Category: সারাদেশ

  • এবার দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন যে ভাবে

    এবার দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন যে ভাবে

    দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালক প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ নিয়ে এসেছে দারুণ একটি ক্যাম্পেইন। দেশে থাকা প্রিয়জনদের নগদ ওয়ালেটে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসীরা।

    নগদ রেমিট্যান্সে জিতে নিন ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে এই ক্যাম্পেইন চালু হয়েছে চলতি মাসের ১৮ তারিখ। প্রবাসীরা নগদের মাধ্যমে দেশে সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকা রেমিট্যান্স পাঠালেই পাচ্ছেন স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ। এ ছাড়া সরকারি প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ উপভোগ করার সুযোগ তো থাকছেই।

    প্রিয়জনদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানোর পাশাপাশি বাড়তি একটা আনন্দ ও উপহার জেতার সুযোগ দিচ্ছে নগদের এই ক্যাম্পেইন। এ ছাড়া পুরস্কার হিসেবে থাকছে দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ। আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে।

    নতুন এই ক্যাম্পেইন বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, ‘প্রতি ঈদে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে থাকা তাদের স্বজনদের জন্য এমনতেই রেমিট্যান্স পাঠান। কিন্তু নগদের মাধ্যমে সেই রেমিট্যান্স পাঠিয়ে যদি স্বর্ণের হার জিতে নেওয়া যায়, তাহলে সেটি হবে ওই প্রবাসী রেমিট্যান্সযোদ্ধা ও তাঁর স্বজনদের জীবনের একটি বিশেষ আনন্দঘন ঘটনা। আমরা আমাদের গ্রাহকদের জন্য এমন অসংখ্য আনন্দের উপলক্ষ্য তৈরি করার চেষ্টা থেকেই এই বিশেষ ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছি।’

  • কেন এই মাছটি দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে মেরে ফেলার নির্দেশ?

    কেন এই মাছটি দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে মেরে ফেলার নির্দেশ?

    যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র বিজ্ঞানীরা এমন কিছু মাছে খুঁজে পেয়েছেন যারা জল ছাড়াও বেঁচে থাকতে পারে। কিছুদিন আগে বারানসির গঙ্গা নদীতে ধরা পড়েছিল অ্যামাজন নদীর মাছ যার জন্য ভয়ে ভীত ও আতঙ্কিত ছিল বিজ্ঞানীরা।

    এরকম বহু মাছ আছে যে মাছগুলি বাইরের দেশে সমুদ্রের জলে পাওয়া যায় কিন্তু কিছু কিছু মাছ প্রবেশ করে যায় গঙ্গা নদীতে অথবা তাদের দেখতে পাওয়া যায় বাংলারই কোন নদীতে। কিন্তু সাধারণ মানুষ মাছ গুলির ব্যাপারে না জেনে আকৃষ্ট হয়ে যায় তাই সতর্কবার্তা জারি করে, বিজ্ঞানীরা। এবার এরকমই একটি মাছ নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন বিজ্ঞানীরা যা দেখলে মেরে ফেলার কথা বলেছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র বিজ্ঞানীরা এমন কিছু মাছে খুঁজে পেয়েছেন যারা জল ছাড়াও বেঁচে থাকতে পারে। এরকম একটি স্নেক হেড ফিশ নামক মাছকে নিয়ে সতর্কবার্তা জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মাছটিকে দেখতে সাপের মত। মাছটি প্রায় ১৮ পাউন্ডের হয় এবং রয়েছে ধারালো দাঁত ও।

    এই কারণে মাছটির শিকার করতে কোন অসুবিধা হয় না যেটি একটা বড় সমস্যার কারণ। মাছটি অনায়াসে খেয়ে ফেলতে পারে জলের অন্যান্য মাছেদের আর তাই বিজ্ঞানীরা জানায় মাছটিকে দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন মেরে ফেলা হয়।

    মাছটিকে ১৯৯৭ সালে একবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাডিনোর সিলভার হুড লেকে ধরা পড়েছিল এই মাছটি। এরপরে টিকে জর্জিয়ার লেকে পেয়ে হতবাক বিজ্ঞানীরা। মাছটি দেখতে সাপের মতো বলেই নাকি তার নাম দেওয়া হয়েছে স্নেকহেড ফিস। তবে বিজ্ঞানীদের অনুমান এটা পূর্ব এশিয়ার মাছ এমনটাই তারা জানিয়েছে। ২০০২ সালে স্নেক হেডফিশ ধরা এবং বিক্রি করা বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে জানিয়েছিলেন মাছটি শ্বাসতন্ত্র এমন ভাবে তৈরি যাতে সে বাতাস থেকে মানুষের মতো শ্বাস নিতে পারে। তাই মাছটি জলের পাশাপাশি ডাঙাতে ও বসবাস করতে পারে।

  • তবে কী ১৮ মার্চ ‘সাধারণ ছুটি’?

    তবে কী ১৮ মার্চ ‘সাধারণ ছুটি’?

    চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি।

    আগামী ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুই দিনসহ মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সবমিলিয়ে ঈদুল ফিতরের ছুটি পাঁচদিন।

    এদিকে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবে কদরের ছুটি। ১৮ মার্চ (বুধবার) যথারীতি অফিস খোলা থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১৮ মার্চ (বুধবার) সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে।

    এতে পবিত্র শবে বরাত ও ঈদুল ফিতর মিলিয়ে টানা সাতদিনের ছুটি পাবে সরকারি চাকরিজীবীরা। ঈদের আগে ছুটি বেশি হলে মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার সুযোগ পাবে।

    আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। সূত্র জানিয়েছে, ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানো প্রস্তাব ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী মন্ত্রিপরিষদ সভায় আলোচনায় উঠতে পারে ঈদের ছুটি।

    আগামী ঈদুল ফিতরে ৫ দিন ছুটি নির্ধারিত আছে বাৎসরিক ছুটির ক্যালেন্ডারে। তবে ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হতে পারে। ছুটি লম্বা হলে ঈদযাত্রায় চাপ কমবে। সড়ক দুর্ঘটনাও কমবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা। এসব কারণ বিবেচনায় ছুটি বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

  • অবস্থান বদল আরব দেশগুলোর! মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

    অবস্থান বদল আরব দেশগুলোর! মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, শুরুতে যেসব আরব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে অংশ নিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছিল, এখন তারাই ওয়াশিংটনের হামলায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে।

    ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পাল্টা হামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এসব দেশ তাদের অবস্থান বদলেছে।

    সোমবার (২ মার্চ) সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের আক্রমণের শিকার হওয়ার পর বেশ কয়েকটি আরব দেশ তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তার ভাষ্য, “আমরা বিস্মিত হয়েছিলাম। তাদের খুব সীমিত প্রতিক্রিয়া জানানোর কথা ছিল, কিন্তু এখন তারা পুরোপুরি আক্রমণাত্মক অবস্থানে চলে গেছে।”

    সপ্তাহের শুরুতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর তেহরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায়। তারা তেল আবিবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও সশস্ত্র ড্রোন নিক্ষেপ করে।

    পরবর্তী কয়েক দিনে ইরান বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালায়। এর প্রেক্ষিতে সোমবার এই ছয়টি আরব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র একটি কঠোর যৌথ বিবৃতি দেয়। সেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাকে বেপরোয়া ও অযৌক্তিক বলে নিন্দা জানানো হয়।

    যৌথ বিবৃতিতে সাতটি দেশ ইরানের পদক্ষেপকে বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলে, এসব হামলা একাধিক রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করছে। পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধে সম্পৃক্ত নয় এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা দায়িত্বহীন ও অস্থিতিশীল আচরণ বলেও উল্লেখ করা হয়।

  • খামেনি নিহত নাকি জীবিত? যা জানা গেল

    খামেনি নিহত নাকি জীবিত? যা জানা গেল

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে। তবে একই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে জীবিত দাবি করে কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।

    তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, খামেনি সাহারা মরুভূমিতে অবস্থান করছেন—এমন দাবি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে বলা হয়, তিনি এখনও জীবিত এবং সাহারায় অবস্থান করছেন।

    ফ্যাক্ট-চেকিংয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ভাইরাল ছবিটি সাম্প্রতিক নয়; এটি ২০১৪ সালের একটি পুরোনো ছবি। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এছাড়া এই দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য ভিডিও ফুটেজ বা প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে ‘অপপ্রচার’ বা ‘ভুল তথ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে কঠোর বার্তা দিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, চীন সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক তৎপরতা বন্ধ করা, উত্তেজনা না বাড়ানো, হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আরও নেতিবাচক প্রভাব ঠেকাতে আহ্বান জানাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চীন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    উল্লেখ্য, চীন ইরানি তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা এবং ওই তেলের বড় অংশই হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট তেলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই প্রণালি দিয়ে যায়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ পণ্যও এই রুট ব্যবহার করে পরিবহন করা হয়।

    এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয়। এর ফলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন কোম্পানি সাময়িকভাবে এ পথে চলাচল স্থগিত করে।

  • এবার সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা সহ হোম লোন দিচ্ছে যে ব্যাংক

    এবার সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা সহ হোম লোন দিচ্ছে যে ব্যাংক

    আপনি কি নতুন বাড়ি নির্মাণ, সম্প্রসারণ, সংস্কার অথবা বাড়ির সৌন্দর্য বর্ধনের পরিকল্পনা করছেন? মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হোম ইকুইটি লোন (MTB Home Equity Loan) আপনাকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে। এখনই পেতে পারেন প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা, প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার এবং সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা।

    ঋণের বৈশিষ্ট্য:
    বাড়ি নির্মাণ, সম্প্রসারণ, সংস্কার, সামনের অংশের উন্নয়ন ও ফিনিশিং কাজের জন্য লোন।
    ঋণের পরিমাণ: ৫ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত।
    ঋণের মেয়াদ: ১ বছর থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত।
    সম্পত্তির মূল্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত অর্থায়ন।
    নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থ ছাড়ের সুবিধা।
    আংশিক উত্তোলনের সুবিধা।
    কো-আবেদনকারীর আয় বিবেচনায় নেওয়া হয়।
    প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার ও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ।
    আগাম বা আংশিক কিস্তি পরিশোধের সুযোগ।
    ঋণের পরিমাণ ও শর্তাবলী:
    সর্বনিম্ন ঋণ: ৫,০০,০০০ টাকা

    সর্বোচ্চ ঋণ: ২ কোটি টাকা অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ (যেটি কম হয়)
    সংস্কারের জন্য ঋণ: সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা বা LTV ৭০% (যেটি কম হয়)
    যোগ্যতা:
    যেকোনো আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তি
    বয়স: ২৫-৭০ বছর (লোনের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় পর্যন্ত প্রযোজ্য)
    ১০০% নগদ সুরক্ষিত ঋণের ক্ষেত্রে: বয়স ২১-৭০ বছর
    ন্যূনতম আয়:
    পেশা মাসিক ন্যূনতম আয়
    সরকারি কর্মচারী ২৫,০০০ টাকা
    বেতনে চাকরিজীবী ৪০,০০০ টাকা
    স্বনিযুক্ত / ব্যবসায়ী ৫০,০০০ টাকা
    অভিজ্ঞতা:

    চাকরিজীবী: কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা, যার মধ্যে অন্তত ৬ মাস স্থায়ী চাকরি থাকতে হবে।
    স্বনিযুক্ত / ব্যবসায়ী: একই পেশায় অন্তত ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

    ঋণ টেকওভার সুবিধা:
    অন্যান্য ব্যাংক থেকে হোম লোন ট্রান্সফার করে MTB-তে আনলে থাকছে বিশেষ সুবিধা।
    অন্তত ১২ মাসের কিস্তি পরিশোধের ইতিহাস থাকতে হবে।
    অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ।
    কোনো প্রসেসিং ফি নেই।
    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
    পূরণকৃত ঋণ আবেদনপত্র
    জাতীয় পরিচয়পত্র / ড্রাইভিং লাইসেন্স / পাসপোর্টের কপি
    পাসপোর্ট সাইজের ছবি
    চাকরিজীবীদের জন্য বেতন সনদ
    ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স
    এক বছরের ব্যাংক হিসাব বিবরণী
    টিআইএন সার্টিফিকেট
    বিদ্যমান ঋণের অনুমোদনপত্র ও পরিশোধের তথ্য
    ভাড়া চুক্তিপত্র ও মালিকানার দলিল
    সম্পত্তির মালিকানার দলিল এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দলিল

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হোম ইকুইটি লোন আপনার স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণে সত্যিকারের সঙ্গী হতে পারে। এখনই যোগাযোগ করুন আপনার নিকটস্থ MTB শাখায় এবং শুরু করুন নতুন জীবনের যাত্রা।

  • নতুন স্পিকার হিসেবে সবচেয়ে আলোচনায় যিনি

    নতুন স্পিকার হিসেবে সবচেয়ে আলোচনায় যিনি

    বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। তার সভাপতিত্বেই নতুন স্পিকার নির্বাচন করা হবে।

    সংবিধান অনুযায়ী সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নতুন স্পিকার নির্বাচনের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। তবে বর্তমান স্পিকারের পদত্যাগের কারণে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনো কোনো সরকারি দায়িত্ব পাননি।

    এ কারণে স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে—এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য মন্ত্রিসভা ও সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেলেও প্রবীণ এই নেতা এখনো সরকারের বাইরে রয়েছেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ড. আবদুল মঈন খানকে সংসদের সম্মানজনক কোনো পদে রাখা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা।

    ড. মঈন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন মহলে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়। অনেকের মতে, তাকে স্পিকার করা হলে তিনি দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে। আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা

    দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা

    দেশের বাজারে মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার আলোকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার ১ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত ও বর্তমান দর

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা দরেই বিক্রি হবে। এছাড়া পেট্রোলের দাম প্রতি লিটার ১১৬ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত এই মূল্যহার পুরো মার্চ মাস জুড়ে কার্যকর থাকবে।

    স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি

    সরকার বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে দেশের বাজারের দাম সমন্বয় করতে ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা (সংশোধিত)’ অনুসরণ করছে। প্রতি মাসে এই পদ্ধতির মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। তবে মার্চ মাসের জন্য দাম না বাড়িয়ে আগের হারই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর হতে পারে।

    সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা

    জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা এবং অভ্যন্তরীণ পরিবহন ও কৃষি খাতের ওপর প্রভাব বিবেচনা করে সরকার এই স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে সেচ মৌসুম ও পণ্য পরিবহনে যাতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

  • ইরান সম্পর্কে মহানবী (সাঃ) এর ১০ টি ভবিষ্যদ্বাণী!

    ইরান সম্পর্কে মহানবী (সাঃ) এর ১০ টি ভবিষ্যদ্বাণী!

    ইসলামের ইতিহাসে পারস্য বা বর্তমান ইরানের ভূমিকা অত্যন্ত গভীর। আজ থেকে চৌদ্দশ বছর আগে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) পারস্যের অধিবাসীদের জ্ঞান, ঈমান এবং শেষ জামানায় তাদের ভূমিকা নিয়ে এমন কিছু কথা বলে গেছেন, যা আজও গবেষকদের বিস্মিত করে। হাদিসের আলোকে ইরান ও পারস্য সম্পর্কিত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে আলোচনা করা হলো:

    ১. ঈমান ও জ্ঞানের উচ্চ শিখরে আরোহণ

    সহিহ মুসলিমের একটি বিখ্যাত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, নবীজি (সা.) সালমান ফারসি (রা.)-এর ওপর হাত রেখে বলেছিলেন, যদি ঈমান থুরাইয়া তারকায় (মহাকাশের একটি নক্ষত্রপুঞ্জ) গিয়েও পৌঁছায়, তবে পারস্যের কিছু লোক সেখান থেকেও তা অর্জন করে নিয়ে আসবে। এই ভবিষ্যৎবাণী সত্য হয়েছে মধ্যযুগে, যখন ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম, ইমাম আবু হানিফা এবং ইবনে সিনার মতো পারস্য বংশোদ্ভূত মনীষীরা ইসলামি জ্ঞান ও বিজ্ঞানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

    ২. সালমান ফারসি (রা.) ও আহলে বাইত

    পারস্যের সন্তান হযরত সালমান ফারসি (রা.) ছিলেন সত্যের সন্ধানী এক মহান সাহাবী। নবীজি (সা.) তাকে এতোটাই সম্মান দিতেন যে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, সালমান আমার পরিবারের (আহলে বাইত) অন্তর্ভুক্ত। তার হাত ধরেই পারস্যে ইসলামের জয়যাত্রা এবং নবীজির বিশেষ দোয়ার সূচনা হয়।

    ৩. খোরাসান ও কালো পতাকাবাহী দল

    হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, শেষ জামানায় খোরাসান (যার বড় অংশ বর্তমান ইরানে অবস্থিত) থেকে কালো পতাকাবাহী একটি দল বের হবে। তারা সত্যের পক্ষে লড়াই করবে এবং ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রশস্ত করবে। বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা অনেককে এই হাদিসের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

    ৪. দাজ্জাল ও আসফাহানের ৭০ হাজার অনুসারী

    সহিহ মুসলিমের ২৯৪৪ নম্বর হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে যে, শেষ জামানায় দাজ্জালের প্রধান অনুসারী হবে ইরানের আসফাহান শহরের ৭০ হাজার ইহুদি, যারা বিশেষ ধরনের চাদর পরিহিত থাকবে। আজও আসফাহানে একটি উল্লেখযোগ্য ইহুদি সম্প্রদায় বসবাস করে, যা নবীজির নবুয়তের এক জীবন্ত নিদর্শন।

    ৫. জ্ঞান বিজ্ঞানে অনারবদের আধিপত্য

    নবীজি (সা.)-এর ইঙ্গিত অনুযায়ী, আরবরা একসময় জ্ঞানচর্চায় পিছিয়ে পড়লেও অনারবরা (বিশেষ করে পারস্যের লোকরা) ইসলামের ঝাণ্ডা তুলে ধরবে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সিহাহ সিত্তাহর (হাদিসের প্রধান ৬টি কিতাব) অধিকাংশ সংকলকই ছিলেন পারস্য অঞ্চলের।

    ৬. সিফফিনের যুদ্ধ ও পারস্যের ভূমিকা

    ইসলামের প্রাথমিক যুগের গৃহযুদ্ধ বা সিফফিনের যুদ্ধে পারস্যের নওমুসলিমরা হযরত আলী (রা.)-এর পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। আলী (রা.) তাদের সম্পর্কে বলেছিলেন যে, তারা এমন এক জাতি যাদের সম্পর্কে নবীজি (সা.) আগে থেকেই প্রশংসা করে গেছেন।

    ৭. ভাষা ও সংস্কৃতির স্বকীয়তা

    পারস্যের মানুষ ইসলাম গ্রহণ করলেও নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেনি। বার্নার্ড লুইসের মতে, ইরান ইসলামি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তারা আরবি হয়ে যায়নি। নবীজির একটি ইশারায় জিব্রাইল (আ.) জানিয়েছিলেন যে, প্রতিটি জাতি তাদের নিজস্ব ভাষায় আল্লাহর প্রশংসা করতে পারে, যা পারস্যের নিজস্ব তাফসির ও সাহিত্যের ভিত্তি গড়ে দেয়।

    ৮. মজলুমের পক্ষে দাঁড়ানো ও ইনসাফ

    হাদিসে ইমাম মাহদীর শাসনামলে সম্পদের ন্যায়সঙ্গত বণ্টনের কথা বলা হয়েছে। ইরানের বর্তমান ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ইমাম মাহদীর আগমনের প্রতীক্ষা এবং একটি ইসলামি সমাজ গঠনের যে দাবি করে, তা অনেক ক্ষেত্রে এই আধ্যাত্মিক চেতনার সাথে সম্পর্কিত।

    ৯. শেষ জামানার মহাযুদ্ধ

    হাদিসে ফিতনা ও হত্যাকাণ্ডের যে আধিক্যের কথা বলা হয়েছে, আধুনিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির যুগে তা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। পারস্য অঞ্চল এই সামরিক উত্তেজনার কেন্দ্রে অবস্থান করছে, যা কিয়ামতের আলামত হিসেবে বর্ণিত মহাযুদ্ধের (মালহামা) ইঙ্গিত হতে পারে।

    ১০. মুসলিম উম্মাহর ঐক্য

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক আলেমগণ সর্বদা মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। নবীজি (সা.) বলেছেন, আরব বা অনারব কারো ওপর কারো শ্রেষ্ঠত্ব নেই, শ্রেষ্ঠত্ব কেবল তাকওয়ায়। এই মূলমন্ত্রই ইরানসহ পুরো মুসলিম বিশ্বের টিকে থাকার চাবিকাঠি।

    পরিশেষে, ইরান বা পারস্য সম্পর্কে এই ভবিষ্যৎবাণীগুলো আমাদের সতর্ক করার এবং ঈমান মজবুত করার জন্য। কিয়ামতের সঠিক সময় আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না, তবে নবীজি (সা.)-এর প্রতিটি কথা যে ধ্রুব সত্য, তা বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিই প্রমাণ করছে।