News24x7

  • মেয়েদের এই ৮টি ভুলের কারণে হচ্ছে স্ত’ন ক্যা’ন্সার! প্রত্যেক মেয়েদের পড়া উ’চিৎ!

    মেয়েদের এই ৮টি ভুলের কারণে হচ্ছে স্ত’ন ক্যা’ন্সার! প্রত্যেক মেয়েদের পড়া উ’চিৎ!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

    ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা,

    যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। • স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। • সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন। • প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    • ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    • চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    • ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • যে পানীয় পান করলে ৪৫ বছরের পরেও পুরুষদের টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়ে হুহু করে!

    যে পানীয় পান করলে ৪৫ বছরের পরেও পুরুষদের টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়ে হুহু করে!

    নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন গ্রিন টি পান করা পুরুষদের টেস্টোস্টেরন লেভেল গড়ে ১৬% বেশি থাকে, যাদের গ্রিন টি পান না করেন তাদের তুলনায়। এই গবেষণা Frontiers in Public Health জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

    গবেষকরা ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে ২৮০ জন পুরুষের তথ্য বিশ্লেষণ করেন। দেখা গেছে, যারা নিয়মিত গ্রিন টি পান করেন, তাদের দেহে প্রদাহ কম, মেটাবলিজম উন্নত এবং ঘুমের মান ভালো থাকে।

    এই স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য দায়ী EGCG (epigallocatechin gallate) এবং theanine, যা গ্রিন টিতে থাকে। এই প্রাকৃতিক যৌগগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়, হরমোন ব্যালেন্স বজায় রাখে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে।

    সময়মতো এই প্রভাবগুলো দেহকে লীন রাখতে, প্রাণশক্তি বাড়াতে এবং স্মৃতিশক্তি সংরক্ষণের জন্য মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে।

  • আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড

    আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড

    ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ)। রাজধানীর কড়াইল এলাকায় সকালে নারীদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের ১৪টি এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

    যেসব এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

    ১. ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার বনানী (কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি, ভাষানটেক বস্তি)।

    ২. ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার মিরপুর (অলিমিয়ারটেক ও বাগানবাড়ী বস্তি)।

    ৩. ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়ন।

    ৪. চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকা।

    ৫. চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সদর পৌরসভা।

    ৬. চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন।

    ৭. খুলনা বিভাগের খালিশপুর থানার খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকা।

    ৮. বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানার আসলামপুর ইউনিয়ন।

    ৯. সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার কুলঞ্জ ইউনিয়ন।

    ১০. ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার শিমুলকান্দি ইউনিয়ন।

    ১১. রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার বগুড়া সদর থানার শাখারিয়া ইউনিয়ন।

    ১২. রাজশাহী বিভাগের নাটোর জেলার লালপুর থানার ঈশ্বরদী ইউনিয়ন।

    ১৩. রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও জেলার ঠাকুরগাঁও সদর থানার রহমানপুর ইউনিয়ন।

    ১৪. রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার জয়পুর ইউনিয়ন।

  • দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা

    দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা

    দেশের বাজারে মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার আলোকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার ১ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত ও বর্তমান দর

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা দরেই বিক্রি হবে। এছাড়া পেট্রোলের দাম প্রতি লিটার ১১৬ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত এই মূল্যহার পুরো মার্চ মাস জুড়ে কার্যকর থাকবে।

    স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি

    সরকার বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে দেশের বাজারের দাম সমন্বয় করতে ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা (সংশোধিত)’ অনুসরণ করছে। প্রতি মাসে এই পদ্ধতির মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। তবে মার্চ মাসের জন্য দাম না বাড়িয়ে আগের হারই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর হতে পারে।

    সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা

    জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা এবং অভ্যন্তরীণ পরিবহন ও কৃষি খাতের ওপর প্রভাব বিবেচনা করে সরকার এই স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে সেচ মৌসুম ও পণ্য পরিবহনে যাতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

  • ‘হাদির শুটার ফয়সালের সঙ্গে জুমার ছবি’ নিয়ে যা জানা গেল

    ‘হাদির শুটার ফয়সালের সঙ্গে জুমার ছবি’ নিয়ে যা জানা গেল

    ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও মূল শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ভারতে গ্রেফতার হয়েছেন। বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর রিউমার স্ক্যানারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফয়সাল ও ইনকিলাব মঞ্চের নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমার একসঙ্গে তোলা ছবি দাবিতে একটি ফটো প্রচার করা হচ্ছে।

    ফ্যাক্টচেক

    রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ফয়সালের সঙ্গে জুমার এ ছবিটি আসল নয়। প্রকৃতপক্ষে, এআইয়ের মাধ্যমে এ ছবি তৈরি করে প্রচার করা হচ্ছে।

    এ বিষয়ে অনুসন্ধানে উক্ত দাবিতে প্রচারিত পোস্ট পর্যবেক্ষণ করে দাবির সপক্ষে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও আলোচিত দাবির সপক্ষে নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    পরবর্তীতে ফটোকার্ডটির সূত্রপাতের বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘GojobVision’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে গত রাতে আলোচিত ফটোকার্ডটি পোস্ট হতে দেখা যায়।

    ‘GojobVision’ পেজটি পর্যবেক্ষণ করলে এটি স্যাটায়ার বা প্যারোডিধর্মী পেজ হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়।

    এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আলোচিত পোস্টগুলো মূলত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে।

    প্রচারিত ছবিটি গুগলের জেমিনির এআই জেনারেটেড কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল সিন্থআইডির (SynthID) মাধ্যমে ছবিটি পরীক্ষা করে রিউমার স্ক্যানার। জেমিনি জানায়, ছবিটি গুগলের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদিত।

    গুগলের সিন্থআইডি (SynthID) প্রযুক্তি এআই দিয়ে তৈরি ছবি, ভিডিও, অডিও বা টেক্সটে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে, যা খালি চোখে দেখা না গেলেও বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। গুগলের দাবি, কনটেন্ট তৈরি হওয়ার মুহূর্তেই এ ওয়াটারমার্ক যুক্ত হয় এবং ক্রপ করা, ফিল্টার প্রয়োগ বা ফ্রেম রেট পরিবর্তনের মতো সম্পাদনার পরও এটি টিকে থাকে। কোনো ছবি গুগল এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না জানতে চাইলে জেমিনিতে ছবিটি আপলোড করে জিজ্ঞেস করলেই সিন্থআইডি ওয়াটারমার্ক আছে কি না পরীক্ষা করে জানিয়ে দেয়।

    সুতরাং, ফয়সালের সঙ্গে জুমার এ ছবিটি এআই জেনারেটেড।

  • সরকারের জরুরি নির্দেশনা জ্বালানি তেল নিয়ে

    সরকারের জরুরি নির্দেশনা জ্বালানি তেল নিয়ে

    জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিবীক্ষণ শাখা থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদা আক্তার তানিয়ার সই করা পত্রে জানানো হয়, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    চিঠিতে মূলত তেলের অবৈধ মজুদ গড়ে তোলা বন্ধ করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি প্রতিহত করা এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি ও পাচার রোধে কড়া নজরদারির মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

    এদকে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের যথাযথ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে ও অভিযোগ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিপিসি ও কম্পানিসমূহের সমন্বয়ে ‘কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল’ গঠন করা হয়েছে।

  • মামুনুল হকের স্ট্যাটাসে এমন এক ভয়াবহ তথ্য জানা গেল, যা শুনে সত্যিই গা

    মামুনুল হকের স্ট্যাটাসে এমন এক ভয়াবহ তথ্য জানা গেল, যা শুনে সত্যিই গা

    নাম উল্লেখ না করে কওমি অঙ্গনের এক মুহাক্কিক আলেমকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। সেখানে তিনি দাবি করেন, ওই ব্যক্তি বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সোর্স হিসেবে কাজ করেন।

    সোমবার (৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।

    মামুনুল হক লিখেছেন, কয়েক মাস আগে তার এক অনুজ তাকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের একজন নির্ভরযোগ্য আলেম এবং কওমি অঙ্গনের হাতে গোনা কয়েকজন মুহাক্কিক আলেমের মধ্যে অন্যতম। আত্মীয়তা ও পরিচয়ের সূত্রে ইউরোপ ও আমেরিকায় তার ঘনিষ্ঠ অনেকের বসবাস রয়েছে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে কাজ করেন।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই অনুজ হঠাৎ করে তাকে একজন ব্যক্তির সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, যা তাকে কিছুটা বিস্মিত করে। পরে ওই অনুজ জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাকি বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সোর্স হিসেবে কাজ করেন—যা শুনে তিনি বিস্মিত হন।

  • ৩০ বছরে প্রথমবার জ্বালানির সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত

    ৩০ বছরে প্রথমবার জ্বালানির সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে বাজারে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৪ ডলার ছাড়িয়েছে।

    জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশটি পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানির ওপর সর্বোচ্চ মূল্যসীমা (প্রাইস ক্যাপ) নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    জরুরি মন্ত্রিসভা বৈঠকে দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং জানান, জ্বালানির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে ভোক্তা ও শিল্পখাতকে সুরক্ষা দিতে সরকার দ্রুত ও কঠোরভাবে এই ব্যবস্থা কার্যকর করবে।

    সাধারণত দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওঠানামা করে এবং সরকার কর সমন্বয় বা ভর্তুকির মাধ্যমে বাজারকে প্রভাবিত করে। কিন্তু বৈশ্বিক অস্থিরতার জেরে ‘৩০ বছরের মধ্যে প্রথমবার’ একটি সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার।

    বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটির জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এবার সরাসরি মূল্যসীমা নির্ধারণের মতো ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

  • ক্যানসার ধরা পড়ে দেরিতে! শুরুতে শরীরের কোন অঙ্গে দেয় সংকেত

    ক্যানসার ধরা পড়ে দেরিতে! শুরুতে শরীরের কোন অঙ্গে দেয় সংকেত

    ক্যানসার এমন একটি রোগ, যা আমাদের শরীরের যেকোনও অংশে শুরু হতে পারে। সাধারণত শরীরের কোষগুলো একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জন্মায়, কাজ করে এবং সময়মতো নষ্ট হয়। কিন্তু ডিএনএ-তে কোনো পরিবর্তন হলে কোষগুলো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এভাবেই শুরু হয় ক্যানসার।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, ক্যানসার শরীরের যে কোনো অঙ্গে শুরু হতে পারে। তবে কিছু অঙ্গে এটি তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

    সবচেয়ে সাধারণ ক্যানসার ও ঝুঁকিপূর্ণ অঙ্গগুলো
    ফুসফুস: ধূমপান, পরোক্ষ ধূমপান এবং বায়ুদূষণ ফুসফুসের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই ফুসফুস ক্যানসার বিশ্বজুড়ে অন্যতম সাধারণ ক্যানসার।
    স্তন: মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় স্তন ক্যানসার। পুরুষরাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, যদিও সংখ্যা কম।
    কোলন বা বৃহদান্ত্র: অস্বাস্থ্যকর খাবার, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং অতিরিক্ত ওজন কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
    লিভার: হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাস, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং ফ্যাটি লিভার লিভার ক্যানসারের কারণ হতে পারে।
    ত্বক: দীর্ঘ সময় রোদে থাকা বা অতিরিক্ত আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির সংস্পর্শে ত্বকের ক্যানসার হতে পারে।

    শুরুতে লক্ষণ নাও দেখা দিতে পারে
    অনেক সময় ক্যানসার শুরুতে কোনও লক্ষণ দেখায় না। এটি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। তাই শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তনকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

    সাধারণ সতর্কতার লক্ষণ:
    🔹 হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া
    🔹 দীর্ঘদিন ক্লান্তি থাকা
    🔹 শরীরের কোথাও অস্বাভাবিক গাঁট বা ফোলা
    🔹 দীর্ঘদিন কাশি বা গলা ব্যথা
    🔹 মল বা প্রস্রাবে রক্ত
    🔹 ক্ষত যা সহজে শুকায় না
    এ লক্ষণগুলো থাকলেই ক্যানসার হয়েছে এমন নয়। তবে সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর উপায়
    🔹 নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
    🔹 সুষম ও পুষ্টিকর খাবার
    🔹 ধূমপান এড়িয়ে চলা
    🔹 নিয়মিত ব্যায়াম

    ক্যানসার যত তাড়াতাড়ি ধরা পড়ে, চিকিৎসা তত সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই শরীরের সংকেতকে কখনো অবহেলা করবেন না।

    সচেতনতা এবং সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ক্যানসারের মতো ভয়ানক রোগ থেকে আপনার জীবন বাঁচাতে পারে।

  • ভারতে যেভাবে গ্রেফতার হলেন ফয়সাল, দেশত্যাগ করেন যে সীমান্ত দিয়ে

    ভারতে যেভাবে গ্রেফতার হলেন ফয়সাল, দেশত্যাগ করেন যে সীমান্ত দিয়ে

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে খুনের মূল অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর গ্রেফতার করা হয়েছে। ভাতের পশ্চিমবঙ্গে তারা গ্রেফতার হয়েছেন। রোববার (৮ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, গোপন সূত্রে এসটিএফ খবর পায়- বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধ করার পর দুইজন বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে। বর্তমানে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা সুযোগ পেলে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারে বলেও তথ্য পায় পুলিশ।

    এ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭ মার্চ রাত ও ৮ মার্চ ভোরের মধ্যবর্তী সময়ে বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তারা হলেন- রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), যিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), ঢাকার বাসিন্দা।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তারা পালিয়ে যান এবং মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।

    পরে ভারতের বিভিন্ন স্থান ঘুরে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন এবং সেখান থেকে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।

    এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

    আটক দুজনকে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আদালত আটক দুই আসামির ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানা গেছে।

    গত ১৪ ডিসেম্বর যুগান্তর অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে রিকশায় চলন্ত অবস্থায় গুলি করে পালিয়ে যাওয়া দুজন ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে যমুনা টেলিভিশনের ময়মনসিংহের ব্যুরো চিফ হোসাইন শাহিদ রোববার যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, ওই দুই শুটার- ফয়সাল ও আলমগীর শুক্রবারই ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে গেছেন। ঘটনার পরপরই একটি প্রাইভেট কারে প্রথমে মিরপুর থেকে আশুলিয়া পরে গাজীপুর হয়ে ময়মনসিংহে ঢুকেন। ময়মনসিংহে এসে সেই প্রাইভেট কার পালটে ফেলেন তারা।

    হোসাইন শাহিদ বলেন, তারা অন্য আরেকটি প্রাইভেট কারে উপজেলার ধারাবাজার পেট্রল পাম্পে পৌঁছান। সেখান থেকে স্থানীয় একজন ব্যক্তি তাদের মোটরসাইকেলযোগে ভুটিয়াপাড়া সীমান্তে নিয়ে যান। স্থানীয় ওই ব্যক্তিকে এখনও আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে সেই সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করা অন্য যে দুইজন ছিল তাদের আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, তাদের সীমান্ত পার করে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়; পরে আরেকজন রিসিভ করে নিয়ে যায়।