Author: News Editor

  • নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

    নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হওয়ায়, মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব হবে। কারণ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার—সাপ্তাহিক ছুটি।

    এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এখানেও টানা চার দিনের ছুটি মিলছে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।

    অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, বছরটিতে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে মিলেছে। এছাড়া, ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সে অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।

  • সুখবর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য

    সুখবর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য

    অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে বেশি মুনাফার সুবিধা দিচ্ছে পেনশনার সঞ্চয়পত্র। নতুন নির্ধারিত হারে পাঁচ বছর মেয়াদি এই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ, যা বর্তমানে চালু থাকা সঞ্চয়পত্রগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

    জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতর ২০০৪ সালে পেনশনার সঞ্চয়পত্র চালু করে। অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত সঞ্চয়পত্র হিসেবে বিবেচিত।

    যত টাকায় কেনা যায় পেনশনার সঞ্চয়পত্র
    সবচেয়ে বেশি মুনাফার এই সঞ্চয়পত্র ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকা ও ১০ লাখ টাকায় কেনা যায়। এ ক্ষেত্রে পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ ৫ বছর।

    যেভাবে মিলবে
    জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো ছাড়াও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোসহ ডাকঘর থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্র কেনার পাশাপাশি নগদায়ন করা যায়।

    ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে সরকার সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়েছে। তবে আগের মতো সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের দুটি ধাপ রাখা হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচের বিনিয়োগকারী। আর দ্বিতীয় ধাপটি হলো ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওপরের বিনিয়োগকারী।

    ৫ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ থাকলে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।

    আর দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে মুনাফা পাবেন প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ হারে।

    উৎসে কর
    সবচেয়ে বেশি মুনাফার এই সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার ওপর কোনো উৎসে কর কর্তন করা হয় না। তবে এর বেশি বিনিয়োগে মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন করা হয়।

    পেনশনার সঞ্চয়পত্র অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী-স্ত্রী, সন্তান কিনতে পারবেন।

    তবে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রাপ্ত আনুতোষিক (Gratuity) এবং চূড়ান্ত ভবিষ্য তহবিল (Final Provident Fund) মিলিয়ে একক নামে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবেন।

    অন্যান্য সুবিধা
    পেনশনার সঞ্চয়পত্রে প্রতি মাসে মুনাফা পরিশোধের পাশাপাশি নমিনি নিয়োগ করা যায়। এছাড়াও সবচেয়ে বেশি মুনাফার এই সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার মৃত্যুর পর নমিনি সঙ্গে সঙ্গে অথবা মেয়াদ উত্তীর্ণের পর সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।

  • এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না- প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেলো

    ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না- প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেলো

    সম্প্রতি অনলাইনে দাবি প্রচার করা হয়েছে, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা’।
    ফ্যাক্টচেক

    রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শীর্ষক দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, কোনোরকম নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গত ২৮ জানুয়ারিতে প্রধান উপদেষ্টার ভিন্ন বিষয়ে বক্তব্যের ভিডিও প্রচার করে আলোচিত দাবি করা হয়েছে।

    আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওতে সংযুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে গত ২৮ জানুয়ারিতে প্রকাশিত মূল ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়, ‘আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে চার দিনের ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’। এই আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।’

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন। তবে কোথাও তিনি বলেননি যে ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করা হলো’।

    বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
    পাশাপাশি, প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও নির্বাচন বাতিল করার দাবির সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    বরং, অতি সম্প্রতি গত ১ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্সের (ইউরোচেম) চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে নির্বাচনী প্রচারের সামগ্রিক পরিবেশ এখন পর্যন্ত ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এবং ১২ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে তা নানা সময়ে তিনি জোরালোভাবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও গত ১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    সুতরাং, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শীর্ষক দাবিটি মিথ্যা।

    সূত্র: রিউমর স্ক্যানার

  • নির্বাচন স্থগিত, জানা গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    নির্বাচন স্থগিত, জানা গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু, শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত

    শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে আসনটিতে নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে ইসি।

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোট গ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।

    আইন অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে। প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন এবং পরবর্তী সময়ে কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করবে।

    তবে আইনে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রমও রয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তি বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার আগেই মারা যান অথবা ওই আসনে একই দলের বিকল্প কোনো বৈধ প্রার্থী বিদ্যমান থাকে, তবে নির্বাচন স্থগিত করার প্রয়োজন পড়ে না।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে নুরুজ্জামান বাদল মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারিও ছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

  • সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কার্যকর হলো নতুন জরুরি নির্দেশনা। নির্বাচনকালীন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের সব সরকারি অফিসের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বিশেষ লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি সব চিঠিপত্রের ডান পাশে নির্ধারিত বিশেষ লোগো সংযুক্ত রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি দপ্তরের পত্রালাপেই এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।
    জানা গেছে, গত ৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।
    শুধু দাপ্তরিক চিঠিপত্রেই নয়, নির্বাচনী পরিবেশ ও গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন স্থানে লোগো সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে দেওয়া এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করতেই সরকারের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই জরুরি নির্দেশনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

  • কোন বয়সী মেয়েদের শারীরিক চাহিদা বেশি থাকে, জানালেন গবেষকরা

    কোন বয়সী মেয়েদের শারীরিক চাহিদা বেশি থাকে, জানালেন গবেষকরা

    একাধিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, সাধারণত পুরুষদের থেকে নারীদের যৌন চাহিদা অনেক বেশি থাকে। একথা একেবারেই মিথ্যা নয়। কারণ, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মেয়েরাই শারিরীকভাবে অনেক বেশি চাহিদা নিয়ে জীবন কাটায়।

    সম্প্রতি টেক্সাস ইউনিভার্সিটির একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২৭ থেকে ৪৫ বছর বয়সের নারীদের সাধারণত যৌন চাহিদা বেশি থাকে। বিবাহিত হলে, স্বামীর প্রতি অত্যাধিক কামাসক্ত হয়ে পড়ার বিষয়টিও এই সময়েই বেশি দেখা যায়।

    পুরুষদের ক্ষেত্রে কিন্তু বিষয়টি অন্য। গড়ে দেখা গিয়েছে, একজন পুরুষের যৌন জীবন অনেক তাড়াতাড়ি শুরু হয়, আর একজন নারীর যৌন জীবন শুরু হতে হতেই অনেকটা সময় লেগে যায়। ভারতীয় উপমহাদেশে যা সমাজ ব্যবস্থা সেক্ষেত্রে এই কথাটি আরও বেশি প্রযোজ্য। তাই পুরুষের চাহিদাও ফুরিয়ে যায় দ্রুত। কিন্তু নারীর চাহিদা অনেকদিন পর্যন্ত থাকে। এতে কিছুটা সমস্যা বাড়ে মেয়েদের।

    অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা পূরণের স্বার্থে অনেক নারী এই বয়সের পর পরকীয়াতেও জড়িয়ে পড়েন। তবে সবটাই হয় প্রাকৃতিক নিয়মে। নারী প্রকৃতিই এমনভাবে কাজ করে। তবে সঙ্গীর প্রতি বিশ্বাস রাখা এবং সঙ্গীকে পরিপূর্ণতা প্রদান করা একে-অপরের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

  • শীতল পাটি উপহার পেয়ে মঞ্চেই শুয়ে পড়লেন জামায়াতের আমির

    শীতল পাটি উপহার পেয়ে মঞ্চেই শুয়ে পড়লেন জামায়াতের আমির

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঝালকাঠিতে নির্বাচনি জনসভা মঞ্চে এক স্থানীয়র কাছ থেকে শীতল পাটি উপহার পেয়ে মঞ্চেই শুয়ে পড়েছেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি উঠে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সাথে কোলাকুলি করতে দখো যায়।

    আজ শুক্রবার দুপুরে তিনি ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হলে এ ঘটনা ঘটে।

    দীর্ঘ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পরে দলটির শীর্ষ এই নেতা তৃতীয়বারের মতো ঝালকাঠি সফর করছেন। জামায়াতের আমিরের এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলার দুটি সংসদীয় আসনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

  • ইনকিলাব মঞ্চের জাবের গুলিবিদ্ধ

    ইনকিলাব মঞ্চের জাবের গুলিবিদ্ধ

    রাজধানীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সংগঠনটি।

    ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, ‘জাবের ভাই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। জুমা ও শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হয়েছে।’

    জানা গেছে, জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হন বলে দাবি করা হয়।

    শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    এদিকে, আবদুল্লাহ আল জাবেরের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, ‘শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন এবং জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।’ একই সঙ্গে পরিস্থিতি শান্তভাবে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘আপাতত কোনো জমায়েত করবেন না। আমরা চিকিৎসা নিয়ে আবার রাজপথে আসব।’

  • ভোটের আগে কেন নির্বাচনী রিমাইন্ডার দিচ্ছে মেটা

    ভোটের আগে কেন নির্বাচনী রিমাইন্ডার দিচ্ছে মেটা

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ভোটের আগে একটি বিশেষ নোটিফিকেশন কার্ড দেখাচ্ছে ব্যবহারকারীদের। নীল-সাদা রঙের ওই কার্ডে বড় অক্ষরে লেখা, ‘গেট রেডি টু ভোট ইন বাংলাদেশ’। নিচে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ ছবিটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

    ফেসবুকের এই কার্ডে মূলত চারটি তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, এটি একটি নির্বাচন সংক্রান্ত রিমাইন্ডার। দ্বিতীয়ত, এতে নির্বাচনের তারিখ উল্লেখ আছে। তৃতীয়ত, ব্যবহারকারীকে অফিসিয়াল তথ্য দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে। আর চতুর্থত, নিচে একটি সংখ্যা ‘৫৪৯৮৫’ দেখানো হয়েছে, যা অনেকের কৌতূহলের কারণ হয়েছে।

    ফেসবুকের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা কোনো ভোটার তালিকা বা সরকারি পরিসংখ্যান নয়। বরং এটি একটি এনগেজমেন্ট কাউন্ট, যা দিয়ে দেখানো হচ্ছে, কতজন মানুষ ইতোমধ্যে নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

    এই কার্ডটি কেন দেখাচ্ছে? ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার নীতিমালা থেকে এর উত্তর পাওয়া যায়। মেটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচি অনুসরণ করে থাকে। এর নাম ইলেকশন ইনফরমেশন সেন্টার বা নির্বাচন তথ্যকেন্দ্র। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো ভোটারদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং নির্বাচনকে ঘিরে গুজব বা ভুয়া তথ্যের বিস্তার কমানো।

    মেটার পক্ষ থেকে বলা হয়, ব্যবহারকারীর লোকেশন বা আইপি ঠিকানার ভিত্তিতে বোঝা যায় যে, তিনি কোন দেশে অবস্থান করছেন। যেহেতু বাংলাদেশে নির্বাচন আসন্ন, তাই বাংলাদেশভিত্তিক ব্যবহারকারীদের টাইমলাইনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই নোটিফিকেশন দেখানো হচ্ছে। এতে ব্যবহারকারীর নাম উল্লেখ করা হলেও এটি কোনো ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ নয়; বরং একটি স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল বার্তা।

    কার্ডটিতে ক্লিক করলে ব্যবহারকারীদের নিয়ে যাওয়া হয় ফেসবুকের ইলেকশন ইনফরমেশন সেন্টারে। সেখানে নির্বাচন কমিশন ও অনুমোদিত সরকারি সূত্র থেকে নেওয়া তথ্য দেখানো হয়। সাধারণত ভোটের তারিখ, ভোটার নিবন্ধন, ভোটার আইডি যাচাই এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ সংক্রান্ত প্রাথমিক নির্দেশনা সেখানে পাওয়া যায়।