Author: News Editor

  • শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ!

    শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ!

    শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ!

    ভালোবাসেন। এক কথায়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই মধুর। যদিও সেখানে ঝগড়া, মান-অভিমান, খুনসুটি থাকে। তবে এই সবকিছুই তাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করে তোলে। আর নারী-পুরুষের এই মধুর সম্পর্ক আরো বাড়িয়ে তোলে যৌনমিলন।

    নারী-পুরুষের এই জৈবিক চাহিদা চিরন্তন। এ নিয়ে নানা গবেষণা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। নারী-পুরুষের এই যৌন মিলন নিয়ে নানা বাগাড়ম্বরও রয়েছে সমাজে, রয়েছে নানা কুসংস্কারও। মিলনে পারদর্শীতা নিয়ে অনেক পুরুষের মধ্যে একটা দাম্ভিকতা কাজ করলেও অনেকের মধ্যে এ নিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্ধও কাজ করে।

    তবে নারী-পুরুষের যৌনমিলনের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, মিলনের স্থায়িত্বটা নিজের(পুরুষের) ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত নির্ভর করে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতার উপর।

    গবেষণায় দেখা গেছে যে, যৌনমিলনের সময় ৪৫ শতাংশ পুরুষই স্ত্রীকে পুরোপুরি যৌনসুখ দিতে পারছে না। এই শ্রেণির পুরুষরা যৌন মিলনে ১০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে না। এর ফলে অনেক দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। সুখের সন্ধানে নারীরা অনেক সময় পরপুরুষের দিকে আসক্ত হয়ে পড়ে। খবরটি বিস্ময়কর হলেও সত্য।

    সম্প্রতি বিখ্যাত লেখক হ্যারি রিস্ক “দ্য নিউ ন্যাকেড; দ্য আল্টিমেট সেক্স এডুকেশন ফর গ্রোন-আপস” শিরোনামে একটি বই বের করেছেন। তিনি তার বইয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন।

    তিনি বলেছেন, নারী-পুরুষ গড়ে ১৫.৩ মিনিট সময় ধরে যৌনমিলন করেন এবং এটাই স্বাভাবিক। তবে এর সময়সীমা ১০ মিনিটের কম হলে সেটি কোনোভাবেই আদর্শিক সময় বলা চলে না।

  • মেলা-মেশা করার খুব ইচ্ছা হলে মেয়েরা এসব অ..ঙ্গ.ভ.ঙ্গি করে কাছে ডাকে

    মেলা-মেশা করার খুব ইচ্ছা হলে মেয়েরা এসব অ..ঙ্গ.ভ.ঙ্গি করে কাছে ডাকে

    সাধারণত এমনটা মনে করা হয়, ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে নারীদের যৌন চাহিদা বোধহয় সবচেয়ে বেশি থাকে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? উত্তর খুঁজতে গিয়ে কিন্তু বেরিয়ে এসেছে অন্য তথ্য যা শুনলে চমকে যাবেন আপনিও।
    সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা। নারীদের শারীরিক চাহিদা সম্পর্কে নতুন এই গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য বলছে, ৩৬ বছর বয়সে নারীদের যৌন চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

    অনেকেই হয়তো বলবেন, যৌবনের গোড়ায়। ২০-২২ বছর নাগাদ সবচেয়ে বেশি হয়তো। কিন্তু বিষয়টা আদপেও তেমন নয়। অন্তত মহিলাদের ক্ষেত্রে তো নয়ই। এমনটাই বলছে নতুন এই সমীক্ষা।

    ২০১৭ সাল থেকে এই বিষয় নিয়ে ‘ন্যাচারাল সাইকেল’ নামে ইংল্যান্ডের এক গর্ভনিরোধক ওষুধ কোম্পানি সমীক্ষা চালিয়ে আসছে। পৃথিবী জুড়ে নানা বয়সের ২৬০০ মহিলাদের নিয়ে এক সমীক্ষা চালিয়েছে তারা। সেখানে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, শারীরিক সম্পর্ক কতটা উপভোগ করছেন তাঁরা? সেই সমীক্ষার রিপোর্টে হালে দেখা গিয়েছে, ৩৬ বছর বা তার অধিক বয়সের মহিলারা নিজেদের শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে খুশি সব চেয়ে বেশি।

    কীভাবে, কখন ও কতক্ষণ মহিলারা যৌন সুখ উপভোগ করেন, সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় এই সমীক্ষায়। নারীদের তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। ২৩ বছরের নিচে, ২৩-৩৫ বছরের মধ্যে ও ৩৬ বছরের উপরে।

    চাঞ্চল্যকর এই সমীক্ষায় ৩৬ বছরের উপরের নারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা দিনের বেশিরভাগ সময়ই সেক্স সংক্রান্ত কথা ভাবেন। দশজনের মধ্যে আটজন নারীই জানিয়েছেন, স্বল্প পোশাকে রাস্তায় বেরোতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। বরং, বিকিনি পরা অবস্থায় অন্য পুরুষদের নজর তাঁরা উপভোগ করেন।

    ২৩ বছরের কম ও ২৩-৩৫ বছরের নারীদের গ্রুপটির ১০ জনের মধ্যে মাত্র চারজন জানিয়েছেন, তাঁরা পার্টনারের সঙ্গে সেক্স নিয়ে সুখী। অন্যদিকে, ৩৬ বছর ও তার বেশি বয়সি নারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের ঘনঘন অর্গ্যাজম হয়।

    বাকি দুটি গ্রুপের নারীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে মাত্র ৫ জন জানিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গীর সঙ্গে মিলনের সময় চরম অর্গ্যাজম অনুভব করেন। বয়স্ক নারীদের গ্রুপটির সদস্যরা জানিয়েছেন, গত চার সপ্তাহ তাঁরা দুর্দান্ত সেক্স করে কাটিয়েছেন।

    অথচ দেখা যাচ্ছে, তুলনামূলক অল্পবয়স্ক নারীদের গ্রুপের মাত্র অর্ধেক নারী মনে করেন, তাঁরা গত চার সপ্তাহে মোটামুটি ভাল সেক্স লাইফ উপভোগ করেছেন।

    বয়সের ভিত্তিতে মূলত ৩টি দলে মহিলাদের ভাগ করা হয়েছিল এই সমীক্ষাটি চালানোর সময়। প্রথমটি ২৩-এর নীচে। দ্বিতীয়টি ২৩ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। আর তৃতীয়টি ৩৬ এবং তার উপরে। দেখা গিয়েছে, ৩ নম্বর দলে থাকা মহিলাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনেরই দাবি, তাঁরা শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রচণ্ড পরিমাণে উপভোগ করেন।

    সেখানে প্রথম দলের অর্থাৎ ২৩ বছরের নীচে যাঁদের বয়স, সেই মহিলাদের মধ্যে ১০ জনের প্রতি ৭ জন চূড়ান্ত উপভোগ করতে পারেন যৌনসুখ। আর দ্বিতীয় দলের মহিলাদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে মাত্র ৪ জন উপভোগ করেন শারীরিক সম্পর্ক।

    Disclaimer: তবে এই সমীক্ষার তথ্যকে চূড়ান্ত ধরে কোনও বড় সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া কখনওই কাম্য নয়। আমরা এই ধরণের সমীক্ষা ও তার ফলাফলের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নয়।

  • এবার হঠাৎ সয়াবিন তেলের লিটার যত হলো

    এবার হঠাৎ সয়াবিন তেলের লিটার যত হলো

    বাজারে সয়াবিন তেল নিয়ে নানামুখী কারসাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, পরিশোধনকারী মিলমালিকদের প্রস্তাব অনুযায়ী আরেক দফা দাম বাড়াতে না পেরে তারা এই কারসাজি করছেন। তারা বাজারে ভোজ্যতেলের বিশেষ করে সয়াবিনের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন।

    রমজানের আগে বেশি মুনাফার আশায় বাজারে এক ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ভোজ্যতেলের দাম সহনীয় রাখতে গত ১৬ ডিসেম্বর সয়াবিন, পামঅয়েল আমদানিতে শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি ও অগ্রিম আয়কর শতভাগ অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ভ্যাট ১৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়।

    অপরদিকে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মিলমালিক কর্তৃপক্ষ বলছেন, কারসাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন। বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ ব্যাপক। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

    জানা গেছে, রমজানকে কেন্দ্র করে আরেক দফা সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চায় দেশীয় ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা। পরিশোধনকারী মিলমালিকদের পক্ষ থেকে দাম আরও এক দফা বাড়ানোর প্রস্তাব দাখিল করা হয়েছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনে। প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মালিকপক্ষ গিয়েছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা তাদেরকে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ করলে তারা তা প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর থেকেই মিলমালিকরা নানা কৌশলে সয়াবিন তেল বিশেষ করে ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ে নানামুখী কারসাজি করছেন।

    ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের টালমাটাল পরিস্থিতি, অপরদিকে দেশীয় কোম্পানিগুলোর কারসাজি- দুটো মিলে দেশের ভোজ্যতেলের বাজার ক্রমশ অস্থির হয়ে উঠছে। প্রতিলিটার সয়াবিন তেল ১৬৫ থেকে ১৭৩ টাকায় কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষ এখন অনেকটাই দিশেহারা। সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশনের (টিসিবি) পণ্য বিক্রির ট্রাকের সামনের লাইনও বড় হচ্ছে প্রতিদিন। রমজানকে কেন্দ্র করে গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০০ টাকা লিটার দরে সয়াবিন তেলসহ ছোলা, খেজুর, চিনি ও মসুর ডাল এই পাঁচ পণ্য বিক্রি শুরু করেছে টিসিবি।

    সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নানামুখী কারসাজির মাধ্যমে ভোজ্যতেলের বাজার অস্থিতিশীল করার অপতৎপরতা নতুন কিছু নয়। দাম বাড়ানো এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগেরও অন্ত নেই। ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে সয়াবিনসহ ভোজ্যতেলের দাম। করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দোহাই দিয়ে নিত্যপণ্যের সঙ্গে ভোজ্যতেলের দাম ব্যাপকহারে বাড়ানো হয়েছে। সব শেষ গত বছর যেভাবে বাজার থেকে ভোজ্যতেল উধাও করে দাম বাড়ানো হলো, তা এককথায় নজিরবিহীন। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে আবার ভোজ্যতেলের বাজারে দেখা দিয়েছে সেই দুর্বৃত্তপনার ছায়া।

    জানা গেছে, করোনার মধ্যেও বিশ্বে সয়াবিনের উৎপাদন বেড়েছে। তবু বেড়েছে সয়াবিনের দাম। বিশ্লেষকেরা বলছেন, উৎপাদক দেশগুলো রফতানি বাড়ালেও ডলারের বিপরীতে ওই দেশগুলোর মুদ্রা শক্তিশালী হওয়ায় সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে।

    মার্কিন বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনডেক্সবক্স-এর তথ্যানুযায়ী, গতবছর থেকেই সয়াবিন থেকে তৈরি প্রাকৃতিক জ্বালানি বায়োডিজেলের উৎপাদন কমেছে। এতে বেড়েছে সয়াবিন তেলের উৎপাদন। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে যেখানে বিশ্বব্যাপী ৫ কোটি ৮০ লাখ টন সয়াবিন তেল উৎপাদিত হয়, সেখানে ২০২০ সালে হয়েছিল ৬ কোটি ১০ লাখ টন। তারপরও কেন দাম বাড়লো? কারণ হিসেবে ইনডেক্সবক্স বলছে, উৎপাদক দেশগুলো রফতানি শুল্ক বাড়িয়েছে বলেই দাম বেড়েছে।

    সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সয়াবিন তেল উৎপাদিত হয় চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে। এর মধ্যে ২০১৯ সালে চীন ১ কোটি ৮০ লাখ টন ও যুক্তরাষ্ট্র ৮০ লাখ টন সয়াবিন তেল উৎপাদন করে। যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৪৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সালে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ৮০ লাখ টন। ২০২০ সালে বিভিন্ন দেশে উৎপাদিত হয়েছে ৬ কোটি ১০ লাখ টন। করোনার কারণে সয়াবিন তেলের উপজাত সয়ামিলের (সয়াবিন থেকে তৈরি খাবার) চাহিদাও কমে যায়, এ কারণেও বাড়তে পারে তেলের দাম।

    জানা গেছে, সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। বাণিজ্য সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব আবদুর রহিম খানের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ও ভোজ্যতেল পাইকারি ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা আবারও সয়াবিন, পামঅয়েলের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। কিন্তু সরকার রমজানের আগে কোনোভাবেই সয়াবিন, পামঅয়েলের দাম বাড়াতে রাজি নয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারেও এখন সয়াবিন, পামঅয়েলের বাজার স্থিতিশীল। অনেকটা কমতির দিকে।

    একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতার পেছনে রয়েছে মূলত পাঁচটি পরিশোধনকারী কারখানার সিন্ডিকেট। তারাই ঠিক করে দেয় বাজারে সয়াবিন তেলের দাম কত হবে। দেশের ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভোজ্যতেল আমদানিতে সবগুলো প্রতিষ্ঠান সক্রিয় নেই। এতে প্রতিযোগিতাও কমেছে। সম্প্রতি নূরজাহান গ্রুপ, রুবাইয়া ভেজিটেবল অয়েল ও মোস্তফা গ্রুপ ভোজ্যতেল আমদানি শুরু করেছে বলে জানা গেছে। তবে এসব কোম্পানি তেলের বাজারে কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারছে না। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে সিটি গ্রুপ। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে টিকে গ্রুপ। তৃতীয় অবস্থানে মেঘনা গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ ও বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড। ভোজ্যতেলের বাজারের নিয়ন্ত্রণ এখনও মূলত এদের হাতেই।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, দামের কারসাজি ধরতে কয়েকবার রিফাইনারি কারখানার প্রধান কার্যালয়গুলোতে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযান চালানো হয় সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ ও টিকে গ্রুপে। এ ছাড়া, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত মনিটরিং টিম মেঘনা ও সিটি গ্রুপের মিলও পরিদর্শন করেছে।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত বাণিজ্য সচিব আবদুর রহিম খান জানিয়েছেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে যথেষ্ট পরিমাণে ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় বেশি। কোম্পানিগুলোও বলছে, সয়াবিন সরবরাহে কোনও সমস্যা নেই। তাহলে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ সয়াবিন তেল মজুত করছে কি না আমরা এখন তা খতিয়ে দেখবো।

    উল্লেখ্য, দেশে প্রতিবছর ভোজ্যতেলের চাহিদা ২৩ থেকে ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে আড়াই লাখ টন তেল দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ২০ থেকে ২১ লাখ টন ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে রমজান মাসে চাহিদা ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টন।ট্যারিফ কমিশন সূত্র বলছে, চলতি অর্থবছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে ১০ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৫ টন সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮০ টন ও পামতেল ৭ লাখ ১১ হাজার ৪৪৪ টন। এর মধ্যে গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার টন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৯ শতাংশ বেশি। এছাড়া, গত জানুয়ারিতে সয়াবিন বীজ আমদানি হয়েছে ৩ লাখ টন। গত এক বছরে এত বেশি সয়াবিন বীজ আমদানি হয়নি।

    সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, আরও ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টন তেল আমদানি পাইপলাইনে রয়েছে। রমজান শুরু হতে এখনও যে সময় বাকি আছে, তার আগেই পাইপলাইনে থাকা ভোজ্যতেল চলে আসবে। এ পরিস্থিতিতে সয়াবিনের কোনও সংকট হওয়ার কথা নয়। এছাড়া, ভোজ্যতেলের দাম সহনীয় রাখতে গত ১৬ ডিসেম্বর সয়াবিন, পামঅয়েল আমদানিতে শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি ও অগ্রিম আয়কর শতভাগ অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ভ্যাট ১৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা জানিয়েছেন, ভোজ্যতেলের সরবরাহ নিয়ে কারসাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন। রমজানকে কেন্দ্র সরবরাহ আরও বাড়ানো হবে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দর যে হারে বেড়েছে, সেই হারে দেশে এখনও সয়াবিনের দাম বাড়ানো হয়নি। কোম্পানিগুলো অনেকটা লোকসানেই বিক্রি করছে। কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে দাম কিছুটা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন তা মানছে না। কতদিন এভাবে চালানো যাবে তা নিয়ে কোম্পানিগুলোই সন্দিহান বলে জানিয়েছেন তিনি।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কাওরান বাজারের পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী তোফাজ্জেল হোসেন জানিয়েছেন, আমদানিকারকরা বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তারা ঠিকমতো সরবরাহ করছে না। সয়াবিনের সরবরাহ নিতে চাইলে নানান শর্ত জুড়ে দিচ্ছে। এতে বাজারে ভোজ্যতেল নিয়ে চাপা সংকট তৈরি হচ্ছে। এতে রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

    এ দিকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন জানিয়েছেন, বাজারে ভোজ্যতেলের কোনও সংকট নাই। রমজানকে কেন্দ্র করে সয়াবিন তেলসহ যে কোনও প্রকার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার কোনও কারণ নাই।

  • সোনালী ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা জমা করলেই পাবেন ৩ লক্ষ টাকা

    সোনালী ব্যাংকে ১ লক্ষ টাকা জমা করলেই পাবেন ৩ লক্ষ টাকা

    এবার অভিনব একটি স্কিম নিয়ে এসেছে সোনালী ব্যাং সোনালী ব্যাংকের ট্রিপল বেনিফিট স্কিম দিচ্ছে এই সুবিধাঠিক কীভাবে পাওয়া যাবে এই তিনগুণ মুনাফা সেটা এবার দেখে নেয়া যাক।এই স্কিমে টাকা জমা রাখতে হবে কমপক্ষে ৫০ হাজার বা এর গুণিতক হিসেবে।প্রাপ্য মুনাফার হার থাকবে ৯ শতাংশ (চক্রবৃদ্ধি হারে)।

    পূরন মেয়াদে অর্থাৎ ১২ বছর ৯ মাসে এই স্কিমের টাকার পরিমাণ হবে তিনগুণ। ট্রিপল বেনিফিট স্কীম (TBS) Triple benefit scheme: সময় কাল: মুনাফার হার ৯.০০% (চক্রবৃদ্ধি) ৬ মাস পূর্তিতে ৩.০০% সরল মুনাফা।১ বছর পূর্তিতে ৩.৫০% সরল মুনাফা।২ বছর পূর্তিতে ৪.০০% সরল মুনাফা। ৩ বছর পূর্তিতে ৪.৫০% সরল মুনাফা। ৪ বছর পূর্তিতে ৫.০০% সরল মুনাফা।

    ৫ বছর পূর্তিতে ৫.৫০% সরল মুনাফা।তবে সময়ের সাথে সাথে মুনাফার হারও বাড়তে থাকবে। ৬ বছর পূর্তিতে ৬.০০% সরল মুনাফা। ৭ বছর পূর্তিতে ৬.৫০% সরল মুনাফা। ৮ বছর পূর্তিতে ৭.০০% সরল মুনাফা। ৯ বছর পূর্তিতে ৭.৫০% সরল মুনাফা।১০ বছর পূর্তিতে ৮.০০% সরল মুনাফা।

    ১১ বছর পূর্তিতে ৮.৫০% সরল মুনাফা। ১২ বছর পূর্তিতে ৯.০০% সরল মুনাফা । ১২ বছর ৯ মাস পূর্তিতে ৯.০০% চক্রবৃদ্ধি মুনাফা। এই স্কিমে টাকা রেখে তিনগুণ টাকা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অবশ্য বেশ কিছু শর্তও রয়েছে। সরকারী নিয়মানুসারে উৎসে কর এবং আবগারী শুল্ক আমানতকারীর হিসাব হতে কর্তন করা হবে।অন্যান্য শর্তের মধ্যে রয়েছে, হিসাব খোলার নিয়মাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ পূর্বক প্রতিষ্ঠানের নামেও এ হিসাব খোলা যাবে।

  • এবার নতুন নির্দেশনা অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি নিয়ে

    এবার নতুন নির্দেশনা অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি নিয়ে

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে অকটেন ও পেট্রোল বিক্রি কমাতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এতে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে জ্বালানি তেলের (অকটেন ও পেট্রোল) গড় বিক্রি ২৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। Energy & Utilities বুধবার (১১ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, চলমান বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জ্বালানি তেল সরবরাহ/গ্রহণ সম্পর্কিত বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করে।

    সে পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বিভাগীয় শহরে জ্বালানি তেলের (অকটেন ও পেট্রোল) গড় বিক্রয় হতে ২৫ শতাংশ হ্রাসের পরিবর্তে বর্তমানে ১৫ শতাংশ হ্রাস করে ফিলিং স্টেশন প্রতি বরাদ্দ চার্ট অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।

    এতে আরও বলা হয়, হ্রাসকৃত বরাদ্দ অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিপিসির অধীনস্থ বিপণন কম্পানি সমূহের ডিপো সুপার, বিক্রয় কর্মকর্তা এবং ডিলার/এজেন্টগণকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

  • আপনার আঙুলই বলে দিচ্ছে আপনি কেমন মানুষ! মিলিয়ে নিন

    আপনার আঙুলই বলে দিচ্ছে আপনি কেমন মানুষ! মিলিয়ে নিন

    আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দিতে পারে আপনার হাতের আঙুল! হ্যাঁ, অবাক লাগলেও সত্যি,বিশেষ করে আপনার অনামিকা (চতুর্থ আঙুল) এবং তর্জনী (দ্বিতীয় আঙুল)-এর দৈর্ঘ্য প্রকাশ করে দেয় আপনার ভেতরের ‘আপনাকে’।
    এই ব্যতিক্রমী বিশ্লেষণটি মূলত পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কারণ এই দুই আঙুলের দৈর্ঘ্য অনেকটাই নির্ভর করে শরীরের টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রার ওপর। সেই অনুযায়ী পুরুষদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: A, B এবং C।

    চলুন দেখে নেওয়া যাক, আপনি কোন ক্যাটাগরিতে পড়েন?

    অনামিকা যদি তর্জনীর চেয়ে লম্বা হয়
    আপনি হতে পারেন সেই চটপটে, স্মার্ট, আত্মবিশ্বাসী মানুষটি, যাকে সবাই একনজরে মনে রাখে। সহজেই মানুষের মন জয় করতে পারেন। তবে আপনার মধ্যে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা একটু বেশি থাকে এবং কখনো কখনো আপনি কিছুটা আগ্রাসী হয়ে উঠতে পারেন। গবেষণা বলছে, এই ধরনের পুরুষরা সাধারণত তাদের সহকর্মীদের তুলনায় বেশি উপার্জন করেন।

    অনামিকা যদি তর্জনীর চেয়ে ছোট হয়
    এই ধরনে যারা পড়েন, তারা সাধারণত আত্মমর্যাদাশীল, নিজের মতো থাকতে ভালোবাসেন এবং ব্যক্তিগত পরিসর রক্ষায় সচেতন। অন্যদের উপর নির্ভর না করেই চলতে পারেন। তবে প্রেমের ক্ষেত্রে কিছুটা লাজুক বা সঙ্কোচপ্রবণ হন। তারা প্রথমে আগ বাড়িয়ে কিছু বলার বা করার বিষয়ে দ্বিধায় থাকেন।

    অনামিকা ও তর্জনীর দৈর্ঘ্য যদি সমান হয়
    যাদের এই দুই আঙুল সমান, তারা সাধারণত শান্ত স্বভাবের, ভারসাম্যপূর্ণ ও বিশ্বস্ত। এই ধরনের পুরুষরা চমৎকার সমঝোতাকারী এবং সম্পর্কের প্রতি দায়বদ্ধ। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা চান গুছিয়ে চলতে এবং সমস্যা এলে তা মাধুর্য দিয়ে সমাধান করতে।

    এবার বলুন তো, আপনি বা আপনার প্রিয় কেউ এই তিন ধরনের মধ্যে পড়েন কোনটিতে?নিজের হাত একবার মিলিয়ে দেখুন, হয়তো নিজের ভেতরের চরিত্রটা আরও নতুন করে চিনে নিতে পারবেন!

  • এইমাত্র পাওয়া: রাজধানীর মণিপুরী এলাকা থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের…

    এইমাত্র পাওয়া: রাজধানীর মণিপুরী এলাকা থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের…

    রাজধানীর মণিপুরী এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের একটি লাইসেন্সকৃত পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি বুধবার নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

    এর আগে, গত ২৫ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈধ লাইসেন্সকৃত সব আগ্নেয়াস্ত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ জারি করে। নির্দেশনায় ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

    প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ইস্যুকৃত সমস্ত অস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এবং ২০১৬ সালের নবায়ন নীতিমালার অধীনে এসব অস্ত্র ব্যবস্থাপনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।

    উদ্ধার হওয়া পিস্তলটি কেন জমা দেওয়া হয়নি এবং কীভাবে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ধারণা করা হচ্ছে, নির্দেশনার পরও অনেক অস্ত্র জমা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বৈধ অস্ত্র ব্যবস্থাপনার বিষয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

    ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া পিস্তলটি পরিত্যক্ত হওয়ার পেছনে কী কারণ রয়েছে এবং এটি নির্দেশনা অনুযায়ী জমা না দেওয়ার কারণ উদঘাটনে কাজ করা হচ্ছে।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং বৈধ অস্ত্র ব্যবহারে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • সিগারেটের বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না

    সিগারেটের বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না

    আমরা অনেকসময় কিছু শব্দ ইংরেজিতে বলেই অভ্যস্ত। এমনকি তার বাংলা অর্থ কি তা ওয়েনকের অজানা। এমনই কিছু শব্দের বাংলা অর্থ জানা আছে কিনা তা সরকারি চাকরির ইন্টারভিউতে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়। এই ধরনের প্রশ্ন প্রার্থীদের বিভ্রান্ত করে। এই প্রশ্নগুলি কখনও কখনও সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত হয়, তাই অনেক সময় প্রার্থীদের মনের উপস্থিত বুদ্ধির পরীক্ষা সংক্রান্ত করা হয়। জেনে নেওয়া যাক এমনই সব প্রশ্নের উত্তর।

    প্রশ্ন- কোন দেশে মাত্র ৪০ মিনিট রাত থাকে?
    উত্তর- নরওয়ে।

    প্রশ্ন- সিগারেটকে বাংলায় কী বলে?
    উত্তর- সিগারেটকে বাংলায় বলা হয় “ধূমপান দণ্ড”।

    প্রশ্ন- একজন মানুষ আট দিন না ঘুমিয়ে কীভাবে বাঁচবে?
    উত্তর- কারণ, সে দিনে নয় রাতে ঘুমায়।

    প্রশ্ন- আইনজীবীরা কেন শুধু কালো কোট পরেন?
    উত্তর- কালো কোটে শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাসী দেখায়।

    প্রশ্ন- বিশ্বের কোন দেশের রাষ্ট্রপতির মেয়াদ এক বছর?
    উত্তর- সুইজারল্যান্ড।

    প্রশ্ন- মানুষের চোখের ওজন কত গ্রাম?
    উত্তর- মানুষের চোখের ওজন মাত্র ৮ গ্রাম

  • চরিত্রহীন নারী চেনার আটটি উপায়

    চরিত্রহীন নারী চেনার আটটি উপায়

    চরিত্রহীন মেয়ে চেনার ৮টি উপায় – একই সময়ে বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পছন্দ করে এমন নারীর সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। বিশ্বস্ত একজন নারী, যার সাথে ঘর বেঁধে সুখে জীবন কাটানো যায় এমনটা খুঁজতে রীতিমত ঘাম ছুটে যায় তাই অনেক পুরুষের।

    কিন্তু জীবনকে সুন্দর করতে একজন চরিত্রবান সঙ্গীর বিকল্প নেই। যারা জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, তাদেরকে তাই অবশ্যই জানতে হবে অসৎ নারীদের চেনার উপায়। তাহলে চরিত্রবান নারীসঙ্গী নির্বাচনে আপনি অনেকটাই নিরাপদ থাকবেন।

    চলুন জানা যাক অসৎ নারীদের চেনার ৮টি উপায়–লজ্জাই নারীর ভূষণ। কিন্তু অসৎ নারী আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে, যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ। এমন মেয়ে থেকে সাবধান। এরা কখনোই পুরোপুরি বিশ্বস্ত হয়ে ওঠে না।

    মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।

    কিছু নারী পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ।

    নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না। এসব অসৎ নারী থেকে দূরে থাকতে হবে। ৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।

    বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন। মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে। যেসব নারী ম’’দ্যপানে আ’’সক্ত তাদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ, নে’’শা এদেরকে সততাকে বিনষ্ট করে। সাথে চরিত্র ও কু’’মারিত্বও হারায়।

  • রণক্ষেত্র বায়তুল মোকাররম, আগের খতিব ফিরে আসায় সংঘর্ষের সূত্রপাত

    রণক্ষেত্র বায়তুল মোকাররম, আগের খতিব ফিরে আসায় সংঘর্ষের সূত্রপাত

    রণক্ষেত্র বায়তুল মোকাররম, আগের খতিব ফিরে আসায় সংঘর্ষের সূত্রপাত

    বায়তুল মোকাররমে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের সময় আগের খতিব মুফতি রুহুল আমিনের পেছনে নামাজ না পড়া নিয়ে বিতর্কের একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন মুসল্লি আহত হয়েছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজ শুরুর আগে বায়তুল মোকাররমের বর্তমান খতিব হাফেজ মাওলানা ড. মুফতি ওয়ালিয়ুর রহমান খান বয়ান করছিলেন। সে সময় আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে পালিয়ে থাকা খতিব মাওলানা মুফতি রুহুল আমীন তার অনুসারীদের নিয়ে বায়তুল মোকাররম মসজিদে ঢোকেন। একপর্যায়ে রুহুল আমীন বর্তমানে খতিবের সামনে থাকা মাইক্রোফোনে হাত দেন। এরপর বর্তমান খতিবের অনুসারীরা রুহুল আমিনের অনুসারীদের প্রতিরোধ করেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মসজিদের মধ্যে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।

    এ ঘটনার পর মসজিদের সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ওই সময় মসজিদ থেকে বেরিয়ে পড়েন। সে সময় মসজিদ থেকে স্লোগান দিতে দিতে একদল মুসল্লি বের হন। তারা আওয়ামী বিরোধী নানান স্লোগান দিতে থাকেন।

    এসব ঘটনার সময়কার কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেখানে দেখা যায়, যখন মসজিদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, তখন মাইকে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে বসতে বলা হয়। মসজিদের আদব রক্ষা করতে বলা হয়। কিন্তু, উত্তেজিত মুসল্লিদের বসানো যাচ্ছিল না। মাইকে বলা হয়, ‘সবাই বসুন। দরুদ শরীফ পড়ুন। আল্লার ঘর মসজিদ। আমরা সবাই শান্তি-শৃঙ্খলার সঙ্গে বসে যাই। মসজিদের সম্মান রক্ষা করি।’

    মাইকে যখন এসব কথা বলা হচ্ছিল, তখন ভাঙচুরের শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল। এরপরও মাইকে সবাইকে অনবরত শান্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু, কাউকে বসানো যাচ্ছিল না।

    পরে পরিবেশ কিছুটা ঠান্ডা হলে সোয়া একটার দিকে আবার সাধারণ মুসল্লিরা মসজিদে প্রবেশ করেন। এসব ঘটনার পর সেখানে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। খবর পেয়ে মসজিদে যান সেনাবাহিনীর সদস্যরাও। এরপর পরিবেশ কিছুটা শান্ত হয়। তখন জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। নামাজের পর সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মুসল্লিদের দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয়।

    একজন মুসল্লি বলেন, ‘সাবেক খতিব অন্যায়ভাবে শেখ হাসিনাকে সাপোর্ট করে এসেছিলেন। যখন হাসিনার পতন হয়, তখন তিনি পালিয়ে যান। কিন্তু, হঠাৎ কোন সাহসে বা কী কারণে তিনি এখানে এসেছেন তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমার ধারণা, তিনি পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এখানে এসেছেন। এ সংঘর্ষের পর অনেক লোক আহত হয়েছেন। রক্তাক্ত হয়েছেন। পরে রুহুল আমীন আর নামাজ পড়াতে পারেননি।’

    আরেক মুসল্লির বলেন, এখান থেকে যেহেতু রুহুল আমীন পালিয়ে গেছেন, তাহলে তিনি কেন এলেন? শেখ হাসিনার দোসররা সব সেক্টর থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু, তারা পাল্টা বিপ্লব করার চেষ্টা করছেন। এটাও তেমন। তারা এখানে আরেকটি বিপ্লব করার জন্য এসেছেন। তারা আগেভাগে একটা সেটআপ করে রেখেছেন, আজকে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে। আর সাধারণ মানুষ তাদের আবার বিতাড়িত করে দিয়েছেন।

    আরেক মুসল্লির দাবি, মসজিদের মধ্যে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনা ঘটিয়েছেন মুফতি রুহুল আমীনের লোকজন এবং তারা এখানে এসেছেনই এসব ঝামেলা করতে।

    ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমিন আত্মগোপনে চলে যান। পরে খতিবের দায়িত্ব দেওয়া হয় ওয়ালিউর রহমান খানকে।-ইত্তেফাক