Author: News Editor

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রদানের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বসম্মতির আলোকে কার্যকর করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা দুইটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাবেন। এই আদেশ ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৩০ অক্টোবর ২০২৪ সালের সম্মতির ভিত্তিতে (চাকরি বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত) আদেশ, ২০১৫-এর ১২(২) নম্বর অনুচ্ছেদ এবং এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডাম নম্বর ৮৩২-এর তফসিল অনুযায়ী ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা যুক্ত করা হলো।

  • তরুণদের মলদ্বারে বাসা বাঁধছে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার! জেনে নিন ৫ সতর্কবার্তা

    তরুণদের মলদ্বারে বাসা বাঁধছে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার! জেনে নিন ৫ সতর্কবার্তা

    তরুণদের মলদ্বারে বাসা বাঁধছে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার! জেনে নিন ৫ সতর্কবার্তা

    সাম্প্রতিক গবেষণা দেখিয়েছে, ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের (Colorectal Cancer) হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগে এটি মূলত মধ্যবয়সী বা বৃদ্ধদের রোগ হিসেবে ধরা হতো। তবে আধুনিক জীবনধারা, অস্বাস্থ্যকর খাবার, কম শারীরিক কার্যকলাপ ও মানসিক চাপ তরুণদেরও ঝুঁকিতে ফেলছে।

    এই ৫ লক্ষণ দেখলে সতর্ক হোন
    1. মলদ্বারে রক্ত বা অস্বাভাবিক পদার্থ দেখা
    রক্তমিশ্রিত মল, কালচে বা পাথুরে পদার্থ দেখা মানে প্রাথমিক সতর্ক সংকেত।

    2. দীর্ঘমেয়াদী পেটের ব্যথা বা ফোলা
    ক্রমাগত পেট ফোলা, খিঁচুনি বা ব্যথা থাকলে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

    3.হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত ওজন কমা
    খাবার ঠিক মতো খাওয়ার পরও ওজন কমছে? এটি ক্যান্সারের প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে।

    4. পেটের চলাচলে পরিবর্তন
    দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা মলমুক্তিতে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে পরীক্ষা করা উচিত।

    5.ধীরগতিতে ক্লান্তি ও দুর্বলতা
    অকারণ ক্লান্তি, দুর্বলতা বা ঘুমানুরোধী অবস্থা ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
    গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টরা বলছেন, যদি এই কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে ডাক্তারি পরীক্ষা দ্রুত করানো প্রয়োজন। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা গেলে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসাযোগ্য।

  • রোজায় স্কুল বন্ধ নিয়ে আসলো চরম দুঃসংবাদ

    রোজায় স্কুল বন্ধ নিয়ে আসলো চরম দুঃসংবাদ

    রোজায় স্কুল বন্ধ নিয়ে আসলো চরম দুঃসংবাদ

    রমজান মাসজুড়ে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।

    এর আগে, গতকাল রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রোজায় সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

    তার আগে রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।

  • বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা ও হুইপ হলেন যারা

    বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা ও হুইপ হলেন যারা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    বিরোধী দলীয় উপনেতা হচ্ছেন কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জামায়াতে নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ হচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদীয় দলের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এর আগে, দুপুর ১২টার কিছু পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন জামায়াত ও জোটের এমপিরা।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। দলটি এককভাবে ২১২টি আসনে জয় পায়। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭ আসনে বিজয়ী হয়।

  • মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার

    মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়েছে। নতুন এই মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হওয়া অনেকেই জায়গা পেয়েছেন। ৫০ জনের ৪০ জনই নতুন। দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত বিএনপির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও ঘোষিত তালিকায় একাধিক হেভিওয়েট নেতার নাম থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) যেসব জ্যেষ্ঠ নেতা নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি, তাদের মধ্যে রয়েছেন—স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান।

    দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, আসাদুজ্জামান রিপনদের কেউ মন্ত্রিত্ব পাননি।

    চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মজিবুর রহমান সরোয়ার, গোলাম আকবর খোন্দকার, মাহবুবউদ্দিন খোকন, ফজলুর রহমান মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন বলে আলোচনা ছিল। শেষ পর‌্যন্ত তাদের কেউ মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

    দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এমপি নির্বাচন না করায় ধারণা করা হয়েছিল তাদের মন্ত্রী করা হবে। শেষ পর্যন্ত এই দুজনও অন্তর্ভুক্ত হননি।তাদের বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ চলছে।

  • ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী সদস্য শপথ নিয়েছেন। বিএনপির সংসদীয় দল দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। বিকালেই নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করবেন তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবন সংসদ সদস্যের শপথের আনুষ্ঠানিকতার পর বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

    এদিকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সিলেটের সাবেক মেয়র আরিফুল হক, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, জহির উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এহসানুল হক মিলন, শরীফুল আলম, মীর শাহে আলম। তারা ইতোমধ্যে ফোন পেয়েছেন।

    এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন, টেকনোক্র্যাট কোটায় আরও ফোন পেয়েছেন হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

    তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জাকারিয়া তাহের (সুমন), এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ফরহাদ হোসেন আজাদ।

    বিএনপির জোট থেকে জোনায়েদ সাকী ও নুরুল হক নুর মন্ত্রিপরিষদে স্থান পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    আরও অনেকেই ডাক পেয়েছেন। তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিপরিষদ ৫০ সদস্যের হতে পারে।

    সংসদীয় দলের সভায় বিএনপির এমপিরা কেউ ডিউটি ফ্রি গাড়ি নেবেন না, সরকারিভাবে কোনো প্লট নেবেন না এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • বঙ্গভবন না প্যারিস, কোথায় থাকবেন ড. ইউনূস?

    বঙ্গভবন না প্যারিস, কোথায় থাকবেন ড. ইউনূস?

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নবনির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন। তবে তিনি তার বাসভবন ছাড়েননি। সেখানে বেশ কিছুদিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

    এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার প্রাক্কালে ড. ইউনূসের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গুঞ্জন রয়েছে, নতুন সরকার চাইলে তিনি সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে কোনো পদে থাকতে পারেন। বা তাকে রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি পদেও রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    রাষ্ট্রের মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টাকে নিয়োগের পর এই ব্যাপারটি আর জোরদার হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। অনেকেই বলছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

    কিন্তু অন্য একটি সূত্র জানিয়ে তিনি বাংলাদেশে কয়েক সপ্তাহ থাকার পর প্যারিস চলে যাবেন। তাই অনেক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন তিনি কি বঙ্গবভনে যাচ্ছেন নাকি প্যারিস উড়াল দিচ্ছেন, সেটা সময় বলে দিবে।

    তবে ড. ইউনূসসহ কাউকে নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো পদ চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমান অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থায় বিশ্বাস করেন এবং দেশের সেরা মেধাবীদের সম্পৃক্ত করতে চান। সেই পরিসরে ড. ইউনূসের সঙ্গেও কথা হতে পারে, তবে কোনো নির্দিষ্ট দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে কোনো কিছুই একেবারে অসম্ভব নয়। দেশের স্বার্থে দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের কাজে লাগাতে আগ্রহী তারেক রহমান। উন্নয়ন ভাবনাকে দলীয় সীমার বাইরে নিয়ে যাওয়ার পক্ষেও তিনি। তবে তিনি এখন পর্যন্ত কোনো সাংবিধানিক পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি।

    অন্যদিকে, ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে।

    তার মতে, দেশের ভেতরে কিছু সমালোচনা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ড. ইউনূসের গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা উচ্চ পর্যায়ের। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মনোযোগী এক প্রধানমন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এক রাষ্ট্রপতির সমন্বয় কার্যকর হতে পারে।

    তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের আলোচনায় রাষ্ট্রপতির পদ প্রসঙ্গও উঠেছিল। তবে বিএনপি এবং ড. ইউনূসের প্রেস সচিব উভয় পক্ষই এমন কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে বার্গম্যান।

    ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের পর রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেন ড. ইউনূস।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    তবে ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে অন্য কোনো সরকারি বা সাংবিধানিক পদে যাওয়ার আগ্রহ তার নেই। তিনি আগের কাজেই ফিরে যেতে চান। তার লক্ষ্য শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণের ধারণা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া।

    তিনি আরও বলেন, এর পাশাপাশি নতুন সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগ গড়ে তোলা এবং তরুণদের সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার। এ বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

  • রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত ভাবে উঠে এলো যে ২ জনের নাম!

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত ভাবে উঠে এলো যে ২ জনের নাম!

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত ভাবে উঠে এলো যে ২ জনের নাম!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৯টি আসন নিয়ে বিএনপির সরকার গঠনের প্রস্তুতির মাঝেই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন সমীকরণ। আগামী মঙ্গলবার সংসদ সদস্যদের শপথ ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের কথা থাকলেও সবার নজর এখন বঙ্গভবনের পরবর্তী বাসিন্দার দিকে।

    বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে বিবেচনায় রয়েছে। ৭৯ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিক কুমিল্লা-১ আসন থেকে এবারও নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক এই অধ্যাপক এর আগে জ্বালানি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসে জনমত গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। ইতিপূর্বে দলীয় সমাবেশেও তাকে হবু রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করার নজির রয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে আলোচনায় আছেন বিএনপির আরেক প্রভাবশালী স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করা এই নেতাকে অবশ্য রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করার পরামর্শ রয়েছে দলের ভেতরে।

    এদিকে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। গত ডিসেম্বরে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। ২০২৮ সাল পর্যন্ত তার সাংবিধানিক মেয়াদ থাকলেও পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আগামীকাল মন্ত্রিসভার শপথের পর কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেনই হচ্ছেন কি না দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।

  • সকল স্কুল বন্ধ রাখার জরুরি ঘোষণা! কবে থেকে কার্যকর

    সকল স্কুল বন্ধ রাখার জরুরি ঘোষণা! কবে থেকে কার্যকর

    আসন্ন রমজান মাসে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। এই নির্দেশনার পর জনমনে প্রশ্ন জেগেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়ে অবগত আছেন। তবে নির্দেশনার কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় কি আদালতের আদেশ মেনে স্কুল বন্ধ রাখবে, নাকি এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করবে—তা নিয়ে আগামীকাল সোমবার একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠকের পর মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ও মাউশি থেকে চিঠি জারির বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। রিট আবেদনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে:

    সংবিধান ও প্রথা: আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ মানুষ মুসলিম এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাই আইনগত প্রথা ও রীতিতে পরিণত হয়েছে। সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথাও আইনের অন্তর্ভুক্ত। তাই রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক হিসেবে দাবি করা হয়।

    ধর্মীয় ও শারীরিক প্রভাব: নোটিশে উল্লেখ করা হয়, স্কুল চলাকালীন দীর্ঘ সময় যাতায়াত ও ক্লাসের চাপে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রোজা রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এটি তাদের ধর্মীয় আচার চর্চায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

    নাগরিক দুর্ভোগ: রমজানে স্কুল খোলা থাকলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেয়।

    শিক্ষা সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বরাবর পাঠানো এই নোটিশের প্রেক্ষিতে আদালত পুরো রমজান মাস স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এখন সবার দৃষ্টি আগামীকাল সোমবারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভার দিকে, যেখানে নির্ধারিত হবে রমজানে ক্লাসের ভবিষ্যৎ।