Category: সারাদেশ

  • সব জল্পনা এড়িয়ে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ পড়াচ্ছেন যিনি!

    সব জল্পনা এড়িয়ে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ পড়াচ্ছেন যিনি!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রয়োজন হলে আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই শপথ আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের রয়েছে।

    সংবিধান অনুযায়ী, বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। সচিব জানান, প্রথমে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং এরপর সংসদ নেতা নির্বাচনসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করা হবে। এই আনুষ্ঠানিকতাগুলো শেষ হওয়ার পরপরই সুবিধাজনক সময়ে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে দেশি-বিদেশি প্রায় এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রায় দুই যুগ পর দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।

    নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, ঘোষিত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি এককভাবে ২০৯টিতে জয়লাভ করেছে। শরিকদের আসনসহ তাদের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি এবং তাদের জোটগত মিত্ররা আরও ৯টি আসনে জয় পেয়েছে। সব মিলিয়ে ৭৭টি আসন নিয়ে জামায়াত ও তাদের মিত্ররা সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে অবস্থান নিতে যাচ্ছে।

  • দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ

    দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ

    রমজান মাসজুড়ে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনার অনুলিপি পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিঠি জারি করা হতে পারে।

    রমজানে স্কুল বন্ধ রাখা হবে, নাকি এ নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে—তা নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা নির্দেশনার বিষয়ে অবগত থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আগামী সোমবার বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানানো হবে।

    রোববার দুপুরে বিচারপতি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

    রিট আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নোটিশ পাঠানো হয়।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রথা চালু রয়েছে, যা আইন, নীতি ও রীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছু করা যায় না এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদে ‘আইন’ বলতে প্রথা ও রীতিকেও বোঝানো হয়েছে। সে বিবেচনায় রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলা হয়।

    নোটিশে আরও বলা হয়, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে অংশ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হতে পারে, ফলে ধর্মীয় অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি রমজানে বিদ্যালয় খোলা থাকলে শহরাঞ্চলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    নোটিশের জবাব না পাওয়ায় পরবর্তীতে রিট দায়ের করা হয়।

  • আকারে ছোট হচ্ছে বিএনপির মন্ত্রিসভা, জায়গা পাচ্ছেন যারা

    আকারে ছোট হচ্ছে বিএনপির মন্ত্রিসভা, জায়গা পাচ্ছেন যারা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া নতুন এই মন্ত্রিসভার চেহারা কেমন হতে যাচ্ছে এবং সেখানে কারা জায়গা পেতে যাচ্ছেন, সেটি নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    নতুন মন্ত্রিসভায় দলের তরুণ নেতারা কতটা স্থান পাচ্ছেন এবং সমমনা দলগুলোকে রাখা হচ্ছে কি-না, এসব প্রশ্ন ঘিরেও বিভিন্ন মহলে নানান আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা হতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি মন্ত্রিসভায় রাখার জন্য বিজয়ীদের কারো কারো পক্ষে ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানোর ঘটনাও চোখে পড়ছে।

    যদিও বিএনপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন মন্ত্রিসভার আকার ও চেহারার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে তারেক রহমানের প্রথম মন্ত্রিসভা বা সরকারের আকার ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের তুলনায় ‘অনেকটাই ছোট’ হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

    এক্ষেত্রে গঠন ও আকৃতিতে পরিবর্তন এনে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যাও কমিয়ে ত্রিশের নিচে নামিয়ে আনার চিন্তা করছে বিএনপি। মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমিয়ে আনার ফলে একদিকে সরকারের ‘কাজ যেমন সহজ হবে’, তেমনি ‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা’ও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করে দলটি। বিএনপির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা সেসব নেতারা জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হচ্ছে নবীন ও প্রবীণের মিশেলে।

    নিজ দলের বাইরে ভোটে জয় পাওয়া সমমনা অন্য দলগুলোর নেতাদের মধ্যেও অনেকে সেই মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে যাচ্ছেন বলে আভাস দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। নতুন মন্ত্রিসভায় নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

    এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন আসন থেকে যারা জয় পেয়েছেন, তাদের আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করানোর কথা রয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ওইদিন সকাল দশটায় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন। এরপর একইদিন বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হবে। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন।

    ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে যেসব মন্ত্রণালয়কে ভেঙে আলাদা করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমানোর চিন্তা করা হচ্ছে। এ ছাড়া একই খাত নিয়ে কাজ করছে, এমন কিছু মন্ত্রণালয়কে একটি ছাতার নিয়ে আসার বিষয়টিও ভেবে দেখছে বিএনপি। শেষ পর্যন্ত সেটি বাস্তবায়ন করা হলে সড়ক পরিবহন ও রেল একই মন্ত্রণালয়ের আওতায় চলে আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

    নতুন মন্ত্রিসভায় দুই ডজনের মতো পূর্ণমন্ত্রী থাকতে পারে বলে ধারণা দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। এর বাইরে এক ডজনের মতো উপমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী রাখা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তারা।

    ডাক পাচ্ছেন কারা?

    এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীন নেতাদের পাশাপাশি মেধাবী তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা। এর মধ্যে তুলনামূলক কম বিতর্কিত ও অতীতে সফলভাবে মন্ত্রণালয় চালিয়েছেন- এমন অভিজ্ঞ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। অন্যদিকে অভিজ্ঞতা নেই, কিন্তু মেধাবী- এ রকম তরুণ নেতারা পাচ্ছেন উপমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।

    বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সালাহউদ্দিন আহমদ, আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ আরও বেশ কয়েক জনের নাম আলোচনায় রয়েছে।

    নারীদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের নামও আলোচনায় রয়েছে। এর মধ্যে ওবায়েদ এবারের নির্বাচনে ফরিদপুর-২ আসন থেকে জয় পেয়েছেন।

    এ ছাড়া তরুণ নেতাদের মধ্যে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হিসেবে যারা মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন, তাদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন: লক্ষ্মীপুর সদর আসন থেকে বিজয়ী বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, টাঙ্গাইল-৫ থেকে নির্বাচিত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং ঢাকা-৬ আসনে জয়লাভ করা ইশরাক হোসেন।

    এবারের নির্বাচনে মিত্র দলের সাতজন নেতা নিজ দল ছেড়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন। তাদের মধ্যে ঢাকা-১৩ আসন থেকে ববি হাজ্জাজ এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসন থেকে শাহাদাত হোসেন সেলিম জয় পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হিসেবে তাদের নামও আলোচনায় আছে।

    বিগত সময় বিএনপির সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিলেন, সেই মিত্র দলগুলো থেকে মাত্র তিনজন জয় পেয়েছেন। তারা হলেন: বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। তারা তিনজনই নতুন মন্ত্রিসভায় ডাক পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি’র নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা। অন্যদিকে সিনিয়র নেতাদের মধ্যে যারা এবারের মন্ত্রিসভায় থাকছেন না, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জায়গা পেতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদে।

    তাদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হতে পারে। কিন্তু আলোচনায় যাদের নামই থাকুক না কেন, মন্ত্রিসভায় শেষপর্যন্ত কাদের জায়গা হচ্ছে এবং কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, আগামী মঙ্গলবার শপথ অনুষ্ঠানের পরই সেটি পরিষ্কার হয়ে যাবে।Politics

    বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

  • পঞ্চগড়-১ আসনে শাপলা কলি ভোটে হারেনি

    পঞ্চগড়-১ আসনে শাপলা কলি ভোটে হারেনি

    পঞ্চগড়-১ আসনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক পরাজিত হয়নি বলে দাবি করেছেন ওই আসনের পরাজিত প্রার্থী সারজিস আলম।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    পোস্টে সারজিস আলম অভিযোগ করেন, ‘প্রশাসন, বিএনপি ও ডিপস্টেট পরিকল্পিত কারচুপির মাধ্যমে শাপলা কলিকে হারিয়েছে।’

    এর আগে দেওয়া আরেকটি পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

    ১

  • কেমন হবে বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা? চূড়ান্ত তালিকায় যারা

    কেমন হবে বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা? চূড়ান্ত তালিকায় যারা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর পুত্র তারেক রহমান–এর সামনে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বেই গঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

    আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ও বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন। এরই মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—কেমন হবে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা, কারা থাকবেন সেখানে, এবং তরুণদের জন্য কতটা জায়গা থাকবে?

    এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বিএনপি। তবে দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন সরকার আকারে তুলনামূলকভাবে ছোট হতে পারে। কাজের গতি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ত্রিশের নিচে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকতে পারে। বর্তমানে সরকারের কাঠামোয় ৪৩টি মন্ত্রণালয় রয়েছে।

    সূত্রগুলো আরও জানায়, নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হতে পারে নবীন ও প্রবীণ নেতাদের সমন্বয়ে। নির্বাচনে জয়ী সমমনা দলের কয়েকজন প্রতিনিধিও এতে স্থান পেতে পারেন। পাশাপাশি নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

    আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আলাদা করা কিছু মন্ত্রণালয় পুনরায় একীভূত করার পরিকল্পনাও থাকতে পারে। একই খাতে কাজ করা একাধিক মন্ত্রণালয় একত্র করা হলে সড়ক পরিবহন ও রেল একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আসতে পারে। বিএনপি নেতাদের ধারণা, নতুন মন্ত্রিসভায় প্রায় দুই ডজন পূর্ণমন্ত্রী থাকতে পারেন।

    দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা জানিয়েছেন, অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রবীণ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, মেধাবী কিন্তু তুলনামূলক অনভিজ্ঞ তরুণদের উপমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে।

    প্রবীণ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু।

    নারী নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, যিনি এবারের নির্বাচনে ফরিদপুর-২ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।

    তরুণ নেতাদের মধ্যে প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং ইশরাক হোসেন। মিত্র দল থেকে ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী কয়েকজন প্রতিনিধিকেও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ববি হাজ্জাজ (ঢাকা-১৩) এবং শাহাদাত হোসেন সেলিম (লক্ষ্মীপুর-১)।

    এ ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনে থাকা মিত্র দলের নির্বাচিত প্রতিনিধি আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি), জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি আন্দোলন) এবং নুরুল হক নুর (গণ অধিকার পরিষদ) নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

    মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়া কিছু প্রবীণ নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান–এর নাম আলোচনায় রয়েছে।

    তবে শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা কেমন হবে, তা জানা যাবে শপথ অনুষ্ঠানের দিনই।

  • ব্রেকিং নিউজ: রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা!

    ব্রেকিং নিউজ: রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।সূত্রটি বলছে, সর্বপ্রথম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়ে তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনিই এবার রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হতে পারেন। খুব শিগগিরই এমন ঘোষণা আসবে।

    বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। লেখাপড়া শেষ করে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেন। পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ২০১১ সালের মার্চে মৃত্যুবরণ করলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুলকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেন। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন।ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেসরকারিভাবে ৭২ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়েছে

  • নির্বাচনের পরই দুঃসংবাদ পেলেন বিএনপির ৩ নেতা

    নির্বাচনের পরই দুঃসংবাদ পেলেন বিএনপির ৩ নেতা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে অন্য দলের প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীকে সহযোগিতা করায় বিএনপির তিন নেতাকে দলের সকল পদ-পদবিসহ আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

    বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থীর পক্ষে কোনো রকম নির্বাচনী কাজ না করায় এবং প্রতিদ্বন্ধি অন্য দলকে সহযোগিতা করায় বিএনপির সকল পদ ও পদবিসহ আজীবনের জন্য তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হল।

    নির্বাচনের পরের দিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) বহিষ্কার করা ওই নেতা হলেন, গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জামাল মোল্লা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সহিদ বেপারী।

    তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেন জানিয়েছেন, বহিষ্কারের কাগজ স্ব স্ব ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বহিষ্কৃত ওই তিন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন।

    বহিষ্কৃত গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত কোন কাগজ এখনও আমি হাতে পাইনি।

  • সয়াবিন তেলের দাম কমে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

    সয়াবিন তেলের দাম কমে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

    তিন বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে। দেশের বাজারে এই তেল বিক্রি হচ্ছে তুলনামূলক উচ্চ দামে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং যথাসময়ে ব্যাংকের সহায়তা না পাওয়ায় বিশ্ব বাজারে দর কমার সুফল পাচ্ছেন না দেশের ভোক্তারা।

    বিশ্বব্যাংকের নিয়মিত মাসিক প্রতিবেদনের (পিংক শিট) তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে ২০২২ সাল থেকে সয়াবিন, পাম অয়েল ও সয়াবিন বীজের দাম নিম্নমুখী। ২০২২ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিন তেলের গড় দাম ছিল ১ হাজার ৬৬৭ ডলার।

  • টেকনোক্র্যাট কোটায় বিএনপির মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা

    টেকনোক্র্যাট কোটায় বিএনপির মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটাতেও বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ও মেধাবী নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করেছেন বলে জানা গেছে। মন্ত্রিসভার আকার ৩২ থেকে ৪২ সদস্যের মধ্যে সীমিত রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী, মোট মন্ত্রীর সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ টেকনোক্র্যাট কোটায় নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।

    দলীয় সূত্র বলছে, টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং সেলিমা রহমান। তারা সংসদ সদস্য না হলেও দলের দীর্ঘদিনের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতা হিসেবে বিবেচিত।

    টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় আরও স্থান পেতে পারেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, হুমায়ুন কবীর, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারও। তবে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত না হলে এদের কাউকে কাউকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গুরুত্ব পদে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।

    জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি বা সংসদ-সদস্য না হয়ে যারা মন্ত্রিসভায় স্থান পান বা মন্ত্রী হন তাদের বলা হয় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। এ বিষয়ে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬-এর ২ ধারায় বলা রয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারবেন।’ মন্ত্রিসভা ৪০ জনের হলে সে হিসাবে টেকনোক্র্যাট কোটায় চারজনকে মন্ত্রী করা যাবে।

    নির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের মধ্যে অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির, আমানউল্লাহ আমান, হাবিবুর রশীদ, শেখ রবিউল আলম, আসাদুল হাবিব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রকিবুল ইসলাম বকুল, মোহাম্মদ আলী আসগর লবি মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। এছাড়া মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন নুরুল ইসলাম মনি, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মজিবর রহমান সরওয়ার, এবিএম মোশাররফ হোসেন, জহির উদ্দিন স্বপন, আব্দুস সালাম পিন্টু, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, শরীফুল আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আফরোজা খান রিতা। এছাড়াও ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবির খোকন, শামা ওবায়েদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু, খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বরকতউল্লা বুলু, মো. শাজাহান, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, ড. রেজা কিবরিয়া, মো. মোশাররফ হোসেন ও সাঈদ আল নোমানও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

    দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন—এমন আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    মিত্র দলগুলোর মধ্য থেকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনায় আছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি এবং নুরুল হক নুর। এছাড়া নির্বাচনে পরাজিত হলেও টেকনোক্র্যাট কোটায় নাম আসতে পারে মাহমুদুর রহমান মান্নাও।

    দলীয় নীতিনির্ধারকরা বলছেন, অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতাকে গুরুত্ব দিয়েই টেকনোক্র্যাট কোটার চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। শপথের দিনই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

  • নির্বাচনের পর দুঃসংবাদ পেল তিন বিএনপি নেতা

    নির্বাচনের পর দুঃসংবাদ পেল তিন বিএনপি নেতা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে অন্য দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে সহযোগিতা করায় বিএনপির তিন নেতাকে দলের সকল পদ-পদবিসহ আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

    বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থীর পক্ষে কোন রকম নির্বাচনী কাজ না করায় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য দলকে সহযোগিতা করায় বিএনপির সকল পদ ও পদবিসহ আজীবনের জন্য তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হল।

    নির্বাচনের পরেরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) বহিষ্কার করা ওই নেতা হলেন, গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জামাল মোল্লা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সহিদ বেপারী।

    তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেন জানিয়েছেন, বহিষ্কারের কাগজ স্ব স্ব ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

    বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বহিষ্কৃত ওই তিন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন।

    বহিষ্কৃত গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত কোন কাগজ এখনও আমি হাতে পাইনি।