Category: সারাদেশ

  • হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ফির বোঝা কমাতে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই নীতিমালায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় ‘পুনঃভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে অবশ্যই ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত টিউশন ফির বাইরে নতুন কোনো অজুহাতে বা খাত তৈরি করে বাড়তি অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি, দান বা অনুদান সরাসরি ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হলেও তা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং হিসাব খাতের কোনো পরিবর্তন বা নতুন খাত সংযোজন করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও আর্থিক অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী সদস্য শপথ নিয়েছেন। বিএনপির সংসদীয় দল দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। বিকালেই নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করবেন তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবন সংসদ সদস্যের শপথের আনুষ্ঠানিকতার পর বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

    এদিকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সিলেটের সাবেক মেয়র আরিফুল হক, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, জহির উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এহসানুল হক মিলন, শরীফুল আলম, মীর শাহে আলম। তারা ইতোমধ্যে ফোন পেয়েছেন।

    এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন, টেকনোক্র্যাট কোটায় আরও ফোন পেয়েছেন হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

    তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জাকারিয়া তাহের (সুমন), এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ফরহাদ হোসেন আজাদ।

    বিএনপির জোট থেকে জোনায়েদ সাকী ও নুরুল হক নুর মন্ত্রিপরিষদে স্থান পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    আরও অনেকেই ডাক পেয়েছেন। তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিপরিষদ ৫০ সদস্যের হতে পারে।

    সংসদীয় দলের সভায় বিএনপির এমপিরা কেউ ডিউটি ফ্রি গাড়ি নেবেন না, সরকারিভাবে কোনো প্লট নেবেন না এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • জানা গেলো মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যা চেষ্টার কারণ

    জানা গেলো মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যা চেষ্টার কারণ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটির পর তাকে গুরুতর অবস্থায় দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়।

    এ বিষয়ে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল জানান, তিনিও শুনেছেন যে মেঘমল্লার বসু অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে এ ঘটনার বিষয়ে তার কাছে অতিরিক্ত কোনো তথ্য নেই বলেও জানান।
    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চিকিৎসাধীন মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।তবে আত্মহত্যা চেষ্টার কারণ সম্পর্কে এখনও মেঘমল্লার বসু সুনির্দিষ্ট করে কোন কারণ জানান নি।

  • ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছিলেন যে ৩ উপদেষ্টা!

    ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছিলেন যে ৩ উপদেষ্টা!

    অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার তৎপরতা ছিল—এমন অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অন্তত তিনজন উপদেষ্টা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বিলম্ব করতে চেয়েছিলেন এবং আরেকজন সুবিধাবাদী অবস্থান নেন।

    শুরুর দিকে দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস। তবে পরে একাধিক সংস্কার প্রস্তাব সামনে আসে, যা সমালোচকদের মতে সময় বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই দেখা হয়েছে। উপদেষ্টাদের যুক্তি ছিল—তড়িঘড়ি নির্বাচন দিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।

    অন্যদিকে সমালোচকদের দাবি, নির্বাচন বিলম্বের আড়ালে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা এবং পছন্দের শক্তির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল। এ সময় “মব সন্ত্রাস” বা সহিংসতার পরিবেশকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। ধারাবাহিক সহিংসতায় প্রশাসনিক কার্যক্রম ধীর হয়ে পড়ে, যদিও সেনাবাহিনীর সতর্ক অবস্থানের কারণে বড় অস্থিরতা এড়ানো গেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

    বিদেশি কূটনৈতিক মহলেও নির্বাচন বিলম্বের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল—এমন আলোচনা রয়েছে। একই সময়ে নিয়মিত সন্ধ্যাকালীন বৈঠক, অনানুষ্ঠানিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা, বিদেশ সফর, জনমত জরিপ ও কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমেও পরিস্থিতি প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

    লন্ডনে একটি বৈঠক ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়। দাবি ওঠে, সেটিকে প্রশাসনকে দুর্বল করার প্রচারণার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকলেও নির্বাচনবিরোধী তৎপরতা পুরোপুরি থামেনি বলে অভিযোগ।

    তবে জনচাপ ও আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের দিকেই অগ্রসর হতে হয়। ভোটের দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হলে সম্ভাব্য “প্ল্যান বি” থেকে সরে আসা হয় বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ ও বিশ্লেষণ বিভিন্ন মহলের আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে উঠে এসেছে; সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে।

    সূত্র: https://www.youtube.com/watch?v=TupStXea2M4

  • ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর

    ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর

    বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুতই স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। তিনি জানান, বর্তমানে সীমিত আকারে চালু থাকা ভিসা ব্যবস্থাকে পূর্ণাঙ্গভাবে পুনরায় চালুর জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

    অনিরুদ্ধ দাস বলেন, বর্তমানে মেডিকেল ও ডাবল এন্ট্রি ভিসা চালু থাকলেও পর্যটনসহ অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে এসব ভিসা পুনরায় চালুর জন্য জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব ধরনের ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম দ্রুতই স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কার্যক্রম সীমিত করা হয়। মেডিকেল ভিসা ছাড়া অধিকাংশ ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে সহকারী হাইকমিশনার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। দুই দেশের জনগণই এই ইতিবাচক ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের মূল অংশীদার। ঐতিহাসিকভাবে দুই দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

  • ফ্যামিলি কার্ডে পাওয়া যাবে নগদ টাকা, অগ্রাধিকার পাবেন যারা

    ফ্যামিলি কার্ডে পাওয়া যাবে নগদ টাকা, অগ্রাধিকার পাবেন যারা

    দেশের পাঁচ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন।

    নির্বাচনের আগে ‘মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র’ গঠনের অঙ্গীকারে দেওয়া বিএনপির ৯ দফা অগ্রাধিকারভিত্তিক ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছিল অন্যতম প্রতিশ্রুতি। সে সময় দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে এই কর্মসূচি চালু করা হবে। এর আওতায় প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং ধাপে ধাপে সহায়তার পরিমাণ বাড়ানো হবে।

    সভায় কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, প্রাথমিকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে নগদ অর্থ দেওয়া হবে। কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে হতদরিদ্র পরিবার ও নারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

    পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ধাপে ধাপে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমে হতদরিদ্র পরিবার, পরে দরিদ্র পরিবারগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

    বিএনপি সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনাতেও প্রত্যেক পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার বলছে, এ কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করা হবে।

    গঠন করা হয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি

    ইতোমধ্যে ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, অর্থমন্ত্রীকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

    কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে—

    ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের উপযুক্ত নকশা প্রণয়ন
    সুবিধাভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি নির্ধারণ
    প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় কার্যক্রম চালু
    নারীদের জন্য বিদ্যমান কর্মসূচিগুলোকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কিনা তা পর্যালোচনা
    জাতীয় পরিচয়পত্র ও জাতীয় খানার তথ্যভাণ্ডার সংযুক্ত করে ডিজিটাল এমআইএস তৈরির সুপারিশ
    আগামী মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এর মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া
    সরকারের লক্ষ্য, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে কার্ড বিতরণ শুরু করা।

    রাজনৈতিক বিবেচনা নয়

    সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান, রাজনৈতিক বিবেচনায় এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে না। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীও থাকবে না। এই কার্ড সরাসরি পরিবারের নারী সদস্যদের কাছে পৌঁছে যাবে। এটি দেওয়া হলেও চলমান ভাতাগুলো অব্যাহত থাকবে।

    সরকারের ভাষ্য, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়িয়ে নিম্নআয়ের ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য স্থায়ী সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

  • জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন, কোন পদে কে

    জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন, কোন পদে কে

    আগামী তিন বছরের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নতুন কমিটিতে আবারও সেক্রেটারি জেনারেল পদ পেয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। এছাড়া কমিটিতে ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় শূরা কমিটি ও ৮৮ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ কমিটি গঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার এক ভার্চুয়ালি বৈঠকে নেতাদের পরামর্শে এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তবে নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলরা সশরীরে বৈঠকে অংশ নেন।

    নতুন কমিটিতে চারজন নায়েবে আমির ও সাত জনকে সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকাসহ সারাদেশকে ১৪টি ভাগে বিভক্ত করে সাংগঠনিক কাজে গতি আনতে অঞ্চল পরিচালক পদ দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৮ সালে।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ২ নভেম্বর ডা. শফিকুর রহমানকে জামায়াতের আমির নির্বাচন করার তিন মাস পর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করল দলটি।

    ভার্চুয়ালি বৈঠকে জামায়াতের আমির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সঙ্গে পরামর্শ করে ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল নেতাদের নির্বাচিত করেন ও তাদের শপথ পরিচালনা করেন।

    কমিটির চারজন নায়েবে আমির হলেন- এটিএম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের (এমপি) ও মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম।

    সাত জন সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল হলেন- মাওলানা এটিএম মাছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

    ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্যরা হলেন- এটিএম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (এমপি), মিয়া গোলাম পরওয়ার, মাওলানা এ টি এম মাছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, আবদুর রব, সাইফুল আলম খান মিলন (এমপি), অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দীন, অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ (এমপি), অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, মো. মোবারক হোসাইন, মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল (এমপি), মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (এমপি), ড. মোহাম্মাদ রেজাউল করিম।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৮৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে নারী সদস্য রয়েছেন ২১ জন। আর ৫৯ জন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্যদের মধ্যে নারী সদস্য ১৭ জন।

    ৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাওলানা এটিএম মাছুম, কমিশনার অ্যাডভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল, আবদুর রব, মোবারক হোসাইন ও মাওলানা আ. ফ. ম. আবদুস সাত্তার।

    সারাদেশে ১৪টি অঞ্চলের পরিচালক হলেন- মাওলানা আবদুল হালিম (রংপুর-দিনাজপুর), এটিএম আজহারুল ইসলাম (বগুড়া), মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (রাজশাহী), মোবারক হোসাইন (কুষ্টিয়া-যশোর), অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ (খুলনা), অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল (বরিশাল), অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দীন (ময়মনসিংহ), মিয়া গোলাম পরওয়ার (ঢাকা মহানগর), সাইফুল আলম খান মিলন (ঢাকা উত্তর), আবদুর রব (ঢাকা দক্ষিণ), ড. হামিদুর রহমান আযাদ (ফরিদপুর), অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (সিলেট), মাওলানা এটিএম মাছুম (কুমিল্লা-নোয়াখালী) ও মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান (চট্টগ্রাম)।

  • ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?

    ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাবলে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এছাড়াও, বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজেও নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

    নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টাদের মধ্যে আটজনের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

    প্রজ্ঞাপনে অনুযায়ী মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    নতুন এ বণ্টন আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক ও নীতি-নির্ধারণী কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনায় যেসব বিএনপি নেত্রী

    সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনায় যেসব বিএনপি নেত্রী

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের বিপরীতে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে বিএনপি। নির্বাচন কমিশনের তফশিল অনুযায়ী দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। বিএনপির শতাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ইতোমধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

    জানা গেছে, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন কেউ কেউ। অনেকেই ঢাকায় অবস্থান করছেন। কে কোন আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চলছে জোর আলোচনা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে দলের হাইকমান্ড থেকে। এখন সবার নজর সেই ঘোষণার দিকেই।

    সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। আরপিও অনুযায়ী, যে দল সাধারণ আসনে যতটি আসন পায়, সেই অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। সে হিসাবে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি আসন পাবে দলটি। এছাড়া স্বতন্ত্র (বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত) প্রার্থীরা সাতটি আসন পেয়েছেন। ফলে স্বতন্ত্ররাও সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন।

    বুধবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানান, সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন রোজার মধ্যে করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। ঈদের আগেই এ নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করতে চায় ইসি। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    বিএনপি সূত্রে জানা যায়, এবারের সাধারণ নির্বাচনে অন্তত ৫০টি আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন বিএনপির নেত্রীরা। কয়েকজন ছাড়া বেশির ভাগ নেত্রীই এবার মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই এবার সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন।

    সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় রয়েছেন যারা

    বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন, দলটির কেন্দ্রীয় নেত্রী শিরিন সুলতানা, মহিলা দলের বর্তমান সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আকতার, নিলোফার চৌধুরী মনি, আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আকতার রানু, ইয়াসমিন আরা হক, জাহান পান্না, বিলকিস ইসলাম, ফরিদা ইয়াসমিন। এছাড়া কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনিন, রিজিয়া পারভিন ও কনক চাঁপা এবং ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদের নামও আলোচনায় আছে।

    ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপি নেত্রী অপর্ণা রায়, অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, মহিলা দলনেত্রী শাহানা আকতার সানু, নিয়াজ হালিমা আর্লি, রাবেয়া আলম, ঝালকাঠি জেলা বিএনপি নেত্রী জেবা আমিন খান, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নাসিমা আক্তার কেয়া, ময়মনসিংহ জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেত্রী তানজিন চৌধুরী লিলি, ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা উর্মি ও শাহিনুর সাগর। এছাড়া মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম (তুলি), স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মরহুম শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হুসাইন, ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর মেয়ে সামিরা তানজিনা চৌধুরী, সিলেটের সাবেক সংসদ সদস্য ড. সৈয়দ মকবুল হোসেনের মেয়ে সৈয়দা আদিবা হোসেনের নামও আলোচনায় আছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী ও সাবেক এমপি হাসিনা আহমদ, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-স্বনির্ভর সম্পাদক আসমা আজিজ আলোচনায় রয়েছেন।

    চট্টগ্রামে আলোচনায় আছেন

    বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি ও সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, জাসাসের কেন্দ্রীয় নেত্রী নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী সুলতানা পারভীন।

    চট্টগ্রাম নগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেসমিনা খানম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর মামলা-হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি, কিন্তু দল ছেড়ে যাইনি। নারী হয়েও বাসায় থাকতে পারিনি। এমন প্রতিকূলতার মধ্যেও ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেছি। দল যদি নারীদের মূল্যায়ন করে, তাহলে চট্টগ্রামে অনেক নারী নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে আসবে।

    বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রদল দিয়ে রাজনীতি শুরু। এরপর নানা প্রতিকূলতা পেরিয়েছি। আজীবন দলের জন্য কাজ করেছি। অনেক ত্যাগ শিকার করেছি। জেল-জুলুমসহ নানাভাবে দমন-পীড়ন ও নির্যাতিত হয়েছি। ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছি। এখন দল যদি আমাকে উপযুক্ত (সংরক্ষিত আসনে) মনে করে, তাহলে দলের সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত হবে। আশা করি, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবাইকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করবেন।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য যুগান্তরকে বলেন, প্রাপ্ত আসনের বিপরীতে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে বিএনপি। নির্বাচন কমিশনের তফশিল অনুযায়ী আমাদের দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। বিএনপিতে অসংখ্য যোগ্য নেত্রী রয়েছেন। তারা দৌড়ঝাঁপ চালিয়ে যাচ্ছেন। সবকিছু বিবেচনা করেই বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্ধারণ করবেন কারা সংরক্ষিত নারী আসনে যাবেন। তবে এবার তরুণ নেত্রীদের মূল্যায়নের সম্ভাবনা বেড়েছে।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস হলেন হাসনাত

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস হলেন হাসনাত

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মুহাম্মদ হাসনাত মোর্শেদ ভূঁইয়া।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখার প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস হলেন হাসনাত 

    মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মু. তানভীর হাসান রুমান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, উপদেষ্টা যত দিন পদে থাকবেন অথবা পিএস হিসেবে কাউকে রাখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করবেন, তত দিন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পিএস পদে বহাল থাকবেন।