Author: News Editor

  • ১২ মার্চ বসছে সংসদের প্রথম অধিবেশন, স্পিকার পদে আলোচনায় তিনজন

    ১২ মার্চ বসছে সংসদের প্রথম অধিবেশন, স্পিকার পদে আলোচনায় তিনজন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ অধিবেশনেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, স্পিকার পদে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রবীণ তিন নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি ডেপুটি স্পিকার পদে তিনজন এবং সরকারদলীয় চিফ হুইপ পদে দুইজনের নাম শোনা যাচ্ছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বিএনপি। তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১০ জনকে।

    এরপর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে—কে হচ্ছেন স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চিফ হুইপ। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

    তবে এই পদের জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ক্লিন ইমেজের নেতা হিসাবে তাকে স্পিকার নির্বাচিত করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। নরসিংদী-২ আসন থেকে তিনি মোট পাঁচবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এরপরে আলোচনায় রয়েছে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নাম। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন এবার বরিশাল-৩ আসন থেকে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া আলোচনায় রয়েছে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুকের নামও। জানা গেছে, এই তিনজনের মধ্য থেকে একজনকে স্পিকার নির্বাচিত করার সম্ভাবনাই বেশি।

    এদিকে, ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ-সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, ভোলা-১ আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ও নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকনের নাম। তবে সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কাকে তারেক রহমান বেছে নেবেন তা নিশ্চিত নয়। তবে এই তিনজনই দলের ভেতরে ও বাইরে সমান জনপ্রিয়। মন্ত্রী হওয়ার আলোচনায়ও তারা এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় তাদের জায়গা হয়নি। ক্লিন ইমেজের অধিকারী আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং আন্দালিব রহমান পার্থর নাম না থাকায় অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। এছাড়া সংসদের সরকারদলীয় চিপ হুইপ পদে নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ-সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক ও নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ-সদস্য বরকত উল্লাহ বুলুর নাম শোনা যাচ্ছে।

    বিএনপি সূত্র বলছে, দলের ভেতরে ও বাইরে আলোচনায় স্পিকার পদে ড. আবদুল মঈন খানের নাম বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যকে মন্ত্রিসভার পাশাপাশি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও ড. খান এখনো সরকারের বাইরে আছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি পঞ্চমবারের মতো সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে প্রবীণ এ নেতাকে কোথায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে জনমনে। মঈন খানের বাবা ড. আবদুল মোমেন খান জিয়াউর রহমান সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। অনেকের মতে, প্রবীণ নেতা ড. মঈন খানকে স্পিকার পদে নির্বাচিত করা হলে তিনি ভালো করবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হিসাবে সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে তার।

    অন্যদিকে, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সাংবিধানিক ও নির্বাচনি আইন বিষয়ে দক্ষতা রয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক পরিসরে সক্রিয় ভূমিকার কারণেও স্পিকার পদের আলোচনা তাকে এগিয়ে রাখছে। তিনি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    এদিকে, স্পিকার পদে জন্য কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ-সদস্য, প্রবীণ রাজনীতিক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. এম ওসমান ফারুকের নামও আলোচনায় এসেছে। সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক দীর্ঘদিন বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থায় কর্মকর্তা ও পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও উন্নয়ন ব্যবস্থাপনায় অনন্য অবস্থানে নিয়ে গেছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

    রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আগামী ১২ মার্চ। এই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে।

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার পদটি রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্বপূর্ণ পদ। স্পিকার সংসদ অধিবেশন পরিচালনা, কার্যপ্রণালী বিধি প্রয়োগ, সংসদীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সদস্যদের অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন। এ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিকে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সাংবিধানিক জ্ঞানের সমন্বয় ঘটাতে হয়।

    এদিকে, জয়নুল আবদিন ফারুক ৬ বারের সংসদ-সদস্য। নবম জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের চিফ হুইপ ছিলেন তিনি। ফলে এবার সরকারদলীয় সম্ভাব্য চিফ হুইপ হিসাবে তার নাম বেশি আলোচনায় রয়েছে। অন্যদিকে বরকত উল্লাহ বুলু ৫ বারের সংসদ সদস্য। ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে তিনি বাণিজ্য উপদেষ্টা ছিলেন। এবারও মন্ত্রী হওয়ার আলোচনা ছিলেন বুলু। তবে মন্ত্রিসভায় জায়গা না হওয়ায় এখন তার নামও চিফ হুইপ পদে আলোচনায় আছে।

  • ইফতারে কোন কোন মসজিদে বিরিয়ানি দেবে জানাবে অ্যাপ

    ইফতারে কোন কোন মসজিদে বিরিয়ানি দেবে জানাবে অ্যাপ

    বাঙালির কাছে বিরিয়ানি শুধু একটি খাবার নয়, একরকম আবেগ। উৎসব হোক বা বিশেষ দিন-এক প্লেট গরম ধোঁয়া ওঠা বিরিয়ানি যেন মনটাই ভরে দেয়। রমজান মাসে ইফতারের টেবিলে অনেকেই এই প্রিয় পদটি রাখতে চান।

    সারাবছর ঘরে কিংবা রেস্টুরেন্টে বিরিয়ানি-তেহারি খেলেও সবার আগ্রহ থাকে রোজার মাসে ইফতারে মসজিদে দেওয়া বিরিয়ানি নিয়ে। প্রতি বছর এটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় নানান ধরনের মজার পোস্ট, মিম।

    চলতি বছরের রোজার শুরুতেই এই জনপ্রিয়তাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছেন এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। ‘বিরিয়ানি দিবে’ নামের একটি অ্যাপ ডেভেলপ ও চালু করে সাড়া ফেলেছেন আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের প্রিন্স।

    তিনি রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি(আইইউবিএটি)-এ কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যয়নরত।

    এখানে লাইভ লোকেশন অ্যাড করা যায় ওয়েবসাইট ও অ্যাপে। যে কেউ চাইলে এখানে ভিজিট করে এই বিরিয়ানি খাওয়ার সুযোগ পেতে পারে। ফলে অন্যান্য ব্যবহারকারীরাও দেখতে পাবেন কোথায় আজ কোন মসজিদে দেওয়া হচ্ছে বিরিয়ানি।

    আব্দুল্লাহ আল জুবায়েরের অভিনব এই আইডিয়া নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে জোর আলোচনা।

    জুবায়ের বলেন, ‘এটি আসলে একটা ফান প্রজেক্ট। এখানে লাইভ লোকেশন অ্যাড করা যায় ওয়েবসাইট ও অ্যাপে। যে কেউ চাইলে এখানে ভিজিট করে এই বিরিয়ানি খাওয়ার সুযোগ পেতে পারে’।

  • তেলের দাম লিটারে কমল প্রায় ১৫ টাকা

    তেলের দাম লিটারে কমল প্রায় ১৫ টাকা

    বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৪ টাকা ৯০ পয়সা কমিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রাত ১২টা থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য গ্রাহকের কাছে প্রতি লিটার ফার্নেস তেল ৭১ টাকা ১০ পয়সা দরে বিক্রি করবে। এর আগে এই তেলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৮৬ টাকা।

    রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর ঘোষণা করা হয়।

    ফার্নেস অয়েল (এইচএফও)-এর মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের লক্ষ্যে বিপিসি চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি কমিশনে প্রস্তাব জমা দেয়। এ প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মেঘনা পেট্রোলিয়াম, স্টান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল, যমুনা অয়েল কোম্পানি এবং পদ্মা অয়েল কোম্পানি ফার্নেস তেলের বিপণন চার্জ ও সমন্বিত পরিবহন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব কমিশনে জমা দেয়। এসব প্রস্তাবের ওপর গত ২৯ জানুয়ারি কমিশন গণশুনানি আয়োজন করে।

    বিইআরসি জানায়, বিস্তারিত পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে বিপিসির ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য হার, ফার্নেস অয়েল বিপণনে তেল বিপণন কম্পানিগুলোর চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন চার্জ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিইআরসি আরো জানায়, ফার্নেস অয়েল বিপণনে পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা অয়েল এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েলের বিপণন চার্জ প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ৭১ টাকা এবং সমন্বিত পরিবহন চার্জ প্রতি লিটার ১ দশমিক ২০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • ১৪ বোতল মদসহ আটকের ঘটনায় যা বললেন মেহজাবীন

    ১৪ বোতল মদসহ আটকের ঘটনায় যা বললেন মেহজাবীন

    গত বছরের আগস্টে ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল মদসহ আটক হয়েছিলেন মেহজাবীন চৌধুরী, এমন খবর প্রকাশ করে কয়েকটি গণমাধ্যম। ঘটনার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত।

    অভিযোগ উঠে, তাদের লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়া গেলেও রহস্যজনক কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি প্রকাশ না করে ছেড়ে দেয়। ঘটনাটি পরে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেত্রী।

    রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান মেহজাবীন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে।

    মেহজাবীনের ভাষ্য, ‘কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল।বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন,সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

    এ সময় প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মেহজাবীন। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি ও ভিডিও শিল্পীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার টার্গেটিংয়ের প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    সবশেষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে অভিনেত্রী বলেন, তিনি কেবল নিজের কাজ নিয়েই এগিয়ে যেতে চান এবং চান তাঁর পেশাগত কাজ আলোচনায় থাকুক, বিতর্ক নয়।

  • ১৮ বছর নয়, এনআইডি পাওয়ার নতুন বয়সসীমা নির্ধারণ

    ১৮ বছর নয়, এনআইডি পাওয়ার নতুন বয়সসীমা নির্ধারণ

    যাদের বয়স ১৬ বছর বা ১৮ বছরের কম, তারা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে নিবন্ধন আবেদন করতে পারবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের এনআইডি দেবে। তাদের বয়স ১৮ বছর হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে।

    রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে এক পরিপত্রের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    পরিপত্রে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ (২০১৩ সালে সংশোধিত) এর ধারা ৫-এর আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে আবেদনের তারিখে যেসব বাংলাদেশি নাগরিকের বয়স ১৬ বা ১৭ বছর পূর্ণ হয়েছে বা হবে, তারা নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (নিবন্ধন ও প্রবাসী) খান আবি শাহানুর খান স্বাক্ষরিত এই আদেশে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকল আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে এবং অবিলম্বে তা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • ফ্যামিলি কার্ড করতে দরকার মাত্র ৩টি ডকুমেন্ট

    ফ্যামিলি কার্ড করতে দরকার মাত্র ৩টি ডকুমেন্ট

    সরকার দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য নতুন সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রথম ধাপ শুরু হওয়ার প্রস্তুতি চলছে। সরকারের লক্ষ্য, এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলোর নারী সদস্য বা গৃহকর্তার হাতে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় দেওয়া সহায়তা দেশের বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় বেশি হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও মধ্যস্থতার সুযোগ কমিয়ে আনা হবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

    ফ্যামিলি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে প্রাথমিকভাবে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের জন্য কেন্দ্রীয় একটি ডেটাবেস তৈরি করা হবে। আবেদন করতে এখনো পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে আবেদনকারীদের সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে মাত্র তিনটি কাগজপত্র:

    ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

    ২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

    ৩. সচল মোবাইল নম্বর

    পাইলট প্রকল্পের পর ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম পাওয়া যাবে। এছাড়া সরকার একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যাতে ঘরে বসেও আবেদন করা সম্ভব হবে।

  • নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সর্বোচ্চ আলোচনায় ২ জন

    নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সর্বোচ্চ আলোচনায় ২ জন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য শপথের তারিখ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন- দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন।

    নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত সরকারের কাছে শিগগিরই ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার প্রাক্কালে তিনি কোনো সাংবিধানিক পদে থাকবেন কি না- এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গুঞ্জন রয়েছে, নতুন সরকার চাইলে তিনি সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে কোনো দায়িত্ব পেতে পারেন।

    তবে তারেক রহমান-এর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ড. ইউনূসকে নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদ চূড়ান্ত হয়নি এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। অন্যদিকে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে মত দিয়েছেন, ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে দেশ উপকৃত হতে পারে। যদিও বিএনপি ও ড. ইউনূসের প্রেস সচিব এ ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন। প্রেস সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে ড. ইউনূস সামাজিক ব্যবসা, তরুণদের নিয়ে কাজ এবং ‘শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ’ ধারণা প্রচারে মনোযোগ দিতে চান।

    এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন এবং একই দিনে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করান।

  • বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল কার্যকরের তারিখ চূড়ান্ত

    সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি চূড়ান্তের পথে। বেতন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই আংশিকভাবে নতুন স্কেল কার্যকরের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে।
    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের বেতন কমিশন তাদের সুপারিশমালা এরইমধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

    আগামী ২১ জানুয়ারি অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের কাছে এই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন জমার পর তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    এবারের পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুপারিশমালা অনুযায়ী বর্তমানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থাকলেও তা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপে বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে, যাতে বেতন বৈষম্য কমে আসে।

    নতুন এই বিশাল বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ব্যয়ের সংস্থান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি আংশিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় ১০ বছর পর নতুন এই বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ফির বোঝা কমাতে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই নীতিমালায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় ‘পুনঃভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে অবশ্যই ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত টিউশন ফির বাইরে নতুন কোনো অজুহাতে বা খাত তৈরি করে বাড়তি অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি, দান বা অনুদান সরাসরি ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হলেও তা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং হিসাব খাতের কোনো পরিবর্তন বা নতুন খাত সংযোজন করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও আর্থিক অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল নিয়ে নতুন ঘোষণা

    এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল নিয়ে নতুন ঘোষণা

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।