কনসিভ করেছেন? পিরিয়ড বন্ধের আগে যেভাবে বুঝে যেতে পারেন

কনসিভ করেছেন? পিরিয়ড বন্ধের আগে যেভাবে বুঝে যেতে পারেন
বেশ কিছু দিন ধরে মা হওয়ার চেষ্টা করছেন। পিরিয়ড মিস হচ্ছে কিনা সেই দিকেও খেয়াল রাখছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার অপেক্ষায় থাকবেন না। কিছু লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই প্রেগন্যান্সির (Pregnancy) টেস্ট করিয়ে নিন। সাধারণভাবে পিরিয়ড মিস হলেই গর্ভধারণের লক্ষণ বলে মনে করা হয়। তবে,গর্ভধারণের কয়েকটি লক্ষণ পিরিয়ড মিস হওয়ার আগে আমাদের শরীরে ফুটে ওঠে। দেখে নিন পিরিয়ড মিস হওয়া ছাড়াও আর কী কী লক্ষণ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পিরিয়ড মিস হওয়াকে গর্ভধারণের (Pregnancy) একমাত্র লক্ষণ বলে মনে করা হয় না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড মিস না-হওয়া সত্ত্বেও অনেক মহিলাই গর্ভধারণ করেন।

আপনিও যদি প্রেগন্যান্ট হওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে এই শারীরবৃত্তিয় ঘটনাগুলি গর্ভধারণের ইশারা হিসেবে কাজ করে। তাই এই লক্ষণগুলি দেখে দিলে সঙ্গে সঙ্গে ওয়াকিবহাল হন। পিরিয়ড ছাড়া শরীরে কোন কোন পরিবর্তন দেখলে (Symptoms Of Pregnancy) গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেন জেনে নিন।

প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ মনে করা হয়। তবে এই লক্ষণ দিনে বা রাতে- যে কোনও সময়ই হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভধারণ করার এক মাস পর থেকে অনেকেরই এই লক্ষণ দেখা দেয়। 4 থেকে 6 সপ্তাহ পর বমি শুরু হয়। এ সময় অ্যাস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনোর স্তর বৃদ্ধি পায় তাই সকালে উঠে গা গোলায়। শুধুই যে সকালে এই সমস্যা হয় তা কিন্তু নয় অনেকেরই দিনের যে কোনও সময় একাধিক বার বমি হতে পারে। পিরিয়ড মিস করার আগে ৮০ শতাংশ মহিলাদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা যায়। আবার কিছু মহিলাদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার ৬ সপ্তাহ বা তার আগে থেকে বমি অনুভূত হতে থাকে।

যেহেতু গর্ভধারণের সময় থেকে হরমোনের নানান পরিবর্তন দেখা যায় তাই এই সময় মুড সুইং কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হঠাৎ করে কান্না পাওয়া আবার রেগে যাওয়া, কেউ কেউ আবার আনন্দ পায় আবার কখনও এক্সাইটেড হয়ে যান অনেকে। আপনার সঙ্গেও যদি এমন কিছু ঘটে থাকে তাহলে একেবারেই উপেক্ষা করবেন না। প্রেগনেন্সি টেস্ট করিয়ে নিন।

প্রেগনেন্সির প্রথম থেকেই মাথাব্যথা অনুভূত হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে রক্ত সঞ্চালন এবং হরমোনের স্তর বৃদ্ধির পেলে এই ধরনের সমস্যা দেখা যায়। পিরিয়ড মিস হওয়ার আগেই তীব্র মাথা ব্যথার পাশাপাশি ক্লান্তি অনুভবের সমস্যা হতে পারে।

বার বার শৌচালয়ে গেলেও গর্ভধারণের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হিসেবে বলা যেতে পারে। এই সময় দিনে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বার প্রস্রাব হতে পারে। গর্ভাবস্থার সময় শরীরের রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই এ সময় কিডনি অধিক পরিমাণে তরল নিঃসৃত করতে শুরু করে, যার ফলে ইউরিনের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

গর্ভধারণের পর অধিকাংশ মহিলার অরুচি চলে আসে। খিদে ও অরুচি- হঠাত্ খিদে বেড়ে যাওয়াও কিন্তু প্রেগন্যান্সির লক্ষণ। পছন্দ-অপছন্দও প্রেগন্যান্সির বেশ জোরালো লক্ষণ। এখানেই শেষ নয়, গর্ভধারণকালে, দিন বা রাতের যে কোনও সময়, যে কোনও খাদ্য বস্তু খাবার ইচ্ছা জাগতে পারে।

অনেক সময় জল তেষ্টা পায় অনেকের। অনেকেরই চোখে মুখে ফোলা ভাব লাগে,কারোর শরীরে হাঁসফাঁস করতে লাগে। তাই এই সব লক্ষণগুলি দেখলে অবশ্যই টেস্ট করিয়ে নিন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *