Author: News Editor

  • নির্বাচন কি স্থগিত হচ্ছে, যা জানাল কমিশন

    নির্বাচন কি স্থগিত হচ্ছে, যা জানাল কমিশন

    নির্বাচন কি স্থগিত হচ্ছে, যা জানাল কমিশন

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে বা আইনি জটিলতায় প্রার্থিতা বাতিল হলে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত করার বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর সংশোধিত বিধি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন (ইসি) এমন পরিস্থিতিতে নতুন তফশিল ঘোষণা করবে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    নির্বাচনি কার্যক্রম বাতিলের আইনি বিধান

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭(১) অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর যদি কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন কিংবা অনুচ্ছেদ ৯১ক ও ৯১ঙ অনুযায়ী কারও প্রার্থিতা বাতিল হয়, তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচন কার্যক্রম বাতিল করবেন। আইন অনুযায়ী, নির্বাচন বাতিল হলে কমিশনকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে এবং কমিশন নতুন নির্বাচনি তফশিল ঘোষণা করবে।

    এছাড়া যারা আগের তফশিলে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন, তাদের নতুন করে মনোনয়নপত্র বা জামানতের টাকা জমা দিতে হবে না বলেও জানিয়েছে ইসি।

    নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, আইনে যেহেতু বলা আছে বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে তফশিল বাতিল হবে। সেক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এই তফশিলে কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ, উনি এখনো বৈধ প্রার্থী হননি। এছাড়া খালেদা জিয়ার অবস্থা বিবেচনায় বিএনপি উনার আসনগুলোতে বিকল্প প্রার্থী রেখেছে। কাজেই এটা নিয়ে সমস্যা হবে না বলে আমার মত।

    নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এ বিষয়টা নিয়ে আমাকে আরপিও দেখে বলতে হবে।

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) শেষ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে বগুড়া, দিনাজপুর ও ফেনীর তিনটি আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়। আসনগুলোতে বিএনপির পক্ষ থেকে বিকল্প প্রার্থীও মনোনয়ন জমা দিয়েছে।

  • ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনায় জামানত ছাড়াই ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ঋণ দেবে ব্যাংক। এই ঋণের সুদহার পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা সার্কুলারে পরিবেশবান্ধব খাতে বিদ্যমান ৪০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ফ্ল্যাট কেনায় ঋণের বিষয়টি নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনার ঋণে ১৮ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পাবেন। অর্থাৎ কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে দেড় বছর পর থেকে। ব্যক্তির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ইউনিট সমন্বিত বহুতল বিশিষ্ট পরিবেশবান্ধব আবাসন নির্মাণেও ঋণ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আবাসন কোম্পানি ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। কোম্পানির জন্যও সুদহার, ঋণের মেয়াদ ও গ্রেসপিরিয়ড হবে অভিন্ন।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়, পরিবেশবান্ধব খাতে চুক্তিবদ্ধ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এতদিন চার শতাংশ সুদে তহবিল পেত। এখন পাবে তিন শতাংশ সুদে। ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ সুদে ঋণ দেবে।

    এক্ষেত্রে পাঁচ বছরের কম মেয়াদি ঋণে সর্বোচ্চ সুদ হার হবে পাঁচ শতাংশ, পাঁচ থেকে আট বছরের কম মেয়াদে সাড়ে পাঁচ শতাংশ এবং আট বছরের বেশি মেয়াদে ছয় শতাংশ।

    এছাড়া পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় বনায়ন (সামাজিক, সমন্বিত বা কৃষি), ছাদের কৃষি বা উল্লম্ব চাষ বা বাগান, বায়োফ্লক মাছ চাষ, জৈব চাষ, খাঁচায় মাছ চাষ, কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদনেও ঋণ দেবে ব্যাংকগুলো।

  • বিএনপিতে রদবদল: তারেক রহমানের একান্ত সচিব ও প্রেস সচিব হলেন যারা

    বিএনপিতে রদবদল: তারেক রহমানের একান্ত সচিব ও প্রেস সচিব হলেন যারা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংগঠনিক কার্যক্রম ও শীর্ষ নেতৃত্বের দাপ্তরিক যোগাযোগে নতুন গতি আনতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সচিবালয়ে নতুন একান্ত সচিব এবং প্রেস সচিব নিযুক্ত করা হয়েছে।

    শনিবার (বা আজকের তারিখ) দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তার মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম জানানো হয়েছে।

    কারা পেলেন নতুন দায়িত্ব?

    দলীয় সূত্র জানায়, তারেক রহমানের ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক কাজের সমন্বয়ের জন্য একান্ত সচিব হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি ও প্রচারণার দায়িত্ব সামলাবেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী)। তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মুখ।

    সচিবালয় পুনর্গঠনের গুরুত্ব

    রাজনীতি পর্যবেক্ষকরা এই নিয়োগকে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক সংস্কারের একটি বড় ধাপ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলের প্রধান নেতৃত্বের দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও পেশাদার ও নির্ভুল করা প্রয়োজন। নতুন প্রেস সচিব হিসেবে একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিককে যুক্ত করায় গণমাধ্যমের সাথে দলের তথ্যের আদান-প্রদান আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    একই সঙ্গে, একান্ত সচিবের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক সমন্বয় ও দাপ্তরিক কাজগুলো আরও সুশৃঙ্খল হবে। মূলত দলের আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারেক রহমানের এই সচিবালয় পুনর্গঠন অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

  • মি’লনের কতদিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করলে সঠিক ফল জানা যাবে

    মি’লনের কতদিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করলে সঠিক ফল জানা যাবে

    গর্ভধারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকে আমাদের। বিশেষ করে যারা মা হতে চাইছেন, তাদের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত হয় অপেক্ষার। মিলনের ঠিক কতদিন পর একজন নারী গর্ভবতী হতে পারেন বা কতদিন পর পরীক্ষা করালে সঠিক ফল পাওয়া যাবে, তা জানার আগ্রহ থাকে প্রায় সব নারীরই। গর্ভাবস্থার সুখবর পাওয়া সব নারীর জন্যই আনন্দের খবর। এরপর আসে শারীরিক ও মানসিক নানা পরিবর্তনও। সেই খবর কখন সঠিকভাবে জানা যাবে, চলুন জেনে নেওয়া যাক-

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, মিলনের সঙ্গে সঙ্গেই কিন্তু গর্ভধারণ হয়ে যায় না। বরং পুরো প্রক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় লাগে। সাধারণত, একটি শুক্রাণুর জরায়ুতে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় দুই থেকে তিন দিন। এরপর সেই শুক্রাণু যদি ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়, তবেই তৈরি হয় ভ্রুণ। চিকিৎসকরা বলেন, গর্ভধারণের জন্য সময় লাগে তিন থেকে চারদিনের মতো।

    একটি শুক্রাণু গর্ভে বেঁচে থাকতে পারে পাঁচদিন পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে শুক্রাণু যদি ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে তবেই একজন নারী গর্ভবতী হন। অপরদিকে সময় পেরিয়ে গেলে আর গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে না।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন নারী যখন গর্ভবতী হন, তার কিছুদিনের মধ্যেই সেই নারীর শরীরে নানা লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে। তবে
    গর্ভবতী কি না সেই পরীক্ষার করানোর আগে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত। পিরিয়ডের প্রথম তারিখ পার হয়ে গেলে তবেই পরীক্ষা করান।

    সবচেয়ে ভালো হয় পিরিয়ডের তারিখ পার হয়ে যাওয়ার ১০ থেকে ১৪ দিন পর পরীক্ষা করলে বেশি ভালো ফল পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ঘরোয়া পরীক্ষা করে নেওয়াই ভালো। এই পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে এরপর হাসপাতালে গিয়ে রক্তের পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এরপর একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে সে অনুযায়ী চলতে হবে।

  • পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    নবম জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়নকে কেন্দ্র করে পূর্ণ কমিশনের সভা শেষ হয়েছে। সভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবরের কথা জানিয়েছেন কমিশনের কর্মকর্তারা। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ সভা শেষ হয়।

    সভা সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলে পেনশনভোগীদের পেনশনের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্তরের পেনশনভোগীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হারে পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    সূত্র অনুযায়ী, যারা বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের পেনশন শতভাগ বা দ্বিগুণ বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। মাসিক ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির হার ৭৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। আর যারা মাসে ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান, তাদের পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে।

    এছাড়া প্রবীণ পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতা ১০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ৫৫ বছরের কম বয়সী পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা ৫ হাজার টাকা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। পে-কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষে পেনশন ও বেতন কাঠামোর নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, এ সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি পেনশনভোগীদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ অনেকটাই লাঘব হবে।

  • নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির ৪ নেতা

    নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির ৪ নেতা

    রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪ নেতা।

    বিএনপির এই নেতারা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিল করার শেষ দিনে তারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি।

    তারা হলেন- জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন উজ্জল, জেলা যুবদল আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান স্বজন, কুয়ালালামপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মালয়েশিয়ার মালাক্কা শাখা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বিলাত, আমেরিকা প্রবাসী আমিরুল ইসলাম মিঠু।

    তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরাসরি লাইভে এসে ভোটারদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

    এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন উজ্জল বলেন, মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছিলাম। শেষপর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা না দিয়ে নিজ দায়িত্বে রাজনৈতিক ঐক্য ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার লক্ষ্যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম। কেউ মূল্যায়ন না করলেও নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে ব্যক্তিকে না, ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

    জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান স্বজন বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তে মনোনয়নপত্র জমা দিইনি।

    এ আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী জেলা কমিটির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি আবদুস সালাম সুরুজ নিজ নিজ দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

    বাঘা ও চারঘাট উপজেলা নিয়ে রাজশাহী-৬ আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৫ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৮৭ জন ও পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৫৮৮ জন।

  • এইমাত্র পাওয়াঃ ৩০ আসনে বিতর্কিত প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বিএনপির, লিস্টসহ দেখুন

    এইমাত্র পাওয়াঃ ৩০ আসনে বিতর্কিত প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বিএনপির, লিস্টসহ দেখুন

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিতর্কিত ও সমালোচিত প্রার্থীদের বদল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। সোমবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    সভায় সিলেট-৬, নেত্রকোনা-৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪, জামালপুর-২, কুষ্টিয়া-৪, সিরাজগঞ্জ-৩ এবং চট্টগ্রাম-১২ ও ১৩সহ অন্তত ৩০টি আসনে মনোনয়ন পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা হয়। এসব আসনের কিছু প্রার্থীর বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, বয়সজনিত সীমাবদ্ধতা, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও সমালোচিত হওয়ার অভিযোগ তুলে নেতারা মত দেন।

    গত ৩ নভেম্বর বিএনপি ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই অর্ধশতাধিক আসনে ‘মনোনয়ন বিদ্রোহ’ দেখা দেয়। বাকি ৬৩টি আসনেও মনোনয়ন নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।

    অন্যদিকে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে বড় পরিকল্পনা করছে বিএনপি। ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ নামে একটি বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, যেখানে জেন-জি প্রজন্মসহ সমাজের সব শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচি ৭ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় দিনব্যাপী চলবে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রসঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসযোগ্য, আধুনিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সাতটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি—জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষা, শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তি, স্বাস্থ্য, কৃষি, নারী, ক্রীড়া ও ধর্ম। ক্ষমতায় গেলে এসব ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা লিফলেটের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সমন্বয়ে একাধিক টিম মাঠে নামতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, ঘোষিত কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং বৈঠকে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

  • কোলন ক্যান্সারের ৫টি গোপন লক্ষণ, জানলেই বাঁচতে পারেন বিপদ থেকে

    কোলন ক্যান্সারের ৫টি গোপন লক্ষণ, জানলেই বাঁচতে পারেন বিপদ থেকে

    বিশ্বজুড়ে ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত কোলন ক্যান্সার শুরুতে নিরবেই শরীরে বিস্তার লাভ করে। অনেক সময় কোনো লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়ায় রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ সময়মতো সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে কোলন ক্যান্সার পুরোপুরি নিরাময়যোগ্যও হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু উপেক্ষিত লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো শরীরে দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    কোলন ক্যান্সারের ৫টি গোপন লক্ষণ

    ১. মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন

    দীর্ঘসময় ধরে ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা মলের আকৃতি সরু হয়ে যাওয়ার মতো পরিবর্তন কোলন ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে। এই ধরনের সমস্যা কয়েক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা জরুরি।

    ২. মলে রক্ত দেখা দেওয়া

    মলের সঙ্গে উজ্জ্বল লাল রক্ত দেখা দিলে তা কোলনে অভ্যন্তরীণ রক্তপাতের ইঙ্গিত দিতে পারে। এটি কোলন ক্যান্সারের অন্যতম লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।

    ৩. পেটব্যথা বা পেটের অস্বস্তি

    ঘন ঘন পেট ব্যথা, গ্যাস, ফোলাভাব বা ক্র্যাম্প অনুভব করলে সতর্ক হওয়া দরকার। এগুলো কোলনে টিউমার বা বাধার সম্ভাব্য লক্ষণ।

    ৪. অকারণে ওজন কমে যাওয়া

    ডায়েট বা ব্যায়ামে কোনো পরিবর্তন না এনে যদি হঠাৎ ওজন কমে যায়, তাহলে তা কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।

    ৫. অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা

    শরীরে লুকানো ক্যান্সার কোষের কারণে ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। কোলন ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও এটি একটি সম্ভাব্য লক্ষণ।

    কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে যা করবেন

    সুষম খাদ্যাভ্যাস: খাদ্য তালিকায় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন সবজি, ফলমূল ও শস্য রাখুন। প্রক্রিয়াজাত ও লাল মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমান।

    নিয়মিত ব্যায়াম: সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর।

    ধূমপান ও অ্যালকোহল ত্যাগ: এই দুই অভ্যাস কোলন ক্যান্সারসহ নানা প্রাণঘাতী রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ায়।

    নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: বিশেষ করে ৪৫ বছর বয়স পার হলে নিয়মিত কোলন ক্যান্সার স্ক্রিনিং করানো উচিত।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে কোলন ক্যান্সার শনাক্ত হলে এর চিকিৎসা অত্যন্ত সফলভাবে করা সম্ভব। তাই শরীরে উপরের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

  • বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ

    বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একইদিন আবার জুলাই সনদের ওপর অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এরই মধ্যে দেশজুড়ে বিরাজ করছে নির্বাচনি আমেজ; আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেছে প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচারণা। বাংলাদেশের এই সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতিকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ।

    তবে, সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, নির্বাচনের জন্য এমন একটি অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যেখানে দেশের সব নাগরিক নির্ভয়ে ও শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন এবং কোনো বাধা ছাড়াই নিজের মত প্রকাশ করতে পারেন।

    গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উপমুখপাত্র ফারহান হক এ কথা বলেন।

    ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তাকে প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশ এখন নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। আপনি জানেন, অন্তর্বর্তী সরকার ১২ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে। জাতিসংঘ মহাসচিব এই নির্বাচনে এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখার বিষয়ে কোনো পরামর্শ দেবেন কি না?

    জবাবে ফারহান হক বলেন, অবশ্যই, আমরা নির্বাচন আয়োজনকে উৎসাহিত করি। জাতিসংঘের পুরো ব্যবস্থায় আমরা এটি স্পষ্ট করে দিয়েছি যে নির্বাচনে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সব ব্যক্তি নির্ভয়ে ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং স্বাধীনভাবে ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারেন।

    এদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে যাচ্ছে কমনওয়েলথ। এই পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দেবেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট এইচ ই নানা আকুফো-আদো। তার সঙ্গে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, আইন, গণমাধ্যম, জেন্ডার ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা যোগ দেবেন। পর্যবেক্ষক দলকে সহায়তা করবে কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট -এর একটি দল, যার নেতৃত্বে থাকবেন ইলেক্টোরাল সাপোর্ট সেকশনের প্রধান ও উপদেষ্টা লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ।

    কমনওয়েলথের এই পর্যবেক্ষক দলের ম্যান্ডেট হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা এবং নির্বাচন ও গণভোট বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না—সে বিষয়ে একটি স্বাধীন মূল্যায়ন প্রদান করা। দলটি বাংলাদেশের জাতীয় আইনসহ যেসব মানদণ্ডে বাংলাদেশ নিজেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করেছে, তার আলোকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিচালনা সম্পর্কে প্রতিবেদন দেবে।

    মিশন সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যবেক্ষক দল তাদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশসম্বলিত একটি প্রতিবেদন কমনওয়েলথ মহাসচিবের কাছে জমা দেবে। পরবর্তীতে এই প্রতিবেদন বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলসমূহ, সকল কমনওয়েলথ সরকার এবং সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে।

  • নির্বাচনের আগে ৩ জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

    নির্বাচনের আগে ৩ জেলায় না যাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের

    বাংলাদেশের তিন জেলা ভ্রমণ না করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল ২২ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এবং তার আগে ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

    যুক্তরাজ্যের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। এ সময়ে বেশকিছু এলাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছে এফসিডিও।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, এ সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করতে বলা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহিংসতা এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যকলাপের নিয়মিত খবর পাওয়া যায়। এই এলাকাটি নিম্নলিখিত জেলাগুলো নিয়ে গঠিত। এগুলো হলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান।

    সন্ত্রাসবাদ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) বাংলাদেশে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই সময়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে। এসব হামলা নির্বিচারে ঘটতে পারে এবং বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াতের স্থানও এর লক্ষ্য হতে পারে।

    এফসিডিওর মতে, সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি ভবন, রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে, গণপরিবহন ব্যবস্থা, জনাকীর্ণ এলাকা, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশস্থল।

    সংস্থাটি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, যাতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। এফসিডিও জানায়, আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিয়মিত সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে, যা দ্রুত সহিংস রূপ নিতে পারে এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি করছে।

    সংস্থাটি দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাজনৈতিক সমাবেশ, বিক্ষোভ ও বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। কোথাও বিক্ষোভ শুরু হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা, স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর নিয়মিত অনুসরণ করা এবং ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ হলে ই-মেইল নোটিফিকেশন গ্রহণের পরামর্শও দিয়েছে এফসিডিও।

    এদিকে বাংলাদেশ ভ্রমণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে কোনো স্তর পরিবর্তন না এনে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে অপহরণ, অস্থিরতা, অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ভ্রমণে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিরতা কিছুটা কমলেও মাঝে মাঝে বিক্ষোভ হচ্ছে, যা হঠাৎ সহিংস রূপ নিতে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সব ধরনের সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    বড় শহরগুলোতে ছিনতাই, চুরি, হামলা ও অবৈধ মাদক ব্যবসা সাধারণ অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভিড়পূর্ণ এলাকায় পকেটমারের মতো ছোটখাটো অপরাধের ঝুঁকি রয়েছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে, যদিও বিদেশিদের বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে—এমন প্রমাণ নেই।

    সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়, বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অপহরণসহ গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলায় ভ্রমণে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি রাখা হয়েছে।

    এ ছাড়া নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশে কর্মরত যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মীরা কূটনৈতিক এলাকা ছাড়া অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ করতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে। ঢাকার বাইরে জরুরি সেবা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সক্ষমতা সীমিত বলেও উল্লেখ করা হয়।

    ভ্রমণকারীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে—বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক সমাবেশ এড়িয়ে চলা, স্থানীয় গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা, জরুরি অবস্থায় নিজস্ব প্রস্থান পরিকল্পনা রাখা এবং অপরাধের শিকার হলে নিরাপদ স্থানে গিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত। পাশাপাশি ভ্রমণের আগে বিমা গ্রহণ ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের স্মার্ট ট্রাভেলার এনরোলমেন্ট প্রোগ্রামে (STEP) নিবন্ধনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।