Category: সারাদেশ

  • ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে মূল বেতন, কর্মচারীদের জন্য বিশাল সুখবর

    ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে মূল বেতন, কর্মচারীদের জন্য বিশাল সুখবর

    যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে খুব শীঘ্রই আগামী বছরের শুরুর দিকে নতুন বেতন কমিশন চালু হতে পারে ভারতে।

    ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর। এক ধাক্কায় ১৮৬ শতাংশ বাড়তে পারে তাদের মূল বেতন।

    অষ্টম বেতন কমিশন ঘোষণার আগে এই নিয়ে একটা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা এখন বেতন বৃদ্ধির আশা করছেন।

    এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম মূল বেতনের পরিমাণ ১৮ হাজার টাকা। এর উপরে মহার্ঘ ভাতা এবং অন্যান্য ভাতা পাওয়া যায়। সপ্তম বেতন কমিশনে এই টাকার অংক ঠিক করা হয়েছিল এবং এখনো পর্যন্ত এই একই বেতন চলে আসছে। ষষ্ঠ বেতন কমিশনে মাসে ৭০০০ টাকা ছিল কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের বেসিক বেতন।

    ইতিমধ্যেই অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে মুখ খুলেছেন ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ জয়েন্ট কনসাল্টেটিভ মেশিনারির সচিব শিব গোপাল মিশ্র। তিনি বলছেন, বেতন নির্ধারণের ভিত্তি নতুন পে কমিশন চালু হলে হবে ২.৮৬। এর আগে সপ্তম বেতন কমিশনে কিন্তু এটা ছিল ২.৫৭।

    ফলে সবমিলিয়ে ২৯ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি পাবে বেতন। তিনি বলছেন, যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের প্রতি মাসের ন্যূনতম মূল বেতন বেড়ে দাঁড়াবে ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা। ফলে অষ্টম বেতন কমিশনে অনেকটাই বেশি বেতন পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা। বেতনের পাশাপাশি সমস্ত ধরনের মহার্ঘ ভাতা পাওয়া যাবে। সঙ্গেই পেনশন তারা পাবেন।

    বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের ন্যূনতম পেনশন ধার্য রয়েছে ন’হাজার টাকা। মিশ্রের অনুমান মিললে সেখানেও ১৮৬ শতাংশের বৃদ্ধি দেখা যাবে। সে ক্ষেত্রে ন্যূনতম পেনশন এক লাফে ২৫ হাজার ৭৪০ টাকায় গিয়ে পৌঁছতে পারে। অষ্টম বেতন কমিশনের ব্যাপারে এখনও সরকারি ভাবে কোনও ঘোষণা করেনি নরেন্দ্র মোদী সরকার।

  • দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করার ৩টি প্রধান কার্যকর উপায়, জেনে নিন

    দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করার ৩টি প্রধান কার্যকর উপায়, জেনে নিন

    দ্রুত বীর্যপাত বন্ধ করার ৩টি প্রধান কার্যকর উপায়, জেনে নিন
    ১) Kegel exercise নিয়মিত করুন: এটি পেলভিক ফ্লোর মাংসপেশি শক্ত করে, যা সরাসরি বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে কাজ করে এবং মি/লনের সময় বাড়ায়।
    ২) হস্তমৈথুন বন্ধ করুন: এই অভ্যাস স্নায়ুকে দ্রুত উত্তেজনায় অভ্যস্ত করে, ফলে স্বাভাবিক মিলনেও নিয়ন্ত্রণ হারায়।
    ৩) মি/লনের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করুন ধীর ও গভীর শ্বাস স্নায়ু শান্ত রাখে এবং উত্তেজনা ধীরে বাড়তে সাহায্য করে।
    ৪) আদা ও খাঁটি মধু নিয়মিত গ্রহণ করুন: রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে যৌন অঙ্গের সংবেদনশীলতা ব্যালান্সে রাখে।
    ৫) অশ্বগন্ধা সেবন করুন: স্নায়ু দুর্বলতা ও পারফরম্যান্স ভয় কমায়, দীর্ঘ সময় ধরে মি/লনে সহায়তা করে।
    ৬) প্রোটিন ও শক্তিবর্ধক খাবার বাড়ান: ডিম, দুধ, মাছ শরীরের শক্তি ও যৌন সহনশীলতা বাড়ায়। নোমান
    ৭) পর্ন দেখা বন্ধ করুন পার্ন মস্তিষ্ককে কৃত্রিম উত্তেজনায় অভ্যস্ত করে, যা দ্রুত বীর্যপাতের বড় কারণ।
    ৮) মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করুন: টেনশন থাকলে মস্তিষ্ক দ্রুত বীর্যপাতের সিগন্যাল পাঠায়।
    ৯) নিয়মিত হাঁটা ও হালকা ব্যায়াম করুন: রক্ত চলাচল উন্নত হলে যৌন অঙ্গের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বাড়ে।
    ১০) ফোরপ্লেতে পর্যাপ্ত সময় দিন: ধীরে উত্তেজনা তৈরি হলে বীর্যপাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সহজ হয়।
    ১১) ঘুমের ঘাটতি দূর করুন: ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম হরমোন ও স্নায়ুর ভারসাম্য ঠিক রাখে।
    ১২) ধূমপান ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন কমান: এগুলো স্নায়ু দুর্বল করে এবং যৌন নিয়ন্ত্রণ নষ্ট করে।
    ১৩) মেথি, কলা, কালজিরে, রসুন, আদা ও খেজুর খাদ্যতালিকায় রাখুন: শরীরের শক্তি, স্ট্যামিনা ও যৌন সহনশীলতা বাড়াতে সহায়ক।
    ১৪) যৌ/ন সময় তাড়াহুড়া ও ভয় বাদ দিন: পারফরম্যান্স চিন্তা থাকলে দ্রুত বীর্যপাত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
    ১৫) জিঙ্ক + ভিটামিন ডি ওমেগা ৩: এই তিনটি একসাথে স্নায়ু শক্ত করে, যৌন হরমোন ব্যালান্সে রাখে এবং দ্রুত বীর্যপাত কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    আবারও দুঃসংবাদ এল। নিজ বাসভবন থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হলো ভারতের মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা হরিমুরালির। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে কেরালার পায়্যানুরের বাসভবন থেকে মরদেহ উদ্ধার হয় তার। তবে কতদিন ধরে মৃত অবস্থায় ছিলেন, সেটি জানা যায়নি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২৭ বছর।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিনেতার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হরির বাবা কে এ মুরালি মালায়য়াম থিয়েটারের পরিচিত মুখ। হরির কাকা বাবু আন্নুরও ইন্ডাস্ট্রির একজন দক্ষ অভিনেতা, যিনি ‘ওরু ইন্ডিয়ান প্রণয় কথা’ সিনেমায় ফাহাদ ফাসিলের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এমন তারকা পরিবার থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান অভিনেতা হরির এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না কেউ।

    এ অভিনেতার মৃত্যুতে এরইমধ্যে কেরালার পায়্যানুরের পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এমন কি অভিমান বা অবসাদ জমেছিল তার মধ্যে, যে কারণে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নিতে হলো। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর পায়্যানুরের বেবি মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ময়নাতদন্ত করা হবে।

    হরি ছোটবেলায় টিভি সিরিয়াল দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। নির্মাতা লাল জোসের ‘রসিকন’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মামুট্টির ‘অন্নন থাম্পি’, ‘পট্টনাথিল ভূতম’, মোহনলালের ‘মাদাম্বি’, ‘ডন’, ‘টু হরিহর নগর’র মতো প্রায় ৫০টি সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন।

    এরপর বড় হওয়ার পর অভিনয় থেকে কিছুটা দূরত্ব তৈরি করেছিলেন। তারপরও ইন্ডাস্ট্রি ছাড়েননি। পেশা হিসেবে ভিএফএক্স এডিটিং বেছে নিয়েছিলেন। একজন দক্ষ ভিএফএক্স আর্টিস্ট হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন। বেঙ্গালুরু থেকে ভিজ্যুয়াল এফেক্টস এবং অ্যানিমেশনের ওপর বিএসসি করার পর এর্নাকুলামের খ্যাতনামা সংস্থায় ভিএফএক্স আর্টিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন।

  • নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতা হরিমুরালির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    আবারও দুঃসংবাদ এল। নিজ বাসভবন থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হলো ভারতের মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা হরিমুরালির। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে কেরালার পায়্যানুরের বাসভবন থেকে মরদেহ উদ্ধার হয় তার। তবে কতদিন ধরে মৃত অবস্থায় ছিলেন, সেটি জানা যায়নি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২৭ বছর।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিনেতার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হরির বাবা কে এ মুরালি মালায়য়াম থিয়েটারের পরিচিত মুখ। হরির কাকা বাবু আন্নুরও ইন্ডাস্ট্রির একজন দক্ষ অভিনেতা, যিনি ‘ওরু ইন্ডিয়ান প্রণয় কথা’ সিনেমায় ফাহাদ ফাসিলের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এমন তারকা পরিবার থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান অভিনেতা হরির এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না কেউ।

    এ অভিনেতার মৃত্যুতে এরইমধ্যে কেরালার পায়্যানুরের পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এমন কি অভিমান বা অবসাদ জমেছিল তার মধ্যে, যে কারণে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নিতে হলো। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর পায়্যানুরের বেবি মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ময়নাতদন্ত করা হবে।

    হরি ছোটবেলায় টিভি সিরিয়াল দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। নির্মাতা লাল জোসের ‘রসিকন’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মামুট্টির ‘অন্নন থাম্পি’, ‘পট্টনাথিল ভূতম’, মোহনলালের ‘মাদাম্বি’, ‘ডন’, ‘টু হরিহর নগর’র মতো প্রায় ৫০টি সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন।

    এরপর বড় হওয়ার পর অভিনয় থেকে কিছুটা দূরত্ব তৈরি করেছিলেন। তারপরও ইন্ডাস্ট্রি ছাড়েননি। পেশা হিসেবে ভিএফএক্স এডিটিং বেছে নিয়েছিলেন। একজন দক্ষ ভিএফএক্স আর্টিস্ট হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন। বেঙ্গালুরু থেকে ভিজ্যুয়াল এফেক্টস এবং অ্যানিমেশনের ওপর বিএসসি করার পর এর্নাকুলামের খ্যাতনামা সংস্থায় ভিএফএক্স আর্টিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন।

  • কানে চুল গজানো কিসের ই’ঙ্গিত? বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন!

    কানে চুল গজানো কিসের ই’ঙ্গিত? বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন!

    বয়ঃসন্ধির পর হরমোনের পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এই সময়ে কানের লোমকূপ সক্রিয় হতে পারে, ফলে কানে চুল গজাতে পারে। যদিও এটি বাইরের ধূলিকণা ও জীবাণু থেকে কানকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

    যেমন ডায়াবেটিস বা উচ্চ টেস্টোস্টেরন লেভেলের সঙ্গে এর যোগ থাকতে পারে।

    নাকের ভেতরে চুল থাকা যদিও স্বাভাবিক। কিন্তু বাইরের পাশে হঠাৎ চুল মানে হরমোনের সমস্যা হতে পারে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন, নাকের চারপাশে বেশি চুল গজালে লিভার ফাংশন দুর্বল হতে পারে।

    হাতে পায়ে হঠাৎ প্রচুর চুল গজানো পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের (পিসিওএস) ইঙ্গিত হতে পারে। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটা সাধারণ, তবে হঠাৎ গজালে হরমোন বা থাইরয়েড সমস্যা হতেতবে হঠাৎ ঘন বা মোটা চুল গজালে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চুল গজানোর সঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম, ওজন বেড়ে যাওয়া, ব্রণ–এগুলো হলে গুরুত্ব দিন।

  • ৬০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতির মাঝেও নতুন পে স্কেল! কীভাবে হবে বাস্তবায়ন?

    ৬০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতির মাঝেও নতুন পে স্কেল! কীভাবে হবে বাস্তবায়ন?

    সরকার নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারের সংকটের কারণে দেশের অর্থনীতি ততটা সুষ্ঠু নয়, আর রাজস্ব ঘাটতি এখন ৬০ হাজার কোটি টাকার ওপরে। এই অবস্থায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো একসাথে পুরোপুরি চালু করা সম্ভব নয়, তাই ধাপে ধাপে নীতি অনুসারে বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে, এরপর বাজেট অধিবেশন। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ী নতুন পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে। ইতিমধ্যেই পে কমিশনের রিপোর্ট ও সুপারিশ আলোচনার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পে স্কেলের সুপারিশ বাস্তবায়ন করার আগে সরকারের কাছে মোট বাজেট কতটা সম্ভব তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। দেশের ট্যাক্স রেভিনিউ ও ট্যাক্স জিডিপি রেশিও এখন সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়, ফলে সিদ্ধান্ত নেবার আগে অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।

    গত বছর প্রস্তাবিত ২১ সদস্যের পে কমিশন ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দেয়। যদিও নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত এখনও দেনি, তবুও সামনে সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে এগোতে পারে। সরকার চাইছে, অর্থসংকট ও মূল্যস্ফীতির মধ্যেও সরকারি চাকরিজীবীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব না পড়ুক।

  • পে স্কেল বাস্তবায়নে যে নীতি বেছে নিল সরকার

    পে স্কেল বাস্তবায়নে যে নীতি বেছে নিল সরকার

    দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে ধীরে এগোনোর নীতি গ্রহণের চিন্তা করছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বৈশ্বিক অস্থিরতা—বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। একই সঙ্গে জ্বালানি সংকট ও রাজস্ব ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বর্তমানে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি বলে জানা গেছে।

    এ পরিস্থিতিতে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতনকাঠামো একবারে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে জাতীয় সংসদের আসন্ন অধিবেশনেও আলোচনা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল জানিয়েছে।

    আগামী বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। এরপরই শুরু হবে বাজেট অধিবেশন। ইতোমধ্যে সংসদের কার্যপ্রণালী প্রণয়নের প্রস্তুতিও চলছে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে নতুন পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তবে বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতিতে তা সম্পূর্ণভাবে এখনই বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে মনে করছে সরকার।

    এদিকে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ও বেতন কমিশনের প্রধান জাকির আহমেদ খান। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকটি পিকেএসএফ চেয়ারম্যান হিসেবে হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, তবে সেখানে পে কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

    নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানান, পে স্কেলের সুপারিশ পর্যালোচনা না করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে কত অর্থ প্রয়োজন এবং দেশের বর্তমান রাজস্ব পরিস্থিতিতে তা কতটা সম্ভব—এসব বিষয় বিশ্লেষণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার মতে, বাংলাদেশের ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম কম হওয়ায় বাস্তবতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    সূত্রগুলো বলছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নবম পে স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা থাকলেও বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তা বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব হবে তা এখনই নিশ্চিত নয়। মূল্যস্ফীতির চাপ, রাজস্ব ঘাটতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    তবে সরকারি কর্মচারীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, এমন ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। এ কারণে পে কমিশনের সুপারিশগুলো পুনরায় পর্যালোচনার কথাও বলা হয়েছে। বাজেট প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে এ রিভিউ প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

    উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে গত বছরের ২৭ জুলাই ২১ সদস্যের একটি বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থ সচিব ও পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা ছিল এবং চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তারা তাদের সুপারিশ জমা দেয়।

  • তালিকায় নাম আছে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও কামালের

    তালিকায় নাম আছে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও কামালের

    ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর গুলশানের আবুজর শেখকে (২৪) গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট।

    এতে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একই উদ্দেশ্য সাধনকল্পে বেআইনি জনতার দলবদ্ধ হয়ে সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বল ও উগ্রতা প্রয়োগ করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে প্ররোচনা প্রদানপূর্বক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করায় তাদের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ১৪৩/৩২৬/৩০২/১১৪/১০/৩৪ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হয়।

    গত ১৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের এসআই ইসরাইল হোসেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের গুলশান থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার এ চার্জশিট দাখিল করেন। তবে চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার বিষয় এখনো শুনানি হয়নি। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    চার্জশিটভুক্ত উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন—সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত, সাবেক এমপি মির্জা আজম ও হাইকোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।

    মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় গুলশানের প্রগতি সরণির বারিধারা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিল চলছিল। তখন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতারা মিছিলে গুলি করেন।

    এসময় আবুজর শেখ গুলিবিদ্ধ হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছর ২৭ জুলাই আবুজর শেখ মারা যান।

    ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর আবুজরের মা ছবি খাতুন বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে শেখ হাসিনাসহ মোট ২৭ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট।

    মামলায় বিচারপতি মানিকসহ তিন আসামি কারাগারে আটক রয়েছে। শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ২২ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

  • অতিরিক্ত ধূমপানে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত! নিয়মিত খান এই ৬ খাবার

    অতিরিক্ত ধূমপানে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত! নিয়মিত খান এই ৬ খাবার

    ধূমপান ফুসফুসের জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু। দীর্ঘদিন ধূমপানের ফলে ফুসফুস দুর্বল হয়ে যায়, শ্বাসকষ্ট, ক্যানসার এমনকি নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু খাবার নিয়মিত খেলে ফুসফুসকে অনেকটা সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব। যদিও ধূমপান ছাড়াই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান, তবুও এই খাবারগুলো ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
    ফুসফুস রক্ষায় যেসব খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি:
    রসুন
    রসুনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ফুসফুসের প্রদাহ কমায় এবং টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।
    আদা
    ধূমপানের কারণে জমে থাকা মিউকাস পরিষ্কার করতে আদা দারুণ কার্যকর।
    সবুজ চা
    এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুসের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
    ব্রকলি
    ব্রকলির ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
    আপেল
    নিয়মিত আপেল খেলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা দীর্ঘদিন ভালো থাকে।
    হলুদ
    এতে থাকা কারকিউমিন ফুসফুস পরিষ্কার রাখে ও প্রদাহ কমায়।
    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:
    ফুসফুস সুস্থ রাখতে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়ার বিকল্প নেই। তবে ধূমপায়ী কিংবা ধূমপানের ধোঁয়ার সংস্পর্শে থাকা মানুষদের জন্য এই খাবারগুলো নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ফুসফুস অনেকটা সুরক্ষিত থাকবে।

  • ব্রেকিং নিউজ: রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা!

    ব্রেকিং নিউজ: রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।সূত্রটি বলছে, সর্বপ্রথম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়ে তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনিই এবার রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হতে পারেন। খুব শিগগিরই এমন ঘোষণা আসবে।

    বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। লেখাপড়া শেষ করে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেন। পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ২০১১ সালের মার্চে মৃত্যুবরণ করলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুলকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেন। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন।ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেসরকারিভাবে ৭২ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়েছে