Category: সারাদেশ

  • এক মাস আদা খেলে আপনার শরীরে ঘটে যে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন!

    এক মাস আদা খেলে আপনার শরীরে ঘটে যে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন!

    এক মাস আদা খেলে আপনার শরীরে ঘটে যে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন!

    রান্নাঘরের এক কোণে থাকা এই সাধারণ মসলাটিকেই আমরা অনেক সময় অবহেলা করি। অথচ আধুনিক গবেষণা বলছে, প্রতিদিন মাত্র অল্প পরিমাণ আদা নিয়ম করে খেলে এক মাসের মধ্যেই শরীরের ভেতরে শুরু হয় একের পর এক ইতিবাচক পরিবর্তন। হজম থেকে শুরু করে রোগপ্রতিরোধ, এমনকি মানসিক কর্মক্ষমতাও বদলে যেতে পারে এই একটি প্রাকৃতিক উপাদানে।

    রান্নার স্বাদ নয়, আদার আসল শক্তি শরীরের ভেতরে
    আদা শুধু ঝাঁঝালো স্বাদের জন্য পরিচিত নয়। এতে থাকা জিঞ্জেরল, শোগাওল ও জিঞ্জিবারিনের মতো বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ শরীরের প্রদাহ কমাতে, ব্যথা উপশম করতে এবং কোষের ক্ষতি রোধে কাজ করে। পাশাপাশি রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান, যা শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষা দেয়। প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসায় আদার ব্যবহার তার কার্যকারিতারই প্রমাণ।

    এক মাস নিয়মিত আদা খেলে যে পরিবর্তনগুলো টের পাবেন
    প্রথম পরিবর্তনটি দেখা যায় হজমে। আদা পাকস্থলীর কার্যকারিতা বাড়ায়, গ্যাস ও বদহজমের সমস্যা কমায়। বমিভাব বা পেট ভারী লাগার প্রবণতাও অনেকটাই হ্রাস পায়।
    দ্বিতীয়ত, শরীরের প্রদাহ ও জোড়ার ব্যথা কমতে শুরু করে। যারা দীর্ঘদিন হাঁটু বা পিঠের ব্যথায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে আদা ধীরে ধীরে আরাম দিতে পারে।
    তৃতীয়ত, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে আদা। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
    চতুর্থত, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। সর্দি, কাশি বা মৌসুমি সংক্রমণ থেকে দ্রুত সেরে ওঠার অভিজ্ঞতা জানান অনেকেই।
    সবচেয়ে চমকপ্রদ পরিবর্তন আসে মানসিক কর্মক্ষমতায়। নিয়মিত আদা খেলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়ে, ফলে মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি উন্নত হতে পারে।

    হৃদ্‌যন্ত্র ও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য বাড়তি সুরক্ষা
    গবেষণায় দেখা গেছে, আদা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমায়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি কোষের বয়সজনিত ক্ষয় ধীর করতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
    ঘরের সাধারণ এই মসলাটি এক মাস নিয়মিত খেলে শরীর ও মনের ওপর যে প্রভাব পড়ে, তা সত্যিই অবাক করার মতো। তবে অতিরিক্ত নয় পরিমিত পরিমাণেই আদা গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও উপকারী। বিশেষ করে যাদের আলসার, রক্তপাতজনিত সমস্যা বা বিশেষ শারীরিক অবস্থা রয়েছে, তাদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সচেতন ব্যবহারে আদা হতে পারে সুস্থ জীবনের এক সহজ কিন্তু শক্তিশালী সহচর।

  • যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

    আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

    ২. হাঁটুন
    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

    ৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

    আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
    ৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

    ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

    জিরা-পানির কী গুণ

    ৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

    বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

    ৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

    আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
    ৭. সকালে লেবু-পানি খান

    রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

  • রমজানে জোড়া গ্রহণ মানেই কি কিয়ামত বা ইমাম মাহদীর আগমন? কী বলছে ইসলাম

    রমজানে জোড়া গ্রহণ মানেই কি কিয়ামত বা ইমাম মাহদীর আগমন? কী বলছে ইসলাম

    পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই আকাশে বিরল দুটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা ঘটায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই দাবি করছেন, এই জোড়া গ্রহণ নাকি ইমাম মাহদীর আগমনের পূর্বলক্ষণ। তবে আলেম সমাজ ও বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব দাবির পেছনে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ নেই।

    মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা–র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরুর প্রাক্কালে একটি বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হয়। এরপর মাত্র ১৪ দিনের ব্যবধানে ৩ মার্চ ঘটে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, যা ব্লাড ওয়ার্ম মুন নামে পরিচিত।

    চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় সম্পূর্ণ ঢেকে গিয়ে তামাটে লাল রঙ ধারণ করে। ৩ মার্চের এই চন্দ্রগ্রহণ বাংলাদেশ থেকেও দেখা গেছে।

    এই দুটি ঘটনা রমজান মাসে কাছাকাছি সময়ে ঘটায় সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ এটিকে ইমাম মাহদীর আগমনের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছেন। আবার অনেকেই বিভিন্ন ষড়যন্ত্রতত্ত্ব ছড়াচ্ছেন। তবে আলেম সমাজ ও বিজ্ঞান সচেতন মহল এসব দাবিকে বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করছে।

    সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত একটি দাবিতে বলা হচ্ছে, সুনানে দারাকুতনি গ্রন্থে উল্লেখ আছে—রমজানের প্রথম রাতে চন্দ্রগ্রহণ এবং মাঝামাঝি সময়ে সূর্যগ্রহণ ঘটবে, যা নাকি ইমাম মাহদীর আগমনের লক্ষণ।

    তবে হাদিস বিশারদদের মতে, এই বর্ণনাটি অত্যন্ত দুর্বল। কারণ এর সনদে থাকা বর্ণনাকারীদের মধ্যে আমর ইবন শিমর ও জাবির আল-জুফি–র মতো ব্যক্তিদের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। অনেক মুহাদ্দিসই তাদের বর্ণনা গ্রহণযোগ্য মনে করেননি। এমনকি ইমাম বুখারি ও ইমাম আবু হানিফা–র মতো বিশিষ্ট আলেমদের কাছেও এ ধরনের বর্ণনা গ্রহণযোগ্য নয়।

    এছাড়া বর্ণনায় উল্লেখিত সময়সূচিও জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে অসম্ভব। কারণ চন্দ্রগ্রহণ ঘটে কেবল পূর্ণিমার রাতে, আর সূর্যগ্রহণ ঘটে অমাবস্যায়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের জোড়া গ্রহণ প্রতি প্রায় ২২ থেকে ২৩ হিজরি বছর পরপর ঘটতে পারে। অতীতে ১৯৮২ এবং ২০০৩ সালেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল।

    ইতিহাসে দেখা যায়, ১৮৯৪ সালে এই ধরনের জোড়া গ্রহণকে কেন্দ্র করে মির্জা গোলাম আহমদ নিজেকে ইমাম মাহদী দাবি করেছিলেন। তবে তৎকালীন আলেম সমাজ তার সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে।

    এদিকে সামাজিক মাধ্যমে আরও একটি গুজব ছড়ানো হয়েছে যে ১২ আগস্ট পৃথিবীর সব মহাকাশীয় শক্তি সাত সেকেন্ডের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। তবে নাসা এ দাবিকে সরাসরি মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ইসলামী শিক্ষায় সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণকে আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন হিসেবে দেখা হয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, সূর্য বা চন্দ্র কারো জন্ম বা মৃত্যুর কারণে গ্রহণ হয় না। গ্রহণের সময় মুসলমানদের ভয় না পেয়ে নামাজ আদায় ও দোয়া করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য সালাতুল কুসুফ ও সালাতুল খুসুফ আদায় করা সুন্নত।

  • ঢাকায় হামলা হলে কী করবে বাংলাদেশ? যুদ্ধের জন্য কী আছে অস্ত্র

    ঢাকায় হামলা হলে কী করবে বাংলাদেশ? যুদ্ধের জন্য কী আছে অস্ত্র

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইল–এর চলমান সংঘাত ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্ব। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলায় শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, আশপাশের অনেক দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক। আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, সামরিক শক্তির প্রদর্শন এবং পারমাণবিক সক্ষমতার ইঙ্গিত দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে এই দুই দেশ।

    এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠছে—যদি কখনো বাংলাদেশ বড় কোনো সামরিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়, তাহলে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কতটা? আধুনিক যুদ্ধের জন্য কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী?

    সামরিক শক্তি বিশ্লেষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা Global Firepower–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বের সামরিক শক্তির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৭তম। প্রতি বছর বিশ্বের প্রায় ১৪৫টি দেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, সামরিক সরঞ্জাম, জনবল এবং প্রতিরক্ষা বাজেটসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

    ২০২৩ সালে যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪০তম, সেখানে কয়েক বছরের ব্যবধানে তিন ধাপ এগিয়েছে দেশটি। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এই অগ্রগতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ থেকে আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে। বিশেষ করে চীন, রাশিয়া, তুরস্ক এবং **ভারত**সহ সমরাস্ত্র প্রযুক্তিতে উন্নত দেশগুলো থেকে যুদ্ধবিমান, ট্যাংক এবং সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম সংগ্রহ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র সংগ্রহে চীনের ওপর নির্ভরতা বেশি থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্কসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশও এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

    অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছে। সুইডেনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান Stockholm International Peace Research Institute–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে অস্ত্র আমদানিতে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৮তম।

    বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর শক্তির দিকে তাকালে দেখা যায়, বর্তমানে বহরে প্রায় ২১২টি বিমান রয়েছে। এর মধ্যে যুদ্ধবিমান রয়েছে প্রায় ৪৪টি। এসবের মধ্যে চীনে নির্মিত Chengdu F‑7 যুদ্ধবিমান রয়েছে ৩৬টি এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে তৈরি MiG‑29 যুদ্ধবিমান রয়েছে ৮টি।

    এছাড়া রাশিয়া থেকে কেনা Yakovlev Yak‑130 প্রশিক্ষণ বিমান রয়েছে ১৪টি, যা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সীমিত আক্রমণ পরিচালনার সক্ষমতাও রাখে। পরিবহন বিমান, প্রশিক্ষণ বিমান এবং বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টার যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বিমানবাহিনীর সক্ষমতা ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে।

    আধুনিক যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা ড্রোন প্রযুক্তিতেও এগোচ্ছে বাংলাদেশ। তুরস্কের তৈরি Bayraktar TB2 ড্রোনসহ বিভিন্ন নজরদারি ড্রোন ইতোমধ্যে বাহিনীতে যুক্ত হয়েছে।

    অন্যদিকে নৌবাহিনীতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। চীনে নির্মিত দুটি আক্রমণাত্মক সাবমেরিন যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে সাবমেরিন যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে নৌবাহিনীর বহরে প্রায় ১১৭টি নৌযান রয়েছে, যার মধ্যে ফ্রিগেট ও করভেট শ্রেণির যুদ্ধজাহাজও রয়েছে।

    সব মিলিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও অস্ত্র সংযোজনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

    সূত্র: https://www.youtube.com/watch?v=7E2kbTpwcEE

  • যে ছয় বদভ্যাসে নিজেই কমিয়ে ফেলছেন শুক্রাণুর ক্ষমতা!

    যে ছয় বদভ্যাসে নিজেই কমিয়ে ফেলছেন শুক্রাণুর ক্ষমতা!

    যে ছয় বদভ্যাসে নিজেই কমিয়ে ফেলছেন শুক্রাণুর ক্ষমতা!

    বেশ কিছু বদভ্যাস শুক্রাণুর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বিজ্ঞা’নীরা গবেষণা করে দেখেছেন, মানুষের কিছু বদ গুণ আখেরে যৌ’ন জীবনকেই অখুশি করে তোলে। জেনে নিন, কী কী বদগুণ মানুষের শুক্রাণুর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
    ১. কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কস অর্থাৎ ঠাণ্ডা পানীয় কিংবা অত্যধিক বিয়ার পান আপনার শুক্রাণুর ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কসে অত্যধিক চিনির পরিমাণই যার কারণ। এর ফলে রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বেড়ে যায়।
    ২. মোবাইল ফোন প্যান্টের পকেটে রাখাও ক্ষতিকর। রেডিয়েশনের প্রভাবে শুক্রাণুর ক্ষমতা কমে যেতে পারে। অনেকেই চুরি যাওয়ার ভয়ে ফোন জামার পকেটে রাখেন না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্যান্টের পকেটে ফোন রাখা আরও ক্ষতিকর।
    ৩. অনেকেই গাড়িতে যেতে যেতে কোলের উপর ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করেন। যা মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে মহিলাদের পেটে থাকা বাচ্চা’র ক্ষতি হতে পারে। পুরুষদের ক্ষেত্রে ক্ষতি হবে পারে শুক্রাণুর। কমে যেতে পারে তাঁর ক্ষ’মতা।
    ৪. গরম জলে স্নান করা একদম উচিত নয়। গরম তাপমাত্রায় শুক্রাণুর ক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। ৫. শরীর ক্লান্ত। চাই ঘুম। কিন্তু আপনার ঘুম কম। দিনে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম না হলে শুক্রাণুতে এর প্রভাব পড়ে।
    ৬. টাইট জিন্স পরলেও শুক্রাণুর ক্ষমতা কমতে পারে। তাই ক্যাজুয়াল পরাই বাঞ্ছনীয়। একজন পু’রুষ দু’ধের সাথে যা মিশিয়ে খেলে সারা রা’ত পাবেন শাক্তি
    ১ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রেড ওয়াইন সে’ক্স ড্রাইভকে উত্তেজিত করতে ভীষণ পরিমাণে সাহায্য করে। রেড ওয়াইন রক্তপ্রবাহকে বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে, কা’ম উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়৷৷
    ২* যৌ’ন চা’হিদা বাড়াতে ম্যাসাজ এক উল্লেখযোগ্য পদ্ধতি। মানসিক চাপ, বা দুশ্চিন্তার কারণে আবসাদগ্রস্থ হলে আপনি আপনার

  • ঈদের তারিখ ঘোষণা

    ঈদের তারিখ ঘোষণা

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল। আগামী ২০ মার্চ ঈদ উদযাপন করবে দেশটি।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে খালিজ টাইমস।

    এক বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল জানায়, অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং চাঁদ দেখার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক সংস্থাগুলোর তথ্য পর্যালোচনা করার পর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    এসব সংস্থা অস্ট্রেলিয়া ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নতুন বাঁকা চাঁদ (হিলাল) পর্যবেক্ষণ নিয়ে কাজ করে। ঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে।

    কাউন্সিল জানায়, সূর্যাস্তের আগে সুনির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনার ভিত্তিতে চাঁদের জন্ম হওয়া, সূর্যাস্তের পর তার দৃশ্যমান থাকার সময়কাল এবং অস্ট্রেলিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে সেটি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে ঈদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রমজানের শুরু ও শেষ, শাওয়াল মাসের সূচনা এবং ঈদুল ফিতরের দিন নির্ধারণ করে অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি এবং অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল।

    বিবৃতিতে বলা হয়, এই মানদণ্ড বিশ্বের বিভিন্ন স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক ও ফিকহভিত্তিক পরিষদ এবং ইসলামি সংস্থাও অনুসরণ করে থাকে।

  • মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে আজকের আয়োজন। অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কি করে ভার্জিন মেয়ে যাবে?

    কেউ জানতে চেয়েছেন বিয়ের প্রথম রাতে আমি কিভাবে বুঝবো আমার স্ত্রী সতী কিনা? কুমারীত্ব ঠিক আছে কিনা তা বুঝার কোনো পদ্ধতি থাকলে জানাবেন?

    তাই সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে আজকের লেখা। চলুন জেনে নেয়া যাক।

    ভার্জিন মেয়ে দুই ভাবে চেনা যায়। প্রথমত ব্রেস্ট দেখে , দ্বিতীয়ত ভ্যাজিনা দেখে (ব্যাতিক্রম ছাড়া)। এজন্য আপনাকে ব্রেস্ট এবং ভ্যাজিনা ভালভাবে আলোর মধ্যে লক্ষ্য করতে হবে। তাই লাইট জ্বালিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করতে হবে। অনেক মেয়ে লাইট জ্বালিয়ে যৌন মিলন করতে চাইবে না। তাদেরকে কৌশলে রাজি করিয়ে নিন।

    একেবারে লাইট জ্বালিয়ে মিলন করতে না চাইলে কিন্তু আপনার আর এই পোস্ট কোন কাজে আসবেনা। দেখা গেছে, ভার্জিন মেয়ে রা লাইট জ্বালিয়ে হ্যাজবেন্ড এর সাথে প্রথম সেক্স করতে কোন আপত্তি করেনা। প্রথমে আপত্তি করলেও হ্যাজবেন্ডের অনুরোধে রাজি হয়ে যায়। তারাই বেশী আপত্তি করে যাদের ভার্জিনিটি প্রশ্নবিদ্ধ!

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্য ব্রেস্টের কিছু বৈশিস্ট জেনে নিন

    ১. শরীর সমান্তরালে রেখে বিছানায় শোয়া অবস্থায় ব্রেস্ট লক্ষ্য করুন। ভার্জিন হলে ব্রেস্ট ওভাল (ডিম্বাকৃতি) হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ২. এবার ব্রেস্টের বোটা দুটো লক্ষ্য করুন। ভার্জিন মেয়ে দেরে বোটা দুটো সামান্য চোখা এবং ছোট হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ৩. দু হাতে ব্রেস্ট দুটো স্পর্শ করুন। আস্তে আস্তে চাপ দিন। ছেড়ে দিন। আবার চাপুন। ভার্জিন মেয়ে দের ব্রেস্টগুলো চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে দ্রুত পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অর্থাৎ এলাস্টিসিটি অনেক বেশী হবে। বেশ কয়েকবার চেপেও আপনি এটা বুঝে নিতে পারেন।

    ভ্যাজিনার বৈশিস্ট যেমন থাকবে

    মেয়েটিকে বিছানায় শুইয়ে দিন। তার দুপায়ের মাঝখানে হাটু গেড়ে বসুন। প্রয়োজন হলে শুয়ে পড়ুন।এবার মেয়েটির হাটুর উপর হাত রেখে দুপা দুদিকে ফাক করুন। এখন মনযোগ দিয়ে ভ্যাজিনা লক্ষ্য করুনঃ

    ১. ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ (ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভিতরের দিকে থাকে। এদের কাজ হল যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা।দুপা ফাক করার পর ভার্জিন মেয়ে হলে লিবিয়া মেজরা একটার সাথে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।এবং এটা টান টান ও মসৃন থাকবে।

    ২. যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার সাথে সাথে দুদিকে সরে যাবে।এটা অনেকটা বড় হবে, দুদিকে নেতিয়ে থাকবে, কুচকানো এবং অমসৃন থাকবে।

    ৩. অনেক সময় কোন কারনে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।

    ৪. ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু আকারে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে অথবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে এবং অমসৃন ও ভাজ যুক্ত হবে।

    ৫. এতক্ষন তো শুনলেন ভ্যাজিনাল লিপ দেখে ভার্জিনিটি বোঝার উপায়। এবার আসেন আরেকটু ভিতরে যাই। দুপা ফাক করে আপনার দুহাত দিয়ে ভ্যাজিনাল লিপ সরিয়ে দিন। যোনির চামড়া দুদিকে সরালে যোনি ছিদ্র দেখতে পাবেন।

    খেয়াল করে দেখার চেস্টা করুন পর্দা আছে কিনা। পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও সমস্যা নাই। মন খারাপ করবেন না। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের গঠন খেয়াল করুন। ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মেয়েটি ভার্জিন।

    আর ছিদ্রের মুখ যদি তারার মত জিক- জ্যাক হয় তবে সমস্যা আছে। তবে সামান্য জিক- জ্যাক চলে কারন দৌড় ঝাপের জন্য ওটুকু ফাটতে পারে কিন্তু যদি বেশী হয় তবে কিন্তু সমস্যা আছে।

    ৬. উপরের লক্ষন গুলো দেখে যদি মেয়েটিকে ভার্জিন বলে মনে না হয় তবে এবার একটা আঙ্গুল ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকান।

    **যদি খুব টাইট ফিল করেন তবে সে ভার্জিন হয়ে থাকতে পারে। ভার্জিন না হলেও সে হয়ত ১-৩ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    **আর যদি লুজ লাগে কিন্তু ২ টা আঙ্গুল ঢুকাতে কস্ট হয় তবে মেয়েটি ৪- ৬ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্যা মনে রাখতে হবে

    – ফিঙ্গারিং এর কারনে ভ্যাজিনাল লিপ কিছুটা লুজ হতে পারে।

    – দৌড় ঝাপের কারনে পর্দার জিক- জ্যাক কিছুটা বাড়তে পারে।

    – ২/১ বার শারিরীক সম্পর্ক এ অনেক সময় মেয়েদের যোনি তেমন কোন পরিবর্তন হয়না।

    – অনেকবার শারিরীক সম্পর্ক করার পরেও ৬ মাস থেকে ২ বছরের বিরতিতে যোনি কিছুটা টাইট হয়।

    – মোটা মেয়েদের ব্রেস্ট স্বভাবতই কিছুটা ঝুলানো থাকে। তাদের থাই মোটা হওয়ায় দু পায়ের চাপে লিবিয়া মেজরা কছুটা লুজ হতে পারে।

    – ব্লাড বের না হওয়া মানেই ভার্জিন মেয়ে এমনটি নয়।

    – উপরের পরীক্ষা গুলো এমন ভাবে করবেন যেন মেয়েটি বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে টেস্ট করছেন।একবারে টেস্ট না করে আদর করার ফাকে ফাকে টেস্ট করুন।

    – মেয়েদের চোখ, হাটার ভঙ্গি, নিতম্ব, হাসি, কাপড়/ওড়না পড়ার স্টাইল ইত্যাদি দেখে ভার্জিন মেয়ে অনুমান করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় !!

  • শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ!

    শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ!

    শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ!

    ভালোবাসেন। এক কথায়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই মধুর। যদিও সেখানে ঝগড়া, মান-অভিমান, খুনসুটি থাকে। তবে এই সবকিছুই তাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করে তোলে। আর নারী-পুরুষের এই মধুর সম্পর্ক আরো বাড়িয়ে তোলে যৌনমিলন।

    নারী-পুরুষের এই জৈবিক চাহিদা চিরন্তন। এ নিয়ে নানা গবেষণা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। নারী-পুরুষের এই যৌন মিলন নিয়ে নানা বাগাড়ম্বরও রয়েছে সমাজে, রয়েছে নানা কুসংস্কারও। মিলনে পারদর্শীতা নিয়ে অনেক পুরুষের মধ্যে একটা দাম্ভিকতা কাজ করলেও অনেকের মধ্যে এ নিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্ধও কাজ করে।

    তবে নারী-পুরুষের যৌনমিলনের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, মিলনের স্থায়িত্বটা নিজের(পুরুষের) ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত নির্ভর করে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতার উপর।

    গবেষণায় দেখা গেছে যে, যৌনমিলনের সময় ৪৫ শতাংশ পুরুষই স্ত্রীকে পুরোপুরি যৌনসুখ দিতে পারছে না। এই শ্রেণির পুরুষরা যৌন মিলনে ১০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে না। এর ফলে অনেক দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। সুখের সন্ধানে নারীরা অনেক সময় পরপুরুষের দিকে আসক্ত হয়ে পড়ে। খবরটি বিস্ময়কর হলেও সত্য।

    সম্প্রতি বিখ্যাত লেখক হ্যারি রিস্ক “দ্য নিউ ন্যাকেড; দ্য আল্টিমেট সেক্স এডুকেশন ফর গ্রোন-আপস” শিরোনামে একটি বই বের করেছেন। তিনি তার বইয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন।

    তিনি বলেছেন, নারী-পুরুষ গড়ে ১৫.৩ মিনিট সময় ধরে যৌনমিলন করেন এবং এটাই স্বাভাবিক। তবে এর সময়সীমা ১০ মিনিটের কম হলে সেটি কোনোভাবেই আদর্শিক সময় বলা চলে না।

  • মেলা-মেশা করার খুব ইচ্ছা হলে মেয়েরা এসব অ..ঙ্গ.ভ.ঙ্গি করে কাছে ডাকে

    মেলা-মেশা করার খুব ইচ্ছা হলে মেয়েরা এসব অ..ঙ্গ.ভ.ঙ্গি করে কাছে ডাকে

    সাধারণত এমনটা মনে করা হয়, ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে নারীদের যৌন চাহিদা বোধহয় সবচেয়ে বেশি থাকে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? উত্তর খুঁজতে গিয়ে কিন্তু বেরিয়ে এসেছে অন্য তথ্য যা শুনলে চমকে যাবেন আপনিও।
    সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা। নারীদের শারীরিক চাহিদা সম্পর্কে নতুন এই গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য বলছে, ৩৬ বছর বয়সে নারীদের যৌন চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

    অনেকেই হয়তো বলবেন, যৌবনের গোড়ায়। ২০-২২ বছর নাগাদ সবচেয়ে বেশি হয়তো। কিন্তু বিষয়টা আদপেও তেমন নয়। অন্তত মহিলাদের ক্ষেত্রে তো নয়ই। এমনটাই বলছে নতুন এই সমীক্ষা।

    ২০১৭ সাল থেকে এই বিষয় নিয়ে ‘ন্যাচারাল সাইকেল’ নামে ইংল্যান্ডের এক গর্ভনিরোধক ওষুধ কোম্পানি সমীক্ষা চালিয়ে আসছে। পৃথিবী জুড়ে নানা বয়সের ২৬০০ মহিলাদের নিয়ে এক সমীক্ষা চালিয়েছে তারা। সেখানে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, শারীরিক সম্পর্ক কতটা উপভোগ করছেন তাঁরা? সেই সমীক্ষার রিপোর্টে হালে দেখা গিয়েছে, ৩৬ বছর বা তার অধিক বয়সের মহিলারা নিজেদের শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে খুশি সব চেয়ে বেশি।

    কীভাবে, কখন ও কতক্ষণ মহিলারা যৌন সুখ উপভোগ করেন, সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় এই সমীক্ষায়। নারীদের তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। ২৩ বছরের নিচে, ২৩-৩৫ বছরের মধ্যে ও ৩৬ বছরের উপরে।

    চাঞ্চল্যকর এই সমীক্ষায় ৩৬ বছরের উপরের নারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা দিনের বেশিরভাগ সময়ই সেক্স সংক্রান্ত কথা ভাবেন। দশজনের মধ্যে আটজন নারীই জানিয়েছেন, স্বল্প পোশাকে রাস্তায় বেরোতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। বরং, বিকিনি পরা অবস্থায় অন্য পুরুষদের নজর তাঁরা উপভোগ করেন।

    ২৩ বছরের কম ও ২৩-৩৫ বছরের নারীদের গ্রুপটির ১০ জনের মধ্যে মাত্র চারজন জানিয়েছেন, তাঁরা পার্টনারের সঙ্গে সেক্স নিয়ে সুখী। অন্যদিকে, ৩৬ বছর ও তার বেশি বয়সি নারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের ঘনঘন অর্গ্যাজম হয়।

    বাকি দুটি গ্রুপের নারীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে মাত্র ৫ জন জানিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গীর সঙ্গে মিলনের সময় চরম অর্গ্যাজম অনুভব করেন। বয়স্ক নারীদের গ্রুপটির সদস্যরা জানিয়েছেন, গত চার সপ্তাহ তাঁরা দুর্দান্ত সেক্স করে কাটিয়েছেন।

    অথচ দেখা যাচ্ছে, তুলনামূলক অল্পবয়স্ক নারীদের গ্রুপের মাত্র অর্ধেক নারী মনে করেন, তাঁরা গত চার সপ্তাহে মোটামুটি ভাল সেক্স লাইফ উপভোগ করেছেন।

    বয়সের ভিত্তিতে মূলত ৩টি দলে মহিলাদের ভাগ করা হয়েছিল এই সমীক্ষাটি চালানোর সময়। প্রথমটি ২৩-এর নীচে। দ্বিতীয়টি ২৩ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। আর তৃতীয়টি ৩৬ এবং তার উপরে। দেখা গিয়েছে, ৩ নম্বর দলে থাকা মহিলাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনেরই দাবি, তাঁরা শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রচণ্ড পরিমাণে উপভোগ করেন।

    সেখানে প্রথম দলের অর্থাৎ ২৩ বছরের নীচে যাঁদের বয়স, সেই মহিলাদের মধ্যে ১০ জনের প্রতি ৭ জন চূড়ান্ত উপভোগ করতে পারেন যৌনসুখ। আর দ্বিতীয় দলের মহিলাদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে মাত্র ৪ জন উপভোগ করেন শারীরিক সম্পর্ক।

    Disclaimer: তবে এই সমীক্ষার তথ্যকে চূড়ান্ত ধরে কোনও বড় সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া কখনওই কাম্য নয়। আমরা এই ধরণের সমীক্ষা ও তার ফলাফলের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নয়।

  • এবার হঠাৎ সয়াবিন তেলের লিটার যত হলো

    এবার হঠাৎ সয়াবিন তেলের লিটার যত হলো

    বাজারে সয়াবিন তেল নিয়ে নানামুখী কারসাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, পরিশোধনকারী মিলমালিকদের প্রস্তাব অনুযায়ী আরেক দফা দাম বাড়াতে না পেরে তারা এই কারসাজি করছেন। তারা বাজারে ভোজ্যতেলের বিশেষ করে সয়াবিনের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন।

    রমজানের আগে বেশি মুনাফার আশায় বাজারে এক ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ভোজ্যতেলের দাম সহনীয় রাখতে গত ১৬ ডিসেম্বর সয়াবিন, পামঅয়েল আমদানিতে শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি ও অগ্রিম আয়কর শতভাগ অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ভ্যাট ১৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়।

    অপরদিকে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মিলমালিক কর্তৃপক্ষ বলছেন, কারসাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন। বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ ব্যাপক। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

    জানা গেছে, রমজানকে কেন্দ্র করে আরেক দফা সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চায় দেশীয় ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা। পরিশোধনকারী মিলমালিকদের পক্ষ থেকে দাম আরও এক দফা বাড়ানোর প্রস্তাব দাখিল করা হয়েছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনে। প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মালিকপক্ষ গিয়েছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা তাদেরকে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ করলে তারা তা প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর থেকেই মিলমালিকরা নানা কৌশলে সয়াবিন তেল বিশেষ করে ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ে নানামুখী কারসাজি করছেন।

    ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের টালমাটাল পরিস্থিতি, অপরদিকে দেশীয় কোম্পানিগুলোর কারসাজি- দুটো মিলে দেশের ভোজ্যতেলের বাজার ক্রমশ অস্থির হয়ে উঠছে। প্রতিলিটার সয়াবিন তেল ১৬৫ থেকে ১৭৩ টাকায় কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষ এখন অনেকটাই দিশেহারা। সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশনের (টিসিবি) পণ্য বিক্রির ট্রাকের সামনের লাইনও বড় হচ্ছে প্রতিদিন। রমজানকে কেন্দ্র করে গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০০ টাকা লিটার দরে সয়াবিন তেলসহ ছোলা, খেজুর, চিনি ও মসুর ডাল এই পাঁচ পণ্য বিক্রি শুরু করেছে টিসিবি।

    সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নানামুখী কারসাজির মাধ্যমে ভোজ্যতেলের বাজার অস্থিতিশীল করার অপতৎপরতা নতুন কিছু নয়। দাম বাড়ানো এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগেরও অন্ত নেই। ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে সয়াবিনসহ ভোজ্যতেলের দাম। করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দোহাই দিয়ে নিত্যপণ্যের সঙ্গে ভোজ্যতেলের দাম ব্যাপকহারে বাড়ানো হয়েছে। সব শেষ গত বছর যেভাবে বাজার থেকে ভোজ্যতেল উধাও করে দাম বাড়ানো হলো, তা এককথায় নজিরবিহীন। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে আবার ভোজ্যতেলের বাজারে দেখা দিয়েছে সেই দুর্বৃত্তপনার ছায়া।

    জানা গেছে, করোনার মধ্যেও বিশ্বে সয়াবিনের উৎপাদন বেড়েছে। তবু বেড়েছে সয়াবিনের দাম। বিশ্লেষকেরা বলছেন, উৎপাদক দেশগুলো রফতানি বাড়ালেও ডলারের বিপরীতে ওই দেশগুলোর মুদ্রা শক্তিশালী হওয়ায় সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে।

    মার্কিন বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনডেক্সবক্স-এর তথ্যানুযায়ী, গতবছর থেকেই সয়াবিন থেকে তৈরি প্রাকৃতিক জ্বালানি বায়োডিজেলের উৎপাদন কমেছে। এতে বেড়েছে সয়াবিন তেলের উৎপাদন। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে যেখানে বিশ্বব্যাপী ৫ কোটি ৮০ লাখ টন সয়াবিন তেল উৎপাদিত হয়, সেখানে ২০২০ সালে হয়েছিল ৬ কোটি ১০ লাখ টন। তারপরও কেন দাম বাড়লো? কারণ হিসেবে ইনডেক্সবক্স বলছে, উৎপাদক দেশগুলো রফতানি শুল্ক বাড়িয়েছে বলেই দাম বেড়েছে।

    সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সয়াবিন তেল উৎপাদিত হয় চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে। এর মধ্যে ২০১৯ সালে চীন ১ কোটি ৮০ লাখ টন ও যুক্তরাষ্ট্র ৮০ লাখ টন সয়াবিন তেল উৎপাদন করে। যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৪৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সালে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ৮০ লাখ টন। ২০২০ সালে বিভিন্ন দেশে উৎপাদিত হয়েছে ৬ কোটি ১০ লাখ টন। করোনার কারণে সয়াবিন তেলের উপজাত সয়ামিলের (সয়াবিন থেকে তৈরি খাবার) চাহিদাও কমে যায়, এ কারণেও বাড়তে পারে তেলের দাম।

    জানা গেছে, সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। বাণিজ্য সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব আবদুর রহিম খানের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ও ভোজ্যতেল পাইকারি ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা আবারও সয়াবিন, পামঅয়েলের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। কিন্তু সরকার রমজানের আগে কোনোভাবেই সয়াবিন, পামঅয়েলের দাম বাড়াতে রাজি নয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারেও এখন সয়াবিন, পামঅয়েলের বাজার স্থিতিশীল। অনেকটা কমতির দিকে।

    একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতার পেছনে রয়েছে মূলত পাঁচটি পরিশোধনকারী কারখানার সিন্ডিকেট। তারাই ঠিক করে দেয় বাজারে সয়াবিন তেলের দাম কত হবে। দেশের ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভোজ্যতেল আমদানিতে সবগুলো প্রতিষ্ঠান সক্রিয় নেই। এতে প্রতিযোগিতাও কমেছে। সম্প্রতি নূরজাহান গ্রুপ, রুবাইয়া ভেজিটেবল অয়েল ও মোস্তফা গ্রুপ ভোজ্যতেল আমদানি শুরু করেছে বলে জানা গেছে। তবে এসব কোম্পানি তেলের বাজারে কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারছে না। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে সিটি গ্রুপ। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে টিকে গ্রুপ। তৃতীয় অবস্থানে মেঘনা গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ ও বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড। ভোজ্যতেলের বাজারের নিয়ন্ত্রণ এখনও মূলত এদের হাতেই।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, দামের কারসাজি ধরতে কয়েকবার রিফাইনারি কারখানার প্রধান কার্যালয়গুলোতে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযান চালানো হয় সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ ও টিকে গ্রুপে। এ ছাড়া, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত মনিটরিং টিম মেঘনা ও সিটি গ্রুপের মিলও পরিদর্শন করেছে।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত বাণিজ্য সচিব আবদুর রহিম খান জানিয়েছেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে যথেষ্ট পরিমাণে ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় বেশি। কোম্পানিগুলোও বলছে, সয়াবিন সরবরাহে কোনও সমস্যা নেই। তাহলে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ সয়াবিন তেল মজুত করছে কি না আমরা এখন তা খতিয়ে দেখবো।

    উল্লেখ্য, দেশে প্রতিবছর ভোজ্যতেলের চাহিদা ২৩ থেকে ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে আড়াই লাখ টন তেল দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ২০ থেকে ২১ লাখ টন ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে রমজান মাসে চাহিদা ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টন।ট্যারিফ কমিশন সূত্র বলছে, চলতি অর্থবছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে ১০ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৫ টন সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮০ টন ও পামতেল ৭ লাখ ১১ হাজার ৪৪৪ টন। এর মধ্যে গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার টন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৯ শতাংশ বেশি। এছাড়া, গত জানুয়ারিতে সয়াবিন বীজ আমদানি হয়েছে ৩ লাখ টন। গত এক বছরে এত বেশি সয়াবিন বীজ আমদানি হয়নি।

    সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, আরও ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টন তেল আমদানি পাইপলাইনে রয়েছে। রমজান শুরু হতে এখনও যে সময় বাকি আছে, তার আগেই পাইপলাইনে থাকা ভোজ্যতেল চলে আসবে। এ পরিস্থিতিতে সয়াবিনের কোনও সংকট হওয়ার কথা নয়। এছাড়া, ভোজ্যতেলের দাম সহনীয় রাখতে গত ১৬ ডিসেম্বর সয়াবিন, পামঅয়েল আমদানিতে শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি ও অগ্রিম আয়কর শতভাগ অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ভ্যাট ১৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা জানিয়েছেন, ভোজ্যতেলের সরবরাহ নিয়ে কারসাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন। রমজানকে কেন্দ্র সরবরাহ আরও বাড়ানো হবে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দর যে হারে বেড়েছে, সেই হারে দেশে এখনও সয়াবিনের দাম বাড়ানো হয়নি। কোম্পানিগুলো অনেকটা লোকসানেই বিক্রি করছে। কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে দাম কিছুটা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন তা মানছে না। কতদিন এভাবে চালানো যাবে তা নিয়ে কোম্পানিগুলোই সন্দিহান বলে জানিয়েছেন তিনি।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কাওরান বাজারের পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী তোফাজ্জেল হোসেন জানিয়েছেন, আমদানিকারকরা বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তারা ঠিকমতো সরবরাহ করছে না। সয়াবিনের সরবরাহ নিতে চাইলে নানান শর্ত জুড়ে দিচ্ছে। এতে বাজারে ভোজ্যতেল নিয়ে চাপা সংকট তৈরি হচ্ছে। এতে রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

    এ দিকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন জানিয়েছেন, বাজারে ভোজ্যতেলের কোনও সংকট নাই। রমজানকে কেন্দ্র করে সয়াবিন তেলসহ যে কোনও প্রকার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার কোনও কারণ নাই।