Category: সারাদেশ

  • সুপার অ্যালার্ট: নির্বাচনে স্কুল-কলেজে দীর্ঘ ছুটি? জানুন কতদিন!

    সুপার অ্যালার্ট: নির্বাচনে স্কুল-কলেজে দীর্ঘ ছুটি? জানুন কতদিন!

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দুই দিন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টানা চার দিন বন্ধ থাকবে। ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে বুধ ও বৃহস্পতিবার, এর সঙ্গে পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এদিকে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি দেওয়া হয়েছে।

    ছুটির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি, বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন: মোটরসাইকেল বন্ধ থাকবে ৩ দিন, অন্যান্য যানবাহন ২৪ ঘণ্টা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন: মোটরসাইকেল বন্ধ থাকবে ৩ দিন, অন্যান্য যানবাহন ২৪ ঘণ্টা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সিক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে-পরে তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ ছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে।

    ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে–আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন; অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি; জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন; বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে); দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন; প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে ১টি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস); টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।

    জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশনায়। বলা হয়েছে, স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করতে পারবেন।

  • সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ! কি ঘটতে যাচ্ছে?

    সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ! কি ঘটতে যাচ্ছে?

    জেঁকে বসছে শীত, ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য দুঃসংবাদ

    কুয়াশার চাদরে ঢেকে প্রকৃতিতে জেঁকে বসছে শীত। বিকাল থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত বইছে হিমেল হাওয়া। এতে ১০ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সেইসঙ্গে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।

    আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। সেইসঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আর এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই অবস্থায় শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।তবে এই সময়ে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। সেইসঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারেএই আবহাওয়াবিদ আরও জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পাশাপাশি কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডার অনুভূতি বাড়তে পারে। এছাড়া শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়া একই রকম থাকতে পারে। এদিকে রবিবার ও সোমবার (২৮-২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে এ দু’দিনও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পরতে পারে। এছাড়া রোববার সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও সোমবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। অন্যদিকে আগামী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পরতে পারে। এছাড়া এদিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজশাহীতে দেশের সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

  • বিএনপির এক আসনে প্রার্থী বদল, চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

    বিএনপির এক আসনে প্রার্থী বদল, চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

    চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে দলীয় প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এই আসনে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে বাদ দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকারকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোলাম আকবর খোন্দকারের ছেলে তারেক আকবর খোন্দকার। তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে আজই রাউজান আসনের জন্য গোলাম আকবর খোন্দকারকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেন গোলাম আকবর খোন্দকার।
    এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর একই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চট্টগ্রাম-৬ আসনে প্রাথমিকভাবে দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্তে সেই মনোনয়ন পরিবর্তন করা হলো।

  • বাংলাদেশিদের ভিসা দেয়ার বিষয়ে যা জানাল ভারত

    বাংলাদেশিদের ভিসা দেয়ার বিষয়ে যা জানাল ভারত

    বাংলাদেশের নাগরিকদের এখন ‘উল্লেখযোগ্য পরিমাণ’ ভারতীয় ভিসা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি।

    আজ বৃহস্পতিবার নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা তো ভিসা দিচ্ছি (বাংলাদেশে)। নানা কারণে ভিসা দেওয়া হচ্ছে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে।’

    গত বছরের জুলাই-অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে ভারতের স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

    ভারতের ভিসা পাওয়া যাচ্ছিল না বলে অনেক বাংলাদেশি নাগরিককেই চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।
    নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি আরো বলেন, ‘যেসব কারণে ভিসা দেওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে মেডিক্যাল ইস্যু বা ইমার্জেন্সি আছে, ছাত্রছাত্রীদের ভিসা আছে ইত্যাদি ইত্যাদি।’

    তবে ভারত সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশিদের ঠিক কত সংখ্যক ভিসা দিয়েছে, সেই নির্দিষ্ট সংখ্যাটা তিনি বলতে পারেননি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা আমাকে জেনে বলতে হবে।

    বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে গতকাল (বুধবার) যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে আর একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি অবশ্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি–বরং উত্তর পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন।

    গোপালগঞ্জের ঘটনাকে ভারত কিভাবে দেখছেন, তার জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলে যেকোনো ডেভেলপমেন্টের দিকেই আমরা সতর্ক নজর রাখি, সেটা আমলে নিই এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের যা করণীয় সেটাও করা হয়।’

  • এবার আরেক বিএনপি প্রার্থীর কপাল পুড়ল

    এবার আরেক বিএনপি প্রার্থীর কপাল পুড়ল

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পর এবার বিএনপির আরেক প্রার্থীর কপাল পুড়েছে। কুমিল্লা-১০ আসনে (লালমাই-নাঙ্গলকোট) প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির মনোনীত মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়ার রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তিনি এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। অভিযোগকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী। ইসির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী।

    গত ২০ জানুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বাতিল করায় হাইকোর্টে রিট করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া।

    আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছিলেন বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (মুক্তিজোট) প্রার্থী কাজি নুরে আলম সিদ্দিকি। এরপর গত ১৮ জানুয়ারি বিকালে নির্বাচন কমিশন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আবদুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল করে।

    এর আগে গতকাল (২১ জানুয়ারি) কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর রিট খারিজ করেন হাইকোর্ট।

    গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রাথমিক বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলেও ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

    হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ ছিল, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এনসিপি প্রার্থীর আবেদন মঞ্জুর করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করে। ইসির এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। আবেদনে তিনি ইসির ওই সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন, কিন্তু উচ্চ আদালত তার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।

  • লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিন

    লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিন

    লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিনজিজ্ঞাসা–১১০২: ইসলামে লজ্জাস্থানের চুল কাটার নিয়ম কী কী?–শরিফ। জবাব: এক. অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটাকে মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস রাযি. বলেন, وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮) দুই. নাভীর নীচের অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা হলো :

    পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায় নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয় সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১) তিন. পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব। (কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫) চার. ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না। فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭) والله اعلم بالصواب উত্তর দিয়েছেন শায়েখ উমায়ের

  • হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত বিষয়ে যা জানাল জাতিসংঘ

    হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত বিষয়ে যা জানাল জাতিসংঘ

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

    ২. হাঁটুন
    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

    ৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
    ৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

    ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

    জিরা-পানির কী গুণ

    ৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

    বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

    ৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

    আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
    ৭. সকালে লেবু-পানি খান

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

    সূত্র: দ্য হেলদি ডটকম

  • যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

    ২. হাঁটুন
    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

    ৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
    ৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

    ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

    জিরা-পানির কী গুণ

    ৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

    বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

    ৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

    আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
    ৭. সকালে লেবু-পানি খান

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

    সূত্র: দ্য হেলদি ডটকম

  • ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই শরীর যে সংকেত দেয়

    ক্যান্সার হওয়ার এক বছর আগেই শরীর যে সংকেত দেয়

    বুক জ্বালা বা হেয়ার্টবার্নকে আমরা প্রায়ই সাধারণ হজমের সমস্যা মনে করি। তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন—এই উপসর্গকে অবহেলা করা বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে চলা বুক জ্বালা হতে পারে একটি মারাত্মক ও দুর্লভ ক্যানসারের পূর্বাভাস, যার নাম ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসার।

    এই ক্যানসার শরীরে বাসা বাঁধার এক বছর আগেই কিছু পূর্ব লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যা শরীরের আচরণ বা পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিন্তু আমরা অনেকেই এসব সংকেতকে গুরুত্ব দিই না।

    যে লক্ষণগুলো আগেভাগেই দেখা দেয়:

    * শরীরের যেকোনো জায়গায় চাকা বা গাঁট অনুভব হওয়া

    * অস্বাভাবিক রক্তপাত

    * দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙা

    * ওজন হঠাৎ কমে যাওয়া

    * অতিরিক্ত ক্লান্তি

    * ত্বকে অস্বাভাবিক পরিবর্তন

    * হজমে সমস্যা বা বুক জ্বালা

    উপরের লক্ষণগুলোর কোনোটি যদি দীর্ঘ সময় থাকে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসার কী?

    এটি খাদ্যনালীর দেয়ালের কোষে তৈরি হওয়া এক ধরনের ক্যানসার। এটি বিশ্বজুড়ে দশম সর্বাধিক দেখা ক্যানসার হলেও এর প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে, ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে এবং চিকিৎসাও জটিল হয়ে ওঠে।

    এই ক্যানসারের দুইটি সাধারণ ধরন রয়েছে:

    * স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা: খাদ্যনালীর সমতল কোষে তৈরি হয়

    * অ্যাডেনোকার্সিনোমা: মিউকাস নিঃসরণকারী কোষে তৈরি হয়

    যেসব উপসর্গ দেখলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে:

    * বুকের মাঝখানে বা পিঠে ব্যথা অনুভব হওয়া

    * গলা ব্যথা বা খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া

    * হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, যদিও খাওয়ার অভ্যাস বদলায়নি

    * রক্ত বমি হওয়া বা কাশির সঙ্গে রক্ত আসা

    * নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদি হেয়ার্টবার্ন

    * কণ্ঠস্বর ভারী বা ভেঙে যাওয়া

    জিইআরডি এবং ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস

    যখন পাকস্থলীর অ্যাসিড বারবার খাদ্যনালীতে উঠে আসে, তখন সেটাকে বলা হয় জিইআরডি বা গ্যাস্ট্রোইসোফ্যাজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ। দীর্ঘমেয়াদি জিইআরডি থাকলে ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস নামে একটি অবস্থা তৈরি হতে পারে, যেখানে খাদ্যনালীর কোষের গঠন পরিবর্তিত হয়ে তা ক্যানসারে রূপ নিতে পারে।

    ঝুঁকিতে কারা?

    বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত এমন কয়েকটি গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে:

    * ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ

    * যারা ধূমপান বা নিয়মিত অ্যালকোহল সেবন করেন

    * যারা অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় ভোগেন

    * যাদের পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস রয়েছে

    ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় যেসব কারণ:

    * ধূমপান এবং অ্যালকোহল গ্রহণ

    * অতিরিক্ত ওজন

    * দীর্ঘমেয়াদি অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা ব্যারেটস ইসোফ্যাগাস

    * কিছু বিরল রোগ যেমন আকালেশিয়া ও টাইলোসিস

    * এইচপিভি ভাইরাস সংক্রমণ

    * পারিবারিকভাবে ক্যানসারের ইতিহাস থাকা

    * কিছু রাসায়নিক পদার্থের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ

    সতর্কতা এবং সচেতনতা

    পেটের জ্বালা বা হেয়ার্টবার্নের মতো সাধারণ মনে হওয়া উপসর্গকেও অবহেলা করা উচিত নয়। শরীরের দেওয়া সংকেতগুলো গুরুত্ব সহকারে বুঝে নেওয়া এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করাই পারে জীবন রক্ষা করতে।

    সচেতন থাকুন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন এবং সুস্থ থাকুন।