Author: News Editor

  • পানি পানের পরপরই প্রস্রাব অনুভব হয়? সতর্ক করে যা বললেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

    পানি পানের পরপরই প্রস্রাব অনুভব হয়? সতর্ক করে যা বললেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

    পানি পানের কিছুক্ষণের মধ্যেই কারও কারও প্রস্রাবের তাগিদ মনে হয়। বিষয়টি খুবই স্বাভাবিক ভেবে অনেকেই এড়িয়ে যান। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পানের পর প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বিশেষ করে শরীর যদি পানিশূন্য থাকে বা হঠাৎ করে একসঙ্গে বেশি পানি পান করতে হয়, তাহলে কিডনি দ্রুত শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে চায়।

    এ ক্ষেত্রে ঠিক তখনই সমস্যা দেখা দেয়, যখন অল্প পরিমাণ পানি পানের পরও ঘনঘন প্রস্রাবের তাগিদ জাগে। এমনকি কখনো কখনো এটি নিয়মিত ঘটতে থাকে। কেন এ ধরনের সমস্যা হয়, এ ব্যাপারে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন দেশটির থানের কিমস হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ইউরোলজিস্ট ডা. আকিল খান।

    ডা. আকিল খান জানিয়ছেন, এ ধরনের লক্ষণ অনেক সময় মূত্রাশয় বা মূত্রতন্ত্রের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। যা কখনোই অবহেলা করা ঠিক নয়। বরং এসব খতিয়ে দেখা উচিত। এই চিকিৎসকের মতে―অতিরিক্ত সক্রিয় মূত্রাশয় এ সমস্যার একটি সাধারণ কারণ। এ অবস্থায় মূত্রাশয়ের পেশিগুলো স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত সংকুচিত হয়। এ কারণে মূত্রাশয় পুরোপুরি না ভরলেও প্রস্রাব করার তাগিদ দেয়।

    এছাড়া মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই হলে প্রস্রাব করার সময় জ্বালা, অস্বস্তি ও ঘনঘন বাথরুমে যাওয়ার মতো অনুভূতি হয়। কখনো কখনো প্রস্রাবের পরও মূত্রাশয় খালি হয়নি মনে হয়। ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় যেমন- চা, কফি কিংবা ফিজি ড্রিঙ্কস মূত্রাশয়কে উত্তেজিত করে সমস্যা তীব্র করতে পারে। একইভাবে অ্যালকোহলও মূত্রাশয়ের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

    এ চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন, অনিয়ন্ত্রিত রক্তে শর্করার মাত্রা ঘন ঘন প্রস্রাবের অন্যতম একটি কারণ। ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের শরীর অতিরিক্ত শর্করা বের করে দেয়ায় অতিরিক্ত প্রস্রাব তৈরি হয়। এতে পানি পানের পরপরই প্রস্রাবের অনুভব হয়। মানসিক চাপ ও উদ্বেগের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট এই সমস্যা। দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে থাকা হলে মূত্রাশয় অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয় এবং প্রস্রাব কম থাকলেও বেশ চাপ অনুভব হয়ে থাকে।

    ডা. আকিল খান ব্যাখ্যা করেন, হঠাৎ খুব বেশি পানি পান করলে মূত্রাশয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। এ সময় কিডনি শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য দ্রুত কাজ করে এবং অতিরিক্ত পানি নিঃসরণ করে। এ জন্য সারাদিন অল্প অল্প করে নিয়মিত বিরতি নিয়ে পানি পান করলে সমস্যা খানিকটা কমে। তবে কিছু লক্ষণ আছে, যেসব কখনো হালকাভাবে নেয়া ঠিক নয়। ঘনঘন প্রস্রাবের সঙ্গে যদি ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হয়, প্রস্রাবে রক্ত আসে, তলপেটে অস্বস্তি থাকে বা জ্বর আসে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ঘুমের মধ্যে বারবার প্রস্রাব অনুভব হওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। এটি সংক্রমণ, মূত্রাশয়ের প্রদাহ, পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট সমস্যা বা ডায়াবেটিসের মতো বিপাকীয় রোগের কারণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে হবে।

  • পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এবার মুখ খুললেন তারেক রহমান

    পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এবার মুখ খুললেন তারেক রহমান

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষাণা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে বাংলাদেশ টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, প্রতিটি সেক্টর ও প্রতিটি শ্রেণি পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছি।

    তিরি তার বক্তব্যে বিএনপির প্রতিশ্রুত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের সুবিধার কথা তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা ও নিম্ন আয়ের সুরক্ষা দিতে ফ্যামিলি কার্ডে প্রতিমাসে আড়াই হাজার টাকা কিংবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার বাংলাদেশ টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে এই কথা জানান বিএনপি প্রধান।

    তিনি বলেন, ‘দেশের অর্ধেকের বেশি জনশক্তি নারী শক্তিকে রাষ্ট্র, রাজনীতি, অর্থনীতির মূল ধারার বাইরের রেখে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। দেশে মোট চার কোটি পরিবার রয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো দেশের প্রতিটি পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে।’

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে শিক্ষিত তরুণ তরুণীদের ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ একবছর কিংবা কংসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ আর্থিক ভাতা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

    ‘আমরা মনে করি এই বেকার ভাতা একজন শিক্ষিত বেকারকে সে উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জনেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে’, যোগ করেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, ‘প্রতিটি নাগরিকের হারানো রাজনৈতিক ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি বড় সুযোগ। দেশের নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে’।

    বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রতিটি সেক্টর ও প্রতিটি শ্রেণি পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছি’।

    বেকার সমস্যা সমাধানে বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘বেকার সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে ব্যাংক বীমা পুঁজিবাজারসহ দেশের অর্থনৈতিক খাতের সার্বিক সংস্কার ও অঞ্চলভিত্তিক ও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং শিল্প ও বাণিজ্যে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে বিদেশে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘এভাবে পর্যায়ক্রমিকভাবে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কয়েকটি সেক্টরকে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে কর্মসংস্থান তৈরির উপায় এবং কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশব্যাপী কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করা হবে।’

  • সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করল ইসি!

    সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করল ইসি!

    নানা সমালোচনা ও রাজনৈতিক আপত্তির মুখে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটের দিন ভোটার, প্রার্থী, তাদের এজেন্ট এবং সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারবেন।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল বহনে আর বাধা থাকবে না। তবে গোপন কক্ষে মোবাইল ফোন নেওয়া বা সেখানে ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

    এর আগে রোববার রাতে ইসি ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ এলাকার মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি নির্দেশনা জারি করে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয় এবং কয়েকটি রাজনৈতিক দল আপত্তি তোলে।

    সোমবার বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতারা মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে ইসির সঙ্গে বৈঠক করেন। একই দাবিতে নির্বাচন কমিশনে যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর একটি প্রতিনিধি দলও।

    সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান উদ্বেগ ছিল মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়টি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগের নির্দেশনায় কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। কমিশনের উদ্দেশ্য লিখিত নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়নি। নতুন করে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ নির্ধারণ করা হচ্ছে।

    ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে মোবাইল ব্যবহারে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকবে, তবে সাধারণ ভোটার ও সংশ্লিষ্টদের জন্য সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আর থাকছে না।

  • নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তারিখ জানালেন ইসি!

    নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তারিখ জানালেন ইসি!

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চূড়ান্ত ফলাফল ভোটগ্রহণের পরদিন অর্থাৎ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের মধ্যেই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

    নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ও ফলাফল ঘোষণার বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের প্রধান দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:

    দ্রুত ফলাফল প্রকাশের প্রযুক্তি ইসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হলেও আধুনিক অটোমেশন সিস্টেম ও উন্নত ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহারের কারণে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। দুর্গম এলাকার কারণে কোথাও সামান্য দেরি হতে পারে, তবে তিন দিন অপেক্ষা করার প্রয়োজন হবে না।

    নিরাপত্তা ও জনবল মোতায়েন নির্বাচনী শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবার নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে:

    পুলিশ, আনসার, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড মিলিয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

    প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা (বিদ্যুৎ সংযোগ থাকা সাপেক্ষে) এবং নিরাপত্তারক্ষীদের জন্য ‘বডি-ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর তথ্য কেন্দ্রীয় সেলে পাঠানোর জন্য একাধিক মনিটরিং টিম কাজ করবে।

    গুজব প্রতিরোধ ও কড়াকড়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ কাজ করবে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের সময় মোবাইল ফোন বহনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

    স্বচ্ছ নির্বাচনের অঙ্গীকার কমিশনার আশ্বস্ত করেন যে, রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা ও জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে এই নির্বাচন একটি বড় মাইলফলক হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

  • নতুন জরিপে উঠে এলো বিএনপি-জামায়াত কত শতাংশ ভোট পেতে পারে

    নতুন জরিপে উঠে এলো বিএনপি-জামায়াত কত শতাংশ ভোট পেতে পারে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। জাগরণ ফাউন্ডেশন ও প্রজেকশন বিডির সহযোগিতায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে সারা দেশের ৩০০ আসনের ভোটারদের ওপর ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (আইআইএলডি) এ জরিপ চালিয়েছে।

    এতে মোট ৬৩ হাজার ৬১৫ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে এবং ৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ ভোটার জামায়াত জোটকে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    প্রচার শুরুর পর থেকে ১৬ দিনে পরিচালিত এ জরিপের ফলে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পল্টনের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে জরিপের ফল তুলে ধরা হয়।

    ‌‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬: প্রাক-নির্বাচনি জনমত জরিপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জরিপের ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন।

    তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এটি ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসির (আইআইএলডি) চূড়ান্ত নির্বাচনি জরিপ। এর আগে প্রথম দফায় গত ১২ জানুয়ারি তারা জরিপের ফল প্রকাশ করেছিল।

    আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন বলেন, জরিপে ৩০০ আসনের প্রতিটি থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি আসন থেকে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। সারা দেশ থেকে মোট ৬৩ হাজার ৬১৫ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং নারী ভোটার ৪২ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    তিনি জানান, বয়স, শিক্ষা, ধর্ম ও বিভাগীয় পর্যায়ে পৃথক জরিপ করা হয়েছে। স্যাম্পলের জন্য ইউনিয়ন নির্বাচন করতে লটারির মাধ্যমে ভোটার খুঁজে জরিপে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে।

    জরিপের তথ্য বলছে, নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত জোটকে ৪৪ দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে চান। জামায়াতের সমর্থিত জোট ৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টিতে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৩ দশমিক ৮০ মানুষ ভোট দিতে চান। আর ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ ভোট দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি।

    আগে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকায় বিএনপিকে ভোট দিতে চান ভোটাররা এবং জামায়াত তুলনামূলকভাবে সৎ ও কম দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় ভোটাররা ভোট দিতে চান।

    দেশের শহরাঞ্চলের মানুষদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ বিএনপি সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান এবং জামায়াতকে ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে চান। শহরের ৬ শতাংশ মানুষ ভোট দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    গ্রামাঞ্চলের মানুষদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ বিএনপি সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান এবং জামায়াত সমর্থিত জোটে ভোট দিতে চান ৪৫ শতাংশ মানুষ। এখানেও ৬ শতাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত জানাননি।

    আসন বিবেচনায় জামায়াত সমর্থিত জোটে ১০৫টি এবং বিএনপির সমর্থিত জোটের ১০১টি নিশ্চিতভাবে জয়ী হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে উঠে এসেছে জরিপে। ৭৫টি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লাইয়ের আভাস দেওয়া হয়েছে। আর ১৯টি আসনে স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল থেকে বিজয়ী হতে পারে।

    জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার নির্বাচনে ৯২ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন না। এছাড়া ২ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ তাদের সিদ্ধান্ত জানাননি।

    নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের কাছে ভোটাররা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব চায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনতে ৬৭ শতাংশ ভোটার মতামত দিয়েছেন। এর বাইরে আইনের সুশাসন ফেরানো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান, চাকরির নিশ্চয়তা ও সংস্কারসহ বেশ কিছু বিষয়ে ভোটাররা অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

    ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনায় নেওয়ার প্রতি জোর দিয়েছেন বেশিরভাগ ভোটার। যোগ্যতা বিবেচনায় দেবেন বলেন জানিয়েছেন ৭১ শতাংশ ভোটার। আর দলের সিদ্ধান্তে মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পক্ষে ৪৭ শতাংশ ভোটার।

    এছাড়া দলের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় ভোট দিতে চান ৩৬ শতাংশ মানুষ। এছাড়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও জুলাই চেতনাসহ বেশকিছু বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোট দিতে চান ভোটাররা।

  • প্রধানমন্ত্রী পদে কে এগিয়ে, উঠে এলো নতুন জরিপে

    প্রধানমন্ত্রী পদে কে এগিয়ে, উঠে এলো নতুন জরিপে

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) নামে একটি সংস্থা সাড়ে ৪১ হাজার মানুষের ওপর জরিপ করেছে। এতে দেখা গেছে, নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট প্রায় ২০৮টি আসনে জয়লাভ করতে পারে। আর জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ৪৬টি। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ৩টি, অন্যান্য দল ৪টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারেন।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের থ্রিডি সেমিনার হলে ইএএসডির এ জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। ইএএসডির দাবি, এবারের নির্বাচন নিয়ে যতগুলো জরিপ হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে তাদের এ জরিপটিই সবচেয়ে বড় নমুনার জরিপ।

    জরিপে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২৬ হাজার ৫৬০ জন পুরুষ, যা মোট সংখ্যার ৬৪% এবং ১৪ হাজার ৯২২ জন নারী, যা মোট সংখ্যার ৩৬%। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৮-৩০ বছর এই তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ ছিল মোট ৩৭.২% এবং ৩১-৫০ বছরবয়সী অংশগ্রহণকারীর হার ৪৫.২%। যেখানে ৩১-৪০ বছর বয়সী ২৭.৫% এবং ৪১-৫০ বছর বয়সী ১৭.৭%।

    জরিপে বলা হয়, নতুন প্রজন্মের এই ব্যাপক অংশগ্রহণ ইঙ্গিত দেয় দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে তরুণ সমাজ বর্তমানে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। পেশাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ২১.৯% উত্তরদাতা ছিলেন ব্যবসায়ী; এদের মধ্যে বড় ও মাঝারি ব্যবসায়ী ছিলেন ৫.০% এবং ছোট ব্যবসায়ী ছিলেন ১৬.৯%। পাশাপাশি, কৃষি ও গ্রামীণ শ্রমজীবী খাতে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৩.২% অন্যদিকে, গৃহস্থালি ও অনানুষ্ঠানিক খাতে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৯.১%; শিক্ষার্থীদের মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৪.৫%।

    জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সমর্থন করেছেন সর্বাধিক ৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৪ শতাংশ আর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের পক্ষে মত দিয়েছেন ২ শতাংশ উত্তরদাতা। এ ছাড়া ১৬ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে মত প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক বলে জানিয়েছেন।

    এই জরিপ প্রকাশের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইএএসডির উপদেষ্টা কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর। জরিপের ফলাফল উপস্থাপনের পর প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাহরীন আই খান, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের সহযোগী অধ্যাপক তৌফিক জোয়ার্দার এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য মীর নাদিয়া নিভিন।

  • আসছে টানা ৫ দিনের ছুটি! জানুন কারা পাচ্ছেন,কারা পাচ্ছেন না

    আসছে টানা ৫ দিনের ছুটি! জানুন কারা পাচ্ছেন,কারা পাচ্ছেন না

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন দেশের সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে ছুটি কার্যকর থাকবে।

    এ ছাড়া শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকবে।

    এ বিষয়ে গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না- প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেলো

    ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না- প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেলো

    সম্প্রতি অনলাইনে দাবি প্রচার করা হয়েছে, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা’।
    ফ্যাক্টচেক

    রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শীর্ষক দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, কোনোরকম নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গত ২৮ জানুয়ারিতে প্রধান উপদেষ্টার ভিন্ন বিষয়ে বক্তব্যের ভিডিও প্রচার করে আলোচিত দাবি করা হয়েছে।

    আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওতে সংযুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে গত ২৮ জানুয়ারিতে প্রকাশিত মূল ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে বলা হয়, ‘আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে চার দিনের ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’। এই আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।’

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন। তবে কোথাও তিনি বলেননি যে ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করা হলো’।

    বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
    পাশাপাশি, প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও নির্বাচন বাতিল করার দাবির সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    বরং, অতি সম্প্রতি গত ১ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্সের (ইউরোচেম) চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে নির্বাচনী প্রচারের সামগ্রিক পরিবেশ এখন পর্যন্ত ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এবং ১২ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে তা নানা সময়ে তিনি জোরালোভাবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও গত ১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    সুতরাং, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শীর্ষক দাবিটি মিথ্যা।

    সূত্র: রিউমর স্ক্যানার

  • ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    ৫% সুদে ৩০ লাখ টাকা লোন, কিস্তি শুরু দেড় বছর পর

    পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনায় জামানত ছাড়াই ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ঋণ দেবে ব্যাংক। এই ঋণের সুদহার পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা সার্কুলারে পরিবেশবান্ধব খাতে বিদ্যমান ৪০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ফ্ল্যাট কেনায় ঋণের বিষয়টি নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব বহুতল ভবনে ফ্ল্যাট কেনার ঋণে ১৮ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পাবেন। অর্থাৎ কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে দেড় বছর পর থেকে। ব্যক্তির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ইউনিট সমন্বিত বহুতল বিশিষ্ট পরিবেশবান্ধব আবাসন নির্মাণেও ঋণ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আবাসন কোম্পানি ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। কোম্পানির জন্যও সুদহার, ঋণের মেয়াদ ও গ্রেসপিরিয়ড হবে অভিন্ন।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়, পরিবেশবান্ধব খাতে চুক্তিবদ্ধ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এতদিন চার শতাংশ সুদে তহবিল পেত। এখন পাবে তিন শতাংশ সুদে। ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ সুদে ঋণ দেবে।

    এক্ষেত্রে পাঁচ বছরের কম মেয়াদি ঋণে সর্বোচ্চ সুদ হার হবে পাঁচ শতাংশ, পাঁচ থেকে আট বছরের কম মেয়াদে সাড়ে পাঁচ শতাংশ এবং আট বছরের বেশি মেয়াদে ছয় শতাংশ।

    এছাড়া পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় বনায়ন (সামাজিক, সমন্বিত বা কৃষি), ছাদের কৃষি বা উল্লম্ব চাষ বা বাগান, বায়োফ্লক মাছ চাষ, জৈব চাষ, খাঁচায় মাছ চাষ, কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদনেও ঋণ দেবে ব্যাংকগুলো।

  • পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    পে-স্কেলের সভা শেষে এলো বড় সুখবর

    নবম জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়নকে কেন্দ্র করে পূর্ণ কমিশনের সভা শেষ হয়েছে। সভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবরের কথা জানিয়েছেন কমিশনের কর্মকর্তারা। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ সভা শেষ হয়।

    সভা সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলে পেনশনভোগীদের পেনশনের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্তরের পেনশনভোগীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হারে পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    সূত্র অনুযায়ী, যারা বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের পেনশন শতভাগ বা দ্বিগুণ বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। মাসিক ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির হার ৭৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। আর যারা মাসে ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান, তাদের পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে।

    এছাড়া প্রবীণ পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতা ১০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ৫৫ বছরের কম বয়সী পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা ৫ হাজার টাকা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। পে-কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষে পেনশন ও বেতন কাঠামোর নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, এ সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি পেনশনভোগীদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ অনেকটাই লাঘব হবে।