Category: সারাদেশ

  • বাংলাদেশকে বড় নিষেধাজ্ঞা দিল সৌদি আরব

    বাংলাদেশকে বড় নিষেধাজ্ঞা দিল সৌদি আরব

    জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪০টি দেশ থেকে কাঁচা মুরগি ও ডিম আমদানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সৌদি আরব। দেশটির খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (বার্ড ফ্লু) এবং নিউক্যাসল রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে আগাম সতর্কতা হিসেবে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দেশসমূহ

    বুধবার প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে জানানো হয়, এশিয়ার বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চীন ও জাপান এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া ইউরোপের যুক্তরাজ্য ও জার্মানি এবং উত্তর আমেরিকার মেক্সিকোসহ মোট ৪০টি দেশ এই পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, ফ্রান্স, কানাডা এবং মালয়েশিয়াসহ ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলকে আংশিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়েছে।

    প্রক্রিয়াজাত পণ্যে ছাড়

    সৌদি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, এই নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র কাঁচা মুরগি এবং কাঁচা ডিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে তাপ-প্রক্রিয়াজাত (হিট প্রসেসড) মুরগির মাংস বা ডিম থেকে তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। শর্ত থাকে যে, এসব পণ্য উৎপাদনে সৌদি আরবের নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে। যথাযথ স্বাস্থ্য সনদ থাকলে এসব প্রক্রিয়াজাত পণ্য আমদানিতে কোনো সমস্যা হবে না।

    সাময়িক পদক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ পুনর্বিবেচনা

    সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ সাময়িক। বিশ্বজুড়ে বার্ড ফ্লু পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে এবং ভাইরাসের ঝুঁকি কমে আসলে এই নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনা করা হবে। মূলত ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ করতেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

    রপ্তানি খাতে প্রভাব

    হঠাৎ করে এই নিষেধাজ্ঞা আসায় বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পোল্ট্রি রপ্তানিকারকরা সাময়িক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে যারা মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে কাঁচা পোল্ট্রি পণ্য সরবরাহ করেন, তাদের এখন বিকল্প বাজার খোঁজা অথবা প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানির দিকে মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    রমজান মাসজুড়ে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনার অনুলিপি পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিঠি জারি করা হতে পারে।

    রমজানে স্কুল বন্ধ রাখা হবে, নাকি এ নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে—তা নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা নির্দেশনার বিষয়ে অবগত থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আগামী সোমবার বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানানো হবে।

    রোববার দুপুরে বিচারপতি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

    রিট আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নোটিশ পাঠানো হয়।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রথা চালু রয়েছে, যা আইন, নীতি ও রীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছু করা যায় না এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদে ‘আইন’ বলতে প্রথা ও রীতিকেও বোঝানো হয়েছে। সে বিবেচনায় রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলা হয়।

    নোটিশে আরও বলা হয়, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে অংশ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হতে পারে, ফলে ধর্মীয় অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি রমজানে বিদ্যালয় খোলা থাকলে শহরাঞ্চলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    নোটিশের জবাব না পাওয়ায় পরবর্তীতে রিট দায়ের করা হয়।

  • যেভাবে পাবেন ‘কৃষক কার্ড’, আবেদন করতে যা লাগবে

    যেভাবে পাবেন ‘কৃষক কার্ড’, আবেদন করতে যা লাগবে

    দেশের প্রান্তিক চাষিদের ভাগ্যোন্নয়নে এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে সারা দেশে চালু হতে যাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’। আনুমানিক ১২ লাখ কৃষককে উপকৃত করতে সুদসহ সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিসভার সচিব নাসিমুল ঘনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহারে বিষয়টি ছিল। ঋণ মওকুফ সুবিধা ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের কৃষকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

    তিনি বলেন, ‘দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও কৃষি খাতকে শক্তিশালী করাই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া।’

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি খাতে রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলিয়ে সুদসহ বকেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।বাংলাদেশের রাজনীতি

    সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হবেন।

    কী কী সুবিধা পাবেন কৃষকরা?

    এই কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সরকারি সেবা ও প্রণোদনা সরাসরি পাবেন।

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন স্বপন বলেন, কার্ডটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে—সরাসরি ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া যায়। কৃষি ভর্তুকি ও সার-বীজ সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছায়।

    কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা লিকেজ যেন সুযোগ না পায়। রাষ্ট্রের সঙ্গে কৃষকের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হয়।

    কিভাবে কার্ডটি কাজ করবে

    পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কার্ডটিতে জমির আয়তন, ফসলের ধরন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যসহ একটি ডিজিটাল প্রোফাইল অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কার্ডটিতে যেসব বৈশিষ্ট্যগুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে—

    ১. ভর্তুকি ও প্রণোদনা সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর।

    ২. ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার, বীজ ও কীটনাশক সহজলভ্য করা।

    ৩. কৃষিঋণ সহজ ও সুসংগঠিত করা।

    ৪. আবহাওয়া, উৎপাদন এবং বাজারের প্রবণতা সম্পর্কিত এসএমএসভিত্তিক আপডেট।

    কৃষি স্মার্ট কার্ডের নিবন্ধন ইউনিয়ন পর্যায়ে সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের (এসএএও) মাধ্যমে অথবা চালুর পর নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

    নিবন্ধনে কী কী তথ্য লাগবে

    স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কৃষকদের বেশ কয়েকটি তথ্য প্রয়োজন হবে। সেগুলো হলো,

    ১. এনআইডির একটি কপি।

    ২. পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

    ৩. রেজিস্ট্রেশন মোবাইল নাম্বার।

    ৪. জমির দলিল কিংবা ভাগে চাষিদের জন্য প্রমাণপত্র।

    ৫. ব্যাংক বা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট নম্বর।

    কৃষক কার্ড পাওয়ার ধাপসমূহ

    সরকার প্রধানত স্থানীয় কৃষি অফিসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এই কার্ডটি পৌঁছে দেবে। আপনার যা করতে হবে :

    ১. উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ : আপনার ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO)-এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তিনিই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেন।

    ২. নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন : সরকার যখন আপনার এলাকায় ‘পাইলট প্রজেক্ট’ বা মূল প্রকল্প শুরু করবে, তখন আপনাকে একটি ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে। অনেক ক্ষেত্রে এটি অনলাইনেও করা যাবে।

    ৩. তথ্য যাচাই : আপনার দেওয়া তথ্য (জমির পরিমাণ, ফসলের ধরন ইত্যাদি) কৃষি অফিস থেকে সরেজমিনে যাচাই করা হবে।

    ৪. ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি : আপনার এনআইডি এবং মোবাইল নম্বরের ভিত্তিতে একটি ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি হবে।

    ৫. কার্ড বিতরণ : যাচাই শেষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আপনাকে এই স্মার্ট কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে।

    কৃষি স্মার্ট কার্ড নিয়ে ইতোমধ্যে সতর্কতা জারি করেছে সরকার। কর্তৃপক্ষ বলছে, কার্ডটি বিনা মূল্যে পাওয়া যাবে। কার্ডের জন্য কারো সঙ্গে কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন করবেন না।

  • সৌদিতে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি

    সৌদিতে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি

    সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে দেশটিতে থাকা বাংলাদেশের দূতাবাস।

    সোমবার (২ মার্চ) জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং সৌদি কর্তৃপক্ষ জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের অনুরোধ করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশিদের শান্ত থাকার এবং গুজব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দি‌য়ে বলা হয়ে‌ছে, সৌদি আরবের স্থানীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত কোনো ছবি বা ভিডিও আপলোড, কোনো সংবাদ প্রচার, শেয়ার, লাইক বা কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

    আকাশপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা কিংবা ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সময়সূচি ও অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে ।

    যেকোনো জরুরি সেবার জন্য দূতাবাসের হটলাইন নাম্বার ৮০০১০০০১২৪ (কূটনৈতিক উইং), ৮০০১০০০১২৫ (শ্রম কল্যাণ উইং) ও ৮০০১০০০১২৬ (পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবা) এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

  • ভিসা নিয়ে সুখবর দিল ভারত

    ভিসা নিয়ে সুখবর দিল ভারত

    ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।

    সোমবার (২ মার্চ) বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মন্ত্রণালয়ে আসেন ভারতের হাইকমিশনার।

    প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণে নতুন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত। ভিসা কার্যক্রমও দ্রুত স্বাভাবিক হবে।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনার নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতে এসেছেন। বর্ডার হাট, বেশ কয়েকটা স্থলবন্দর বন্ধ রয়েছে। বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে সামনে সেগুলো চালু হবে।

    তবে বৈঠকে ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন আব্দুল মুক্তাদির।

    এরআগে রোববার (১ মার্চ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সচিবালয়ে এক বৈঠকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কার্যক্রম ভারত পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক করবে বলে জানান ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

    সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলো চালুকরণ ও ভিসা দেওয়ার হার বাড়ানোর জন্য হাইকমিশনারকে অনুরোধ করেন। জবাবে হাইকমিশনার বলেন, আমরা পর্যাপ্ত মেডিকেল ভিসা দিচ্ছি। কিন্তু গত দেড় বছরে সার্বিক নিরাপত্তাজনিত কারণে আমাদের ভিসা সেন্টারগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং ভিসা দেওয়ার হার কম ছিল।

    মন্ত্রী এ সময় ভারতীয় ভিসা সেন্টারসহ ভারতীয় স্থাপনাগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে মর্মে হাইকমিশনারকে আশ্বস্ত করেন।

    হাইকমিশনার বলেন, ভারতীয় ভিসার আবেদন এখন অনলাইনে নেওয়া হয়। সেজন্য ওয়েবসাইটটি হ্যাক করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। মন্ত্রী এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) নির্দেশ দেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি হবে জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অন্য দেশের রাজনৈতিক দলের পারস্পরিক সম্পর্ক নয়।

    তিনি বলেন, আমরা পারস্পরিক সম্পর্ককে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, পেছনের দিকে নয়। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা পারস্পরিক সম্পর্ককে নবায়ন করতে চাই।

    তিনি আরও বলেন, আমরা অভিন্ন সংস্কৃতি ও ইতিহাসের অংশীদার। দুদেশের পারস্পরিক নির্ভরতাকে দুর্বলতা নয়, শক্তি হিসেবে দেখতে চাই। আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি হবে অভিন্ন স্বার্থ।

    বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। হাইকমিশনার নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। মন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান। হাইকমিশনার এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমরা একসঙ্গে পারস্পরিক ঐতিহাসিক সম্পর্ককে পুনরুদ্ধার করতে চাই।

    তিনি বলেন, আরেকটি বিষয় যেটি দুদেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করে সেটি হলো সীমান্ত হত্যা। তিনি সীমান্তে হত্যার সংখ্যা দ্রুত শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য হাইকমিশনারকে অনুরোধ করেন। হাইকমিশনার বলেন, ভারতের প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামগুলো অনেক উন্নত মানের। তিনি ভারতের আইটিইসি প্রোগ্রামের আওতায় দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রশিক্ষণগুলোতে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি হারে প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    মন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নির্ধারিত দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রশিক্ষণগুলোতে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি হারে ভারতে প্রশিক্ষণার্থী পাঠানো হবে মর্মে হাইকমিশনারকে আশ্বস্ত করেন।

    বৈঠকে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের উপ-হাইকমিশনার পবন বাধে, কাউন্সেলর অভিজিৎ সপ্তর্ষি ও প্রথম সচিব অ্যান মেরি জর্জ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খানসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফাঁস হলো খামেনি হত্যার নীলনকশা

    ফাঁস হলো খামেনি হত্যার নীলনকশা

    দীর্ঘ কয়েক মাসের পরিকল্পনার পর বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের লক্ষ্যনির্ভর হামলা রাতের আঁধারে পরিচালিত হলেও এবার দিনের শুরুতেই হামলা চালানো হয়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তেহরানের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের একটি কম্পাউন্ডে খামেনির অবস্থান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে সময় সেখানে ইরানের শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, উন্নত নজরদারি ব্যবস্থার নজর এড়িয়ে যেতে পারেননি খামেনি। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য ইসরায়েলের কাছে সরবরাহ করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি।

    স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান কম্পাউন্ডটিকে লক্ষ্য করে প্রায় ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার সময় খামেনি ভূগর্ভস্থ একটি বাঙ্কারে অবস্থান করছিলেন। লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস নিশ্চিত করতে ভারী গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়।

    একই সময়ে তেহরানের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কার্যালয়ও লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে জানা গেছে। তবে ইরানি সূত্র জানিয়েছে, তিনি নিরাপদ রয়েছেন।

    ইরান জানিয়েছে, হামলায় দেশটির তিন জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা—আলি শামখানি, আজিজ নাসিরজাদেহ এবং মুহাম্মদ পাকপৌর নিহত হয়েছেন।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে অবস্থান করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার টিম পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। কয়েক ঘণ্টা পর খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    তবে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় ইরান আগেই বিকল্প নেতৃত্ব নির্ধারণ করে রেখেছিল। এই হত্যাকাণ্ড চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের গতিপথ কতটা বদলে দেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

  • আলোচনার প্রস্তাবে যে সারা দিল ইরান

    আলোচনার প্রস্তাবে যে সারা দিল ইরান

    দুই দফা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর আলোচনার পথে হাঁটছে না ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আলোচনার প্রস্তাবের খবর সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে তেহরান।

    ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসছে না ইরান। তার বক্তব্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটি কেবল আত্মরক্ষায় মনোযোগী। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই যুদ্ধ শুরু করেনি ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

    গত কয়েক দিন ধরে ইরানের শীর্ষ পর্যায় থেকে যে বার্তাগুলো আসছে, তার সারাংশও প্রায় একই। তেহরান নিজেদের অবস্থানকে প্রতিরক্ষামূলক বলেই তুলে ধরছে।

    কূটনৈতিক পদক্ষেপের প্রশ্নে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানান, তারা ইতোমধ্যে দুবার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সুযোগ দিয়েছিল। প্রথমবার ২০২৫ সালের আলোচনার সময়, যা যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের হামলায় বাধাগ্রস্ত হয়।

    দ্বিতীয়বারও একই চিত্র দেখা গেছে বলে দাবি তেহরানের। ইরান যখন যুক্তরাষ্ট্র, আইএইএ -এর সঙ্গে নতুন দুই দফা আলোচনার অপেক্ষায় ছিল, ঠিক তখনই দেশটি আবার আক্রমণের শিকার হয়।

    এ অবস্থায় কূটনৈতিক অচলাবস্থার কোনো সমাধান আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। আপাতত তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, আলোচনার টেবিল নয়, এখন তাদের অগ্রাধিকার আত্মরক্ষা।

  • যুদ্ধের মধ্যে কাতারের নতুন সিদ্ধান্ত, মুহূর্তে বিপর্যয়ের মুখে শক্তিধর

    যুদ্ধের মধ্যে কাতারের নতুন সিদ্ধান্ত, মুহূর্তে বিপর্যয়ের মুখে শক্তিধর

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবের কারণে কাতার সাময়িকভাবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন স্থগিত করেছে। এর ফলে ইউরোপজুড়ে গ্যাসবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) ইউরোপের কয়েকটি প্রধান দেশে গ্যাসের দাম হঠাৎ করেই প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়, যা জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এবং Euronews–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস বাজার যুক্তরাজ্য ও নেদারল্যান্ডসে মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্কটল্যান্ডভিত্তিক জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান Wood Mackenzie–এর গ্যাস ও এলএনজি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট Massimo Di Odoardo জানান, এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় খুব শিগগিরই এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে গ্যাস আমদানি নিয়ে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

    আইসিইর তথ্য অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডসের বেঞ্চমার্ক গ্যাস বাজারে প্রতি ১০ লাখ ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) গ্যাসের দাম বেড়ে ১৫ দশমিক ৯২ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (বিটিইউ) হলো এমন একটি পরিমাপ একক, যা প্রায় অর্ধ লিটার পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি ফারেনহাইট বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ নির্দেশ করে এবং আন্তর্জাতিক গ্যাস বাণিজ্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

    একই সময়ে এশিয়ার বাজারেও এলএনজির মূল্য প্রায় ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ১০ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৬৮ মার্কিন ডলার। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পরপরই গ্যাসের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়, যা পরে আরও বৃদ্ধি পায়।

  • ১২ কেজি সিলিন্ডার এলপিজির দাম চূড়ান্ত

    ১২ কেজি সিলিন্ডার এলপিজির দাম চূড়ান্ত

    চলতি মার্চ মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সোমবার (২ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, মার্চ মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকাই থাকছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই এই নির্ধারিত দাম কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সবশেষ সমন্বয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা এই মাসেও বহাল রাখা হয়েছে।

    মার্চ মাসেও ভোক্তাদের ১ হাজার ৩৪১ টাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ক্রয়ের সুবিধা বহাল থাকছে। বিইআরসি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সারা দেশে নতুন এই দাম কার্যকর হবে। সকল ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলারকে এই নির্ধারিত মূল্য অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে দাম ১৫ টাকা কমানোর পর বাজার স্থিতিশীল রাখতে মার্চ মাসে আর কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এতে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর নতুন করে কোনো আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে না।

  • জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ হলেন যারা

    জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ হলেন যারা

    জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও ৬ জন হুইপ নিযুক্ত করা হয়েছে। বরগুনা-২ (বেতাগী-বামনা-পাথরঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলামকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিযুক্ত করা হয়েছে।

    আজ সোমবার (২ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। আরেক প্রজ্ঞাপনে হুইপ হিসেবে ৬ জন সংসদ সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    চিফ হুইপের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, The Bangladesh (Whips) Order, ১৯৭২ (P) 64 of 1972) এর Article 3(1) এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ১১০ বরগুনা-২ আসনের মো. নূরুল ইসলামকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত করিলেন।

    আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, The Bangladesh (Whips) Order, ১৯৭২ (P.) 64 of 1972) এর Article 3(1) এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ৬ সংসদ সদস্যকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিযুক্ত করিলেন।

    যেসব আসনের সংসদ সদস্যরা হুইপ হলেন, হবিগঞ্জ-৩ আসনের আলহাজ্ব মোঃ জি কে গউছ, খুলনা-৩ আসনের রকিবুল ইসলাম, শরীয়তপুর-৩ আসনের মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, নাটোর-২ আসনের এম গ্রহল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, দিনাজপুর-৪ আসনের মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া ও লক্ষীপুর-৪ এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান)।