঘটনাটি ছিল পরিকল্পিত এবং ভাড়াটিয়া চরিত্রের। সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর মেয়েটি মাটিতে পড়ে থাকে এবং ক্যামেরাম্যানকে উদ্দেশ করে ছবি তুলতে আহ্বান জানাতে থাকে।

    রাষ্ট্রপতির ভাষায়, এর উদ্দেশ্য ছিল ছবি ব্যবহার করে পরিস্থিতিকে কাজে লাগানো এবং ব্ল্যাকমেইলের সুযোগ তৈরি করা। পরে নারী পুলিশ ও নারী সেনাসদস্যরা তাকে টেনেহিঁচড়ে তুলে সেনাবাহিনীর জিপে করে সরিয়ে নেয়।

    তথ্যসূত্র : কালের কণ্ঠ

  • কলকাতায় মারা গেলেন আ.লীগের সাবেক এমপি

    কলকাতায় মারা গেলেন আ.লীগের সাবেক এমপি

    কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা মো. জোয়াহেরুল ইসলাম (৭০)।

    শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কলকাতার দমদমে অবস্থিত ফিনিক্স মেডিকেল সেন্টার প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর এক সপ্তাহ আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার মাল্টি অর্গান ফেলিওর এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে লাশ হাসপাতালেই রাখা হবে। ভোরে তার লাশ সংরক্ষণের জন্য কলকাতার পিস হেভেনে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন হলে বাংলাদেশে লাশ পাঠানো হতে পারে।

    জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পেশায় আইনজীবী মো. জোয়াহেরুল ইসলাম ভারতে আসেন এবং কলকাতার নিউটাউনে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে তার স্ত্রী মেডিকেল ভিসায় ভারতে যান। পরিবার-পরিজনসহ নিউটাউনেই অবস্থান করছিলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। জোয়াহেরুল ইসলাম ২০১৭ সালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান।