Category: সারাদেশ

  • অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা!

    অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা!

    অনেক মুসল্লিরই এক সাধারণ কিন্তু দুশ্চিন্তাজনক সমস্যা হলো— প্রস্রাব করার পর ভালোভাবে ঢিলা ব্যবহার করেও বারবার মনে হয়, যেন মূত্রফোঁটা বের হয়েছে! বিশেষ করে নামাজের সময় রুকু বা সিজদায় গেলে এই অনুভূতি আরও তীব্র হয়। তখন প্রশ্ন ওঠে— এই অবস্থায় নামাজ হবে কি না? নামাজ ভেঙে যাবে কি?

    আসুন জেনে নিই ইসলামি শরিয়তের আলোকে এর সুস্পষ্ট সমাধান—

    ►►করণীয় কী?আপনি যদি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জনের পরও বারবার এমন সন্দেহ অনুভব করেন, তবে শরিয়তের নির্দেশনা হলো:

    আরও পড়ুনঃ জামায়াত আমীরকে যে প্রস্তাব দিলো সেনা প্রধান
    ওযু করার পর লজ্জাস্থানে কিছু পানি ছিটিয়ে দিন

    তারপর আর্দ্রতা অনুভব হলেও সেটাকে আপনার ছিটানো পানি মনে করবেন

    বারবার যাচাই করতে যাবেন না

    নামাজের সময় মূত্রফোঁটার সন্দেহে ভ্রুক্ষেপ করবেন না

    হাদিসের দলিল

    আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন:

    “যখন এক ব্যক্তি তার এই সমস্যার কথা জানাল, তিনি বললেন—

    ‘তুমি ওযু করার পর তোমার লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে নেবে। অতঃপর যদি আর্দ্রতা অনুভব হয়, তবে সেটাকে তোমার ছিটানো পানির আর্দ্রতা মনে করবে।’”

    আরও পড়ুনঃ ১৬ বছরে রাজনৈতিক স্পেস না পাওয়া জামায়াতের এমন সমাবেশ ‘অবিশ্বাস্য’:হান্নান মাসউদ
    [মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ৫৮৩]

    তাহলে নামাজ ভাঙবে কি?

    না, শুধু সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা (অমূলক ধারণা) হলে নামাজ ভাঙবে না

    নিশ্চিতভাবে কিছু বের হওয়ার প্রমাণ না থাকলে ওযু ভঙ্গ হবে না

    ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব না দিয়ে নামাজ চালিয়ে যান— এটাই শরিয়তের নির্দেশ

    প্রামাণ্য বইগুলো যেখান থেকে এই মাসআলা এসেছে:

    মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক (৫৯৫)

    কিতাবুল আছল (১/৫৩)

    খুলাসাতুল ফাতাওয়া (১/১৮)

    আল-মুহিতুল বুরহানি (১/২১৮, ২৬৯)

    আরও পড়ুনঃ শহীদের আত্মত্যাগ বিক্রি করে ফায়দা লুটছে জামায়াত: মির্জা আব্বাস
    বাদায়িউস সানায়ি (১/১৪০)

    ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/৯)

    বিশেষ সতর্কতা: যেকোনো সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা শয়তানের পক্ষ থেকে হতে পারে। ইসলাম আমাদের শেখায়— অযথা সন্দেহে নামাজ বা ইবাদত নষ্ট না করে, বরং পরিষ্কার নিয়ম মেনে চলা উচিত।

    শান্ত মন, পবিত্র দেহ আর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে নামাজ আদায় করুন ইসলাম কখনো আপনাকে কষ্ট দিতে নয়, বরং স্বস্তি দিতেই নির্দেশনা দেয়।

  • এবার সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা সহ হোম লোন দিচ্ছে যে ব্যাংক

    এবার সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা সহ হোম লোন দিচ্ছে যে ব্যাংক

    আপনি কি নতুন বাড়ি নির্মাণ, সম্প্রসারণ, সংস্কার অথবা বাড়ির সৌন্দর্য বর্ধনের পরিকল্পনা করছেন? মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হোম ইকুইটি লোন (MTB Home Equity Loan) আপনাকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে। এখনই পেতে পারেন প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা, প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার এবং সহজ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা।

    ঋণের বৈশিষ্ট্য:
    বাড়ি নির্মাণ, সম্প্রসারণ, সংস্কার, সামনের অংশের উন্নয়ন ও ফিনিশিং কাজের জন্য লোন।
    ঋণের পরিমাণ: ৫ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত।
    ঋণের মেয়াদ: ১ বছর থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত।
    সম্পত্তির মূল্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত অর্থায়ন।
    নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থ ছাড়ের সুবিধা।
    আংশিক উত্তোলনের সুবিধা।
    কো-আবেদনকারীর আয় বিবেচনায় নেওয়া হয়।
    প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার ও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ।
    আগাম বা আংশিক কিস্তি পরিশোধের সুযোগ।
    ঋণের পরিমাণ ও শর্তাবলী:
    সর্বনিম্ন ঋণ: ৫,০০,০০০ টাকা

    সর্বোচ্চ ঋণ: ২ কোটি টাকা অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ (যেটি কম হয়)
    সংস্কারের জন্য ঋণ: সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা বা LTV ৭০% (যেটি কম হয়)
    যোগ্যতা:
    যেকোনো আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তি
    বয়স: ২৫-৭০ বছর (লোনের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় পর্যন্ত প্রযোজ্য)
    ১০০% নগদ সুরক্ষিত ঋণের ক্ষেত্রে: বয়স ২১-৭০ বছর
    ন্যূনতম আয়:
    পেশা মাসিক ন্যূনতম আয়
    সরকারি কর্মচারী ২৫,০০০ টাকা
    বেতনে চাকরিজীবী ৪০,০০০ টাকা
    স্বনিযুক্ত / ব্যবসায়ী ৫০,০০০ টাকা
    অভিজ্ঞতা:

    চাকরিজীবী: কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা, যার মধ্যে অন্তত ৬ মাস স্থায়ী চাকরি থাকতে হবে।
    স্বনিযুক্ত / ব্যবসায়ী: একই পেশায় অন্তত ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

    ঋণ টেকওভার সুবিধা:
    অন্যান্য ব্যাংক থেকে হোম লোন ট্রান্সফার করে MTB-তে আনলে থাকছে বিশেষ সুবিধা।
    অন্তত ১২ মাসের কিস্তি পরিশোধের ইতিহাস থাকতে হবে।
    অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ।
    কোনো প্রসেসিং ফি নেই।
    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
    পূরণকৃত ঋণ আবেদনপত্র
    জাতীয় পরিচয়পত্র / ড্রাইভিং লাইসেন্স / পাসপোর্টের কপি
    পাসপোর্ট সাইজের ছবি
    চাকরিজীবীদের জন্য বেতন সনদ
    ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স
    এক বছরের ব্যাংক হিসাব বিবরণী
    টিআইএন সার্টিফিকেট
    বিদ্যমান ঋণের অনুমোদনপত্র ও পরিশোধের তথ্য
    ভাড়া চুক্তিপত্র ও মালিকানার দলিল
    সম্পত্তির মালিকানার দলিল এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দলিল

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হোম ইকুইটি লোন আপনার স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণে সত্যিকারের সঙ্গী হতে পারে। এখনই যোগাযোগ করুন আপনার নিকটস্থ MTB শাখায় এবং শুরু করুন নতুন জীবনের যাত্রা।বাংলাদেশ সংবা

  • হঠাৎ এক লাফে যত বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

    হঠাৎ এক লাফে যত বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে এক লাফে ১০ শতাংশ দাম বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়েছে। রবিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড রোববার ওভার-দ্য-কাউন্টার লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

    বর্তমানে এ দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। শুক্রবার এটি ৭৩ ডলারে উঠে জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ফিউচারস লেনদেন বন্ধ রয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায়, তবে দাম আরো দ্রুত বাড়তে পারে।

    জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলা তেলের দামের পক্ষে সহায়ক হলেও মূল বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য বন্ধ হয়ে যাওয়া।

    রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়। বাণিজ্যিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর বেশিরভাগ ট্যাংকার মালিক, তেল কম্পানি ও ট্রেডিং হাউস ওই পথ দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে।

    পারমার জানান, প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে।

    অন্যদিকে তেল উৎপাদক জোট ওপেক প্লাস এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ পরিমাণ বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য (০ দশমিক ২ শতাংশেরও কম)।

    নরওয়ে-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেস্টার্ড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জে লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহারের পরও দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে, বাজার চালু হলে দাম প্রায় ৯২ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

  • সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রত্যাশিত নবম পে স্কেল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। সম্প্রতি অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি জানিয়েছেন, নতুন সরকারের পরিকল্পনায় পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি রয়েছে।

    গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে স্কেলের সুবিধা পাবেন, তবে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে। যদিও বৈঠকে বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

    প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপসচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠক শেষে এম এ হান্নান জানান, প্রতিমন্ত্রী কর্মচারীদের দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলেই ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে। তবে সব কিছু তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা সম্ভব নয়, এজন্য সময় লাগবে এবং কর্মচারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান Tareque Rahman ঘোষণা দেন, নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়মতো নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।

    এদিকে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে গত বছরের ২৭ জুলাই ২১ সদস্যের একটি বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল এবং চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তারা সুপারিশমালা সরকারের কাছে জমা দেয়।

    অন্যদিকে, নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

    গত ২০ ফেব্রুয়ারি সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্য দূর করা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন পে স্কেলের দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা প্রত্যাশিত সুবিধা পাননি। পরবর্তীতে স্মারকলিপি প্রদান, আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এক দশকের বেশি সময় ধরে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের ওপর আর্থিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    সংগঠনের নেতাদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে ছয় সদস্যের একটি পরিবারের ব্যয় নির্বাহ এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।

    সরকারি আশ্বাসের পরও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—

    ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান

    একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে দাবিপত্র উপস্থাপন

    পুরো রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ, মতবিনিময় সভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা

    সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু না হলে ঈদুল ফিতরের পর ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    রমজান মাসজুড়ে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনার অনুলিপি পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিঠি জারি করা হতে পারে।

    রমজানে স্কুল বন্ধ রাখা হবে, নাকি এ নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে—তা নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা নির্দেশনার বিষয়ে অবগত থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আগামী সোমবার বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানানো হবে।

    রোববার দুপুরে বিচারপতি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

    রিট আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নোটিশ পাঠানো হয়।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রথা চালু রয়েছে, যা আইন, নীতি ও রীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছু করা যায় না এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদে ‘আইন’ বলতে প্রথা ও রীতিকেও বোঝানো হয়েছে। সে বিবেচনায় রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলা হয়।

    নোটিশে আরও বলা হয়, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে অংশ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হতে পারে, ফলে ধর্মীয় অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি রমজানে বিদ্যালয় খোলা থাকলে শহরাঞ্চলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    নোটিশের জবাব না পাওয়ায় পরবর্তীতে রিট দায়ের করা হয়।

  • ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনায় জামানত ছাড়াই ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ঋণ দেবে ব্যাংক। এই ঋণের সুদহার পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা সার্কুলারে পরিবেশবান্ধব খাতে বিদ্যমান ৪০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ফ্ল্যাট কেনায় ঋণের বিষয়টি নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনার ঋণে ১৮ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পাবেন। অর্থাৎ কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে দেড় বছর পর থেকে। ব্যক্তির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ইউনিট সমন্বিত বহুতল বিশিষ্ট পরিবেশবান্ধব আবাসন নির্মাণেও ঋণ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আবাসন কোম্পানি ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। কোম্পানির জন্যও সুদহার, ঋণের মেয়াদ ও গ্রেসপিরিয়ড হবে অভিন্ন।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়, পরিবেশবান্ধব খাতে চুক্তিবদ্ধ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এতদিন চার শতাংশ সুদে তহবিল পেত। এখন পাবে তিন শতাংশ সুদে। ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ সুদে ঋণ দেবে।

    এক্ষেত্রে পাঁচ বছরের কম মেয়াদি ঋণে সর্বোচ্চ সুদ হার হবে পাঁচ শতাংশ, পাঁচ থেকে আট বছরের কম মেয়াদে সাড়ে পাঁচ শতাংশ এবং আট বছরের বেশি মেয়াদে ছয় শতাংশ।

    এছাড়া পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় বনায়ন (সামাজিক, সমন্বিত বা কৃষি), ছাদের কৃষি বা উল্লম্ব চাষ বা বাগান, বায়োফ্লক মাছ চাষ, জৈব চাষ, খাঁচায় মাছ চাষ, কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদনেও ঋণ দেবে ব্যাংকগুলো।

  • ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী সদস্য শপথ নিয়েছেন। বিএনপির সংসদীয় দল দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। বিকালেই নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করবেন তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবন সংসদ সদস্যের শপথের আনুষ্ঠানিকতার পর বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

    এদিকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সিলেটের সাবেক মেয়র আরিফুল হক, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, জহির উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এহসানুল হক মিলন, শরীফুল আলম, মীর শাহে আলম। তারা ইতোমধ্যে ফোন পেয়েছেন।

    এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন, টেকনোক্র্যাট কোটায় আরও ফোন পেয়েছেন হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

    তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জাকারিয়া তাহের (সুমন), এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ফরহাদ হোসেন আজাদ।

    বিএনপির জোট থেকে জোনায়েদ সাকী ও নুরুল হক নুর মন্ত্রিপরিষদে স্থান পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    আরও অনেকেই ডাক পেয়েছেন। তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিপরিষদ ৫০ সদস্যের হতে পারে।

    সংসদীয় দলের সভায় বিএনপির এমপিরা কেউ ডিউটি ফ্রি গাড়ি নেবেন না, সরকারিভাবে কোনো প্লট নেবেন না এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • জানেন এবার হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম যত হলো?

    জানেন এবার হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম যত হলো?

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা এবং সাময়িক সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার প্রভাবে বৈশ্বিক তেলের বাজারে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ফিউচার ২৪ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭০.৫৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২৮ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৫.৪৭ ডলারে লেনদেন হয়।

    পরে ডব্লিউটিআইয়ের দাম আরও বেড়ে ১.১৬ ডলার বা ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৬.৩৫ ডলারে দাঁড়ায়।

    বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ প্রভাবিত হতে পারে, যা বাজারে অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

    নিসান সিকিউরিটিজের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, উত্তেজনা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ সশস্ত্র সংঘাতের সম্ভাবনা কম। তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অপরিশোধিত তেলের দামে তীব্র বৃদ্ধি চান না। সামরিক পদক্ষেপ হলেও তা সীমিত ও স্বল্পমেয়াদি হতে পারে।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটি মঙ্গলবার সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে কয়েক ঘণ্টার জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছিল। জলপথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ফির বোঝা কমাতে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই নীতিমালায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় ‘পুনঃভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে অবশ্যই ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত টিউশন ফির বাইরে নতুন কোনো অজুহাতে বা খাত তৈরি করে বাড়তি অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি, দান বা অনুদান সরাসরি ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হলেও তা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং হিসাব খাতের কোনো পরিবর্তন বা নতুন খাত সংযোজন করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও আর্থিক অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।
    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।