Category: সারাদেশ

  • কমলো জ্বালানি তেলের দাম

    কমলো জ্বালানি তেলের দাম

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর সম্ভাবনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ফের বড় পতন দেখা গেছে। একই সঙ্গে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বিশ্বের শেয়ারবাজারগুলোতে।

    বুধবার শান্তি আলোচনার আশায় আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দাম এক পর্যায়ে দশ শতাংশেরও বেশি কমে যায়। তবে বৃহস্পতিবার (০৭ মে) সেই পতনের গতি কিছুটা কমে প্রায় দুই শতাংশে নেমে আসে।

    ইউরোপের শেয়ারবাজারে আগের দিনের বড় উত্থানের পর বৃহস্পতিবার সূচক নিম্নমুখী ছিল। অন্যদিকে এশিয়ার প্রধান বাজারগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

    বিনিয়োগ বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত শেষ হওয়ার আশায় বাজারে যে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছিল, এখন তা কিছুটা স্তিমিত হচ্ছে।

    সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ওয়েলথ ক্লাবের প্রধান বিনিয়োগ কৌশলবিদ সুজানা স্ট্রিটারের ভাষায়, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হওয়ার যে আশা বাজারে তৈরি হয়েছিল, এখন বিনিয়োগকারীরা বুঝতে পারছেন দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে পৌঁছাতে আরও অনেক বাধা অতিক্রম করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, যদিও জানা যাচ্ছে, যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে ইরান, তবুও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে সময় লাগতে পারে।

    সূত্র : আল জাজিরা

  • ফজলুর রহমানকে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী

    ফজলুর রহমানকে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী

    কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সাক্ষাতের জন্য ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি হাওরাঞ্চলের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির বিষয় তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন।

    বুধবার (৬ মে) রাতে যুগান্তরকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান ফজলুর রহমান। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন যোবায়ের আহসান জাবের।

    ফজলুর রহমান বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ডেকেছেন। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) চারটায় উনার সঙ্গে আমি কথা বলব। এলাকার কথা বলব। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে এলাকা নিয়ে কালকে সামনাসামনি কথা হবে। উনি আমাদেরকে ডেকেছেন। আমি গত দুই-তিন দিন এলাকাতে ছিলাম।

    তিনি বলেন, বন্যার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তাকে এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। অন্য কোনো সরকার এভাবে আগে ঘোষণা দেয়নি। এটা অত্যন্ত সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।’

    তিনি আরও বলেন, হাওরাঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতি এবার অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভয়াবহ। তার ভাষায়, ‘আমার স্মরণকালের মধ্যে ধানের হাওরে এত বড় ক্ষতি আর কখনো দেখিনি।’

    এমপি ফজলুর রহমান জানান, এবার শুধু আগাম বন্যা নয়, টানা বৃষ্টিতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উজান-ভাটির বিভাজন ছাড়াই সব এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তার নির্বাচনি এলাকার ২৪টি ইউনিয়নই সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    ফজলুর রহমান বলেন, ‘এবারের ক্ষতি পাঁচ বছরেও কৃষকরা কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে, যদি দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যথাযথ সহায়তা না আসে।’

    তিনি জানান, সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পরপরই তিনি এলাকায় যান এবং ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামসহ বিভিন্ন হাওর এলাকা ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দুর্দশা, পুনর্বাসন এবং জরুরি সহায়তার বিষয়গুলো তুলে ধরবেন বলে জানান।

  • অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির ভ্রুণের ডিএনএ টেস্টের তথ্য নিয়ে যা জানাল র‌্যাব

    অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির ভ্রুণের ডিএনএ টেস্টের তথ্য নিয়ে যা জানাল র‌্যাব

    ময়মনসিংহের মদনে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির ভ্রণের ডিএনএ টেস্টের তথ্য গুজব বলে জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব।

    বুধবার (৬ মে) দুপুরে ময়মনসিংহে র‌্যাব-১৪ এর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১৪ এর কমান্ডিং অফিসার (সিও) নায়মুল হাসান।

    তিনি বলেন, ডিএনএ টেস্ট হয়নি। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা অবশ্যই সেটা করবেন। তদন্তের স্বার্থে যা যা করা দরকার সেটা করবেন।

    এদিকে শিশুটির ভ্রুণের ডিএনএ টেস্ট করা হয়েছে— এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিনোদন জগতের অনেকেই নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এমন তথ্য পোস্ট করেন।

    র‌্যাব জানায়, মঙ্গলবার রাতে র‌্যাবের একটি দল ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সোনমপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ভোর ৪টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহকে গ্রেফতার করে। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।

    মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার হওয়া আমান উল্লাহ নেত্রকোনার মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ওই মাদ্রাসায় পড়ত ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটি। ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর আমান উল্লাহ তাকে ধর্ষণ করে।

    পরে গত ১৮ এপ্রিল নেত্রকোনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষার পর শিশটি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। পরে ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা করেন।

  • পে স্কেল: প্রথম ধাপে সুখবর পাচ্ছেন যারা

    পে স্কেল: প্রথম ধাপে সুখবর পাচ্ছেন যারা

    দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বেতন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, প্রথম ধাপে মূলত নিম্ন আয়ের কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের অভিভাবকদের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে বিপুল অংকের আর্থিক সংশ্লেষ থাকায় প্রথম ধাপে সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

    সূত্র মতে, নতুন বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এ অর্থ দিয়ে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোর মূল বেতনের অর্ধেক বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ, যারা ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারী, মুদ্রাস্ফীতির বাজারে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতেই প্রথম কিস্তির বড় অংশ ব্যয় হবে। কমিশন সর্বনিম্ন ধাপের বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার যে সুপারিশ করেছে, তার একটি বড় অংশ শুরুতেই কার্যকর করার চিন্তা রয়েছে। এর ফলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা তাৎক্ষণিক স্বস্তি পাবেন।

    এছাড়া, নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশে সবচেয়ে মানবিক দিকটি হলো পেনশনভোগীদের জন্য বিন্যাস। যারা বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন স্কেল কার্যকর করার প্রথম ধাপেই এই ক্ষুদ্র পেনশনভোগীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। অন্যদিকে, যারা উচ্চ অংকের পেনশন পান, তাদের বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম (৫৫ থেকে ৭৫ শতাংশ) রাখা হয়েছে, যাতে বরাদ্দের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয়।

    প্রস্তাবিত কাঠামোতে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা বিদ্যমান ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই পরিবর্তনটি প্রথম ধাপেই কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া সকল পর্যায়ের কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার বিষয়টিও শুরুর অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।

    সামাজিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সরকারি কর্মচারীদের কোনো প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে তাদের জন্য মাসিক দুই হাজার টাকা ভাতার প্রস্তাব করেছে কমিশন। অর্থ বিভাগ এ মানবিক প্রস্তাবটিকে প্রথম ধাপেই কার্যকর করার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। এটি সরাসরি কার্যকর হলে সরকারি চাকুরিজীবী পরিবারের একটি বিশেষ অংশ সরাসরি উপকৃত হবে।

    কেবল নিম্নস্তর নয়, সরকারি চাকরিতে মেধাবীদের ধরে রাখতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে উচ্চপদের বড় অংকের সুযোগ-সুবিধাগুলো পরবর্তী দুই অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে।

  • জানা গেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি কত দিন

    জানা গেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি কত দিন

    এবারের ঈদুল আজহার ছুটি ৭ দিন নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ ঘোষণা আসে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে ছুটি থাকবে।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (২৩ মে) অফিস করতে হবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

    মন্ত্রিপরিষদের ঘোষণার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহার ছুটিতে কোনো পরিবর্তন আসছে কি না। সূত্র বলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটিতে কোনো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি থেকে জানা গেছে, সাপ্তাহিক ছুটি, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ১৬ দিনের ছুটি থাকছে স্কুল ও কলেজে। আর ২১ দিনের ছুটি থাকছে মাদরাসায়।

    শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিকে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও ঈদু ছুটি শুরু হচ্ছে আগামী ২৪ মে (রবিবার) থেকে। ছুটি শেষ হবে ৪ জুন (বৃহস্পতিবার)। এই ছুটির আগে ও পরে রয়েছে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে টানা ১৬ দিনের ছুটি থাকছে স্কুলে।

    কলেজে ঈদুল আজহার ছুটি ১২ দিনের। এই ছুটিরও আগে পরে যুক্ত আছে সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে টানা ১৬ দিনের ছুটি থাকছে কলেজে।

    এদিকে মাদরাসায় গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৪ মে (রোববার) থেকে ছুটি শুরু হচ্ছে আর শেষ হবে ১১ জুন।

    তবে ছুটির আগের দুদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা ২১ দিন ছুটি থাকছে মাদরাসায়।

  • প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন হাসিনা সরকার

    প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন হাসিনা সরকার

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাউল শিল্পীদের নিয়ে করা ভাইরাল বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার। এর আগে নারী বাউল শিল্পীরা কুপ্রস্তাব পান এবং ‘বেডে’ না গেলে অনেক সময় অনুষ্ঠান পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

    সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে বলেন, সব বাউল শিল্পীর কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি। সবাই যেন আমাকে আগের মতো আগলে রাখেন, সেই প্রত্যাশা করছি।

    ভিডিও বার্তায় হাসিনা সরকার বলেন, তার বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তিনি অভিযোগ করে জানান, মিরপুরে কিছু লোক এসে তার একটি অফিস বন্ধ করে দেয়। এমনকি ‘হাসিনা সরকার’ নাম হওয়ায় বিভিন্ন মঞ্চ থেকে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    এই বাউল শিল্পী বলেন, ‘অনেক জায়গায় বলা হয়েছে, হাসিনা সরকার নামে কোনো শিল্পী গান গাইতে পারবে না। শিল্পীদের ক্লাব থেকে আমাকে গানের অফার দেওয়া হলেও পরে সেই সুযোগ অন্য শিল্পীদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে আমি কষ্ট পেয়েছিলাম।’

    তিনি আরও বলেন, ক্ষোভ ও হতাশা থেকেই তিনি আগের মন্তব্য করেছিলেন। তার ভাষায়, ‘রাগের মাথায় বলেছিলাম, যার সঙ্গে যার লিংক থাকে, তাদের অনুষ্ঠান দেওয়া হয়। আমার সঙ্গে কারও সম্পর্ক না থাকায় আমাকে ডাকা হয় না এটা বলা আমার ভুল হয়েছে।’

    ভিডিও বার্তায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, কিছু অদক্ষ শিল্পী অনুষ্ঠান পেলেও প্রকৃত বাউল শিল্পীরা অনেক সময় অবহেলিত হন। তবে তার বক্তব্যে বাউল অঙ্গনের কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে সবার কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান তিনি।

  • ধ…..র্ষ….ণ মামলায় নির্দোষ ইমাম কারাগারে, ডিএনএ টেস্টে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    ধ…..র্ষ….ণ মামলায় নির্দোষ ইমাম কারাগারে, ডিএনএ টেস্টে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    ঘটনাটি ফেনীর সীমান্তবর্তী উপজেলা পরশুরামের। এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় এক ইমাম ও মক্তবের শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এক মাসেরও বেশি সময় জেল খাটতে হয় তাকে। এতে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে চরম অপমানের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। হারাতে হয় চাকরিও।

    কিন্তু দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর সামনে আসে ভয়ংকর এক সত্য। কিশোরীর গর্ভের সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, শিশুটির বাবা ওই মক্তবের শিক্ষক নন; বরং মেয়েটিরই বড় ভাই। পরে পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে ভাই নিজেও বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

    ফরেনসিক পরীক্ষায় পরশুরামের বক্স মাহমুদে ধর্ষণের শিকার সেই কিশোরীর ভূমিষ্ঠ সন্তানের সঙ্গে তার আপন বড় ভাইয়ের ডিএনএ’র মিল পাওয়া গেছে। আর এই অপরাধের দায় থেকে ভাইকে বাঁচাতে ফাঁসানো হয়েছিল স্থানীয় এক মসজিদের ইমামকে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর ওই গ্রামের চান মিয়ার স্ত্রী হনুফা খাতুন তার কিশোরী কন্যা রুবি আক্তারকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে একই গ্রামের স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম ও মক্তবের শিক্ষক মোজাফফরের বিরুদ্ধে পরশুরাম মডেল থানায় মামলা করেন। নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও ছাড় পাননি মোজাফফর। অভিযোগ মিথ্যা উল্লেখ করে ওই পরিবারের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর ফেনীর আদালতে মামলা করতে যান মোজাফফর।

    এ সময় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রামের মাতব্বর ও হনুফা খাতুন তাকে জোরপূর্বক পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এরপর একমাস দুইদিন কারাভোগ করেন তিনি।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায় ২০১৯ সালে মক্তবের পাঠ শেষ করে পরশুরামের বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের উত্তর টেটেশ্বর গ্রামের কিশোরী রুবি আক্তার (১৪)। এর পাঁচ বছর পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে সন্তানও প্রসব করে সে। আর এর দায় চাপানো হয় ওই মক্তবের শিক্ষক মোজাফফর আহমদের (২৫) কাঁধে।

    একই বছরের ২২ ডিসেম্বর অভিযুক্ত মোজাফফরকে ঢাকার মালিবাগে পুলিশের সিআইডি বিভাগের ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্ব-শরীরে ও রুবি আক্তারের সংরক্ষিত ভ্যাজাইনাল সোয়াব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ঢাকার মালিবাগের ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে থেকে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ডিএনএ প্রতিবেদন পান পরশুরাম মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম।

    ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, পরীক্ষায় ভ্যাজাইনাল সোয়াবে পুরুষের বীর্যের উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি। ভ্যাজাইনাল সোয়াবে বীর্যের উপস্থিতি শনাক্ত না হওয়ায় মোজাফফরের ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে তুলনা করে মতামত প্রদান করা সম্ভব নয়। এরপর ওই কিশোরী ও তার সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশু কন্যা সন্তানের জৈবিক পিতা নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তাদের পরীক্ষাগারে উপস্থিত হয়ে ডিএনএর নমুনা প্রদানের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।

    এর মধ্যে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে বিস্ময়কর তথ্য। ডিএনএ রিপোর্টে কিশোরীর সন্তানের সঙ্গে মোজাফফরের ডিএনএ’র মিল না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। কিশোরী রুবি আক্তারকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে একপর্যায়ে ওই কিশোরী তার আপন বড় ভাই মোরশেদ তাকে গণহারে ধর্ষণ করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়। ঘটনা আড়াল করে ভাইকে বাঁচাতে শিক্ষক মোজাফফরকে ফাঁসানো হয়।

    পরবর্তীকালে ২০২৫ সালের ১৯ মে বড় ভাই মোরশেদকে (২২) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালতে আপন বোনকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ২০ মে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে মোরশেদ।

    আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে রুবি আক্তার ও তার ভূমিষ্ঠ সন্তান জান্নাতুল ফেরদাউস ও বড় ভাই মোরশেদের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য একই বছরের ৪ আগস্ট ঢাকায় পুলিশের ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। ৯ আগস্ট ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ভিকটিমের সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়ার শিশু কন্যা জান্নাতুল ফেরদাউসের সাথে মোরশেদের ডিএনএ নমুনা মিলে যাওয়ায় তিনি তার জৈবিক পিতা।

    ডিএনএ পরীক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ডিএনএ পরীক্ষায় মোরশেদের সাথে জান্নাতুল ফেরদৌসের পিতা হিসেবে ৯৯.৯৯ শতাংশ মিল রয়েছে। মোজাফফর আহমেদ রুবি আক্তারের গর্ভজাত সন্তানের জৈবিক পিতা নন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক শরীফ হোসেন অভিযোগপত্রে মোজাফফর আহমেদের বিরুদ্ধে আনীত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০০) এর ৯(১) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ধর্ষণ মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আর মোরশেদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের একই ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর থেকে মোরশেদ ফেনী জেলা কারাগারে রয়েছেন। আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট উপস্থাপনের পর এক মাস দুইদিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান মোজাফফর।

    পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করে। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর চার্জশীট থেকে তার নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিরপরাধ একজনকে ফাঁসানোর জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

    পরশুরামের বক্স মাহমুদ ইউনিয়নের উত্তর টেটেশ্বর গ্রামের পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও মক্তবের শিক্ষক ছিলেন মোজাফফর আহমেদ। এ ঘটনার পর মসজিদের ইমামতি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাকরি হারান তিনি। মামলার খরচ যোগাতে বিক্রি করেছেন ৫ শতক জমি। প্রতিনিয়ত সামাজিকভাবে হেয় হয়েছেন। এসব কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ওই গ্রামের আবুল বশরের ছেলে মোজাফফর আহমেদ।

    মোজাফফর আহমদ বলেন, অবশেষে সত্যের জয় হয়েছে। এ ঘটনায় আমি সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেনস্থার শিকার হয়েছি। মসজিদের ইমামতি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাকরি হারিয়েছি। মামলার খরচ চালাতে বাড়ির পাশে মূল্যবান জায়গা বিক্রি করে দিয়েছি, অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কারাভোগ, সামাজিক মর্যাদাহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় প্রায় মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে ফাঁসানো হয়। প্রকৃত সত্য তুলে ধরা হলে এভাবে আমার মত অনেক নিরপরাধ মানুষ বেঁচে যাবে। ইমামের সামাজিক মর্যাদাহানি ও এক মাস কারা ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন।

    মোজাফফর আহমেদের আইনজীবী আবদুল আলিম মাকসুদ বলেন, এ ধরনের ঘটনা বিরল। তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ডিএনএ পরীক্ষায় সত্য উদঘাটন হয়েছে।

    জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের পরশুরাম উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মুফতি আমিনুল ইসলাম জানান, সুন্নী, কওমী বা সরকারি বুঝি না, সে একজন মজলুম ইমাম ও তালেবে ইলম। ক্ষতিগ্রস্ত ইমামের ক্ষতিপূরণ কে দেবে? তাকে মানসিকভাবে সাহস দেয়ার পাশাপাশি, আর্থিক ও আইনিভাবে সহযোগিতা করা উচিত।

  • দ্রুত ডুবে যাবে বৃহৎ শহরটি, মহাকাশ থেকেও দেখা যাচ্ছে

    দ্রুত ডুবে যাবে বৃহৎ শহরটি, মহাকাশ থেকেও দেখা যাচ্ছে

    বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শহর মেক্সিকো সিটি এত দ্রুত ভূমিধসে আক্রান্ত হচ্ছে যে, তা এখন মহাকাশ থেকেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

    মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার শক্তিশালী রাডার প্রযুক্তির নতুন চিত্রে দেখা গেছে, শহরটির কিছু অংশ প্রতি মাসে অর্ধ ইঞ্চিরও বেশি নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত ডুবে যাওয়া রাজধানীগুলোর একটি হিসেবে ধরা হচ্ছে।

    সিএনএন বলছে, প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের এই মহানগরটি উচ্চভূমির একটি প্রাচীন হ্রদের ওপর গড়ে উঠেছে। শহরের নিচে থাকা প্রাচীন জলাধার বা অ্যাকুইফার থেকেই নগরীর প্রায় ৬০ শতাংশ পানীয় জলের চাহিদা পূরণ হয়।

    বছরের পর বছর অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের কারণে এই ভূগর্ভস্থ জলাধার দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার ফলে ওপরের মাটি ধীরে ধীরে বসে যাচ্ছে। অতিরিক্ত পানি তোলার কারণে মেক্সিকো সিটিতে দীর্ঘস্থায়ী পানি সংকটও তৈরি হয়েছে। এমনকি এমন পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, যখন শহরের কলগুলো পুরোপুরি শুকিয়ে যেতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, লাগামহীন নগরায়ণও এই পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে। নতুন নতুন অবকাঠামো নির্মাণের ফলে কাদামাটিসমৃদ্ধ মাটির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

    মেক্সিকো সিটির ভূমিধসের ঘটনা প্রথম নথিভুক্ত হয় ১৯২০-এর দশকে। এরপর থেকে শহরবাসী ভাঙা রাস্তা, হেলে পড়া ভবন এবং রেলব্যবস্থার ক্ষতির মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

    সম্প্রতি নাসা ও ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর যৌথ প্রকল্পের স্যাটেলাইট ‘নিসার’ নতুন যেসব ছবি প্রকাশ করেছে, তাতে সমস্যাটির ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    পৃথিবীর জটিল প্রাকৃতিক পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছে নিসার স্যাটেলাইট। এটি ভূমির সূক্ষ্ম নড়াচড়াও শনাক্ত করতে সক্ষম। নাসার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি মহাকাশে পাঠানো সবচেয়ে শক্তিশালী রাডার ব্যবস্থাগুলোর একটি।

    ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে মেক্সিকো সিটির শুষ্ক মৌসুমে, নিসার শহরের মাটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। এতে দেখা যায়, শহরের কিছু অংশ প্রতি মাসে প্রায় শূন্য দশমিক ৮ ইঞ্চি নিচে নেমে যাচ্ছে, অর্থাৎ বছরে সাড়ে ৯ ইঞ্চিরও বেশি।

    সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে শহরের প্রধান বিমানবন্দর বেনিতো হুয়ারেজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

    শহরের বিখ্যাত ‘অ্যাঞ্জেল অব ইনডিপেনডেন্স’ স্মৃতিস্তম্ভেও এর প্রভাব স্পষ্ট। ১৯১০ সালে মেক্সিকোর স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নির্মিত ১১৪ ফুট উঁচু এই স্মৃতিস্তম্ভের নিচের ভূমি বসে যাওয়ায় এর ভিত্তিতে অতিরিক্ত ১৪টি সিঁড়ি যোগ করতে হয়েছে।

    নিসার বিজ্ঞান দলে থাকা ফ্লেমিশ ইনস্টিটিউট ফর টেকনোলজিক্যাল রিসার্চের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডেভিড বেকার্ট বলেন, ‘ভূমিধসের ক্ষেত্রে মেক্সিকো সিটি দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত একটি হটস্পট। নিসারের এই ছবিগুলো কেবল শুরু মাত্র। পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আরও নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।’

    ভূমিধস ছাড়াও এই স্যাটেলাইট হিমবাহের সরে যাওয়া, ফসলের বৃদ্ধি এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো প্রাকৃতিক ঘটনাও পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

  • জানা গেল মির্জা আব্বাস সাহেবের শেষ অবস্থা

    জানা গেল মির্জা আব্বাস সাহেবের শেষ অবস্থা

    সিঙ্গাপুরে মাথায় সফল অস্ত্রোপচার শেষে বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে পূর্ণ সুস্থতা ফিরে পেতে আরো প্রায় দুই মাস সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। খুব শিগগিরই তিনি একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইবেন।

    পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    প্রথমে বাংলাদেশে এবং পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরে মির্জা আব্বাসের মাথায় সফলভাবে অপারেশন হয়েছে। বর্তমানে তার মস্তিষ্কে কোনো ধরনের জটিলতা নেই। তবে নিয়মিত থেরাপি ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মির্জা আব্বাসের ভাগিনা জানিয়েছেন, চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন তার সহধর্মিণী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস। এ ছাড়াও রয়েছেন তার মেজো ভাই, মেজো ভাবি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। আগামী ঈদুল আজহার আগেই তার বোন ও পরিবারের অন্য সদস্যদের মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে।

    মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে এবং তাকে দেখতে হাসপাতালে নিয়মিত দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ভিড় করছেন বলে জানা গেছে।

    সম্প্রতি তাকে দেখতে হাসপাতালে যান চট্টগ্রামের সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস কাদের চৌধুরী এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ। তারা মির্জা আব্বাসের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

    এ ছাড়াও ঢাকা থেকে তার নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা মালয়েশিয়ায় তাকে দেখতে যাচ্ছেন।

    মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে তিনি নিজেই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সকলের সামনে উপস্থিত হবেন এবং দোয়া চাইবেন। শারীরিক প্রক্রিয়া ও থেরাপি শেষ করে খুব শিগগিরই তিনি দেশে ফিরে আসবেন।

    এদিকে মির্জা আব্বাসের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

  • কোন ভিটা’মিনের অভাবে পুরুষদের লি’ঙ্গ চিকন ও শু’ক্রা’ণু কমে যায়!

    কোন ভিটা’মিনের অভাবে পুরুষদের লি’ঙ্গ চিকন ও শু’ক্রা’ণু কমে যায়!

    ডা. শ্রীবাস্তবের মতে, ভিটামিন বি১২ এর অভাবের প্রধান লক্ষণগুলি হল ক্রমাগত ক্লান্তি এবং দুর্বলতা, হাত ও পায়ে ঝিঁঝিঁ পোকা বা অসাড়তা, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগের অভাব, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, ফ্যাকাশে বা ফ্যাকাশে ত্বক, জিহ্বা ফুলে যাওয়া বা জ্বালাপোড়া

    যখন আমাদের শরীরে কোনও পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়, তখন এর লক্ষণগুলি স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ভিটামিন বি১২ এমন একটি পুষ্টি উপাদান, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    জৌনপুরের স্যালভেশন হাসপাতাল (Salvation Hospital) এর ডা. বিবেক শ্রীবাস্তব জানান, আজকাল ভারসাম্যহীন জীবনধারা, ফাস্ট ফুড এবং পুষ্টির অভাবের কারণে মানুষের মধ্যে ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি দ্রুত দেখা যাচ্ছে। এই ঘাটতি ধীরে ধীরে অনেক গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার জন্ম দিতে পারে, তাই এর লক্ষণগুলি সনাক্ত করা এবং সময়মতো চিকিৎসা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    ডা. শ্রীবাস্তবের মতে, ভিটামিন বি১২ এর অভাবের প্রধান লক্ষণগুলি হল ক্রমাগত ক্লান্তি এবং দুর্বলতা, হাত ও পায়ে ঝিঁঝিঁ পোকা বা অসাড়তা, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগের অভাব, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, ফ্যাকাশে বা ফ্যাকাশে ত্বক, জিহ্বা ফুলে যাওয়া বা জ্বালাপোড়া, এবং কখনও কখনও মুখের ঘা। এই লক্ষণগুলি প্রায়শই ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করে এবং মানুষ এগুলিকে স্বাভাবিক ক্লান্তি বা দুর্বলতা ভেবে উপেক্ষা করে।

    ভিটামিন বি১২ নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। এর অভাবে নখ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রং পরিবর্তিত হয়ে হলুদ হয়ে যেতে পারে।

    National Health Services (NHS)-এর গবেষকরা বলছেন, ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি প্রথম পরিলক্ষিত হয় শরীরের চার অংশে– হাত, হাতের পাতা, পা ও পায়ের পাতা। গবেষকদের মতে, যাঁদের ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি আছে শরীরে, তাঁদের এই চার অংশে অদ্ভুত একটি অনিভূতি হয়। ডাক্তারি পরিভাষায় একে বলে ‘ প্যারাসথেসিয়া’ বা ‘পিন অ্যান্ড নিডল’, অর্থাৎ এই চার অংশে ঝিঁঝি ধরে কিংবা সূক্ষ্ম ছুঁচ ফোটানোর অনুভূতি হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে নার্ভের নানা সমস্যা, মালটিপল স্ক্লেরোসিস, হাইপারথাইরয়েডিজম, কম রক্ত, হাইপারভেন্টিলেশন, ডায়াবেটিস-এর কারণেও ‘ প্যারাসথেসিয়া’ হতে পারে।

    সিকে বিড়লা হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ড. দীপিকা আগরওয়াল জানান, শুক্রাণুকে সুস্থ রাখতে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ফলিক অ্যাসিড, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত খাবার বেশি করে খাওয়া উচিত। এর জন্য বিভিন্ন ধরনের বীজ, ফল, চর্বিযুক্ত মাছ, বাদাম, সবুজ শাকসবজি, ডালিম, তরমুজ ইত্যাদি খান। এর পরে, নিয়মিত ব্যায়ামও প্রয়োজন।