Category: সারাদেশ

  • বাংলাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ!

    বাংলাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ!

    ২০২৫ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্কযুদ্ধ এক নতুন মোড় নিয়েছে যা বাংলাদেশের মতো রপ্তানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য দুশ্চিন্তার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আগের কঠোর পাল্টা শুল্ক নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করলেও দমে যাননি এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট। বরং আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে তিনি এখন বিশ্বব্যাপী ঢালাও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যা বিশ্ববাণিজ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

    বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় আশঙ্কার জায়গা হলো দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ। ট্রাম্পের আগের ঘোষণার পর বাংলাদেশের সঙ্গে ১৯ শতাংশ শুল্কের একটি বিশেষ চুক্তি হয়েছিল। এখন আদালতের রায়ে আগের শুল্ক কাঠামো বাতিল হয়ে যাওয়ায় ওই ১৯ শতাংশের চুক্তিটিও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। চুক্তিটি যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায় তবে বাংলাদেশ নতুন ঘোষিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের আওতায় পড়বে। আপাতদৃষ্টিতে শুল্কের হার কম মনে হলেও এই নীতিগত অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে শুল্কের হারের চেয়েও বড় সমস্যা হলো স্থিতিশীলতার অভাব। যখন কোনো দেশের বাণিজ্য নীতি ঘনঘন পরিবর্তিত হয় তখন মার্কিন ক্রেতারা দীর্ঘমেয়াদী কার্যাদেশ দিতে ভয় পান। নীতিগত নিশ্চয়তা না থাকলে বড় আমদানিকারকরা বিকল্প উৎসের সন্ধান করেন যা বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে ধস নামাতে পারে। এই দোদুল্যমান অবস্থা বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পাঠানোর প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলছে।

    আদালতের নিষেধাজ্ঞার পর ট্রাম্প এখন ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইন ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন। এই আইনের অধীনে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা বা অন্যায্য বাণিজ্যরীতির অজুহাতে শুল্ক আরোপের পথে হাঁটছেন। তার এই জেদি মনোভাব প্রমাণ করে যে তিনি মার্কিন বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যেকোনো চরম পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও নিশ্চিত করেছেন যে প্রশাসন নতুন এই আইনি পথে শুল্ক কার্যকর করার জন্য কাজ শুরু করেছে।

    এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই বললেই চলে। বিশ্লেষকরা মনে করেন মার্কিন বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমিয়ে এখন নতুন নতুন বাজারের সন্ধান করা জরুরি। পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে পণ্যের মান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো ছাড়া এই বৈশ্বিক শুল্কযুদ্ধ মোকাবিলা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

  • পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে, সুসংবাদ নাকি দুঃসংবাদ? জেনে নিন

    পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে, সুসংবাদ নাকি দুঃসংবাদ? জেনে নিন

    নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আবারও সরব হয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্যপরিষদ। সংগঠনটি বলছে, আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রজাতন্ত্রের প্রায় ২২ লাখ কর্মচারীর মুখে হাসি ফোটাতে হবে। দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তারা।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সদস্য সচিব মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ ওয়ারেস আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘ ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা বেতন কাঠামোতে বৈষম্যের শিকার। ২০১৫ সালে ঘোষিত অষ্টম পে-স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের মধ্যে যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়, তা এখনো নিরসন হয়নি।

    নেতারা জানান, আবেদন-নিবেদন, স্মারকলিপি ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে বহুবার সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে অতীতে কোনো সরকার আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসেনি বলে দাবি তাদের। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ ও ২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের আমলে দুই দফায় নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। ছয় সদস্যের একটি পরিবার চালাতে গিয়ে কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়ছেন। তাই বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল এখন সময়ের দাবি।

  • তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে প্রার্থী হচ্ছেন যিনি!

    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে প্রার্থী হচ্ছেন যিনি!

    প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ (সদর) আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচনের দামামা বাজতে শুরু করেছে। দুটি আসনে জয়ী হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী শপথের আগে একটি আসন ছেড়ে দেন তিনি। বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই ‘ভিআইপি’ আসনে ধানের শীষের পরবর্তী কান্ডারি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে এখন গোটা উত্তরবঙ্গে চলছে টানটান উত্তেজনা। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত সব নির্বাচনেই এখানে বিএনপি একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রেখেছে, বিশেষ করে প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনবার এই আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।

    তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জিয়া পরিবারের সদস্যদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান কিংবা মেয়ে জাইমা রহমানকে এই আসনে প্রার্থী করার দাবি তুলেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় হেভিওয়েট নেতাদের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সাবেক মেয়র এ কে এম মাহবুবুর রহমান এবং সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদারসহ বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, বগুড়া জিয়া পরিবারের আসন হিসেবে পরিচিত; তাই এখানে পরিবারের কেউ নাকি স্থানীয় কোনো যোগ্য নেতা মনোনয়ন পাবেন, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বগুড়া-৬ আসনটি বরাবরই বিএনপির জন্য সম্মান ও আস্থার প্রতীক। বেগম খালেদা জিয়ার পর তারেক রহমান এই আসনে বিশাল জয় পাওয়ায় এখন উপনির্বাচনেও জিয়া পরিবারের উত্তরসূরিদের দেখার প্রত্যাশা করছেন সাধারণ ভোটাররা।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার চায়ের আড্ডায় ডা. জুবাইদা রহমান এবং জাইমা রহমানের নাম ঘুরপাক খাচ্ছে। নেতাকর্মীদের মতে, তারা প্রার্থী হলে জিয়া পরিবারের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ থাকবে এবং ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।

    পরিবারের বাইরেও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাসহ সাইফুল ইসলাম ও মওদুদ হোসেন আলমগীরের মতো দক্ষ নেতাদের নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। দলের হাইকমান্ড স্থানীয় জনপ্রিয়তাকে গুরুত্ব দিলে এদের মধ্য থেকেও কেউ পেয়ে যেতে পারেন কাঙ্ক্ষিত টিকিট।

    বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের মতে, দল এখন জনবান্ধব সংস্কারে ব্যস্ত। তবে তফসিল ঘোষণার পর পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মর্যাদাপূর্ণ আসনের জন্য যোগ্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবেন।

  • ভারত থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করলো মণিপুর!

    ভারত থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করলো মণিপুর!

    লন্ডনের একটি প্রেস কনফারেন্সে দুজন ব্যক্তি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর-এর স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে। পেছনের ব্যানারে স্পষ্ট লেখা—ভারত থেকে মণিপুর ঘোষণার ঘোষণা।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ‘স্বাধীনতা ঘোষণা করলো ভারতের মণিপুর’

    ভাইরাল পোস্টগুলোর ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে,ভারতীয় ‘দখলদারিত্বের’বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে মণিপুর। কিছু পোস্টে এটিকে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র।

    বিষয়টি যাচাই করতে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হলে সাম্প্রতিক সময়ে মণিপুরের স্বাধীনতা ঘোষণার কোনো নির্ভরযোগ্য খবর পাওয়া যায়নি। চলমান জাতিগত উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ থাকলেও স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণার বিষয়ে কোনো স্বীকৃত সূত্র তথ্য দেয়নি।

    রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে জানা যায়, ভাইরাল ভিডিওটি নতুন নয়। এটি ২০১৯ সালের একটি ঘটনার ভিডিও। সে সময় লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে দুজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা নিজেদের ‘মণিপুর রাজ্য পরিষদ’-এর প্রতিনিধি দাবি করে প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। তারা দাবি করেন, তারা মণিপুরের মহারাজার পক্ষে কথা বলছেন। তবে তাদের ঘোষণার কোনো সরকারি বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ছিল না।

    ভিডিওর ভিজ্যুয়াল বিশ্লেষণেও মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ব্যানারে স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে “29 October, London”—যা ২০১৯ সালের ওই সংবাদ সম্মেলনের তারিখ ও স্থানের সঙ্গে মিলে যায়। অথচ ভাইরাল পোস্টে ভিডিওটি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন এটি সাম্প্রতিক ও আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রঘোষণা।

    বর্তমান বাস্তবতা হলো, মণিপুর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত-এর একটি অঙ্গরাজ্য। কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সংস্থা বা ভারত সরকার মণিপুরের স্বাধীনতার ঘোষণা নিশ্চিত করেনি।

    ‘স্বাধীনতা ঘোষণা করলো ভারতের মণিপুর’ শিরোনামে প্রচারিত তথ্যটি বিভ্রান্তিকর। এটি মূলত ২০১৯ সালের একটি বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার ভিডিও, যা নতুন প্রেক্ষাপটে ছড়িয়ে ভুল ধারণা তৈরি করা হচ্ছে। তাই সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এমন সংবাদের ক্ষেত্রে সতর্কতা ও তথ্য যাচাই অত্যন্ত জরুরি।

  • নতুন মিশন নিয়ে মাঠে নামছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    নতুন মিশন নিয়ে মাঠে নামছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    ২০২৪ সালের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের পর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দেশের দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস। প্রায় ১৮ মাস অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার পর ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন নির্বাচিত সরকারের কাছে। নির্বাচনে বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারের নেতৃত্বে আসেন তারেক রহমান।

    ক্ষমতা ছাড়ার পর ড. ইউনুসের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে—তিনি কি অবসর নেবেন, নাকি নতুন কোনো উদ্যোগে যুক্ত হবেন?

    ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বর্তমানে তিনি রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটাচ্ছেন। নিয়ম অনুযায়ী আরও তিন মাস সেখানে থাকার সুযোগ থাকলেও, তিনি আগেভাগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ঈদের পর গুলশানের নিজ বাসভবনে ফিরে যেতে পারেন বলেও জানা গেছে।

    যমুনায় আগের মতো ব্যস্ততা না থাকলেও তিনি প্রতিদিন সকালে হাঁটাহাঁটি করেন এবং দেখা করতে আগ্রহীদের জন্য সময় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের “থ্রি জিরো ভিশন”—শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণ—নিয়ে নতুন কোনো বৈশ্বিক বা দেশীয় উদ্যোগের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

    ড. ইউনুস বরাবরই বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সমালোচক। সামাজিক ব্যবসার ধারণা সামনে এনে তিনি মুনাফার চেয়ে সামাজিক সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে এই দর্শনকে ঘিরেই তিনি নতুন কর্মপরিকল্পনা সাজাতে পারেন।

    তবে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক দায়িত্ব শেষে তিনি আপাতত বিশ্রাম ও ব্যক্তিগত সময়কে প্রাধান্য দিচ্ছেন—কিন্তু জনজীবনে তার প্রভাব এখানেই শেষ হচ্ছে না।

  • রাতে সহবাসের পর গোসল না করে সেহেরি খেলে কি রোজা হবে?

    রাতে সহবাসের পর গোসল না করে সেহেরি খেলে কি রোজা হবে?

    রমজানে রাতের বেলা স্বপ্নদোষ বা স্বামী স্ত্রী সহবাসের পর অনেক সময় গোসলের সময় থাকে না। কিন্তু এ দুই অবস্থায় গোসল করা ফরজ। এ ফরজ গোসল না করে যদি সেহরি খাওয়া হয় তাহলে কি রোজার কোনো ক্ষতি হবে। এই নিয়ে অনেকের মনে দ্বিধা দ্বন্দ্ব রয়েছে। আসুন জেনে রাখি মাসআলাটি।

    ফিকহবিদদের মতে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও গোসল না করেই সেহরি খেয়ে রোজা রাখলে রোজা সহি হবে। তবে ফজরের ওয়াক্ত থাকতেই গোসল করে সময় মতো নামাজ আদায় করে নিতে হবে। সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। (মুসলিম হাদিস নং ২৫৯২, বাদায়ে, ১/১৫১)

    বিষয়টির প্রমাণ রাসুলের সহধর্মিণী উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস— ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻓﻲ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﻠﻢ، ﻓﻴﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ .

    রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুবহে অতিক্রম করতেন। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। [বোখারি : ১৮২৯, মুসলিম : ১১০৯।] রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:— ﻛﺎﻥ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﺃﻫﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ.

    সহবাসের ফলে না-পাকি অবস্থায় রাসুল সুবহে সাদিক অতিক্রম করতেন, অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন। [বোখারি : ১৯২৬]

    একই হুকুম-ভুক্ত হায়েজ ও নেফাসগ্রস্ত নারীরা। ফজর হওয়ার পূর্বেই যদি তারা পবিত্র হয়ে যায়, তবে গোসল না করেই নিয়ত করে নিবে।

  • আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে, জেনে নিন

    আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে, জেনে নিন

    আপনার হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে – মানুষের হাত দিয়ে নাকি তার স’ম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এর মানে এই দাঁড়ালো যে আপনার হাতই বলে দেবে আপনি মানুষটা কেমন। আসলে হাত হচ্ছে আয়ানার মত। আপনি যেমন আপনার হাত ঠিক সেটাই দেখাবে। জ্যোতিষীরা চেষ্টা করে মানুষের হাতের রেখা বিচার করে তার স’ম্পর্কে ভাল মন্দ বলে দেবার।

    আপনিও হয়তো কম বেশী হাতের বিভিন্ন রেখার নাম যেমন, হৃদয় রেখা,a আয়ু রেখা, ভাগ্য রেখা ইত্যাদি। এত এত রেখার মাঝে আপনি কি কখনো নিজের হাতের তালুর মাঝে M এর মত করে রেখার সন্ধান পেয়েছেন? এবার আমরা হাত দেখেই মানুষ চিনতে পারবো তার হাফভাব জানতে পারবো যদি আপনার হাতে । M থাকে তাহলেই কেল্লোফতে! আপনার চিন্তায় কি এসেছে যে আমার হাতে M আছে নাকি যদি থাকে তাহলে আপনি স্পেশাল!

    পুরুষের হাতে M থাকলে অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিমান,জানবেন অত্যন্ত অনুভূতিপ্রবণ,চাকরি নয় যে কোনও উদ্যোগে সাফল্য পাবেন,মেয়ে যদি প্রেমে পড়েন তবে স’ম্পর্কের ভবিষ্যত্‍‌ নিয়ে চিন্তা থাকে না! কাউকে প্রতারিত করেন না তাই চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়!মহিলাদের হাতে যদি M থাকে তাহলে তিনি পুরুষের থেকেও ক্ষমতাশালী ‘হতে পারেন!প্রেমিকা দু জনের হাতেই M থাকে সেটা রাজযোটক তাহলেও সে ক্ষেত্রেও সাফল্যের দিক থেকে মেয়েটিই এগিয়ে থাকবে! M থাকা ছেলে, মেয়ে যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন!

    সফল্যের জন্য নিজের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনও এঁরা করতে পারেন!তাই M থকলে নিজের উপরে আস্থা রাখু’ন সাফল্য আপনার কাছে আসবেই! এমন যদি থেকেই থাকে, নিশ্চিত ভাবেই আপনি এক্সট্রাঅর্ডিনারি। এ কথাটি আমা’দের নয়, এমনটাই মনে করেন প্রখ্যাত জ্যোতিষীরা। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে জ্যোতিষীরা মনে করেন যদি কোন পুরুষ মানুষের হাতে ছবিতে উল্লেখ করার মত করে M আকৃতির রেখা থাকে তাহলে সেই পুরুষ খুবই প্রতিশ্রুতিবান।

    এদের মধ্যে প্রচণ্ড অনুভূতি কাজ করে। যে কোন কাজে উদ্যোগ নেওয়া এবং সে কাজে সফল হওয়া যেন এদের সহজাত বৈশিষ্ট্য। আপনাকে অংশীদার করে কেও ব্যবসায় করলেও তার জন্য লাভবান। আপনি যদি কোন মেয়ে হন এবং এমন রেখার হাতের কোন পুরুষের সাথে আপনার স’ম্পর্ক থাকে তাহলে এ স’ম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করা ছেড়ে দেন। প্রতারণা এদের শত্রু তাই চোখ বন্ধ করে এদের কাঁধে মাথা রাখেন জীবনের বাকি সময়টুকুর জন্য।

    এ ধরনের পুরুষ কোন ভাবেই নিজের কাছের মানুষটির কাছে মিথ্যা বলেন না। প্রতারণা করেন না। কোন কিছু থেকে পার পেতে অকারনে কোন প্রকারের অজুহাত দাড় করান না। যদি এই একই বিষয় কোন মহিলার হাতে থাকে তাহলে তিনি যে কোন পুরুষের থেকে অনেক অনেক বেশী ক্ষমতাশালী হয়ে থাকেনএমনও যদি হয় যে, প্রেমিক প্রেমিকার দুজনের হাতেই এমন সৌভাগ্যর রেখা M থেকে থাকে তাহলেও দেখা যায় যে মেয়েটির ক্ষমতা ছেলেটির থেকে বেশী। M আকৃতির রেখা সহ যে কোন ছেলে মেয়ে যে কোন সময় যে কোন পরিস্থিতিতে খুব সহজেই খাপ খাইয়ে চলতে পারে। যে কোন প্রকারের সাফল্য অর্জনের জন্য এরা যে কোন ভাবে নিজেদের মাঝে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

  • মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার সময় নেতাকে মুখোশ পরে গুলি

    মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার সময় নেতাকে মুখোশ পরে গুলি

    চট্টগ্রামের রাউজানে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার সময় উপজেলা শ্রমিক দলের নেতা মেহেদী হাসানকে (৩২) মুখোশ পরে এসে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    গুলিবিদ্ধ মেহেদী হাসান উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। তার বাড়ি রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়া এলাকায়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্থানীয় শাহ আউলিয়া জামে মসজিদে নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার সময় মেহেদীকে মুখোশ পরে এসে কয়েকজন দুর্বৃত্ত গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।

    এ বিষয়ে উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল আলম বলেন, মেহেদীকে লক্ষ্য করে ৬টি গুলি করেছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় একটি গুলি তার বুকের ডান পাশে এবং একটি গুলি পায়ে লেগেছে।

    রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক দল নেতা মেহেদী হাসানকে কারা গুলি করেছে, সেটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • নারীদের জন্য সতর্কবার্তা: যে ৯টি রোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন নারীরা!

    নারীদের জন্য সতর্কবার্তা: যে ৯টি রোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন নারীরা!

    নারীদের শারীরিক গঠন ও হরমোনের পরিবর্তনের কারণে কিছু নির্দিষ্ট রোগ তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আবার জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসও বড় ভূমিকা রাখে। তাই সচেতনতা ও প্রতিরোধই হতে পারে সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। চলুন জেনে নেই নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায় এমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগ ও করণীয়—

    ১. পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)
    ২. থাইরয়েড সমস্যা
    ৩. মাসিকজনিত সমস্যা
    ৪. প্রজনন ও গর্ভধারণ সংক্রান্ত জটিলতা
    ৫. স্তন ও জরায়ু (সার্ভিকাল) ক্যান্সার
    ৬. হাড়ের সমস্যা ও অস্টিওপোরোসিস
    ৭. মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা
    ৮. ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন (UTI)
    ৯. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ
    ✅ শেষ কথা
    ১. পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)
    এটি একটি হরমোনজনিত সমস্যা, যা ডিম্বাশয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে।
    লক্ষণ:

    অনিয়মিত মাসিক

    অতিরিক্ত লোম গজানো

    ব্রণ ও তৈলাক্ত ত্বক

    ওজন বৃদ্ধি

    গর্ভধারণে সমস্যা

    প্রতিরোধ:
    স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা।

    ২. থাইরয়েড সমস্যা
    নারীদের মধ্যে হাইপোথাইরয়েডিজম (হরমোনের ঘাটতি) ও হাইপারথাইরয়েডিজম (অতিরিক্ত হরমোন) বেশি দেখা যায়।

    লক্ষণ:

    হঠাৎ ওজন কমা বা বেড়ে যাওয়া

    অতিরিক্ত ক্লান্তি

    চুল পড়া

    মাসিকের অনিয়ম

    বিষণ্নতা

    প্রতিরোধ:
    আয়োডিনযুক্ত খাবার গ্রহণ, নিয়মিত পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন।

    ৩. মাসিকজনিত সমস্যা
    অনেক নারী ব্যথাযুক্ত বা অনিয়মিত মাসিকের সমস্যায় ভোগেন।

    লক্ষণ:

    তীব্র পেট ব্যথা

    অতিরিক্ত রক্তপাত

    মাথাব্যথা

    বমিভাব

    প্রতিরোধ:
    পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাবার, মানসিক চাপ কমানো ও চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ।

    ৪. প্রজনন ও গর্ভধারণ সংক্রান্ত জটিলতা
    বন্ধ্যাত্ব, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    প্রতিরোধ:
    নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সঠিক জীবনযাপন ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা।

    ৫. স্তন ও জরায়ু (সার্ভিকাল) ক্যান্সার
    এগুলো নারীদের অন্যতম প্রাণঘাতী রোগ।

    লক্ষণ:

    স্তনে চাকা বা অস্বাভাবিক গঠন

    অস্বাভাবিক রক্তপাত

    দীর্ঘদিনের ক্লান্তি

    ওজন কমে যাওয়া

    প্রতিরোধ:
    নিয়মিত স্তন পরীক্ষা, প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট, ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার।

    ৬. হাড়ের সমস্যা ও অস্টিওপোরোসিস
    বিশেষ করে মেনোপজের পর নারীদের হাড় দুর্বল হয়ে যায়।

    লক্ষণ:

    সহজে হাড় ভেঙে যাওয়া

    পিঠ ও কোমরে ব্যথা

    প্রতিরোধ:
    ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম ও সূর্যালোক গ্রহণ।

    ৭. মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা
    নারীরা বেশি মানসিক চাপের মুখোমুখি হন, যা বিষণ্নতা ও উদ্বেগ বাড়ায়।

    লক্ষণ:

    অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা

    ঘুমের সমস্যা

    আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া

    সমাধান:
    বিশ্রাম, ব্যায়াম, মেডিটেশন ও প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের সাহায্য।

    ৮. ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন (UTI)
    নারীদের শারীরিক গঠনের কারণে এই সংক্রমণ বেশি হয়।

    লক্ষণ:

    প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া

    ঘন ঘন প্রস্রাবের অনুভূতি

    তলপেটে ব্যথা

    প্রতিরোধ:
    প্রচুর পানি পান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া।

    ৯. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ
    গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ও টাইপ-২ ডায়াবেটিস নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

    লক্ষণ:

    অতিরিক্ত তৃষ্ণা

    মাথাব্যথা

    ক্লান্তি

    ওজন বৃদ্ধি

    প্রতিরোধ:
    চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

    ✅ শেষ কথা
    নারীদের সুস্থ থাকতে হলে সচেতনতা সবচেয়ে বড় শক্তি। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্য, ব্যায়াম ও মানসিক যত্ন—এই চারটি বিষয় মেনে চললেই অনেক বড় রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    নিজের যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন।

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    রমজান মাসজুড়ে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনার অনুলিপি পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিঠি জারি করা হতে পারে।

    রমজানে স্কুল বন্ধ রাখা হবে, নাকি এ নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে—তা নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা নির্দেশনার বিষয়ে অবগত থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আগামী সোমবার বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানানো হবে।

    রোববার দুপুরে বিচারপতি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

    রিট আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নোটিশ পাঠানো হয়।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রথা চালু রয়েছে, যা আইন, নীতি ও রীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছু করা যায় না এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদে ‘আইন’ বলতে প্রথা ও রীতিকেও বোঝানো হয়েছে। সে বিবেচনায় রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলা হয়।

    নোটিশে আরও বলা হয়, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে অংশ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হতে পারে, ফলে ধর্মীয় অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি রমজানে বিদ্যালয় খোলা থাকলে শহরাঞ্চলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    নোটিশের জবাব না পাওয়ায় পরবর্তীতে রিট দায়ের করা হয়।