Author: news24x7 .online

  • আরও বড় হচ্ছে মন্ত্রিসভা, আলোচনায় আছেন যারা

    আরও বড় হচ্ছে মন্ত্রিসভা, আলোচনায় আছেন যারা

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভার আকার যেকোনো সময় বাড়তে পারে। একই সঙ্গে রদবদল হতে পারে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে। সরকার ও বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

    সরকারের জনবান্ধব বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনের কাজের গতি বাড়াতে ঈদুল আজহার পর বাজেট অধিবেশন শেষে এই সম্প্রসারণ হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য হচ্ছে যেসব মন্ত্রণালয়ে কাজের চাপ বেশি, সেখানে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা এবং একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব একটি মাত্র দপ্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা।

    সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় কয়েকজনকে উপমন্ত্রী হিসেবেও দেখা যেতে পারে। এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসন থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে।

    আলোচনায় যারা
    নতুন মন্ত্রিসভায় কয়েকজন অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান, পোড় খাওয়া রাজনীতিক এবং দুই-একজন তরুণ মুখ দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় আসছে।

    বর্তমান মন্ত্রিসভার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের আভাস মিলেছে। তিনজন মন্ত্রীর দায়িত্ব কমানোর পাশাপাশি একজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তন হতে পারে।

    ইতোমধ্যে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা একজন মন্ত্রী এবং দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আরেক মন্ত্রীর বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফলে তাদের দায়িত্ব কমিয়ে দেওয়ার আলোচনা চলছে।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে বর্ধিত মন্ত্রিসভায় দেখা যাবে। এক্ষেত্রে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানের নাম আলোচনায় রয়েছে।

    বর্তমান মন্ত্রিসভায় নোয়াখালী অঞ্চলের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুকের নামও আলোচনায় রয়েছে। নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে তিনি ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

    জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও দোহার-নবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক, কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।

    প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় আছেন খুলনার আজিজুল বারী হেলাল, ফরিদপুরের শহিদুল ইসলাম বাবুল ও সিরাজগঞ্জের আমিরুল ইসলাম খান আলিমের মতো নেতারা।

    মন্ত্রিসভার বাইরে সংসদ উপনেতা হিসেবে দলের স্থায়ী কমিটির প্রবীণ দুই সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আব্দুল মঈন খানের নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদে দুজন সদস্য বাড়তে পারে।

    টেকনোক্র্যাট কোটায় আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের মতো ত্যাগী নেতারা।

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। বর্ধিত মন্ত্রিসভায় তাকেও দেখা যেতে পারে।

    প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদুদ আলমগীর পাভেলের নাম আলোচনায় রয়েছে। বগুড়ার এই নেতা প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

    বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীকে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, কবে নাগাদ নতুন মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের নাম ঘোষণা করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত নির্দেশনা আসেনি। তবে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, এ বিষয়ে দলীয় ফোরামে কোনো আলোচনা হয়নি। এটি দলের চেয়ারম্যান ও সরকারপ্রধান তারেক রহমান ভালো বলতে পারবেন। তিনি কখন কাকে নেবেন, কোথায় দায়িত্ব দেবেন; সেটি সম্পূর্ণ তার এখতিয়ার।

    বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রিসভায় রয়েছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী। তবে কোনো উপমন্ত্রী নেই।

  • ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

    ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের সামরিক বাহিনীর জন্য অস্ত্র ও শাহেদ ড্রোন তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার ( ৯ মে ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

    মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহকারী একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত।

    নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চীনভিত্তিক ইউশিতা সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কোং লিমিটেড। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি ইরানের সেন্টার ফর ইনোভেশন অ্যান্ড টেকনোলজি কো-অপারেশনের (সিআইটিসি) হয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্থাটি ইরানের প্রযুক্তি ও অস্ত্র সংগ্রহ কার্যক্রম সমন্বয় করে থাকে।

    মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সংস্থাটি চীন থেকে ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র কেনার চেষ্টা চালিয়েছে।

    নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আরও রয়েছে দুবাইভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এফজেডসিও। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি ইরানের অস্ত্র সংগ্রহ কার্যক্রমে সহায়তার অংশ হিসেবে হংকংভিত্তিক এই ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কোং লিমিটেডের কাছে কয়েক মিলিয়ন ডলার স্থানান্তর করেছে।

    এ ছাড়া হংকংয়ের এইচকে হেসিন ইন্ডাস্ট্রি কোং লিমিটেড এবং বেলারুশভিত্তিক আর্মরি অ্যালায়েন্স এলএলসির বিরুদ্ধেও ইরানের অস্ত্র সংগ্রহে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

    বেলারুশে অবস্থানরত ইরানি নাগরিক মোহাম্মদ মাহদী মালেকি, যিনি আর্মরি অ্যালায়েন্সের কর্মী, তাকেও এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আর্মরি অ্যালায়েন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী তোলিবভকে ইরানের দীর্ঘদিনের অস্ত্র সংগ্রহ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আরেক হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মাস্টাড লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোরের জন্য কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র কেনাবেচার আর্থিক লেনদেন সহজ করেছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের ড্রোন ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ নেটওয়ার্ককে দুর্বল করা এবং আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • বদলে গেছে ক্ষমতার সমীকরণ, ৪৫ দিনে মহার্ঘ ভাতা দেবে সরকার!

    বদলে গেছে ক্ষমতার সমীকরণ, ৪৫ দিনে মহার্ঘ ভাতা দেবে সরকার!

    পাল্টে গেছে সরকার। ১৫ বছর পর বদলে গেছে ক্ষমতার সমীকরণ। হিসাব বলছে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের পোস্টাল ব্যালটে ছিল এই বদলের ছাপ। ফলে ধরে নেওয়াই যায় ডিএ বা মহার্ঘ ভাতার প্রভাব অন্য অনেক বিষয়ের সঙ্গে মিলেই প্রভাবিত করেছে ইভিএম-কে।

    মহার্ঘ ভাতা— ২০২৬ বিধানসভা ভোটের এক অন্যতম নির্বাচক-সমস্যা হয়ে ধরা দিয়েছিল। পথে নেমে আন্দোলন ঠিক যতখানি ঝাঁজালো হওয়ার কথা ছিল, হয়তো ততখানি হয়ে উঠতে পারেনি। তাই অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, আদৌ এর প্রভাব ইভিএম-এ পড়বে কি না! তৎকালীন সরকারও যেন সরকারি কর্মীদের ততটা গুরুত্ব দিতে চাইছিল না।

    রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা নিয়ে টানাপড়েন চলছে বহুদিন ধরে। ২০১৮-এ বহু আবেদন-নিবেদনের পর সরকারি কর্মচারীদের ১৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সে সময় তার ‘মিউ মিউ-ঘেউ ঘেউ’ মন্তব্য নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। বিরোধীরা অসংবেদনশীলতার অভিযোগ তোলেন। এমনকি কলকাতা হাইকোর্টও এই মন্তব্যকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দেয়।

    তার পর গঙ্গায় গড়িয়েছে অনেক জল, বয়স বেড়েছে সরকারের। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে দ্বন্দ্বও বেড়েছে সরকার ও কর্মীদের মধ্যে। পথে নেমে আন্দোলন করেছেন শিক্ষকদের একাংশ। কিন্তু মহার্ঘ ভাতা পাওয়া যায়নি।

    শিক্ষামহলের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরও শিক্ষকদের ‘গ্রান্ট ইন এড’ সংক্রান্ত বিষয়ে গড়িমসি করেছিল তৃণমূল সরকার। অন্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হলেও বাদ পড়ে গিয়েছেন শিক্ষকেরা। এমনকি সর্বশেষ বিধানসভায় বাজেটে ঘোষিত ৪ শতাংশ মহার্ঘ ভাতাও দেওয়া হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনের আদর্শ আচরণ বিধির দোহাই দিলেও তা নিতান্তই অজুহাত বলে দাবি শিক্ষকদের একাংশের। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত যে রিপোর্ট মমতার সরকার দিয়েছিল সেটা নিয়েও ব্যাপক আপত্তি ছিল শিক্ষকদের।

    রাজ্যের তরফে গত এপ্রিলে সুপ্রিম কোর্টে ৬২ পাতার ‘স্টেটাস রিপোর্ট’ পেশ করা হয়। জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের প্রায় ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার কর্মচারীকে ২০১৬ থেকে ২০১৯-এর সময়কালের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বাবদ ৪ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর পরই ওঠে বৈষম্যের অভিযোগ। ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর নির্দেশ থাকলেও সরকার সেটা করেনি বলেই অভিযোগ। শিক্ষকদের দাবি, রাজ্য সরকার ৬২ পাতার যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে তার মধ্যে সুকৌশলে ‘গ্র্যান্ট ইন এইড’-এর কথা বাদ দিয়েছে।

    বিগত রাজ্য সরকার মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার বিষয়ে দ্বিচারিতা করেছে বলেও সরব হয়েছেন শিক্ষকেরা। কারণ দফায় দফায় নবান্নে বৈঠকের পরেও বকেয়া মহার্ঘ ভাতার জট খোলেনি।

    ৯ মে বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নিয়েছেন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। নতুন সরকারের কাছে শিক্ষকেরা আবেদন জানাচ্ছেন মহার্ঘ ভাতার বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করার।

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আবেদন জানিয়েছে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘তৃণমূল সরকার বার বার শিক্ষকদের সঙ্গে বঞ্চনা করে এসেছে। ন্যায্য দাবি আদায়ে শুনতে হয়েছে যে ‘ঘেউ ঘেউ করবেন না’। তাই নতুন সরকারের কাছে আবেদন, শিক্ষকদের বঞ্চনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুন।’

    নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুজিত দাস বলেন, ‘আমরা আশা করব আজ যে সরকার গঠন হল, তারা সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে মহার্ঘ ভাতা প্রদানের বিষয়ে সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করবে।’

    বিজেপি টিচার্স সেলের শিক্ষক নেতা দীপল বিশ্বাস বলেন, ‘তৃণমূল সরকারের মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার বিষয়ে অনীহা আমরা সকলেই দেখেছি। বিজেপির তরফ থেকে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা এবং সপ্তম পে কমিশন চালু করা হবে। বিশ্বাস রাখুন বিজেপি সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা সেটা পূরণ হবে। মুখ্যমন্ত্রীও আশ্বাস দিয়েছেন।’

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • নবম পে-স্কেল: বাড়ছে তিনটি বিশেষ ভাতা

    নবম পে-স্কেল: বাড়ছে তিনটি বিশেষ ভাতা

    সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে নবম পে-স্কেল।

    গত ২১ এপ্রিল জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিশন সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছিল সরকার।

    সম্প্রতি এই কমিটি তাদের চূড়ান্ত মতামত জমা দিয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ লক্ষ্যে বিশেষ বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    জাতীয় বেতন কমিশনের তথ্য থেকে জানা যায়, প্রাথমিক সুপারিশে বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতাও পেনশন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

    পেনশনভোগীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিতে এবারের সুপারিশে তিন ধাপে পেনশন বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে।

    আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই খাতের আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি খসড়া বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নির্ভর করবে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর, যা ২০২৮-২৯ অর্থবছরের আগে সম্পূর্ণ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    নতুন বেতন কাঠামোতে কর্মচারীদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

    প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো হলো- বৈশাখী ভাতা: বর্তমানে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে দেওয়া হলেও এটি বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    টিফিন ভাতা: ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বর্তমানের ২০০ টাকা ভাতা বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    শিক্ষা ভাতা: সন্তানদের মাসিক শিক্ষা ভাতা ১,৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

  • ২৫ মে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে? থাকবে যেসব সিদ্ধান্ত

    ২৫ মে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে? থাকবে যেসব সিদ্ধান্ত

    পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এবারের ঈদে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    তবে আজ রবিবার বিকেল পর্যন্ত ঈদের ছুটির কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। গত দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ছুটির প্রজ্ঞাপন দেবে মন্ত্রণালয়।

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ছুটি থাকবে।

    এই দীর্ঘ ছুটির সমন্বয় করতে ঈদের আগের শনিবারের (২৩ মে) সাপ্তাহিক ছুটিটি বাতিল করেছে সরকার। অর্থাৎ ঈদুল আজহার সাত দিনের টানা ছুটির আগে ২৩ ও ২৪ মে সরকারি অফিস-আদালত নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে।

    সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৮ মে ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি। ঈদুল আজহার আগে ২৬ ও ২৭ মে দুদিন এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত তিনদিনসহ মোট পাঁচদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি।

    মন্ত্রিসভায় ২৫ মে ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ২৫ মে ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রণালয়।
    এ ছাড়া সাধারণত প্রজ্ঞাপনে জরুরি যেসব পরিষেবা খোলা থাকবে তা জানানো হয়।

  • আসছে বিপদ, ঢাকাবাসীকে ঘরের জানালা বন্ধ রাখার অনুরোধ

    আসছে বিপদ, ঢাকাবাসীকে ঘরের জানালা বন্ধ রাখার অনুরোধ

    আসছে বিপদ, ঢাকাবাসীকে ঘরের জানালা বন্ধ রাখার অনুরোধ

    জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। এক সতর্কবার্তায় ঢাকাবাসীকে ঘরের জানালা বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।

    ঢাকার বাতাস ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে মেগা সিটি ঢাকা বায়ুদূষণের কবলে। কিছুদিন ধরে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম দিকেই রয়েছে রাজধানী ঢাকা।

    রোববার সকালে শহরটির বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রতিষ্ঠান একিউআই তথ্য অনুযায়ী ৩৯৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ঢাকা।

    সতর্কবার্তায় ঢাকাবাসীর উদ্দেশ্যে একিউআই-এর পরামর্শ বাইরে বের হলে সুস্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই মাস্ক পড়তে হবে। খোলা স্থানে ব্যায়াম করা যাবেনা। আরো একটি পরামর্শ ঘরের জানালা বন্ধ রাখতে হবে।

  • আকাশে ভয়ংকর বৃষ্টি বলয়, ঝুঁকিতে ৩ বিভাগ

    আকাশে ভয়ংকর বৃষ্টি বলয়, ঝুঁকিতে ৩ বিভাগ

    দেশের আকাশে তৈরি হচ্ছে নতুন বৃষ্টি বলয়। আর সেটির প্রভাবে টানা ৯ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

    সংস্থাটির আশঙ্কা, বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তীব্র বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে রংপুর বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ ও সিলেট বিভাগ এলাকায়।

    গতকাল শনিবার (৯ মে) রাতে বিডব্লিউওটি জানায়, আগামী ১২ বা ১৩ মে দেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে এ বৃষ্টি বলয় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এরপর ১২ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত এটি সক্রিয় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি টানা না হয়ে বিরতি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে।

    সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টি বলয়টি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকবে। একই সঙ্গে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে তীব্র বজ্রপাতের প্রবল আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছে।

    এছাড়া রাজশাহী বিভাগ, ঢাকা বিভাগ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হতে পারে। যদিও এসব অঞ্চলে বড় পরিসরে বা দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    অন্য দিকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে, বিশেষ করে খুলনা বিভাগ ও বরিশাল বিভাগ-এ এ বৃষ্টি বলয়ের প্রভাব তুলনামূলক কম থাকতে পারে। সেখানে আবহাওয়া প্রায় স্বাভাবিক থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও বিচ্ছিন্নভাবে দু-একদিন হালকা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে, তবে তা বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না।

  • হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়, সকল ছেলেদের জানা উচিৎ

    হঠাৎ শা’রীরিক মি’লন বন্ধ করলে মে’য়েদের যা হয়, সক’ল ছেলেদের জা’না উ’চি’ৎ স্বা’মী-বিয়োগ, বিবাহ-বি’চ্ছেদ, বা অন্য শহরে চাকরি, এধরনের নানাবিধ কারণে মি`লন’তা হা’রিয়ে যেতে পারে না’রীর থেকে।

    এতে অনেক স’ময় ক্ষ’তিগ্র’স্থ হয় না’রী শ’রীর। মা’নসিক দিক থেকে সুখ ও শান্তি চ’লে যায়। অনেক দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভা’লোও হয়। ভা’লো-ম’ন্দ মি’লিয়ে স’হবা’স বন্ধ হওয়ার কারণে কী কী আসে জেনে নিন

    আ’গের চেয়ে অনেক বেশি উ’তলা করে তোলে: আম’র’া স’বাই জানি, মি’লন হ’তাশা, হাঁ’হুতাশ মেটাতে সাহায্য করে। কিন্তু কোনও অ’জ্ঞাত কারণে যদি না’রীর জীবনে স’হবা’সের চ্যা’প্টার বন্ধ হয়ে যায়, তবে মা’নসিক তৈরি ‘হতে পারে। ক’থায় ক’থায় মন খারাপ, কিছু ভা’লো না লা’গা, কারণে অকারণে অ’তিরিক্ত রা’গ জ’ন্মাতে শুরু ‘হতে পারে।

    মা’নুষের স’ঙ্গে দু’র্ব্য’বহার করতেও শুরু করে দিতে পারেন সেই না’রী। স্ক’টিশ গবেষকদের প’রীক্ষায় জা’না যায়, স’হবাস বন্ধ হয়ে গেছে এমন ম’হিলাদের নাকি লো’কের স’ঙ্গে ক’থা বলতেও অ’সুবিধে হয়।

    এর কারণ, স’হবা’স করার স’ময় থেকে যে ফি’ল গু’’ড কে’মিক্যাল এ’ন্ডোর্ফিন ও অ’ক্সিটোসিন নিঃ’সরিত হয়, তা বন্ধ হয়ে যাওয়া। ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট ই’নফেকশন হওয়ার স’ম্ভাবনা কমে যায়: স’’ঙ্গ’মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূ’ত্র’নালীতে সং’ক্রমণ ‘হতে পারে।

    প্র’স্রাবের স’ময় জ্বা’’লায’ন্ত্রণা শুরু ‘হতে পারে তখন। কিন্তু স’হবাস করা বন্ধ হয়ে গেলে ই’উরিনারি ট্র্যা’ক্ট স’ম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। স’র্দি কা’শি প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা কমে যায়: মি’লন- করলে শ’রীরে রো’গ-জী’বাণুর প্র’বেশ ক’ষ্টকর হয়ে ওঠে।

    অর্থাৎ, শ’রীরে রো’গপ্র’তিরো’ধ শ’ক্তি গড়ে ওঠে। পে’নসিলভেনিয়ার উ’ইলকিস’বারে বি’শ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মত, স’প্তাহে অ’ন্তত দু’বার স’হবা’স করলে ইমিউনোগ্লোবিন অ ছোটো করে বললে, ওমঅ।’ এই হর’মোনের নিঃ’সরণ শ’রীরে রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বা’ড়ায় হ’রমোনের প’রিমাণ ৩০% বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে স’র্দি, কা’শি, জ্ব’র হওয়ার প্র’বণতা কমে যায়। কিন্তু মি’লন করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে ক’মজো’রি হয়ে পড়ে না’রীশ’রীর। স’র্দি, কা’শির শুরু হয়।

    হৃ’দয় হা’র মা’নতে শুরু করে হ’রমোনের কাছে: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প’রীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, স’হবা’স করলে ভা’লো থাকে। হ’র’মোনের নিঃ’সরণ যথাযথ প’রিমাণে ‘হতে থাকে। কিন্তু অনেকদিন স’হবা’স বন্ধ থাক’লে হৃ’দযন্ত্রে নে’তিবাচক স’মস্যা তৈরি করতে পারে। শ’রীর ক’মজো’রি হয়ে পড়ে। নিয়’মিত এ’ক্সারসাইজ় করলে বা ট্রে’ডমি’লে দৌড়ালেও লাভ হয় না। স’হবাস করার ইচ্ছে চ’লে যেতে পারে: যাঁরা মনে করেন, নিয়’মিত স’হবাস করার অ’ভ্যাসে একবার দাঁ’ড়ি বসলে, কা’মনা-বা’স’নার লা’গাম ছাড়িয়ে যায়।

    তা হলে তাঁরা ভু’ল জানেন। স’হবা’স করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে, মি’লিত হওয়ার বাস’না কমে যায়। এটা ম’হিলাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। শ’রীরে উ’ত্তেজ’না লোপ পেতে শুরু করে। একটা স’ময় প’র আর কা’মেচ্ছা জাগে না। বু’দ্ধি কমে যায়: নিয়’মিত স’হবা’স করা শুরু করলে, সেটা যদি হঠাৎ ব’ন্ধ হয় যায়, তবে বু’’দ্ধি লো’প পেতে পারে। সারাক্ষণের ক্লা’ন্তি, হ’তা’শা ম’স্তিষ্কে নেতিবাচক প্র’ভাব ফে’লতে পারে।

    যার ফলে স’বচেয়ে বেশি প্র’ভাবি’ত হয় স্ম’রণশ’ক্তি। স’বকিছু ভু’লে যাওয়ার স’মস্যা তৈরি ‘হতে থাকে। আর এর জ’ন্য দায়ি একমাত্র স’হবা’স থেমে যাওয়া।

  • ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে মূল বেতন, কর্মচারীদের জন্য বিশাল সুখবর

    ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে মূল বেতন, কর্মচারীদের জন্য বিশাল সুখবর

    যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে খুব শীঘ্রই আগামী বছরের শুরুর দিকে নতুন বেতন কমিশন চালু হতে পারে ভারতে।

    ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর। এক ধাক্কায় ১৮৬ শতাংশ বাড়তে পারে তাদের মূল বেতন।

    অষ্টম বেতন কমিশন ঘোষণার আগে এই নিয়ে একটা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা এখন বেতন বৃদ্ধির আশা করছেন।

    এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম মূল বেতনের পরিমাণ ১৮ হাজার টাকা। এর উপরে মহার্ঘ ভাতা এবং অন্যান্য ভাতা পাওয়া যায়। সপ্তম বেতন কমিশনে এই টাকার অংক ঠিক করা হয়েছিল এবং এখনো পর্যন্ত এই একই বেতন চলে আসছে। ষষ্ঠ বেতন কমিশনে মাসে ৭০০০ টাকা ছিল কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের বেসিক বেতন।

    ইতিমধ্যেই অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে মুখ খুলেছেন ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ জয়েন্ট কনসাল্টেটিভ মেশিনারির সচিব শিব গোপাল মিশ্র। তিনি বলছেন, বেতন নির্ধারণের ভিত্তি নতুন পে কমিশন চালু হলে হবে ২.৮৬। এর আগে সপ্তম বেতন কমিশনে কিন্তু এটা ছিল ২.৫৭।

    ফলে সবমিলিয়ে ২৯ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি পাবে বেতন। তিনি বলছেন, যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের প্রতি মাসের ন্যূনতম মূল বেতন বেড়ে দাঁড়াবে ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা। ফলে অষ্টম বেতন কমিশনে অনেকটাই বেশি বেতন পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা। বেতনের পাশাপাশি সমস্ত ধরনের মহার্ঘ ভাতা পাওয়া যাবে। সঙ্গেই পেনশন তারা পাবেন।

    বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের ন্যূনতম পেনশন ধার্য রয়েছে ন’হাজার টাকা। মিশ্রের অনুমান মিললে সেখানেও ১৮৬ শতাংশের বৃদ্ধি দেখা যাবে। সে ক্ষেত্রে ন্যূনতম পেনশন এক লাফে ২৫ হাজার ৭৪০ টাকায় গিয়ে পৌঁছতে পারে। অষ্টম বেতন কমিশনের ব্যাপারে এখনও সরকারি ভাবে কোনও ঘোষণা করেনি নরেন্দ্র মোদী সরকার।

  • টানা ৩ ঘন্টা ধরে সহ-বা.স করতে গিয়ে হাসপাতালে দম্পতি

    টানা ৩ ঘন্টা ধরে সহ-বা.স করতে গিয়ে হাসপাতালে দম্পতি

    তিন ঘণ্টা ধরে উপভোগ করলেন চ’রম যৌ’নসুখ। আর তারপরই হাসপাতালে ভর্তি হতে হল ম’হিলাকে। সিয়াটেলের দম্পতি এরিক ও লিজা যৌ’ন,মি’লনে লি’প্ত হন। এক ঘণ্টা পর এরিক বিছানা থেকে নেমে কাজে যেতে চাইলেও নিজেকে তখনও সামলাতে পারেননি লিজা।
    লিজা বলেন, এক ঘণ্টা অ’র্গা,জম অনু,ভব করার পর আমি ওয়াইন খেয়ে চেষ্টা করছিলাম নিজেকে শান্ত করার। সবরকম চেষ্টা করেও ৩ ঘণ্টা,র আগে শান্ত হতে পারিনি।

    দু ঘণ্টা পরই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান এরিক। কিন্তু সেখানেও অন্তত এক ঘণ্টা লেগেছে তাঁর স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে। সে’ক্স সেন্ট মি টু এর নামক একটি টেলিভিশন শো-য়ে নি,জেদের অ’ভিজ্ঞ,তার কথা জানান এরিক ও লিজা।

    নারী ভাড়াটিয়ার বেডরুম ও বাথরুমে গোপন ক্যামেরা! আর তাতেই গোপনে রেকর্ড হচ্ছিল সব। বাথরুম ও বেডরুমে লুকিয়ে রাখা ক্যামেরা দিয়েই সার্বক্ষণিক নজর রাখা হতো। কিন্তু একপর্যায়ে ভাড়াটিয়ার নজরে পড়ে গেল সেটি।

    অভিযুক্তের সন্দেহজনক আচরণই ফাঁস করে দিলো তার কুকীর্তি। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাড়ির মালিকের ৩০ বছর বয়সী ছেলেকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে।

    মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া ডটকম ও টাইমস নাউ।

    সংবাদমাধ্যমটি বলছে, নারী ভাড়াটিয়ার ভাড়া নেওয়া এই অ্যাপার্টমেন্টে গোপন ক্যামেরা খুঁজে পাওয়ার এই ঘটনা বিভিন্ন শহরে একা বসবাসকারী নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। নারী ভাড়াটের অ্যাপার্টমেন্টে বেআইনিভাবে গোপন ক্যামেরা বসানোর দায়ে অ্যাপার্টমেন্টের মালিকের ছেলেকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, অভিযুক্তের নাম করণ। সে তিন মাস আগে ওই নারীর বেডরুম ও বাথরুমে গোপন ক্যামেরা বসিয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব দিল্লির শকরপুর এলাকায়।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য দিল্লির শকারপুরে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের এক যুবতী। যে অ্যাপার্টমেন্টে ওই যুবতী থাকতেন, তার উপরের তলায় বাড়ি মালিকের স্ত্রী ও ছেলে থাকতেন। তাদের ভালো ব্যবহার, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণে ভরসা করেই ওই যুবতী বাড়ি যাওয়ার সময় চাবি দিয়ে গিয়েছিলেন।

    তবে উত্তর প্রদেশ থেকে ফেরার পরই ওই যুবতী হঠাৎ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। প্রথমে গুরুত্ব না দিলেও, তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক গতিবিধি হতেই ‘লিঙ্কড ডিভাইস’ চেক করেন। সেখানে দেখেন— একটি অজানা ল্যাপটপের সঙ্গে তার হোয়াটসঅ্যাপ লিংক দেখাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ল্যাপটপ থেকে লগ আউট করে দেন।

    এই ঘটনার পরই তার সন্দেহ হয় যে— কেউ নজর রাখছে। এরপর বাড়ি তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর নজরে আসে, বাথরুমে লাগানো লাইট বাল্বটি একটু ব্যাঁকা দেখাচ্ছে। খুলতেই দেখেন, ভেতরে ক্যামেরা। এক মুহূর্তও নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে ফোন করেন যুবতী। পরে পুলিশ এসে ফের তল্লাশি চালায়। এবার যুবতীর বেডরুমের লাইট বাল্ব হোল্ডারের ভেতর থেকেও ক্যামেরা বের হয়।

    পুলিশ ওই যুবতীকে প্রশ্ন করে— তার অ্যাপার্টমেন্টে কাদের যাতায়াত ছিল। ভুক্তভোগী যুবতী জানান, প্রায়সময়ই তিনি বাড়ি মালিকের ঘরে চাবি দিয়ে যেতেন। এরপরই পুলিশ বাড়ি মালিকের ছেলেকে আটক করে।

    জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি স্বীকার করেন, তিন মাস আগে যুবতী যখন বাড়ি গিয়েছিলেন, সেই সময় তার ঘরে ঢুকে বেডরুম ও বাথরুমে ক্যামেরা লাগিয়ে আসে সে। ক্যামেরাগুলোতে মেমরি কার্ডও ছিল। যখন মেমরি ফুল হয়ে যেত, তখন বিদ্যুতের কাজের নামে ওই অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে সেই রেকর্ডিং নিজের ল্যাপটপে ট্রান্সফার করে, ফাঁকা চিপ লাগিয়ে আসত।

    এই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তের কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে। এই ল্যাপটপের মধ্যে যুবতীর একাধিক নগ্ন ভিডিও পাওয়া গেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।