পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে, সুসংবাদ নাকি দুঃসংবাদ? জেনে নিন

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আবারও সরব হয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্যপরিষদ। সংগঠনটি বলছে, আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রজাতন্ত্রের প্রায় ২২ লাখ কর্মচারীর মুখে হাসি ফোটাতে হবে। দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তারা।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সদস্য সচিব মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ ওয়ারেস আলী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘ ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা বেতন কাঠামোতে বৈষম্যের শিকার। ২০১৫ সালে ঘোষিত অষ্টম পে-স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের মধ্যে যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়, তা এখনো নিরসন হয়নি।

নেতারা জানান, আবেদন-নিবেদন, স্মারকলিপি ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে বহুবার সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে অতীতে কোনো সরকার আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসেনি বলে দাবি তাদের। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ ও ২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের আমলে দুই দফায় নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। ছয় সদস্যের একটি পরিবার চালাতে গিয়ে কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়ছেন। তাই বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল এখন সময়ের দাবি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *