Category: সারাদেশ

  • অবশেষে সরকারি ফল ঘোষণা! চূড়ান্তভাবে যে দল যত আসন পেল!

    অবশেষে সরকারি ফল ঘোষণা! চূড়ান্তভাবে যে দল যত আসন পেল!

    দীর্ঘ দুই দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার আগারগাঁওস্থ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেন।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ও তার মিত্ররা মোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য পেয়েছে ৭৭টি আসন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন।

    বিএনপি: ২০৯টি আসন
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: ৬৮টি আসন
    জাতীয় নাগরিক পার্টি: ৬টি আসন
    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস: ২টি আসন
    খেলাফত মজলিস: ১টি আসন
    বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি): ১টি আসন
    গণসংহতি আন্দোলন: ১টি আসন
    গণঅধিকার পরিষদ: ১টি আসন

    ইসি সচিব জানিয়েছেন যে ২৯৭টি আসনের ফল ঘোষণা করা হলেও চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে। এই দুটি আসনের ফল পরবর্তীতে জানানো হবে। এছাড়া শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ আগেই স্থগিত করা হয়েছিল।

    আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচনে বিশাল জয় পাওয়ার মধ্য দিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে বিএনপি। এর ফলে দলটির নেতৃত্বে পরবর্তী সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে এই নতুন সংসদ নির্বাচন করেছেন।

  • ৭ আসনেই বিএনপির ভূমিধস জয়

    ৭ আসনেই বিএনপির ভূমিধস জয়

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসনের ৭টিতেই বিএনপির প্রার্থীরা বিজয় লাভ করেছেন। তারা হলেন-বগুড়া-১ কাজী রফিক, বগুড়া-২ মীরশাহে আলম, বগুড়া-৩ মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৫ গোলাম মোঃ সিরাজ, বগুড়া-৬ তারেক রহমান, বগুড়া-৭ মোরশেদ মিলটন।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ফলাফল পাওয়া যায়। এর আগে এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের ১৮টিতেই জয়ী বিএনপি

    সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের ১৮টিতেই জয়ী বিএনপি

    সিলেট বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। বাকি একটিতে খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান বিজয়ী হয়েছেন। তবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো আসনই জেতে পারেনি।

    সিলেট জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। সিলেট-১ আসনে বিএনপির খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেট-২ আসনে নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আবদুল মালিক, সিলেট-৪ আসনে বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী এবং সিলেট-৬ আসনে বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। একমাত্র সিলেট-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি আবুল হাসান দেয়াল ঘড়ি মার্কায় জয়লাভ করেছেন।

    সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনের সবটিতেই বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। সুনামগঞ্জ-১ আসনে কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির উদ্দীন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে নুরুল ইসলাম নুরুল এবং সুনামগঞ্জ-৫ আসনে কলিম উদ্দিন মিলন জয় পেয়েছেন।

    মৌলভীবাজার জেলার চারটি আসনের সবটিতেই বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দীন মিঠু, মৌলভীবাজার-২ আসনে শওকতুল ইসলাম শকু, মৌলভীবাজার-৩ আসনে এম নাসের রহমান এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনে হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী জয়লাভ করেছেন।

    হবিগঞ্জ জেলার চারটি আসনের সবটিতেই বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। হবিগঞ্জ-১ আসনে ড. রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ আসনে ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, হবিগঞ্জ-৩ আসনে জি কে গৌছ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে এস এম ফয়সল জয় পেয়েছেন।

  • বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী

    বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী

    টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়। বিকাল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। রাতে সাড়ে ৯টার দিকে এই আসনের মোট ১২৬টি কেন্দ্রের সবগুলোর ভোট গণনা শেষ হয়।

    বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২৫৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭১ হাজার ৪০ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মো. তোফাজ্জল হোসেন হাতি মার্কায় পেয়েছেন ১ হাজার ৪৯২ ভোট।

    টাঙ্গাইলের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সুরাইয়া ইয়াসমিন ভোটের এই ফল নিশ্চিত করেছেন।

  • নতুন সরকার কবে গঠিত হবে জানালেন আসিফ নজরুল

    নতুন সরকার কবে গঠিত হবে জানালেন আসিফ নজরুল

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, “আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ এবং পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগে নতুন সরকার গঠিত হবে।” তিনি বলেন, “ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর যত দ্রুত সম্ভব সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে।”

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর তিনি এসব কথা বলেন।

    আসিফ নজরুল আরও জানান, “১৭ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে, অর্থাৎ রমজানের আগেই নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।”

    ফলাফলের গেজেট নোটিফিকেশনের পর যত দ্রুত সম্ভব সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হবে। এরপর নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করবে।’

    নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।’

  • ভূমিধস বিজয়; প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কে? জেনে নিন

    ভূমিধস বিজয়; প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কে? জেনে নিন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের কাছাকাছি আসনে জয় পেয়ে এককভাবে সরকার গঠনের অবস্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির পূর্বঘোষণা অনুযায়ী চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

    ইতিহাসসেরা ১২ ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচনে বিএনপি ভূমিধস বিজয় অর্জন করে এককভাবে সরকার গঠনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনে জয় পেয়ে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার অবস্থানে রয়েছে।

    রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়েছে বিএনপি। গভীর রাতে প্রাপ্ত ২৯৬টি আসনের ফলাফলে বিএনপি ২০৭টি আসনে জয়লাভ করেছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন, যার মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন। এছাড়া স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ১২টি আসনে। প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে এবং কয়েকটি আসনের ফলাফল মামলার কারণে স্থগিত আছে।

    এবারের নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—দুটি আসনেই জয়লাভ করেছেন। বিএনপি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার এই জয়ের তথ্য নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে জয়লাভ করেছেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

    সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত সংস্কারসংক্রান্ত গণভোটেও ‘হ্যাঁ’ ভোট বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গণভোটে ৭৫ শতাংশের বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে। সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬১ শতাংশ।

    নির্বাচনটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দেশের ইতিহাসে এটি অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন এবং এর মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হলো।

    সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে প্রতিটি কেন্দ্রে গণনা শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

    এদিকে, ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৪ হাজার ৯৮০ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেছেন। অন্যদিকে, ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপির আমিনুল হক পরাজিত হয়েছেন এবং জামায়াতের প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন বিজয়ী হয়েছেন।

    ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক ফলাফলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে জামায়াতের একটি প্রতিনিধিদল শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবস্থান করছিল।

    চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

  • সংসদে যাচ্ছেন বিএনপির ৭ ‘বিদ্রোহী’

    সংসদে যাচ্ছেন বিএনপির ৭ ‘বিদ্রোহী’

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত বিএনপির সাত ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ না পেয়ে তারা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখন ধানের শীষ ও জোট প্রার্থীদের সঙ্গে তারাও সংসদে যাবেন।

    বিজয়ী স্বতন্ত্ররা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, টাঙ্গাইল-৩ আসনের লুৎফর রহমান খান আজাদ, চাঁদপুর-৪ আসনের আব্দুল হান্নান, কুমিল্লা-৭ আসনের আতিকুল আলম শাওন, ময়মনসিংহ-১ আসনের সালমান ওমর রুবেল এবং দিনাজপুর-৫ আসনের রেজওয়ানুল হক।

    দলীয় নানান উদ্যোগের পরও ধানের শীষ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সারা দেশের অর্ধশতাধিক আসনে বিএনপির ‘অভিমানী’ নেতারা স্বতন্ত্র তথা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে যান। বিশেষ করে শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া ১৬ আসনের ১২টিতেই নির্বাচনের মাঠে ছিলেন তারা। এতে করে তৃণমূলে বিএনপির ভোট কার্যত বিভক্ত হয়ে যায়। যে কারণে অধিকাংশ আসনে বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি জমিয়তের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। তবে ধানের শীষ না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

    কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে প্রাথমিকভাবে দলের মনোনয়ন পান বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। পরে এই আসনটিতে চূড়ান্তভাবে ধানের শীষ পান সৈয়দ এহসানুল হুদা। ১২ দলীয় জোটভুক্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই চেয়ারম্যান বিএনপিতে যোগদান করে ‘ধানের শীষ’ পান। পরে ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

    টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসিরকে প্রার্থী করে দল। ধানের শীষ না পেয়ে এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হন বিএনপির সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ।

    চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে দলের রাজস্ব ও ব্যাংকিংবিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশীদকে প্রার্থী করে বিএনপি। জেলার সর্বাধিক প্রবাসী অধ্যুষিত এ আসনটি বিএনপির অপ্রতিদ্বন্দ্বী দুর্গ হিসেবে পরিচিত। তবে ধানের শীষ না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে বহিষ্কার হন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান।

    বিএনপিতে যোগদান করে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসন থেকে ‘ধানের শীষ’ পান এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ। আর ধানের শীষ না পেয়ে এখান থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন।

    ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া) আসনে ধানের শীষ পান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। ধানের শীষ না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর রুবেল। এ জন্য তিনি দল থেকে বহিষ্কৃত হন।

    দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে ব্যারিস্টার এ কে এম কামরুজ্জামানকে প্রার্থী করে বিএনপি। তবে ধানের শীষ না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বহিষ্কৃত হন রেজওয়ানুল হক।

  • গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নির্বাচনে এগিয়ে বিএনপি

    গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নির্বাচনে এগিয়ে বিএনপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ থেকে করা হয়েছে বেশ কয়েকটি জরিপ। চলছে নানান হিসাব-নিকাশ। বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট ও সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও জরিপ চালিয়েছে।

    মূলত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির রক্ষা এবং যথাযথ নিরাপত্তা ছক প্রণয়নের লক্ষ্যেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জরিপ। এ কারণেই এসব জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।

    ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বেশ এগিয়ে আছে। বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে হলেও বেশ কয়েকটি আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী জয়লাভ করতে পারেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ত্রিমুখী এবং চতুর্মুখী লড়াই হবে কোনো কোনো আসনে।

    গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির জয়লাভ করবেন। পঞ্চগড়-২ আসনে জয়লাভ করবেন বিএনপি প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তবে তার সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জামায়াতের প্রার্থী সফিউল আলমের সঙ্গে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়লাভ করবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা আছে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল হাকিমের।

  • ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতে বিএনপি বিজয়ী

    ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতে বিএনপি বিজয়ী

    নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার ৫টি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি ৪টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১টি আসনে জয় পেয়েছে।

    নেত্রকোনা-১: ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল (বিএনপি)

    নেত্রকোনা-২: প্রফেসর ডা. আনোয়ারুল হক (বিএনপি)

    নেত্রকোনা-৩: ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (বিএনপি)

    নেত্রকোনা-৪: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি)

    নেত্রকোনা-৫: অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি)

  • দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি

    দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনে বিএনপি আত্মবিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

    মাহদী আমিন বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার দুটি নির্বাচনী আসন-বগুড়া-৬ এবং ঢাকা-১৭-তে ইতোমধ্যে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।’

    তিনি বলেন, ‘বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিভিন্ন ধরনের কারচুপি, জালিয়াতি, কেন্দ্র দখলসহ নানা অপরাধে সম্পৃক্ত ছিল। তারপরও জনগণের আন্তরিক ভালোবাসা ও সমর্থনে আমরা দেখেছি ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুলসংখ্যক আসনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।

    অনেকেই এরই মাঝে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত বিএনপি ইনশাল্লাহ জনসমর্থন নিয়ে, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ভোটের হিসাব ও আসনভিত্তিক বিস্তারিত তথ্যের ভিত্তিতে, এই বিজয় নিয়ে আমরা আত্নবিশ্বাসী।’

    মাহদী আমিন বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন, নির্বাচনের দিনও (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় অনেক ধরনের কারচুপি, জালিয়াতি এবং সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষভাবে, নির্দিষ্ট কিছু আসনে নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীকে বিজয়ী করে আনার জন্য ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। এটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। যদি উদাহরণ দেই, শুধুমাত্র ঢাকা শহরে ঢাকা-৮, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৬-সহ বেশ কিছু আসনে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিলম্ব করা হয়েছে এবং হচ্ছে।’

    বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র বলেন, ‘বিএনপির কিংবা ধানের শীষের বিপুল ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য যে বিজয়, সেই বিজয়ের ব্যবধানটাকে কমিয়ে আনার জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল অপপ্রচার এবং নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন করেছে। ফলে নির্দিষ্ট কিছু আসনে এই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়তো পরাজয়ের ব্যবধানটা কমিয়ে আনছে এবং দেশব্যাপী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কিছুটা ব্যাহত করেছে।’

    গণতন্ত্রকামি মানুষ যে উৎসাহ উদ্দীপনার মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, বিজয়ী করেছেন, এজন্য তাদের আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানান বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র।

    সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জোবায়ের বাবু, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।