Category: Uncategorized

  • ড্রেন থেকে জনপ্রিয় অভিনেতার মরদেহ উদ্ধার, শোকের ছায়া বিনোদন অঙ্গনে

    ড্রেন থেকে জনপ্রিয় অভিনেতার মরদেহ উদ্ধার, শোকের ছায়া বিনোদন অঙ্গনে

    যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো তারকা এবং সাবেক দমকলকর্মী জর্ডান রাইটের রহস্যময় মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ব্রিটিশ বিনোদন অঙ্গনে। থাইল্যান্ডের ফুকেটে একটি নর্দমা থেকে ৩৩ বছর বয়সী এই অভিনেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ মার্চ ফুকেট দ্বীপের ব্যাং তাও সৈকতের কাছে একটি ড্রেন থেকে স্থানীয় এক বার্মিজ শ্রমিক তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

    উদ্ধারের সময় জর্ডান রাইট নর্দমার ভেতর উপুড় হয়ে পড়েছিলেন। তার পরনে ছিল ধূসর শার্ট ও কালো প্যান্ট, তবে পায়ে কোনো জুতা ছিল না। ফুকেটের চেং থালে জেলা থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে তার শরীরে কোনো ধরনের আঘাত বা ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে সিসিটিভি ফুটেজে মৃত্যুর ঠিক আগে তাকে অত্যন্ত অস্থির অবস্থায় হোটেলের সামনে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।

  • এক লাফে যত ছাড়াল জ্বালানি তেলের দাম

    এক লাফে যত ছাড়াল জ্বালানি তেলের দাম

    মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ২০ দিন পার হয়ে তৃতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করার মুহূর্তে যুদ্ধের রূপ ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। এবার সরাসরি জ্বালানি স্থাপনা ও তেল-গ্যাস অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করায় তার বিধ্বংসী প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেনের সময় অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা ও বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রে সরাসরি হামলার খবরের পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হওয়া চরম আতঙ্ক বিশ্ববাজারকে এই নজিরবিহীন অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

    বৈশ্বিক তেলের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এদিন সর্বোচ্চ ১১৮.২৭ ডলারে উঠে যায়। একই সময়ে মার্কিন ক্রুড তেলের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়েছে।

    বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি এবং কাতারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের পর বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় এই আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।

  • পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি! জরুরি সতর্কতা জারি

    পারমাণবিক হামলার ঝুঁকি! জরুরি সতর্কতা জারি

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে সম্ভাব্য পারমাণবিক বা রাসায়নিক হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় নজিরবিহীন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় ঘটার আগেই ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সুরক্ষামূলক নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

    ডব্লিউএইচওর পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক হানান বালগি এক সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেছেন যে, প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশে ‘পটাশিয়াম আয়োডাইড’ সরবরাহ করা হয়েছে। এই ওষুধটি পারমাণবিক বিকিরণের সময় মানুষের থাইরয়েড গ্রন্থিকে মারাত্মক ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এছাড়া বিকিরণ বা রাসায়নিক গ্যাসে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দিতে স্থানীয় চিকিৎসকদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই বিশেষ অঞ্চলের অন্তর্গত ২২টি দেশের মধ্যে অন্তত ১১টি বর্তমানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুদ্ধের কবলে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি এবং অতীতে সিরিয়ার যুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের নজির থাকায় এই অঞ্চলে বর্তমানে এক ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

    ডব্লিউএইচও স্পষ্ট করেছে যে, পারমাণবিক ঘটনার শনাক্তকরণের মূল দায়িত্ব আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশনের (আইএইএ) হলেও, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার ভার তাদের ওপর। সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যে, এ ধরনের বড় মাপের বিপর্যয় পুরোপুরি ঠেকানো হয়তো সম্ভব নয়, তবে আগাম প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রাণহানি ও দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

  • রোজা অবস্থায় স′হবাস করে ফেললে কী করতে হবে: ইসলামের স্পষ্ট বিধান

    রোজা অবস্থায় স′হবাস করে ফেললে কী করতে হবে: ইসলামের স্পষ্ট বিধান

    নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
    আপনার জিজ্ঞাসার ২৮০৩তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানতে চেয়েছেন, রোজা থাকা অবস্থায় সহবাস করে ফেললে কী করতে হবে? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ।
    প্রশ্ন: রোজা থাকা অবস্থায় সহবাস করে ফেললে কী করতে হবে? এ ক্ষেত্রে কি ৬০ জন মিসকিন খাওয়াতে হবে, নাকি ৬০টি রোজা রাখতে হবে?
    উত্তর: রোজা থাকা অবস্থায় এমনটা হলে আপনাদের দুজনেরই খাওয়াতে হবে। প্রতিজনের জন্য ৬০ জন করে মোট ১২০ জন মিসকিনকে এক বেলা খাওয়াতে হবে। দুজনের পক্ষ থেকেই খাওয়াতে হবে। একজন খাওয়ালে হবে না। যেহেতু রমজান মাসে হরমত নষ্ট করছেন আপনারা, তাই আপনাদের কমপক্ষে ১২০ জনকে খাওয়াতেই হবে। সেই সঙ্গে দুজনকেই আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

  • তেলের দাম লিটারে কমল প্রায় ১৫ টাকা

    তেলের দাম লিটারে কমল প্রায় ১৫ টাকা

    বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৪ টাকা ৯০ পয়সা কমিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রাত ১২টা থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য গ্রাহকের কাছে প্রতি লিটার ফার্নেস তেল ৭১ টাকা ১০ পয়সা দরে বিক্রি করবে। এর আগে এই তেলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৮৬ টাকা।

    রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর ঘোষণা করা হয়।

    ফার্নেস অয়েল (এইচএফও)-এর মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের লক্ষ্যে বিপিসি চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি কমিশনে প্রস্তাব জমা দেয়। এ প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মেঘনা পেট্রোলিয়াম, স্টান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল, যমুনা অয়েল কোম্পানি এবং পদ্মা অয়েল কোম্পানি ফার্নেস তেলের বিপণন চার্জ ও সমন্বিত পরিবহন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব কমিশনে জমা দেয়। এসব প্রস্তাবের ওপর গত ২৯ জানুয়ারি কমিশন গণশুনানি আয়োজন করে।

    বিইআরসি জানায়, বিস্তারিত পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে বিপিসির ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য হার, ফার্নেস অয়েল বিপণনে তেল বিপণন কম্পানিগুলোর চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন চার্জ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিইআরসি আরো জানায়, ফার্নেস অয়েল বিপণনে পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা অয়েল এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েলের বিপণন চার্জ প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ৭১ টাকা এবং সমন্বিত পরিবহন চার্জ প্রতি লিটার ১ দশমিক ২০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • ফরজ গোসল না করে সেহরি খেলে রোজা হবে কি?

    ফরজ গোসল না করে সেহরি খেলে রোজা হবে কি?

    সেহরি খেয়ে রোজা রাখা সুন্নত। হাদিসের ভাষায়, সেহরিতে রয়েছে অসংখ্য বরকত ও কল্যাণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত রয়েছে।’ (সহিহ মুসলিম)

    রমজান মাসে অনেকেরই এমন পরিস্থিতি হয়—সহবাস বা স্বপ্নদোষের কারণে গোসল ফরজ হয়েছে, কিন্তু সেহরির সময় খুব কম, বা ঘুম থেকে দেরিতে ওঠার কারণে তখনই গোসল করা সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন আসে: গোসল না করে সেহরি খেলে কি রোজা হবে?

    গোসল ফরজ হওয়ার কারণ

    সুনির্দিষ্ট চার কারণের যে কোনে একটি সংঘটিত হলেই গোসল ফরজ হয়। তাহলো-

    ১. জানাবাত থেকে অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা হওয়ার গোসল। এটি নারী-পুরুষের যৌন মিলন, স্বপ্নদোষ বা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাত হলে। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন-

    وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ

    ‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৬)

    ২. মাসিক বন্ধ হওয়ার পর নারীদের পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করা ফরজ।

    ৩. সন্তান প্রসবের পর নেফাসের রক্ত বন্ধ হলে পবিত্র হওয়ার জন্য নারীদের গোসল করা ফরজ।

    ৪. আর জীবতদের জন্য মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া ফরজ।

    রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র জীবন থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রমজান মাসে সহবাসের ফলে ফরজ গোসল অবস্থায় রাসুল (সা.) সুবহে সাদিক অতিবাহিত করতেন। এরপর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন। (সহিহ বুখারি: ১৮২৯)

    উম্মুল মুমিনিন হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে যে গোসল ফরজ অবস্থায় আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং রোজা পালন করতেন। (সহিহ বুখারি: ১৯২৬)

    সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। এক্ষেত্রে তীব্র লজ্জা কিংবা গোসলের পরিবেশ নাই মনে করা শরিয়তসম্মত ওজর নয়। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/১৫১)

    عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” مَنْ فَاتَتْهُ الصَّلَاةُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ
    .أَهْلَهُ وَمَالَهُ

    হজরত নওফেল বিন মুআবিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ বলেছেন, যার নামাজ কাজা হয়ে গেল, যেন তার পরিবার ও সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল।

    (মুসনাদে আহমাদ : ২৩৬৪২)

  • হঠাৎ ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য বড় দুঃ’সংবাদ!

    হঠাৎ ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য বড় দুঃ’সংবাদ!

    জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্বব্যাপী বাড়ছে বায়ুদূষণ। প্রতিদিনই একটু একটু করে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে মেগাসিটিগুলো। আর এ তালিকায় সামনের দিকের এক নাম ঢাকা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বায়ুমান উদ্বেগ ছড়াচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরেই। মাঝে একটু নিয়ন্ত্রণে এলেও শহরটিতে আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে বায়ুদূষণ।

    এই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ‘বিপর্যয়কর’ অবস্থায় চলে গেছে ঢাকার বাতাস। এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহরটির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর দেখা গেছে ৩২২।

    একই সময়ে ঢাকা থেকে বায়ুদূষণে ওপরে ছিল শুধুমাত্র পাকিস্তানের লাহোর। বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে অবস্থান করা শহরটির স্কোর ৪০৪।

    এদিকে, তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতের কলকাতার একিউআই স্কোর ২১২। তালিকার চতুর্থ স্থানে আছে ভারতেরই আরেক শহর দিল্লি; বায়ুমান স্কোর ২০৮। এছাড়া, ১৬৯ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কাতারের দোহার। স্কোরের বিচারে এই তিন শহরের বায়ুমান খুব অস্বাস্থ্যকর।

    একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

    আর একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে সেটাকে মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

    ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

    ঢাকার বর্তমান একিউআই স্কোর ৩২২ হওয়ায় নগরবাসীর জন্য তা চরম অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ভোরে যারা প্রাতঃভ্রমণে বের হন অথবা কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য রাস্তায় নামেন, তাঁদের শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে বিষাক্ত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা ফুসফুসে প্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

    পরিবেশবিদরা বলছেন, শুষ্ক মৌসুমে নির্মাণকাজের ধুলোবালি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া এবং চারপাশের ইটভাটার দূষণ ঢাকার বাতাসকে এমন বিষাক্ত করে তুলছে। বর্তমানের এই ‘বিপর্যয়কর’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়ির বাইরে মাস্ক ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। শহরের বায়ুমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে সামনের দিনগুলোতে দূষণের এই রেকর্ড আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • ব্যালট বই ছিনতাই করে ধানের শীষে সিল

    ব্যালট বই ছিনতাই করে ধানের শীষে সিল

    শেরপুরে ব্যালট বই ছিনতাই, ধানের শীষে সিল মারা বই উদ্ধার

    শেরপুরে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নে ৩টি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে একটি উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

    কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলছিল। সকাল ১০টার কিছু সময় আগে পোলিং এজেন্টের বাইরের কয়েকজন ব্যক্তি হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়। এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল।

    তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একটি ব্যালট বই উদ্ধার করা হয়েছে। ওই বইটিতে ধানের শীষ প্রতীকে কিছু ভোট দেয়া ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কেন্দ্রে পৌঁছেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    এরআগে, শেরপুরের তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত থাকলেও শেরপুর-১ (সদর) ও শেরপুর-২ আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তবে সকাল ৭টার আগেই ভোটারদের কেন্দ্রে এসে ভোটার নম্বর বের করে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। সকালে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়বে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।

  • টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    চলতি মাসের ফেব্রুয়ারিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

    এই ছুটির পেছনে রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সরকারি ছুটি ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি। এর পরবর্তী দু’দিন, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি, যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় স্বাভাবিক ছুটি। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

    এটি চলতি বছরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম বড় ছুটি এবং ছুটির তালিকায় পঞ্চম ছুটিও বটে। এছাড়া ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সরকারি ছুটি ঘোষিত রয়েছে। তার আগের দিন ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে।