News24x7

  • বাংলাদেশের কাছে কী চায় ইরান, জানালেন রাষ্ট্রদূত

    বাংলাদেশের কাছে কী চায় ইরান, জানালেন রাষ্ট্রদূত

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা চালাচ্ছে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। হতাহত হয়েছেন বহু ইরানি বেসামরিক নাগরিক। এই পরিস্থিতিতে ওআইসি ও ন্যাম সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ইরানে আগ্রাসী হামলাকারীদের সরাসরি নিন্দা করবে- এমন প্রত্যাশা করে দেশটি।

    বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকার ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রত্যাশার কথা জানান ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী।

    ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ। একই সঙ্গে ওআইসি ও জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) সদস্য। সেই হিসেবে একটি আগ্রাসী শক্তিকে সরাসরি নিন্দা বা এর প্রতিবাদ করবে, এমনটাই আমরা আশা করি।

    ইরান দীর্ঘমেয়াদে এ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ড্রোন ও মিসাইলসহ প্রয়োজনীয় সামরিক শক্তি রয়েছে। আমরা অন্য কোনো দেশের কাছ থেকে লজিস্টিক সাপোর্ট চাই না। আমরা শুধু চাই, একটি মুসলিম দেশ আক্রান্ত হলে অন্য মুসলিম দেশগুলো তার প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন প্রকাশ করুক।

    ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কত সংখ্যক বাংলাদেশি ইরানে আছে তার সঠিক পরিসংখ্যান এই মুহূর্তে আমার হাতে নেই। তবে আমি এতটুকু জানি, তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে। যখনই কোনো ধরনের সহযোগিতা চাওয়া হবে বা কোনো বিষয় ইরান সরকারকে জানানো হবে, অবশ্যই সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ ও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ‘আমরা ইরানি বা বিদেশি- এভাবে পার্থক্য দেখি না। আমাদের দেশে বর্তমানে যারা অবস্থান করছেন, তাদের যেকোনো সমস্যায় সমাধানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সমানভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে’- এমন প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন জলিল রহিমী জাহানাবাদী।

  • টানা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

    টানা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

    আসন্ন ঈদুল ফিতরে নাড়ির টানে বাড়িফেরা মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে এক দিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ফলে আগামী ১৬ মার্চ অফিস করেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে।

    সরকারি ছুটির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি। আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস হবে ১৬ মার্চ।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হবে বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। এর ফলে ১৬ মার্চ অফিস করেই শুরু হবে ঈদ ছুটি।

    এদিকে ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন ঈদের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি রয়েছে।

    ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ঈদের ছুটির পরেও টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

  • ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকলেই আপনি পাবেন ২৭ লাখ টাকা ঋণ

    ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকলেই আপনি পাবেন ২৭ লাখ টাকা ঋণ

    স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য বাড়ি নির্মাণে বড় সুখবর এনেছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি)। ‘স্বপ্ননীড়’ নামের নতুন একটি পণ্যের আওতায় এখন এক হাজার বর্গফুটের গৃহ নির্মাণে সর্বোচ্চ ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। এ পণ্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ১৯ মার্চ।বাংলাদেশের রাজনীতি

    এই ঋণ পেতে গ্রাহকের ন্যূনতম ১০ শতাংশ অর্থ নিজস্ব তহবিলে থাকতে হবে। অর্থাৎ, ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকলে আপনি ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পেতে পারেন। এটি শুধু একটি বাড়ি নয়, স্বপ্নপূরণের একটি সুযোগ।

    সুদহার ও কিস্তি বিশ্লেষণ:
    এই ঋণের সুদহার এলাকা অনুযায়ী ভিন্ন হবে।

    ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটির বাইরে:
    বার্ষিক সুদ: ৮%
    ২৫ বছর মেয়াদে প্রতি লাখে মাসিক কিস্তি: ৭৭১.২০ টাকা
    ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটির মধ্যে:
    বার্ষিক সুদ: ৯%
    ২৫ বছর মেয়াদে প্রতি লাখে মাসিক কিস্তি: ৮৩৯.২০ টাকা
    অতিরিক্ত ঋণের সুবিধা:
    ‘স্বপ্ননীড়’ পণ্যের আওতায় গ্রহীতারা বহুতল ভবনের একক ইউনিট নির্মাণের জন্য আরও একটি ঋণ নিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ঋণ মিলবে।

    এই পণ্যের আওতায় আবেদনকারীরা আবেদন ও পরিদর্শন ফিতে বিশেষ ছাড় পাবেন। অন্যান্য ঋণে যেখানে প্রতি হাজারে ৬ টাকা ফি দিতে হয়, সেখানে ‘স্বপ্ননীড়’ পণ্যের জন্য সেই ফি মাত্র ৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উদ্বোধনী বক্তব্য ও উদ্দেশ্য:
    রাজধানীর বিএইচবিএফসি ভবনে এ পণ্যের উদ্বোধন করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, নিবন্ধিত স্বাস্থ্যকর্মী, ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং অন্যান্য স্বল্প আয়ের চাকরিজীবীরা এই পণ্যের মাধ্যমে গৃহ নির্মাণে বাস্তব সহায়তা পাবেন।

    বিএইচবিএফসি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, এই অর্থায়ন সুবিধা সমাজের বিশেষ শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণে সহায়তা করবে।

    বিএইচবিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল মান্নান তাঁর বক্তব্যে বলেন, স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে স্বপ্ননীড় পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    ৭০ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে আবাসন সহায়তায় বিএইচবিএফসি:
    গৃহ নির্মাণে ঋণ ও বিনিয়োগ সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি বিশেষায়িত সংস্থা বিএইচবিএফসি। সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে এই সংস্থা আবাসন খাতে সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে আসছে। ‘স্বপ্ননীড়’ বিএইচবিএফসির ১২তম পণ্য, যা আবাসন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

  • বড় সুখবর সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য, এবার অভিনব এক স্কিম

    বড় সুখবর সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য, এবার অভিনব এক স্কিম

    এবার অভিনব একটি স্কিম নিয়ে এসেছে সোনালী ব্যাংক। এই স্কিমে টাকা জমা রাখলেও পাওয়া যাবে তিন গুণ মুনাফা! সোনালী ব্যাংকের ট্রিপল বেনিফিট স্কিম দিচ্ছে এই সুবিধাঠিক কীভাবে পাওয়া যাবে এই তিন গুণ মুনাফা সেটা এবার দেখে নেয়া যাক। এককালীন এই স্কিমে টাকা জমা রাখতে হবে কমপক্ষে ৫০ হাজার বা এর গুণিতক হিসেবে। প্রাপ্য মুনাফার হার থাকবে ৯ শতাংশ (চক্রবৃদ্ধি হারে)। পূরন মেয়াদে অর্থাৎ ১২ বছর ৯ মাসে এই স্কিমের টাকার পরিমাণ হবে তিন গুণ।

    ট্রিপল বেনিফিট স্কীম (TBS) Triple benefit scheme: সময় কাল: মুনাফার হার ৯.০০% (চক্রবৃদ্ধি) ৬ মাস পূর্তিতে ৩.০০% সরল মুনাফা। ১ বছর পূর্তিতে ৩.৫০% সরল মুনাফা। ২ বছর পূর্তিতে ৪.০০% সরল মুনাফা। ৩ বছর পূর্তিতে ৪.৫০% সরল মুনাফা। ৪ বছর পূর্তিতে ৫.০০% সরল মুনাফা। ৫ বছর পূর্তিতে ৫.৫০% সরল মুনাফা। তবে সময়ের সাথে সাথে মুনাফার হারও বাড়তে থাকবে। ৬ বছর পূর্তিতে ৬.০০% সরল মুনাফা।

    ৭ বছর পূর্তিতে ৬.৫০% সরল মুনাফা। ৮ বছর পূর্তিতে ৭.০০% সরল মুনাফা। ৯ বছর পূর্তিতে ৭.৫০% সরল মুনাফা। ১০ বছর পূর্তিতে ৮.০০% সরল মুনাফা। ১১ বছর পূর্তিতে ৮.৫০% সরল মুনাফা। ১২ বছর পূর্তিতে ৯.০০% সরল মুনাফা। ১২ বছর ৯ মাস পূর্তিতে ৯.০০% চক্রবৃদ্ধি মুনাফা। এই স্কিমে টাকা রেখে তিন গুণ টাকা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অবশ্য বেশ কিছু শর্তও রয়েছে।

    সে কর এবং আবগারী শুল্ক আমানতকারীর হিসাব হতে কর্তন করা হবে। মেয়াদ উত্তীর্ণের পূর্বে টিবিএস হিসাব ভাঙলে উপরল্লিখিত মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে তবে পূর্বে খোলা হিসাব সমূহের নীতিমালা সংশ্লিষ্ট সারকুলার/পরিপত্র অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

    শুধু তাই নয়, অন্যান্য শর্তের মধ্যে রয়েছে, হিসাব খোলার নিয়মাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ পূর্বক প্রতিষ্ঠানের নামেও এ হিসাব খোলা যাবে। মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার পরিমাণ হ্রাস/ বৃদ্ধি পেলে শাখায় সুদ হিসাব সমন্বয়ের মাধ্যমে আমানতকারীকে বিধি মোতাবেক প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি নির্দলীয়? যা জানা গেল

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি নির্দলীয়? যা জানা গেল

    স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরে দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে নির্বাচন করতে ২০১৫ সালে আইন সংশোধন করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এ জন্য স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় পাঁচটি আইন সংশোধন করা হয়।

    যদিও অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বাতিল করে।

    সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ অধ্যাদেশ আইন আকারে পাস হবে কি না; এবং তাতে দলীয় প্রতীক ও পরিচয় থাকছে, নাকি বাতিল হচ্ছে—সেটির অপেক্ষায় রয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দলীয় প্রতীকে সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদ থেকে নির্ধারণ করা হবে।

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হয় ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর। তৃতীয় ধাপে ১০০৪টি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় একই বছর ২৮ নভেম্বর।

    চতুর্থ ধাপে নির্বাচন হয় একই বছর ২৭ ডিসেম্বর। সেদিন দেশের ৮৩৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চম ধাপে নির্বাচন হয় ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি। সেদিন নির্বাচন হয় ৭০৮টি ইউনিয়ন পরিষদে। ধাপে ধাপে এসব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

    দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার কারণে বিগত স্থানীয় নির্বাচনে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল কম। তা ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক বসানোর কারণে নাগরিক সেবা পেতেও ভোগান্তি হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

    সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হওয়ায় দেশের বিরাট ক্ষতি হয়েছে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে সহিংসতা বেড়েছে।

    দেশে যখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতো না, অনেক সম্মানিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেন। যেটা পরবর্তী সময়ে বন্ধ হয়ে গেছে। তা ছাড়া দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে বড় ধরনের মনোনয়ন–বাণিজ্য হয়েছে। অনেক ভালো প্রার্থী নির্বাচন করতে পারেননি। অযোগ্য ব্যক্তিরা স্থানীয় নির্বাচনে চলে এসেছেন।

    বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে প্রার্থী সংখ্যাও কমে গেছে। তাই স্থানীয় নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয় হওয়া উচিত।

  • দেশজুড়ে জরুরি নির্দেশনা জারি!

    দেশজুড়ে জরুরি নির্দেশনা জারি!

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশেও এর বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজ বুধবার (৪ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে একটি জরুরি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জানানো হয় যে, আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তার কারণে দেশে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। তবে পবিত্র রমজানে জনদুর্ভোগ এড়াতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মন্ত্রণালয় থেকে সাধারণ নাগরিকদের জন্য বেশ কিছু জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহার এবং সব ধরণের অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া জ্বালানি পাচার রোধে এবং কালোবাজারে ডিজেল-পেট্রল বিক্রি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার বৈশ্বিক এই সংকট মোকাবিলায় জনগণের ধৈর্য ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে।

    আমদানি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে জ্বালানি সরবরাহে সাময়িকভাবে কাটছাঁট বা সমন্বয় করা হতে পারে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কিছুটা প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অসাধু চক্র যাতে সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য খোলাবাজারে ড্রাম বা বোতলে ডিজেল ও পেট্রল বিক্রি বন্ধ করতে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি পাচার রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পুলিশ প্রশাসনকে সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। রমজানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমাতে অপ্রয়োজনীয় বাতি নেভানো এবং এসি ব্যবহারে পরিমিতিবোধ বজায় রাখার জন্য নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

    জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান উৎসের পাশাপাশি নতুন ও বিকল্প আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তেল আমদানির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বিপিসি।

  • দেশজুড়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি!

    দেশজুড়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি!

    সরকারি সেবাকে আরও গতিশীল এবং দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা আনতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক যুগান্তকারী নির্দেশনা জারি করেছে। এখন থেকে সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঠিক সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিসকক্ষে অবস্থান করা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তিগত কাজ বা অননুমোদিত সেমিনারের অজুহাতে এই সময়ে ডেস্কে অনুপস্থিত থাকা চলবে না।

    জনসেবা নিশ্চিত করতে এবং অফিসের কাজে গতি ফেরাতে সচিবালয় নির্দেশমালা ২০২৪ ও সরকারি কর্মচারী বিধিমালা ২০১৯ অনুযায়ী এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। অফিসের শুরুতেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোই এই পরিপত্রের মূল লক্ষ্য। দাপ্তরিক অন্যান্য কর্মসূচিও এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টুকুতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

    জরুরি সেবা এবং মাঠপর্যায়ের কাজের গুরুত্ব বিবেচনা করে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রের জন্য এই নিয়ম শিথিল রাখা হয়েছে। জনস্বার্থে যারা সরাসরি সম্পৃক্ত তাদের কাজের সুবিধার্থেই এই নমনীয়তা। শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক ও অনুষদ সদস্য যারা কোনো প্রশাসনিক দায়িত্বে নেই। হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদমাধ্যম বা নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রোস্টার ডিউটি পালনকারী কর্মী। জরুরি গ্রাহকসেবায় সরাসরি নিয়োজিত এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। ভিভিআইপি প্রটোকল প্রদান, আকস্মিক বড় দুর্ঘটনা মোকাবিলা বা অনুমোদিত সরকারি সফরের বিশেষ ক্ষেত্র।

    কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ছাড়া এখন থেকে অফিস চলাকালীন কর্মস্থল ত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করার মাধ্যমে প্রশাসনকে আরও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ফির বোঝা কমাতে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই নীতিমালায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় ‘পুনঃভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে অবশ্যই ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত টিউশন ফির বাইরে নতুন কোনো অজুহাতে বা খাত তৈরি করে বাড়তি অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি, দান বা অনুদান সরাসরি ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হলেও তা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং হিসাব খাতের কোনো পরিবর্তন বা নতুন খাত সংযোজন করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও আর্থিক অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সেহরির আগে স′হবাস করলে কি পরবর্তী রোজা সহীহ হবে, ইসলাম যা বলে

    সেহরির আগে স′হবাস করলে কি পরবর্তী রোজা সহীহ হবে, ইসলাম যা বলে

    রমজান মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসে দিনের বেলা রোজা রাখা ফরজ, আর রোজা রেখে স্ত্রী সহবাস করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কেউ রোজা রাখা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী সহবাস করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং এর পরিবর্তে কাজা ও কাফফারা ওয়াজিব হবে। তবে রমজানের রাতে অর্থাৎ সূর্যাস্তের পর থেকে সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত, স্ত্রী সহবাস করার বিধান রয়েছে।

    অনেকে মনে করেন, সাহরি খাওয়ার পর এবং রোজার নিয়ত করে ফেলার পর আর স্ত্রী সহবাস করা যাবে না। কিন্তু এই ধারণা সঠিক নয়। কারণ, রমজানের রাতে খাওয়া-দাওয়া এবং স্ত্রী সহবাস—দুটোই বৈধ যতক্ষণ না সুবহে সাদিক হয়ে যায়।

    আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন—

    “রমজানের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন (সহবাস) হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের জন্য পরিচ্ছদ। আল্লাহ জেনেছেন যে, তোমরা নিজদের সাথে খেয়ানত করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের তওবা কবুল করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। এখন তোমরা তাদের সাথে মিলিত হও এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা অনুসন্ধান কর। আর আহার কর ও পান কর যতক্ষণ না ফজরের সাদা রেখা কাল রেখা থেকে স্পষ্ট হয়। অতঃপর রাত পর্যন্ত রোজা পূর্ণ কর। আর তোমরা মসজিদে ইতেকাফরত অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে মিলিত হয়ো না। এটা আল্লাহর সীমারেখা, সুতরাং তোমরা তার নিকটবর্তী হয়ো না।” (সুরা আল-বাকারা: ১৮৭)

    আরও পড়ুন- রোজা রেখে সহবাস করা যাবে?

    অর্থাৎ, সুবহে সাদিকের আগে পর্যন্ত খাওয়া-দাওয়া ও স্ত্রী সহবাস উভয়ই হালাল।

    সাহরি খাওয়ার পরও, যদি সুবহে সাদিকের আগেই হয়, তাহলে স্ত্রী সহবাস করা সম্পূর্ণ বৈধ।

    তবে সুবহে সাদিকের পর, অর্থাৎ রোজা শুরু হয়ে গেলে, স্ত্রী সহবাস করলে রোজা ভেঙে যাবে এবং কাফফারা আদায় করতে হবে।

    ইতিকাফকারীদের জন্য, রমজানের রাতেও স্ত্রী সহবাস করা নিষিদ্ধ।

    রমজানের রাতগুলোর বিশেষ ফজিলত ও বরকত রয়েছে। তাই রাতের সময়টাকে ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনায় কাটানো উচিত। তবে দাম্পত্য সম্পর্কের হকও ইসলামে স্বীকৃত, তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বৈধভাবে স্ত্রী সহবাস করা কোনো সমস্যা নয়।

  • ব্রেকিং নিউজ : যতদিন বাড়বে ঈদের ছুটি

    ব্রেকিং নিউজ : যতদিন বাড়বে ঈদের ছুটি

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়তে পারে এমন আভাস পাওয়া গেছে। ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ছুটি বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। এমন একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

    আগামী ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঈদুল ফিতরের ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।

    বাৎসরিক ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ঈদুল ফিতরে ৫ দিন ছুটি নির্ধারিত আছে।

    চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুই দিনসহ মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সরকারিভাবে, ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকবে।

    এর আগে ১৭ মার্চ রয়েছে পবিত্র শবে কদরের ছুটি। মাঝে ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে। তাহলে শবেকদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি মিলে টানা সাত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।