Category: সারাদেশ

  • ভোট দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে যা বললেন তারেক রহমান

    ভোট দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে যা বললেন তারেক রহমান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি গণতন্ত্রকামী নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সবাই যেন ভোট দেন। যাকে উপযুক্ত মনে করেন, তাকেই ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। নিজের পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিয়ে রাষ্ট্রীয় অধিকার ও মালিকানা নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করেন।

    পোস্টে তারেক রহমান বলেন, ভোটাররা যেন কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে ভোট দেন এবং নির্বাচিত প্রার্থীদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।

    ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী প্রার্থীরা যাতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, সে বিষয়টি দেখভালের প্রতিশ্রুতিও দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

  • এই ৭ ভুল করছেন? বাতিল হতে পারে আপনার ভোট

    এই ৭ ভুল করছেন? বাতিল হতে পারে আপনার ভোট

    নির্বাচনের দিনটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি নাগরিকের অধিকার, দায়িত্ব এবং গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলনের দিন। ভোর থেকেই মানুষ ভোটকেন্দ্রে ছুটে যান নিজের প্রতিনিধি বেছে নিতে। কিন্তু অনেক সময় না জানার কারণে বা সামান্য অসাবধানতায় একটি মূল্যবান ভোটই বাতিল হয়ে যেতে পারে। একটি ভুল সিল, ব্যালট ভাঁজে অসতর্কতা কিংবা ব্যালটে অপ্রয়োজনীয় কোনো চিহ্ন—এমন ছোট ছোট ভুলই ভোট গণনার সময় আপনার ভোটকে অকার্যকর করে দিতে পারে।

    তাই ভোট দিতে যাওয়ার আগে কিছু সাধারণ নিয়ম জেনে রাখা জরুরি। এতে যেমন নিজের ভোট সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তেমনি অজান্তেই ভোট বাতিল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন ভুলগুলো করলে আপনার ভোট বাতিল হতে পারে—

    ১. সিল

    ব্যালট পেপারের একপাশে থাকবে প্রার্থীর নাম এবং অন্য পাশে থাকবে প্রতীক বা মার্কা। সিল দিতে হবে নির্ধারিত স্থানের মধ্যে প্রতীকের উপর। সিল যদি নির্ধারিত স্থানের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভোট গণনার সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এর ফলে আপনার ভোটটি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

    এই ৭ ভুল করছেন? বাতিল হতে পারে আপনার ভোট
    গণভোটের ব্যালট ফেলবেন কোন বাক্সে, জানেন কি?
    ২. একাধিক সিল

    কখনো বিভ্রান্তি বা ভুলবশত একাধিক প্রার্থীর মার্কায় সিল দিয়ে ফেললে সেই ব্যালট গ্রহণযোগ্য থাকে না। তাই গোপন কক্ষে যাওয়ার আগেই ঠিক করে নিন কাকে ভোট দেবেন।

    ৩. ব্যালট ভাঁজ

    সিল দেওয়ার পরে ব্যালট পেপার ভাঁজ করতে হয় নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে। সাধারণভাবে প্রথমে কাগজটি লম্বালম্বি ভাঁজ দিতে হয়, তারপর ওপর দিকে ভাঁজ করতে হয়। তা না করলে সিলের কালি পাশের মার্কায় লেগে যেতে পারে। তখন একাধিক প্রতীকের ওপর দাগ দেখা গেলে ভোটটি বাতিল হতে পারে।

    ৪. ভোটারকে চেনার উপায় ব্যালটে থাকা

    ব্যালট পেপারে কলম বা পেনসিল দিয়ে কোনো চিহ্ন, টিক বা স্বাক্ষর দিলে সেটি বাতিল বলে গণ্য হয়। কেবল নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত সিল ব্যবহার করে নির্ধারিত স্থানের মধ্যে সিল দিলেই ভোটটি বৈধ থাকবে।

    ৫. ব্যালট পেপারের ক্ষতি

    ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট পেপার ছিঁড়ে গেলে সেই ভোট বাতিল হয়ে যায়। তাই ব্যালট নেওয়া থেকে বাক্সে ফেলা পর্যন্ত কাগজটি সতর্কভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন।

    ৬. ব্যালটে লেখালেখি

    অনেকে ক্ষোভ, প্রতিবাদ বা মজা করে ব্যালটে কিছু লিখে ফেলেন—কোনো দাবি, স্লোগান বা মন্তব্য। এমন কিছু লিখলে ব্যালটটি আর গ্রহণযোগ্য থাকে না।

    ৭. ব্যক্তির পরিচিতি প্রকাশ

    ব্যালটে এমন কোনো চিহ্ন, সংকেত বা লেখা দেওয়া যাবে না, যা দেখে ভোটারকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এমন কিছু থাকলে ভোট বাতিল বলে বিবেচিত হয়।

    গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও। সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে চাইলে ভোট দেওয়ার নিয়মগুলো জানা এবং মেনে চলা জরুরি। সচেতন ভোটারই পারে তার ভোটের মূল্য নিশ্চিত করতে এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে।

    সূত্র : নির্বাচন কমিশন

  • যে কারণে গণভোটে ‘হ্যা’ এর পক্ষে আহমাদুল্লাহ

    যে কারণে গণভোটে ‘হ্যা’ এর পক্ষে আহমাদুল্লাহ

    ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে গণভোটে ‘হ্যা’ এর পক্ষে বলে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা বলেছেন তিনি।

    ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা ‘হ্যা’ এর পক্ষে, এমন মন্তব্য করে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘একইসাথে সেই সংস্কার সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে কার্যকর করতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে কোন প্রকার ব্যত্যয় যেন না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হবে। হ্যাঁ-ভোট মানে শুধু পরিবর্তন নয়, হোক মূল্যবোধ অক্ষুন্ন রেখে পরিবর্তনের অঙ্গীকার।’

  • শেষ মুহূর্তের যে ৩ ফ্যাক্টর বদলে দিতে পারে ভোটের ফল

    শেষ মুহূর্তের যে ৩ ফ্যাক্টর বদলে দিতে পারে ভোটের ফল

    আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই প্রথম দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এবারের নির্বাচন কেবল ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, বরং সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে একটি গণভোটও (রেফারেন্ডাম) বটে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুরুতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি-কে এককভাবে এগিয়ে রাখা হলেও, শেষ মুহূর্তে শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামী চমক দেখাতে পারে। ইন্ডিয়া টুডে-র এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে এমন তিনটি বিশেষ ফ্যাক্টরের কথা উঠে এসেছে, যা নির্বাচনের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।

    ১. দোদুল্যমান বা অনিশ্চিত ভোটারদের ভূমিকা:

    বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে একটি বিশাল অংশের ভোটার এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তারা কাকে ভোট দেবেন। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৮.৫ শতাংশ ভোটার এখনও অনিশ্চিত। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় তাদের প্রথাগত ৩০-৪০ শতাংশ সমর্থক এখন কাকে বেছে নেবেন, সেটিই বড় প্রশ্ন। বিএনপি এবং জামায়াত—উভয় দলই এই বিশাল ভোটব্যাংক ও তরুণ ভোটারদের নিজেদের দিকে টানতে মরিয়া। এই ‘ফেন্স সিটার’ বা দোদুল্যমান ভোটাররা যেদিকে ঝুঁকবেন, জয় সেদিকেই যাবে।

    ২. ভোটার উপস্থিতির হার (টার্নআউট):

    নির্বাচন কমিশনের মক ভোটিংয়ে দেখা গেছে, সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট হওয়ায় ভোট দিতে স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ গুণ বেশি সময় লাগছে। ভোটার উপস্থিতি কম হলে সেটি জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর রিপোর্ট বলছে, যদি ভোটার উপস্থিতি ৬৫-৬৮ শতাংশ হয়, তবে বিএনপি জোটের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু উপস্থিতি কমে ৫৩-৫৮ শতাংশে নামলে ক্যাডার-ভিত্তিক দল হিসেবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে যেতে পারে।

    ৩. নারী ও বয়স্ক ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে অনীহা:

    ধীরগতির ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং সংঘাতের আশঙ্কায় নারী ও প্রবীণ ভোটাররা কেন্দ্রবিমুখ হতে পারেন। নারী ভোটারদের মধ্যে ভোটের উৎসাহ গত কয়েক মাসে কমেছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে। যদি সহিংসতার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ ঘরে থাকে, তবে ক্যাডার-ভিত্তিক সুশৃঙ্খল দল হিসেবে জামায়াত তাদের নিশ্চিত ভোটগুলো সংগ্রহ করে নির্বাচনী ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে পারে।

    উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি:

    আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচনে দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখনও ৪২ শতাংশ লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি, যা সহিংসতার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবুও রাজধানী ঢাকা এখন প্রায় ফাঁকা; ঈদের মতো মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ভোট দেওয়ার জন্য।

    শেষ পর্যন্ত কি বিএনপি তাদের রাজপথের লড়াইয়ের ফসল ঘরে তুলতে পারবে, নাকি সুসংগঠিত জামায়াত ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দেবে—তার উত্তর মিলবে আগামীকালের ব্যালট যুদ্ধে।

  • কারা কত আসন পাবে, উঠে এল জরিপে

    কারা কত আসন পাবে, উঠে এল জরিপে

    রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কারা সরকার গঠন করবে এ নিয়ে বিগত কয়েক দিনে বেশ কয়েকটি জরিপের ফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় প্রত্যেকটি জরিপেই জয়ের পথে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার প্রকাশিত হয়েছে জেনারেশন জেডের স্বতন্ত্র অনলাইন জরিপ।

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা এবং প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের উদ্দেশে পরিচালিত স্বতন্ত্র অনলাইন জরিপ ‘জেন-জেড ব্যালট’ এর ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

    ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী এই জরিপে মোট ৪৬ হাজার ৬২৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় ভোটগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

    জরিপের ফলাফলে জানা গেছে, ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৯০টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। জরিপের ফলে জানা গেছে, ৫১টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া ৬টি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৫টি আসনে খেলাফতে মজলিশ। তিনটি করে আসন পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জরুরি বার্তা!

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জরুরি বার্তা!

    আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক বাণীতে তিনি এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ড. ইউনূস বলেন, দীর্ঘ সময় ভোটাধিকার বঞ্চিত জাতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে, এই নির্বাচন তারই প্রাতিষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো নিয়ে মতামত দেবেন এবং সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য ও দায়বদ্ধ জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।

    নতুন ভোটার ও তরুণদের অংশগ্রহণ এবারের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক তরুণ নাগরিক প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টা এই নির্বাচনকে প্রতিটি ভোটারের জন্য আনন্দময়, শঙ্কামুক্ত ও উৎসবমুখর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এটি দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে।

    প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীসহ সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা প্রভাব ছাড়াই ভোটাররা যেন ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণই একটি শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ নিশ্চিত করবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন হবে এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।

  • জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের জরুরি বার্তা!

    জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের জরুরি বার্তা!

    আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে দেশবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। বুধবার সন্ধ্যায় দেওয়া এই ভাষণে তিনি নির্বাচনের শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

    শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা ভাষণের শুরুতেই সিইসি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের বিনিময়েই আজ দেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

    ভোটদান নাগরিক দায়িত্ব নির্বাচনকে ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করে সিইসি বলেন, ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, এটি একটি বড় নাগরিক দায়িত্ব। তিনি ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়া পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতা রাখার আহ্বান জানান।

    শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন সিইসি। যেকোনো অনভিপ্রেত ঘটনা মোকাবিলায় তিনি সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি প্রত্যাশা করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের সাক্ষী হবে।

    নির্বাচন ও গণভোটের গুরুত্ব সিইসি তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, এই নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করবে। তিনি ব্যক্তিগত কষ্ট উপেক্ষা করে জাতীয় এই মহতী কাজকে সার্থক করে তুলতে নির্বাচনের সাথে যুক্ত সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

  • নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে বিএনপির ৪ নেতা বহিষ্কার

    নির্বাচনের শেষ মুহুর্তে বিএনপির ৪ নেতা বহিষ্কার

    দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাত পোহালেই ভোট। ঠিক এমন সময় পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা বিএনপির চার নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার ও সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

    বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জসিম আহমেদ তুহিন, সাধারণ সম্পাদক মো. আতাহার শিকদার এবং কেশবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শহীদ মুন্সী ও সিনিয়র সহসভাপতি মো. আফজাল হোসেন সিকদার।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. শহিদুল আলম তালুকদারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তারা জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জনসমর্থন চেয়ে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন।

    পাশাপাশি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগও আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে। দলীয় নীতিমালা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে দলের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার ও সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ বলেন- দলীয় শৃঙ্খলাভঙের কারণে দল থেকে প্রথম অব্যাহতি পরে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং বহিষ্কার করা হয়েছে।

  • নতুন জরিপে উঠে এলো বিএনপি-জামায়াত কত শতাংশ ভোট পেতে পারে

    নতুন জরিপে উঠে এলো বিএনপি-জামায়াত কত শতাংশ ভোট পেতে পারে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। জাগরণ ফাউন্ডেশন ও প্রজেকশন বিডির সহযোগিতায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে সারা দেশের ৩০০ আসনের ভোটারদের ওপর ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (আইআইএলডি) এ জরিপ চালিয়েছে।

    এতে মোট ৬৩ হাজার ৬১৫ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে এবং ৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ ভোটার জামায়াত জোটকে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    প্রচার শুরুর পর থেকে ১৬ দিনে পরিচালিত এ জরিপের ফলে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পল্টনের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে জরিপের ফল তুলে ধরা হয়।

    ‌‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬: প্রাক-নির্বাচনি জনমত জরিপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জরিপের ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন।

    তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এটি ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসির (আইআইএলডি) চূড়ান্ত নির্বাচনি জরিপ। এর আগে প্রথম দফায় গত ১২ জানুয়ারি তারা জরিপের ফল প্রকাশ করেছিল।

    আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন বলেন, জরিপে ৩০০ আসনের প্রতিটি থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি আসন থেকে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। সারা দেশ থেকে মোট ৬৩ হাজার ৬১৫ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং নারী ভোটার ৪২ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    তিনি জানান, বয়স, শিক্ষা, ধর্ম ও বিভাগীয় পর্যায়ে পৃথক জরিপ করা হয়েছে। স্যাম্পলের জন্য ইউনিয়ন নির্বাচন করতে লটারির মাধ্যমে ভোটার খুঁজে জরিপে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে।

    জরিপের তথ্য বলছে, নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত জোটকে ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে চান। জামায়াতের সমর্থিত জোট ৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টিতে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৩ দশমিক ৮০ মানুষ ভোট দিতে চান। আর ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ ভোট দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি।

    আগে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকায় বিএনপিকে ভোট দিতে চান ভোটাররা এবং জামায়াত তুলনামূলকভাবে সৎ ও কম দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় ভোটাররা ভোট দিতে চান।

    দেশের শহরাঞ্চলের মানুষদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ বিএনপি সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান এবং জামায়াতকে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে চান। শহরের ৬ শতাংশ মানুষ ভোট দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    গ্রামাঞ্চলের মানুষদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ বিএনপি সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান এবং জামায়াত সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান ৪৫ শতাংশ মানুষ। এখানেও ৬ শতাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত জানাননি।

    আসন বিবেচনায় জামায়াত সমর্থিত জোটে ১০৫টি এবং বিএনপির সমর্থিত জোটের ১০১টি নিশ্চিতভাবে জয়ী হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে উঠে এসেছে জরিপে। ৭৫টি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লাইয়ের আভাস দেওয়া হয়েছে। আর ১৯টি আসনে স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল থেকে বিজয়ী হতে পারে।

    জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার নির্বাচনে ৯২ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন না। এছাড়া ২ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ তাদের সিদ্ধান্ত জানাননি।

    নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের কাছে ভোটাররা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব চায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনতে ৬৭ শতাংশ ভোটার মতামত দিয়েছেন। এর বাইরে আইনের সুশাসন ফেরানো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান, চাকরির নিশ্চয়তা ও সংস্কারসহ বেশ কিছু বিষয়ে ভোটাররা অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

    ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনায় নেওয়ার প্রতি জোর দিয়েছেন বেশিরভাগ ভোটার। যোগ্যতা বিবেচনায় দেবেন বলেন জানিয়েছেন ৭১ শতাংশ ভোটার। আর দলের সিদ্ধান্তে মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পক্ষে ৪৭ শতাংশ ভোটার।

    এছাড়া দলের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় ভোট দিতে চান ৩৬ শতাংশ মানুষ। এছাড়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও জুলাই চেতনাসহ বেশকিছু বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোট দিতে চান ভোটাররা।

  • প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছে জেন-জি’রা, ভোটকেন্দ্রে সেলফি তোলা যাবে কি!

    প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছে জেন-জি’রা, ভোটকেন্দ্রে সেলফি তোলা যাবে কি!

    দীর্ঘ ১৭ বছর পর উৎসমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় দেশের মানুষ। সেই সঙ্গে অনেকেই পরিকল্পনা করছে নিজের ভোট প্রদানের ছবিটা স্মৃতি করে রেখে দেওয়ার। কিন্তু এ বিষয়ে বেশকিছু নির্দেশনা ঠিক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    এবার ভোটকেন্দ্রের চারশো গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নেওয়ার ওপর নির্বাচন কমিশন প্রথমে নিষেধাজ্ঞা দিলেও তীব্র সমালোচনার মুখে তা প্রত্যাহার করে নেয়।

    পরে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের দিন ভোটার, প্রার্থী, এজেন্ট এবং সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে পারবে এবং ছবিও তোলা যাবে। কিন্তু কোনোভাবেই গোপন কক্ষের ভেতরে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা বা ছবি তোলা যাবে না বলে জানিয়েছে ইসি।

    ভোট (3)

    অর্থাৎ ভোটাররা বুথের যে গোপন কক্ষে ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন সেখানে মোবাইল নিয়ে যাওয়া ও ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

    তবে সাধারণ ভোটারদের ভোট কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়নি। ফলে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে ছবি বা সেলফি তোলার সুযোগ নেই।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। আর হিজড়া ১২২০ জন।

    ভোট (2)ভোট প্রদান

    নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন। এর পাশাপাশি প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবেন।