News24x7

  • জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানাল সরকার, কোনটির লিটার কত?

    জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানাল সরকার, কোনটির লিটার কত?

    মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অপারেশন-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক নির্দেশিকায় এই তথ্য জানানো হয়।

    নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি মাসে যে দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে, মার্চ মাসেও সেই একই দাম কার্যকর থাকবে। সরকারের সংশোধিত ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা’র আলোকে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

    সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, মার্চ মাসজুড়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬.০০ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা দরে বিক্রি হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মূল্যহার যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ও অনুমোদিত। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তার অংশ হিসেবেই মার্চ মাসের এই দর ঘোষণা করা হলো।

  • সুরক্ষিত ভবনে খামেনিকে কীভাবে হত্যা করা হলো?

    সুরক্ষিত ভবনে খামেনিকে কীভাবে হত্যা করা হলো?

    ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরা মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছেন, ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সময় জাহের আলভী নেপালে শুটিংয়ে ছিলেন। তার আত্মহত্যার খবরে শোকের ছায়া নেমেছে শোবিজ অঙ্গনে।

    এদিকে, ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার কারণ জানিয়ে ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তার বান্ধবী নিলুফা ইয়াসমীন।

    পাঠকদের জন্য নিচে নিলুফার সেই পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল-

    ইকরা আমার ইউনিভার্সিটি লাইফের ফার্স্ট ফ্রেন্ড। ও আমার ক্লাসমেট ছিল। ওর আর আমার একই দিনে ক্লাস শুরু হয়। প্রথম দিনই আমি ওর সাথে বসেছিলাম ক্লাসে। ওর বাসা ছিল মোহাম্মদপুর, আর আমি থাকতাম ফার্মগেট।

    আসাদগেট থেকে দুজন একসাথে ক্যাম্পাসের বাসে যাওয়া আসা করতাম। আমার বাসে উঠলে মাথা ঘুরাতো এজন্য ইকরার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে থাকতাম সারা রাস্তা। তারপর ইকরা, স্বর্না আর আমার ফ্রেন্ডশিপ শুরু। আমরা তিনজন একসাথে বসতাম অলওয়েজ। সবাই আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করত, আমাদের ক্ষ্যাপাতো তিন ‘ব্রেস্টফ্রেন্ড’ বলে।

    ইকরার একটা স্বভাব ছিল যে ও কখনো আমাকে আর স্বর্নাকে অন্য কারো সাথে তেমন মিশতে দিত না। ও চাইতো শুধু ওর ফ্রেন্ড হয়েই থাকি। এই একটা কারনে ইউনিভার্সিটির মাঝামাঝিতে গিয়ে ইকরা আমাদের সাথে না থাকলেও আমাদের আর তেমন স্ট্রং ফ্রেন্ডশীপ গড়ে উঠে নাই ক্লাসে কারো সাথে। ইকরার মোহাম্মদপুরের বাসায় আমি আর স্বর্না গিয়ে থাকছি, আন্টি আমাদের রান্না করে খাওয়াইছে।

    গণরুমে প্রথম উঠলাম ১০১ নম্বার রুমে। স্বর্না ছিল ১০২ নম্বার রুমে। তখন ইমু ছিল আমার বেডমেট। ইকরার বাসা ঢাকায় হওয়াতে ওকে গণরুমে সিট দেয়া হচ্ছিল না। আমি হল সুপারকে অনেক রিকুয়েস্ট করে ইকরাকে বানালাম আমার বেডমেট। ইমু দুই সিটের রুম পেয়ে চলে গেল। এরপর আমরা ২০১ নং গণরুমে চলে গেলাম। পাশাপাশি বেডে একটাতে থাকতাম আমি আর ইকরা, আরেক বেডে থাকত স্বর্না আর সানিয়া।

    ইকরা ছিল খুব ডেয়ারিং একটা মেয়ে। আমি বা স্বর্না যা করতে পারতাম না দুম করে ইকরা সেটা করে ফেলতো। ইকরা আর আলভি পড়ত রাইফেলসে। স্কুল লাইফ থেকেই ওদের প্রেম ছিল। আলভি মাঝে মাঝে আসতো ক্যাম্পাসে। ইকরা আমার বেডমেট হওয়াতে ইকরা আলভির অনেক কিছুই শেয়ার করত। বিশেষ করে ওদের ঝগড়া হলে ইকরা আমাকে অনেক ম্যাসেজ দেখাত যে ম্যাসেজগুলো দেখে কখনোই আমার মনে হইতো না বিন্দুমাত্র রেসপেক্ট ইকরার প্রতি তার ছিল।

    যাইহোক, এরপরের দুই বছরের ঘটনা ক্যাম্পাসের অনেকেই জানে, অনেকেই জানে না। সেসব লিখতে গেলে অনেক বড় হয়ে যাবে পোস্ট। ইকরা কখনো রিক্সা ভাড়া দিত না আমাদের সাথে রিক্সায় উঠলে, কারন ও টাকা সেভ করতো আলভীর সাথে ডেটে যাওয়ার জন্য। একটা মানুষকে পাওয়ার নেশা ওর মধ্যে এতই বেশি ছিল যে পড়ালেখাটা ওর কাছে মুখ্য বিষয় ছিল না। আল্টিমেটলি ইকরা ফেইল করল, রিপিট করল জুনিয়র ব্যাচের সাথে। ততদিনে ইকরা আলভির বিয়ে হয়েছে (কিভাবে বিয়ে হয়েছে তা আমি, স্বর্না, সানিয়া ছাড়া ক্যাম্পাসের হাতে গোনা ২/১ জন জানে হয়তো)।

    ইকরা জুনিয়র ব্যাচে যাওয়ার পরে আমাদের সাথে দূরত্ব বাড়ে। ও তখন হলেও থাকত না ঠিকমত। তখন পূজা হলো আমার বেডমেট। ইকরার সাথে আলভির বিয়ের আগেই আলভি একটা রিয়েলিটি শো-এর মাধ্যমে মিডিয়া জগতে পা রাখে। তখনও একবার ওদের সিরিয়াস ব্রেক আপ হইছিল, কেন হইছিলো সেটা আপনারা বুঝলে বুঝ পাতা, না বুঝলে তেজপাতা। অথচ ইকরা ছোটবেলা থেকেই মিডিয়াতে কাজ করত। একুশে টিভিতে মুক্ত খবর পড়ত, আমাকে আর স্বর্নাকে অনেকবার একুশে টিভিতে নিয়ে গেছে।

    ইকরা অনেক আগে থেকেই সেলিব্রেটি ছিল। ইকরা চাইলে মিডিয়াতে আরও অনেক উপরে উঠতে পারত। ওর মধ্যে যথেষ্ট ট্যালেন্ট ছিল। ইকরা খুব ভাল করেই জানত মিডিয়া পাড়ায় কি হয়। কিন্তু বিয়ের পরে ওর জগতটা ছিল আলভীকে ঘিরেই এবং আলভীর ক্যারিয়ার সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট সাপোর্ট দিয়ে গেছে। এরপর বাচ্চা হইল। সোস্যাল মিডিয়াতে ওর নিয়মিত সুন্দর সুন্দর পোস্ট, ওদের এনিভার্সারিতে ওদের লাভস্টোরি লেখা, ভিডিও দেখে হাজার হাজার মানুষ প্রশংসা করত। বাট এইসব গল্পের পিছনেও অনেক গল্প ছিল যেগুলো অনেকেই জানত, অনেকেই জানতো না।

    আলভীকে বিয়ের ঠিক কয়েকদিন আগেও একবার টিএসসিতে ঝগড়া করার সময়ে ইকরা সেন্সলেস হয়ে গেছিল। ইকরা চাইলেই পারত রিজিককে নিয়ে আলাদা হয়ে যেতে, হয়নি। কারন মেয়েরা আসলে স্বামীর ভাগ কাউকে দিতে চায় না।

    আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না তবে এইটুকু বলতে পারি ইকরা সুইসাইড করার মত মেয়ে না। ওর লাইফে অনেক স্ট্রাগল ছিল। যেহেতু ওর বাবা মা আলাদা থাকত। ওর পুরো পৃথিবীতে ওর একটাই মানুষ ছিল আলভি। ওকে শুধু ভাঙতে পারতো এই একটা মানুষ। আমি বা আমরা অনেকেই জানিনা কেন ও এই ছেলের জন্য এত ক্রেজি ছিল। একটা মেয়ে সব ছেড়ে দিয়েছিল শুধু একজনের সাথে হ্যাপি থাকার জন্য। রিজিকের জন্মের পরে ও পুরো সংসারীই হয়ে গেছিল।

    ইকরাকে অনেকদিন আগেই মানসিকভাবে মেরে ফেলা হইছিল। শারীরিকভাবে ও নিজেকে মারছে নাকি ওকে মেরে ফেলা হইছে সেটা তদন্ত করা খুব জরুরী। একটা মানুষ সব এক্সপোজ করবে বলে পোস্ট দিলো এরপর সে গলায় ফাঁসি নিলো এটা আপনাদের কাছে রহস্যজনক মনে হয় না? যদিও তদন্ত হবে না জানি। কারন ইকরার ফ্যামিলিতে এমন কেউ নাই যে এসব নিয়ে লড়বে। ওর কোনো ভাই বোনও নাই। ও একমাত্র সন্তান ছিল।

    রিজিকের কথা ভেবে ইকরার আরও স্ট্রং থাকা উচিত ছিল। যদিও স্ট্রং মানুষেরাও মাঝে মাঝে স্ট্রং থাকতে পারে না। ১২ বছর আগেই ওর বুঝা উচিত ছিল যে একবারের জন্য বিশ্বাসঘাতক সে সব সময়ের জন্য বিশ্বাসঘাতক। ভালোবাসা দিয়ে কাউকে ভালো করা যায় না এটা ইকরা আজকে জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেল। আরও অনেক কিছুই প্রকাশ্যে আসবে অপেক্ষা করেন।

    আমি আর স্বর্না ইকরাকে মাঝে মাঝেই দোষ দিতাম ওর জন্য আমাদের কোনো বেস্ট ফ্রেন্ড হয় নাই বলে। বাট আজকে ইকরা সব দোষত্রুটির উর্ধ্বে চলে গেছে। মানুষ চলে গেলে তার সাথে সুখের স্মৃতিগুলোই বেশি মনে পড়ে।

    পূজার এক্সিডেন্টের পরে অনেক দিন সময় লেগেছিল আমার স্বাভাবিক হতে। যদিও ইকরার সাথে শেষ পর্যন্ত পূজার মত এতটা যোগাযোগ ছিল না আমার। কিন্তু ইকরার সাথে আমার অনেক গুড মেমরিজ আছে। শুধু ও নাই এটা মেনে নিতে কষ্ট হইতেছে।

    ইকরার আপডেট : কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাস্পাতালে নেয়া হচ্ছে। জানাজা হবে ময়মনসিংহতে। ইকরার দেশের বাসায়। আহ ইকরা!

  • এবার কঠোর হতে যাচ্ছে সরকার, প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা

    এবার কঠোর হতে যাচ্ছে সরকার, প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা

    অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে শীর্ষ পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—অপরাধী যে দলেরই হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না; আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।

    এই বার্তা দলীয় পর্যায়েও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামোইন, মাগুড়া, চাঁদপুর ও বরিশালে দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে তৃণমূলেও সতর্কতা তৈরি হয়েছে।

    জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব বা জোরজবরদস্তি নয়—আইনের শাসনই হবে অগ্রাধিকার।

    রোববার পুলিশের সদ্য বিদায়ী মহাপরিদর্শক বাহরুল আলম মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে চাঁদাবাজি ও বিশৃঙ্খলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন; এজন্য উর্ধ্বতন অনুমতির প্রয়োজন হবে না বলেও জানান।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের সেবায় কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তা সহ্য করা হবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম মন্তব্য করেন, সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার যে নজির দেখাচ্ছে, তা ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ঘোষণার পাশাপাশি ধারাবাহিক প্রয়োগই নির্ধারণ করবে—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের এই কঠোর অবস্থান কতটা স্থায়ী হয়।

  • ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে এবার মধ্য ও উচ্চবিত্তদের জন্যও সুখবর

    ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে এবার মধ্য ও উচ্চবিত্তদের জন্যও সুখবর

    দেশের হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে নবনির্বাচিত সরকার। প্রাথমিকভাবে ৬ ক্যাটাগরির নাগরিকদেরকে এ কর্মসূচির বাইরে রাখা হলেও পর্যায়ক্রমে সব শ্রেণির নাগরিককেই এ সুবিধার আওতাভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তরাও পাবেন এই ফ্যামিলি কার্ড।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষ হলে প্রতি পরিবারে ৫ জন করে হলে সাড়ে ৪ কোটি পরিবার আছে। আমরা তথ্যগুলো সংগ্রহ করছি। প্রতিটি পরিবারের দরজায় দরজায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

    ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে দুই থেকে আড়াই কোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবে। প্রথম দিকে হতদরিদ্র, তারপরে দরিদ্র এবং পরে নিম্নবিত্ত। পরে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তরাও কার্ড পাবে। কার্ড পাওয়াটা সবার অধিকার।

    এর আগে, বেগম খালেদা জিয়ার মা বেগম তৈয়বা মজুমদার, বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ও বড় বোন প্রয়াত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বেগম খুরশিদ জাহান হকের কবর জিয়ারত করেন মন্ত্রী।

    এ সময় তিনি বলেন, এই জেলার উন্নয়নের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের অনেক অবদান রয়েছে। এই জেলার প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টান রয়েছে। যেকোনও সময় তিনি দিনাজপুর আসতে পারেন। এ ছাড়াও তিনি গতকাল শুক্রবার রাতে নবাবগঞ্জের ৭ বছরের শিশু হত্যার ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানান।

  • আলভির স্ত্রী আত্মহত্যার নেপথ্যে কী? জানালেন ইকরার বান্ধবী

    আলভির স্ত্রী আত্মহত্যার নেপথ্যে কী? জানালেন ইকরার বান্ধবী

    ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরা মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছেন, ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সময় জাহের আলভী নেপালে শুটিংয়ে ছিলেন। তার আত্মহত্যার খবরে শোকের ছায়া নেমেছে শোবিজ অঙ্গনে।

    এদিকে, ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার কারণ জানিয়ে ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন তার বান্ধবী নিলুফা ইয়াসমীন।

    পাঠকদের জন্য নিচে নিলুফার সেই পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল-

    ইকরা আমার ইউনিভার্সিটি লাইফের ফার্স্ট ফ্রেন্ড। ও আমার ক্লাসমেট ছিল। ওর আর আমার একই দিনে ক্লাস শুরু হয়। প্রথম দিনই আমি ওর সাথে বসেছিলাম ক্লাসে। ওর বাসা ছিল মোহাম্মদপুর, আর আমি থাকতাম ফার্মগেট।

    আসাদগেট থেকে দুজন একসাথে ক্যাম্পাসের বাসে যাওয়া আসা করতাম। আমার বাসে উঠলে মাথা ঘুরাতো এজন্য ইকরার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে থাকতাম সারা রাস্তা। তারপর ইকরা, স্বর্না আর আমার ফ্রেন্ডশিপ শুরু। আমরা তিনজন একসাথে বসতাম অলওয়েজ। সবাই আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করত, আমাদের ক্ষ্যাপাতো তিন ‘ব্রেস্টফ্রেন্ড’ বলে।

    ইকরার একটা স্বভাব ছিল যে ও কখনো আমাকে আর স্বর্নাকে অন্য কারো সাথে তেমন মিশতে দিত না। ও চাইতো শুধু ওর ফ্রেন্ড হয়েই থাকি। এই একটা কারনে ইউনিভার্সিটির মাঝামাঝিতে গিয়ে ইকরা আমাদের সাথে না থাকলেও আমাদের আর তেমন স্ট্রং ফ্রেন্ডশীপ গড়ে উঠে নাই ক্লাসে কারো সাথে। ইকরার মোহাম্মদপুরের বাসায় আমি আর স্বর্না গিয়ে থাকছি, আন্টি আমাদের রান্না করে খাওয়াইছে।

    গণরুমে প্রথম উঠলাম ১০১ নম্বার রুমে। স্বর্না ছিল ১০২ নম্বার রুমে। তখন ইমু ছিল আমার বেডমেট। ইকরার বাসা ঢাকায় হওয়াতে ওকে গণরুমে সিট দেয়া হচ্ছিল না। আমি হল সুপারকে অনেক রিকুয়েস্ট করে ইকরাকে বানালাম আমার বেডমেট। ইমু দুই সিটের রুম পেয়ে চলে গেল। এরপর আমরা ২০১ নং গণরুমে চলে গেলাম। পাশাপাশি বেডে একটাতে থাকতাম আমি আর ইকরা, আরেক বেডে থাকত স্বর্না আর সানিয়া।

    ইকরা ছিল খুব ডেয়ারিং একটা মেয়ে। আমি বা স্বর্না যা করতে পারতাম না দুম করে ইকরা সেটা করে ফেলতো। ইকরা আর আলভি পড়ত রাইফেলসে। স্কুল লাইফ থেকেই ওদের প্রেম ছিল। আলভি মাঝে মাঝে আসতো ক্যাম্পাসে। ইকরা আমার বেডমেট হওয়াতে ইকরা আলভির অনেক কিছুই শেয়ার করত। বিশেষ করে ওদের ঝগড়া হলে ইকরা আমাকে অনেক ম্যাসেজ দেখাত যে ম্যাসেজগুলো দেখে কখনোই আমার মনে হইতো না বিন্দুমাত্র রেসপেক্ট ইকরার প্রতি তার ছিল।

    যাইহোক, এরপরের দুই বছরের ঘটনা ক্যাম্পাসের অনেকেই জানে, অনেকেই জানে না। সেসব লিখতে গেলে অনেক বড় হয়ে যাবে পোস্ট। ইকরা কখনো রিক্সা ভাড়া দিত না আমাদের সাথে রিক্সায় উঠলে, কারন ও টাকা সেভ করতো আলভীর সাথে ডেটে যাওয়ার জন্য। একটা মানুষকে পাওয়ার নেশা ওর মধ্যে এতই বেশি ছিল যে পড়ালেখাটা ওর কাছে মুখ্য বিষয় ছিল না। আল্টিমেটলি ইকরা ফেইল করল, রিপিট করল জুনিয়র ব্যাচের সাথে। ততদিনে ইকরা আলভির বিয়ে হয়েছে (কিভাবে বিয়ে হয়েছে তা আমি, স্বর্না, সানিয়া ছাড়া ক্যাম্পাসের হাতে গোনা ২/১ জন জানে হয়তো)।

    ইকরা জুনিয়র ব্যাচে যাওয়ার পরে আমাদের সাথে দূরত্ব বাড়ে। ও তখন হলেও থাকত না ঠিকমত। তখন পূজা হলো আমার বেডমেট। ইকরার সাথে আলভির বিয়ের আগেই আলভি একটা রিয়েলিটি শো-এর মাধ্যমে মিডিয়া জগতে পা রাখে। তখনও একবার ওদের সিরিয়াস ব্রেক আপ হইছিল, কেন হইছিলো সেটা আপনারা বুঝলে বুঝ পাতা, না বুঝলে তেজপাতা। অথচ ইকরা ছোটবেলা থেকেই মিডিয়াতে কাজ করত। একুশে টিভিতে মুক্ত খবর পড়ত, আমাকে আর স্বর্নাকে অনেকবার একুশে টিভিতে নিয়ে গেছে।

    ইকরা অনেক আগে থেকেই সেলিব্রেটি ছিল। ইকরা চাইলে মিডিয়াতে আরও অনেক উপরে উঠতে পারত। ওর মধ্যে যথেষ্ট ট্যালেন্ট ছিল। ইকরা খুব ভাল করেই জানত মিডিয়া পাড়ায় কি হয়। কিন্তু বিয়ের পরে ওর জগতটা ছিল আলভীকে ঘিরেই এবং আলভীর ক্যারিয়ার সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট সাপোর্ট দিয়ে গেছে। এরপর বাচ্চা হইল। সোস্যাল মিডিয়াতে ওর নিয়মিত সুন্দর সুন্দর পোস্ট, ওদের এনিভার্সারিতে ওদের লাভস্টোরি লেখা, ভিডিও দেখে হাজার হাজার মানুষ প্রশংসা করত। বাট এইসব গল্পের পিছনেও অনেক গল্প ছিল যেগুলো অনেকেই জানত, অনেকেই জানতো না।

    আলভীকে বিয়ের ঠিক কয়েকদিন আগেও একবার টিএসসিতে ঝগড়া করার সময়ে ইকরা সেন্সলেস হয়ে গেছিল। ইকরা চাইলেই পারত রিজিককে নিয়ে আলাদা হয়ে যেতে, হয়নি। কারন মেয়েরা আসলে স্বামীর ভাগ কাউকে দিতে চায় না।

    আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না তবে এইটুকু বলতে পারি ইকরা সুইসাইড করার মত মেয়ে না। ওর লাইফে অনেক স্ট্রাগল ছিল। যেহেতু ওর বাবা মা আলাদা থাকত। ওর পুরো পৃথিবীতে ওর একটাই মানুষ ছিল আলভি। ওকে শুধু ভাঙতে পারতো এই একটা মানুষ। আমি বা আমরা অনেকেই জানিনা কেন ও এই ছেলের জন্য এত ক্রেজি ছিল। একটা মেয়ে সব ছেড়ে দিয়েছিল শুধু একজনের সাথে হ্যাপি থাকার জন্য। রিজিকের জন্মের পরে ও পুরো সংসারীই হয়ে গেছিল।

    ইকরাকে অনেকদিন আগেই মানসিকভাবে মেরে ফেলা হইছিল। শারীরিকভাবে ও নিজেকে মারছে নাকি ওকে মেরে ফেলা হইছে সেটা তদন্ত করা খুব জরুরী। একটা মানুষ সব এক্সপোজ করবে বলে পোস্ট দিলো এরপর সে গলায় ফাঁসি নিলো এটা আপনাদের কাছে রহস্যজনক মনে হয় না? যদিও তদন্ত হবে না জানি। কারন ইকরার ফ্যামিলিতে এমন কেউ নাই যে এসব নিয়ে লড়বে। ওর কোনো ভাই বোনও নাই। ও একমাত্র সন্তান ছিল।

    রিজিকের কথা ভেবে ইকরার আরও স্ট্রং থাকা উচিত ছিল। যদিও স্ট্রং মানুষেরাও মাঝে মাঝে স্ট্রং থাকতে পারে না। ১২ বছর আগেই ওর বুঝা উচিত ছিল যে একবারের জন্য বিশ্বাসঘাতক সে সব সময়ের জন্য বিশ্বাসঘাতক। ভালোবাসা দিয়ে কাউকে ভালো করা যায় না এটা ইকরা আজকে জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেল। আরও অনেক কিছুই প্রকাশ্যে আসবে অপেক্ষা করেন।

    আমি আর স্বর্না ইকরাকে মাঝে মাঝেই দোষ দিতাম ওর জন্য আমাদের কোনো বেস্ট ফ্রেন্ড হয় নাই বলে। বাট আজকে ইকরা সব দোষত্রুটির উর্ধ্বে চলে গেছে। মানুষ চলে গেলে তার সাথে সুখের স্মৃতিগুলোই বেশি মনে পড়ে।

    পূজার এক্সিডেন্টের পরে অনেক দিন সময় লেগেছিল আমার স্বাভাবিক হতে। যদিও ইকরার সাথে শেষ পর্যন্ত পূজার মত এতটা যোগাযোগ ছিল না আমার। কিন্তু ইকরার সাথে আমার অনেক গুড মেমরিজ আছে। শুধু ও নাই এটা মেনে নিতে কষ্ট হইতেছে।

    ইকরার আপডেট : কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাস্পাতালে নেয়া হচ্ছে। জানাজা হবে ময়মনসিংহতে। ইকরার দেশের বাসায়। আহ ইকরা!

  • জাতিসংঘে ইরানের পাঠানো সেই চিঠিতে কী আছে

    জাতিসংঘে ইরানের পাঠানো সেই চিঠিতে কী আছে

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিকে একটি চিঠি লিখেছেন, যেখানে তিনি জানিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ ইরানের কাছে “বৈধ সামরিক লক্ষ্য” হিসেবে বিবেচিত হবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা IRIB নিউজ এজেন্সি–এর রিপোর্ট অনুযায়ী, চিঠিতে উল্লেখিত মূল বিষয়গুলো হলো—

    ইরান আক্রমণ অব্যাহত থাকাকালীন তার “স্ব-রক্ষার অধিকার” পূর্ণ ও সিদ্ধান্তমূলকভাবে প্রয়োগ করবে।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা হলো জাতিসংঘ চার্টার–এর অনুচ্ছেদ ২, ধারা ৪–এর স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আগ্রাসনের উদাহরণ।

    এই আগ্রাসনার জবাবে ইরান তার স্ব-রক্ষার অধিকার ব্যবহার করবে, যা জাতিসংঘ চার্টারের আর্টিকেল ৫১–এর আওতায় বৈধ।

    ইসলামিক রিপাবলিকের সশস্ত্র বাহিনী সব প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা সামর্থ্য ও অবকাঠামো ব্যবহার করবে আগ্রাসন রোধ এবং শত্রুৎমূলক কার্যক্রম নিরসনে।

    ফলস্বরূপ, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সকল শত্রু ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ ইরানের দৃষ্টিতে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে এবং দেশটি তার স্ব-রক্ষার অধিকার অব্যাহতভাবে প্রয়োগ করবে যতক্ষণ না আগ্রাসন সম্পূর্ণ ও শর্তবিহীনভাবে থেমে যায়।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চিঠি ইরানের অবস্থানকে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    সূত্র- আলজাজিরা।

  • খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন

    খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্র। তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ খামেনির মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছে। তবে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ ও মেহের নিউজ জানিয়েছে, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখনো বেঁচে আছেন এবং তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, রয়টার্স ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সঙ্গে ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর সম্পূর্ণ বিপরীত। চ্যানেল-১২ এর আগে তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে। তিনি তার প্রাসাদের কমাউন্ডে প্রাণ হারিয়েছেন। সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে ইরানি উদ্ধারকারীরা।

    এদিকে শনিবার সকালের দিকে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য বড় হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস পরবর্তীতে স্যাটেলাইটের একটি ছবি প্রকাশ করে। এতে দেখা গেছে খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • কবে চালু হচ্ছে ভারতের ভিসা, যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    কবে চালু হচ্ছে ভারতের ভিসা, যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা খুব শীঘ্রই চালু হবে। এরইমধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। ভিসা চালুর বিষয়ে তারা ইতিবাচক।

    শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের খোয়াড় গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মাঝে অনুদান বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

    শামা ওবায়েদ বলেন, ‘খুব দ্রুত যাতে ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং বাংলাদেশের নাগরিকরা যাতে ভারতে যেতে পারে সে বিষয়ে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।’

    এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

    কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

    পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম খান কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয় কর্তৃপক্ষ। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

    শফিকুল ইসলাম খান উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাবিবুর রহমান খানের ছেলে এবং দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।

    পটুয়াখালী জেলা কারাগারের নিয়োজিত চিকিৎসক ডা. মো. জিয়া বলেন, শফিকুল ইসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে বরিশাল এবং পরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে পুনরায় পটুয়াখালীতে আনা হয়। বেশ কিছুদিন ধরেই তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

    তিনি আরও জানান, শুক্রবার বিকেলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেলার মো. আব্দুর রব মিয়া বলেন, তার হার্টে ব্লক ছিল। নিয়মিত চিকিৎসার জন্য বাইরে পাঠানো হতো। শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৪টা ২০ মিনিটে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে বরিশালে পাঠানো হলে সেখানেই তিনি মারা যান। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    কারাগার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১১ আগস্ট তাকে পটুয়াখালী জেলা কারাগার-এ পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা ছিল।

  • জানেন এবার হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম যত হলো?

    জানেন এবার হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম যত হলো?

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা এবং সাময়িক সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার প্রভাবে বৈশ্বিক তেলের বাজারে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ফিউচার ২৪ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭০.৫৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২৮ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৫.৪৭ ডলারে লেনদেন হয়।

    পরে ডব্লিউটিআইয়ের দাম আরও বেড়ে ১.১৬ ডলার বা ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৬.৩৫ ডলারে দাঁড়ায়।

    বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ প্রভাবিত হতে পারে, যা বাজারে অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

    নিসান সিকিউরিটিজের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, উত্তেজনা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ সশস্ত্র সংঘাতের সম্ভাবনা কম। তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অপরিশোধিত তেলের দামে তীব্র বৃদ্ধি চান না। সামরিক পদক্ষেপ হলেও তা সীমিত ও স্বল্পমেয়াদি হতে পারে।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটি মঙ্গলবার সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে কয়েক ঘণ্টার জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছিল। জলপথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।