Author: News Editor

  • ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

    ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

    চৈত্রের শুরুতেই দাপটে রয়েছে তাপমাত্রা। ভ্যাপসা গরমে সর্বত্রই জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা। এই অবস্থায় খানিকটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (১৬ মার্চ) সকালের মধ্যেই ঢাকাসহ দেশের ১৭ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে টানা ৫ দিনও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝরতে পারে স্বস্তির বৃষ্টি।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার (১৫ মার্চ) রাত ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে আগামী ৩ দিন দেশের কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ১৩ মার্চ ২০২৬
    আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, সোমবার থেকে আগামী বুধবার (১৬-১৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই ৩ দিনে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    এরমধ্যে সোমবার সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও মঙ্গলবার রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে বুধবারও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    অন্যদিকে আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৯-২০ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    সকালের মধ্যে ৫ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা, বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
    সকালের মধ্যে ৫ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা, বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
    ১৩ মার্চ ২০২৬
    গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে দেশের সর্বোচ্চ ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি এই সময়ে নেত্রকোণায় ২৬ মিলিমিটার ছাড়াও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৭ ও কিশোরগঞ্জের নিকলিতে ১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

    অন্যদিকে রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সর্বোচ্চ ৩২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনের শেষের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • নতুন সিদ্ধান্ত, সরকারী সকল ছুটি বাড়লো

    নতুন সিদ্ধান্ত, সরকারী সকল ছুটি বাড়লো

    বাংলাদেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদ ও সনাতন ধর্মালম্বীদের দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ানোর কথা ভাবছে সরকার। জানা গেছে, মুসলমানদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুর আজহায় ছুটি পাঁচ দিন করে হতে পারে। হিন্দুদের দুর্গাপূজার ছুটি তিন দিন করা হতে পারে।
    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আগামীকাল বৃহস্পতিবার তার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সভা হবে। ২০২৫ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদনের জন্য এই সভায় উত্থাপনের কথা রয়েছে।

    এছাড়া প্রত্যাগত অভিবাসী নীতিমালা অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।

    এর বাইরে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ–সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে টেবিলে উত্থাপন হতে পারে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রোজা ও কোরবানি ঈদের ছুটি পাঁচ দিন করে নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ঈদের দিন এবং ঈদের আগে–পরে দুই দিন করে এই ছুটি নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এছাড়া দুর্গাপূজার ছুটি তিন দিন নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।

    ঈদে মানুষের বাড়ি ফেরার সুবিধার্থে কয়েক বছর ধরে নির্বাহী আদেশে ঈদের ছুটি এক দিন করে বাড়িয়ে আসছে সরকার। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুই ঈদ এবং দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হলেও পরে তা আর আলোর মুখ দেখেনি। ফলে এখন ঈদে তিন দিন এবং পূজায় এক দিন সাধারণ ছুটি থাকে।

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার প্রস্তাব রেখে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিন্যানশিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলো সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪–এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    এই খসড়া অনুমোদনের জন্য আগামীকাল উপদেষ্টা পরিষদের সভায় উপস্থাপন হতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো হলেও অবসরের বয়স বাড়বে কি না, সে বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হবে বলে ঐ সূত্র জানায়।

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা পুরুষের জন্য ৩৫ বছর এবং নারীদের জন্য ৩৭ বছর করার সুপারিশ করেছে আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পর্যালোচনা কমিটি। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের যৌক্তিক বয়স নির্ধারণের বিষয়ে সুপারিশ দিতে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে ৩০ সেপ্টেম্বর কমিটি করে সরকার।

    পর্যালোচনা কমিটি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সুপারিশ করলেও অবসরের বয়সসীমা নিয়ে কোনো সুপারিশ করেনি।

    বর্তমানে সর্বোচ্চ ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে ঢোকা যায়। আর ৫৯ বছর বয়সে অবসরে যান সরকারি কর্মচারীরা। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা ৩২ বছর বয়স পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে যোগ দিতে পারেন, আর ৬০ বছর বয়সে অবসরে যান।

  • জনপ্রিয় অভিনেতার করুণ মৃ*ত্যু, জানা গেল কারণ

    জনপ্রিয় অভিনেতার করুণ মৃ*ত্যু, জানা গেল কারণ

    দুই কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদণ্ডের দুই মাস পর মারা গেলেন ব্রিটিশ তারকা অভিনেতা জন আলফোর্ড। তার প্রকৃত নাম জন জেমস শ্যানন। গত ১৩ মার্চ কারাগারে মৃত্যু হয়েছে তার। মৃত্যুকালে ৫৪ বছর বয়স হয়েছিল এ অভিনেতার।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, লন্ডনের নরফোকের এইচএমপি বুরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে অভিনেতা জন আলফোর্ডকে। এর আগে ১৫ ও ১৪ বছর বয়সী দুই কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় সাড়ে আট বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয় তাকে।

    একজন কারা মুখপাত্র তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং এক বিবৃতিতে বলেছেন, জন আলফোর্ড গত ১৩ মার্চ কারাগারে মারা গেছেন। হেফাজতে থাকা অন্য সব মৃত্যুর মতো কারা ও প্রবেশন ন্যায়পাল তদন্ত করবেন বিষয়টি।

    এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে সেন্ট অ্যালবান্স ক্রাউন কোর্টে বিচারের মুখোমুখি করা হয় জন আলফোর্ডকে। তিনি উত্তর লন্ডনের হালোওয়ের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের ব্যাপারে একটি জুরিকে জানানো হয়েছিল, দুই কিশোরী মেয়ের জন্য এক বোতল ভদকা কিনেছিলেন জন আলফোর্ড। ২০২২ সালের এপ্রিলে হার্টফোর্ডশায়ারের হডসডনে এক বন্ধুর বাড়িতে পান করেছিলেন তারা।

    এ ঘটনায় ছোট কিশোরীরর সঙ্গে যৌন কার্যক্রমের চারটি অভিযোগ এবং বড় কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন ও অনুপ্রবেশের মাধ্যমে আক্রমণের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয় জন আলফোর্ডকে। দুই মাসে আগে গত ১৪ জানুয়ারি কারাদণ্ড দেয়া হয় তাকে। তখন রেকর্ডার ক্যারোলিন ওভারটন জানান, তার অপরাধগুলো ভুক্তভোগীদের জীবনে মারাত্মক ও চলমান প্রভাব ফেলেছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সালে বিবিসির জনপ্রিয় চিলড্রেনস সিরিজ ‘গ্রেঞ্জ হিল’-এ যোগ দেন জন আলফোর্ড, এতে রবি রাইটের চরিত্রে অভিনয় করেন এবং ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত কাজ করেন সিরিজটিতে। তবে তারকা খ্যাতি লাভ করেন ১৯৯৩ সালে আইটিভির নাটক ‘লন্ডন’স বার্নিং’-এর ষষ্ঠ সিরিজে অংশ নিয়ে। এটি ছিল লন্ডন ফায়ার ব্রিগেডের সদস্যদের নিয়ে এবং এতে অগ্নিনির্বাপক বিলি’র চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। আর পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালের মধ্যেই পপ সংগীতে ক্যারিয়ার গড়েন এ অভিনেতা।

  • ধেয়ে আসছে মহাসংকট

    ধেয়ে আসছে মহাসংকট

    ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ বিমান হামলা শুরু করে, তখন অনেকেই হয়তো ভেবেছিলেন—এটি আরেকটি একতরফা যুদ্ধ, শিগগিরই শেষ হবে। কিন্তু যুদ্ধের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পর, এখন এটা স্পষ্ট যে ইরান আক্রমণ সম্ভবত মার্কিন প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্তগুলোর একটি। ইরান যুদ্ধ নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সহজে যুদ্ধজয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না।

    যুদ্ধ ক্রমে ছড়িয়ে পড়ছে। আর যুদ্ধ বন্ধ করলেও কৌশলগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে। ফলে ট্রাম্পের সামনে এখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই যুদ্ধের সময় যত বাড়ছে ততই গোটা বিশ্ব এক জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে।

    নানামুখী অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মানবিক সংকট ক্রমে প্রকট আকার ধারণ করছে। ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চল এবং বিশ্বজুড়েই নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে, আর মধ্যপ্রাচ্যজুড়েই হাজার হাজার মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

    তবে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অনেক দূরেও এর প্রভাব পড়ছে।

    কোথাও তেলের দাম বেড়ে গেছে, কোথাও আবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের খরচও বেড়ে গেছে।
    প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দূরে চলমান যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব বাংলাদেশে না এলেও এর ছাপ যে এখানেও পড়ছে সেটি স্পষ্ট। কারণ বিশ্ববাজারের অস্থিরতা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক পরীক্ষা বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন।

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই যুদ্ধ পরিস্থিতি ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। ওই অঞ্চল বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম হাব হওয়ায় এই যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাব এরই মধ্যে পড়তে শুরু করেছে গোটা বিশ্বে।

    জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে একটি ‘চেইন রি-অ্যাকশন’ তৈরি করছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা হলো, জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে যে অস্থিরতা চলছে তা পেট্রোল পাম্পের অবস্থা দেখলেই বোঝা যায়। যদিও সরকার বারবার বলছে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হবে না। কিন্তু বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেলে সরকারকে মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি ভাবতেই হবে। কারণ এই চাপ বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন নিতে পারবে না।

    জ্বালানি তেল বা গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিতে বাস-ট্রাকের ভাড়া যেমন বাড়তে পারে, তেমনি বৃদ্ধি পেতে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কিংবা সারের দামও। ফলে কৃষি উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বাড়ার আশঙ্কা থাকে, যার প্রভাব পড়তে পারে চাল, ডাল আর সবজির বাজারেও।

    আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে পারে আমদানি করা ভোজ্যতেল, গম কিংবা চিনির দাম, যার ধারাবাহিক প্রভাব পড়তে পারে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কিংবা শৌখিন পণ্যে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব পৌঁছে যেতে পারে এ দেশের সাধারণ মানুষের রান্নাঘর পর্যন্ত।

    ইরানের ড্রোন আঘাত হেনেছে আরব আমিরাতের মজুদ রাখা জ্বালানি ট্যাংকারে। নিজেদের বেশ কয়েকটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি স্থাপনায় ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর জানিয়েছে কাতার। হামলা হয়েছে সৌদি আরবের তেল শোধনাগারেও।

    সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি এরই মধ্যে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড।

    তারা সতর্ক করেছে যে হরমুজ প্রণালি ‘কেউ পার করার চেষ্টা করলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হবে।’

    তেলের দামের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড বৃহস্পতিবার ব্যারেলপ্রতি ৮৩ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। হামলার প্রথম দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারির সঙ্গে তুলনা করলে ওই দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

    অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি চলমান থাকলে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য শিগগিরই ১০০ ডলারে পৌঁছাবে।

    এমন প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য ভয়াবহ বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

    তাঁরা বলছেন, অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা না থাকায় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

    বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেই আসে, যার বড় জোগানদাতা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার ও ওমান।

    এই দেশগুলো থেকেই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে এলএনজি আমদানি করে বাংলাদেশ। এ ছাড়া স্পট মার্কেট থেকেও প্রয়োজন অনুযায়ী এলএনজি কেনা হয়।

    কিন্তু ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় এরই মধ্যে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ, যার বেশির ভাগই ভারতের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জ্বালানিও আসে এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও কৃষিপণ্য রপ্তানির একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বাজারে যায়। বিশেষ করে পোশাক খাতের ওপর এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে এরই মধ্যে অর্ডার সংকুচিত করেছে অনেক দেশ। এ ছাড়া জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে।

    কেবল পোশাক রপ্তানি নয়, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে অন্যতম কৃষি উপকরণ সারের ওপরও। কারণ বাংলাদেশ তার প্রয়োজনীয় সারের একটি বড় অংশ আমদানি করে কাতার ও সৌদি আরব থেকে। এ ছাড়া দেশীয় কারখানায় সার উৎপাদনের জন্যও জ্বালানি গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানিসংকটের কারণে অভ্যন্তরীণ সার উৎপাদনও প্রভাবিত হতে পারে।

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস হলো প্রবাস আয় বা রেমিট্যান্স। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ মেয়াদে প্রবাস আয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

    বর্তমানে প্রায় এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি বিদেশে কর্মরত, যার বেশির ভাগই রয়েছেন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও ওমানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, দেশের বাইরে বসবাস করা বাংলাদেশি অভিবাসীর অন্তত ৬০ লাখেরই গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এরই মধ্যে নানা সংকট তৈরি হয়েছে এই প্রবাসীদের।

    ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যেতে ইচ্ছুক অনেক বাংলাদেশি নিজ দেশেই থেকে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

    অতীতে কুয়েত যুদ্ধের সময় হাজার হাজার বাংলাদেশিকে শূন্যহাতে দেশে ফিরতে হয়েছিল। এমন পরিস্থিতি পুনরায় তৈরি হলে তা দেশের বেকারত্ব সমস্যার ওপর পাহাড়সম চাপ তৈরি করবে।

    সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধ বাংলাদেশের জন্য এক কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের দিকে যেন ধেয়ে আসছে এক মহাসংকট।

    মাত্র এক মাস আগেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সরকার উত্তরাধিকার সূত্রেই নানা রকম জটিল অর্থনৈতিক সংকট পেয়েছে। গত দেড় বছর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গেছে। এ সময় বাংলাদেশ বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে বেতন-ভাতা দিয়েছে। হাজার হাজার কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কয়েক লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে গেছেন। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ। মব সন্ত্রাস, মামলা বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির কারণে বেসরকারি উদ্যোক্তারা হতাশ। তাঁরা ব্যবসা- বাণিজ্যে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। বিভিন্ন শিল্প গ্রুপ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসার শিকার। তাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। অনেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে চরিত্র হননের নোংরা খেলা হয়েছে। অর্থনীতিতে নেতিবাচক যত কাজ করা যায়, তার সবই করেছে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার।

    নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। একজন ব্যবসাবান্ধব অর্থমন্ত্রী নিয়োগের মাধ্যমে এই সরকার তার অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৌশল স্পষ্ট করেছে। এরপর অর্থনীতি ধ্বংসের অন্যতম খলনায়ক বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক দুর্নীতিবাজ গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সরিয়ে দিয়ে এ সরকার জানিয়ে দিয়েছে যে তারা বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়তে চায়। বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে চায়।

    সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেই অতিদরিদ্র মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের কম সময়ের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কর্মসূচিতে বড় ধাক্কা হতে পারে ইরান যুদ্ধ।

    বিশেষ করে গত দেড় বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি পুরোপুরি রেমিট্যান্সনির্ভর হয়ে পড়েছে। এই যুদ্ধ রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় প্রভাব ফেলবে। এ ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তির কারণে বাংলাদেশ রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে না। সব মিলিয়ে একটা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সরকারকে লড়াই করতে হবে।

    আর এ লক্ষ্যে এখন থেকেই সরকারকে প্রস্তুতি নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, সরকারের একার পক্ষে এই সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। তাই অর্থনীতির সব স্টেকহোল্ডারের মতামত নিতে হবে সরকারকে। সবাইকে আস্থায় নিতে হবে।

    এখন কে কোন পক্ষ তা দেখার সুযোগ নেই। যাঁরা বিনিয়োগকারী, তাঁরা যে মত ও পথের হন না কেন, তাঁদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। বিগত সরকারের আমলে বেসরকারি খাত ধ্বংসের যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, যেমন—ব্যবসায়ীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ, দুদকে হয়রানিমূলক মামলা, মিথ্যা হত্যা মামলা, এসব দ্রুত বাতিল করে বেসরকারি খাতের আস্থা অর্জন করতে হবে। বেসরকারি খাত পাশে থাকলে সরকারের জন্য সংকট মোকাবেলা সহজ হবে।

    যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরকারকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগে সংকট মোকাবেলায় জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি গঠন সময়ের দাবি। এই কঠিন সময়ে সরকারকে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে সবার আগে। যেমন—আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুত্সংকট হবেই। লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা কেমন হবে—জনতুষ্টির জন্য সাধারণ নাগরিকদের বিদ্যুৎ দিয়ে কি শিল্প-কলকারখানায় লোডশেডিং করা হবে? তেমনটা করা হলে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে। অর্থনৈতিক সংকট বাড়বে। শহরে বিদ্যুৎ বেশি দিয়ে গ্রাম অন্ধকার রাখলে আসন্ন বোরো মৌসুমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। তাই সরকারকে জনগণের সন্তুষ্টির চেয়ে দেশের বাস্তবতা ও চাহিদা বিবেচনা করতে হবে। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ভর্তুকি দেওয়া উচিত কি না তা বিবেচনায় নিতে হবে।

    এই সংকটকালে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে সব অনুৎপাদনশীল খাতের ব্যয় কমাতেই হবে। একটি নতুন নির্বাচিত সরকার প্রথম দিকে দেশের স্বার্থে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। দেশের মানুষের জন্য এসব সিদ্ধান্ত আপাতদৃষ্টিতে অজনপ্রিয় মনে হলেও শেষ বিচারে এই বৈশ্বিক সমস্যা মোকাবেলায় কার্যকর বিবেচিত হবে।

    অদিতি করিম : লেখক ও নাট্যকার
    ই-মেইল : auditekarim@gmail.com

  • কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব আর নেই!

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব আর নেই!

    রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি ও ছুরিকাঘাতে মো. রাকিব (২৭) নামে এক তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতকরা তাঁকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি চালানোর পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। নিহত রাকিব রাজধানীর শিববাড়ি স্টাফ কোয়ার্টারের খোকন মিয়ার ছেলে বলে শনাক্ত করা হয়েছে।


    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ মিনার চত্বরে দুর্বৃত্তরা অতর্কিতভাবে রাকিবের ওপর হামলা চালায়। মুহুর্মুহু গুলির শব্দে এলাকাটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সেখান থেকে গুলির খোসা সংগ্রহ করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছে।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাত ১০টার দিকে গুরুতর জখম অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের শরীরে গুলির চিহ্ন ছাড়াও ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত পাওয়া গেছে। বর্তমানে তাঁর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

    একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে এভাবে প্রকাশ্য জনাকীর্ণ স্থানে কেন হত্যা করা হলো, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ব শত্রুতা বা রাজনৈতিক কোনো দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জননিরাপত্তা নিয়ে জনমনে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

  • তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানা গেল

    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানা গেল

    বাংলাদেশে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।

    রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ৭৪ পৃষ্ঠার এই রায় লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ এ সংক্রান্ত রায় ঘোষণা করে।

    পূর্ণাঙ্গ রায়ে আপিল বিভাগ উল্লেখ করেছে, নতুন করে পুনর্বহাল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা জাতীয় সংসদের চতুর্দশ নির্বাচন থেকে কার্যকর করা যেতে পারে। তবে বর্তমান সংসদ চাইলে সংবিধানে এ ব্যবস্থার সংযোজন বা বিয়োজন করার ক্ষমতা রাখে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

    বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৯৬ সালে। সে সময় বিএনপি সরকারের আমলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। পরে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়ে যায়।

    পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০১১ সালের ওই রায়ের পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ পুনরায় শুনানি গ্রহণ করে এবং ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের আগের রায়কে অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত দেয়।

    সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। বেঞ্চের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

    চূড়ান্ত রায় প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

  • কানে চুল গজানো কিসের ই’ঙ্গিত? বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন!

    কানে চুল গজানো কিসের ই’ঙ্গিত? বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন!

    বয়ঃসন্ধির পর হরমোনের পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এই সময়ে কানের লোমকূপ সক্রিয় হতে পারে, ফলে কানে চুল গজাতে পারে। যদিও এটি বাইরের ধূলিকণা ও জীবাণু থেকে কানকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

    যেমন ডায়াবেটিস বা উচ্চ টেস্টোস্টেরন লেভেলের সঙ্গে এর যোগ থাকতে পারে।

    নাকের ভেতরে চুল থাকা যদিও স্বাভাবিক। কিন্তু বাইরের পাশে হঠাৎ চুল মানে হরমোনের সমস্যা হতে পারে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন, নাকের চারপাশে বেশি চুল গজালে লিভার ফাংশন দুর্বল হতে পারে।

    হাতে পায়ে হঠাৎ প্রচুর চুল গজানো পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের (পিসিওএস) ইঙ্গিত হতে পারে। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটা সাধারণ, তবে হঠাৎ গজালে হরমোন বা থাইরয়েড সমস্যা হতেতবে হঠাৎ ঘন বা মোটা চুল গজালে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চুল গজানোর সঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম, ওজন বেড়ে যাওয়া, ব্রণ–এগুলো হলে গুরুত্ব দিন।

  • এবার অনলাইনে আবেদন করেই ঋণ পাওয়ার সুযোগ

    এবার অনলাইনে আবেদন করেই ঋণ পাওয়ার সুযোগ

    সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জমা হওয়া টাকা থেকে গ্রাহক এখন ঋণ নিতে পারছেন। ঋণের আবেদন করতে হয় অনলাইনে। আবেদন মঞ্জুর হলে ঋণের টাকা গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে চলে যায়। এক মাস আগে থেকে এই সেবা চালু করেছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

    তখন থেকেই ঋণের জন্য আবেদন জমা পড়া শুরু হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে ৯২টি। নিষ্পত্তি হয়েছে ১১টি। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

    জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ঋণের আবেদনের জন্য চাঁদা পরিশোধ নিয়মিত থাকতে হয়। ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হয় দুই বছরে মোট ২৪ কিস্তিতে। শেষ কিস্তির সঙ্গে ২ শতাংশ টাকা কেটে রাখা হয় সেবা মাশুল (সার্ভিস চার্জ), যা আবার পেনশন কর্তৃপক্ষ নেয় না। অর্থাৎ, সেবা মাশুলের টাকা গ্রাহকের হিসাবেই জমা হয়।

    জানা গেছে, গ্রাহক তার জমা হওয়া হিসাব থেকে ঋণ নিতে চাইলে তার হিসাবে কমপক্ষে এক লাখ টাকা জমা পড়তে হবে। মোট জমা টাকার ৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ঋণের আবেদন করার আগের মাস পর্যন্ত নিয়মিত চাঁদা পরিশোধ বাধ্যতামূলক। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে (www.upension.gov.bd) লগইন করে ঋণ আবেদন করা যায়। এরপর মেনুবার থেকে ‘ঋণের আবেদন’ বাটনে ক্লিক করলে আবেদন করার পেজ ওপেন হবে।

    সবার নিচে থাকা ‘আবেদন করুন’ বাটনে ক্লিক করলে আসে ঋণের পরিমাণ। ফেরতের কিস্তি নির্ধারণ করে ‘আবেদন সম্পন্ন করুন’ বাটনে ক্লিক করার মাধ্যমে শেষ হয় আবেদনপ্রক্রিয়া।

    জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, সর্বজনীন পেনশনের ৪টি স্কিমে এখন পর্যন্ত গ্রাহক হয়েছেন পৌনে চার লাখ। বর্তমানে চালু থাকা সর্বজনীন পেনশন স্কিমগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রগতি, সুরক্ষা, সমতা ও প্রবাস। এর মাধ্যমে কর্মজীবী, অনিয়মিত আয়ের মানুষ ও প্রবাসীরা পেনশন সুবিধার আওতায় আসার সুযোগ পাচ্ছেন।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ২০২০ সালে ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২০ লাখ, যা ২০৪১ সালে বেড়ে দাঁড়াবে ৩ কোটি ১০ লাখে। তাঁদের কথা ভেবেই ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয় সর্বজনীন পেনশন স্কিম। অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ‘ইউপেনশন’ অ্যাপস উদ্বোধন করে গত ১৩ আগস্ট বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিমের প্রচারের উদ্যোগ বাড়াতে হবে।

  • গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভধারণ(Pregnancy) করার আগে পর্যন্ত সকল দম্পতিই সহবাস করে। কিন্তু অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খায় যে, গর্ভধারণ(Pregnancy) হলে কি সহবাস করা উচিত না উচিত না? অনেকেই মনে করেন গর্ভধারণ(Pregnancy) হয়ে গেলে আর সহবাস করা উচিত নয় আবার অনেক কাপল মনে করে গর্ভধারণেও সহবাস(Intercourse) করা যায়, ভয়ের কিছু নেই! এই নিয়ে অনেকের মনেই অনেক কনফিউশন থাকে। আজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানবো যে গর্ভাবস্থায় আদৌ সহবাস করা যায় কিনা? আর এই বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেন।
    আসুন দেখে নিই। বেশিরভাগ মেয়েদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse) করা চলে কি না বা গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে আগত শিশুর কোন ক্ষতি হয় কি না? এই বিষয়ে ডাক্তাররা বলছেন গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ তবে সেটি প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত আরেই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে শিশুটির উপর যেন কোন ভাবে চাপ(Pressure) না পড়ে। অর্থাৎ পেটের উপর চাপ দিয়ে কোনভাবেই যৌন মিলন(Sexual intercourse) করা যাবে না।এছাড়া অন্য যে কোন ভাবেই সহবাস করা যেতে পারে বেশ কিছুদিন পর্যন্ত। কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করলে কোনো প্রকার বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। সহবাসের সময় স্বাভাবিক নড়াচড়া গর্ভে থাকা শিশুর কোন ক্ষতি(Loss) করে না।
    কারণ শিশুটি তলপেট এবং জরায়ুর শক্ত পেশী দিয়ে সুরক্ষিত(Protected) থাকে। এছাড়া জরায়ুর মুখ মিউকাস প্লাগ দ্বারা সীল করা থাকে যা শিশুকে ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই শিশুটির কোনপ্রকার ক্ষতির সম্ভাবনাই থাকে না।তবে ডাক্তাররা জানাচ্ছেন যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse)কিছু ক্ষেত্রে নিরাপদ নাও হতে পারে। তাদের মতে যদি গর্ভধারণে কোন ধরনের জটিলতা থাকে এবং সেটি পরীক্ষায় ধরা পড়ে বা আগের কোনবারের গর্ভধারণে কোন জটিলতার শিকার হয়ে থাকেন তাহলে সহবাস(Intercourse) করা একদমই উচিত নয়। ডাক্তার ও বিজ্ঞানীদের মতো কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহবাস করা উচিত নয়। সেগুলো কি কি? আসুন দেখে নিই।
    ১। যমজ সন্তানঃ যদি যমজ সন্তানের জন্ম হয় তাহলে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়।
    ২। গর্ভপাতঃ যদি আগে গর্ভপাত(Abortion) করান বা এবারেও গর্ভপাত করানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করা উচিত নয়।
    ৩। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্সঃ যদি সারভিকাল ইনকম্পিটেন্সি বা ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স থাকে সেক্ষেত্রে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স বলতে বোঝায় যখন জরায়ু মুখ স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগেই খুলে যায়।
    ৪। সংক্রামক ব্যাধিঃ আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার সংক্রামক ব্যাধি থাকলে গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলন(Physical intercourse) থেকে বিরত থাকুন।
    ৫। প্রি-টার্ম বার্থ বা প্রি-টার্ম লেবারঃ যদি আগে প্রি-ম্যাচিউর শিশুর জন্ম দিয়ে থাকেন বা এবারের গর্ভধারণের প্রি-টার্ম লেবারের সম্ভাবনা থাকে তবে সহবাস(Intercourse) থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলনের সময় যদি দেখেন যোনিপথ থেকে কোন তরল নির্গত হচ্ছে অস্বাভাবিক ভাবে বা আপনি খুবই ব্যথা(Pain) পাচ্ছেন বা কোন ব্যথা অনুভব করছেন তাহলে যত তাড়াতাড়ি পারুন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডাক্তারের কথা মতো চলুন।

  • বড় সুখবর গণপরিবহনে জ্বালানি তেল দেওয়া নিয়ে

    বড় সুখবর গণপরিবহনে জ্বালানি তেল দেওয়া নিয়ে

    জ্বালানি সংকটের মধ্যে গণপরিবহনের তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের সীমা আর থাকছে না।’

    শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তানে সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, ‘দূরপাল্লা ও গণপরিবহনে তেলের রেশনিং আজ (শনিবার) রাত থেকে থাকছে না। রাত থেকে পর্যাপ্ত তেল পাবে বাসগুলো।’

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দেশেও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এর মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছে।

    ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল। এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে গণপরিবহনের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা পরিবর্তন হলেও ব্যক্তিগত যানবাহনের ক্ষেত্রে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি।