News24x7

  • আলোচনার প্রস্তাবে যে সারা দিল ইরান

    আলোচনার প্রস্তাবে যে সারা দিল ইরান

    দুই দফা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর আলোচনার পথে হাঁটছে না ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আলোচনার প্রস্তাবের খবর সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে তেহরান।

    ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসছে না ইরান। তার বক্তব্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটি কেবল আত্মরক্ষায় মনোযোগী। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই যুদ্ধ শুরু করেনি ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

    গত কয়েক দিন ধরে ইরানের শীর্ষ পর্যায় থেকে যে বার্তাগুলো আসছে, তার সারাংশও প্রায় একই। তেহরান নিজেদের অবস্থানকে প্রতিরক্ষামূলক বলেই তুলে ধরছে।

    কূটনৈতিক পদক্ষেপের প্রশ্নে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানান, তারা ইতোমধ্যে দুবার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সুযোগ দিয়েছিল। প্রথমবার ২০২৫ সালের আলোচনার সময়, যা যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের হামলায় বাধাগ্রস্ত হয়।

    দ্বিতীয়বারও একই চিত্র দেখা গেছে বলে দাবি তেহরানের। ইরান যখন যুক্তরাষ্ট্র, আইএইএ -এর সঙ্গে নতুন দুই দফা আলোচনার অপেক্ষায় ছিল, ঠিক তখনই দেশটি আবার আক্রমণের শিকার হয়।

    এ অবস্থায় কূটনৈতিক অচলাবস্থার কোনো সমাধান আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। আপাতত তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, আলোচনার টেবিল নয়, এখন তাদের অগ্রাধিকার আত্মরক্ষা।

  • যুদ্ধের মধ্যে কাতারের নতুন সিদ্ধান্ত, মুহূর্তে বিপর্যয়ের মুখে শক্তিধর

    যুদ্ধের মধ্যে কাতারের নতুন সিদ্ধান্ত, মুহূর্তে বিপর্যয়ের মুখে শক্তিধর

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবের কারণে কাতার সাময়িকভাবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন স্থগিত করেছে। এর ফলে ইউরোপজুড়ে গ্যাসবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) ইউরোপের কয়েকটি প্রধান দেশে গ্যাসের দাম হঠাৎ করেই প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়, যা জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এবং Euronews–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস বাজার যুক্তরাজ্য ও নেদারল্যান্ডসে মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্কটল্যান্ডভিত্তিক জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান Wood Mackenzie–এর গ্যাস ও এলএনজি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট Massimo Di Odoardo জানান, এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় খুব শিগগিরই এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে গ্যাস আমদানি নিয়ে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

    আইসিইর তথ্য অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডসের বেঞ্চমার্ক গ্যাস বাজারে প্রতি ১০ লাখ ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) গ্যাসের দাম বেড়ে ১৫ দশমিক ৯২ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (বিটিইউ) হলো এমন একটি পরিমাপ একক, যা প্রায় অর্ধ লিটার পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি ফারেনহাইট বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ নির্দেশ করে এবং আন্তর্জাতিক গ্যাস বাণিজ্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

    একই সময়ে এশিয়ার বাজারেও এলএনজির মূল্য প্রায় ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ১০ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৬৮ মার্কিন ডলার। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পরপরই গ্যাসের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়, যা পরে আরও বৃদ্ধি পায়।

  • ১২ কেজি সিলিন্ডার এলপিজির দাম চূড়ান্ত

    ১২ কেজি সিলিন্ডার এলপিজির দাম চূড়ান্ত

    চলতি মার্চ মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সোমবার (২ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, মার্চ মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকাই থাকছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই এই নির্ধারিত দাম কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা এই মাসেও বহাল রাখা হয়েছে।

    মার্চ মাসেও ভোক্তাদের ১ হাজার ৩৪১ টাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ক্রয়ের সুবিধা বহাল থাকছে। বিইআরসি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সারা দেশে নতুন এই দাম কার্যকর হবে। সকল ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলারকে এই নির্ধারিত মূল্য অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে দাম ১৫ টাকা কমানোর পর বাজার স্থিতিশীল রাখতে মার্চ মাসে আর কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এতে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর নতুন করে কোনো আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে না।

  • জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ হলেন যারা

    জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ হলেন যারা

    জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও ৬ জন হুইপ নিযুক্ত করা হয়েছে। বরগুনা-২ (বেতাগী-বামনা-পাথরঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলামকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিযুক্ত করা হয়েছে।

    আজ সোমবার (২ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। আরেক প্রজ্ঞাপনে হুইপ হিসেবে ৬ জন সংসদ সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    চিফ হুইপের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, The Bangladesh (Whips) Order, ১৯৭২ (P) 64 of 1972) এর Article 3(1) এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ১১০ বরগুনা-২ আসনের মো. নূরুল ইসলামকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত করিলেন।

    আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, The Bangladesh (Whips) Order, ১৯৭২ (P.) 64 of 1972) এর Article 3(1) এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ৬ সংসদ সদস্যকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিযুক্ত করিলেন।

    যেসব আসনের সংসদ সদস্যরা হুইপ হলেন, হবিগঞ্জ-৩ আসনের আলহাজ্ব মোঃ জি কে গউছ, খুলনা-৩ আসনের রকিবুল ইসলাম, শরীয়তপুর-৩ আসনের মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, নাটোর-২ আসনের এম গ্রহল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, দিনাজপুর-৪ আসনের মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া ও লক্ষীপুর-৪ এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান)।

  • অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা!

    অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা!

    অনেক মুসল্লিরই এক সাধারণ কিন্তু দুশ্চিন্তাজনক সমস্যা হলো— প্রস্রাব করার পর ভালোভাবে ঢিলা ব্যবহার করেও বারবার মনে হয়, যেন মূত্রফোঁটা বের হয়েছে! বিশেষ করে নামাজের সময় রুকু বা সিজদায় গেলে এই অনুভূতি আরও তীব্র হয়। তখন প্রশ্ন ওঠে— এই অবস্থায় নামাজ হবে কি না? নামাজ ভেঙে যাবে কি?

    আসুন জেনে নিই ইসলামি শরিয়তের আলোকে এর সুস্পষ্ট সমাধান—

    ►►করণীয় কী?আপনি যদি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জনের পরও বারবার এমন সন্দেহ অনুভব করেন, তবে শরিয়তের নির্দেশনা হলো:

    আরও পড়ুনঃ জামায়াত আমীরকে যে প্রস্তাব দিলো সেনা প্রধান
    ওযু করার পর লজ্জাস্থানে কিছু পানি ছিটিয়ে দিন

    তারপর আর্দ্রতা অনুভব হলেও সেটাকে আপনার ছিটানো পানি মনে করবেন

    বারবার যাচাই করতে যাবেন না

    নামাজের সময় মূত্রফোঁটার সন্দেহে ভ্রুক্ষেপ করবেন না

    হাদিসের দলিল

    আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন:

    “যখন এক ব্যক্তি তার এই সমস্যার কথা জানাল, তিনি বললেন—

    ‘তুমি ওযু করার পর তোমার লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে নেবে। অতঃপর যদি আর্দ্রতা অনুভব হয়, তবে সেটাকে তোমার ছিটানো পানির আর্দ্রতা মনে করবে।’”

    আরও পড়ুনঃ ১৬ বছরে রাজনৈতিক স্পেস না পাওয়া জামায়াতের এমন সমাবেশ ‘অবিশ্বাস্য’:হান্নান মাসউদ
    [মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ৫৮৩]

    তাহলে নামাজ ভাঙবে কি?

    না, শুধু সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা (অমূলক ধারণা) হলে নামাজ ভাঙবে না

    নিশ্চিতভাবে কিছু বের হওয়ার প্রমাণ না থাকলে ওযু ভঙ্গ হবে না

    ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব না দিয়ে নামাজ চালিয়ে যান— এটাই শরিয়তের নির্দেশ

    প্রামাণ্য বইগুলো যেখান থেকে এই মাসআলা এসেছে:

    মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক (৫৯৫)

    কিতাবুল আছল (১/৫৩)

    খুলাসাতুল ফাতাওয়া (১/১৮)

    আল-মুহিতুল বুরহানি (১/২১৮, ২৬৯)

    আরও পড়ুনঃ শহীদের আত্মত্যাগ বিক্রি করে ফায়দা লুটছে জামায়াত: মির্জা আব্বাস
    বাদায়িউস সানায়ি (১/১৪০)

    ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/৯)

    বিশেষ সতর্কতা: যেকোনো সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা শয়তানের পক্ষ থেকে হতে পারে। ইসলাম আমাদের শেখায়— অযথা সন্দেহে নামাজ বা ইবাদত নষ্ট না করে, বরং পরিষ্কার নিয়ম মেনে চলা উচিত।

    শান্ত মন, পবিত্র দেহ আর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে নামাজ আদায় করুন ইসলাম কখনো আপনাকে কষ্ট দিতে নয়, বরং স্বস্তি দিতেই নির্দেশনা দেয়।

  • এবার সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা সহ হোম লোন দিচ্ছে যে ব্যাংক

    এবার সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা সহ হোম লোন দিচ্ছে যে ব্যাংক

    আপনি কি নতুন বাড়ি নির্মাণ, সম্প্রসারণ, সংস্কার অথবা বাড়ির সৌন্দর্য বর্ধনের পরিকল্পনা করছেন? মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হোম ইকুইটি লোন (MTB Home Equity Loan) আপনাকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে। এখনই পেতে পারেন প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা, প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার এবং সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা।

    ঋণের বৈশিষ্ট্য:
    বাড়ি নির্মাণ, সম্প্রসারণ, সংস্কার, সামনের অংশের উন্নয়ন ও ফিনিশিং কাজের জন্য লোন।
    ঋণের পরিমাণ: ৫ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত।
    ঋণের মেয়াদ: ১ বছর থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত।
    সম্পত্তির মূল্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত অর্থায়ন।
    নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থ ছাড়ের সুবিধা।
    আংশিক উত্তোলনের সুবিধা।
    কো-আবেদনকারীর আয় বিবেচনায় নেওয়া হয়।
    প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার ও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ।
    আগাম বা আংশিক কিস্তি পরিশোধের সুযোগ।
    ঋণের পরিমাণ ও শর্তাবলী:
    সর্বনিম্ন ঋণ: ৫,০০,০০০ টাকা

    সর্বোচ্চ ঋণ: ২ কোটি টাকা অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ (যেটি কম হয়)
    সংস্কারের জন্য ঋণ: সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা বা LTV ৭০% (যেটি কম হয়)
    যোগ্যতা:
    যেকোনো আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তি
    বয়স: ২৫-৭০ বছর (লোনের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় পর্যন্ত প্রযোজ্য)
    ১০০% নগদ সুরক্ষিত ঋণের ক্ষেত্রে: বয়স ২১-৭০ বছর
    ন্যূনতম আয়:
    পেশা মাসিক ন্যূনতম আয়
    সরকারি কর্মচারী ২৫,০০০ টাকা
    বেতনে চাকরিজীবী ৪০,০০০ টাকা
    স্বনিযুক্ত / ব্যবসায়ী ৫০,০০০ টাকা
    অভিজ্ঞতা:

    চাকরিজীবী: কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা, যার মধ্যে অন্তত ৬ মাস স্থায়ী চাকরি থাকতে হবে।
    স্বনিযুক্ত / ব্যবসায়ী: একই পেশায় অন্তত ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

    ঋণ টেকওভার সুবিধা:
    অন্যান্য ব্যাংক থেকে হোম লোন ট্রান্সফার করে MTB-তে আনলে থাকছে বিশেষ সুবিধা।
    অন্তত ১২ মাসের কিস্তি পরিশোধের ইতিহাস থাকতে হবে।
    অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ।
    কোনো প্রসেসিং ফি নেই।
    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
    পূরণকৃত ঋণ আবেদনপত্র
    জাতীয় পরিচয়পত্র / ড্রাইভিং লাইসেন্স / পাসপোর্টের কপি
    পাসপোর্ট সাইজের ছবি
    চাকরিজীবীদের জন্য বেতন সনদ
    ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স
    এক বছরের ব্যাংক হিসাব বিবরণী
    টিআইএন সার্টিফিকেট
    বিদ্যমান ঋণের অনুমোদনপত্র ও পরিশোধের তথ্য
    ভাড়া চুক্তিপত্র ও মালিকানার দলিল
    সম্পত্তির মালিকানার দলিল এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দলিল

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হোম ইকুইটি লোন আপনার স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণে সত্যিকারের সঙ্গী হতে পারে। এখনই যোগাযোগ করুন আপনার নিকটস্থ MTB শাখায় এবং শুরু করুন নতুন জীবনের যাত্রা।বাংলাদেশ সংবা

  • হঠাৎ এক লাফে যত বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

    হঠাৎ এক লাফে যত বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে এক লাফে ১০ শতাংশ দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড রোববার ওভার-দ্য-কাউন্টার লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

    বর্তমানে এ দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। শুক্রবার এটি ৭৩ ডলারে উঠে জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ফিউচারস লেনদেন বন্ধ রয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায়, তবে দাম আরো দ্রুত বাড়তে পারে।

    জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলা তেলের দামের পক্ষে সহায়ক হলেও মূল বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য বন্ধ হয়ে যাওয়া।

    রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়। বাণিজ্যিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর বেশিরভাগ ট্যাংকার মালিক, তেল কম্পানি ও ট্রেডিং হাউস ওই পথ দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে।

    পারমার জানান, প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে।

    অন্যদিকে তেল উৎপাদক জোট ওপেক প্লাস এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিমাণ বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য (০ দশমিক ২ শতাংশেরও কম)।

    নরওয়ে-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেস্টার্ড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জে লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহারের পরও দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, বাজার চালু হলে দাম প্রায় ৯২ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

  • সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রত্যাশিত নবম পে স্কেল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। সম্প্রতি অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি জানিয়েছেন, নতুন সরকারের পরিকল্পনায় পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি রয়েছে।

    গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে স্কেলের সুবিধা পাবেন, তবে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে। যদিও বৈঠকে বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

    প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপসচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠক শেষে এম এ হান্নান জানান, প্রতিমন্ত্রী কর্মচারীদের দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলেই ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে। তবে সব কিছু তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা সম্ভব নয়, এজন্য সময় লাগবে এবং কর্মচারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান Tareque Rahman ঘোষণা দেন, নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়মতো নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।

    এদিকে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে গত বছরের ২৭ জুলাই ২১ সদস্যের একটি বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল এবং চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তারা সুপারিশমালা সরকারের কাছে জমা দেয়।

    অন্যদিকে, নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

    গত ২০ ফেব্রুয়ারি সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্য দূর করা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন পে স্কেলের দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা প্রত্যাশিত সুবিধা পাননি। পরবর্তীতে স্মারকলিপি প্রদান, আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এক দশকের বেশি সময় ধরে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের ওপর আর্থিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    সংগঠনের নেতাদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে ছয় সদস্যের একটি পরিবারের ব্যয় নির্বাহ এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।

    সরকারি আশ্বাসের পরও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—

    ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান

    একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে দাবিপত্র উপস্থাপন

    পুরো রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ, মতবিনিময় সভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা

    সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু না হলে ঈদুল ফিতরের পর ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    রমজান মাসজুড়ে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনার অনুলিপি পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিঠি জারি করা হতে পারে।

    রমজানে স্কুল বন্ধ রাখা হবে, নাকি এ নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে—তা নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা নির্দেশনার বিষয়ে অবগত থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আগামী সোমবার বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানানো হবে।

    রোববার দুপুরে বিচারপতি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

    রিট আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নোটিশ পাঠানো হয়।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রথা চালু রয়েছে, যা আইন, নীতি ও রীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছু করা যায় না এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদে ‘আইন’ বলতে প্রথা ও রীতিকেও বোঝানো হয়েছে। সে বিবেচনায় রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলা হয়।

    নোটিশে আরও বলা হয়, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে অংশ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হতে পারে, ফলে ধর্মীয় অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি রমজানে বিদ্যালয় খোলা থাকলে শহরাঞ্চলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    নোটিশের জবাব না পাওয়ায় পরবর্তীতে রিট দায়ের করা হয়।

  • ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনায় জামানত ছাড়াই ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ঋণ দেবে ব্যাংক। এই ঋণের সুদহার পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা সার্কুলারে পরিবেশবান্ধব খাতে বিদ্যমান ৪০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ফ্ল্যাট কেনায় ঋণের বিষয়টি নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনার ঋণে ১৮ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পাবেন। অর্থাৎ কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে দেড় বছর পর থেকে। ব্যক্তির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ইউনিট সমন্বিত বহুতল বিশিষ্ট পরিবেশবান্ধব আবাসন নির্মাণেও ঋণ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আবাসন কোম্পানি ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। কোম্পানির জন্যও সুদহার, ঋণের মেয়াদ ও গ্রেসপিরিয়ড হবে অভিন্ন।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়, পরিবেশবান্ধব খাতে চুক্তিবদ্ধ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এতদিন চার শতাংশ সুদে তহবিল পেত। এখন পাবে তিন শতাংশ সুদে। ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ সুদে ঋণ দেবে।

    এক্ষেত্রে পাঁচ বছরের কম মেয়াদি ঋণে সর্বোচ্চ সুদ হার হবে পাঁচ শতাংশ, পাঁচ থেকে আট বছরের কম মেয়াদে সাড়ে পাঁচ শতাংশ এবং আট বছরের বেশি মেয়াদে ছয় শতাংশ।

    এছাড়া পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় বনায়ন (সামাজিক, সমন্বিত বা কৃষি), ছাদের কৃষি বা উল্লম্ব চাষ বা বাগান, বায়োফ্লক মাছ চাষ, জৈব চাষ, খাঁচায় মাছ চাষ, কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদনেও ঋণ দেবে ব্যাংকগুলো।