Author: News Editor

  • ৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না

    ৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না

    সন্তান জন্মদানে সক্ষমতা নারী ও পুরুষ উভয়ের শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ বা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই লক্ষণগুলো উপেক্ষা করলে প্রজনন সক্ষমতা কমে যেতে পারে।

    ১. নারীদের গর্ভধারণে ঝুঁকির ৩ প্রধান লক্ষণ

    নারীর দেহে এই তিনটি লক্ষণ দীর্ঘমেয়াদী হলে তা প্রজননতন্ত্রে বড় সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে:

    ১. দীর্ঘমেয়াদী তলপেটে ব্যথা:

    তলপেটে ক্রমাগত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা অনুভব করা, বিশেষত সেই ব্যথা যদি পায়ুপথ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়—তাহলে তা জরায়ুতে কোনো সমস্যা, যেমন ‘এন্ডোমেট্রিওসিস’ বা অন্য কোনো রোগের কারণে হতে পারে। এই ধরনের ব্যথা জরায়ুর কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

    ২. পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ:

    হঠাৎ করে দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, মুখে পুরুষের মতো লোম গজানো (হিরসুটিজম), ঘাড় ও বগলের নিচের অংশ কালো হয়ে যাওয়া, এবং ব্রণ বৃদ্ধি—এগুলো পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ। PCOS ডিম্বাণু নিঃসরণে বাধা দেয় এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

    ৩. অনিয়মিত ঋতুচক্র (পিরিয়ড):

    যদি কোনো নারীর ঋতুচক্র ২১ দিনের কম সময়ে বা ৪০ দিনের বেশি সময়ে হয়, অথবা পিরিয়ড একেবারেই অনিয়মিত হয়, তবে তা হরমোনের গুরুতর ভারসাম্যহীনতার (যেমন—এস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, এফএসএইচ, এলএইচ হরমোনের পরিবর্তন) লক্ষণ। অনিয়মিত ঋতুচক্র ডিম্বাণুর গুণগত মান ও পরিমাণ হ্রাস করে, যা গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

    ২. পুরুষদের প্রজনন সক্ষমতা হ্রাসের লক্ষণ

    পুরুষদের ক্ষেত্রে সন্তান জন্মদানে প্রধান বাধা হলো শুক্রাণুর সমস্যা। তবে কিছু বাহ্যিক লক্ষণ এই সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে:

    ১. তলপেট বৃদ্ধি ও পেশীর শিথিলতা:

    হঠাৎ করে তলপেটে মেদ জমা, দ্রুত ওজন বৃদ্ধি এবং পেশী (মাসেলস) দুর্বল বা শিথিল হয়ে যাওয়া (লুজ হওয়া)। এই লক্ষণগুলো প্রায়শই টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার সাথে সম্পর্কিত।

    ২. অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফুলে যাওয়া:

    বিশেষ করে অণ্ডকোষে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেওয়া, যা শুক্রাণুর উৎপাদন বা গুণগত মানকে প্রভাবিত করতে পারে।

    ৩. যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস ও চুল পড়া:

    স্ত্রীর প্রতি আকাঙ্ক্ষা বা যৌন মিলনে আগ্রহ কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস দেখা দেওয়া এবং অস্বাভাবিক হারে চুল পড়া বা দাড়ি কমে যাওয়া। এগুলো শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা নির্দেশ করে এবং পুরুষের প্রজনন সক্ষমতা হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়।

    ৩. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও করণীয়

    উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

    * নারীদের জন্য: অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন। দ্রুত গর্ভধারণের জন্য চেষ্টা করলে তিন মাস আগে থেকে ফলিক এসিড, ভিটামিন ই ও ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও পানি পান অপরিহার্য।

    * পুরুষদের জন্য: স্ত্রীর পিরিয়ড স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও ৬ মাস নিয়মিত চেষ্টার পরেও যদি সন্তান না হয়, তবে সিমেন অ্যানালাইসিস (Semen Analysis) পরীক্ষা করে শুক্রাণুর পরিমাণ ও গতি যাচাই করা যেতে পারে। পুষ্টিকর খাদ্য (ভিটামিন ই, ডি, জিঙ্ক) গ্রহণ, ধূমপান ও মধ্যপান পরিহার করা, এবং রাতের খাবারে ভাতের পরিবর্তে প্রোটিন (ডিম/মাংস/মাছ) ও ফলমূল রাখা শুক্রাণুর মান উন্নত করতে সহায়তা করে।

  • লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিন

    লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিন

    লজ্জা স্থা’নের লোম কা’টার সঠিক নিয়ম অনেকেই জানেন না, জেনে নিনজিজ্ঞাসা–১১০২: ইসলামে লজ্জাস্থানের চুল কাটার নিয়ম কী কী?–শরিফ। জবাব: এক. অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটাকে মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস রাযি. বলেন, وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮) দুই. নাভীর নীচের অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা হলো :

    পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায় নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয় সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১) তিন. পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব। (কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫) চার. ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না। فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭) والله اعلم بالصواب উত্তর দিয়েছেন শায়েখ উমায়ের

  • সোনার দামে ফের বড় পতন, ভরিতে কমলো কত?

    সোনার দামে ফের বড় পতন, ভরিতে কমলো কত?

    দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

    শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    বিস্তারিত আসছে…

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • হঠাৎ বাংলাদেশীদের ভিসা দিচ্ছে না ইউরোপের যেসব দেশ

    হঠাৎ বাংলাদেশীদের ভিসা দিচ্ছে না ইউরোপের যেসব দেশ

    বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি কিংবা ভ্রমণের স্বপ্ন দেখেন অনেকেই। কিন্তু সেই স্বপ্নের দরজায় এখন কার্যত কড়া তালা। ইউরোপ, আমেরিকা থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পাওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—হঠাৎ কেন এই ভিসা সংকট, আর এর দায় আসলে কার?

    সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা কিংবা ভ্রমণের সুযোগ পেয়েও বহু বাংলাদেশি শেষ পর্যন্ত ভিসা না পাওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, সব ধরনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পরও আবেদন বাতিল হচ্ছে, অথচ এর পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানানো হচ্ছে না। এতে ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও হতাশা বাড়ছে।

    একই ধরনের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার ক্ষেত্রেও। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও তারা ভিসা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি বেড়েছে বলে মনে করছেন আবেদনকারীরা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা না পাওয়ার পেছনে কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে। প্রথমত, ভুয়া কাগজপত্রের ব্যবহার। শিক্ষাগত সনদ, কাজের অভিজ্ঞতা কিংবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট জাল করে জমা দেওয়ার প্রবণতা বাংলাদেশিদের ঝুঁকিপূর্ণ আবেদনকারী হিসেবে চিহ্নিত করছে। দ্বিতীয়ত, ভিসার শর্ত ভেঙে অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার ঘটনা, যা ব্যক্তির পাশাপাশি পুরো দেশের ভাবমূর্তিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা। ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলো এখন ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সুশাসনকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে ব্যাকগ্রাউন্ড চেক ও বায়োমেট্রিক যাচাই আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর হয়েছে।

    শ্রমবাজারেও ভিসা সংকট স্পষ্ট। সৌদি আরব ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশ বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ বা সীমিত করেছে। জাপান ও সিঙ্গাপুরে কিছু দক্ষ কর্মী গেলেও সংখ্যাটি খুবই কম। শিক্ষার্থী ও পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

    ব্র্যাক মাইগ্রেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর গড়ে এক লাখ বাংলাদেশিকে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হয়। গত আট বছরে শুধু ইউরোপ থেকেই ফিরেছেন অন্তত চার হাজার বাংলাদেশি।

    সব মিলিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়—ভিসা জটিলতায় বিদেশ যেতে না পারার দায় কার? ব্যক্তি, দালাল নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার? বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের জন্য এককভাবে কাউকে দায়ী করা যায় না। ভুয়া কাগজপত্র, অবৈধ অবস্থান এবং দুর্বল সুশাসন—সব মিলিয়েই বর্তমানে বাংলাদেশের পাসপোর্ট আন্তর্জাতিকভাবে উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে। যতদিন এই বাস্তবতা বদলাবে না, ততদিন বিদেশযাত্রার স্বপ্ন আটকে থাকবে ভিসা জটিলতার বেড়াজালে।

  • সাধারণ সমস্যা নাকি ক্যান্সার? ফুসফুস ক্যান্সারের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

    সাধারণ সমস্যা নাকি ক্যান্সার? ফুসফুস ক্যান্সারের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

    ফুসফুস ক্যান্সার বিশ্বজুড়ে ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো রোগ ধরা পড়লে ফুসফুস ক্যান্সারের মতো জটিল অসুখ থেকেও সুস্থ হওয়া সম্ভব।

    দুর্ভাগ্যবশত, অনেক সময় এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে সাধারণ সমস্যা মনে করে আমরা উপেক্ষা করি। এতে রোগের প্রগতি দ্রুত হয় এবং ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই ফুসফুস ক্যান্সারের কিছু সাধারণ উপসর্গ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

    দীর্ঘস্থায়ী কাশি
    ফুসফুস ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রাথমিক লক্ষণ হলো দীর্ঘস্থায়ী কাশি। শুরুতে হালকা হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি বাড়তে থাকে এবং প্রায় প্রতিদিনই দেখা দিতে পারে। সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে অবহেলা করলে বিপদ বাড়তে পারে।

    কাশির সঙ্গে রক্ত দেখা
    কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। কফের সঙ্গে লালচে রক্ত দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। এটি ফুসফুসের ভেতরে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধির ইঙ্গিত হতে পারে।

    শ্বাসকষ্ট ও বুকের ব্যথা
    ফুসফুসে ক্যান্সার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সামান্য হাঁটাচলা বা দৈনন্দিন কাজের সময় হাঁপ ধরে যাওয়া, বুক ভার লাগা বা দম নিতে অসুবিধা হওয়া হতে পারে। এছাড়া কাশির সময় বা বিশ্রামের সময় বুকে ব্যথাও অনুভূত হতে পারে।

    অকারণে ওজন হ্রাস ও খিদে কমে যাওয়া
    খাবারের প্রতি অনীহা, আগের তুলনায় কম খাওয়া বা দ্রুত ওজন কমে যাওয়া ফুসফুস ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারেই এই উপসর্গ দেখা যায়।

    চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন, এই ধরনের কোনো উপসর্গ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে তা উপেক্ষা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। সময়মতো সচেতনতা এবং চিকিৎসা ফুসফুস ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
    সচেতন থাকুন, স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হোন।

  • বাবার ধ…র্ষ…ণে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে, অতঃপর…

    বাবার ধ…র্ষ…ণে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে, অতঃপর…

    ভারতের মুম্বাইয়ের কাফ প্যারেড এলাকায় এক বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী তরুণী (২০) ধর্ষণের পর গর্ভবতী হওয়ার লোমহর্ষক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। দীর্ঘ তদন্ত ও ১৭ জন সন্দেহভাজন পুরুষের ডিএনএ পরীক্ষার পর জানা গেছে, ওই তরুণীর ধর্ষক অন্য কেউ নন, বরং তার নিজের জন্মদাতা বাবা। খবর এনডিটিভির।

    ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের সেপ্টেম্বরে। ওই তরুণী কথা বলতে বা শুনতে না পারায় তার ওপর চলা দীর্ঘদিনের পাশবিক নির্যাতন আড়ালেই ছিল। তবে শারীরিক অসুস্থতা বোধ করায় তিনি তার দাদির কাছে ইশারায় পেটে অস্বস্তির কথা জানান। তিনি বুঝিয়েছিলেন, তার পেটে যেন ‘পোকামাকড় কামড়াচ্ছে’। এরপর তাকে মুম্বাইয়ের কামা অ্যান্ড আলব্লেস হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, তরুণীটি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

    হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও ভাষা ও যোগাযোগের সীমাবদ্ধতার কারণে শুরুতে বিপাকে পড়ে। তরুণীর বাবা শুরুতে কোনো আইনি অভিযোগ করতে রাজি হননি। মেয়ের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়েও কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরবর্তীতে একজন বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে দীর্ঘ কাউন্সেলিং করার পর তরুণীটি ইশারায় তার ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দেন।

    তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ওই তরুণীর বাবা ও আরও ১৬ জন প্রতিবেশীসহ মোট ১৭ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির ডিএনএ ও রক্ত সংগ্রহ করে। সংগৃহীত নমুনাগুলো তরুণীর গর্ভস্থ ভ্রূণের জেনেটিক ডেটার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। গত ২৭ জানুয়ারি ডিএনএ ল্যাব থেকে আসা রিপোর্টে দেখা যায়, ১৭ জনের মধ্যে কেবল তরুণীর বাবার ডিএনএর সঙ্গেই ভ্রূণের নমুনার মিল পাওয়া গেছে।

    ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে তরুণীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক ব্যক্তি ও এক কিশোরকে আটক করা হয়েছিল, তাদের বিষয়েও তদন্ত চলছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, গত বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোনো এক সময়ে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • এই নির্বাচন হবে না

    এই নির্বাচন হবে না

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি মন্তব্য করেছেন, “ইনটেরিম তুমি যেও না, এই নির্বাচন হবে না।” তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, “প্রশাসনের বর্তমান ভূমিকার কারণে কোনো নির্বাচনই সম্ভব নয়।”

    এদিকে, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নামা ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল সংলগ্ন সড়ক থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে এবং জলকামান ব্যবহার করে।

    সংঘর্ষ আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এই ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএসসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে বিচারের দাবিতে গেলে পুলিশ বিনা উসকানিতে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    ইনকিলাব মঞ্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনভাবেই ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার পর এক ফেসবুক পোস্টে সংগঠনটি জানিয়েছে, “নির্বাচন ১২ তারিখেই হবে। নির্বাচন হতেই হবে। কোনভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেওয়া হবে না।”

  • উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনায় বসছে দুই পক্ষ, সেখানেও শর্তের শেষ নেই

    উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনায় বসছে দুই পক্ষ, সেখানেও শর্তের শেষ নেই

    মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে আজ ওমানের রাজধানী মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে। এ বার্তা দিয়ে মধ্যস্থতাকারী তিন দেশ—তুরস্ক, মিসর ও কাতার—আলোচনার কাঠামো তৈরি করেছে। তবে আলোচনার সঠিক বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়, কারণ যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বাইরে থাকা বিষয়গুলোও আলোচনার টেবিলে আসে, আর ইরান শুধুমাত্র তাদের পরমাণু কার্যক্রম নিয়ে সীমাবদ্ধ থাকতে আগ্রহী। ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোই আলোচনার মূল লক্ষ্য।


    প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, ইরান আগামী তিন বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ একেবারেই বন্ধ রাখবে। এই সময়ের পরে তারা ১.৫ শতাংশ হারে সীমিতভাবে সমৃদ্ধকরণ করতে পারবে। বর্তমানে উচ্চ সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়ামের ৬০ শতাংশ তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তর করতে হবে। পাশাপাশি ইরানকে হিজবুল্লাহ বা হুতির মতো বাহিনীর কাছে অস্ত্র ও প্রযুক্তি পাঠাতে দেওয়া হবে না। ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার এবং উৎপাদন সীমিত রাখতে হবে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর শর্ত চাচ্ছে।

    এছাড়া আলোচনায় ‘অগ্রাসনবিরোধী চুক্তি’ সম্পর্কেও প্রস্তাব থাকলেও ইরান চায় আলোচনা শুধুমাত্র তাদের পরমাণু কর্মসূচি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ হোক। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অংশ নেবেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার, আর ইরানের পক্ষে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। অন্য দেশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকতে পারেন, তবে ইরান দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

  • বান্ধবীর সঙ্গে হোটেলে রাত কাটানোর দৃশ্য পর্নোসাইটে

    বান্ধবীর সঙ্গে হোটেলে রাত কাটানোর দৃশ্য পর্নোসাইটে

    চীনের শেনঝেনে একটি হোটেলে কাটানো এক রাত হংকংয়ের বাসিন্দা এরিক ও তার বান্ধবী এমিলির জীবনে গভীর মানসিক ক্ষত তৈরি করেছে। তিন সপ্তাহ পর তারা জানতে পারেন, হোটেল কক্ষে তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত গোপন ক্যামেরায় ধারণ করে অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।

    বিবিসির দীর্ঘ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, চীনে নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ‘স্পাই-ক্যাম পর্ণ’ নামে পরিচিত এই অবৈধ কার্যক্রম গত এক দশক ধরে সক্রিয়। শতাধিক হোটেল কক্ষে লুকানো ক্যামেরার মাধ্যমে অতিথিদের অজান্তে ভিডিও ধারণ ও সম্প্রচার করা হচ্ছে, যা মূলত টেলিগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে ছড়ানো হয়।

    ২০২৪ সালে চীনা সরকার হোটেলগুলোতে গোপন ক্যামেরা শনাক্তে নিয়ম চালু করলেও বাস্তবে সমস্যার সমাধান হয়নি। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, হাজার হাজার মানুষ ইতিমধ্যে এভাবে নজরদারির শিকার হয়েছেন।

    ঘটনার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এরিক ও এমিলি। এখন তারা হোটেলে থাকতে ভয় পান এবং পরিচয় গোপন রাখতে জনসমক্ষে সতর্কভাবে চলাফেরা করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা চীনে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    বিবিসির অনুসন্ধানে ‘একেএ’ নামে পরিচিত এক এজেন্টের সন্ধান পাওয়া গেছে, যিনি মাসিক ৪৫০ ইউয়ানের বিনিময়ে সরাসরি সম্প্রচারের ওয়েবসাইটে প্রবেশের সুযোগ দিতেন। ওই ওয়েবসাইটে একসঙ্গে একাধিক হোটেল কক্ষের দৃশ্য দেখা যেত। কক্ষগুলোতে অতিথিরা কার্ড ঢোকালেই ক্যামেরা সক্রিয় হয়ে উঠত। এরপর অতিথিদের সব কর্মকাণ্ডের ভিডিও ধারণ করে টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করত চক্রটি।

    হংকংভিত্তিক এনজিও রেইনলিলির প্রতিনিধি ব্লু লি জানান, গোপনে ধারণ করা যৌন ভিডিও অপসারণের জন্য সহায়তা চাওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু টেলিগ্রাম এসব অনুরোধে সাড়া দেয় না। বিবিসির পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, সরকার সংশ্লিষ্ট একটি অংশ কোটি টাকার এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।