Category: সারাদেশ

  • আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম, লিটারে কত?

    আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম, লিটারে কত?

    বিশ্ববাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় দেশে সব ধরণের জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা করে কমানো হয়েছে।

    শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। পুনর্নির্ধারিত এই নতুন মূল্য রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।

    জ্বালানি বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ভোক্তা পর্যায়ে সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেলের বর্তমান বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে ২ টাকা কমিয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    একইভাবে অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা করা হয়েছে।

    সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহন খাতসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ডিজেলের দাম কমায় কৃষিপণ্যের পরিবহন খরচ ও সেচ কাজে কৃষকদের ব্যয় কিছুটা হ্রাস পাবে। প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ী এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় পদ্ধতি চালুর ফলে ভোক্তারা সরাসরি সুফল ভোগ করতে পারছেন।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়, বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা পর্যবেক্ষণ করে প্রতি মাসেই এই ধরণের সমন্বয় প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। রোববারের প্রথম প্রহর থেকেই দেশের সকল ফিলিং স্টেশনে নতুন মূল্যে তেল বিক্রি শুরু হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই মূল্য কার্যকর করার বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

  • এবার দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ! যা বললো মহাসচিব

    এবার দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ! যা বললো মহাসচিব

    জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্ব সংস্থাটির চরম আর্থিক সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছেন যে, সদস্য দেশগুলো বকেয়া চাঁদা পরিশোধ না করলে আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই জাতিসংঘের তহবিল পুরোপুরি শূন্য হয়ে যেতে পারে। ১৯৩টি সদস্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সংস্থাটি এক ভয়াবহ আর্থিক ধসের মুখে পড়বে।

    বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী গুতেরেস তার চিঠিতে জানিয়েছেন যে, নির্ধারিত চাঁদা আদায় না হওয়ায় নিয়মিত বাজেট বাস্তবায়ন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অতীতেও বিভিন্ন সময় আর্থিক সংকট দেখা দিলেও এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন, কারণ এবার বড় অংকের অর্থ না দেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবেই জানানো হয়েছে। তিনি কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ না করলেও এই সংকট মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন বন্ধ করার সিদ্ধান্তের ফলে তৈরি হয়েছে।

    জাতিসংঘের বৃহত্তম দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি একাধিক সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং শান্তিরক্ষা তহবিলসহ নিয়মিত বাজেটে অর্থায়ন কমিয়ে দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন মনে করে যে সংস্থাটি মার্কিন করদাতাদের অর্থের অপচয় করছে এবং তাদের অগ্রাধিকারগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। গত জানুয়ারি মাসেই যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের ৩১টি সংস্থাসহ মোট ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। এছাড়া মানবিক কর্মসূচিতেও তাদের অনুদান ১৭ বিলিয়ন ডলার থেকে কমিয়ে মাত্র ২ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে।

    মহাসচিব স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী চাঁদা দেওয়া প্রতিটি সদস্য দেশের আইনি বাধ্যবাধকতা। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বকেয়া অর্থের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে যা মোট প্রাপ্যের ৭৭ শতাংশ। বিদ্যমান নিয়মের অসামঞ্জস্যতা তুলে ধরে গুতেরেস বলেন যে অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিধানটি এখন একটি দুধারি তলোয়ারে পরিণত হয়েছে, কারণ বাস্তবে যে অর্থ পাওয়াই যায়নি সেটিও ফেরত দিতে বলা হচ্ছে।

    আর্থিক ধস ঠেকাতে গুতেরেস সব সদস্য রাষ্ট্রকে দ্রুত পূর্ণ অর্থ পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন অথবা আর্থিক নিয়মকাঠামোতে মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা বৈশ্বিক এজেন্ডার পরিবর্তে মার্কিন স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। গাজা পুনর্গঠনসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে জাতিসংঘের বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির আলোচনাও আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

  • যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

    ২. হাঁটুন
    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

    ৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
    ৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

    ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

    জিরা-পানির কী গুণ

    ৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

    বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

    ৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

    আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
    ৭. সকালে লেবু-পানি খান

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

    সূত্র: দ্য হেলদি ডটকম

  • চাকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা

    চাকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তারিখ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

    পূর্বনির্ধারিত ১২ অক্টোবরের পরিবর্তে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১৫ অক্টোবর। নির্বাচন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের পরীক্ষা ১২ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকাল চারটায় নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাকসু নির্বাচন কমিশনার ও সদস্য সচিব ড. আরিফুল হক সিদ্দিকী।

    এছাড়াও, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়ও বৃদ্ধি করে আগামীকাল পর্যন্ত করা হয়েছে। যা আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশন।

  • বিএনপির এক আসনে প্রার্থী বদল, চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

    বিএনপির এক আসনে প্রার্থী বদল, চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যিনি

    চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে দলীয় প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এই আসনে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে বাদ দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকারকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোলাম আকবর খোন্দকারের ছেলে তারেক আকবর খোন্দকার। তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে আজই রাউজান আসনের জন্য গোলাম আকবর খোন্দকারকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেন গোলাম আকবর খোন্দকার।
    এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর একই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চট্টগ্রাম-৬ আসনে প্রাথমিকভাবে দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্তে সেই মনোনয়ন পরিবর্তন করা হলো।

  • এইমাত্র পাওয়াঃ ৩০ আসনে বিতর্কিত প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বিএনপির, লিস্টসহ দেখুন

    এইমাত্র পাওয়াঃ ৩০ আসনে বিতর্কিত প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বিএনপির, লিস্টসহ দেখুন

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিতর্কিত ও সমালোচিত প্রার্থীদের বদল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। সোমবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    সভায় সিলেট-৬, নেত্রকোনা-৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪, জামালপুর-২, কুষ্টিয়া-৪, সিরাজগঞ্জ-৩ এবং চট্টগ্রাম-১২ ও ১৩সহ অন্তত ৩০টি আসনে মনোনয়ন পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা হয়। এসব আসনের কিছু প্রার্থীর বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, বয়সজনিত সীমাবদ্ধতা, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও সমালোচিত হওয়ার অভিযোগ তুলে নেতারা মত দেন।

    গত ৩ নভেম্বর বিএনপি ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই অর্ধশতাধিক আসনে ‘মনোনয়ন বিদ্রোহ’ দেখা দেয়। বাকি ৬৩টি আসনেও মনোনয়ন নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।

    অন্যদিকে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে বড় পরিকল্পনা করছে বিএনপি। ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ নামে একটি বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, যেখানে জেন-জি প্রজন্মসহ সমাজের সব শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচি ৭ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় দিনব্যাপী চলবে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রসঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসযোগ্য, আধুনিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সাতটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি—জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষা, শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তি, স্বাস্থ্য, কৃষি, নারী, ক্রীড়া ও ধর্ম। ক্ষমতায় গেলে এসব ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা লিফলেটের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সমন্বয়ে একাধিক টিম মাঠে নামতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, ঘোষিত কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং বৈঠকে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

  • পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    নবম জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়নকে কেন্দ্র করে পূর্ণ কমিশনের সভা শেষ হয়েছে। সভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবরের কথা জানিয়েছেন কমিশনের কর্মকর্তারা। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ সভা শেষ হয়।

    সভা সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলে পেনশনভোগীদের পেনশনের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্তরের পেনশনভোগীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হারে পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    সূত্র অনুযায়ী, যারা বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের পেনশন শতভাগ বা দ্বিগুণ বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। মাসিক ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির হার ৭৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। আর যারা মাসে ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান, তাদের পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে।

    এছাড়া প্রবীণ পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতা ১০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ৫৫ বছরের কম বয়সী পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা ৫ হাজার টাকা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। পে-কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষে পেনশন ও বেতন কাঠামোর নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, এ সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি পেনশনভোগীদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ অনেকটাই লাঘব হবে।

  • এক খবরে হঠাৎ পাল্টে গেল তেলের বাজার!

    এক খবরে হঠাৎ পাল্টে গেল তেলের বাজার!

    ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ওঠাপড়া দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে উত্তেজনার কারণে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একদিনে ৩.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭১.০১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। জানুয়ারিতে এই দামের বৃদ্ধি ১৬ শতাংশ, যা গত চার বছরের মধ্যে একটি একক মাসের জন্য সর্বোচ্চ।

    অন্যদিকে, আমেরিকান বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৫.৭৫ ডলারে উঠেছে, যা গত চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান দৈনিক প্রায় ৩.২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করে। মার্কিন সামরিক অভিযান হলে এই সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের নতুন ঢেউ সৃষ্টি করতে পারে।

    বিশেষজ্ঞ জন ইভান্স উল্লেখ করেছেন, ‘হরমুজ প্রণালী’ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি ইরান প্রতিশোধ হিসেবে এটি বন্ধ করে দেয়, তবে প্রতিদিনের প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে আসতে ব্যর্থ হবে। একই সময়ে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে বলা হয়েছে, মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে যাচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে ‘চরম গতি ও শক্তি’ নিয়ে হামলা করতে প্রস্তুত। এই সামরিক হুমকির প্রভাব ইতিমধ্যেই তেলের বাজারে পড়েছে এবং অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

  • এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি!

    এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি!

    আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালানো থেকে তাদের বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা কার্যকর করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই একযোগে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছিলেন। তবে নির্বাচন কমিশন বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে গণভোটের কোনো পক্ষে প্রচার চালানো দণ্ডনীয় অপরাধ। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা জারি করার পর প্রশাসন এখন তা বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে জানান যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিকভাবে অবহিত করা হচ্ছে। যদিও গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি ইতিমধ্যে সবার নজরে এসেছে তবে এখন থেকে প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হবে। কমিশনের দেওয়া প্রতিটি বিধিনিষেধ যেন অক্ষরে অক্ষরে পালিত হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

    অন্যদিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক মন্তব্য করেন যে আগে সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় অনেকে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে এখন কমিশনের বিধিনিষেধ চলে আসায় কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারাভিযান বা কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবেন না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই এখন মূল লক্ষ্য।

  • নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

    নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। এবার এই ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক ইস্যুতে করা সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।

    প্রেস সচিব বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। যা আগেই ঘোষণা করা হয়। আজকে উপদেষ্টা পরিষদ সভায় ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি। আর ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ও কর্মচারীদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমিকরা তিন দিন ছুটি পাবেন।’

    তিনি বলেন, ‘আজকের সভায় ১৩টি এজেন্ডা ছিল। বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের আইন রোহিত আইন খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

    বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন-২০২৬ এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে বলেও জানান প্রেস সচিব।

    শফিকুল বলেন, ‘জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশ জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের প্রস্তাব নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনও হয়েছে।’

    ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘জুয়া প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ এ ১৯ প্রকারের জুয়াকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, অপরাধ অনুযায়ী ১৫ ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ৫ লাখ টাকা এবং দণ্ড ১০ বছর। ম্যাচ ফিক্সিংসহ এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে এই আইন।’

    তথ্য অধিকার আইনে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রতিবেদন কীভাবে করা হবে, সেই বিষয়েও বলা হয়েছে। তথ্য অধিকার সংরক্ষণ করবে এই আইন।’

    জনমনে বহুদিনের রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষার পরিণতিই হলো জুলাই বিপ্লব
    যে সরকারই আসুক, চীন-বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
    আগামী সপ্তাহে সরকারি চাকরিজীবীদের লম্বা ছুটি কাটানোর সুযোগ