Category: সারাদেশ

  • ঈদুল ফিতরে কত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা

    ঈদুল ফিতরে কত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা

    আরবি মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ২১ বা ২২ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। ঈদকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা এবার কত দিনের ছুটি পাবেন এ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে সবার মধ্যে। এরই মধ্যে সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী ২০২৬ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে মোট পাঁচ দিন।

    সরকারি ঘোষণায় দেখা যায়, সম্ভাব্য ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর ধরে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) থেকে সোমবার (২৩ মার্চ) পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পবিত্র শবেকদরের সরকারি ছুটি রয়েছে। যদিও বুধবার (১৮ মার্চ) কর্মদিবস, তবে পরদিন থেকেই শুরু হচ্ছে ঈদের টানা ছুটি।

    ঈদের পর ২৪ ও ২৫ মার্চ এই দুই দিন অফিস-আদালত খোলা থাকলেও ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের সরকারি ছুটি রয়েছে। এর পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা ২৪ ও ২৫ মার্চ মাত্র দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন। কেউ চাইলে ১৮ মার্চ এক দিনের অতিরিক্ত ছুটি নিয়ে শবেকদর থেকেই এই ছুটি শুরু করতে পারবেন।

    সরকার ঘোষিত ছুটিতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ। ফলে বেসরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি নির্ভর করবে নিজ নিজ অফিসের নীতির ওপর।

    এ বছর রমজান উপলক্ষে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে দীর্ঘ ছুটি চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, কলেজগুলোতে রমজান, ঈদুল ফিতর ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি ও পরবর্তী সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ২৯ মার্চ রোববার থেকে কলেজ খোলার কথা রয়েছে। মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে রমজানের শুরু থেকেই ছুটি কার্যকর রয়েছে, যা চলবে মার্চের শেষ পর্যন্ত।

    বাংলাদেশে সাধারণত ঈদে তিন দিনের সরকারি ছুটি থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মানুষের যাতায়াতের চাপ কমাতে ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। লম্বা ছুটির কারণে রাজধানী ছাড়ার চাপ কিছুটা ভাগ হয়ে যায়, ফলে সড়ক, রেল ও নৌপথে ভোগান্তি তুলনামূলক কমে।

    গত বছরও ঈদুল ফিতরে পাঁচ দিনের ছুটির পাশাপাশি নির্বাহী আদেশে বাড়তি এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে অনেকেই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

    সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের ছুটি ছোট হলে যাতায়াত ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়ে। তাই আগের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রেখে এবারও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে এবং প্রয়োজনে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো যায়।

    সব মিলিয়ে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবার ঈদে টানা দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা ঈদযাত্রা ও উৎসবের আনন্দকে আরও স্বস্তিদায়ক করতে পারে।

  • তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যিনি

    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যিনি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া–৬ আসন থেকেও বিজয়ী হয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তিনি ঢাকা আসনটি রেখে বগুড়া–৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসন্ন এই উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম (বাদশা)–কে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত মনোনয়নপত্র দলের চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে রেজাউল করিমের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এ কে এম মাহবুবর রহমান, সহসভাপতি আবদুল বাছেদ এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বগুড়া–৬ (সদর পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    নির্বাচনী সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২ মার্চ। ৫ মার্চ মনোনয়ন যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত আপিল গ্রহণ করা হবে এবং ১১ মার্চ আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৪ মার্চ এবং ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান ঢাকা–১৭ ও বগুড়া–৬—এই দুটি আসন থেকেই জয়লাভ করেন। শপথ গ্রহণের আগের দিন তিনি বগুড়া–৬ আসনটি ছেড়ে দেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সাল থেকে বগুড়া–৬ আসনটি বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। এছাড়া ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও এ আসন থেকে জয় পান।

  • সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ

    সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ

    বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি জুলাইকে অসম্মান করে সাংবিধানিক দায়িত্ব ও শপথের পরিপন্থি বক্তব্য দেওয়ায় তাকে এ নোটিশ পাঠানো হয়।
    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার এ আইনি নোটিশটি পাঠান। নোটিশটি সংসদ সচিবালয় ও আইন সচিবের কাছে প্রেরণ করেন তিনি।

    আইনি নোটিশে বলা হয়, জুলাইকে অসম্মান করে সাম্প্রতিক বক্তব্য দেওয়ায় শপথ ভেঙেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। আর তাই তাকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উদ্বোধন করাতে সংসদ সচিবালয় ও আইন সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার।

    নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ‘গ্রেফতারের’ বিষয়ে যা জানা গেল

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ‘গ্রেফতারের’ বিষয়ে যা জানা গেল

    গত ১১ ফেব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা সেনানিবাসে গ্রেফতার হয়েছেন বলে একটি দাবির প্রচারণা দেখা যায়। উক্ত দাবিতে একটি ভিডিও লিংক শেয়ার করা হয়, যা গ্রেফতারের প্রমাণ হিসেবে দেখানো হয়।

    তবে রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। কোনো বিশ্বস্ত সূত্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধানে দেখা যায়, মূলত ‘protibadnews76.blogspot.com’ নামে একটি বিনামূল্যের ব্লগসাইটকে উৎস হিসেবে ব্যবহার করে এই মিথ্যা খবর ছড়ানো হয়েছে।

    প্রকাশিত কথিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীতে এক বিশেষ অভিযানে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বাসা থেকে নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাকে আটক করা হয়েছে। তবে, প্রতিবেদনের কোনো তথ্যপ্রমাণ নেই এবং ছবিসমূহও সম্পাদিত ও ভুয়া। আগেও এই সাইটের মাধ্যমে একই ধরনের ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছে এবং ফ্যাক্টচেকের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়েছে।

    এছাড়া, যদি কোনো নেতা গ্রেফতার হতো, তা দেশের গণমাধ্যমগুলোতে ব্যাপকভাবে সংবাদ হিসেবে প্রচারিত হতো। কিন্তু কোনো বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম বা সরকারি সূত্রে এ ধরনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক প্রোফাইলেও ওই দিন লাইভ ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে কোনো গ্রেফতারের ঘটনা ধরা পড়েনি।

    ফলে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গ্রেফতারের খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

  • হাসিনার বিকল্প নেতৃত্ব নিয়ে যা ভাবছে আ.লীগের হাইকমান্ড

    হাসিনার বিকল্প নেতৃত্ব নিয়ে যা ভাবছে আ.লীগের হাইকমান্ড

    চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে। স্থগিত করা হয় দলটির নিবন্ধনও। ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি দলটি। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ এখন মূলত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অবস্থানের দিকেই তাকিয়ে আছে।

    দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আপাতত সহিংসতা এড়িয়ে গুছিয়ে রাজনীতি করার কৌশল নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সামান্য রাজনৈতিক ‘স্পেস’ পেলেই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠন পুনর্গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। অতীতে যাদের কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের আর নেতৃত্বে না রাখার বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। পুরোনো বিতর্কিত মুখ বাদ দিয়ে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও তরুণ নেতৃত্ব সামনে আনার চিন্তাভাবনা চলছে।

    আওয়ামী লীগে এখনো শেখ হাসিনাকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তদাতা হিসেবে দেখা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিকল্প নেতৃত্ব সামনে আনার প্রশ্নটি দলীয় হাইকমান্ডের আলোচনায় রয়েছে। দলীয় সূত্র বলছে, ‘শেখ পরিবার’-এর হাতেই নেতৃত্ব থাকবে—এমন একটি কাঠামো বহাল রাখার প্রবল ইচ্ছা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা পেছন থেকে দলের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারেন, আর সামনে আনা হতে পারে নতুন কোনো মুখ।

    জানুয়ারিতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, তার মা শেখ হাসিনা হয়তো আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন না। তিনি জানান, শেখ হাসিনা অবসর নিতে চেয়েছিলেন এবং এটিই ছিল তার শেষ মেয়াদ। ‘হাসিনা যুগের অবসান’ প্রসঙ্গে জয়ের মন্তব্য ছিল, ‘সম্ভবত, হ্যাঁ।’

    তবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে এখনো বলছেন, শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। দলের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় আসায় নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। রাজনীতির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে ভাবা হবে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পরিবর্তন আনার প্রস্তুতিও রয়েছে বলে জানান তিনি।

    দলের সভাপতির বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগে এখনো শেখ হাসিনার বিকল্প কেউ নেই। পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনিই সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।’

    আওয়ামী লীগের এক সাংগঠনিক সম্পাদক যুগান্তরকে জানান, শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে দলীয় কার্যালয় খোলার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেওয়ার পর কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপন থেকে বেরিয়ে আসছেন, প্রবাসে থাকা অনেকে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে হঠাৎ করে বড় কোনো কর্মসূচি না দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কৌশল নিয়েছে দলটি।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কোটি কোটি নেতাকর্মী ও সমর্থক দেশে রয়েছেন। তাদের ঝুঁকিতে ফেলতে চাই না। তাই আপাতত কোনো তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। বিএনপির অবস্থান আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।”

    আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। তার সাম্প্রতিক বক্তব্য ও পদক্ষেপকে তারা ‘ইতিবাচক’ হিসেবে দেখছেন। ফলে দলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিগগিরই প্রত্যাহার হতে পারে—এমন আশাও করছেন তারা।

    অন্যদিকে সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আইনগতভাবে যেহেতু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেভাবেই বিষয়টি দেখা হবে।

    পরদিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানানোর পর স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না; তারা আইনের শাসনে আস্থাশীল।

    সব মিলিয়ে, আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড এখন দ্বৈত কৌশলে এগোচ্ছে—একদিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে অটুট রাখার বার্তা, অন্যদিকে বাস্তবতা বিবেচনায় বিকল্প নেতৃত্ব সামনে আনার সম্ভাবনা খোলা রাখা। তবে কার্যকরভাবে রাজনীতিতে ফিরতে সরকারের আনুষ্ঠানিক ‘স্পেস’ বা ছাড়ের অপেক্ষায় রয়েছে দলটি।

  • প্রধানমন্ত্রীর যে নির্দেশে ঘুম হারাম সরকারি চাকরিজীবীদের!

    প্রধানমন্ত্রীর যে নির্দেশে ঘুম হারাম সরকারি চাকরিজীবীদের!

    একসময় সরকারি অফিসে দেরিতে হাজিরা, ফাইলজট ও জবাবদিহিতার অভাব ছিল নিত্যদিনের চিত্র। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনে সময়নিষ্ঠা ও উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছে তিনি নিজেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, এত সকালে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনেকেই বিস্মিত হন। সেদিন তিনি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের উপস্থিতির খোঁজ নেন এবং নির্ধারিত সময়ে অফিসে থাকার মৌখিক নির্দেশ দেন।

    টানা দুই দিন সচিবালয়ে কাজের পর সরকারি ছুটির দিনেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেন—যা প্রশাসনে কঠোর বার্তার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এদিকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক আদেশে জানিয়েছে, সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে উপস্থিত না হওয়া, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ বা দেরিতে আসা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে; প্রয়োজনে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    নবম জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়নকে কেন্দ্র করে পূর্ণ কমিশনের সভা শেষ হয়েছে। সভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবরের কথা জানিয়েছেন কমিশনের কর্মকর্তারা। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ সভা শেষ হয়।

    সভা সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলে পেনশনভোগীদের পেনশনের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্তরের পেনশনভোগীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হারে পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    সূত্র অনুযায়ী, যারা বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের পেনশন শতভাগ বা দ্বিগুণ বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। মাসিক ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির হার ৭৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। আর যারা মাসে ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান, তাদের পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে।

    এছাড়া প্রবীণ পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতা ১০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ৫৫ বছরের কম বয়সী পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা ৫ হাজার টাকা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। পে-কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষে পেনশন ও বেতন কাঠামোর নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, এ সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি পেনশনভোগীদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ অনেকটাই লাঘব হবে।

  • বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রদানের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বসম্মতির আলোকে কার্যকর করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা দুইটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাবেন। এই আদেশ ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৩০ অক্টোবর ২০২৪ সালের সম্মতির ভিত্তিতে (চাকরি বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত) আদেশ, ২০১৫-এর ১২(২) নম্বর অনুচ্ছেদ এবং এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডাম নম্বর ৮৩২-এর তফসিল অনুযায়ী ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা যুক্ত করা হলো।

  • ব্রেকিং নিউজ: রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা!

    ব্রেকিং নিউজ: রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।সূত্রটি বলছে, সর্বপ্রথম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়ে তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনিই এবার রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হতে পারেন। খুব শিগগিরই এমন ঘোষণা আসবে।

    বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। লেখাপড়া শেষ করে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেন। পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ২০১১ সালের মার্চে মৃত্যুবরণ করলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুলকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেন। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন।ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেসরকারিভাবে ৭২ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়েছে

  • মেয়েদের এই ৮টি ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যা”ন্সার, প্রত্যেক মেয়েদের পড়া উচিৎ

    মেয়েদের এই ৮টি ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যা”ন্সার, প্রত্যেক মেয়েদের পড়া উচিৎ

    মেয়েদের এই ৮টি ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যা”ন্সার, প্রত্যেক মেয়েদের পড়া উচিৎ

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

    ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা,

    যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। • স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। • সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন। • প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    • ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    • চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    • ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।