Category: সারাদেশ

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি নির্দলীয়? যা জানা গেল

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি নির্দলীয়? যা জানা গেল

    স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরে দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে নির্বাচন করতে ২০১৫ সালে আইন সংশোধন করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এ জন্য স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় পাঁচটি আইন সংশোধন করা হয়।

    যদিও অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বাতিল করে।

    সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ অধ্যাদেশ আইন আকারে পাস হবে কি না; এবং তাতে দলীয় প্রতীক ও পরিচয় থাকছে, নাকি বাতিল হচ্ছে—সেটির অপেক্ষায় রয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দলীয় প্রতীকে সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদ থেকে নির্ধারণ করা হবে।

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হয় ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর। তৃতীয় ধাপে ১০০৪টি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় একই বছর ২৮ নভেম্বর।

    চতুর্থ ধাপে নির্বাচন হয় একই বছর ২৭ ডিসেম্বর। সেদিন দেশের ৮৩৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চম ধাপে নির্বাচন হয় ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি। সেদিন নির্বাচন হয় ৭০৮টি ইউনিয়ন পরিষদে। ধাপে ধাপে এসব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

    দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার কারণে বিগত স্থানীয় নির্বাচনে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল কম। তা ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক বসানোর কারণে নাগরিক সেবা পেতেও ভোগান্তি হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

    সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হওয়ায় দেশের বিরাট ক্ষতি হয়েছে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে সহিংসতা বেড়েছে।

    দেশে যখন দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতো না, অনেক সম্মানিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতেন। যেটা পরবর্তী সময়ে বন্ধ হয়ে গেছে। তা ছাড়া দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে বড় ধরনের মনোনয়ন–বাণিজ্য হয়েছে। অনেক ভালো প্রার্থী নির্বাচন করতে পারেননি। অযোগ্য ব্যক্তিরা স্থানীয় নির্বাচনে চলে এসেছেন।

    বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের কারণে প্রার্থী সংখ্যাও কমে গেছে। তাই স্থানীয় নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয় হওয়া উচিত।

  • দেশজুড়ে জরুরি নির্দেশনা জারি!

    দেশজুড়ে জরুরি নির্দেশনা জারি!

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশেও এর বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজ বুধবার (৪ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে একটি জরুরি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জানানো হয় যে, আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তার কারণে দেশে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। তবে পবিত্র রমজানে জনদুর্ভোগ এড়াতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মন্ত্রণালয় থেকে সাধারণ নাগরিকদের জন্য বেশ কিছু জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহার এবং সব ধরণের অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া জ্বালানি পাচার রোধে এবং কালোবাজারে ডিজেল-পেট্রল বিক্রি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার বৈশ্বিক এই সংকট মোকাবিলায় জনগণের ধৈর্য ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে।

    আমদানি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে জ্বালানি সরবরাহে সাময়িকভাবে কাটছাঁট বা সমন্বয় করা হতে পারে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কিছুটা প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অসাধু চক্র যাতে সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য খোলাবাজারে ড্রাম বা বোতলে ডিজেল ও পেট্রল বিক্রি বন্ধ করতে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি পাচার রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পুলিশ প্রশাসনকে সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। রমজানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমাতে অপ্রয়োজনীয় বাতি নেভানো এবং এসি ব্যবহারে পরিমিতিবোধ বজায় রাখার জন্য নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

    জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান উৎসের পাশাপাশি নতুন ও বিকল্প আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তেল আমদানির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বিপিসি।

  • দেশজুড়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি!

    দেশজুড়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি!

    সরকারি সেবাকে আরও গতিশীল এবং দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা আনতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক যুগান্তকারী নির্দেশনা জারি করেছে। এখন থেকে সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঠিক সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিসকক্ষে অবস্থান করা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তিগত কাজ বা অননুমোদিত সেমিনারের অজুহাতে এই সময়ে ডেস্কে অনুপস্থিত থাকা চলবে না।

    জনসেবা নিশ্চিত করতে এবং অফিসের কাজে গতি ফেরাতে সচিবালয় নির্দেশমালা ২০২৪ ও সরকারি কর্মচারী বিধিমালা ২০১৯ অনুযায়ী এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। অফিসের শুরুতেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোই এই পরিপত্রের মূল লক্ষ্য। দাপ্তরিক অন্যান্য কর্মসূচিও এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টুকুতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

    জরুরি সেবা এবং মাঠপর্যায়ের কাজের গুরুত্ব বিবেচনা করে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রের জন্য এই নিয়ম শিথিল রাখা হয়েছে। জনস্বার্থে যারা সরাসরি সম্পৃক্ত তাদের কাজের সুবিধার্থেই এই নমনীয়তা। শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক ও অনুষদ সদস্য যারা কোনো প্রশাসনিক দায়িত্বে নেই। হাসপাতাল, জেলখানা, সংবাদমাধ্যম বা নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রোস্টার ডিউটি পালনকারী কর্মী। জরুরি গ্রাহকসেবায় সরাসরি নিয়োজিত এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। ভিভিআইপি প্রটোকল প্রদান, আকস্মিক বড় দুর্ঘটনা মোকাবিলা বা অনুমোদিত সরকারি সফরের বিশেষ ক্ষেত্র।

    কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ছাড়া এখন থেকে অফিস চলাকালীন কর্মস্থল ত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করার মাধ্যমে প্রশাসনকে আরও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ফির বোঝা কমাতে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই নীতিমালায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় ‘পুনঃভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে অবশ্যই ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত টিউশন ফির বাইরে নতুন কোনো অজুহাতে বা খাত তৈরি করে বাড়তি অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি, দান বা অনুদান সরাসরি ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হলেও তা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং হিসাব খাতের কোনো পরিবর্তন বা নতুন খাত সংযোজন করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও আর্থিক অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সেহরির আগে স′হবাস করলে কি পরবর্তী রোজা সহীহ হবে, ইসলাম যা বলে

    সেহরির আগে স′হবাস করলে কি পরবর্তী রোজা সহীহ হবে, ইসলাম যা বলে

    রমজান মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসে দিনের বেলা রোজা রাখা ফরজ, আর রোজা রেখে স্ত্রী সহবাস করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কেউ রোজা রাখা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী সহবাস করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং এর পরিবর্তে কাজা ও কাফফারা ওয়াজিব হবে। তবে রমজানের রাতে অর্থাৎ সূর্যাস্তের পর থেকে সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত, স্ত্রী সহবাস করার বিধান রয়েছে।

    অনেকে মনে করেন, সাহরি খাওয়ার পর এবং রোজার নিয়ত করে ফেলার পর আর স্ত্রী সহবাস করা যাবে না। কিন্তু এই ধারণা সঠিক নয়। কারণ, রমজানের রাতে খাওয়া-দাওয়া এবং স্ত্রী সহবাস—দুটোই বৈধ যতক্ষণ না সুবহে সাদিক হয়ে যায়।

    আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন—

    “রমজানের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন (সহবাস) হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের জন্য পরিচ্ছদ। আল্লাহ জেনেছেন যে, তোমরা নিজদের সাথে খেয়ানত করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের তওবা কবুল করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। এখন তোমরা তাদের সাথে মিলিত হও এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা অনুসন্ধান কর। আর আহার কর ও পান কর যতক্ষণ না ফজরের সাদা রেখা কাল রেখা থেকে স্পষ্ট হয়। অতঃপর রাত পর্যন্ত রোজা পূর্ণ কর। আর তোমরা মসজিদে ইতেকাফরত অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে মিলিত হয়ো না। এটা আল্লাহর সীমারেখা, সুতরাং তোমরা তার নিকটবর্তী হয়ো না।” (সুরা আল-বাকারা: ১৮৭)

    আরও পড়ুন- রোজা রেখে সহবাস করা যাবে?

    অর্থাৎ, সুবহে সাদিকের আগে পর্যন্ত খাওয়া-দাওয়া ও স্ত্রী সহবাস উভয়ই হালাল।

    সাহরি খাওয়ার পরও, যদি সুবহে সাদিকের আগেই হয়, তাহলে স্ত্রী সহবাস করা সম্পূর্ণ বৈধ।

    তবে সুবহে সাদিকের পর, অর্থাৎ রোজা শুরু হয়ে গেলে, স্ত্রী সহবাস করলে রোজা ভেঙে যাবে এবং কাফফারা আদায় করতে হবে।

    ইতিকাফকারীদের জন্য, রমজানের রাতেও স্ত্রী সহবাস করা নিষিদ্ধ।

    রমজানের রাতগুলোর বিশেষ ফজিলত ও বরকত রয়েছে। তাই রাতের সময়টাকে ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনায় কাটানো উচিত। তবে দাম্পত্য সম্পর্কের হকও ইসলামে স্বীকৃত, তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বৈধভাবে স্ত্রী সহবাস করা কোনো সমস্যা নয়।

  • ব্রেকিং নিউজ : যতদিন বাড়বে ঈদের ছুটি

    ব্রেকিং নিউজ : যতদিন বাড়বে ঈদের ছুটি

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়তে পারে এমন আভাস পাওয়া গেছে। ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ছুটি বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। এমন একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

    আগামী ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঈদুল ফিতরের ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।

    বাৎসরিক ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ঈদুল ফিতরে ৫ দিন ছুটি নির্ধারিত আছে।

    চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুই দিনসহ মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সরকারিভাবে, ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকবে।

    এর আগে ১৭ মার্চ রয়েছে পবিত্র শবে কদরের ছুটি। মাঝে ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে। তাহলে শবেকদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি মিলে টানা সাত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

  • ব্রেকিং নিউজ : রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার পদে ২ নেতার নাম ঘোষণা

    ব্রেকিং নিউজ : রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার পদে ২ নেতার নাম ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পাওয়ার পর সরকার গঠন করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উন্মুক্ত স্থানে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় নতুন সরকারের। প্রায় দুই দশক পর আবারও ক্ষমতায় এলো দলটি। রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।

    দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে নির্বাচিত ও অনির্বাচিত ব্যক্তিদের নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিপরিষদ গঠনের কথা জানিয়েছে দলটি।

    তবে রাষ্ট্রপতি ও স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এখনো স্পিকার পদে কাকে আনা হবে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি বিএনপি। দলীয় সূত্র বলছে, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ড. আবদুল মঈন খান এখনো কোনো দায়িত্ব পাননি। তাদের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে দলের কেউ প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি নন।

    বিএনপির একটি সূত্র জানায়, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন–কে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি পদে দেখা যেতে পারে। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দল তাকে সম্মানজনক পদে দেখতে পারে বলেও ঘনিষ্ঠজনদের ধারণা। যদিও এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দেন, রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন সংসদীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই হবে এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে জাতীয় সংসদের ওপর।

    অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. আবদুল মঈন খান–এর নাম স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছে বলে দলীয় মহলে শোনা যাচ্ছে। তবে এ নিয়েও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের নেতৃত্বে বিএনপি এককভাবে ১৯৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছিল। সে সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

    এবারের নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি একাই জয় পেয়েছে ২০৯টিতে। জোটের শরিকরা আরও তিনটি আসন পেয়েছে। ফলে জাতীয় সংসদে জোটের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২। দুটি আসনের ফল আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসন যুক্ত হলে জোটের আসনসংখ্যা আরও বাড়বে।

  • আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত না মৃত, ফ্যাক্ট চেকিংয়ে যা জানা গেল

    আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত না মৃত, ফ্যাক্ট চেকিংয়ে যা জানা গেল

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অতর্কিত হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো মৃত্যুর এ খবর নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ‘জীবিত’ থাকার দাবি করে কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে।

    অনুসন্ধানে দেখা গেছে, খামেনির সাহারা মরুভূমিতে অবস্থানের দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর।

    ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দাবি করা হয়, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন। বর্তমানে তিনি সাহারা মরুভূমিতে অবস্থান করছেন।

    এ বিষয়ে ফ্যাক্ট চেক বা তথ্য যাচাইয়ে দেখা গেছে, ওই ছবিটি বর্তমান সময়ের নয়; এটি ২০১৪ সালের একটি পুরোনো ছবি। বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে এই ছবির কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো নির্ভরযোগ্য ভিডিও বা প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণও এই দাবির সপক্ষে পাওয়া যায়নি। ফলে বিশেষজ্ঞরা এটিকে নিছক ‘অপপ্রচার’ বা ‘মিসইনফরমেশন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

    এদিকে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, ‘চীন সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে, উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি এড়াতে, হরমুজ প্রণালির নৌপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আরো বড় প্রভাব পড়া প্রতিরোধ করতে আহ্বান জানাচ্ছে।’

    মঙ্গলবার (৩ মার্চ) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    মাও নিং বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ… চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

    চীন ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা, যার বেশির ভাগই এই প্রণালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই প্রণালির মধ্য দিয়ে যায়। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্যও এ পথে পরিবাহিত হয়।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের বিপ্লবী গার্ড প্রণালিটি বন্ধ ঘোষণা করে, যার ফলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন সংস্থা এ নৌপথে চলাচল স্থগিত করে।

  • ‘দুলাভাই’ নামে সেভ নম্বরে প্রেম, প্রমাণিত হওয়ায় ডলি সায়ন্তনীকে ডিভোর্স

    ‘দুলাভাই’ নামে সেভ নম্বরে প্রেম, প্রমাণিত হওয়ায় ডলি সায়ন্তনীকে ডিভোর্স

    সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ব্যক্তিগত জীবনের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ‘প্রেম দাও’ খ্যাত গায়ক রবি চৌধুরী। ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে ডিভোর্সের ব্যাপারে তিনি জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা নম্বর থেকে পরকীয়ার সন্দেহের শুরু। সন্দেহে ডলির অভিভাবককে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করা হলে দেখা যায় ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই।

    ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ডলির পরকীয়ার প্রমাণ হওয়ায় ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

    পডকাস্টে পুরনো সম্পর্কের টানাপড়েন ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে রবি জানান, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাত। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি। ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

    তিনি জানান, সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করান। তখন দেখা যায়, ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

    রবি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।

    রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিল।

  • আরব দেশগুলোকে যে আশ্বাস দিল ইরান

    আরব দেশগুলোকে যে আশ্বাস দিল ইরান

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরান তার আঞ্চলিক প্রতিবেশি দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে না। গত শনিবার ইরানে মার্কিন হামলার জবাবে এ যুদ্ধ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।

    মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে আরাগচি বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের ওপর আক্রমণ করছি না। আমরা আক্রমণ করছি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে। মার্কিন সেনারা পালিয়ে গিয়েও রেহাই পাবে না।’

    ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, সামরিক সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক আলোচনা চলাকালেই ইসরাইলের সঙ্গে মিলে বিমান হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘কূটনীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার আহ্বান জানান।