Category: সারাদেশ

  • দেশের যে ১০ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

    দেশের যে ১০ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি স্থানে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রংপুর, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    এ কারণে এসব এলাকার অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহকে ২ নম্বর (পুনঃ) ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে।

    এর প্রভাবে ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

  • আ’ত্নহ’ত্যা করলেন মৌসুমী..

    আ’ত্নহ’ত্যা করলেন মৌসুমী..

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের ৬ তলা থেকে লাফিয়ে মৌসুমী আক্তার (২০) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।
    নিহত মৌসুমী আক্তার জেলার তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের ওয়াজেদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
    বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সকালে হাসপাতালে মায়ের সঙ্গে চিকিৎসা নিতে আসে মৌসুমী আক্তার। একপর্যায়ে নতুন ভবনের ৬ তলায় উঠে লাফ দেয় ওই তরুণী। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
    নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বলেন, মৌসুমী গত দেড় বছর যাবত মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় রয়েছে। তাকে নিয়মিত চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করা হয়। তবে গত পাঁচ দিন যাবত আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে সকালে মায়ের সঙ্গে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরইমধ্যে জানতে পারি মৌসুমী ৬ তলা থেকে লাফ দিয়ে মারা গেছেন।
    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, ওই তরুণী নিজে থেকেই পড়ে গিয়ে মারা গেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পুলিশকে বলা হয়েছে।

  • যদি প/র্ন ভিডিও দেখেন তাহলে লেখাটি পড়ুন কারণ জানলে আঁতকে উঠবেন

    যদি প/র্ন ভিডিও দেখেন তাহলে লেখাটি পড়ুন কারণ জানলে আঁতকে উঠবেন

    বর্তমান ডিজিটাল যুগে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে পর্ন ভিডিও দেখা অনেক মানুষের জন্য খুব সাধারণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা অন্য যেকোনো ডিভাইসের মাধ্যমে খুব সহজেই মানুষ এসব কনটেন্টে প্রবেশ করতে পারে। অনেকেই এটিকে শুধুমাত্র বিনোদন হিসেবে দেখেন, আবার কেউ কেউ এটিকে ব্যক্তিগত অভ্যাস হিসেবে গ্রহণ করেন। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত পর্ন ভিডিও দেখে থাকেন, তাহলে এই বিষয়টি নিয়ে একটু ভেবে দেখা এবং সচেতন হওয়া জরুরি।
    প্রথমত, আমাদের বুঝতে হবে যে মানুষের কৌতূহল বা যৌনতা সম্পর্কে জানার আগ্রহ স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিশেষ করে তরুণ বয়সে অনেকেই এসব বিষয় সম্পর্কে জানতে চায়। কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয়, যখন এটি ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত হয় এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে।
    অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত পর্ন ভিডিও দেখার ফলে মানুষের মানসিক অবস্থায় পরিবর্তন আসতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি নিয়মিত এসব ভিডিও দেখে, তাহলে বাস্তব সম্পর্ক বা বাস্তব জীবনের প্রতি তার প্রত্যাশা অবাস্তব হয়ে যেতে পারে। কারণ পর্ন ভিডিওতে যে ধরনের দৃশ্য বা পরিস্থিতি দেখানো হয়, তা সাধারণত বাস্তব জীবনের সঙ্গে মেলে না। ফলে বাস্তব সম্পর্কের ক্ষেত্রে হতাশা তৈরি হতে পারে।
    দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত পর্ন দেখার ফলে সময় নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। অনেকেই হয়তো প্রথমে কয়েক মিনিটের জন্য ভিডিও দেখতে শুরু করেন, কিন্তু ধীরে ধীরে সেটি দীর্ঘ সময়ের অভ্যাসে পরিণত হয়। এতে পড়াশোনা, কাজ বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলোতে মনোযোগ কমে যেতে পারে।
    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানসিক স্বাস্থ্য। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, কেউ যদি খুব বেশি পর্ন ভিডিও দেখে, তাহলে সে ধীরে ধীরে একা থাকতে বেশি পছন্দ করতে শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগ কমে যেতে পারে এবং মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলাও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। যদিও এটি সবার ক্ষেত্রে ঘটে না, তবুও এই ঝুঁকিটি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
    তবে এর মানে এই নয় যে যারা কখনও পর্ন ভিডিও দেখেছে তারা সবাই সমস্যায় পড়বে। মূল বিষয় হলো সংযম এবং সচেতনতা। যেকোনো কিছুই যদি সীমার মধ্যে থাকে, তাহলে তা সাধারণত সমস্যা তৈরি করে না। কিন্তু যখন কোনো বিষয় মানুষের জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে, তখন সেটি নিয়ে ভাবা জরুরি হয়ে যায় ।
    যদি আপনি মনে করেন যে পর্ন দেখা আপনার দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা বা সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তাহলে কিছু
    সহজ পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। যেমন—
    প্রথমত, নিজের সময়কে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখুন। খেলাধুলা, বই পড়া, নতুন কোনো দক্ষতা শেখা বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো এসব অভ্যাস আপনাকে ইতিবাচকভাবে ব্যস্ত রাখতে সাহায্য করবে।
    দ্বিতীয়ত, ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন। অনেক সময় অবসর সময়ে মোবাইল ব্যবহার করতে করতে মানুষ এসব কনটেন্টে চলে যায়। তাই নির্দিষ্ট সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা এবং প্রয়োজনে কিছু ওয়েবসাইট ব্লক করে রাখা উপকারী হতে পারে।
    তৃতীয়ত, নিজের মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। অনেক সময় একাকীত্ব, চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণে মানুষ এমন কনটেন্টের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। সেক্ষেত্রে পরিবার, বন্ধু বা বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে কথা বলা অনেক সাহায্য করতে পারে।
    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিক্ষা। যৌনতা সম্পর্কে সঠিক এবং স্বাস্থ্যকর জ্ঞান থাকা খুবই জরুরি। অনেক সময় মানুষ পর্ন ভিডিওকে বাস্তব তথ্যের উৎস মনে করে, যা ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে। তাই বিশ্বস্ত বই, শিক্ষামূলক উপকরণ বা সঠিক উৎস থেকে এসব বিষয় সম্পর্কে জানা ভালো।
    সবশেষে বলা যায়, ইন্টারনেট যুগে পর্ন ভিডিও সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা সবার জন্য সহজ নাও হতে পারে। কিন্তু নিজের জীবন, লক্ষ্য এবং সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি সচেতনভাবে নিজের সময় এবং অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তাহলে যেকোনো নেতিবাচক প্রভাব থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

    জীবনে সফলতা, সুখ এবং সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং সচেতনতা। তাই আপনি যদি পর্ন ভিডিও দেখে থাকেন, তাহলে এটিকে নিয়ে অপরাধবোধে ভোগার দরকার নেই; বরং নিজের অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং প্রয়োজনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
    আপনার জীবন, সময় এবং ভবিষ্যৎ খুব মূল্যবান। তাই এমন অভ্যাস গড়ে তুলুন, যা আপনাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করবে, আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়তে সাহায্য করবে।

  • স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যাবে : ইসলামের স্পষ্ট বিধান!

    স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যাবে : ইসলামের স্পষ্ট বিধান!

    স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে স’হবাস করা যাবে? ইসলামের স্পষ্ট বিধান
    ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিধান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ? এই প্রতিবেদনে কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিষয়টি তুলে ধরা হলো।
    ইসলামের মৌলিক বিধান
    ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ।
    কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা
    “আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংযত রাখে-
    শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে…”
    – সূরা আল-মুমিনূন (২৩:৫-৬)
    এই আয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবল স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
    কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম?
    বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি)
    মাহরাম নারী- মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদি, নানি
    পরকীয়া সম্পর্কের নারী
    বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ
    ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দাসী বিষয়টি বর্তমান যুগে প্রযোজ্য নয়। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একমাত্র বৈধ সম্পর্ক হলো আইনসম্মত ও শরিয়তসম্মত বিবাহ।
    সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত
    ইসলামে স্ত্রী ছাড়া কোনো নারীর সাথে সহবাস করা সম্পূর্ণ হারাম। পারিবারিক পবিত্রতা ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ইসলাম এই বিধান দিয়েছে।
    ইসলামি জীবনব্যবস্থা ও শরিয়ত বিষয়ক আরও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

  • হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মে’য়েদের যা হয়, সক’ল ছেলেদের জা’না উ’চি’ৎ স্বা’মী-বিয়োগ, বিবাহ-বি’চ্ছেদ, বা অন্য শহরে চাকরি, এধরনের নানাবিধ কারণে মি`লন’তা হা’রিয়ে যেতে পারে না’রীর থেকে।

    এতে অনেক স’ময় ক্ষ’তিগ্র’স্থ হয় না’রী শ’রীর। মা’নসিক দিক থেকে সুখ ও শান্তি চ’লে যায়। অনেক দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভা’লোও হয়। ভা’লো-ম’ন্দ মি’লিয়ে স’হবা’স বন্ধ হওয়ার কারণে কী কী আসে জেনে নিন

    আ’গের চেয়ে অনেক বেশি উ’তলা করে তোলে: আম’র’া স’বাই জানি, মি’লন হ’তাশা, হাঁ’হুতাশ মেটাতে সাহায্য করে। কিন্তু কোনও অ’জ্ঞাত কারণে যদি না’রীর জীবনে স’হবা’সের চ্যা’প্টার বন্ধ হয়ে যায়, তবে মা’নসিক তৈরি ‘হতে পারে। ক’থায় ক’থায় মন খারাপ, কিছু ভা’লো না লা’গা, কারণে অকারণে অ’তিরিক্ত রা’গ জ’ন্মাতে শুরু ‘হতে পারে।

    মা’নুষের স’ঙ্গে দু’র্ব্য’বহার করতেও শুরু করে দিতে পারেন সেই না’রী। স্ক’টিশ গবেষকদের প’রীক্ষায় জা’না যায়, স’হবাস বন্ধ হয়ে গেছে এমন ম’হিলাদের নাকি লো’কের স’ঙ্গে ক’থা বলতেও অ’সুবিধে হয়।

    এর কারণ, স’হবা’স করার স’ময় থেকে যে ফি’ল গু’’ড কে’মিক্যাল এ’ন্ডোর্ফিন ও অ’ক্সিটোসিন নিঃ’সরিত হয়, তা বন্ধ হয়ে যাওয়া। ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট ই’নফেকশন হওয়ার স’ম্ভাবনা কমে যায়: স’’ঙ্গ’মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূ’ত্র’নালীতে সং’ক্রমণ ‘হতে পারে।

    প্র’স্রাবের স’ময় জ্বা’’লায’ন্ত্রণা শুরু ‘হতে পারে তখন। কিন্তু স’হবাস করা বন্ধ হয়ে গেলে ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট স’ম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। স’র্দি কা’শি প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা কমে যায়: মি’লন- করলে শ’রীরে রো’গ-জী’বাণুর প্র’বেশ ক’ষ্টকর হয়ে ওঠে।

    অর্থাৎ, শ’রীরে রো’গপ্র’তিরো’ধ শ’ক্তি গড়ে ওঠে। পে’নসিলভেনিয়ার উ’ইলকিস’বারে বি’শ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মত, স’প্তাহে অ’ন্তত দু’বার স’হবা’স করলে ইমিউনোগ্লোবিন অ ছোটো করে বললে, ওমঅ।’ এই হর’মোনের নিঃ’সরণ শ’রীরে রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বা’ড়ায় হ’রমোনের প’রিমাণ ৩০% বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে স’র্দি, কা’শি, জ্ব’র হওয়ার প্র’বণতা কমে যায়। কিন্তু মি’লন করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে ক’মজো’রি হয়ে পড়ে না’রীশ’রীর। স’র্দি, কা’শির শুরু হয়।

    হৃ’দয় হা’র মা’নতে শুরু করে হ’রমোনের কাছে: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প’রীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, স’হবা’স করলে ভা’লো থাকে। হ’র’মোনের নিঃ’সরণ যথাযথ প’রিমাণে ‘হতে থাকে। কিন্তু অনেকদিন স’হবা’স বন্ধ থাক’লে হৃ’দযন্ত্রে নে’তিবাচক স’মস্যা তৈরি করতে পারে। শ’রীর ক’মজো’রি হয়ে পড়ে। নিয়’মিত এ’ক্সারসাইজ় করলে বা ট্রে’ডমি’লে দৌড়ালেও লাভ হয় না। স’হবাস করার ইচ্ছে চ’লে যেতে পারে: যাঁরা মনে করেন, নিয়’মিত স’হবাস করার অ’ভ্যাসে একবার দাঁ’ড়ি বসলে, কা’মনা-বা’স’নার লা’গাম ছাড়িয়ে যায়।

    তা হলে তাঁরা ভু’ল জানেন। স’হবা’স করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে, মি’লিত হওয়ার বাস’না কমে যায়। এটা ম’হিলাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। শ’রীরে উ’ত্তেজ’না লোপ পেতে শুরু করে। একটা স’ময় প’র আর কা’মেচ্ছা জাগে না। বু’দ্ধি কমে যায়: নিয়’মিত স’হবা’স করা শুরু করলে, সেটা যদি হঠাৎ ব’ন্ধ হয় যায়, তবে বু’’দ্ধি লো’প পেতে পারে। সারাক্ষণের ক্লা’ন্তি, হ’তা’শা ম’স্তিষ্কে নেতিবাচক প্র’ভাব ফে’লতে পারে।

    যার ফলে স’বচেয়ে বেশি প্র’ভাবি’ত হয় স্ম’রণশ’ক্তি। স’বকিছু ভু’লে যাওয়ার স’মস্যা তৈরি ‘হতে থাকে। আর এর জ’ন্য দায়ি একমাত্র স’হবা’স থেমে যাওয়া।

  • নীল ছবি ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলো জাপানিজ তারকা

    নীল ছবি ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলো জাপানিজ তারকা

    নীল ছবি ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলো জাপানিজ তারকা
    সাবেক প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র তারকা রে লিল ব্ল্যাক, যার আসল নাম কায়ে আসাকুরা, মালয়েশিয়া ভ্রমণের পর ইসলাম গ্রহণ করেছেন। বিনোদন জগতের ক্যারিয়ার ছেড়ে তিনি এখন ধর্ম ও আত্মিক প্রশান্তির পথে এগিয়ে গেছেন।

    সাফল্য ও আর্থিক স্থিতিশীলতা সত্ত্বেও, রে সবসময় এক ধরনের অভ্যন্তরীণ শূন্যতা অনুভব করতেন। জীবনের প্রকৃত অর্থ খোঁজার চেষ্টা করলেও কখনো ভাবেননি যে ধর্মই তার উত্তর হতে পারে।

    ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি মালয়েশিয়া ভ্রমণে যান, মূলত অবকাশ যাপনের উদ্দেশ্যে। তবে সেখানেই এক মুসলিম বন্ধুর সঙ্গে পুনরায় সাক্ষাৎ হলে তার জীবনে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হয়। পুত্রজায়ার একটি মসজিদে প্রবেশের মুহূর্তটি তার হৃদয়ে গভীরভাবে দাগ কাটে এবং ইসলাম সম্পর্কে জানার আগ্রহ জন্মায়।

    জাপানে ফিরে আসার পর তিনি ইসলাম নিয়ে গবেষণা শুরু করেন, কোরআনের অনুবাদ পড়েন এবং ইসলামিক স্কলারদের বক্তব্য শোনেন। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে, টোকিওর একটি ইসলামিক সেন্টারে যাওয়ার সময় হিজাব পরিহিত একটি ভিডিও শেয়ার করলে এটি দ্রুত ভাইরাল হয় এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

    তার ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্তকে অনেকে সমর্থন করলেও, অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেন, বিশেষ করে তার পূর্ববর্তী ক্যারিয়ারের কারণে। তবে সমালোচনার মুখেও তিনি অবিচল থাকেন এবং স্পষ্ট জানান যে তার বিশ্বাস সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়, অন্যদের এটি নিয়ে বিচার করার অধিকার নেই।

    ২০২৫ সালের শুরুর দিকে, তিনি তার পারিবারিক বাড়িতে নামাজের জন্য একটি বিশেষ স্থান গড়ে তোলার ছবি শেয়ার করেন, যা তার নতুন জীবনের প্রতি অঙ্গীকারের প্রমাণ বহন করে। বর্তমানে তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অন্যদের অনুপ্রাণিত করছেন, দেখাচ্ছেন যে প্রকৃত আত্মিক পরিবর্তন যে কারো জীবনেই আসতে পারে।

    তার এই যাত্রা বিশ্বাস ও আত্মার পরিবর্তনের শক্তির প্রতীক, যা প্রমাণ করে যে অতীত যেমনই হোক না কেন, শান্তি ও জীবনের সত্যিকারের উদ্দেশ্যের পথে ফিরে আসার দরজা সবসময় খোলা থাকে।

  • আসছে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা

    আসছে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল) বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে হতাশাজনক ফলাফলসহ বিভিন্ন কারণে সমালোচনার মুখে থাকা এ সংগঠনের নতুন কমিটি যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

    গত ১ মার্চ বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের একই দিনে গঠিত এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন নাসিরউদ্দিন।

    মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির পর নতুন নেতৃত্বে আসার লক্ষ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে দলীয় অন্দরমহল—সব জায়গায়ই সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চূড়ান্ত করতে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে কয়েকজন নেতার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় এসেছে। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এবং দীর্ঘদিন রাজপথে ভূমিকা রাখা নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব কারা পাবেন, তা নির্ভর করছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।

    নেতৃত্বের আলোচনায় যারা:

    সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বর্তমান কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৭–০৮ সেশন)।

    ্আলোচনার শীর্ষে সভাপতি পদে রয়েছেন তৌহিদুর রহমান আউয়াল। কেন্দ্রীয় সংসদের পদ: সহ সভাপতি (রাকিব-নাসির কমিটি), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (শ্রাবণ-জুয়েল কমিটি), ১ নং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (খোকন-শ্যামল কমিটি), সহ স্বাস্থ্য সম্পাদক (রাজীব-আকরাম কমিটি)।

    ২০০৮–০৯ সেশন থেকে আলোচনায় আছেন সহ-সভাপতি এইচ এম আবু জাফর, মঞ্জুরুল রিয়াদ, ইজাজুল কবির রুয়েল, খোরশেদ আলম সোহেল ও সাফি ইসলাম।

    ২০০৯–১০ সেশন থেকে সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, ফারুক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান রুবেল, হাসানুর রহমান, সালেহ মোহাম্মদ আদনান, আরিফুল ইসলাম আরিফ, মাসুদুর রহমান, বায়েজিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ ও প্রচার সম্পাদক শরীফ প্রধান শুভ।

    এছাড়া ২০১০–১১ সেশন থেকে আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস। তৌহিদুর রহমান আউয়াল

    দলীয় বিশেষ সূত্রের দাবি, আসন্ন কমিটিতে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হবে না। নেতৃত্ব নির্ধারণে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, কারা নির্যাতন, ত্যাগ-তিতিক্ষা ও ব্যক্তিগত ইমেজকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আদর্শনিষ্ঠ, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে সক্রিয় নেতাদেরই নতুন কমিটিতে প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে। এতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশাও পূরণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • বড় সুখবর গণপরিবহনে জ্বালানি তেল দেওয়া নিয়ে

    বড় সুখবর গণপরিবহনে জ্বালানি তেল দেওয়া নিয়ে

    জ্বালানি সংকটের মধ্যে গণপরিবহনের তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের সীমা আর থাকছে না।’

    শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তানে সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, ‘দূরপাল্লা ও গণপরিবহনে তেলের রেশনিং আজ (শনিবার) রাত থেকে থাকছে না। রাত থেকে পর্যাপ্ত তেল পাবে বাসগুলো।’ মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দেশেও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এর মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছে।

    ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল। এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে। গণপরিবহনের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা পরিবর্তন হলেও ব্যক্তিগত যানবাহনের ক্ষেত্রে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি।

  • রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির ৪ জ্যেষ্ঠ নেতা

    রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির ৪ জ্যেষ্ঠ নেতা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জোরেশোরে আলোচনায় রাষ্ট্রপতি পদ। রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে সরকারি দলের গণ্ডি পেরিয়ে বিরোধী দল- এমনকি জনমনেও নানা আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে- মো. সাহাবুদ্দিন আর কতদিন থাকছেন রাষ্ট্রপতি পদে। তিনি কি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন নাকি তাকে ইমপিচমেন্ট (অভিশংসন) করা হবে। এদিকে বর্তমান বিএনপি সরকারের একাধিক সিনিয়র নেতা এ পদে আলোচনায় রয়েছেন।

    আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ-সদস্যদের মতামত লাগবে। ২০০১ সাল পরবর্তী বিএনপি সরকারের সময়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে ইমপিচমেন্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হলে তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছিলেন। তবে ওই ঘটনা বিএনপি সরকারের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়েছিল বলে এখনো অনেকে মনে করেন। ফলে আপাতত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ইমপিচমেন্ট করতে রাজি নয় বিএনপি। তবে সরকারি দল চাইলে রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন এমন আলোচনা আছে সরকারি দলের মধ্যে।

    সূত্র জানায়, অনেক কারণে রাষ্ট্রপতি পদে নতুন সিদ্ধান্তের জন্য সময় নিচ্ছে বিএনপি। প্রথমত দলটি এখনই কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে রাজি নয়। দ্বিতীয়ত এ প্রশ্নে জাতীয় রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির হিসাব-নিকাশের বিষয় রয়েছে। তৃতীয়ত সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি রাষ্ট্রপতিকে তাদের দাবি ও চাপের মুখে সরাতে চায়। ফলে বিএনপি এখনই এ প্রশ্নে তাদের দাবি না মেনে কৌশলী অবস্থান গ্রহণের পক্ষে। সর্বশেষ হিসাব হলো- এখন একজন নতুন রাষ্ট্রপতিকে নিয়োগ করা হলে বর্তমান সরকারের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই রাষ্ট্রপতিরও ৫ বছর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। অথচ এরপর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। ফলে এসব বিষয় বিএনপিকে বিশেষ বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে।

    অন্তত ছয় মাস পর রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা হলে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে বিএনপির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিই বহাল থাকবেন এমন একটি আলোচনা আছে দেশের রাজনীতিতে। ফলে সবকিছুর হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে রাষ্ট্রপতি পদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি।

    তবে দলটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদে অভিজ্ঞ ও রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একজন নেতাকে বসানোর সম্ভাবনাই বেশি। ত্রয়োদশ সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখেন এবং তিনি নিজেই সভাপতি হিসাবে ড. মোশাররফের নাম প্রস্তাব করেছেন। তবে এই নেতা এখন কিছুটা অসুস্থ থাকায় তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কিছুটা দেরি হতে পারে। একটি সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভব না হলেও তাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে সম্মানিত করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    একটি সূত্রের দাবি, অন্তত সরকারি প্রটোকলের আওতায় আনার জন্য মন্ত্রী পদমর্যাদায় তাকে কোনো পদ দেওয়া হতে পারে। একইভাবে বিএনপির আরেক প্রবীণ নেতা স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানকেও মন্ত্রী সমমর্যাদার কোনো পদ দিয়ে সম্মানিত করা হতে পারে। সংসদের স্পিকার পদে ড. মঈন খানের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে স্পিকার হিসাবে বেছে নেন তারেক রহমান। একইভাবে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছে ড. মোশাররফের নাম। তবে ওই পদেও কোনো চমক আছে কিনা সেটি প্রধানমন্ত্রী ছাড়া অন্য কারও জানা নেই।

    কারণ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে আলোচনায় আছে। কেউ কেউ বলছেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কেও গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। দলটির স্থায়ী কমিটির এই নেতাকেও এখন পর্যন্ত কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তবে সবকিছু নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরে। অনেকের মতে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে প্রধানমন্ত্রী এক ধরনের চমক দেখিয়েছেন। কারণ যে দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা খুব বেশি আলোচনায় ছিলেন না।

    বিএনপির সিনিয়র অন্তত দুজন নেতা যুগান্তরকে বলেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে যে দুই নেতাকে নির্বাচন করা হয়েছে তারা কিন্তু আলোচনায় ছিলেন না। বরং ওই দুজনই মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছিলেন। অর্থাৎ এই দুই পদে অনেকটা চমক দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাই রাষ্ট্রপতি পদেও এমন চমক থাকতেই পারে।

    নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানাচ্ছে, মন্ত্রী হওয়ার আলোচনায় ছিলেন এমন অধিকাংশ বিএনপি ও শরিক দলের নেতা ১৭ ফেব্রুয়ারি গঠিত মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হন। এরপর আলোচনায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ নেতা স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ করা হয় উপদেষ্টা। এমন পরিস্থিতিতে দেখা যায়, বিএনপির প্রবীণ ও গুরুত্বপূর্ণ তিন নেতা ড. খন্দকার মোশররফ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. মঈন খান সরকারের বাইরে আছেন। ফলে তাদের কোথায় রাখা হবে, সে আলোচনা শুরু হয়েছে বিএনপির পাশাপাশি অন্য দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় এখন রয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী। আর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার পদে মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার পদে ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

    ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লা-১ ও ২ আসন থেকে মোট পাঁচবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দল তাকে রাষ্ট্রপতির সম্মানজনক পদ তারই প্রাপ্য বলে বলে ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে আলোচনা আছে। অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে মোট চারবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। আর ঢাকা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

  • অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, সিলিন্ডার গ্যাস মিলছে অর্ধেক দামে

    অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, সিলিন্ডার গ্যাস মিলছে অর্ধেক দামে

    বাজারে বেসরকারি কোম্পানির সাড়ে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার যখন ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, তখন রাষ্ট্রীয় কোম্পানির একই ওজনের গ্যাস সিলিন্ডারের সরকারি দাম মাত্র ৮২৫ টাকা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এত কম দামে সরকারি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়ার খবরটি অধিকাংশ সাধারণ ক্রেতা তো বটেই, অনেক খুচরা বিক্রেতাও জানেন না।Oil & Gas

    সরকারি এই গ্যাস সিলিন্ডারের সন্ধানে গাইবান্ধা শহরের শহরের থানাপাড়া, গোরস্থান মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কোথাও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সরকারি গ্যাস সিলিন্ডারের দেখা মেলেনি।

    বিক্রেতা ও ক্রেতাদের বিস্ময়

    খুচরা বিক্রেতারা জানান, তারা সরকারি সিলিন্ডার কোনোদিন চোখেই দেখেননি। রাসেল মিয়া নামের এক বিক্রেতা বলেন, ‘সরকারি সিলিন্ডার জীবনে চোখেও দেখি নাই। ডিলার কে বা কোথায় পাব, তাও জানি না। বেসরকারি গ্যাস সিলিন্ডারগুলো ১৫৫০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’

    মাত্র ৮২৫ টাকায় সরকারি গ্যাস পাওয়া যায় শুনে আকাশ থেকে পড়েছেন অনেক ক্রেতাও। বছরের পর বছর বেশি দামে গ্যাস কিনে আসা ভোক্তারা এখন চরম বিপাকে।

    মানিক বাহার নামে এক ভুক্তভোগী ক্রেতা বলেন, ‘গত মাসেও ১৫০০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনেছি। আমি জানতামই না যে ৮২৫ টাকায় গ্যাস পাওয়া যায়। সরকার যদি এই গ্যাসের সরবরাহ বাড়াত, তবে বেসরকারি কোম্পানিগুলো এমন একচেটিয়া ব্যবসা করতে পারত না।’

    কায়সার রহমান রোমেল ও শাহ আলম যাদু নামে দুই ক্রেতা জানান, বাসার রান্নার প্রয়োজনে তারা দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। কিন্তু কখনো কোনো দোকানে বা ডিপোতে সরকারি গ্যাস বিক্রি করতে দেখেননি। এমনকি এত কম টাকায় সরকার যে গ্যাস সরবরাহ করে, তা-ও তাদের জানা ছিল না।

    কুদ্দুস আলম নামে আরেক ভোক্তা বলেন, ‘সরকারের এত ভালো উদ্যোগ কেন গোপন রাখা হয়! জনগণের টাকায় সরকার যে গ্যাস উৎপাদন করে, সেই গ্যাস অবশ্যই জনগণের ঘরে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা দরকার। বর্তমান সরকার যদি সরকারি এই গ্যাস ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে, তবে তা হবে প্রশংসনীয় উদ্যোগ।’

    ডিলারদের অনীহা ও সরবরাহ সংকট

    গাইবান্ধা শহরের উত্তরা অয়েল এজেন্সির পরিচালক রফিক নওশাদ রাজু বলেন, ‘সরকারি সিলিন্ডারের সরবরাহ অত্যন্ত সীমিত। আগে সপ্তাহে মাত্র ১০ থেকে ২০টি সিলিন্ডার দেয়া হতো, যা চাহিদার তুলনায় নগণ্য। এছাড়া সরকারি স্লিপ বা চিরকুটের চাপে সাধারণ ক্রেতাদের গ্যাস দেয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত।’

    তিনি আরও জানান, সিলিন্ডারগুলোর নাজুক অবস্থা এবং ওজনে কম থাকার অভিযোগ তুলে অনেক ডিলার ২০১২ সালের পর থেকে সরকারি গ্যাস উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছেন।

    সার্বিক বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পরিচালক নাজনীন পারভীন বলেন, ‘ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটায় এই স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে।’

    তবে ভবিষ্যতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মতো সুলভ মূল্যে গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও জানান বিপিসির এই পরিচালক।