Author: News Editor

  • রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    রোজায় স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    সারাদেশের সব সরকারি অফিসের জন্য জারি হলো জরুরি নির্দেশনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কার্যকর হলো নতুন জরুরি নির্দেশনা। নির্বাচনকালীন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের সব সরকারি অফিসের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে বিশেষ লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি সব চিঠিপত্রের ডান পাশে নির্ধারিত বিশেষ লোগো সংযুক্ত রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি দপ্তরের পত্রালাপেই এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।
    জানা গেছে, গত ৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়।
    শুধু দাপ্তরিক চিঠিপত্রেই নয়, নির্বাচনী পরিবেশ ও গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন স্থানে লোগো সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে দেওয়া এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করতেই সরকারের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের সার্বিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই জরুরি নির্দেশনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

  • টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা

    চলতি মাসের ফেব্রুয়ারিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

    এই ছুটির পেছনে রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সরকারি ছুটি ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি। এর পরবর্তী দু’দিন, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি, যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় স্বাভাবিক ছুটি। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

    এটি চলতি বছরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম বড় ছুটি এবং ছুটির তালিকায় পঞ্চম ছুটিও বটে। এছাড়া ১১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সরকারি ছুটি ঘোষিত রয়েছে। তার আগের দিন ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে।

  • বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রদানের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বসম্মতির আলোকে কার্যকর করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা দুইটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাবেন। এই আদেশ ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৩০ অক্টোবর ২০২৪ সালের সম্মতির ভিত্তিতে (চাকরি বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত) আদেশ, ২০১৫-এর ১২(২) নম্বর অনুচ্ছেদ এবং এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডাম নম্বর ৮৩২-এর তফসিল অনুযায়ী ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা যুক্ত করা হলো।

  • সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন যত টাকা বেতন বাড়লো সরকারি চাকরিজীবীদের

    সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন যত টাকা বেতন বাড়লো সরকারি চাকরিজীবীদের

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবারই প্রথম গ্রেড অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে। পিছনের গ্রেডের কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি হারে এ ভাতা পাবেন, আর সামনের গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন কম হারে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী:
    – ১ থেকে ৩য় গ্রেড: মূল বেতনের ১০%।
    – ৪ থেকে ১০ম গ্রেড: মূল বেতনের ২০%।
    – ১১ থেকে ২০ম গ্রেড: মূল বেতনের ২৫%।

    – সর্বনিম্ন বেতন বৃদ্ধি ৪,০০০ টাকা।
    – সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধি ৭,৮০০ টাকা।
    কোনো চাকরিজীবী ৪,০০০ টাকার কম মহার্ঘ ভাতা পাবেন না।

    মহার্ঘ ভাতা কার্যকর হওয়ার পর, আগের সরকারের দেওয়া ৫% বিশেষ প্রণোদনা সুবিধা আর বহাল থাকবে না।

    পেনশনভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এই মহার্ঘ ভাতা পাবেন। ইনক্রিমেন্টের সময় এটি মূল বেতনের সঙ্গে যোগ হবে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্ধিত ভাতার অর্থায়নের জন্য উন্নয়ন বাজেট কমানো হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই এ ভাতা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান নিশ্চিত করেছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট হারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    ২০১৫ সালের পে-স্কেলের পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

    মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণে গঠিত কমিটি জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর আওতায় মহার্ঘ ভাতার প্রযোজ্যতা ও প্রাপ্যতার বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ করেছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্ধিত ভাতার অর্থায়নের জন্য উন্নয়ন বাজেট কমানো হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই এ ভাতা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান নিশ্চিত করেছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট হারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    ২০১৫ সালের পে-স্কেলের পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

    মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণে গঠিত কমিটি জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর আওতায় মহার্ঘ ভাতার প্রযোজ্যতা ও প্রাপ্যতার বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ করেছে।

  • ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন শীর্ষ আলেমরা

    ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন শীর্ষ আলেমরা

    আগামী দিনে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে এবং দেশে ইসলামী মূল্যবোধের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ওপর আস্থা রাখছেন দেশের বিভিন্ন ঘরানার আলেমরা। তারা ধানের শীষে ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃবিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

    বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুমিনুল ইসলামের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর অনলাইন-অফলাইনে জামায়াত-শিবিরের উগ্রতা এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দ, দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় শীর্ষ আলেমদের বিরুদ্ধে মারাত্মক বিষোদ্গার ও নেগেটিভ মন্তব্য করে আসছে। এ ছাড়া জামায়াত সাধারণ জনগণের কাছে নিজেদের ইসলামী শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করলেও রাষ্ট্রীয় এবং কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের সেকুলার হিসেবে দাবি করছে। এজন্য জামায়াত জোটের প্রার্থীদের ভোট না দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতীক ধানের শীষকে সমর্থন জানান বিভিন্ন ঘরানার আলেমরা। তারা ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন।

    যারা বিএনপি ও ধানের শীষকে সমর্থন করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, বেফাক ও হাইয়্যার চেয়ারম্যান আল্লামা শায়েখ মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, ফুলতলী দরবার, ছারছিনার দরবার, মাইজভান্ডার দরবার, জৈনপুরের দরবারে পীর মুফতি এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী, ঢালকানগর পীর সাহেব শায়েখ আব্দুল মতিন ও মুফতি জাফর আহমদ, মুফতি মনসুরুল হক, মাওলানা শওকত হোসেন সরকার, ইসলামী ঐক্যজোট ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের দুই অংশ।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৭ বছর ভারতের প্রেসক্রিপশন দেশে বাস্তবায়ন করার দরুন দেশের এই দুরবস্থা তৈরি হয়েছিল। আর জামায়াত মাত্র দেড় বছরে আমেরিকার প্রেসক্রিপশনে এরই মধ্যে এর চেয়েও বেশি দুরবস্থা তৈরি করে ফেলেছে। দেশে মারাত্মক অস্থিরতা তারা পরিকল্পিতভাবে সৃষ্টি করেছে। দেশের সিনিয়র রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও ইসলামী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে তাদের উগ্র ও আগ্রাসী আচরণে দেশের সাধারণ জনগণ চরম আতঙ্কিত। তাই আগামী দিনের বাংলাদেশকে জামায়াতের খারেজি ফেতনা থেকে বাঁচাতে দেশের বিভিন্ন ঘরানার শীর্ষ ইসলামী নেতৃবৃন্দ বিএনপি ও ধানের শীষকে সমর্থন করেছেন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীলতা থেকে রক্ষা করতে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ও বজায় রাখতে বিএনপি ও ধানের শীষের বিকল্প নেই।’

    সূত্র : কালবেলা

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • ভোট কেন্দ্রে আগুন

    ভোট কেন্দ্রে আগুন

    নেত্রকোনার সদর উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের বুথ কক্ষে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার নূরপুর সিধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের একটি বুথ কক্ষে দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়।

    এ ঘটনায় বুথকক্ষে থাকা দুটি বেঞ্চ, একটি ফ্যান ও লাইট আগুনে পুড়ে গেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয়দের ধারণা, রাত আনুমানিক ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

    পরে স্থানীয়রা আগুনের বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

    পরদিন সকালে পুলিশ ও ডিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেন। পুলিশ জানায়, বিদ্যালয়ের সাতটি বুথের মধ্যে পুরাতন ভবনে চারটি বুথ ছিল। এর মধ্যে একটি বুথের পেছনের জানালা দিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

  • বিএনপির এক নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    বিএনপির এক নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত জামালপুর জেলাধীন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররারামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক নেতা মাহবুবুর রহমান জিলানীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ভাইভা নিতে ২০ বোর্ড গঠনের পরিকল্পনা

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইতিপূর্বে দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগে মাহবুবুর রহমান জিলানীকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সম্প্রতি তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলের হাইকমান্ড তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

    আরও বলা হয়, ‘আজ ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই আদেশ কার্যকর করা হয়েছে এবং তাকে পুনরায় দলের প্রাথমিক সদস্য পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র এক দিন আগে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ও পাররারামপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।’

  • প্রধানমন্ত্রী পদে কে এগিয়ে, উঠে এলো নতুন জরিপে

    প্রধানমন্ত্রী পদে কে এগিয়ে, উঠে এলো নতুন জরিপে

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) নামে একটি সংস্থা সাড়ে ৪১ হাজার মানুষের ওপর জরিপ করেছে। এতে দেখা গেছে, নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট প্রায় ২০৮টি আসনে জয়লাভ করতে পারে। আর জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ৪৬টি। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ৩টি, অন্যান্য দল ৪টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারেন।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের থ্রিডি সেমিনার হলে ইএএসডির এ জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। ইএএসডির দাবি, এবারের নির্বাচন নিয়ে যতগুলো জরিপ হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে তাদের এ জরিপটিই সবচেয়ে বড় নমুনার জরিপ।

    জরিপে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২৬ হাজার ৫৬০ জন পুরুষ, যা মোট সংখ্যার ৬৪% এবং ১৪ হাজার ৯২২ জন নারী, যা মোট সংখ্যার ৩৬%। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৮-৩০ বছর এই তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ ছিল মোট ৩৭.২% এবং ৩১-৫০ বছরবয়সী অংশগ্রহণকারীর হার ৪৫.২%। যেখানে ৩১-৪০ বছর বয়সী ২৭.৫% এবং ৪১-৫০ বছর বয়সী ১৭.৭%।

    জরিপে বলা হয়, নতুন প্রজন্মের এই ব্যাপক অংশগ্রহণ ইঙ্গিত দেয় দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে তরুণ সমাজ বর্তমানে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। পেশাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ২১.৯% উত্তরদাতা ছিলেন ব্যবসায়ী; এদের মধ্যে বড় ও মাঝারি ব্যবসায়ী ছিলেন ৫.০% এবং ছোট ব্যবসায়ী ছিলেন ১৬.৯%। পাশাপাশি, কৃষি ও গ্রামীণ শ্রমজীবী খাতে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৩.২% অন্যদিকে, গৃহস্থালি ও অনানুষ্ঠানিক খাতে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৯.১%; শিক্ষার্থীদের মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ১৪.৫%।

    জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সমর্থন করেছেন সর্বাধিক ৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৪ শতাংশ আর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের পক্ষে মত দিয়েছেন ২ শতাংশ উত্তরদাতা। এ ছাড়া ১৬ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে মত প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক বলে জানিয়েছেন।

    এই জরিপ প্রকাশের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইএএসডির উপদেষ্টা কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর। জরিপের ফলাফল উপস্থাপনের পর প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক নাহরীন আই খান, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের সহযোগী অধ্যাপক তৌফিক জোয়ার্দার এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য মীর নাদিয়া নিভিন।