Category: সারাদেশ

  • সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কার্যকর হলো নতুন জরুরি নির্দেশনা। নির্বাচনকালীন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের সব সরকারি অফিসের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বিশেষ লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি সব চিঠিপত্রের ডান পাশে নির্ধারিত বিশেষ লোগো সংযুক্ত রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি দপ্তরের পত্রালাপেই এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।
    জানা গেছে, গত ৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।
    শুধু দাপ্তরিক চিঠিপত্রেই নয়, নির্বাচনী পরিবেশ ও গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন স্থানে লোগো সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে দেওয়া এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করতেই সরকারের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই জরুরি নির্দেশনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

  • কিছুই হজম হয় না? আইবিএস এর সমস্যায় ভুগছেন না তো!

    কিছুই হজম হয় না? আইবিএস এর সমস্যায় ভুগছেন না তো!

    খাবার খেলে অনেকে সহজে হজম করতে পারেন না। ঠিকমতো খাবার হজম না হওয়া সমস্যাকে সাধারণ গ্যাস, অ্যাসিডিটি ভেবে গুরুত্ব দেন না। তবে এর পেছনে অন্য কারণ থাকতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এটি সাধারণ গ্যাসের সমস্যা নাও হতে পারে। এমন সমস্যা আইবিএস (IBS) এর ইঙ্গিত দেয়।

    আইবিএস কী?
    স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, IBS (Irritable Bowel Syndrome) একটি ‘chronic functional gastrointestinal disorder’। এই সমস্যায় অন্ত্রের গঠন স্বাভাবিক থাকলেও ভেতরে কিছু সমস্যা দেখা যায়। যার কারণে দেখা দেয় পেট ব্যথা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো উপসর্গ।

    চিকিৎসকদের মতে আইবিএস প্রাণঘাতী নয় এবং এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় না। কিন্তু দীর্ঘদিন এ সমস্যা চলতে থাকলে তা রোগীর দৈনন্দিন জীবনকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। মানসিক চাপ বা উদ্বেগ থেকে আইবিএস হতে পারে।

    ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস (NIDDK) অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ১০–১৫ শতাংশ মানুষ আইবিএস এর উপসর্গে ভুগছেন। অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় না হলে সমস্যা দীর্ঘদিন চলতে থাকে।

    কী কী খেলে আইবিএস নিয়ন্ত্রণে থাকবে?
    আইবিএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্লুটেন যুক্ত খাবার ( আটা, ময়দা যুক্ত), দুধের খাবার বাদ দিতে হবে। দই খেতে পারেন। গ্রিক ইয়োগার্ট খাওয়া ভালো। খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে প্রোবায়োটিক যুক্ত খাবার, ভিটামিন ও মিনারেল যুক্ত খাবার। নন সুইট ফ্রুট যেমন পেয়ারা, আপেল, কলা লেবু খেতে পারেন। ড্রাই ফ্রুট (কাজু, চিনাবাদাম,খেজুর) না খাওয়াই ভালো।

    আইবিএসের সমস্যা থাকলে তেল যুক্ত খাবার খাওয়া কমাতে হবে। উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার খেতে হবে। সিম্পল কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে। সব ধরনের শাক পাতা খেতে পারেন। ওটস খাওয়া যেতে পারে।

    পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। তিন মাস বা ৬ মাস এইভাবে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন করলে অনেকের ক্ষেত্রে আইবিএস পুরোপুরি ঠিক হয়ে যায়।

  • রইল না বিএনপির কোনো প্রার্থীই!

    রইল না বিএনপির কোনো প্রার্থীই!

    শেরপুর-২ বিএনপি দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও অপর এক বিএনপি নেতার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় হতাশায় দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।

    ঋণখেলাপি থাকায় বাতিল করা হয় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলালের মনোনয়ন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী না থাকায় ভোটে লড়াই হবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মধ্যে।

    তবে এ দুই দল নির্বাচনি জোট করায় আসন সমঝোতা হলে কোনো একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে । তবে সবকিছুর জন্য আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সেদিন আপিল আদালতে বিএনপি প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে । বিএনপির প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেলে ভোটের লড়াই বেশ জমে উঠবে।

    জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আশা-নিরাশার দোলাচলে অনেকটা দ্বিধাগ্রস্ত শেরপুর-২ (নকলা ও নালিতাবাড়ী) আসনের বিএনপি নেতাকর্মীরা। গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়ন যাচাইবাছাইকালে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করায় দলের নেতাকর্মীরা এখন হতাশ হয়ে পড়েছেন। একই আসন থেকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইলিয়াস খান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও দলীয় মনোনয়ন সংযুক্ত না থাকায় তার মনোনয়নপত্রও বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। মনোনয়নপত্রে প্রার্থী ইলিয়াস খান স্বাক্ষর নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। ফলে শেষ পর্যন্ত ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা আপিলে বহাল থাকবেন, নাকি ইলিয়াস খান দলীয় মনোনয়ন নিয়ে আপিলে শেষ ভরসা হবেন- এমন সমীকরণে ভোটের মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে ১০ দলীয় জোটের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়ার মধ্যে ভোটে লড়াই হবে না, সমঝোতা হবে।

    নির্বাচনি হাওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে শুধু বিএনপিতেই প্রার্থীর দেখা মেলে আটজন। এরমধ্যে পাঁচজন প্রার্থী ও তাদের নেতাকর্মীরা মাঠে ছিল সরব। তবে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন মিলে সর্বমোট ১২টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়। অবশ্য শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করেন পাঁচজন। এরা হলেনÑবিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ভিপি, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলাল এবং দলীয় মনোনয়ন না পেলেও বিএনপি প্রার্থী দাবিদার ইলিয়াস খান। গত ৩ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাইকালে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় প্রথমে স্থগিত এবং পরবর্তীতে বাতিল করা হয় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন। দলীয় মনোনয়ন সংযুক্তি না থাকায় বাতিল করা হয় বিএনপি নেতা হিসেবে দাখিলকারী ইলিয়াস খানের মনোনয়ন। ঋণখেলাপী থাকায় বাতিল করা হয় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বেলালের মনোনয়ন। ফলে মাঠে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েশ।

    তবে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র বলছে, ইলিয়াস খান তার দাখিলকৃত মনোনয়ন ফরমে নিজে স্বাক্ষর করেছেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    যদিও দলীয় মনোনয়ন না থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। তবে পরবর্তীতে কেউ অভিযোগ দিলে এবং প্রার্থিতা বহাল থাকলে বিষয়টি যাচাই যোগ্য হবে।

    এমতাবস্থায় বিএনপির শেষ ভরসা কে হবেন, এ নিয়ে নেতাকর্মী, সমর্থক, এমনকি ভোটারদের মাঝে আশা-নিরাশার দোলাচল এবং হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

    এসব বিষয়ে মতামত নিতে ফাহিম চৌধুরী ও ইলিয়াস খানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল করে বারবার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদনের রিসিভ কপি দিয়ে আপিলে টিকলে ফাহিম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকবে। একইভাবে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করে আপিলে টিকলে ইলিয়াস খানের প্রার্থিতাও ফিরে পাবেন। কাজেই এখনো বিএনপিতে প্রার্থিতার আশার আলো রয়েছে। যদিও বিষয়টি সম্পূর্ণ আপিল বিভাগের আওতাধীন।

    এদিকে জোটের পক্ষ থেকে আব্দুল্লাহ আল কায়েশ প্রার্থী হিসেবে টিকে থাকতে চেষ্টার পাশাপাশি, স্বপ্ন বুনছেন এমপি হওয়ার। অন্যদিকে জোটের পক্ষে গোলাম কিবরিয়া চূড়ান্ত হবেন এবং বিজয়ী হবেনÑএমন আলোচনাও জোরালো সমর্থকদের মাঝে। যদিও আপীল শেষে ৯ জানুয়ারি ভাগ্য নির্ধারণ হবে শেরপুর-২। ফাহিম চৌধুরী ও তার নেতাকর্মীরা মনে করেন, গত ২৬ ডিসেম্বর পাঠানো অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন এরই মধ্যে গৃহীত হবে এবং আপিলে তার প্রার্থিতা বহাল থাকবে। তবে বিএনপির আরেক অংশ মনে করছেন, ফাহিম চৌধুরী এত অল্প সময়ে নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদনের গৃহীত কপি সংগ্রহে ব্যর্থ হবেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে রাখতে বিএনপি ইলিয়াস খানকে দলীয় মনোনয়ন দেবে এবং আপিলে তিনিই হবেন শেষ ভরসা।

  • পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    পায়খানায় এই ৪টি লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার!

    কোলোরেক্টাল ক্যান্সার এখন বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা এক জনস্বাস্থ্য সংকট। শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এ রোগের আক্রান্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সমস্যাটি আরও জটিল হয় কারণ শুরুর পর্যায়ে এই ক্যান্সার সাধারণত নিঃশব্দে থাকে, কিংবা এমন কিছু হজমজনিত পরিবর্তন দেখা দেয় যা সহজেই অন্য সাধারণ অসুস্থতার সঙ্গে মিলে যায়। জেএএমএ নেটওয়ার্ক–এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, কিছু উপসর্গ বিশেষভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    নিচে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত তুলে ধরা হলো, যেগুলো মলের মাধ্যমেই শরীর আগে থেকেই জানান দেয়।

    কেন আগেভাগে শনাক্ত করা এত গুরুত্বপূর্ণ?

    আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্যে দেখা যায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যদি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ধরা পড়ে, তাহলে ৫ বছরের সার্ভাইভাল রেট প্রায় ৯০ শতাংশ। কিন্তু রোগ ছড়িয়ে পড়লে এ হার কমে দাঁড়ায় আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রায় ৭৩ শতাংশ এবং দূরবর্তী অঙ্গ আক্রান্ত হলে মাত্র ১৩ শতাংশে নেমে আসে।

    অর্থাৎ সময়ের আগেই শনাক্ত করতে পারলেই চিকিৎসা সফলতার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়ে এবং সম্পূর্ণ সেরে ওঠার সুযোগও তৈরি হয়।

    মলে দেখা দিলে যেগুলো হতে পারে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের প্রাথমিক সংকেত
    ১. পেন্সিলের মতো সরু বা ফিতা-আকৃতির মল

    হঠাৎ এবং স্থায়ীভাবে মল সরু, ফিতার মতো বা পেন্সিলের মতো পাতলা হয়ে গেলে তা সতর্কতার কারণ। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানায়, কয়েক দিনের বেশি এমন পরিবর্তন থাকলে তা অন্ত্রের ভেতরে টিউমারের কারণে পথ সংকুচিত হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। মেও ক্লিনিকের তথ্যমতে, কোলন বা রেকটামের ভেতর দেয়ালে টিউমার বড় হতে থাকলে মলের স্বাভাবিক পথ সঙ্কুচিত হয়, ফলে মল স্বাভাবিক আকৃতি হারায়।

    ২. মলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা

    অন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই অল্প পরিমাণ শ্লেষ্মা উৎপন্ন করে যা কোলনের ভেতরকার অংশ লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে। কিন্তু মলে চোখে পড়ার মতো পরিমাণে শ্লেষ্মা দেখা গেলে তা অন্ত্রের সমস্যার সংকেত হতে পারে। এনসিবিআই এর মেডিকেল নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত বা অতিরিক্ত শ্লেষ্মা নিঃসরণ হতে থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

    ৩. মলে রক্ত

    উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় তারের মতো রক্ত উভয়ই কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের অন্যতম প্রাথমিক উপসর্গ। গবেষণা বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে রেকটাল ব্লিডিং দেখা যায়।

    হেমোরয়েড, অ্যানাল ফিশার বা হজমজনিত সংক্রমণের কারণেও রক্ত দেখা দিতে পারে, তবে রক্তপাত যদি বারবার ঘটে বা অন্য সতর্ক লক্ষণও দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ৪. দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

    বারবার ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বা কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো পরিবর্তন কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের শুরুতে দেখা দিতে পারে। মোফিট ক্যান্সার সেন্টারের তথ্যমতে, বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের এ ধরনের স্থায়ী মলত্যাগের পরিবর্তনকে আরও গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।

    যদিও খাদ্যাভ্যাস, সংক্রমণ বা আইবিএস অনেক বেশি সাধারণ কারণ, তবুও উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোলোনোস্কোপির মতো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

    তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি

    দ্য লানসেট অনকোলজি–তে প্রকাশিত বড় ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ৫০টি দেশের মধ্যে অন্তত ২৭টি দেশে প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের হার বাড়ছে। জীবনযাপনও এই ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। এমডিপিআই এর গবেষণায় বলা হয়েছে, অল্প বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া এবং স্থূলতা প্রধান ঝুঁকির কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়া এবং মেটাবলিক রোগ বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা, আগেভাগে স্ক্রিনিং এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

    মলে ছোট ছোট পরিবর্তনও অনেক সময় বড় রোগের বার্তা দেয়। অবহেলা না করে সতর্ক থাকা, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

  • এইমাত্র পাওয়া ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ!

    এইমাত্র পাওয়া ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ!

    জেঁকে বসছে শীত, ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য দুঃসংবাদ

    কুয়াশার চাদরে ঢেকে প্রকৃতিতে জেঁকে বসছে শীত। বিকাল থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত বইছে হিমেল হাওয়া। এতে ১০ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেইসঙ্গে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।

    আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। সেইসঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আর এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই অবস্থায় শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।তবে এই সময়ে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। সেইসঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারেএই আবহাওয়াবিদ আরও জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পাশাপাশি কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডার অনুভূতি বাড়তে পারে। এছাড়া শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়া একই রকম থাকতে পারে। এদিকে রবিবার ও সোমবার (২৮-২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে এ দু’দিনও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পরতে পারে। এছাড়া রোববার সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও সোমবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। অন্যদিকে আগামী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পরতে পারে। এছাড়া এদিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজশাহীতে দেশের সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

    নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। এবার এই ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক ইস্যুতে করা সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি। প্রেস সচিব বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। যা আগেই ঘোষণা করা হয়। আজকে উপদেষ্টা পরিষদ সভায় ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি। আর ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ও কর্মচারীদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমিকরা তিন দিন ছুটি পাবেন।’

    তিনি বলেন, ‘আজকের সভায় ১৩টি এজেন্ডা ছিল। বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের আইন রোহিত আইন খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন-২০২৬ এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে বলেও জানান প্রেস সচিব। শফিকুল বলেন, ‘জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশ জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের প্রস্তাব নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনও হয়েছে।’

    ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ এ ১৯ প্রকারের জুয়াকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, অপরাধ অনুযায়ী ১৫ ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ৫ লাখ টাকা এবং দণ্ড ১০ বছর। ম্যাচ ফিক্সিংসহ এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে এই আইন।’ তথ্য অধিকার আইনে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রতিবেদন কীভাবে করা হবে, সেই বিষয়েও বলা হয়েছে। তথ্য অধিকার সংরক্ষণ করবে এই আইন।’

  • এবার আরেক বিএনপি প্রার্থীর কপাল পুড়ল

    এবার আরেক বিএনপি প্রার্থীর কপাল পুড়ল

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পর এবার বিএনপির আরেক প্রার্থীর কপাল পুড়েছে। কুমিল্লা-১০ আসনে (লালমাই-নাঙ্গলকোট) প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির মনোনীত মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়ার রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তিনি এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। অভিযোগকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী। ইসির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী।

    গত ২০ জানুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বাতিল করায় হাইকোর্টে রিট করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া।

    আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছিলেন বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (মুক্তিজোট) প্রার্থী কাজি নুরে আলম সিদ্দিকি। এরপর গত ১৮ জানুয়ারি বিকালে নির্বাচন কমিশন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল করে।

    এর আগে গতকাল (২১ জানুয়ারি) কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর রিট খারিজ করেন হাইকোর্ট।

    গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রাথমিক বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলেও ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

    হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ ছিল, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এনসিপি প্রার্থীর আবেদন মঞ্জুর করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করে। ইসির এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। আবেদনে তিনি ইসির ওই সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন, কিন্তু উচ্চ আদালত তার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।

  • ব্রেকিং: রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    ব্রেকিং: রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • দুঃসংবাদ বিএনপির ২১ নেতার জন্য

    দুঃসংবাদ বিএনপির ২১ নেতার জন্য

    দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য ২১ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।

    বহিষ্কৃতরা হলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলু, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মজিবুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান ফকির, টাঙ্গাইল জেলাধীন কালিহাতী উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল হালিম, কিশোরগঞ্জ জেলাধীন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আমিনুল হক, দিঘিরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহরিয়ার শামীম, বলিয়ারদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফিরোজ খান, নিকলী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাড. মো. মানিক মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, জারুইতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল ইসলাম, ছাতিরচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পরশ মাহমুদ, দামপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আলী হোসেন, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশীদ, গুরুই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ছাতিরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মুক্তার, কারপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. তোফায়েল আহমেদ তপু, গুরুই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ও নিকলী উপজেলা বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. মনির হোসেন।

    উল্লিখিত নেতাদের দলের প্রাথমিক পদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী ১২ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।